নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এই ঈষদোষ্ণ রোদ্দুর মিছিলে স্বাগতম

রোদ্দূর মিছিল

দলছুট এক ইউক্যালিপটাস ছালহীন দেহে মাখে কুয়াশার হিম নিঃসঙ্গ বেদনায়। পাতা ঝরার আর্তনাদে ভেঙ্গে খান খান নিরবতা। ক্যানভাসের বিমূর্ত ছবির মত এলোমেলো আমার অনুভূতিগুলো আঁধারের হাতছানিতে নিমজ্জিত - কিছুটা সময়। অঃতপর- রাত্রির আঁধার ভেঙ্গে চলি শুন্য রাজপথে দূরের চাঁদ আলো ফিরিয়ে নেয় মন হারায় আঁধার মরুতে।

রোদ্দূর মিছিল › বিস্তারিত পোস্টঃ

জাতিস্মরের একটি দিন (অন্যরকম গল্প ২)/রোদ্দুর মিছিল

১৯ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ৩:১৪


- সাঁইজি
- কে?
- আমি রোদ্দুর
- ওহ, দুদ্দু এয়েছ?
- সাঁইজি, আমি রোদ্দুর।
- তাই তো ডাকিছি তোমায়। নাকি তোমারে পুরো নাম ধরি ডাকিতে কও, দুদ মল্লিক বিশ্বাস। আমার দুদ্দু শাহ।

সাঁইজির বয়স হয়েছে। এই বয়সে কানে একটু কম শুনবেন, এটাই স্বাভাবিক। আমি তাই আর এ বিষয়ে কথা বাড়ালাম না। আমাকে রোদ্দুর ডাকলেও যা, দুদ্দু ডাকলেও তা। সাঁইজি বলেই চলেছেন -

- হরিণাকুন্ডুর বেলতলা গ্রামের পড়ালেখা জানা ছাওয়াল দবিরউদ্দীন মন্ডল। এই অধম লালন ফকিরের নিকট আসিলে দীক্ষা গ্রহণ কইরবে বইলে। আমি তোমারে কি দীক্ষা দিতে পারি? সেই ক্ষমতা তো আমার নাই। যিনি দীক্ষা দিবার পারেন, তিনি তো থাকেন লোকচক্ষুর আড়ালে। সহজে মেলেনা দেখা সেই পরম সাঁইজির। আমি তো কেবল তোমার নামখানাই পাল্টাতি পারি দীক্ষা দিবার নামে। তাই কইরলাম। দবিরউদ্দীন মন্ডল থেইকে হয়ে গেইলে দুদ মল্লিক বিশ্বাস। শোন দুদ্দু, এই ভব-সংসারে আমিও এক কাঙ্গাল। কতকাল ধরে অপার হয়ে বসে আছি, যদি তাঁর কৃপা হয়। যদি আমারে লইয়ে যান পারে। মানব জন্মলাভের গুঢ় অর্থ জানা যাবে সেইখানে গেইলে -

"আমি অপার হয়ে বসে আছি, ওহে দয়াময়
পারে লয়ে যাও আমায়..."


আহা! কি মধুর সাঁইজির গলা! "ম্যালাঙ্কলিক টোন" বলে যে ইংরেজীতে একটা কথা আছে, এ যেন সেই। শুনলেই বুকের ভেতরে একটা কেমন মোচড় দিয়ে উঠে। এত দরদ! এত দরদ!

- দুদ্দু, চলো নইদে চইলে যাই। (সাঁইজি পুরো গানটা না গেয়েই থেমে গেলেন।) সেখানে তিন পাগলের মেলা বইসেছে। আরও কত লোক যে পাগল হচ্ছে তাঁদের সাথে সাথে, কি বলবো তোমায়?
- সাঁইজি, সেটা কোথায়?
- দুদ্দু, তুমি নইদে চেনোনা? তুমিও কি বই-পত্তরের ভাষায় 'নদিয়া' বইলে ডাইকতে শুরু কইরেছো?

আমি কিছু বললাম না। আমার মনে আছে একবার কোথায় যেন পড়েছিলাম, নদিয়া পশ্চিমবঙ্গের প্রেসিডেন্সি বিভাগের (পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণভাগের পাঁচটি জেলা নিয়ে গঠিত একটি প্রশাসনিক বিভাগ) একটি জেলা, যার উত্তর-পশ্চিমে ও উত্তরে মুর্শিদাবাদ জেলা; পূর্ব সীমান্তে বাংলাদেশের খুলনা বিভাগ, দক্ষিণ-পূর্বে ও দক্ষিণে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা এবং পশ্চিমে হুগলি ও বর্ধমান জেলা অবস্থিত। নদিয়া জেলার পূর্বনাম যে নবদ্বীপ জেলা, এটাও বেশ মনে আছে। এদিকে সাঁইজী ততক্ষণে গান ধরেছেন -

"তিন পাগলে হ'লো মেলা নইদে এসে
তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে..."


- দুদ্দু(গান থামিয়ে), দোতরাটা ধরলে না যে বড়।
- সাঁইজি, আমি দোতরা বাজাতে পারিনা।
-(চোখ বড় বড় করে) তুমি দোতরা বাজাতে পারো না? দুদ্দু, এ কথাও আমাকে বিশ্বাস করতে হবি? তাহলে কান্ধে দোতরা নিয়ে ঘুরিছ কিসের জন্যি?

আরে তাই তো! আমি অবাক হয়ে দেখলাম, আমার কাঁধ থেকে বুক অবধি অলস ঝুলে আছে একটা দোতরা। এই দোতরাটা আসলো কোত্থেকে? আমি আরও অবাক হলাম আমার মাথা ভর্তি এক ঝাঁক ঝাঁকড়া চুল দেখে, যার প্রায় পুরোটাতেই জটা ধরে গেছে। আমার মুখভর্তি অযত্নে গজানো এক দঙ্গল দাড়ি-গোঁফ।

- দুদ্দু শাহ, আমি তোমার সব খবর রাখি। তোমার গান আমি শুনিছি। বড় মিষ্টি সেসব গানের কথা। অনেক ভাবের কথা আছে তাতে। মাঝে মাঝে তো মনে হয়, এসব আমারই গান। তোমাকে আমি এই বলে রাখলাম, যেদিন তুমি-আমি কেউ আর এই পৃথিবীতে থাইকবো না, বহু লোকে তোমার অনেক গানরে আমার গান বইলে ভ্রম করবি।

আমার মনে পড়ে গেলো দুদ্দু শাহ-এর গান দেহ মেদ যজ্ঞ যে জন করে। আরে তাই তো!!! আমি নিজেও তো প্রথম যেদিন এ গান শুনেছিলাম, ভেবেছিলাম এটা লালন সাঁই-এর গান।

- আচ্ছা, ওসব কথা ছাড়ো। মনের মধ্যি ভাব আসিচ্ছে দুদ্দু। তুমি দোতরা বাজাও। আমি গেইয়ে চলি -

"একটা পাগলামী করে -
জাত দেয় সে অজাতেরে দৌঁড়ে যেয়ে।
আবার "হরি বোল"-এ পড়ছে ঢলে ধূলার মাঝে,
পড়ছে রে ধূলার মাঝে।
তোরা কেঊ যাসনে ও পাগলের কাছে..."


একের পর এক বিস্ময় এসে আমাকে যেন গ্রাস করে ফেলবে। কেননা, এবার আমি লক্ষ্য করলাম, আমি কি অনায়াসে মিঠে সুরের মূর্ছনা তুলে দোতরা বাজাচ্ছি। আরও অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে, আমরা ১৮৫৩ সাল থেকে ছিটকে পেছনে সরে গিয়ে ১৫০৯ সালে এসে পৌঁছে গেছি। দেখছি, একদল লোক কোথায় যেন যাচ্ছে। হঠাৎ তাঁদের একজন চলা থামিয়ে দিয়ে "হরি বোল" "হরি বোল" বলে চিৎকার করতে করতে উন্মাদের মতো হাসতে শুরু করেছে। আমাকে সেদিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকতে দেখে সাঁইজি মিটিমিট হাসছেন। তারপর গান থামিয়ে জিজ্ঞেস করলেন:

- চিনতে পারিচ্ছো না দুদ্দু? ইনি বিশ্বম্ভর মিশ্র ওরফে গৌরাঙ্গ ওরফে নিমাই। তর্কশাস্ত্রে বিশেষ পারদর্শিতার কারনে খ্যাতি আছে তাঁর। ঐ যে পন্ডিত জগন্নাথ মিশ্র আর সচী দেবীর দ্বিতীয় পুত্র। সিলেটের ঢাকাদক্ষিণে ছিলো তাঁদের আদিবাড়ি। এখন এই নবদ্বীপেই বাস করিচ্ছেন। গয়া গ্যাছিলেন মৃত পিতার জইন্যে শ্রদ্ধা ক্রিয়া করতি। এখন নদিয়ার পথে ফিরিচ্ছেন। সদ্যই মাধবাচার্য ঘরানার সন্যাসী ঈশ্বরপুরীর শিষ্যত্ব গ্রহন করিছেন।

আমরা দেখছি, উচ্চ বর্ণের নিমাই পন্ডিত উঁচু-নীচুর ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে যাকে তাকে জড়িয়ে ধরছেন। এজন্যই তাহলে সাঁইজি গাইছিলেন,

"...জাত দেয় সে অজাতেরে দৌঁড়ে যেয়ে..."

এবার তিনি হাসি থামিয়ে কাঁদছেন। ফের লাফাচ্ছেন, খেমটা নাচছেন। এবার আবার মাটিতে শুয়ে পড়লেন। ধুলায় গড়াগড়ি খাচ্ছেন, আর ঐ একইভাবে "হরি বোল" "হরি বোল" বলে চিৎকার করছেন।

- সাঁইজি, উনি এমন করছেন কেন?
- হরি নাম মনের ভেতর গেঁইথে গ্যাছে। এখন থেকে এই পাগলামী নিয়েই থাকবি। এরপর স্ত্রী বিষ্ণুপ্রিয়ারে ছাড়ি নিমাই সন্যাসে চইলে যাবি। শ্রীকৃষ্ণের নাম জপতি জপতি তাঁর চৈতন্যের উদ্ভব হবি। ভক্ত-শিষ্য সবাই মিলে তাঁর নতুন নাম রাখবি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য। সংক্ষেপে চৈতন্য। তিনি মানুষেরে ভালবাইসতে শিখাবেন। তাঁর মতই পাগল করি ছাইড়বেন অসংখ্য মাইনষেরে। একবার তাঁর সঙ্গ পাইলে কেউ আর তাঁকে ছাড়ি আইসতে পাইরবেনানে।

এবার আমরা আরও কয়েক বছর পরে এসে পৌঁছে গেছি। নিমাই পন্ডিত এখন একজন গৌড়ীয়া বৈষ্ণববাদী সন্যাসী - শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু। অসংখ্য ভক্ত তাঁর। ভক্তির পাগলামোর যেন মেলা বসেছে এখানে। একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম, এরা সবাই নারকেলের মালায় করে জল পান করছে। বিষয়টা আমাকে খানিকটা কৌতুহলী করে তুললো। সাঁইজি যেন আমার কৌতুহলটা বুঝে ফেললেন।

- বুঝলে দুদ্দু, ঐ নারকেলের মালারে এই গৌড়ীয়া সাধুরা কয় "করঙ্গ"।

"একটা নারকেলের মালা
তাইতে জল তোলা ফেলা - করঙ্গ সে
পাগলের সঙ্গে যাবি পাগল হবি বুঝবি শেষে
ওরে মন বুঝবি শেষে
তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে"



- (গান থামিয়ে) ভাবিচ্ছ, এ তো কেবল একটা পাগল। বাকি দুই পাগল কোথায়?

আমি সত্যি সত্যিই সে কথা ভাবছিলাম।

- (মুচকি হেসে) ঐ দেখো, আরও দুই পাগল। একজনের নাম নিত্যানন্দ ওরফে নিতাই। নিতাই ঠাকুর জন্মিছিলেন ১৪৭৪ সালে, আর চৈতন্য জন্মিছিলেন ১৪৮৬ সালে। বয়সে ১২ বছরের বড় হলিও নিতাই চৈতন্যের শিষ্যত্ব গ্রহন করে দুইজনে মিলে হরিনামের প্রচার করিচ্ছে। একে অপরের অন্তঃপ্রান যেন। অন্যজনের নাম অদ্বৈত আচার্য। বয়সে বাকি দুইজনের চাইতে ঢের বড়। তিনিও জন্মিছিলেন সিলেটের নবগ্রাম-লাউর গাঁয়ে ১৪৩৪ সালে। কমলাক্ষ ভট্টাচার্য ছিলো তাঁর নাম। এখন এই নদিয়াতেই বাস করেন। অনেক বড় পন্ডিত। হইলে কি হবে। তিনিও শিষ্যত্ব গ্রহন করিছেন ঐ চৈতন্য দেবের। এখন এই তিন জ্ঞানী পাগল মিলে মানুষেরে মানবপ্রেমের গুঢ় তত্ত্ব শিখাচ্ছেন। শুদ্র, নমশুদ্র এইসব কিছুই মানছেন না। সকলেরে বাহুবন্ধনে আলিঙ্গন করিচ্ছেন, আর ব্রাহ্মনগণের চক্ষুশূলের কারণ হচ্ছেন। এবার পেইলে তো তোমার সেই তিন পাগল, আমার দুদ্দু শাহ?


"পাগলের নামটি এমন
বলিতে ফকির লালন হয় ত্বরাসে
চৈতে, নিতে, অদ্বৈ পাগল নাম ধরেছে
চৈতে পাগল নাম ধরেছে
তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে"


সাঁইজি গানের তালে তালে মাথা ঝাকাচ্ছেন, আর একে একে সব মিলিয়ে যাচ্ছে - নইদে, চৈতে, নিতে, অদ্বৈ সব। এবার সাঁইজিও মিলিয়ে যাচ্ছেন। যেতে যেতে বলছেন:

"ওরে রোদ্দুর শোন। তুই আমার সেই দুদ্দু, যাঁর গানে আল্লাহর ভক্তি আছে, দেহতত্ত্বের কথা আছে। ভেবে দেখ দেখিনি, কিছু মনে কইরতে পারিস কিনা। যে লোক পূণর্জন্ম প্রাপ্তির পর পূর্বজন্মের কথা মনে করতি পারে, তারে কয় জাতিস্মর। চিন্তা করে দেখ তো, তুই জাতিস্মর কিনা। তোর, আমার আর ঐ তিন পাগলের বিশ্বাস ভিন্ন হতি পারে, ভজন-সাধন আর ভক্তি-তুষ্টির পথ ভিন্ন হতি পারে, পরমাত্মা সাঁই কিন্তু এক। আমরা প্রতিটা মানুষ এক ও অভিন্ন - একই পরমাত্মা হতি সৃষ্ট, তাঁরই আত্মার অংশীদার। সুতরাং তুই আর আমি আসলে এক। কেবল দেহই ভিন্ন। চললাম রে দুদ্দু। ভাল থাকিস।"

- সাঁইজি, সাঁইজি, সাঁইজি.....

"ড্যাডি, ড্যাডি, ড্যাডি....."

চমকে ঊঠলাম ঘুম থেকে মেয়ের ডাক শুনে। ঘুমের মধ্যে যে প্রলাপ বকছিলাম বেশ বুঝতে পারছি আমার মেয়ের অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকা দেখে। প্রচন্ড হ্যাইফিভারে ভুগছি গত দু'দিন ধরে। ক্লোরফেনামিন ম্যালিয়েট, স্যুডোএফিড্রিন হাইড্রোক্লোরাইড, আর প্যারাসিটামল একসঙ্গে গিলে তন্দ্রায় চলে গিয়েছিলাম। কানটা যে সজাগ ছিলো, তা বুঝতে পারলাম চোখ মেলে টিভিতে লালনের সাঁইজির "তিন পাগলে হ'লো মেলা" গানটির মিউজিক ভিডিও চলতে দেখে। মিউজিক ভিডিওটির ডিরেক্টর বেশ চতুর লোক। ট্র্যাক শট, জিব আর্ম শট, ড্রোন শট - কি না রেখেছেন এই মিউজিক ভিডিওটি বানাতে!! সাথে রেখেছেন তিনজন আর্টিস্ট। এদেরকে একটা নদীর ধারে বসিয়ে দিয়েছেন, আর বলে দিয়েছেন ইচ্ছে মত কমেডি করতে। ব্যস হয়ে গেল তিন পাগলের মেলা। আর "নইদে" মানে যে নদী, এটা কি আর বলতে হয়? তাই তো নদীর ধারে লোকেশন ফেলা হলো। ডিরেক্টর সাহেব দারুন জ্ঞানী মানুষ!!! কে জানে এই স্যুটিং ইউনিটের সামান্য এক প্রোডাকশন বয় সেজে স্বয়ং জাতিস্মর লালন সাঁইজী মিটিমিটি হাসছিলেন কিনা।


ছবি: রুপক কুন্ডু (ইন্টারনেট)

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ৩:২৩

নস্টালজিক বলেছেন: আপনার লেখা পড়লাম। ভাবনা আর লেখা-দুই মিলেই সুন্দর।

শুভেচ্ছা জানবেন।

১৯ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ৩:২৫

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা জানবেন।

২| ১৯ শে মার্চ, ২০১৮ সকাল ৭:০৭

অক্পটে বলেছেন: লেখাটি খুব ভালো লেগেছে। অনেক কিছু জানা হলো। তিন পাগলের মেলা'র অর্থ জানা ছিলনা, জানা ছিলনা তাদের পরিচিতি। জাতিস্মর এই বিষয়গুলির সাথে এই প্রথম পরিচিত হলাম।

১৯ শে মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১:৪৭

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা। ভালো থাকুন।

৩| ১৯ শে মার্চ, ২০১৮ সকাল ৭:৪৮

ইমু সাহেব বলেছেন: এক কথায় অসাধারণ । এমন অনেক গান আছে যার ভুল ব‍্যখ‍্যা করে মানুষ ।

১৯ শে মার্চ, ২০১৮ দুপুর ২:১২

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। হ্যাঁ, আমরা প্রায়শই না জেনে, না বুঝে গান বা কবিতাকে ভুলভাবে উপস্থাপন করি।

৪| ১৯ শে মার্চ, ২০১৮ সকাল ৮:০৯

নীলপরি বলেছেন: যদিও শ্রীচৈত্যন্যদেব সাঁইজির কয়েক শতক আগের মানুষ তবুও আপনি সাঁইজিকে কথক করে আপনি গল্প ভালো সাজিয়েছেন ।
ভালো লাগলো ।

২৩ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৩:২৯

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: ঠিক। সাঁইজি শ্রীচৈতন্যদেবের সময়কালের না। কিন্তু তিনি তাঁর মানুষতত্ত্ব নিজের মধ্যে ধারণ করতেন। সাঁইজি তাঁর গুরু সিরাজ সাঁইয়ের কাছ থেকে দীক্ষা নেবার সময় থেকেই শিখেছিলেন বাউল মতবাদের খুঁটিনাটি, যা দাঁড়িয়ে আছে সুফিবাদ, বৈষ্ণববাদ আর বৌদ্ধ মতবাদের সংমিশ্রনে। এখানে মানবপ্রেমই মূল মন্ত্র। সাঁইজি তাই গেয়েছিলেন, "মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি"। আর এ জন্যই এই Surrealistic ভ্রমণের অবতারণা, যেখানে ২০১৮, ১৮৫৩ আর ১৫০৯ এই ভিন্ন ভিন্ন সময়ের মানুষগুলো সব একই প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে মানুষতত্ত্বের শিক্ষা নিচ্ছে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। ভালো থাকুন।

৫| ১৯ শে মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:২২

রাজীব নুর বলেছেন: এটা কি অনুগল্প?
আপনার বাড়ি কি কোলকাতা?
গল্প ভালো হয়েছে।

১৯ শে মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১:০৯

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: হ্যাঁ, এটা অনুগল্প। না, আমার বাড়ি কলকাতায় নয়। গল্প পাঠের জন্য এবং ভালো লাগার জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

৬| ১৯ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৪:৪১

তারেক ফাহিম বলেছেন: তন্দ্রা ভিতর ওত কিছুও ঘটে ;)

তন্দ্রা থুক্ক গল্প ভালো হয়েছে

১৯ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:২৯

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: ধন্যবাদ তারেক ফাহিম। তন্দ্রায় আরও অনেক কিছুই ঘটে। কারণ এসবই প্রকৃতি আর মস্তিষ্কের নিউরনে সঞ্চিত নানা ইনফরফরমেশনের মিলিত ছল-চাতুরী। ভালো থাকুন।

৭| ১৯ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৭

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: জানলাম। উপস্থাপন বরাবরের মতো সাবলীল এবং দারুণ।

১৯ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ৮:৪৩

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা জানবেন।

৮| ১৯ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ৯:০৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে
পাগলের সংগে যাবি পাগল হবি বুঝবি শেষে
ওরে মন বুঝবি শেষে...

মুগ্ধতা মুগ্ধতা মুগ্ধতা!!! :)

উরিব্বাস, যেন সাঁইজির পাশে বসেই সাঁইজির আর দুদ্দু শাহর জাতিস্মরি খেলা উপভোগ করলাম!
অসাধারন!!

++++++++++++

১৯ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১০:২৭

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: ওয়াও!!! আপনার মন্তব্যও মুগ্ধতা ছড়িয়ে দিলো। অনেক উৎসাহিত বোধ করলাম। এটাই বোধ হয় লেখালেখির স্বার্থকতা - যারা পড়বেন, তাঁরাও লেখককে কিছু দিয়ে যাবেন, যা লেখকের জন্য অনেক মূল্যবান। ধন্যবাদ। অনেক ভালো থাকুন।

৯| ১৯ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ৯:৪৭

শিশির আহম্মেদ বলেছেন: ভাল লাগল ভাই

১৯ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১০:৫৬

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকুন। শুভকামনা।

১০| ২০ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১:৪২

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: বিশাল ব্যাপার -স্যপার :)

গল্প ভাল লিখেছেন।। :)

২০ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১:৪৯

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভ কামনা রইলো। ভালো থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.