নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এই ঈষদোষ্ণ রোদ্দুর মিছিলে স্বাগতম

রোদ্দূর মিছিল

দলছুট এক ইউক্যালিপটাস ছালহীন দেহে মাখে কুয়াশার হিম নিঃসঙ্গ বেদনায়। পাতা ঝরার আর্তনাদে ভেঙ্গে খান খান নিরবতা। ক্যানভাসের বিমূর্ত ছবির মত এলোমেলো আমার অনুভূতিগুলো আঁধারের হাতছানিতে নিমজ্জিত - কিছুটা সময়। অঃতপর- রাত্রির আঁধার ভেঙ্গে চলি শুন্য রাজপথে দূরের চাঁদ আলো ফিরিয়ে নেয় মন হারায় আঁধার মরুতে।

রোদ্দূর মিছিল › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমরা তোমাদের ভুলবনা/রোদ্দুর মিছিল

২২ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৯


১৯৭১ সালের মে মাসের এক বিকেলবেলা। পাক হানাদার বাহিনী চড়াও হল বরিশাল জেলার পিরোজপুর থানার বাঘমারা কদমতলী গ্রামে। নির্বিচারে হত্যা করলো অসংখ্য নারী-পুরুষ-বৃদ্ধ-শিশু - যাকে যেখানে যেভাবে পেলো। নৃশংস এই হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে ফিরে যাবার সময় হায়েনার দল ট্রাকে তুলে পিরোজপুরের মিলিটারী ক্যাম্পে নিয়ে গেলো অষ্টাদশী বিধবা ভাগীরথীকে - তাদের যৌন লালসা মেটাতে।

বিয়ের এক বছর পর একটি পুত্র সন্তান কোলে নিয়েই ভাগীরথীকে বরন করে নিতে হয়েছিলো বৈধব্য। স্বামী বিয়োগের শোক তখনও কাটেনি তার। আর এসময়েই তার উপর নেমে আসলো এমন একটা ঝঞ্জা। ক্যাম্পে নিয়ে গিয়েই তার উপর চালানো হলো হিংস্র পাশবিক অত্যাচার। সতীত্ব আর সম্ভ্রমের সবটা হারিয়ে ভাগীরথী মৃত্যুকেই একমাত্র পথ বলে ভাবলো। "কিন্তু মৃত্যুই যদি বরন করতে হয়, তবে এইসব নরপশু হায়েনার দলকেই বা এতো সহজে ছেড়ে দেওয়া কেন?" ভাগীরথী ভাবলো। তাই কৌশলের আশ্রয় নিলো সে।

এ পর্যন্ত অবাধ্য হয়ে থাকা মেয়ে ভাগীরথী নিজেকে দস্তুরমত শূয়োরগুলোর কাছে পোষ মানা বেশ্যায় পরিণত করলো। খুশি করতে শুরু করলো ওদেরকে। আস্থা অর্জনের জন্য আপ্রান চেষ্টা করে যেতে লাগালো। আর এভাবেই কেটে গেলো কিছুদিন। নারীলোলূপ সেনারা ওর প্রতি সন্তুষ্ট হলো অতঃপর। আর সেই সুযোগে ভাগীরথী ওদের কাছ থেকে জেনে নিতে শুরু করল পাক বাহিনীর সব গোপন তথ্য। আর কোনও বাঁধা নেই। ভাগীরথী এখন নিয়মিত সামরিক ক্যাম্পে যায়, আবার ফিরে আসে নিজ গ্রামে। এরই মধ্যে ভাগীরথী তার মূল লক্ষ্য অর্জনের পথেও এগিয়ে গেল অনেকখানি। গোপনে মুক্তিবাহিনীর সাথে গড়ে তুলল ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ।

তারপর এল সেই মাহেন্দ্র ক্ষণ । জুন মাসের ঐ বিশেষ দিনে ভাগীরথী খান সেনাদের নিমন্ত্রন করল তার নিজ গ্রামে। এদিকে মুক্তিবাহিনীকেও তৈরি রাখা হল যথারীতি। ৪৫ জন খানসেনা সেদিন বাঘমারা কদমতলা এসেছিল, কিন্তু তার মধ্যে মাত্র ৪/৫ জনই কেবল ক্যাম্পে ফিরতে পেরেছিলো - তাও বুলেটের ক্ষত নিয়ে। বাকিরা ভাগীরথীর গ্রামেই শিয়াল-কুকুর-শকুনের খোরাক হয়েছিলো।

এরপর আর ভাগীরথী ওদের ক্যাম্পে যায়নি। ওরা বুঝেছে এটা তারই কীর্তি। সুতরাং হুকুম জারি হলো - ভাগীরথীকে যে জীবিত অথবা মৃত ধরিয়ে দিতে পারবে, তাকে নগদ এক হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হবে। কিন্তু ভাগীরথী তখনও জানতো না ওর জন্য আরও দুঃসহ ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। একদিন রাজাকারদের হাতে ধরা পরলো ভাগীরথী। তাকে নিয়ে এলো পিরোজপুর সামরিক ক্যাম্পে। খান সেনারা এবার ভাগীরথীর উপর হিংস্রতার পরীক্ষার আয়োজন করলো। এক হাটবারে তাকে শহরের রাস্তায় এনে দাঁড় করানো হলো জনবহুল চৌমাথায়। সেখানে প্রকাশ্যে তার বসন খুলে ফেললো কয়েকজন খান সেনা। তারপর দুগাছি দড়ি দিয়ে দুপা একটি জীপের সাথে বেঁধে জ্যান্ত শহরের রাস্তায় টেনে বেড়ালো ওরা মহা-উৎসবে। ঘণ্টাখানেক রাস্তায় রাস্তায় পরিক্রমণ করার পর আবার যখন ফিরে এলো সেই চৌমাথায়, তখনও ভাগীরথীর দেহে সামান্য প্রানের স্পন্দন ছিলো।

আরও হিংস্র হয়ে উঠলো হায়েনার দল। এবার তারা তার দুটি পা দুটি জীপের সাথে বেঁধে নিলো এবং জীপ দুটিকে চালিয়ে দিল বিপরীত দিকে। গগণ ফাটানো একটা তীব্র আর্তচিৎকার দিয়েই নিথর, নিশ্চুপ হয়ে গেলো ভাগীরথী। আপাদমস্তক দু ভাগ হয়ে ছিঁড়ে গেলো তার দেহখানা। সেই দু'ভাগে টূকরো হওয়া ভাগীরথীর দেহকে দু'জীপে বাঁধা অবস্থায় আবার শহর পরিক্রমণ শেষ করে পাকি জল্লাদরা আবার ফিরে এল সেই চৌমাথায় এবং সেখানেই ফেলে রেখে গেল ওর বিকৃত মাংস খণ্ড গুলো। একদিন দুদিন করে মাংস গুলো ঐ রাস্তার মাটিতেই গলে পঁচে একাকার হয়ে গেল এক সময়। বাংলা মায়ের ভাগীরথী এমনি ভাবেই আবার মিশে গেল বাংলার ধূলিকণার সাথে।

১৯৭২ সালের ৩রা ফেব্রুয়ারী তৎকালীন 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকায় এই বীর নারী মুক্তিযোদ্ধা ভাগীরথীর বীরত্বের কাহিনী ছাপা হয়। আজ স্বাধীনতার ৪৮তম বছরে এসে পৌঁছেছি আমরা। আর মাত্র ক'দিন পরেই সেই মহান স্বাধীনতা দিবস। যে স্বাধীনতা এমন অসংখ্য ভাগীরথীর আত্মত্যাগের বিণিময়ে অর্জিত, আমরা কি তাঁদেরকে ভুলতে পারি? না, পারিনা। পারবো না। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, যতদিন আমরা স্বাধীন দেশে বুক ভরে প্রশ্বাস নেবো, ততোদিন আমরা মনে রাখবো তাঁদের কথা - প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। আমরা তোমাদের ভুলবনা, ভাগীরথী - কোনওদিন না ।

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


কেন যে, সেখানকার মানুষেরা ভাগীরথী লুকায়ে রাখেনি? এলাকার লোকজন হয়তো মোটামুটি ইডিয়ট ছিলো।

২২ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৬

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: সেসময়টায় বেশীরভাগ মানুষই তো প্রানভয়ে পলাতক ছিলো। আসল ইডিয়ট (আসলে কুলাঙ্গার হবে) তো ঐ রাজাকারের বাচ্চারা। খুব একটা কাজের কাজ করে ফেলেছিলো ঐ জারজগুলো একজন বীর নারী মুক্তিযোদ্ধাকে পশুদের হাতে তুলে দিয়ে। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

২| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:১১

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: শুয়োরগুলোকে মানুষ বলতেও ঘৃণা হচ্ছে।

২২ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৪০

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: মানুষ এদেরকে কোনও অবস্থাতেই বলা যায় না। এরা স্রেফ হিংস্র দানব। আর হ্যাঁ, ঘৃনা ছাড়া আর কিছুই তাদের প্রাপ্য হতে পারে না। মন্তব্যে প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ।

৩| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


প্রানের ভয় চট্টগ্রাম, নোয়াখালীতেও ছিল; সেখানকার মানুষেরা পরস্পরকে সাহায্য করেছেন। বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, যশোরের লোকজন অন্যকে সাহায্য করে না।

২২ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৩

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: এ বিষয়ে আমি সঠিক বলতে পারবো না। তবে নারকীয় যা কিছুই ঘটেছিলো, তার পেছনে কলকাঠি নাড়ার কাজটা করেছিলো ঐ রাজাকারের দল, এ ব্যাপারে কোনও দ্বন্ধ নেই।

৪| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৪২

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: :(:(:( এতদিন শুধু ছবিটা দেখেছি কিন্তু বিষয়টা জানতাম না। মানুষের বুদ্ধি এত কম হয়??

ভাগীরথীরা মরে না, তারা মরেও অমর হয়ে আছে। ভাগীরথীদের প্রতি শ্রদ্ধা।

আপনাকে ধন্যবাদ।

২২ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৮

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: এটা ভাগীরথীর ছবি কিনা, আমি জানিনা। তবে অবশ্যই একজন বীরঙ্গনার ছবি, যিনি ভাগীরথীর মতোই সর্বোচ্চ ত্যাগ দিয়েছেন আমাদের স্বাধীনতার জন্য। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৫| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
যুগের নিষ্ঠুর কন্টক পথে
মুক্তি এ বারতা আনলে যারা
আমরা তোমাদের ভুলবনা, ভুলবনা, ভুলব না!!!

এরকম নাম জানা না জানা কত হাজারো, লাখো প্রাণ দানের অমর কীর্তি অলখে পড়ে রয়!
শেয়ারে কৃতজ্ঞতা
+++

২২ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫১

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: আমাদের সশ্রদ্ধ স্যাল্যুট এই বীরদের প্রতি। ইতিহাস একদিন নিশ্চয়ই তুলে আনবেন সকল বীরদের বীরত্বগাথা। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। ভালো থাকুন।

৬| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৫

তারেক ফাহিম বলেছেন: ভাগরীথীর জন্য গভীর শ্রদ্ধা
রাজাকারের ছায়া তাঁর আশে পাশে ছিলো তাই সে সহজে ধরা পড়ল :(

জানা ছিলোনা শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ জানবেন।

২২ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০১

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: : ঠিক তাই। রাজাকাররা এভাবেই আমাদের ত্রিশ লক্ষ প্রানের সংহারের নারকীয় মহোৎসবে ছায়াসঙ্গীর ভূমিকা পালনে রত ছিল। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। ভালো থাকুন।

৭| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: রোদ্দূর মিছিল ,




যারা যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখেছেন, সঙ্গে ছিলেন প্রত্যক্ষে বা পরোক্ষে তারা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি কখনই ভোলেন না । তাদের মনে এখনও ভাগীরথীরা অমলিন ।

ছবিটি সম্ভবত একাধিকবার ব্লগে এসেছে সম্প্রতি , নারী নির্যাতনের ভয়াল রূপ দেখানোর জন্যে । তাই এটা হয়তো আপনার এই হৃদয় বিদারক আত্মত্যাগের কাহিনীতে ভ্রান্তি ছড়াতে পারে ।

২২ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ৯:০৫

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। আমি এই ছবিটা বারংবারই পেয়েছি একাত্তরে মা-বোনদের নির্যাতনের সাথে সনশ্লিষ্ট রিপোর্ট/আর্টিকেলের সাথে। অন্য কোনও নারী নির্যাতন বিষয়ক লেখাতে যদি কেউ ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আপনার কথাটা ঠিক। এটা বভ্রান্তি ছড়াতে পারে বৈ কি। তবে কেন যেন একাত্তরে নারী নির্যাতনের চিত্র হিসেবেই এই ছবিটি বহুলাংশে সমর্থিত হয়েছে।

৮| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ৯:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: এই ছবিটা দেখলে বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে ওঠে।

২২ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১০:১০

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: এরকম আরও অনেক ছবি আছে, যেগুলো প্রকাশযোগ্য নয়। ছবিটার ব্যাপারে বলার পাশাপাশি লেখাটার বিষয়বস্তু নিয়ে বললেও বোধ হয় ভালো হতো। তাহলে অন্তত বুঝতে পারতাম আপনি আসলেই লেখাটা পড়েছেন, না অন্য অনেকের মতো "ঐ সেই একই প্যাঁচাল" মনে করে এড়িয়ে গেছেন। এ লেখাটা যাঁকে নিয়ে, তাঁর বিষয়ে সম্ভবত বেশিরভাগ ব্লগারই আগে থেকে জানেন। সুতরাং না পড়ে এড়িয়ে যাওয়াটা, কিংবা পড়েও তাৎক্ষণিক কোন প্রতিক্রিয়া প্রদর্শণ না করে মৌনব্রত পালন করাটাই স্বাভাবিক। এই স্বাভাবিকতার মাঝে নিজেকে ভীষণ অস্বাভাবিক কেউ মনে হচ্ছে। কেন যেন বারবার মনে হচ্ছে, এই লেখাটাই আমার শেষ লেখা হওয়া উচিত এই ব্লগে। দেখা যাক। ধন্যবাদ আপনাকে।

৯| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:২৫

আবু তালেব শেখ বলেছেন: এদের মত হাজারো নারীর আত্মত্যাগের ফলে আমরা আজ স্বাধীন। আজিবন মনে রাখবে তোমাই ভাগিরতি

২৩ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৩:২৭

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: হ্যাঁ, তাঁদের কথা আজীবন মনে রাখবে এ দেশ, দেশের মানুষ। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এই সুন্দর মন্তব্যের জন্য।

১০| ২২ শে মার্চ, ২০১৮ রাত ১১:৩৩

আবু তালেব শেখ বলেছেন: চাদগাজি সাহেব বলেছেন, ,,,,,বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, যশোরের লোকজন অন্যকে সাহায্য করে না। তাহলে যশোর সর্বপ্রথম স্বাধীন হলো কি করে? খুলনার মানুষ কতটা উদার ছিল আর মুক্তিবাহিনীকে কিভাবে সাহায্য করেছে তা হয়তো গাজি সাহেব জানেন না। কত হিন্দুদের বাচানোর জন্য নিজের জীবন সংকটে ফেলেছে সে ঘটনা ও শুনেছি আমি। আমার চাচা মুক্তিযোদ্ধা সে হিসেবে অনেক ঘটনার নিজ কানে শুনেছি।

২৩ শে মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৪:১৫

রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: এ ব্যাপারে আমি কোনও মন্তব্য করতে চাইনা। আপনার চাচার প্রতি অনেক শ্রদ্ধা রইল। ভালো থাকবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.