| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাইটসম্যান
I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.
৩০ জানুয়ারি ২০১৩ ওয়াশিংটন টাইমসে প্রকাশিত বেগম জিয়ার একটি নিবন্ধ নিয়ে দেশে এখন তুমুল হৈচৈ চলছে। নিবন্ধটি যখন বাংলাদেশের জনগণের সামনে আসে তখন সংসদ অধিবেশন চলছিল এবং সংসদে সম্ভবত সবচেয়ে বেশি কথাবার্তা হয়েছে এ নিয়ে। যারা কথা বলেছেন তারা এক কথায় তীব্র ভাষায় বেগম জিয়ার এ নিবন্ধের সমালোচনা করেছেন। বেগম জিয়ার নিন্দা করেছেন, দেশদ্রোহী বলেছেন, কেউ কেউ নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলেছেন। ওই রাতে বাংলাদেশের বিভিন্ন টেলিভিশনে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে, টক-শোতে বিভিন্ন মহল-ব্যক্তি, বুদ্ধিজীবী এ সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন।
কী লিখেছেন বেগম জিয়া এই নিবন্ধে, যা এত হৈচৈ সৃষ্টি করল? বেগম জিয়া কি লেখেন? সাধারণত না। বেগম জিয়ার এটি সম্ভবত দ্বিতীয় লেখা। এর আগেও বিদেশের একটি পত্রিকায় তিনি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে এরকম একটি লেখা লিখেছিলেন। আজ পর্যন্ত দেশের কোনো পত্র-পত্রিকায় তিনি আলাদা করে কলাম বা নিবন্ধ লিখেছেন এমনটি মনে হয় না। সে জন্য খুব সঙ্গত কারণে বেগম জিয়ার এই লেখা সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং সেটা একটি আলোড়ন তৈরি করেছে। বেগম জিয়া যদি বাংলাদেশের দুইবারের প্রধানমন্ত্রী না হতেন, বর্তমানে তিনি সংসদের বিরোধী দলের নেতা না হতেন, তাহলে নিশ্চয়ই এই লেখা এমন গুরুত্ব পেত না। গুরুত্ব পাওয়ার মতো এমন বিষয়ও ছিল না। বেগম জিয়ার এই লেখাকে গুরুত্ব দেওয়া বলতে যা বোঝায় (আমরা ইংরেজিতে বলি একাডেমিক) মানে লেখার বস্তুগত, মর্মগত বিষয়ের মধ্যে প্রবেশ করা সে রকম করে কিছু হয়নি। যেহেতু বেগম জিয়ার লেখাটা হয়েছে রাজনৈতিক এবং এ কারণে তার লেখার ওপর যে আলোচনা হয়েছে সেটাও সর্বাংশে রাজনৈতিকভাবে বিবেচিত হয়েছে। আমাদের রাজনীতি দুই মেরুতে বিভক্ত হয়ে আছে। একটার নেতৃত্ব দিচ্ছেন বেগম জিয়া অন্যটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন শেখ হাসিনা। অতএব একাডেমিক আলোচনা করার চেয়ে অনেক বেশি তারা রাজনৈতিক আলোচনা করেন। তারচেয়ে বেশি সত্য কথা হচ্ছে তারা দলগতভাবে, দলবাজি করে যে কোনো বিষয়ে আলোচনা করেন। বেগম জিয়া যে লেখা লিখেছেন সে লেখা মানের দিক দিয়ে বেশ কাঁচা। এর মধ্যে তথ্যের শুধু বিভ্রাট নয়, বিভ্রান্তিও আছে। এমন অভিযোগ করা যেতে পারে যে, তিনি ভুল তথ্য উপস্থাপন করেছেন। যেটা তার মতো দায়িত্বশীল এক নেতার কাছ থেকে আশা করা যায় না।
যেমন এ লেখার শুরুতেই তিনি লিখেছেন ১৬ কোটি মানুষের এই দেশ আত্দনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে বিশ্বের যে কটি দেশ প্রথমদিকে স্বীকৃতি দেয় তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র অন্যতম। কিন্তু বিষয়টি এমন নয়। যুক্তরাষ্ট্র বরাবর বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে এবং বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে সে ৫০টি দেশেরও পেছনে পড়েছিল। আমার নিজস্ব বিবেচনায় একটি নিবন্ধ হিসেবে এটা সমালোচিত এ কারণেও হতে পারে এটার মধ্যে এক ধরনের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ বা বিদ্বেষও কাজ করেছে। সেটি দুই নেত্রীর। একজন অন্যজনকে যে দেখতে পারেন না সে বিষয়ের। পুরো লেখাটার মূল প্রতিপাদ্য বাংলাদেশের গণতন্ত্র খুবই বিপদগ্রস্ত এখন।
একটি দল, একজন ব্যক্তি, একটি সরকার বা একটি পরিবারের কারণে বাংলাদেশের গণতন্ত্র একের পর এক বিপর্যস্ত হচ্ছে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলো পদদলিত হচ্ছে এবং বেগম জিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান করেছেন কিছু করার জন্য। বেগম জিয়া এরকম আহ্বান জানাতে পারেন কিনা, জানালেও কি রকম করে জানাতে পারেন সেই আলোচনায় পরে যাচ্ছি। কিন্তু এই আলোচনাকালে তিনি যেরকম করে শেখ হাসিনাকে ব্যক্তিগতভাবে কিংবা ড. ইউনূসের বিষয়টি টেনে এনেছেন এগুলো ঠিক গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত নয়। যদিও একটি নিবন্ধে তিনি এরকম কথা লিখতেই পারেন। কিন্তু সংসদে আওয়ামী লীগের সমালোচনার জবাবে বিএনপির নেতারা যেভাবে বলেছেন যে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বেগম জিয়া এমন লেখা লিখেছেন এবং সে লেখা তিনি লিখতেই পারেন_ সেই কারণে কথাটা বলছি। গণতন্ত্রের প্রশ্নে আরও অনেক ব্যাপার লেখার ছিল, লেখা উচিত ছিল। বিএনপি দেশের প্রধান বিরোধী দল, বিএনপি নেত্রী বেগম জিয়া দুইবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, গণতন্ত্রকে তিনি কীভাবে দেখতে চান, কীভাবে হওয়া উচিত সে সম্পর্কে আসলে কোনো কথা নেই।
মূল বিষয়ে আসি। প্রধান সমালোচনা করার বিষয় এটাই হতে পারে যে, বেগম জিয়া এখানে মার্কিন হস্তক্ষেপের দাবি করেছেন বা আশা করেছেন, তাদের কাছে সে রকম অনুরোধ করেছেন। এই অনুরোধ করার ক্ষেত্রে তিনি কি যথার্থ কাজ করেছেন? আমাদের দেশের অভ্যন্তরে যদি বড় কোনো সমস্যা হয় তাহলে সেই সমস্যায় বিদেশি কোনো রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ কি ন্যায্য? সাধারণভাবে এটা নিশ্চয়ই ন্যায্য নয়। এমন করে কিছু দাবি করা উচিত নয়। কিন্তু বিশ্ব এখন একটি গ্লোবাল ভিলেজ। এমন ঘটনা কখনোই ঘটতে পারে না, সেরকম আমরা বলতে পারি না। কারণ বাংলাদেশের যে স্বাধীনতা সে স্বাধীনতার সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেমন বিরোধিতা করেছিল ঠিক তার পাল্টা ভারত এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন সমর্থন করেছিল। ভারত কেবল সমর্থন করেছে সে রকম নয়, ভারত রীতিমতো মিত্রবাহিনী গঠন করে ভারতের সৈন্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এসেছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করেছিল। আমরা কিন্তু তাকে অভিনন্দন জানাই। প্রশ্ন হলো বাংলাদেশের গণতন্ত্র কি সে রকম বিপজ্জনক জায়গায় পেঁৗছেছে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানাতে হবে? এটিও একটি বিতর্কিত প্রশ্ন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে একবার ডেভিড নিনিয়ান আমাদের দেশে এসেছিলেন। তার সঙ্গে তৎকালীন রাজনৈতিক দলগুলোর কথাবার্তা হয়েছিল, একটা তত্ত্বাবধায়ক সরকার কীভাবে গঠিত হতে পারে।
আমি অন্য একটি পত্রিকায় লিখেছিলাম, যে অবস্থা যাচ্ছে বেগম জিয়া এবং শেখ হাসিনা পরস্পর বসে আলোচনা করে যে সমস্যার সমাধান করবেন তার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। কেউ কি উদ্যোগ নিতে পারেন? যারা বন্ধুর মতো_ নিশ্চয়ই পারেন। কিন্তু এই লেখার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে বেগম জিয়া এরকম কোনো কথা বলেননি। বরঞ্চ তিনি এমনভাবে কথা বলেছেন যেটা সরাসরি বাংলাদেশের ওপর হস্তক্ষেপের মতো। এই নিবন্ধের একেবারে শেষ প্যারার আগের প্যারায় বেগম জিয়া বলেছেন, 'এসব দেশকে শেখ হাসিনার কাছে স্পষ্ট করতে হবে যে, যারা শ্রমিক অধিকারকে সমর্থন করেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে রাজনৈতিকভাবে বিরোধিতা করেন, তাদের যদি তাদের মত প্রকাশ করতে না দেওয়া হয়, তাহলে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রদত্ত সুবিধা তুলে নেওয়া হবে। এ সরকারের যারা গণতন্ত্রকে দুর্বল করছে, বাক-স্বাধীনতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে, তাদের ভ্রমণ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে নির্দিষ্টভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার বিষয়টি পশ্চিমা শক্তিগুলোকে বিবেচনা করা উচিত। তাদের এসব কাজ খোলাখুলিভাবেই করতে হবে, যাতে আমাদের দেশের মানুষ জানতে পারেন, বুঝতে পারেন।'
এ কথার মানে কী? ইতোমধ্যেই যারা রপ্তানিমূলক বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত আছেন বিশেষ করে বিজিএমইএ এবং গার্মেন্ট মালিকরা উদ্বিগ্ন বোধ করছেন। বিরোধী দলের নেত্রী যদি এরকম করে লেখা বিদেশি পত্রিকায় পাঠান তাহলে এটার মানে কী দাঁড়ায়। নিশ্চিতভাবেই এটা যেভাবে ইরাকের বিরুদ্ধে স্যাংশনের কথা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছিল, বেগম জিয়া সেরকম অবরোধ আরোপের কথা বলছেন। সবাই তার বিরোধিতা করছিল। সেটা কোনো ক্রমেই সম্ভব নয়। বেগম জিয়া তার নিবন্ধের শেষ লাইনে বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বিশ্বের পদক্ষেপ গ্রহণের এখনই সময়। পাঠক, নিশ্চিতভাবেই আমাদের দেশের দায়িত্বশীল নেতাদের কাছ থেকে আমরা এরকম কোনো বক্তব্য, আচরণ উচ্চারণ প্রত্যাশা করি না। এটা সমগ্র জাতির জন্য একটি বিপদ তৈরি করতে পারে।
ব্যাপারটা এখানেই শেষ হয়ে গেলে ভালো হতো। কিন্তু একপক্ষীয়ভাবে সত্য বেরিয়ে আসে না। সংসদে সমালোচনা করা হয়েছিল। বেগম জিয়া একটা বড় অপরাধ করেছেন। তার শাস্তি সবাই দাবি করছেন, কিন্তু যারা যারা দাবি করছেন তাদের সম্পর্কেও কথা উঠেছে। বিএনপি নেতারা বলছেন, '১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে শেখ হাসিনা ওয়াশিংটন, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশে গিয়ে আমাদের সমালোচনা করেছেন। এমনকি অর্থ সহযোগিতা বন্ধ করে দিতে বলেছিলেন। ফ্রান্সে গিয়ে সে দেশের এমপিদের বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটি বিল আনার জন্য বলেছিলেন। আবার ফ্লোরিডায় গিয়ে বলেছিলেন, বাংলাদেশ একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।'
এই অভিযোগের জবাব কী? একথাগুলো কি সত্য, নাকি সত্য নয়? সরকারি দলের নেতারা বলবেন, এটা সত্য নয়। কিন্তু ইতিহাস তো আছে সে কথা বলে। পাঠক, এটাই হচ্ছে বাস্তব। একথা আমি আগেও বলেছি, আওয়ামী লীগ বা বিএনপি বলে কোনো কথা নয়। একটা হলো সরকারি দল অন্যটি বিরোধী দল। আমার এক বন্ধু আমাকে বলেছেন, আজ সরকারে থেকে শেখ হাসিনা যেসব কথা বলছেন সেগুলো সব নোট করে রাখেন। বিরোধী দলে থেকে বেগম জিয়া যেগুলো বলছেন, সেগুলোও নোট করে রাখেন। যেদিন ক্ষমতার পরিবর্তন হবে, বেগম জিয়া ক্ষমতায় যাবেন এবং শেখ হাসিনা বিরোধী দলে যাবেন দেখবেন তারপরের পাঁচ বছরে খালেদা জিয়ার কথাগুলো শেখ হাসিনা বলবেন আর শেখ হাসিনার কথাগুলো খালেদা জিয়া বলবেন। এ অবস্থার পরিবর্তন হওয়া দরকার। তারা এভাবেই প্রায় ৪০ বছর পার করে দিয়েছেন। সে কারণে আজ নির্বাচনের এক বছর বাকি থাকতে দেশের মধ্যে অনেকে মনে করছেন গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। আর দেশের বাইরের শক্তিকে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, আমাদের অর্থনৈতিকভাবে অবরুদ্ধ করে রাখতে। এর চেয়ে লজ্জার আর কি হতে পারে। এ লজ্জা আমাদের সবার। কিন্তু এ লজ্জা আমাদের দিয়েছেন দুটি দল, দুটি জোট এবং দুটি দলের দুই প্রধান নেত্রী।
লেখক : রাজনীতিক, আহ্বায়ক নাগরিক ঐক্য
ই-মেইল :[email protected]
Click This Link
২|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:২২
মো কবির বলেছেন: হাসিনা-খালেদা এই দুই সরকার জামায়াতের সাথে সংসার করে রেখেছে, যৌক্তিক ভাবেই এই দুই সরকারের যোগ্যতা নেই যোদ্ধা পরাধীদের বিচার করার।
আর যদি তারা চেষ্টা তবে সেটা হবে একটা সাজানো নাটক। আর বর্তমানে আওয়ামীলীগ চাচ্চে শুধু জামায়েতকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে, অথবা আওয়ামীলীগের সাথে হাত ৯৬’এর মতো আবার হাত মিলাতে।
একটা সত্যি কথা যে, যার বুকে সৎ সাহস নেই সে কোন দিনও সৎ বিচার করতে পারেনা।
আর এই দুই সরকারের অবস্থাও তাই।
অনেকতো ভাই দেখেছেন এই নোংরা রাজনীতির লুণ্ঠন।
আসুন এবার দেশকে ভালবেসে দেশের স্বার্থে একত্রিত হই সবাই , বিশ্বকে আবারো দেখিয়ে দেই আমরা বাঙ্গালী আমরাও পারি বাচা মরার সম্মুখ যুদ্ধে লড়তে।
ঐ নোংরা রাজনীতিবিদদের কাছে আর কিছু চাওয়া মানে দেশটাকে ধ্বংস করার জন্য শিয়ালের কাছে মুরগি লালন পালন করার মতো কাজ দেয়া।
এত বড় বড় ঘটনা রেল, পদ্মা, বিশ্বজিৎ, শেয়ার মার্কেট ইত্ত্যাদি সবকিছু ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে তবু তাদেরকেই আবার শাস্তির বদলে দেয়া হচ্ছে দেশপ্রেমিকের মর্যাদা।
দেশের মানসম্মানের চেয়ে ব্যক্তি আবুল-হাসিনা,খালেদা এদের মানসম্মান ই বেশি,দেশের স্বার্থের কাছে এদের স্বার্থটাই সবচেয়ে বড়।
ওদের লোভের কাছে সব কিছু তুচ্ছ।
তাই আসুন একজন অচেতন নেতা না হয়ে বরং একজন সচেতন নাগরিক হই।
যোগ দিতে পারেন আমাদের গ্রুপ পেজে
লাইক পেজ
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:০৩
ইমরুল_কায়েস বলেছেন: "যেদিন ক্ষমতার পরিবর্তন হবে, বেগম জিয়া ক্ষমতায় যাবেন এবং শেখ হাসিনা বিরোধী দলে যাবেন দেখবেন তারপরের পাঁচ বছরে খালেদা জিয়ার কথাগুলো শেখ হাসিনা বলবেন আর শেখ হাসিনার কথাগুলো খালেদা জিয়া বলবেন"
কঠিন সত্যগুলি সহজ করে বললেন। ধন্যবাদ