নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালবাসাই মানুষকে সুখী করে

৭১কে দেখিনি, তাতে কোনো দুঃখ নেই, কারন শাহবাগে আমি জীবন্ত ৭১কে পেয়েছি।

রাইটসম্যান

I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.

রাইটসম্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

শিক্ষকদের চিকিত্সাভাতায় মোরগ মুরগিরও চিকিত্সা হবে না : বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১৫

কখনও কখনও কোনো কোনো কাজে আল্লাহর আরশ কেঁপে ওঠে, আসমান ভেঙে পড়ে। অতিসম্প্রতি তেমনই ঘটেছে পুলিশ পদক প্রদানের ক্ষেত্রে। যার যাকে পছন্দ সে তাকে ভালো বলবে, অপছন্দকে খারাপ। এটাই জগতের রীতি। এসবে আমার কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু মতভেদ দেখা দেয় তখনই, যখন নিয়মকানুনের বাইরে কিছু সৃষ্টিছাড়া কাজ হয়। যেমনটা হয়েছে সেদিন। পুলিশের ডিসি জনাব হারুনের পদকপ্রাপ্তির ব্যাপারে। তার পদকপ্রাপ্তিতেও আমার কোনো আপত্তি নেই। কারণ এখন যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা তাদের মতো লোকদেরই পদক দেবেন এখানে আপত্তির কী আছে? কিন্তু আমার বড় বিরক্তি জেগেছে, প্রতিমন্ত্রী কিছু বললেন না, স্বরাষ্ট্র সচিব বললেন না, পুলিশের আইজি নীরব। আমার ভগ্নী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবকিছুতেই কথা বলেন, তিনিও এখানে কিছু বললেন না। সব কথা বললেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর। সেকথাও যদি প্রণিধানযোগ্য হতো, তাহলে বলার কিছু ছিল না, তাকে ধন্যবাদ দেয়া যেত। শুরু থেকেই তিনি মারাত্মক মারাত্মক কথা বলে আসছেন। জানি না মারাত্মক কথায় বিশ্বরেকর্ড করতে চান কি-না, গিনেসবুকে নাম তুলতে চান কি-না। ওসব যদি চান তাহলে তাকে আরও প্রশিক্ষণ নিতে হবে, পারদর্শী হতে হবে। মারাত্মক মারাত্মক কথার লয়-তাল শিখতে হবে। তবু বর্তমানে যা কসরত করছেন, তাও একেবারে ফেলবার মতো নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই রামুতে বৌদ্ধপল্লী ধ্বংসের যে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন, তা মোটেই যথাযথ ছিল না। বিশ্বজিত্ দাসের ব্যাপারে তার কথাবার্তা, তার কার্যকলাপ মোটেই প্রশংসনীয় নয়। চুলকিয়ে ঘা করার মতো তার বলার কোনো প্রয়োজন ছিল না। তস্করেরা ছাত্রলীগ, নাকি বহিষ্কৃত, নাকি তাদের বংশবুনিয়াদ জামায়াত-শিবির? তারা যে কর্ম করেছে, তাতে আইনের চোখে যে কর্মফল পাওয়ার কথা, তারা তা-ই পাবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, ঘাতকরা কেউ ছাত্রলীগার নয়, তারা বহিষ্কৃত। এসব বলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দরকার কী? আবার হত্যার আগে তিনি বলেছিলেন, ছাত্রলীগ-যুবলীগ রাজপথে হরতাল মোকাবিলা করবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তো ওসব সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক নন—তিনি পুলিশের মন্ত্রী। বিডিআর, র্যাবের মন্ত্রী। তাদের তিনি আদেশ-নির্দেশ দেবেন। ছাত্রলীগকে কেন? ছাত্রলীগ-যুবলীগকে নির্দেশ দেয়ার মতো অত বড়মাপের নেতা তিনি নন। আবার সব কুলমান ধ্বংস করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ব্যাখ্যা দেয়া হলো বিশ্বজিত্ দাসের ঘাতকরা কে, কোন দল করে। তাদের চৌদ্দগোষ্ঠী কে, কী, কোথায় ছিল, কোথায় আছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে এতসবের দরকার কী? এতেই তো বোঝা যায় মাচার তলে কে—আমি গুড় খাই না। এত বেশি প্রতিক্রিয়া দেখানোয় সাধারণ মানুষ মনে করছে নিশ্চয়ই ওর মধ্যে বড়সড় কিছু আছে। ওই হত্যাটি যে পূর্বপরিকল্পিত ছিল এখন আর তা কাউকে বলে বোঝাতে হবে না। সরকারের অতিমাত্রার ইন্টারেস্ট দেখে মানুষ তা বুঝে ফেলেছে। এতকাল হিন্দু সম্প্রদায় মনে করত আওয়ামী লীগ তাদের দল। কিন্তু এখন আর অনেক হিন্দুই তেমন মনে করার সাহস রাখে না। আঘাতের পর আঘাতে যখন বিশ্বজিত্ জর্জরিত হচ্ছিল, তখন সে বারবার চিত্কার করে বলেছিল সে মুসলমান নয়—হিন্দু, সে আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়। তার বাপ-মা আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়; কিন্তু তাতেও তার জীবন রক্ষা হয়নি। অনেকেই প্রশ্ন করেছে, আমার হাতে দায়িত্ব থাকলে আমি কী করতাম। দায়িত্ব যখন নেই, তখন কী করতাম তা বলারও মানে হয় না। কিন্তু তবু বলি, অমন ঘটনার সময় ওখানে দায়িত্বরত সব ক’জন কর্মকর্তাকে তত্ক্ষণাত্ সাময়িক বরখাস্ত করতাম। র্যাব, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট, এসবি, ডিবি, এনএসআই, ডিজিএফআই যত রকম কর্মকর্তা সেদিন ওখানে কর্মরত ছিল সব ক’জনকে, একজনকেও রেহাই দিতাম না। তারপর বেছে বেছে কার দায়িত্ব কতখানি নিরূপণ করে সাত দিন থেকে সাত মাসের জেল দিয়ে পাঠিয়ে দিতাম। আমি নির্দেশ পাইনি তাই করিনি। আমাকে বারণ করেছে, তাই হত্যাকারীদের বাধা দিতে পারিনি— ওরকম অজুহাতে কাজ হতো না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ মানতে হয়। সেজন্য হয়তো ছোটজনের কম শাস্তি, বড়জনের বেশি শাস্তি। কিন্তু শাস্তির হাত থেকে কেউ বাঁচতে পারত না। বিশ্বজিত্ দাসকে যখন একের পর এক দা দিয়ে কোপাচ্ছিল, রড দিয়ে মারছিল, প্রাণ বাঁচাতে যখন ছেলেটি ছোটাছুটি করছিল— আশপাশে যে শত শত লোক দাঁড়িয়ে তামাশা দেখছিল, তাদের যাকেই পাওয়া যেত তাকেই কমপক্ষে সাত দিনের জেল দিতাম। যে সাংবাদিক ছবি তুলেছে, ক্যামেরা ফেলে কেন তস্করের রড জাপটে ধরেনি, চাপাতি কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করেনি—সেজন্য কম করে তিন দিন জেল দিতাম। সে তার মানবিক দায়িত্ব আগে পালন না করে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছে, এজন্য তার জেল হতো। মানুষের মানবতা সবার আগে, তারপর অন্যকিছু। তবে ওই সাংবাদিককেই আবার অত ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে দেশবাসীকে ওই কঠিন নিষ্ঠুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের চিত্র ধারণ করে নাড়া দেয়ায় অবশ্য অবশ্যই পুরস্কৃত করতাম। এখন আসি যারা বিশ্বজিেক কুপিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে তাদের বিষয়ে। এমন দিবালোকে যারা হত্যা করেছে, তাদের বিচারের জন্যও যদি ভাবতে হয়, তাহলে সাগর-রুনির হত্যাকারীদের কেয়ামতের আগে ধরা পড়ার কোনো সম্ভাবনা দেখি না। ওদের তো বিচার হবেই। শাস্তি হবে ফাঁসি। সেখানে ক’জনের হবে, সেটা হয়তো বিবেচ্য হতে পারে। অন্যকিছু বিবেচনা করার সুযোগ কোথায়? আবার মজার ব্যাপার, সারা দুনিয়ার মানুষ দা দিয়ে কোপাতে দেখেছে কিন্তু আওয়ামী ডাক্তার পোস্টমর্টেমে ভিকটিমের গায়ে ধারালো অস্ত্রের চিহ্ন পায়নি। পাবে কী করে? ফরমায়েশি পোস্টমর্টেমে কখনও চিহ্ন পাওয়া যায়? যায় না। তাই পায়নি। হয়তো অন্য কারও পোস্টমর্টেম করে বিশ্বজিতের নামে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা হয়েছে। এমন জালিয়াত জগত্সংসারে দ্বিতীয়টি পাওয়া যাবে? আমার তো মনে হয় এমন মানবতাহীন, মনুষ্যত্বহীন আওয়ামী দালাল ডাক্তার এ পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। যা নিয়ে শুরু করেছিলাম সেই হারুন, তার পুলিশ পদক। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খুব গদগদ হয়ে বলেছেন, তার কর্তব্য পালনের জন্য তো তাকে পুলিশ পদক দেয়া হয়েছেই, মূলত বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের ঘটনার কারণেই তিনি এ পদক পেয়েছেন—তার কথার অর্থ এমনই দাঁড়ায়। বলিহারি যাই মাননীয় মন্ত্রীর কথায়। এই যদি অবস্থা হয়, তাহলে পরে কী হবে? অন্য সরকার এলে এই সরকারের লোকজনদের জয়নুল আবদিন ফারুকের চেয়েও ন্যাংটা করে পিটালে তিনি কী পাবেন? পাবেন স্বাধীনতা পদক, প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি পদক? এসব পদকে পদকে ভেসে যাবে। শুরু হবে অরাজকতার প্রতিযোগিতা। তখন তো আর দেশ সভ্য মানুষের বসবাসযোগ্য থাকবে না। তাই সময় থাকতে প্রতিকারের নিমিত্তে সবাইকে সোচ্চার হতে আহ্বান জানাচ্ছি।

বর্তমান সরকার শিক্ষাদীক্ষায় খুবই মনোযোগী বলে যত্রতত্র যখন-তখন গর্ব করে। কিন্তু বাস্তবে তেমন নয়। সিলেটের কত বিখ্যাত এমসি কলেজে ছাত্রলীগ আগুন দিয়েছে। বছরের পর বছর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তেজনা চলছে। কখনও মারামারি, কাটাকাটি, কখনও আবার বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ। একটা না একটা লেগেই আছে। দেশের নামকরা একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বুয়েট কতদিন বন্ধ থাকল, কত ছেলেমেয়ে শরীরের রক্ত সিঁড়িতে ঢালল—এখনও সেখানে শিক্ষার পরিবেশ নেই। সবখানেই কমবেশি অরাজকতা। ভ্রষ্ট কমিউনিস্ট মন্ত্রী কখন কী বলেন, তার কথায় আস্থা রাখা যায় না। আজ কতদিন নন-এমপিও শিক্ষক আন্দোলন করছে। সরকার ফিরেও তাকায়নি। সেদিন তাদের সঙ্গে আলাপ করে শিক্ষকদের বাড়ি ফিরে যেতে বলেছেন। খালি হাতে বাড়ি গিয়ে কী করবেন তারা? স্ত্রী-সন্তানের হাতে কী দেবেন? কীভাবে তাদের আহার জুটবে? আবার এই ক’দিন হলো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চিকিত্সাভাতা, বাড়িভাড়া বৃদ্ধি করেছেন বলে ঢোল পিটালেন। চিকিত্সাভাতা দেড়শ’র স্থলে তিনশ’ করেছেন। এই ভাতায় একটি শিক্ষক পরিবারের তো দূরের কথা, বাড়িতে পালা মোরগ-মুরগিরও চিকিত্সা হবে না। বাড়িভাড়া নাকি বাড়িয়েছেন চারগুণ। চারগুণ বাড়িয়ে মবলগে হয়েছে পাঁচশ’ টাকা। তাতে সহজেই বোঝা যায়, আগে ছিল একশ’ এখন পাঁচশ’। একশ’-পাঁচশ’তে বাড়িভাড়া পাওয়া যায়? কবুতরের খোঁয়াড় ভাড়া করলেও মাসে চার-পাঁচশ’র কম হবে না। গরিব শিক্ষকদের সঙ্গে কেন এই মশকারি? মন্ত্রী সাহেবরা যেখানে পঞ্চাশ হাজার বাড়িভাড়া পান, সেক্রেটারি সাহেবদের যেখানে ঢাকা শহরে এক-দুই বিঘা জমির ওপর সরকারি বাড়ি, ডিসি, এসপি সাহেবদের রাজপ্রাসাদের মতো অট্টালিকা—সেখানে জাতির ভবিষ্যত্ কর্ণধার তৈরির কারিগরদের এভাবে অপমান অপদস্থ করা কেন? বড়লোকদের বাড়িভাড়া যেখানে পাঁচ-সাত লাখ, মন্ত্রীদের লাখ লাখ, সেখানে শিক্ষকদের পাঁচ-দশ হাজার দিলে কী এমন ক্ষতি? নন-এমপিও শিক্ষকদের এমপিও, শিক্ষকদের বেতনভাতা বৃদ্ধি একদিন না একদিন তো করতেই হবে। যা করতে হবে, পানি ঘোলা না করে এখনই করলে ক্ষতি কী? আবার ঘ্যাগের উপর তারাবাতির মতো মুক্তিযোদ্ধাদের এক না দুই বছর চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সব সুবিধা সরকারি ক্ষেত্রে। বেসরকারি ক্ষেত্রে কিছু নেই। সরকারি শিক্ষকরা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ পাবে। কিন্তু শত শত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শিক্ষক কেন তাদের ন্যায্য সুযোগ বা অধিকার পাবে না? এসব অনিয়ম বৈষম্যের পরও সরকার বলছে, তারা সব থেকে ভালো দেশ চালাচ্ছে। যা ইচ্ছে তা-ই করার নাম যদি ভালো হয়, তাহলে হিটলারের চেয়ে ভালো কেউ নয়। আমরা তো হিটলার, মুসোলিনি, চেঙ্গিস খানকে চাইনি। আমরা মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে চেয়েছি। আমরা তাদের আত্মার আত্মীয় আপনজন হিসেবে সুখে-দুঃখে, জীবনে-মরণে চেয়েছি। তাই সরকারের কাছে আকুল আবেদন, উন্মুক্ত মাঠে সাপ যতই এঁকেবেঁকে চলুক, গর্তে তাকে সোজা হয়েই ঢুকতে হবে। শেষ বছরে আর হয়তো কিছু করার সুযোগ নাও পেতে পারেন। তাই সোজাপথে চলে শিক্ষকদের দাবি-দাওয়া মেনে তাদের হৃদয়ে একটা জায়গা করে রাখার চেষ্টা করতে পারেন। সময় থাকতে বিষয়টি ভেবে দেখবেন। মনে রাখবেন, সময় গেলে সাধন হবে না।

Click This Link

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:২৬

নতুন ব্লগ বলেছেন: এতদিন কি কেউ জানতনা ব্যাপারটা? না জানলে ঠিক আছে। কিন্তু জানলে বলে নাই কেন?

২| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:০৩

আহসান২০২০ বলেছেন: সিদ্দীকি চাচামিয়া হাচা কথাই কইছে। একট তুসকা সিরাপের দাম ৫৫ টাকা, সিনকারার দাম ১০০ টাকা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.