নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালবাসাই মানুষকে সুখী করে

৭১কে দেখিনি, তাতে কোনো দুঃখ নেই, কারন শাহবাগে আমি জীবন্ত ৭১কে পেয়েছি।

রাইটসম্যান

I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.

রাইটসম্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

১২ হাজার বাংলাদেশি তালেবানের সন্ধানে মাঠে নেমেছে গোয়েন্দা সংস্থা

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:০৯

বড় ধরনের নাশকতা ও আধুনিক যুদ্ধবিদ্যা পারদর্শী আফগানফেরত এই মুজাহিদরা সরাসরি কাজ করছে আল-কায়েদা ও তালেবানদের সঙ্গে। এ কারণে তাদের বর্তমান অবস্থান এবং তাদের কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। বড় ধরনের নাশকতামূলক কার্যক্রমে অভিজ্ঞ আফগান যোদ্ধারা যাতে কোনো দলের আশ্রয়ে এবং অর্থায়নে নতুন করে মাথাচাড়া দিতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। দেশে এবং দেশের বাইরে থাকা আফগানফেরত যোদ্ধাদের সর্বশেষ অবস্থান সম্পর্কে অবগত হতে কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থা

কাজ করছে বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে র্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লে. কর্নেল জিয়াউল আহসান জানান, জঙ্গিদের সব সময়ই একটি রাজনৈতিক দল মদদ দিয়ে আসছিল। তাদের প্রশ্রয়েই জঙ্গিরা বিভিন্ন সময় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছিল। তবে আফগানফেরত অনেক মুজাহিদ বিভিন্ন সময় র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছে। তবে বাইরে থাকা এসব আফগান মুজাহিদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে ২০০১ পর্যন্ত কয়েক দফায় অন্তত ১২ হাজার বাংলাদেশি আফগান যুদ্ধে অংশ নেয়। বিশেষ করে সোভিয়েত ইউনিয়নবিরোধী (বর্তমান রাশিয়া) যুদ্ধের সময় তালেবানদের সঙ্গে সামরিক প্রশিক্ষণের পর তারা সম্মুখ সমরে অংশ নেয়। নাইন-ইলেভেনের পর আমেরিকার বিরুদ্ধেও তালেবানদের সহযোগী হিসেবে একটি গ্রুপ আফগানিস্তানে দীর্ঘ সময় লড়াই করে। এ সময় তারা কঠিন সামরিক প্রশিক্ষণ ছাড়াও আল-কায়েদার আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে সরাসরি কাজ করে। যুদ্ধ শেষে তাদের অনেকে দেশে ফিরে এলেও অনেকে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তবে দেশে ফেরত আফগান মুজাহিদরা হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ (হুজিবি), জামা'আতুল মুজাহিদীন, ক্বেতাল গ্রুপসহ বিভিন্ন নামে জঙ্গি সংগঠন গড়ে তোলে। হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি আবদুল হান্নান সরাসরি তালেবানদের সঙ্গে কাজ করেছেন। তারা দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসাকে জঙ্গি আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা চালান। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ১৯৯২ সালের ৩০ এপ্রিল জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে যশোরের মনিরামপুরের কমান্ডার মুফতি আবদুর রহমান ফারুকী (মৃত) হরকাতুল জিহাদ নামে সংগঠনটির আত্দপ্রকাশ ঘটান। এর আগে ১৯৮৬ সালে বগুড়ার আলতাফুনন্নেছা মাঠে এক জনসভার আয়োজন করেন হুজির সদস্যরা। ওই সমাবেশে অংশ নিয়েছিলেন মাওলানা আবদুস সালাম (গ্রেফতার), মাওলানা আইনুল হক, মুফতি আবদুল হাই, মুফতি শফিকুর রহমানসহ প্রায় এক হাজার আফগানফেরত যোদ্ধা। মাঝপথে এ সংগঠনের কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়লেও ১৯৯৫ সালে মুফতি হান্নান অন্তত তিন হাজার আফগানফেরত যোদ্ধা নিয়ে হরকাতুল জিহাদের অব বাংলাদেশ (হুজিবি) নামে আবার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করে। ওয়ান-ইলেভেনের পর একটি গোয়েন্দা সংস্থা ইসলামিক ডেমোক্রেটিক পার্টির নামে হুজিবিকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। ১৯৯৮ সালে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে শায়খ আবদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি বাসায় জামা'আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) আত্দপ্রকাশ করে। ওই সংগঠনেও প্রচুর আফগানফেরত মুজাহিদ যোগ দেন। এ সংগঠনের সদস্যদের মার্শাল আর্ট, বোমা তৈরির প্রশিক্ষণ ছাড়াও নানা ধরনের গোয়েন্দা কার্যক্রমের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।



সূত্র জানায়, বিএনপি-জামায়াত জোটের কানেকশন ২০০১ সালে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের ভয়াবহ বিস্তার ঘটে। কিছু আফগানফেরত যোদ্ধা 'জাগো মুজাহিদ' নামে একটি সংগঠন করে। অফিস খোলা হয় ঢাকার খিলগাঁওয়ের তালতলায়।

পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে যশোরে উদীচীর অনুষ্ঠানে বোমা হামলা, ২০০১ সালের পহেলা বৈশাখে রমনা বটমূলে বোমা হামলা, ২০০২ সালের ৭ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের চারটি সিনেমা হলে বোমা হামলা, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বোমা হামলা, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশের ৬৩ জেলায় (মুন্সীগঞ্জ বাদে) সিরিজ বোমা হামলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক নাশকতামূলক কার্যক্রম চালায় জঙ্গিরা। দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসা গড়ে তুলে জঙ্গি ঘাঁটি হিসেবে। বিগত বিএনপি-জামায়াত সরকারের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপে পড়ে তৎকালীন সরকার জঙ্গিদের ব্যাপারে অ্যাকশনে যেতে বাধ্য হয়। গ্রেফতার করে শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুর রহমান ওরফে বাংলাভাইসহ কিছু শীর্ষ জঙ্গি নেতাকে। ২০০৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার রামকাশিব গ্রিন ক্রিসেন্ট নামের মাদ্রাসা থেকে ১২টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ গুলি ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। এদিকে শীর্ষ জঙ্গি নেতা ভারতীয় নাগরিক মনসুর আলী, মুফতি হান্নান, মাওলানা আবদুস সালাম, ড. ওবায়দুল্লাহ সোহেল গ্রেফতার হওয়ার পর গোয়েন্দাদের জানান, লস্কর-ই-তৈয়বা ১৯৯৫ সাল থেকে বাংলাদেশে তৎপর রয়েছে। আফগান যুদ্ধে অংশ নেওয়া ভারতীয় ও পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার মুজাহিদরা হুজি ও জেএমবির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। ইসলামের নামে যুদ্ধাপরাধীদের গঠিত একটি রাজনৈতিক দল দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গিদের মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে নানাভাবে সহায়তা করে আসছে।

তিনি গোয়েন্দাদের আরও জানান, মুফতি হান্নান, শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলাভাইয়ের পরামর্শে সুনামগঞ্জ জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানার পেছনে, নাইক্ষ্যংছড়ি, হিমছড়ি, বিলাইছড়ি, খাগড়াছড়ি, মানিকছড়ি, চট্টগ্রামের হাটহাজারী, পটিয়া, লালখানবাজার, সিলেট ও কঙ্বাজারের উখিয়াসহ আশপাশের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মাদ্রাসার নামে ১৫টি ট্রেনিং ক্যাম্প চালু করে। ট্রেনিংয়ের দায়িত্ব পালন করেন মুফতি হান্নান, মুফতি মাওলানা আবদুস সালাম, শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলাভাই, ভারতীয় জঙ্গি মুফতি মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ও মাওলানা হাবিবুল্লাহ। লস্কর-ই-তৈয়বার শীর্ষ নেতা আমির রেজা খান, খুররম খৈয়াম ওরফে শাহজাহান, মাওলানা আকরাম, মাওলানা আবু খালেক, মাওলানা জালাল উদ্দিনসহ শীর্ষ জঙ্গি নেতারা বহুবার এসব ট্রেনিং ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। ক্যাম্পেই অনুষ্ঠিত বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে জঙ্গিদের মাঝে সনদও বিতরণ করেন তারা। এমনকি ২০১০ সালের ২৪ মে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা জেএমবি প্রধান মুফতি মাওলানা সাইদুর রহমান জাফর গ্রেফতার হয়ে জিজ্ঞাসাবাদে গোয়েন্দাদের জানান, জামায়াতের বি-টিম হিসেবে জেএমবি জামায়াতের সঙ্গে গোপনে সম্পৃক্ত একটি সহযোগী সংগঠন। জেএমবির শতকরা ৯৯ ভাগ নেতা-কর্মীই জামায়াত-শিবিরের। একই ধরনের তথ্য পাওয়া যায় ২০০১ সালের জানুয়ারিতে গ্রেফতারকৃত রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের প্রধান ও রোহিঙ্গার সামরিক শাখার প্রধান কমান্ডার মোহাম্মদ সেলিম ওরফে সেলিম উল্লাহ ও ২০০৫ সালে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক আবদুর রহমানের কাছ থেকেও। সেলিম উল্লাহ, মুফতি হান্নান, মুফতি মাওলানা আবদুস সালাম, আবু জান্দাল, ভারতের তিহার জেলে বন্দী দুই সহোদর মুরসালিন ও মুত্তাকিন, ভারতীয় শীর্ষ জঙ্গি নেতা ওবায়দুল্লা, হাবিবুল্লাহ, পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার শীর্ষ নেতা আমির রেজা খান ও খুররম খৈয়ামের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। পরবর্তীতে ওই সরকারের আমলেই সেলিম জামিনে বের হয়ে বিদেশে চলে যান। বর্তমানে তিনি জাপানে অবস্থান করছেন বলে গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য রয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে মাওলানা আতিকুল্লাহ জুলফিকার হুজির অর্থ বিভাগের সম্পাদক। সংগঠনের অর্থনৈতিক দিক তিনি তদারকি করেন। মাওলানা হাবিবুর রহমান পলাতক জীবনে থাকলেও হুজির আমিরের নির্দেশ তৃণমূল সাথীদের কাছে দায়িত্বের সঙ্গে পেঁৗছে দিতে সক্ষম একজন জঙ্গি নেতা। তিনিও রমনার বোমা হামলার আসামি ছিলেন। কিন্তু চার্জশিট থেকে তার নাম বাদ পড়ে। বোমা তৈরি ও বোমা হামলায় কর্মীদের পারদর্শী করে তোলায় দক্ষ প্রশিক্ষক জঙ্গি মাওলানা মুজাহিদুল ইসলাম। তিনি বোমা, ককটেল ছাড়াও গ্রেনেড তৈরির প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। হুজির জঙ্গিদের শারীরিক কসরত বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন আরেক পলাতক জঙ্গি নেতা হাফেজ জাহাঙ্গীর বদর। তিনিও রমনা বটমূলের বোমা হামলার আসামি। আমিরের নির্দেশে তৃণমূল জঙ্গিদের কাছে দ্রুত পেঁৗছে দিতে পারদর্শী আরেক পলাতক জঙ্গি মাওলানা আবদুর রহমান। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু জানান, যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। আফগানফেরত যোদ্ধাদের অবস্থান খুঁজে বের করার জন্য বিশেষভাবে কাজ করছেন গোয়েন্দারা। পুলিশ মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার জানান, বর্তমান সরকারের দৃঢ়তায় জঙ্গি কার্যক্রম অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। জঙ্গিরা যাতে কোনোভাবেই সংঘবদ্ধ হতে না পারে সেজন্য পুলিশ বদ্ধপরিকর।

Click This Link

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.