| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাইটসম্যান
I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.
১৮ দলের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সরকারের হঠাত্ নমনীয় আচরণে জোটের প্রধান দল বিএনপিতে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। কয়েক দিন ধরে প্রকাশ্যে রাজধানীতে মিছিল-সমাবেশ করছে জামায়াতে ইসলামী। পুলিশ যেমন তাদের কোনো বাধা দেয়নি, তেমনি জামায়াত-শিবিরের কর্মীরাও আগের মতো হামলা বা ভাঙচুর করেননি।
হঠাত্ এই পরিবর্তন জামায়াতকে জোট ছাড়া করার প্রাথমিক উদ্যোগ বলে মনে করছেন বিএনপির কোনো কোনো নেতা। তাঁরা বলছেন, আগামীকাল মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার বিচারের রায় হবে। এ রায়ের পর জামায়াতের প্রতিক্রিয়ায় বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
বিএনপি সূত্র জানায়, হঠাত্ এ পরিবর্তন বিএনপিকে ভাবিয়ে তুলেছে। এ বিষয়ে প্রকাশ্যে এখনো তাঁরা কিছু বলছেন না।
নাম না প্রকাশ করার শর্তে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, এরশাদ সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ যেভাবে নির্বাচনে যোগ দিয়েছিল, এখন আওয়ামী লীগ সেভাবে জামায়াতকেও নির্বাচনে নিতে চাইছে। এ কারণে হঠাত্ এ পরিবর্তন বলে তিনি মনে করেন।
এর আগে গত বছর রামুতে এক জনসভায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অভিযোগ করেছিলেন, সরকার জামায়াতকে নিয়ে নির্বাচন করার পাঁয়তারা করছে।
জামায়াতকে হঠাত্ সমাবেশের অনুমতি দেওয়ার মাধ্যমে ১৯৮৬ সালের মতো রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি হচ্ছে কি না—জানতে চাইলে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমন্বয়ক তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘১৯৮৬ সালের মতো ষড়যন্ত্র সরকার ক্ষমতায় থাকার অভিপ্রায়ে করতে পারে। অসম্ভব কিছু নয়। একটা জায়গায় দেশ আজ ভালো নেই। সেখানে সরকার জোর করে ক্ষমতায় থাকতে চায়। তাই দল ভাঙার বা জোটের কাউকে কাউকে ভাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা তারা করতে পারে। কিন্তু কতটা সফল হবে, তা সময়ই বলে দেবে।’ তিনি বলেন, ‘সমুদ্রের মধ্য থেকে দুই-চার বালতি পানি পড়লে যেমন কিছু হয় না, তেমনি বিএনপির কিছু নেতা বা জোটের শরিক দু-একটি দলকে নিয়ে গেলে বিএনপির কোনো ক্ষতি হবে না। কী হবে, না হবে—তা বলার সময় এখনো আসেনি।’
মুুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে জামায়াতের সাবেক ও বর্তমান আমির, সেক্রেটারী জেনারেলসহ শীর্ষস্থানীয় ছয় জন নেতার বিচার চলছে। শুরু থেকে এ বিচারের বিরোধিতা করে আসছে এবং ট্রাইব্যুনাল ভেঙ্গে দেওয়ার দাবি করে আসছে জামায়াত। তবে গত প্রায় দুবছর ধরে প্রকাশ্যে তেমন কোন কর্মসূচি পালন করতে পারেনি এই দলটি। বিভিন্ন সময়ে কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানো এবং পুলিশের উপর হামলা, চোরাগুপ্তা হামলা চালাতে দেখা গেছে জামায়াত শিবিরের নেতা-কর্মীদের। তাছাড়া ১৮ দলীয় জোটের বিভিন্ন কর্মসূচিতে জামায়াত সরব ছিল ট্রাইব্যুনাল ভেঙে দেওয়ার দাবিতে। সর্বশেষ সমাবেশের অনুমতি না পেয়ে গত বৃহস্পতিবার হরতাল পালন করে জামায়াত। ওই দিন বগুড়ায় তাদের দুই কর্মী নিহত হয়।
এর পরপরই হঠাত্ করে দৃশ্যপট পাল্টে যায়। এরপর রাজধানীতে আজসহ দুইদিন পুলিশের উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করে জামায়াত শিবির। আজ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার বিচারের রায় ঘোষণার তারিখ ঘোষণা করে ট্রাইব্যুনাল। ধারণা করা হয়েছিল, ট্রাইব্যুনাল রায়ের তারিখ ঘোষণার পর জামায়াতের ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হবে। কিন্তু তা হয়নি। জামায়াত রাজধানীতে শান্তিপূর্ণ মিছিল সমাবেশ করেছে।
হঠাত্ উভয় পক্ষের এই পরিবর্তনের কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না বিএনপির নেতারা। বিএনপির কোন কোন নেতা মনে করছেন, জামায়াতকে জোট ছাড়া করতে সরকার এই কৌশল অবলম্বন করেছে।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, বিরোধী দল বা জোট ভাঙার বিভিন্ন কৌশল সরকারের থাকবে। তারা সেটি নিতেই পারে। এটাতে কে পা বাড়াবে আর কে বাড়াবে না, তা দেখার জন্য আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে। তিনি বলেন, এমনও হতে পারে জামায়াত-শিবির শক্তি প্রদর্শন করছে, প্রশাসন তা মোকাবেলা করার সাহস পাচ্ছে না। এ কারণে এ পরিবর্তন।
Click This Link
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৫
নন্দনপুরী বলেছেন: বিএনপির পুটকি জামাত শিবিরই মারবো..............