| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাইটসম্যান
I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে প্রায় ২০০ চিকিৎসকের অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব এম ইকবাল আর্সলান। ওই পদোন্নতিকে অবৈধ বলে রায়ও দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। সেদিনের অন্যতম রিট আবেদনকারী রুহুল হক এখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। আর ইকবাল আর্সলান প্রভাবশালী নেতা। কিন্তু গত চার বছরে সে রায় কার্যকর হচ্ছে না।
২০০৫ সালে একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিএনপি ও জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপককে সহযোগী অধ্যাপক এবং সহযোগী অধ্যাপককে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দিয়েছিল জোট সরকার। এর বিরুদ্ধে ২০০৬ সালে রিট করা হয়। ২০০৮ সালের ১৮ নভেম্বর আদালত ওই প্রজ্ঞাপনটিকে বেআইনি ঘোষণা করেন। রায়ের দুই মাসের মধ্যে রুহুল হক স্বাস্থ্যমন্ত্রী হন।
আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন না করার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হক প্রথম আলোকে বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার শুরুর দিকে রায় কার্যকর করার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছিল। তারপর বিষয়টি আর এগোয়নি।
অবৈধভাবে পদোন্নতি পাওয়া ওই ২০০ চিকিৎসক নিজ নিজ পদে বহাল আছেন। গত জুলাই মাসে তাঁদের কেউ কেউ আরও উচ্চতর পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। ওই সময় পদোন্নতিবঞ্চিত চিকিৎসকদের অনেকে পদোন্নতির জন্য বিবেচিতই হচ্ছেন না।
জানতে চাইলে ইকবাল আর্সলান বলেন, রায় কার্যকর করার জন্য বারবার মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে। কিন্তু তারা কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না।
রিট আবেদনে অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে নিয়োগের শিক্ষাগত ন্যূনতম যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাসংক্রান্ত বিধি চ্যালেঞ্জ করা হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের ২০০৬ সালের ২৮ মের বিজ্ঞপ্তিতে অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক নিয়োগে যে মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে, তা সংশোধিত এসআরওর সঙ্গে মেলে না বলে এসআরওর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়।
২০০৮ সালের ১৮ নভেম্বর বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক ও বিচারপতি মো. তারিকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আদেশ দেন। আদেশে বলা হয়, প্রণীত এসআরও (নম্বর ২১১-আইন/২০০৫) প্রজ্ঞাপনটি প্রথমত সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। দ্বিতীয়ত বিএমডিসি অপঃ, ১৯৮০ ও এর আওতায় প্রণীত বিএমডিসি প্রবিধানমালা ১৯৯০-এর ২১ প্রবিধি-বহির্ভূতভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে। এমতাবস্থায় মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস রিক্রুটমেন্ট রুলস, ১৯৮১ সংশোধনের মাধ্যমে সংযোজিত দফাগুলো এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয় কর্তৃক ২৮/০৫/২০০৬ তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক নিয়োগে শিক্ষাগত যোগ্যতার বর্ণনায় দুই দফায় সংযোজিত (ডি) উপদফা অবৈধ এখতিয়ারবিহীন ও বেআইনি ঘোষণা করা হলো।
ওই সময়ে পদোন্নতিবঞ্চিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের একজন চিকিৎসক বলেন, ‘রায় কার্যকর না করার সুযোগে সেই ধারাবাহিকতায় আবারও পদোন্নতি পাচ্ছেন সে সময়ের সুবিধাভোগীরা। আর আমরা হতাশ।’
এ নিয়ে স্বাচিপের মধ্যেও ক্ষোভ আছে। রায় কার্যকর করা সম্পর্কিত পাঁচটি তথ্য জানতে চেয়ে গত ১২ জুলাই স্বাচিপের আজীবন সদস্য মিনহাজুর রহমান স্বাস্থ্যসচিবকে চিঠি দেন। কিন্তু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে কিছু জানানো হয়নি।
জানতে চাইলে মিনহাজুর রহমান বলেন, ‘এখনো ড্যাব ও এনডিএফের লোকজন ওই বিতর্কিত পদোন্নতির সুবিধা ভোগ করছেন। আর যোগ্য চিকিৎসকেরা পদোন্নতি পাচ্ছেন না। সচিবের কাছে এ-সম্পর্কিত তথ্য জানতে চেয়েও পাইনি।’
হাইকোর্টের ওই আদেশে বলা হয়েছিল, বিএমডিসি ছাড়া অন্য কোনো সংস্থা মেডিকেল চিকিৎসাশিক্ষায় নিয়োজিত শিক্ষকদের পদোন্নতির যোগ্যতাসমূহ নির্ধারণ বা পুনর্নির্ধারণ করতে পারবে না। কিন্তু গত বছরের ৩১ জুলাই সুপিরিয়র সিলেকশন রোর্ডের সুপারিশে এনাটমি বিভাগের অধ্যাপক পদে সাতজন, ফিজিওলজির অধ্যাপক পদে ছয়জন ও ফার্মাকোলজির অধ্যাপক পদে ছয়জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ২০০৫ সালে অবৈধভাবে পদোন্নতি পাওয়া চিকিৎসকেরাও রয়েছেন।
Click This Link
দূনীতিকে প্রশ্রয় দিয়ে নতুন দূর্নীতিকে সুযোগ দেওয়ই লক্ষ্য ! নিজে যদি রায় কার্যকর করে তবে নতুন দূর্নীতির সুযোগ করবে কে ? রাজনীতির খেলা আমরা কী বুঝব ? শুধু গ্যালারির দর্শক হিসাবে দেখে যাই !
©somewhere in net ltd.