| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাইটসম্যান
I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.
যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগ চত্ত্বরে শুক্রবার বিকেল ৩টায় মহাসমাবেশ। আর এই মহাসমাবেশকে বৃহত্তর গণজমায়েতে রূপ দিতে প্রস্তুত শাহবাগ। একাত্তরের ঘাতকদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে এই কর্মসূচিতে দশ লাখ মানুষের জমায়েত প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।
শুক্রবার সকাল থেকেই দল-মত নির্বিশেষে সারাদেশ থেকে আসতে শুরু করেছে মানুষ। বয়স ও শ্রেণির ভেদাভেদ ভুলে এরই মধ্যে শাহবাগ চত্ত্বরে অগণিত মানুষ জড়ো হয়েছে। শিশু থেকে শুরু করে অবাল-বৃদ্ধ-বনিতার পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে শাহবাগ চত্ত্বর। দুপুরের মধ্যেই শাহবাগ চত্ত্বর হয়ে উঠবে জনসমুদ্র। স্বাধীনতার পর সকল শ্রেণির মানুষের এ গণজমায়েত এক অভূতপূর্ব ঘটনার অবতারণা করছে।
একাত্তরের হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন দণ্ডের আদেশ ঘোষণার পর থেকেই তার ফাঁসির দাবিতে তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষ বিক্ষোভ সমাবেশ করছে। তারা সব রাজাকারের ফাঁসির দাবি তুলেছে।
বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে আন্দোলনকারীরা লাগাতার বিক্ষুদ্ধ থেকে আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ ছুটে আসছেন। তাদের একটাই দাবি যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির আদেশ ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন বন্ধ করবে না। এই প্রত্যয় নিয়ে দিনরাত বিক্ষোভ করছে।
যুদ্ধাপরাধী বিরোধী স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছে শাহবাগ চত্ত্বর। আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন গ্রুপে বিক্ষোভ করছেন শাহবাগে। প্রত্যেকেই সামান্য বিশ্রাম নিয়ে আবার এসে যোগ দিচ্ছেন শাহবাগ চত্ত্বরে। তাদের নাওয়া নেই, খাওয়া নেই, ঘুম নেই, দীপ্ত শপথ নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন লাগাতার আন্দোলন।
এই আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী, সাধারণ মানুষসহ বিভন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। প্রাণের টানে তারা ছুটে আসছেন শাহবাগে। বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গরা শাহবাগে এসে সংহতি প্রকাশ করছেন।
এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষর্থীরা ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আনোয়ার হোসেন বৃহস্পতিবার এই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন। বিকাল ৩টার মহাসমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা যোগ দেবেন। ফাঁসি ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত শাহবাগ চত্তর ত্যাগ করবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন জাবি উপাচারর্য।
সকাল থেকে মানুষ আসতে শুরু করেছে শাহবাগ চত্ত্বরে। কেউ বাসে, কেউ রিক্সায়, সিএনজি, ট্যাক্সি ক্যাব এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে তারা শাহবাগে আসছে। একইভাবে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় এবং জেলা শহরেও সাধারণ মানুষ সমাবেশে যোগ দিতে ঢাকা আসছেন। তাই নগরীর টার্মিনাল গুলোতে মানুষের ব্যাপক ভীড়। বাস টার্মিনাল থেকে তারা সরাসরি আসছেন শাহবাগে।
অন্যান্য শুক্রবারে নগরীতে কোন যানজট থাকে না। কিন্তু আজকের চিত্র একেবারেই ভিন্ন। মানুষ শাহবাগ মুখে ছুটে্ আসতে থাকায় নগরীর বিভিন্ন স্থানে যানজট লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শাহবাগে প্রবেশে বিভিন্ন পয়েন্টগুলো বন্ধ থাকায় অন্যান্য এলাকা গুলোতে যানজটের প্রভাব পরেছে। ঢাকা মহানগর ট্রাফক পুলিশ হোটেল রূপসীবাংলার মোড়, কাটাবন মোড়, পলাশী মোড়, মৎসভবনের মোড় থেকে শাহবাগে যানবাহন প্রবেশের পথ ব্যরিকেট দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে।
এদিকে নানা প্রতিবাদী কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিক্ষোভ চলছে। আন্দোলনকারীরা বিরামহীনভাবে যুদ্ধাপরাধী বিরোধী স্লোগান অব্যাহত রেখেছেন। অন্যান্য দিনের মতোই বিভিন্ন সংগঠন প্রতিবাদী ব্যানার-ফেস্টুন, যুদ্ধাপরাধীর বিচার দাবির সম্বলিত মাথা ও হাতে ব্যান্ড, লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে দলে আসছেন গণজমায়েতে।
গণসঙ্গীত, রন সঙ্গীত, প্রতিবাদী কবিতা আবৃতি, দেশাত্মবোধক গান যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সারাক্ষণ মুখর করে রাখেন তারা।
এছাড়া বিভিন্ন সময় পথ নাটক, প্রতিবাদী চিত্রাঙ্কন করে যুদ্ধপরাধীদের বিচারের দাবি তুলছেন গণজমায়েত।
গণজমায়েত শুরুর দিন মঙ্গলবার থেকেই রাজনৈতিক বক্তৃতা নিষিদ্ধ করেছে আয়োজকরা। বিকেলের মহাসমাবেশে বৃহত্তর গণজমায়েত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার তরান্বিত হবে বলেই আশা করছেন সবাই।
Click This Link
বাংলাদেশ সময়: ১১১৪ ঘণ্টা, ফেব্রয়ারি ০৮, ২০১৩
©somewhere in net ltd.