নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালবাসাই মানুষকে সুখী করে

৭১কে দেখিনি, তাতে কোনো দুঃখ নেই, কারন শাহবাগে আমি জীবন্ত ৭১কে পেয়েছি।

রাইটসম্যান

I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.

রাইটসম্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিষাক্ত পিপার স্প্রে নিয়ে আইনজীবীদের মত : মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধে পুলিশকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১০

মানুষের ওপর পিপার স্প্রের মতো বিষাক্ত জীবননাশী অস্ত্রের প্রয়োগ সংবিধানপ্রদত্ত মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছেন আইনজীবীরা। তারা কোনো কারণ ছাড়াই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ক্ষতিকর এ রাসায়নিক গ্যাসের ঢালাও ব্যবহারকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ উল্লেখ করে এর জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথা পুলিশকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। আইনবিশেষজ্ঞরা বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে যুদ্ধক্ষেত্রেও পিপার স্প্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ। মানবদেহের ওপর এর ব্যবহার ‘ইন্টারন্যাশনাল কেমিক্যালস ওয়েপন কনভেনশনে’র লঙ্ঘন। এ বিষাক্ত গ্যাস পশুপাখি শিকারের জন্য ব্যবহার করা হয়; মানুষ মারার জন্য নয়। আজ যাদের নির্দেশে এর প্রয়োগ হচ্ছে, একদিন তাদেরও বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়ানো লাগতে পারে।

মরিচের ঝাঁঝযুক্ত রাসায়নিক অস্ত্র পিপার গ্যাস পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পাগলা কুকুরের মতো ভয়ংকর বন্য জীবজন্তুর আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সম্প্রতি বাংলাদেশে সরকার জামায়াত-শিবিরসহ বিরোধী জোটের আন্দোলন মোকাবিলারা জন্য এ অস্ত্রের আমদানি করে। তারা পরীক্ষামূলকভাবে আন্দোলনরত শিক্ষকদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিসহ বিভিন্ন সভা-সমাবেশে এর প্রয়োগ করে। এতে এক শিক্ষকের মৃত্যুর অভিযোগও ওঠে। পিপার স্প্রে প্রয়োগ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে দায়ের হওয়া এক রিটের শুনানি নিয়ে ২১ জানুয়ারি সোমবার মানবদেহের ওপর পিপার স্প্রে প্রয়োগের আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রুল জারি করে হাইকোর্ট। পিপার স্প্রের ব্যবহার কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা তিন সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে জানাতে বলে আদালত।

এ বিষয়ে গতকাল আমার দেশ-এর সঙ্গে কথা বলেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান, সিনিয়র অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক ও নির্বাচন আইন বিশারদ সাঈদুর রহমান, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক, সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আখতার উল ইসলাম। তারা আমার দেশ-এর কাছে পৃথক প্রতিক্রিয়ায় এ গ্যাসের ব্যবহার বন্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। আইনজীবীরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগ্রাসী ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, এতে সরকারের দেউলিয়াত্ব ফুটে উঠেছে। বর্তমান সরকার অতীতের স্বৈরাচারী শাসকদের মতো আচরণ করছে। সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে দেশকে স্থিতিশীল রাখা ও সংবিধানে দেয়া মানুষের মৌলিক অধিকার সমুন্নত রাখার স্বার্থে অবিলম্বে এ গ্যাসের ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি বলেও মনে করছেন তারা।

প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বলেন, পশু-পাখি শিকারের জন্য বিভিন্ন দেশে পিপার স্প্রে ব্যবহার করা হয় মানুষ মারার জন্য নয়। মানুষের ওপর এমন বিষাক্ত গ্যাসের প্রয়োগ অবশ্যই বন্ধ হওয়া উচিত। কোনো সভ্য দেশে এটা করা যায় না। অথচ আমাদের দেশে তা-ই করা হচ্ছে। তিনি বলেন, মানবদেহের ওপর বিষাক্ত কেমিক্যালসের প্রয়োগ চরম অমানবিক; সংবিধানে দেয়া মৌলিক মানবাধিকারের লঙ্ঘনও বটে। বিষয়টি আদালতে গড়িয়েছে। এখন আদালতই সিদ্ধান্ত দেবে। তিনি পিপার স্প্রের পক্ষে গণমাধ্যমে প্রকাশিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যকে নাকচ করে দিয়ে বলেন, তার ধারণা ভুল। তিনি না জানার কারণে এমনটা বলছেন।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, একটি দেশে আদালত ছাড়া অন্য কারও বিচার করার অধিকার নেই। অপরাধ সংঘটিত হলে তার বিচার করবে আদালত। পুলিশ কখনও বিচার করতে পারে না। শাস্তি দেয়ার তো প্রশ্নই আসে না। রাজনৈতিক কমসূচি ভণ্ডুল করতে পুলিশের বিষাক্ত পিপার স্প্রের প্রয়োগ আমাদের সংবিধানের ৩৫(৫) ও ৩৭ ধারার লঙ্ঘন। তিনি পুলিশকে এ কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানুষের ওপর এসব বিষাক্ত গ্যাসের ব্যবহার মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। এটা বন্ধ না হলে দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।

এ আইনজীবী নেতা বলেন, সরকার বিরোধীদের দমন করতে এর ব্যবহার করছে। অথচ বিক্ষোভ সমাবেশ দমনে তো নয়ই, এমনকি যুদ্ধের সময়ও এর ব্যবহার আন্তর্জাতিক আইনে নিষিদ্ধ। এসবের কারণে পুলিশের মধ্যে শাস্তি দেয়ার একটি বর্বর মানসিকতা তৈরি হয়েছে। নানা অপরাধে উত্সাহী হচ্ছে পুলিশ। এর দায়ভার বর্তমান শাসকগোষ্ঠীকেই নিতে হবে। মানবতাবোধ সমুন্নত রাখতে এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করা জরুরি বলে মত দেন তিনি।

সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক ও নির্বাচন আইন বিশারদ মো. সাঈদুর রহমান বলেন, আমাদের সংবিধানে যেখানে কোনো মানুষকে নিষ্ঠুর শাস্তি দেয়াটাই নিষিদ্ধ, সেখানে পুলিশের এ নিষ্ঠুর আচরণ শুধু সংবিধান পরিপন্থীই নয়; বরং চরম মানবতাবিরোধী গর্হিত একটি অপরাধ। পুলিশ বাহিনীকে দিয়ে সংবিধান পরিপন্থী কাজ করানো যেমন মৌলিক মানবাধিকারের জন্য হুমকিস্বরূপ, তেমনি এটি রাষ্ট্র এবং গণতন্ত্রের জন্যও ভয়ঙ্কর; বিপজ্জনক। সরকারের উচিত এখান থেকে সরে আসা। নইলে দেশে বিপর্যয় নেমে আসবে।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে আদালত থেকে এরই মধ্যে একটি রুল ইস্যু হয়েছে। সরকার কী জবাব দেয়, দেখতে হবে। আপাতদৃষ্টিতে এর ব্যবহার খারাপ মনে হচ্ছে আমার কাছে। না জেনে না বুঝে কিছু বলা বোধহয় ঠিক হবে না। আমাকে আগে জানতে হবে।

সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি ছত্রভঙ্গ করতে পািপার স্প্রের মতো বিষাক্ত রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার অনাকাঙ্ক্ষিত। অনেক বিকল্প উপায় আছে, যা প্রয়োগ করে বিক্ষোভ বা দাঙ্গাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া যায়। তিনি বলেন, পিপার স্প্রে ব্যবহারের কারণে রাসায়নিকভাবে যতটা ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে, তার চেয়ে বেশি বিবেচনার বিষয় হলো জনমনে বিরূপ ধারণার সৃষ্টি হচ্ছে।

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আখতার উল ইসলাম বলেন, হিংস্র বন্যপ্রাণী প্রতিরোধে যে রাসায়নিক অস্ত্র তৈরি করা হয়, শিক্ষকদের ওপর কিংবা বিরোধী দলের সাধারণ আন্দোলন কর্মসূচি ভণ্ডুল করতে ব্যবহার করাটা মানবতাবিরোধী; বেআইনি। এ আচরণ সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাব প্রকাশ করে।

তিনি বলেন, সরকার স্বৈরাচারের পদাঙ্ক অনুসরণ করছে। অতীতের স্বৈরাচারী সরকারদের মতো বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের এ আচরণ অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও পীড়াদায়ক। মানুষের ওপর এ ধরনের ‘কেমিক্যালস’ প্রয়োগে মৃত্যুর ঘটনা পর্যন্ত ঘটছে। এর জন্য দায়ীদের ভবিষ্যতে হয়তো বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হতে পারে।

Click This Link

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৩০

টাইটান ১ বলেছেন: আন্দোলন যদি শক্তিশালী হয় তাহলে এসব পিপার আপার দিয়ে কোনো কাজ হবে না।

২| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৩৪

প্রত্যাবর্তন@ বলেছেন: আশাতে থাকলাম

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.