| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাইটসম্যান
I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.
গত ২৮ জানুয়ারির কথা। ছাত্রশিবিরের কয়েকটি ঝটিকা মিছিল রাজধানীতে। হাতে তাদের লাঠি। মিছিলগুলো সহসা মারমুখী হয়ে পড়ে। ভাঙতে শুরু করে গাড়ি। করে অগ্নিসংযোগ। বাদ যায়নি পুলিশের গাড়িও। অর্থমন্ত্রীর প্রটোকলের গাড়িও শিকার হয় সে ভাঙচুরে। পুলিশের প্রতিরোধ-প্রচেষ্টা দ্রুত ভেঙে পড়ে। তারা আত্মরক্ষামূলক অবস্থান নেয়। এটিএম বুথের পেছনে আশ্রয় নেওয়া পুলিশকেও লাঠি দিয়ে পিটিয়েছে শিবিরের কর্মীরা। অথচ পুলিশের কাছে ঢাল, লাঠি, বন্দুক সবই ছিল। সেদিন একযোগে শিবির এ কাজ চালায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, ফরিদপুর, বগুড়া, সুনামগঞ্জসহ দেশের বেশ কিছু স্থানে। হামলার প্রকৃতিও মোটামুটি এক। ওই দিনের ঘটনায় দুই শতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করেছে তারা। অগ্নিদগ্ধ হয়েছে বেশকিছু। ছাত্রশিবির চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয় পুলিশের সঙ্গে। আহত হন মোট ১২ জন। আর তাঁদের সাতজনই পুলিশ সদস্য। অথচ পুলিশ গুলি ছোড়ে প্রায় ৪০০টি আর শিবির ১৫-১৬টি। সেদিন আহত হন বেশ কিছু পুলিশ সদস্য। এগুলো সবই খবরের কাগজ থেকে পাওয়া তথ্য। অবশ্য সব ক্ষেত্রে পুলিশ কিছু ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে বলেও জানা যায়। ৩০ জানুয়ারি জামায়াত ঘোষিত হরতাল চলাকালে সারা দেশেই ভাঙচুর আর অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বগুড়ায় নিহত হয় তিনজন। যশোরে শিবিরের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হন কয়েকজন পুলিশ সদস্য। তাঁদের একজন ঘটনার পরপরই হূদেরাগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ২ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জে শিবিরের কর্মীরা ঝটিকা মিছিল করে পুলিশ সদস্যদের ওপর আক্রমণ করেছে। পত্রিকার ছবিতে দেখা গেল, একজন পুলিশ সদস্য রাস্তায় লুটিয়ে পড়ার পর কী নৃশংসভাবে শিবির কর্মীরা তাঁকে লাঠিপেটা করছে। মানুষ যেভাবে সাপকে পেটায় সেভাবেই পেটাচ্ছিল তারা। শিবির কর্মীরা সেদিন ঢাকায় লাঠিমিছিল ও সমাবেশ করেছে।
গত ২৮ জানুয়ারির কর্মসূচিটি পূর্বঘোষিত না হলেও এবারই প্রথম নয়। আর এর পরও থেমে যায়নি এ ধরনের কার্যক্রম। গত বছরের নভেম্বর থেকেই এ রকম ঘটনা তারা ঘটিয়ে চলেছে। কখনো তাদের পৃষ্ঠপোষক মূল দলের সহযোগী হয়ে আর কখনো বা নিজ থেকেই। তাদের খোলামেলা দাবি, ১৯৭১-এ সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে যেসব জামায়াত নেতার বিচার চলছে, তাঁদের বিনা শর্তে মুক্তি। আরও দাবি, সে বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনালগুলো ভেঙে দেওয়া। পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, ক্ষমতাসীন মহাজোটের সরকার তাঁদের বিচারের জন্য গত নির্বাচনের সময় জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আর আইনের দিকটি তো আদালতের বিচার্য। দাবিটি অনৈতিক, অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য। এ দাবিতে রাজপথে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করার যুক্তি নেই। বরং এ ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের জন্য তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়াই তো সংগত।
এ ছাত্রসংগঠনটি স্বাধীনতার আগে ইসলামী ছাত্রসংঘ নামে পরিচিত ছিল। স্বাধীনতার সংগ্রামকালে তাদের ভূমিকা দেশবাসীর অজানা নেই। ১৯৭৫-এ পটপরিবর্তনের আগে পর্যন্ত নিষিদ্ধ ছিল সংগঠনটি। পরবর্তী সময়ে বৈধতা পায়। আর এখনো বৈধই আছে। তবে তা অবশ্যই বৈধ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য। অপরাপর ছাত্রসংগঠনগুলোর মতো তারাও কিন্তু সীমিত থাকেনি শুধু বৈধ কাজের মধ্যে। প্রতিপক্ষের কর্মী-সমর্থকদের হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়ে তারা সন্ত্রাসী কার্যক্রমে নতুন একটি মাত্রাও সংযোজন করেছে। তবে কিছু ব্যতিক্রমী ভালো কিছু কাজ তারা করে। যেমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে তীব্র আবাসনসংকটের মুখে তারা নিজদের পরিচালিত মেসে স্থান করে দেয় নবাগত ছাত্রদের। দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের দেয় আর্থিক সহায়তা। ফলে এসব ছাত্রছাত্রী স্বাভাবিকভাবে তাদের প্রতি সহানভূতিশীল হয়ে পড়ে। এটা তাদের পৃষ্ঠপোষক সংগঠনটির দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচির অংশ বলে অনেকে মনে করে। হতেও পারে। এমন মানবিক কার্যক্রম অন্য ছাত্রসংগঠন কেন নিচ্ছে না সেটাই প্রশ্ন। তারা তো বাণিজ্যলব্ধ অর্থ নিজেদের পকেটেই নিচ্ছে। আর নিজদের মধ্যে খুনোখুনিও করছে ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে।
ভালো কাজ যেটুকু করুক না কেন, মন্দ কাজে মোটেই পিছিয়ে নেই ইসলামী ছাত্রশিবির নামের সংগঠনটি। চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তারা দীর্ঘকাল একচ্ছত্র কর্তৃত্ব করছিল। সেখানে সীমিত হয়ে পড়েছিল মুক্তবুদ্ধির চর্চা। শুধু ছাত্র নয়, সংস্কারমুক্ত প্রগতিমনা শিক্ষকদের জীবনযাত্রাও করে তুলেছিল দুর্বিষহ। দু-একজনকে হত্যার অভিযোগও রয়েছে।
একটি রাজনৈতিক সংগঠন বা তাদের অনুগামী ছাত্রসংগঠনটি পেশিশক্তির যত দাপটই দেখাক, রাষ্ট্রশক্তির সামনে কিছুই নয়; এটা জোর দিয়ে বলা যায়। আর রাজপথে রাষ্ট্রশক্তির প্রতীক পুলিশ। পুরোপুরি চাহিদা অনুযায়ী না হলেও বাংলাদেশ পুলিশের শক্তি-সামর্থ্য কম নয়। তবে এ ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমনে তাদের অক্ষমতা কোথায়, এটা বোধগম্য হয় না। নিরীহ শিক্ষক আর সামান্যসংখ্যক লোকসংবলিত কমিউনিস্ট পার্টির মিছিলও পেপার সেপ্র মেরে ছত্রভঙ্গ করা হয়। হয়তো বা ঘোষণা দিয়ে শিবির এ তাণ্ডব চালায়নি। তবে বিচ্ছিন্নভাবে তাদের যে দলগুলো এ কাজ করে, সেসব দলের সদস্যসংখ্যাও খুব বেশি থাকে না। তাদের দমন ও নিষ্ক্রিয় করতে দরকার সাহস, ক্ষিপ্রতা ও দক্ষতা। ঢাকা মহানগর পুলিশে এ ধরনের গুণাবলিসম্পন্ন সদস্য নেহাত কম থাকার কথা নয়। যদি তা না থাকে তাহলে সেই পুরোনো কথাটি আবার বলতে হবে। দক্ষতাকে বাদ দিয়ে শুধু ‘আমাদের লোক’ দিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ ভর্তি করে ফেলা হয়েছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে। এর পরও কি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হবে শুধু ‘আমাদের লোক’ দিয়েই আসল কাজটি হবে না। এসব ঘটনায় পুলিশের ভাবমূর্তির পাশাপাশি সংকটে পড়েছে সরকারের ভাবমূর্তি। পাশাপাশি পুলিশের সামর্থ্য সম্পর্কে ক্রমেই সন্দিহান হয়ে পড়ছে অনেকেই। এমনতর হামলা প্রতিরোধ অসাধ্য আদৌ নয় বটে। আর নিষ্ঠা ও যোগ্যতার সমন্বয় ঘটাতে পারলে দেখা যাবে দুঃসাধ্যও নয়।
এরপর আসে এ ধরনের ঝটিকা মিছিল সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য বিষয়ে। অর্থমন্ত্রী দায়ী করেছেন গোয়েন্দা ব্যর্থতাকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপি বলেছেন, গোয়েন্দাদের তরফ থেকে আগাম সতর্কতা ছিল। তাহলে তো যথাযথ ও পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়ার জন্য দায়ী করা যায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। গোয়েন্দা ব্যর্থতা নিয়ে অনেক কথা হয়েছে ইতিপূর্বে। রামুর বিষয়টি তো চাপা পড়েই যাচ্ছে। বিডিআর হত্যাকাণ্ডের গোয়েন্দা ব্যর্থতারও কোনো সুরাহা হয়নি। আর গোয়েন্দাদের প্রকৃত কাজ ও কর্মস্থল নির্ধারণে অর্বাচীনতাই লক্ষণীয়। নেহাত নিরীহ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তাদের একটি অংশ লেগে থাকে দিবারাত্র। এ প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথের ডিটেকটিভ গল্পটির অংশবিশেষ উল্লেখ করা অপ্রাসঙ্গিক হবে না। এ গল্পের নায়ক পুলিশের ডিটেকটিভ। রবীন্দ্রনাথের ভাষায় তাঁর কার্যক্রম: ‘পথিকদের মধ্যে সবচেয়ে যাহাকে পাষণ্ড বলিয়া মনে হইয়াছে, এমন কি যাহাকে দেখিয়া নিশ্চয় মনে করিয়াছি যে, এইমাত্র সে কোন একটা উৎকট দুষ্কার্য সাধন করিয়া আসিয়াছে, সন্ধান করিয়া জানিয়াছি—সে একটি ছাত্রবৃত্তি স্কুলের দ্বিতীয় পণ্ডিত, তখনই অধ্যাপনার কার্য সমাধা করিয়া বাড়ী ফিরিয়া আসিতেছে।’ আমরা সম্ভবত এ রকম ডিটেকটিভদের নিয়েই আছি। প্রকৃত ক্ষতিকর ব্যক্তিরা তাদের সন্দেহের আওতায়ই আসছে না।
শিবিরের চলমান সন্ত্রাসের সূচনা গত বছরের নভেম্বরে। অব্যাহত সে কার্যক্রম। যখন যেখানে যে রকম সুযোগ পায়। এসব ঘটনায় মামলা হয়। গ্রেপ্তার হয় অকুস্থল থেকে কিংবা পরে। গত ৩০ জানুয়ারি ঢাকার একটি দৈনিকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশ, এ ধরনের মামলায় গত কিছুদিনে চার শতাধিক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছে। এখন তাদের অধিকাংশ জামিনে। সে প্রতিবেদনটি থেকে বিস্ময়করভাবে জানা যায়, এসব জামিন পেতে বেশ কিছু ক্ষেত্রে সনদ দিয়েছে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল কিংবা তাদের সমর্থক ছাত্রসংগঠনটি। জামিনে মুক্তি পেয়ে আবার তারা রাজপথে শিবিরের সৈনিক। লিপ্ত হয় পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে। এ সনদ কীভাবে আর কিসের জোরে সংগ্রহ করা সম্ভব হয়, তা অনুমান করতে পাঠকের কষ্ট হওয়ার কথা নয়।
একটি বিষয় এখানে আলোচনার দাবি রাখে। তা হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির এ দেশে অন্যান্য সংগঠনের মতোই বৈধ। কেউ কেউ দাবি করলেও সরকার এখন পর্যন্ত তাদের বৈধতা বাতিল করেনি। সুতরাং, তাদের আইনানুগ কোনো কর্মসূচি পালনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে সংঘাতের পথ প্রসারিত করা বুদ্ধিমত্তার পরিচয় হতে পারে না। তবে কোনো আবদার নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর অধিকার নেই তাদের। এটা তারা হয়তো বোঝে, কিন্তু মানতে নারাজ। শিবিরের চলমান সন্ত্রাস প্রতিহত করতে ক্ষমতাসীন দলের কোনো কোনো নেতা তাদের সংগঠনকে ব্যবহার করার মদদ দিচ্ছেন মর্মে পত্রপত্রিকায় দেখা যায়। এতে সংঘাত আরও বাড়বে। অযৌক্তিক দাবিতে জামায়াত-শিবিরের এ সন্ত্রাসকে কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে প্রধান বিরোধী দল একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু থেকে নিজদের দূরে রাখছে। তাদের মৌনতা জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে সমর্থনের নামান্তর। এ বিষয়টি গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
বেআইনি জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার বিভিন্ন প্রক্রিয়া ফৌজদারি কার্যবিধি এবং পুলিশ প্রবিধানে উল্লেখ আছে। পুলিশ কর্তৃক সে প্রক্রিয়া সাহস ও ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে অনুসরণ করা আবশ্যক। শুধু গ্রেপ্তার আর মামলা দায়েরই যথেষ্ট নয়। বেআইনি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত লোকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ উদ্যোগী ও সক্ষম এটাকে দৃশ্যমান করতে হবে। এর আবশ্যকতা দেখা দিয়েছে জনগণের মধ্যে তাদের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে। রাজপথে আইনকে প্রতিষ্ঠিত করতেই হবে। জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তার দায়িত্ব পুলিশের অথচ শিবিরের সন্ত্রাসের মুখে তাদের পিছু হটা শান্তিপ্রিয় মানুষকে হতাশ ও ক্ষুব্ধ করে। তারা শঙ্কিত হয় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে। সংযম ভালো। পুলিশ অবশ্যই সংযমী হবে। কিন্তু তাদের এ ক্ষেত্রে বর্তমান ভূমিকাকে তো সংযম আখ্যা দেওয়া যায় না। এটা নিছক ব্যর্থতা। এটা অকপটে অনুধাবন করা উচিত পুলিশের শীর্ষে যাঁরা আছেন, তাঁদের। আরও অনুধাবন করা উচিত পুলিশকে যাঁরা পরিচালনা করছেন, তাঁদেরও। ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে মনোবলে দ্রুত ভাটা পড়তে পারে নিচের দিকে। সুবিধাবাদী ভূমিকাও কেউ নিতে পারে। তাই আরও ক্ষতি হওয়ার আগেই ত্বরিত পদক্ষেপ আবশ্যক। সন্ত্রাসের মুখে অবিচল থাকতে পারেন একজন ঋষি। কিন্তু পুলিশ পারে না। আমরা চাই না পুলিশের মধ্যে ঋষিসুলভ আচরণ। তারা বুক বেঁধে দাঁড়াক—এটাই আমরা চাই।
আলী ইমাম মজুমদার: সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
[email protected]
Click This Link
২|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:২৬
টাইটান ১ বলেছেন: এই একটা দিকে জিয়াউর রহমান আমাদের জাতির অনেক বড় ক্ষতি করে দিয়ে গেছেন। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে একটা ভুল সিদ্ধান্ত কতটা ভোগাতে পারে ভবিষ্যতে জাতি তা উপলব্ধি করবে। পুলিশকে এত তুচ্ছ ভাবার কোনো কারণ নেই। পারলে সামনে এসে দাঁড়া? কথাটি কি ভেবে বলেছে তারা? হাতি কাঁদায় পড়লে পিঁপড়ায় লাথি মারার চেষ্টা করে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:৫৯
এস দেওয়ান বলেছেন: পুলিশের আরো শক্ত ভূমিকা পালন করা উচিৎ ।