নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পেশায় প্রকৌশলী। অন্তর্মুখী। কবিতা ভালোবাসি ভীষণ। লিখিও

ঋতো আহমেদ

আমার হাতের দিকে বাড়ানো তোমার হাত। হাতের ভেতরে শিখা, শত্রুতার এমন রূপ! কামনা বিভীষিকা

ঋতো আহমেদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

কারও-নয়-যে-গোলাপ

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১২:২২



অসম্ভবের কবি

বিংশ শতাব্দীর বিশ্বযুদ্ধের সেই ভয়াবহতার পর, ইউরোপীয় আধুনিকতার সবচেয়ে অভিনব আর দূর্দান্ত সব কবিদের মধ্যে পল সেলানই ছিলেন এমন এক কবি যিনি কবিতার জগতে উদ্ভাবন করেন একেবারে অদ্ভুত আর সম্পূর্ণ নতুন এক পথ। অথচ আজ তাঁর জন্মের এই শত বছর পরও কি আমরা জানি কীভাবে তাঁকে পড়তে হয়?—কয়েকদিন আগেও তাঁর selected poems বইটি হাতে নিয়ে এইরকমই ভাবনা আসছিল মনে। জর্মন থেকে বইটির ইংরেজি অনুবাদ করেছেন Michael Hamburger. পেঙ্গুইন ক্লাসিক্স-এর দারুণ একটি সংগ্রহ এই বই। মনে আছে, বেশ কয়েক বছর আগে সংগ্রহ করা বইটি বুকসেল্ফের তাকে পড়েছিল অনেকদিন। অকারণে, হঠাৎ হাতে নিয়ে পৃষ্ঠা ওল্টাতে গিয়ে চোখ পড়ে আশ্চর্য ছোট আর অসম্ভব একটি কবিতায়—

Once,
I heard him,
he was washing the world,
unseen, nightlong,
real.

One and infinite,
annihilated,
they I`d.

Light was. Salvation.

পড়তে গিয়ে মুহূর্তেই একটা ঘোরের ভেতর ঢুকে গেলাম আমি। লাইনগুলো আমার মাথার মধ্যে ঘুরতে লাগলো। পড়তে থাকলাম বারবার। একেবারে গেঁথে নিতে চাইলাম নিজের ভেতর। মনে হচ্ছিল কবিতাটি যেন উন্মোচিত করলো নিজেকে আর আমি ঢুকে গেলাম এর ভেতরে। ওর একান্ত জগতে। আমি “তাকে(him)“ অনুভব করলাম। স্পর্শ করলাম তার অস্তিত্ব, সে যে-ই হোন না কেন, “অলক্ষ্য(unseen)“ আর এখনও পর্যন্ত “বাস্তব(real)“। আর, বুঝতে চাইছিলাম কবিতাটির ধরন। মনে হচ্ছিল কবিতাটির বিশেষ বৈশিষ্টই হচ্ছে সেলানের সেই নিজস্ব নিওলিজম— মানে হচ্ছে, নূতন অর্থে পুরাতন শব্দের ব্যবহার। জর্মন ভাষায় ichten শব্দটিকে দেখতে সাধারণ ইংরেজির চাইতে বেশি কিছু মনে হয় না যদিও, তবু এইটুকু বুঝতে পারি যে আমরা এমন একটি শব্দ নিয়ে ভাবছি যার ক্রিয়ার কাল অতীত, গঠিত হয়েছে ich শব্দটি থেকে, যা-কী-না first-person-singular pronoun— অনেকটা “they became I’s,“ এর মতো, মানে হচ্ছে স্ব (selves). আর শেষের লাইনটি থেকে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে সেই দ্বিতীয় সৃষ্টির দৃষ্টি, একজন পরিত্রাতার আগমন বার্তা, যখন পৃথিবীকে পরিষ্কার করার মাধ্যমে পুনর্জন্ম পেতে পারেন তারা,—যারা কী-না অবলুপ্ত হয়ে গেছেন ইতিমধ্যে।

যদিও যুদ্ধের পর বিংশ শতাব্দীর ইউরোপীয় কবিতার জগতে সেলানের Deathfugue কবিতাটিকে একটি প্রধান মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা হয়, কেননা, এই কবিতাতেই প্রথম প্রকাশিত হয় নাৎসি ক্যাম্পের ভয়াবহ নৃশংসতার কথা (যেহেতু এটি তাঁর প্রথম দিককার কবিতা)। তবে, পরবর্তীতে উপরের কবিতাটির মতোই সেলানের কবিতার ধরন হয়ে ওঠে অস্পষ্ট, ঊহ্য আর সহজ-ব্যাখ্যা প্রতিরোধী। হয়ে ওঠে অর্থসূচক আর রহস্যময়। হয়তো এইজন্যই অনুবাদক আর সমালোচকেরা সেলানের কবিতাকে এককভাবে আপাত-ধর্মীও টার্মে উপস্থাপন করতে বাধ্য হন। ফেসটিনা (Felstiner) বলেছেন, যখন প্রথম সেলানের কবিতার মুখোমুখী হন তিনি, তখনই বুঝতে পারেন, “অন্য আর কিছু করার আগেই“ তাকে এইসব কবিতার ভেতর বিলীণ হয়ে যেতে হবে। সেলানের প্রথম চারটি বইয়ের অনুবাদ করতে গিয়ে পিয়ের জোরিস (Pierre Joris) তার Memory Rose Into Threshold Speech ভূমিকায় লিখেছেন, পনের বছর বয়সে সেলানের কবিতা উচ্চস্বরে পাঠ করতে করতে এমন এক পথে নিজেকে চালিত করে ফেলেন তিনি যা তার সাথে পরবর্তী পঞ্চাশ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়।

আর আজ, এতাদিন পরও আমাদের মনে পড়ে যায় সেলান তাঁর কবিতাকে অভিহিত করতেন, “gifts—gifts to the attentive,“ বলে। ১৭ শতকের দার্শনিক নিকোলাস মেলব্রাঞ্চ থেকে উদ্বৃতি দিতেন, “Attention is the natural prayer of the soul.“ বলতেন, “পড়তে থাকো, বোধগম্যতা আপনি এসে ধরা দেবে এক সময়।“

ভাষা পুনঃপ্রসব

আমার কাছে, সব হারানোর পর একমাত্র ভাষাই ছিল পৌঁছনীয়, অন্তরঙ্গ আর নিরাপদ—এইরকমই বলেছিলেন একবার সেলান। ভাষা—কবির একান্ত আপন একজনের মতোই হয়ে উঠেছিল তখন। কিন্তু, তাঁর ভাষা নাৎসিদের সেই জর্মন নয় কিছুতে। তিনি সৃষ্টি করেন নতুন এক জর্মন। কেননা, সেই জর্মন ছিল নাৎসিদের প্রোপাগান্ডা আর ঘৃণ্য বক্তব্যে কলঙ্কিত এক ভাষা। আর যাই হোক ওই ভাষায় কবিতা লেখা যায় না। কেননা ওই ভাষাকে তখন যেতে হয়েছে আপন উত্তরহীনতায়, যেতে হয়েছে ভয়াবহ নিরবতার ভেতর দিয়ে, যেতে হয়েছে হত্যায়-উস্কানী-দেয়া বক্তব্যের হাজারো অন্ধকারাচ্ছন্নতার ভেতর দিয়ে। সেলান সেই কলুষিত ভাষাকে নিষ্কলুষ করতে চেয়েছেন। তাকে ভেঙে দিয়ে, একেবারে বিচূর্ণ করে মূলে ফিরিয়ে এনে পরিষ্কার করেছেন। নতুনভাবে জন্ম দিয়েছেন একে। স্বরে এবং উপস্থাপনায় সৃষ্টি করেছেন এক আমূল অভূতপূর্বতা। কবিতায় উদ্ভিদবিজ্ঞান, পক্ষীবিদ্যা, ভূ-তত্ত্ব, খনিজবিদ্যা আর মধ্যযুগীয় কিংবা উপভাষার সেইসব শব্দগুলোকে তুলে আনেন যেগুলো আর ব্যবহৃত হয় না তেমন। গণহত্যা-পরবর্তী পৃথিবীর জন্য ভাষাটিকে পুনঃপ্রসব করেন তিনি। নানারকম ভাষাগত স্তর সংযোজন করার মাধ্যমে তাঁর পরবর্তী রচনাগুলোয় আপাত-অর্থশূন্যতার পাশাপাশি বহু বিদেশী বাক্যাংশও অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

তাই হয়তো কোনো অনুবাদই সেলানের এই বহুভুজী, সংকর আর প্রায়শ গূঢ়-রহস্যময় কবিতাগুলোয় যে অর্থের বহুমুখীতা রয়েছে তা পুরোপুরি আয়ত্ত করতে পারে না। অনুবাদককে তাই বিশদ ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয়। মৌলিকভাবে দ্ব্যর্থক এই কবিতাগুলোর ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্টভাবে সব অনুবাদকের জন্যই ব্যাপারটা সত্য। কেন এমন হয় তাঁর কবিতায়? কী চান সেলান তাঁর পাঠকের কাছে? Joris বলেন, “To weave the individual poems into a text“.. মানে হচ্ছে, কবি তাঁর কবিতাগুলোর সব সুতোই ছেড়ে দেন পাঠকের হাতে, যেন পাঠক নিজেই সেগুলো বুনার কাজটি করতে পারেন। তিনি চাইতেন তাঁর কবিতা একটি বা দু’টি নয়, বরং পঠিত হোক চক্রাকারে। একটির সাথে অন্যটিকে মিলিয়ে। যেন পাঠক ধরতে পারেন, বুঝতে পারেন তাঁর কবিতার ধরন। আর এভাবেই তিনি আহ্বান জানান এক নূতন ধরনের পাঠের। যে কোনো আলাদা কবিতার স্বতন্ত্র প্রভাবে ডুবতে থাকা ঐকতান, তাঁর কবিতাগুলোর নিছক ক্রম আর দূর্বোদ্ধতায়, বিস্ময়কর এক হুমকি-ই যেন।

আমরা সেই হুমকির মুখোমুখী, পাঠ করতে করতে এগিয়ে যাই তাঁর কাব্য ভুবনের গহিনে, আর, ফরাসি লেখক Jean Daive এর মতো বুঝতে পারি আমাদের “vibration of sense using as energy.“ হয়তো এইজন্যই ১৯৫৮ সালে সেলান একবার লিখেছিলেন, “জর্মন কবিতার ভাষা এখন আর সেই স্বরে কথা বলে না যা-কী-না অসংখ্য আগ্রহী শ্রোতাই শুনতে চাইতেন একসময়। এখন ভাষা অনেকটাই সংযত, অনেকটাই বাস্তব আর তথ্যভিত্তিক। কেবল ‘সৌন্দর্যে’ এখন আর বিশ্বাস নেই এর। সে হয়ে উঠতে চায় সত্যনিষ্ঠ…শুধুই বাস্তবতার সাধারণ উপস্থিতি নয়, বরং খুঁজতে হয় তাকে, এবং অবশ্যই জয় করে নিতে হয় একেবারে।“ পরবর্তী কালে, ১৯৬৩ সালে প্রকাশিত কবিতাবই ‘কারওনয়যেগোলাপ (Dei niemandsrose)’ এর কবিতাগুলোয় আমরা দেখতে পাই তিনি অনেক অন্য ভাষার শব্দ, পরিভাষা, প্রত্নতত্ত্ব, সাহিত্য আর ধর্ম সম্পর্কীত অভিব্যক্তি, বিভিন্ন গানের কলি আর কিছু নাম ব্যবহার করেছেন যেমন: পেট্রার্ক, ম্যান্ডেলস্টাম, কাবালবাদী রাব্বি লু, সাইবেরিয়া, ক্রাকো, পেট্রোপোলিস ইত্যাদি। আবার, এর ঠিক আগের কবিতাবই (১৯৫৯) ‘ভাষারগরাদ (Sprachgitter)’ এর কবিতাগুলোয় আমরা সেলানকে এগিয়ে যেতে দেখেছি আমূল পূর্ণতার দিকে; যা তার শেষ দশকের রচনাগুলোকে সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্টমণ্ডিত করেছে। টুকরো টুকরো বাক্য, এক-অক্ষর লাইন কিংবা দুই বা ততোধিক শব্দ এক করে নানা রকম যৌগিক আর নতুন শব্দ সৃষ্টি করেছেন তিনি— যেমন: কাক-উষ্ণ, গমঢেউ, হৃদয়কাল, বিশ্ব-অন্ধ, ঘন্টাঘড়ি ইত্যাদি বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়।

শেষের বছরগুলোতে Jean Daive ছিলেন কবির অন্তরঙ্গ বন্ধু। কবির স্মৃতিচারণায় তিনি বলেছেন, সেলানকে তিনি সবসময় নানা ধরনের খবরের কাগজ, সেগুলোর সমস্ত খবর, কারিগরি আর বৈজ্ঞানিক কাজ, পোস্টার, ক্যাটালগ, বিভিন্ন প্রকার অভিধান, দর্শন—সবকিছুই খুঁটিয়ে পড়তে দেখতেন। বিভিন্ন মানুষের বাক্যালাপ, রাস্তায় কিংবা দোকানপাটে শুনতে পাওয়া উচ্চস্বর শব্দসমূহ—আশ্চর্য ভাবে উঠে এসছে তাঁর কবিতায়। মাঝেমধ্যেই তিনি রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে কবিতা রচনা করে ফেলতেন আর পাবলিক ফোন থেকে তাঁর স্ত্রীকে শোনাতেন। Daive-কে তিনি বলতেন, “A poet is a pirate.“


ভাঙা, প্রতীকী স্বরের ঈশ্বর

তাত্ত্বিকভাবে যে ভাবমূর্তি গড়া আছে তাঁর, যদি ঈশ্বর বলে তেমন কেউ না-ই থাকেন তবে এই মনুষ্য সভ্যতার কী মানে হয়?—এইরকমই কিছু ভাবনার ভেতর দিয়ে যাচ্ছিলেন কি সেলান? আর তাই হয়তো কথা প্রসঙ্গে শ্যাকসকে একবার বলছিলেন, তিনি আশা করেছিলেন যে ঈশ্বর বিষয়ে শেষ পর্যন্ত ঝগড়া আর গালাগাল অব্যাহত রাখতে পারবেন। আর শ্যাকস বলেছিলেন, আমরা আসলে কেউই জানি না শেষ পর্যন্ত কী হতে যাচ্ছে। হয়তো এ’জন্যই সেলান তাঁর এক কবিতার শেষ লাইনে লিখেছিলেন, “আমরা / সত্যিই জানি না, তুমি জানো যে, / আমরা / সত্যিই জানি না, / কী / হতে পারে।“

নেলি শ্যাকস ছিলেন জার্মান-ইহুদী কবি। ১৯৬০ সালে প্রথম তাঁদের দেখা হয়। এরপর বেশ ক’বছর তাঁদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। কথা বলেছেন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। শ্যাকস সুইডেন থাকতেন। সেলান তাঁর সাথে দেখা করতে গেছেন জুরিখে। চিঠি লিখেছেন।

কথা হচ্ছিল তোমার ঈশ্বরকে নিয়ে, বিরুদ্ধে
বলেছিলাম তাঁর, মনে মনে
ভেবেও নিয়েছিলাম আমার রয়েছে
আশা:
তাঁর
সর্বোচ্চ, মরণ-ফাঁদ-পাতা, বিতর্কীত
বক্তব্যের জন্য—

অরেকটি কবিতা রয়েছে “Tenebrae,“ যেখানে আমরা শুনতে পাই বিদ্যমান আছেন বলে অনুমিত এক ঈশ্বরকে উদ্দেশ্য করে এক রাগত স্বর। আর তাঁর ‘কারওনয়যেগোলাপ (Dei niemandsrose)’ এর ধর্মতাত্ত্বিক কবিতাগুলোতেও আমরা দেখতে পাই তিনি শেষ পর্যন্ত ওই ঈশ্বরের অনস্তিত্বের দিকেই জোর দিচ্ছেন। তাঁর “স্তব“ কবিতাটিও আমাদের সামনে এসে হাজির হয় সেই অনস্তিত্বের বিশ্বাস নিয়েই। আমরা পাঠ করি দৃঢ়তার সাথে—

কাদা আর মাটির মতো কেউ আর পিষে ফেলতে পারবে না আমাদের,
কেউ আর উড়োতে পারবে না ধুলোয়।
কেউ না

অবশ্য, শেষ দিকের কবিতায় ভাঙা পদবিন্যাসের বহুল ব্যবহারকে অনেকে তাঁর দিন-দিন বাড়তে থাকা ভঙ্গুর মানসিক অবস্থার প্রতীকী প্রকাশ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। মানসিক অসুস্থতার কারণে বারবার হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছিল তাঁকে। মাঝেমাঝে একটানা মাস খানেকও থাকতে হচ্ছিল। এর মধ্যেই লিখে যাচ্ছিলেন কবিতা। দেখা-করতে-আসা বন্ধু Daive কে বলছিলেন, “বন্দী-শিবিরের মতো গরাদের কোনো প্রয়োজন নেই আর, প্রয়োজন নেই কোনো কাঁটাতার। কারগার এখন রাসায়নিক।“ অর্থাৎ, সেলান তাঁর নিজেরই মন এবং চিকিৎসা পদ্ধতির দ্বারা মুহুর্মুহু যন্ত্রণাবিদ্ধ হচ্ছিলেন তখন। তাঁর কাছে লেখাই ছিল বাঁচা না-বাঁচার চাবি। শব্দই যার প্রাণ। তিনি এতোটাই স্পর্শকাতরভাবে শব্দের সাথে মোকাবেলা করতেন যে মনে হতো এদের প্রাণ আছে। একটু এ’দিক-সে’দিক হলেই হয়তো রক্তাক্ত হয়ে যেতে পারে।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১:০৭

রোকসানা লেইস বলেছেন: সমৃদ্ধ লেখা। দুইভাবের লেখা বাংলা কবিতায় তেমন দেখি না। সব সরাসরি।
এখন তো সাহিত্য গল্প আরো বেশি সরাসরি লেখা হচ্ছে। ভাবার কোন অবকাশ নেই।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৪০

ঋতো আহমেদ বলেছেন: পাঠের সাথে সাথে পাঠককে ভাববার অবকাশ দেয়া কালজয়ী লেখার বৈশিষ্ট্য। মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হলাম রোকসানা আপা। শুভ কামনা জানবেন।

২| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: অসম্ভব এর কবি।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৪০

ঋতো আহমেদ বলেছেন: ধন্যবাদ ব্রো..

৩| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১:১৭

মা.হাসান বলেছেন: আসলে কিছু কবিতা এমন, উচ্চ স্বরে না পড়েল স্বাদ পাওয়া যায় না।

দ্বিতীয় অংশ পড়ে মনে হলো, মনে হয় বাংলাভাষাকেও নতুন করে নির্মান করা দরকার হয়ে পড়েছে।

অনেক ভালো লাগা।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৪২

ঋতো আহমেদ বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যে ভালোলাগা আর কৃতজ্ঞতা জানবেন হাসান ভাই। শুভ কামনা রইল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.