নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালবাসাই মানুষকে সুখী করে

৭১কে দেখিনি, তাতে কোনো দুঃখ নেই, কারন শাহবাগে আমি জীবন্ত ৭১কে পেয়েছি।

রাইটসম্যান

I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.

রাইটসম্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

শাহবাগ স্কয়ারঃকানায় কানায় পূর্ণ। হাজারো প্রতিবাদী মানুষ। মুহুর্মুহু স্লোগান। স্লোগানে যেন বারুদের উত্তাপ। প্রকম্পিত পুরো এলাকা।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৫৬

রাজধানীর শাহবাগ মোড় কানায় কানায় পূর্ণ। হাজারো প্রতিবাদী মানুষ। মুহুর্মুহু স্লোগান। স্লোগানে যেন বারুদের উত্তাপ। প্রকম্পিত পুরো এলাকা। কাদের মোল্লার ফাঁসিই ক্ষুব্ধ জনতার একমাত্র দাবি।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনের মতো শাহবাগ মোড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চলছে। এ কর্মসূচি পালনে জড়ো হয়েছে সর্বস্তরের মানুষ।

রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও এই আন্দোলনে শামিল হয়েছেন। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে শাহবাগ মোড়ে তীরন্দাজ নাট্যদলের কর্মীরা প্রতিবাদী পথনাটক মঞ্চস্থ করেন। বেলা সোয়া ১১টার দিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কুশপুত্তলিকায় জুতাপেটা ও পরে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা।

বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান শাহবাগে গিয়ে আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমরা যা করতে পারিনি, এ তরুণ প্রজন্মই তা করে দেখাবে, সে বিশ্বাস আমাদের আছে। এবং তারা তা করে দেখিয়েছে।’

বেলা তিনটার দিকে সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘রক্তের দামে কেনা এই বাংলাদেশ। আজ যখন তোমাদের দেখি, তখন মনে হয়, আমি এক নতুন বাংলাদেশ রেখে যাচ্ছি। এই অগ্রগতি কেউ রুখতে পারবে না। রাজাকারেরা ফাঁসিতে ঝুলবে। জামায়াত-শিবির নিশ্চিহ্ন হবে।’

জানা গেছে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, ইডেন কলেজ, ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সংহতি প্রকাশ করে কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এ ছাড়া সাবেক ফুটবলার ও ক্রিকেটাররাও এই আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে অংশ নিয়েছেন।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শাহবাগ মোড়ে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। সন্ধ্যার পর শাহবাগ মোড় জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।



প্রতিবাদের রাত: রায় প্রত্যাখ্যান করে মঙ্গলবার বিকেলেই শাহবাগ মোড়ে বিক্ষোভ শুরু করেছিল ব্লগার ও ফেসবুক অ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সর্বস্তরের মানুষ তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। সন্ধ্যায় প্রজ্বলিত মোমবাতি ও মশালের আলোয় শাহবাগে সৃষ্টি হয় প্রতিবাদী আবহ। বিক্ষোভকারীরা কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবি করে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন। ছিল প্রতিবাদী গান ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনী।

রাত একটার দিকে ওই দিনের মতো কর্মসূচি শেষ করে বুধবার সকাল সাতটায় আবার শাহবাগে জড়ো হওয়ার ঘোষণা দেন উদ্যোক্তারা। তবে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা সাধারণ মানুষ এই সময় জানান, তাঁরা সারা রাত এখানেই থাকবেন। রাতেই কাদের মোল্লার প্রতীকী ফাঁসি দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এরপর আরও কয়েক দফায় তাঁকে প্রতীকী ফাঁসি দেওয়া হয়। এ সময় তরুণ-তরুণীদের কণ্ঠে ধ্বনিত হয় প্রতিবাদী গান।

রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে অনেক ছাত্র পেপার-কম্বল নিয়ে জড়ো হন শাহবাগে। দুটি বড় পর্দায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়। খণ্ডে খণ্ডে বিভক্ত হয়ে রাতভর চলে প্রতিবাদী গান।

যানবাহন চলাচলে বাধা

প্রতিবাদ আন্দোলনের কারণে যান চলাচল বন্ধ রাখতে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে, আজিজ সুপার মার্কেট, রূপসী বাংলা হোটেলের সামনে ও শিশুপার্কের সামনে কাঁটাতারের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে পুলিশ।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম প্রথম আলো ডটকমকে জানান, আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাস্তায় এ বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। শাহবাগ মোড় দিয়ে যান চলাচল না করতে রাজধানীবাসীকে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

Click This Link

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধাদের হয়তো আমরা অনেকেই দেখি নাই, তবে চাইলেই ২০১৩ সালের মুক্তিযুদ্ধাদের আমরা দেখতে পারি !!

_____ দেখতে চাইলে চলে আসুন শাহবাগ চত্বরে। আর সেখানেই আপনার জন্য অপেক্ষায় আছে ২০১৩ সালের মুক্তিযুদ্ধারা।

...সময় এসেছে জাগরনের... সময় এসেছে অধিকার আদায়ের... সময় এসেছে এক বিন্দুতে এসে সিন্ধু আদায়ের...শাহবাগ চত্বরে জনতার স্রোত...

জেগেছে শাহাবাগ জাগো বাংলাদেশ। টেকনাফ্ থেকে তেঁতুলিয়া যুদ্ধাপরাধী রাজাকার মুক্ত বাংলাদেশ নতূন প্রজন্মের নয়া লড়াই এই ব্রতে আমাদের ঐক্যের নিশান উড়ুক আবার নতুন করে।

এমন একটি গনজাগরন দরকার দুরনীতির বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে। দুরনীতির বিরুদ্ধে মানুষ এভাবে সোচ্চার হলে শুধু জামাতের কাদের মোল্লা নয়, বিএনপি - আওয়ামিলীগের মোল্লারাও রেহাই পেতনা। দেশ সত্যিই এগিয়ে যেত। আমার ইচ্ছে হচ্ছে কেউ একজন দেশপ্রেমিক এখান থেকেই স্লোগান দিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে, দুরনীতির বিরুদ্ধে। আহবান করুক দেশ গড়ার জন্য। হতে পারেন জাফর ইকবাল স্যার, হতে পারেন আনওয়ার হোসেন স্যার। আর রাজনীতি নয়, অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য তরুনদের এমনিভাবে সচেতন হওয়া দরকার।

এ তো শাহবাগ নয় ৭১ এর যুদ্ধ ক্ষেত্র!!!! জাগো বাহে..... কুন্ঠে আছো ?

আজ সারা দেশের আপামর জনগন যে মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় জেগেছে, তার একটি জ্বলন্ত উদাহরন আজকের এই শাহাবাগ স্কয়ার। আমরা স্বাধীনতার পর অনেক কিছুই পেরেছি কিন্তু পারিনি শুধু দেশের সব মেহনতী ও সোচ্চার জনতা এক হতে। আজ আমরা পেরেছি, তাই এবারই সময় দেশে থেকে যুদ্ধাপরাধীদের সাথে সাথে দুর্নীতিবাজ ও ভন্ড রাজনীতিবিদদের দেশে থেকে বিতারন করার।

এবারই সময় দেশে থেকে পরিবারতন্ত্র বিতাড়িত করে দেশে সত্যিকারের গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার।

এবারই সময় দেশে থেকে মুজুদদারী, মুনাফা লোভী, ঘুষখোরদরেকে সত্যিকারের বার্তা পৌছে দিয়ে দেশের উন্নয়নকে বেগবান করার।

আমরা তখনই ঘরে ফিরে যাব যখন আমরা এই পুরোনে বাংলাদেশকে ভুলে একটি নতুন ও আধুনিক বাংলাদেশ গঠনের নিশ্চয়তা পাব।

এবার বাঙ্গালী জেগেছে, তাই আবার বিশ্বাস এবার আমরা নতুন বাংলাদেশকে পাব..ই...পাব

১৯৭১এর সাজে শাহাবাগ, জাগো বাংলাদেশ। টেকনাফ্ থেকে তেঁতুলিয়া যুদ্ধাপরাধী রাজাকার মুক্ত বাংলাদেশ নতূন প্রজন্মের নয়া লড়াই এই ব্রতে আমাদের ঐক্যের নিশান উড়ুক আবার নতুন করে। লে মুক্তিযুদ্ধাদের হয়তো আমরা অনেকেই দেখি নাই, তবে চাইলেই ২০১৩চট্টগ্রাম থেকে এই আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছি।

হে বাংলাদেশ, হে বাংলার স্বাধীনতাকামী শান্তিপ্রিয় ভাই ও বোনেরা, এটাই সময় স্বাধীনতার অপশক্তিকে বিলুপ্ত করার। এটাই সময়, ধর্মীয় রাজনীতি নিষিদ্ধ করার, এটাই সময় জামাত-শিবির-বিএনপির অন্যায় কর্মকান্ডকে প্রতিহত করার। এটাই সময় রাজাকারদের মৃত্যুদন্ড দিয়ে তা কার্যকর করার। সুন্দর বাংলাদেশ আমাদেরই গড়তে হবে

আজ জেগেছে তরুন সমাজ, তাই জয় আমাদের নিশ্চিত.................

যে অপরাধী তার কোন দেশ,সমাজ, ধর্ম থাকতে পারে না। তার একমাত্র পরিচয় সে অপরাধী। আর আমি সেই অপরাধীদের বিচার চাই, যারা আমার বাবা,মা,ভাই,বোন,আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের নির্মম ভাবে হত্যা করছিল।

যোগ দিন আমাদের সাথে শাহাবাগে ।

আজ আমরা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে দাড়িয়ে আছি।

যেখানে পুরো বাংলাদেশ দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছে।

এক পক্ষ দাড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ বিপক্ষ শক্তির মানবাধিকার লঙ্গনের দায়ে ফাঁসির অপেক্ষাই, আর অন্য পক্ষ আছে কিভাবে তাদের ফাঁসির মঞ্চ হতে দূরে রাখা যাই।

আমি প্রথম পক্ষ সমর্থন করে কিছু কথা বলতে চাই।

আজ যেমন আমার ভাই-বোনেরা অন্ধকার ভেদ করে অপেক্ষা করছে তাদের কাংখিত রায় ভোরের আলোর মত প্রস্ফুটিত হওয়ার, তেমনি যদি আমরা আমাদের জীবনের; আমরা আমাদের জাতির প্রতিটি দুরভুগে কাধে কাধ মিলিয়ে দাড়াতে পারি তাহলে আমাদের ঠেকায় কে, কার এত বড় সাহস, কার এত বড় বুকের পাঠা আমাদের দেশে দুর্নীতি করে পাহাড় সমান সম্পদ গড়ার। কার এত বড় সাহস আমার কোন মায়ের আর বুক খালি করে, কার এত বড় সাহস আমার কোন মায়ের সামনে তার মেয়ের ইজ্জত হরণ করে।

যদি আমরা পারি তাইলে তো আমার কোন ভাই আর অভুক্ত থাকে না, আমাদের কোন বোন রাস্তাই চালাফেরা করতে চিন্তিত হয় না, বাসে উঠলে (বাবার বয়সী এবং মা-বোন) কোন মানুষ সিট না পেয়ে দাড়িয়ে থাকে না, কোন অসুস্ত মানুষ হাসপাতাল থেকে চিকিস্যা না পেয়ে ফিরে যাই না।

আমরা কি পারি না শাহবাগ স্কয়ার/৭১ স্কয়ার থেকে আমাদের কাঙ্খিত রায় কামনার পাশাপাশি নতুন করে সমাজ গড়তে।

যদি পারি তাহলে শুরু করি এখন থেকে নতুন করে জেগে উঠা।

শাহবাগ হোক বাংলাদেশের তাহরি স্কয়ার। শুধু কাদেরের ফাঁসি জন্য শ্লোগান নয় সাথে দুর্নীতি, ধর্ষণ, গুম, বিচার বর্হিভূত হত্যার বিরুদ্ধে শ্লোগান। হোক গণতন্ত্রের জন্য শ্লোগান। জামাত, বিএনপি, আওয়ামীলীগ, এবং স্বার্থান্বেষী সকল দলের বিরুদ্ধে শ্লোগান।

তাহরির থেকে শাহবাগ......জনতার মশাল জলন্ত।

হুঙ্কার দিয়ে জেগে ওঠে......উত্তাল বাংলা বসন্ত।

লক্ষ নূর হোসেন এক দাবীর পক্ষে......

'রাজাকার নিপাত যাক' --লিখে ঘুরছে বক্ষে।

প্রতিবাদের তরী ভেড়াই চল

শাহবাগের তীরে......

নরপিশাচ'দের সাজা হবে

বীর বাঙ্গালী'র ভিড়ে।

আমাদের আন্দোলন চলবেই চলবে। জনতার আন্দোলন চলবেই চলেব। এদেশ রাজাকার মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। সারা দেশ হয়ে উঠুক রাজাকার নির্মূলের মঞ্চ। কিছু দিন জামাত-শিবিরের তান্ডব দেখে মনে হয়েছিল এদেশের মুক্ত চিন্তার মানুষ গুলো ঘুমিয়ে রয়েছে। এবার শাহবাগ দেখে অনুপ্রাণিত হলাম। রাজাকাররা বার বার, শত বার, হাজার বার পরাজিত হবে।

জেগেছে বাংলার তরুন প্রজন্ম, মরবেনা কোন বিশ্বজিত

হবেনা কোন হাওয়া বভন, থাকবেনা কোন রাজাকার !

করতে পারবেনা কোন অস্ত্রচর্চা,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে!

মানবনা কোন সেশন-জট বিশ্ববিদ‍্যালয়ে।

রাজাকার নিপাত যাক, বাংলাদেশ মুক্তি পাক।

কাদের মোল্লার ফাঁসি চাই, সব রাজাকারের ফাঁসি চাই।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:০৭

ওস্তাদজী... বলেছেন: আগামিকাল ভাই মানুষ আরও বাড়বে। দাবি একটাই, রাজাকারের ফাসি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.