নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালবাসাই মানুষকে সুখী করে

৭১কে দেখিনি, তাতে কোনো দুঃখ নেই, কারন শাহবাগে আমি জীবন্ত ৭১কে পেয়েছি।

রাইটসম্যান

I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.

রাইটসম্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রতিবাদী মানুষের বাধায় সভাস্থল ছাড়লেন হানিফ

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১৮

রাজধানীর শাহবাগ। চারপাশে প্রতিবাদী মানুষের ঢল। সময় তখন বিকেল সাড়ে পাঁচটা। যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে চলছে তৃতীয় দিনের মতো প্রতিবাদ কর্মসূচি। সেখানে উপস্থিত হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। ঘোষণা করা হলো, আন্দোলন ও প্রতিবাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেবেন তিনি।

এ সময় সভাস্থলে শুরু হলো হইচই। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক প্রণব দেব রায় প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, হানিফ বক্তব্য দেবেন, এমন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই উপস্থিত জনতা প্রতিবাদ জানান। তাঁরা ‘সরকারের সমঝোতার রায় জনগণ মানে না’, ‘আপসের রায় মানি না’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতা হানিফ হাত নেড়ে জনগণকে থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু জনগণের স্লোগান বাড়তেই থাকে। শুধু কাদের মোল্লা নয়, সব যুদ্ধাপরাধীকে ফাঁসি দিতে হবে বলে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। একপর্যায়ে সেখানে দাঁড়ানো আওয়ামী লীগের নেতার আশপাশে বেশ কয়েকটি পানির বোতল ছোড়া হয়।

ঘটনার একপর্যায়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কয়েকজন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে সভাস্থল থেকে সরে যান মাহবুব উল আলম হানিফ। বক্তব্য না দিয়েই শাহবাগ থেকে চলে যান তিনি।

Click This Link

জনাব হানিফ, আবারও ভুল করলেন! এ জাগ্রত জনতা আপনার দলের নয়। এরা আপনাদের, রাজনীতিবিদদের কুকীর্তিতে অতিষ্ট জনগণ। দোহাই এদের নিয়ে রাজনীতি খেলবেন না, আবার যদি কোনো অসুস্থ রাজনীতিবিদ এখানে আসে তো বোতলের পাটকেল খেয়ে বিদেয় হবে! রাজনীতিবিদরা প্রমাদ গুনুন, আমরা এখানে আবারও আসব, বারবার আসব আমাদের দাবি নিয়ে।

শাবাশ জনতা শাবাশ। স্যালুট তোমাদের। আমরা সবাই যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাই।

রাজনৈতিক নেতাদের কোনো রকম গলাবাজি আর বাহাদুরি করতে না দেওয়াটা সবচাইতে প্রশংসাযোগ্য পদক্ষেপ। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রথম আন্দোলন শুরু করেছিলো সাধারণ জনগণ, সুতরাং সাধারণ জনগণই বক্তব্য রাখবে। শুধু মাত্র একদল আরেকদলের প্রতি কাদা ছোড়া স্বভাব আর স্বার্থ সন্ধানী রাজনৈতিক দলগুলো কখনই কোনো উন্নয়ন মুলক পদক্ষেপের দাবিদার হতে পারে না।

আমরা আজ রাজধানীর শাহবাগ সহ সমগ্র বানলাদেশে যে দাবীতে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছি এটা কোন রাজনীতিক গোষ্টি কে ক্ষমতায় বসানোর জন্য নয় এটা সমগ্র জাতির আশা আকাংক্ষা যুদ্ধাপারাধীদের বিচার এবং জাতির কলংক মুক্তি ও ৭১ এর শহীদদের রক্তের ঋণ কিছুটা হলে ও পরিশোধের দাবি । তাই এই আন্দোলনের মাধ্যমে কোন রাজনীতিক গোষ্টি বিশেষ সুবিধা হাসিলের চেষ্টা করুক এটা আমদের কখনো ই কাম্য নয় । এই দাবী শুধু জামাত- ই- ইসলামের যুদ্ধাপারাধীদের বিচারের দাবি নয় এটা সকল যুদ্ধাপারাধীদের বিচারের দাবি হউক সে আওয়ামীলিগের পক্ষের যুদ্ধাপারাধী । আজ আমরা আওয়ামীলিগের পক্ষের যে সকল যুদ্ধাপারাধীদের দেখছি তাদের ও বিচারের মুখমখি কারা দাবি জানাই । আজ শুধু আমাদের এটাই দাবি সকল যুদ্ধাপারাধী ফাসি চাই।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৩২

মাইক-মজিদ বলেছেন: শুনেছি কি সব নাকি ছুড়েও মারা হয়েছে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.