| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাইটসম্যান
I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.
মঙ্গলবার বিকেল থেকে শাহবাগ চত্বরে জড়ো হয়েছে হাজারও মানুষ, দাবি একটাই যুদ্ধাপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি। কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন নয়, চাই মৃত্যুদণ্ড।
শাহবাগ চত্বরের গণজাগরণের খবর ইন্টারনেটে ব্শ্বিবাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাংলানিউজের এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেনের নির্দেশনায় হেড অব নিউজ মাহমুদ মেনন খান ও চিফ অব করেসপন্ডেন্ট আহমেদ রাজুর নেতৃত্বে বাংলানিউজ টিম সেখানে উপস্থিত প্রথম থেকেই।
বুধবার রাতের পালায় জনতার ভিড় ঠেলে রাত দশটায় শাহবাগ মোড়ে পৌঁছাতেই চাক্ষুস হলো এক অভূতপূর্ব দৃশ্য।
এ যেন মিসরের তাহরির স্কয়ার কিংবা নিউইয়র্কের আরেক টাইমস স্কয়ার। উপস্থিত হাজারও জনতার দৃঢ় মুষ্টিবদ্ধ হাত, মুখে স্লোগান আর চোখে প্রতিশোধের আগুন।
শাহবাগের চাররাস্তার ঠিক মাঝখানে জায়গা পেতে বসেছেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর শিল্পী আন্দোলনকারীরা। মুক্তিযুদ্ধের সময়কালীন বিভিন্ন গানে তারা মাতিয়ে রাখে শাহবাগ চত্বর।
সেখানেই পাওয়া গেলো কামাল লোহানীকে। বাংলানিউজকে নিজের অনুভূতি জানালেন এ প্রবীণ সংস্কৃতিসেবী।
জন্মলগ্ন থেকেই অসাম্প্রদায়িকতা আর সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে উদীচী সংগ্রাম চালিয়ে আসছে উল্লেখ করে তিনি বললেন শাহবাগ চত্বরে শুরু হলো মুক্তিসংগ্রামের দ্বিতীয় অধ্যায়।
এদিকে শাহবাগ মোড়ে ফার্মগেটের দিক থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার রাস্তার সিগন্যাল পোস্টে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে একটি কুশপুতুল। তাতে লেখা ‘তোর বিচার একটাই, ফাঁসি’।
অপরদিকে মৎসভবন থেকে কাঁটাবনের দিকে যাওয়ার রাস্তায় পিজি হাসপাতালের পুরনো ভবনের পূবালী ব্যাংকের সামনের রাস্তায় সারি সারি মোমবাতি জ্বালিয়ে অবস্থান নিয়েছেন একদল মানুষ।
শাহবাগ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়েরর ক্যাম্পাসের প্রবেশ মুখে স্থাপিত মঞ্চে তখন চলছে স্লোগানে স্লোগানে তারুণ্যের উন্মাদনা।
বাংলা বর্ণমালার অক্ষরের সঙ্গে মিল রেখে অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের নামের সঙ্গে স্লোগানে স্লোগানে যেন রায় ঘোষণা করছিলো জনতার আদালত।
অপর পাশে স্থাপিত বিশাল প্রজেক্টরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ বিরতিহীন প্রচার করছে মুক্তিযুদ্ধকালীন বিভিন্ন চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র।
পুলিশ বক্সের সামনের রাস্তায় গোল হয়ে মোমবাতি জ্বালিয়ে বসেছে ‘প্রজন্ম একাত্তর’।
এর মধ্যে শাহবাগ চত্বরে এসে পৌঁছালেন আসাদুজ্জামান নূর এমপি। বাংলানিউজকে সংক্ষিপ্ত সাক্ষাতকার দিয়েই তিনি সরাসরি উঠে গেলেন অস্থায়ী মঞ্চে।
ভাষণ তো নয় যেন তার প্রতিটি উচ্চারণে শাহবাগে ছড়িয়ে পড়ছিলো তীব্র উদ্দীপনা। মঞ্চ থেকে নামার আগে পড়ে শোনালেন বাংলার চির বিদ্রোহী নুরুল দীনের সেই বিপ্লবী উদ্ধৃতি- জাগো বাহে কোনঠে সবাই।
এভাবেই গানে স্লোগানে মধ্যরাতে হাজারও লোকের কোলাহলে জীবন্ত শাহবাগ চত্বর।
রাত তিনটার সময়ও কমেনি জনতার ভিড়। জনতা যেন পণ করে এসেছে আর বাড়ি না ফেরার।
অনেকেই বুদ হয়ে শুনছেন জর্ হ্যারিসনের কনসার্ট ফর বাংলাদেশ, আবার কখনও বা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের সেই ভাষণ, ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’।
রাত সাড়ে তিনটায় যখন এ লেখা শেষ করছি তখন শাহবাগ চত্বরে আবারও বেজে উঠলো জর্জ হ্যারিসনের কণ্ঠের সেই অমর গান ‘বাংলাদেশ, বাংলাদেশ’।
আবারও নতুন জাগরণ মন্ত্রে উজ্জীবিত হলো উপস্থিত জনতা। মধ্যরাতে শাহবাগ যেন জেগে আছে বাংলাদেশের বিবেক হয়ে।
Click This Link
রাইসুল ইসলাম, নিউজরুম এডিটর/বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
বাংলাদেশ সময়: ০৪৫০ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০১২
আরআই/সম্পাদনা: নূরনবী সিদ্দিক সুইন, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর
©somewhere in net ltd.