| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রফছান খাঁন
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত
বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় বাংলাদেশের মত একটা সুন্দর সবুজ দেশেও বৃদ্ধাশ্রম রয়েছে। কিন্তু সত্যিই রয়েছে বৃদ্ধ মা-বাবার অত:পর আবাস্থল বৃদ্ধাশ্রম ! মা-বাবার পাশে মানবতার অন্যতম একটি কলংকিত নাম হল বৃদ্ধাশ্রম, সত্যিই যা বেমানান এবং আমার নিকট দুনিয়ার সবচেয়ে ঘৃনিত আবাসের নামটিও বৃদ্ধাশ্রম।
ভাবতে অবাক লাগে যেই পিতা-মাতা এত কষ্ট
করে আদর স্নেহ ভালোবাসার কোন অপ্রতুলতার অভাব না রেখে সন্তানদের লালন পালন করে বড় করলেন, শিক্ষিত করলেন।আর সেই সব সন্তানেরা পিতা-মাতা বৃদ্ধ হলে কিভাবে তাদের বৃদ্ধাশ্রম
নামক কারাগারে পাঠায়ে দেন। এত বড়
নির্মমমতা কিভাবে আপন সন্তানেরা অসহায়
পিতা-মাতার প্রতি করে থাকে।সেই সব
সন্তানেরা কি একটুও ভাবেনা কোন একদিন তাদের জীবনেও এই রকম পরিনতি আসতে পারে তারাও একদিন বৃদ্ধাশ্রম নামক কলংকিত কারাগারে নিক্ষিপ্ত হতে পারেন।
সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার হল সমাজের
শিক্ষিত অংশেই এই বৃদ্ধাশ্রম সংস্কৃতিটা
বেশী পরিলক্ষিত হয়। বাসায় বন্ধু বান্ধব বেড়াতে আসলে বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত জীবিত মা-বাবাকে মৃত বলে চালিয়ে দেয়। তাই আজ বলতেই হয় শিক্ষিত হওয়ার পরও সেই সব সন্তানেরা মানুষ হতে পারেনা। যদি মানুষ হইত তবে তারা তাদের বৃদ্ধ পিতা-মাতার সাথে এমন নিষ্ঠুর আচরন করতে
পারতনা,পারতনা বৃদ্ধা পিতা-মাতাকে বৃদ্ধাশ্রম নামক ঘৃনিত কারাগারে প্রেরন করতে।
যার বিবেকবোধ নোংরা ময়লায় জমাট বেধে কালো হয়ে মনুষ্যত্বহীন পশুত্বে রুপ নিয়েছে, শুধুমাত্র তারাই মা-বাবাকে মা-বাবারই হাতে গড়া সংসার থেকে পৃথক করে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসতে পারে।
মানুষ যদি প্রকৃত
অর্থেই ধার্মীক হয় এবং সে যে ধর্মেরই হোক
তবে সে ভাল মানুষ,কারন পৃথিবীর কোন ধর্মেই
খারাপ কাজগুলোকে সমর্থন করেনা এবং এই
বৃদ্ধাশ্রম নামক অপ-সংস্কৃতিটাকেও সমর্থন
করেনা অন্তত পক্ষে আমার জানা নাই।
একটা কথা সুস্পষ্ট যে,
মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের বেহেস্ত - মা-বাবারা আছেন বলেই জীবনের রঙগুলো রঙিন হয়ে সুন্দর মনে হয়। সন্তান হয়ে বাবাবাবা-মাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে যদি আপনি না পারেন সে বেহেস্ত অধিকার করে না নিতে, তবে এটাও আপনার নিশ্চিত থাকা উচিৎ যেদিন আপনিও বাবা/মা হবেন সেদিন আপনার সন্তানও আপনাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে নরকের অগ্নিগৃহকেই কে জয় করে নিবে।
এই সুন্দর পৃথিবীতে যদি আপনার পিতামাতার আশ্রয়স্থল যদি বৃদ্ধাশ্রমেই হয় তবে আপনি নিশ্চিত থাকুন জাহান্নামের প্রত্যেকটা দরজা আপনাকে গ্রাস করার জন্য অধীর হয়ে অপেক্ষা করছে।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৫ ভোর ৪:৪১
রফছান খাঁন বলেছেন: সামু ব্লগে পাওয়া এটা আমার পোস্টে আপনার প্রথম কমেন্ট।
৪০০০ তম কমেন্ট ? জনাব আপনার বয়স কত !!!
২|
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:৪১
লাজুক ছেলে...... বলেছেন: “দ্যাখেন ভাই আমি হলাম আধুনিক হাজ়ব্যান্ড,ওয়াইফ আমার প্রাইভেট ইউনিভারসিটি থেকে পাস দিছে।তার লাগি লেটেস্ট ড্রেস,নয়া ফোন বান্দবীদের সাথে কিটি পারটির খরচ আর তাছাড়া উইক
এন্ডে আমার নিজেরও তো একটু বিনোদোনের দরকার আছে তাই না?তাছাড়া শালা-শালীদেরও মাঝে মইধ্য এইটা ওইটা আবদার পুরন করা লাগে।আর সামনে তো ভবিষ্যত আছে,ছেলে মেয়ে হবে তাদের জন্য কিছু জমা করে রাখতে হয়।খরচ করে আর কুলোয় না যে।এর উপর ঝামেলা বাবা-মা এর ঔষধ এর লিস্ট দিন দিন বড় হচ্ছিল,ডাক্তার দ্যাখাও,চশমা বদলাও,এটা ক্যানো করলাম ওটা ক্যানো করলাম না…… সারাক্ষন ফ্যাচফ্যাচ করতেই থাকে।আমার বউটাকে একদম বিরক্ত ধরিয়ে দ্যায়।আর অফিস থেকে ফিরে আমারো এগুলা শুনতে ভালো লাগে না।ভাগ্যিস দেশে ২/১ টা ব্রিদ্ধাস্রম আছে।খারাপ কি?সমবয়সী সবাই এক সাথে গল্পগুজব করে কাটিয়ে দেবেখন।আর আমি তো তাদের ফেলে দিচ্ছি না বছরে ২ বার তো দেখতে যাবই। হাজার হোক আমিও তো তাদের ছেলে…… আমিও তো মানুষ.”
লাজুক ছেলে কহে ঃ
……… হুম তুমি তো অবশ্যই মানুষ।মানুষ না হলে তো তোমার মনে উপরের চিন্তা আসতো না।পশুপাখি তো আর ভাবতে পারে না।
তবে ওহে মানুষ বলছি শোন… খুব শীঘ্রই তোমার মুখেও পড়বে বলি রেখা…প্রিথিবির কোনো বিউটি পারলার তা ঢাকতে পারবে না। তিনতলা উঠতে তোমাকেও দম নিতে হবে তিনবার।আর ঐ যে বললে তোমার ভবিষ্যত সন্তানের জন্য কিছু জমাচ্ছ…… হা হা হা….নিশ্চিত থেকো সময় “তাকে” দিয়েও তাই করাবে আজ যা তুমি করলে তোমার বাবা-মা এর সাথে। আর কোন ভাবে যদি পার পেয়েই যাও এইপারে
…..খুশী হয়ো না ধরা তোমাকে পড়তেই হবে ওপারে।হিসাব হবে কড়ায়-গন্ডায়।
৩|
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:২৪
নিলু বলেছেন: আমাদেরও যে আগামিতে বৃদ্ধাশ্রমে যাওয়ার ভাগ্য অপেক্ষা করছে কিনা কে যানে ? কিন্তু এই বৃদ্ধাশ্রমে যাওয়ার জন্য কে কতটুকু দায়ী ? কীসের জন্য বাপ/মা বোঝা হয় নিজ পরিবারে ?
৪|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৫ ভোর ৪:৪২
রফছান খাঁন বলেছেন: বেশ লিখেছেন তো
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৪৮
ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন: প্রথম ভাল লাগা। সত্যি বৃদ্ধশ্রম আমাদের জন্য একটি কলংক জনক বিষয়। বাস্তবতা হচ্ছে যাদের জন্য আমরা আমাদের পিতা-মাতাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাই তারাই একদিন আমাদের বৃদ্ধশ্রমে পাঠাবে, কোন ভুল নেই।
ওহ্ এটা আমার ৪০০০তম মন্তব্য।