নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালবাসাই মানুষকে সুখী করে

৭১কে দেখিনি, তাতে কোনো দুঃখ নেই, কারন শাহবাগে আমি জীবন্ত ৭১কে পেয়েছি।

রাইটসম্যান

I am ambitious, hard worker, lot of patience, self centric cold minded, gentle, never to angry but in the long run way, I am happily to revenge against the victimizer. I am very soft and very kind but it is very difficult to understand me from outside. Because I am out spoken and very practical. I am not harmful to nobody even to my enemy. I am trying my best to adjust at any situation. I believe fate so I can accept any situation and newly build up a peaceful life again. Stress makes me more ambitious with a new light of HOPE. I am so logical, sequential, analytical, objective, and highly determined to do or die something indicatively, and also romantic, Industrious, emotional, peace lover, active responsible, nature-loving, straight-forward, Good-humored, independent, extrovert.

রাইটসম্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাজপথে মুখোমুখী লড়াইয়ে শিবিরকে ওপেন চ্যালেঞ্জ...

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:০৭

চট্টগ্রামে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে দাবিতে গণজাগরণের মুখে ভেস্তে গেছে জামায়াতের ডাকা হরতাল। জনতার রোষানলের ভয়ে শনিবার মাঠে দেখা যায়নি জামায়াত-শিবিরকর্মীদের। সেই শিবির ক্যাডাররা এবার শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরে আন্দোলনরত ছাত্রজনতার ওপর হামলার পরিকল্পনা করছে বলে গোপন সূত্রে জানা গেছে। আন্দোলনে সংহতি জানানো ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম শনিবার বিকালে গণজাগরণ মঞ্চ থেকে কয়েক দফা এ ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে শিবিরকে রাজপথে মুখোমুখী লড়াইয়ে ওপেন চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি ছাত্রজনতাকে সর্তক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।





এদিকে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের এ ঘোষণার পর আরো উদ্দীপ্ত হয়ে উঠেছে আন্দোলনকারীরা। চরম উত্তেজনা লক্ষ্য করা গেছে তাদের মধ্যে। তারা শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত করে রাখছে শাহবাগ চত্বর। শিবির প্রতিহত করতে প্রয়োজনে জীবনের সর্বোচ্চ টুকু উজাড় করে দিতে প্রস্তুত তারা।



ছাত্রশিবিরকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে নাজমুল আলম বলেন, ‘শিবির নাকি আমাদের চেয়ে বড় সমাবেশ করতে পারবে বলে হুঙ্কার দিয়েছে। সাহস থাকলে রাজপথে এসে শিবিরকে এ আন্দোলন মোকাবিলা করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি।’

মাইকে এমন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত জনতা তার কথায় সমর্থন জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন।

আন্দোলনকারী মাহমুদ জামান। তিনি এসেছেন ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে। তিনি ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘শিবিরকে মুখে নয়। গায়ের শক্তি দিয়ে প্রতিহত করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের রক্ত টগবগ করছে। এ রক্ত মুক্তিযোদ্ধার রক্ত। এ রক্ত পরাজয় কী জানে না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মেহবুব আলম বলেন, ‘গণজাগরণের মুখে জামায়াত-শিবিরকে প্রতিহত করা হবে। প্রয়োজনে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ করবে তরুণ সমাজ। তবু এবার জামায়াত-শিবিরকে প্রতিহত না করে আমরা ঘরে ফিরব না।’

এর আগে দুপুরে মঞ্চ থেকে ঘোষণা করা হয় যে, মঞ্চের চারপাশে শিবির ঘুর ঘুর করছে। এমন ঘোষণা শুনে উত্তেজিত হয়ে পড়ে আন্দোলনকারীরা। তখন বলা হয়েছে, আমরা খবর পেয়েছি, আমাদের চারপাশে শিবিরের কর্মীরা ঘুর ঘুর করছে। তারা আমাদের আন্দোলনের ছবি তুলে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের প্রতিহত করতে হবে।

প্রজন্ম চত্বরের গণজাগরণ মঞ্চ থেকে গত চারদিনের মতো ভেসে আসছে তীব্র স্লোগান। স্লোগানের ভাষায় শাণিত উচ্চারণে ধ্বনিত হচ্ছে ফাঁসির দাবি। স্লোগানের ঢেউয়ে ভাসছে তারুণ্যের অপ্রতিরোধ্য আন্দোলন। মাঝে মাঝে ঘোষণা আসছে, ‘জামাত-শিবিরের আন্দোলন থামাতে হবে। আইনের করে দেশ বিরোধী এ দলকে নিষিদ্ধ করতে হবে।’

Click This Link

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:১১

টিপু সুলতান ১১ বলেছেন: ছাত্রলীগ সম্পাদক কী বলেছেন সেটাই কি আমাদের শুনতে হবে। তা হলে শাহবাগ কেন আসলাম।

২| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:০৫

মিত্রাক্ষর বলেছেন: জামাতিদের সাথে যারা আঁতাত করে তাদের কথাই শেষমেশ শুনতে হল???

৩| ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:১৫

গোধূলির রঙ বলেছেন: পড়লে পড় না পড়লে পাকিস্থান গিয়া মর !
এই পোলাপান গুলারে কে বুঝাবে যে, ১৯৭১ সালে পাক বাহিনী আমাদের বুকে গুলি করেছে, জনতা বুকে নিয়েছে বুলেট দেশকে স্বাধীন করার জন্য। শাহবাগের মত নাচ, গান, আনন্দ , ফূর্তি করার টাইম তাদের ছিলোনা। খিচুড়ি আর সরকারী পানি খাওয়ারও টাইম তাদের ছিলনা বা তাদের দেয়নি তখনকার সরকার। বুলেট এসেছিলো চার দিক থেকে। শাহবাগকে ৭১ এর মত করে দেখাতে গিয়ে আমাদের স্বাধীনতাকে খাটো করবেননা।

জাস্ট, আরো একটু ভাবুন। শাহবাগে আন্দোলনের নামে বামরা কি চায়। এদের আসল দাবি ফাঁসি না। এদের টার্গেট ইসলাম। মুসলমানের ছেলে হলে ভাবুন। আর পরিমলের দলের লোক হলে ভাবার দরকার নাই। ওখানে গিয়া উলালে নাচুন।

শাহবাগে যে সব পোলা চিল্লাইতাছে এগুলার আতলামি দেখে আমি একেবারে মার্মাহত। আরে বোকাচোদা আবালের দল। ওখানে গিয়ে এদের ভাব এমন যে এরা মুক্তিযুদ্ধ কইরালাইতাছে। এতো রাষ্ট্র ও পুলিশি প্রোটেকশন, খিচুড়ী, পুলিশ কর্তৃক চার দিকের রাস্ত বন্ধ কইরা সারা শহর থেকে লোক আইনা কি জনতার বিপ্লব হয়? এরা কি বিপ্লবের মানে বুঝে? আরে, বিপ্লব হয় বন্ধুকের মুখে। পুলিশ গেরাও করে নিরাপত্তা দিয়ে নয়।

মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছে বন্ধুকের মুখে, ভাষা শহীদরাও এমনকি ৯০ এর গণঅভ্যূথানের সময়ও। রাষ্ট্রের পাহারায় বইসা বইসা খিচুড়ী আর ওয়াসার পানি খাইয়া বিপ্লব হয়না। বিপ্লবের মানে বুইঝা শাহবাগ যা, নইলে ঘরে বইসা শাহবাগের চিত্র দেখ আর প্রাণ খুলে হাস। কামে লাগবো। এতো প্রটেকশনে নাটক দেইখা লজ্জায় মরতাছি। ভাবতেছি, এই সব শাহবাগের খিচুড়ি বাহিনী যদি ৭১ এ থাকতো তবে আমাদের জন্য ক্ষতিই হতো। আমার বাপজান আমারে এখনো কয় মৃত্যুর মুখে যদ্ধ করেছে, শাহবাগের মত সরকারের পুলিশি নিরাপত্তায় খিচুড়ি খেয়ে নয়।

কথাগুলা বুঝলে বুঝ, না বুঝলে শাহবাগের রাস্তা মাফ।

শাহবাগে যারা গেছে বা যারা অন্যমতকে যুক্তিদিয়ে না রিফিউট করে গালি দিয়ে করে এদের সবার মাঝে আমি পাক হানাদার বাহিনীর মেজাজ দেখি। পাক বাহিনী আর এইসব বাম আর ধর্মনিরপেক্ষদের মেজাজ একই রকম। আমার তাই সন্দেহ হয়, এরা কার ঔরশজাত।

তাহরীর স্কয়ার ছিল ইসলামী গণজাগরনের। তারা সংগ্রাম করেছে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে। এরা কি চায়? ইসলামকে স্তদ্ধ করতে চায়। এদের পিছনে আছে ঘাদানিকদের প্রচ্ছন্ন কৌশল। এদের আসল টার্গেট ইসলাম।
এই আবাল পোলাপান কই ছিল যখন সাগর আর রুনীরে হত্যা করছিলো খুনিরা? এরা তখন চোখের সামনে এত খুন দেখেও রাস্তায় নামলোনা কেন? এরা আজ কার ইশারায় রাস্তায়? কারা এদের নামিয়ে আনলো? কেনো এরা রক্ত দেখেও রাস্তায় নামলোনা? সামু বলছে সাগর আর রুনীর হত্যার ব্যাপারে আমরা আজও অন্ধকারে। তবে কেন? এই সভ্য দুনিয়ার এই সব পোলাপান কি এগুলা দেখেনা?

কেন এরা বিশ্বজিতের হত্যার পর রাস্তায় নামেনি? বিশ্বজিতের হত্যা কি মানবাতার পক্ষে ছিল? নইলে নামলো না কেন?

এদের আসল উদ্দেশ্য গতকালই পরিস্কার হয়ে গেছে। এরা চায় ইসলামকে নিষিদ্ধ করতে। এদের আসল টার্গেট ইসলাম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.