নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালবাসাই মানুষকে সুখী করে

৭১কে দেখিনি, তাতে কোনো দুঃখ নেই, কারন শাহবাগে আমি জীবন্ত ৭১কে পেয়েছি।

রাইটসম্যান

I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.

রাইটসম্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

জামায়াতকে নিয়ে সন্দেহ বিএনপিতে

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:১৬

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার-প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে ঘরোয়া কর্মসূচিও পালন করতে দেওয়া হয়নি জামায়াত-শিবিরকে। চলতি সপ্তাহে হঠাৎ করেই তাদের পর পর দুই দিন রাজধানীসহ সারা দেশে মিছিল-সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়ায় কিছুটা সন্দেহের উদ্রেক হয় বিএনপির ভেতরে।

গতকাল মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়ায় জামায়াতকে নিয়ে এ সন্দেহ আরও জোরালো হয় ১৮ দলীয় জোটের প্রধান শরিক দল বিএনপিতে। দলটির শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন নেতা প্রথম আলোকে বলেন, সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এটা কোনো ‘রাজনৈতিক সমঝোতা’ কি না, তা খুঁজে দেখতে হবে। এ ঘটনায় জোটে জামায়াত-বিএনপির সম্পর্ক নিয়ে এক ধরনের টানাপোড়েন শুরু হওয়ার কথাও বলাবলি হচ্ছে।

অবশ্য জানতে চাইলে কোনো ধরনের সমঝোতার কথা নাকচ করে দিয়েছে জামায়াত। দলের নেতারা মনে করছেন, সমাবেশের অনুমতি পাওয়া তাঁদের দীর্ঘদিনের লড়াকু আন্দোলনের ফসল। এ নিয়ে সরকারের ওপর সচেতন নাগরিক সমাজেরও চাপ ছিল। তা ছাড়া এটাকে সরকারের একটি সাময়িক কৌশল বলেও মনে করছেন জামায়াতের নেতারা।

আর কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশের বিষয়ে ঢাকা মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের নেতা নিরপরাধ। রায়ে তাঁর এক দিনের সাজাও হওয়ার কথা নয়।’

মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর আমির, সাবেক আমিরসহ শীর্ষস্থানীয় ছয় নেতারও বিচার চলছে। এর মধ্যে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে রায় হয়েছে। এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও বিএনপির সাবেক মন্ত্রী আবদুল আলীমের বিচারও চলছে।

গত দুই দিন বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা আলাপকালে জামায়াতকে নিয়ে পরোক্ষভাবে এ ধরনের সন্দেহ ও অস্বস্তির কথা জানান। তবে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে রাজি হননি বিএনপির নেতারা। গত ২১ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায়ে আবুল কালাম আযাদের মৃত্যুদণ্ডাদেশের পর বিএনপি কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি। কাদের মোল্লার রায়ের পরও বিএনপি নীরব রয়েছে।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, ‘এটি স্পর্শকাতর বিষয়। তাই যা বলার, তা দলীয়ভাবে বলা হবে।’ তিনি জানান, এ বিষয়ে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত, সে বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। দলীয়ভাবে আলোচনা করে এ বিষয়ে কথা বলা উচিত বলে মত দেন তিনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ রায় বোধগম্য নয়। কয়েক দিন ধরে জামায়াতে ইসলামী প্রকাশ্যে সভা-সমাবেশ করে ট্রাইব্যুনাল বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছে। সরকারও কিছু বলছে না। সব নিয়ে অনেক “গুজব” আছে।’

তবে গত সোমবার পৃথক দুটি সংবাদ সম্মেলন ও ঘরোয়া আলোচনায় দলের দুজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার বক্তব্যে এর ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সোমবার দুপুরে নয়াপল্টন থেকে একটি আলোচনা সভায় অংশ নিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের উদ্দেশে রওনা হন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এ সময় পুলিশের পাহারায় নয়াপল্টন দিয়ে জামায়াতের একটি মিছিল যাচ্ছিল বিজয়নগরের দিকে।

গয়েশ্বর ওই মিছিলের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আজ আসার সময় দেখলাম, জামায়াতের মিছিলের আগে পুলিশ। এটা যেন জামায়াত-শিবিরের মিছিল না, পুলিশের মিছিল। একেই বলে শক্তের ভক্ত, নরমের যম।’

ওই দিন দলের সমন্বয়ক তরিকুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো জানান, জামায়াত ট্রাইব্যুনাল বাতিল বা যুদ্ধাপরাধের বিচার বন্ধের যে দাবি করছে, তার সঙ্গে বিএনপি একমত নয়। এরপর সাংবাদিকেরা জানতে চান, জামায়াতকে হঠাৎ সমাবেশের অনুমতি দেওয়ার মাধ্যমে ’৮৬ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি হচ্ছে কি না, জবাবে তরিকুল বলেন, ১৯৮৬ সালের মতো সরকার ক্ষমতায় থাকার অভিপ্রায়ে দল ভাঙার বা জোটের কাউকে কাউকে ভাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। সমুদ্র থেকে দুই-চার বালতি পানি পড়লে যেমন কিছু হয় না, তেমনি বিএনপির কিছু নেতা বা জোটের শরিক দু-একটি দলকে নিয়ে গেলে বিএনপির কোনো ক্ষতি হবে না।

তাহলে কি জোট ভেঙে যাচ্ছে? সংবাদ সম্মেলনের পর প্রথম আলোর প্রশ্নের জবাবে তরিকুল বলেন, জোট ভাঙবে কি ভাঙবে না, জামায়াত কী করবে, না করবে—তা সময়ই বলে দেবে।

সোমবার বেলা ১১টায় জামায়াত যখন মতিঝিলে সমাবেশ শেষে মিছিল বের করে, তখন নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকে ১৮ দলীয় জোট ও বিএনপির আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের সমন্বয়ক তরিকুল ইসলাম। অতীতে জোটের কর্মসূচি ঘোষণার সময় শরিকদের রাখা হলেও ওই দিন জামায়াতসহ কোনো শরিক দলের নেতা উপস্থিত ছিলেন না।

জোটের কর্মসূচি একা ঘোষণার বিষয়টি কোনো ইঙ্গিত কি না, জানতে চাইলে তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘তোমরা এতটা ক্রিটিক (খুঁতসন্ধানী) হও কেন?’

Click This Link

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:৩৬

আমি পিচ্চি পোলা বলেছেন: নাস্তিকদের ধর্ম গুরু আরজ আলী মাতুব্বর কে একটা কঠিন বাঁশ দেয়া হয়েছে এই লিংকে। না পড়লে নিশ্চিত মিস করবেন ভাই

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.