নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি বিশুদ্ধ কোন মানব নই, তুমি তোমার মত করে শুদ্ধ করে নিও আমায়

ডার্ক ম্যান

...

ডার্ক ম্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

রোহিঙ্গাদের পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থানান্তর প্রয়োজন

২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১১:৩৫

রোহিঙ্গা বাংলাদেশের জন্য অভিশাপ। মানবতার খাতিরে তাদের সাময়িক আশ্রয় দেওয়া হলেও এখন সময় এসেছে তাদের নিয়ে সিরিয়াসলি ভাবার।
আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক পরাশক্তি ষড়যন্ত্র করে আসছে । উপজাতিদের তারা নানাভাবে উস্কানি দিচ্ছে । রোহিঙ্গাদের নিয়েও একটা অংশের তেমন পরিকল্পনা হয়তো আছে।
একজন স্বঘোষিত নিরাপত্তা বিশ্লেষক হিসেবে আমার অভিমত হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থানান্তর করা। ইহা অনেকটা শয়তান দিয়ে শয়তান দমন করার মত। উপজাতি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের কাজে লাগাতে হবে।
রোহিঙ্গাদের সাম্প্রতিক বিশাল সমাবেশে এটা স্পষ্ট তারা বাংলাদেশ ছেড়ে যাবে না। তারা যদি এই সমাবেশ বার্মার সীমান্তের কাছাকাছি করতো তাহলে সমস্যা ছিল না। এই সমাবেশ ছিল স্থানীয় বাংলাদেশীদের প্রতি হুঙ্কার ।
বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা বরাবরই ব্যর্থ । তারা কোন আগাম তথ্য দিতে পারে না।

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:৫২

চাঁদগাজী বলেছেন:


"কালো দিবস"টা নাফ নদীর তীরে করলে; এবং তাতে আরসা'কে নিন্দা করে, বার্মার মিলিটারীকে সমর্থন দিলে; বার্মার রিএকশন বুঝা যেতো।

এদেরকে পর্বতে দিলে, এরা গাছে কেটে, সেই কাঠের আগুনে পোড়ায়ে চাকমা ও টিপারেদের খেয়ে ফেলবে; এদেরকে পর্বতে যেতে দেয়া যাবে না।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৫২

ডার্ক ম্যান বলেছেন: এদের তো সহজে বের করা যাবে না। পাহাড়ে তো সন্ত্রাসের ঝামেলা রয়েছে । কাটা দিয়ে কাঁটা তুলতে হবে

২| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৯

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: আপনার মন্তব্যগুলো তো অনেক প্রজ্ঞাময় হয়, কিন্তু পোস্টে একি ছেলেমি আইডিয়া দিলেন! রোহিঙ্গারা পার্বত্য এলাকায় দিলে সেখানে তো কুরুক্ষেত্র হয়ে যাবে! তালেবান স্টাইলে এলাকা নিয়ন্ত্রন করবে।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৫৫

ডার্ক ম্যান বলেছেন: আইডিয়া ভাল না মন্দ সেটা সময় বিচার করবে। তবে রোহিঙ্গারা যে এদেশে স্থায়ী ভাবে থাকবে সেটা ধরে নিতে পারবেন

৩| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১:২৮

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
সবার হাতে চকচকে স্মার্ট ফোন, অফুরন্ত ডাটা, নতুন জামাকাপড়। পকেট বোঝাই টাকা। খাওয়াদাওয়া ফ্রী!
এত্ত আরাম কোন রহিংগা ইহজনমেও দেখেনি নিজদেশ বার্মাতে।
রোহিংগারা সহজে কোথাও যাবে না। ৫ দফা কঠিন শর্ত যা খোদা ছাড়া কারো পক্ষে বাস্তবায়ন সম্ভব না।
ওরা কখনোই নিজদেশে যাবে না ধরে নিয়েই ব্যাবস্থা নিতে হবে।

৩৫০ টা এঞ্জিয়ো! কামডা কি? বেশিরভাগই তুর্কি, পাকি, সৌদি ও লন্ডন ভিত্তিক জামাতি।
তাদের মুল কাজই বাংলাদেশকে বিপদে ফেলা।
তাদের জামাই আদরে রাখা বন্ধ করতে হবে

আমেরিকা ও ইউরোপের আশ্রয়প্রার্থিদের মত রোহিঙ্গাদেরও পুরুষ মহিলা ও শিশুদের আলাদা আলাদা ক্যাম্পে রাখতে হবে।
অবস্যই ঠ্যাঙ্গার চর বা আরো কোন দূর কোন দ্বীপে অঞ্চলে। তার আগে সবার স্মার্ট ফোন দেশিও অস্ত্রসস্ত্র বাজেয়াপ্ত করতে হবে।
পালিয়ে সমাজে মিশে যাওয়া, অপরাধে জরিয়ে পড়া ও হাইব্রিড জন্মহার থামানোর এটাই সর্বত্তম পন্থা।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৫৮

ডার্ক ম্যান বলেছেন: আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে মানবতার কোন মূল্য এখন নাই। সবাই যখন আমাকে নিয়ে খেলছে তখন আমি তো মিষ্টি ভাষা ব্যবহার করে লাভ নেই

৪| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:১২

রাজীব নুর বলেছেন: আমরা যদি ধনী দেশ হতাম তাহলে কোনো সমস্যা ছিল না।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:৫৯

ডার্ক ম্যান বলেছেন: ধনী দেশ হলেও আমি এদের আশ্রয় দেওয়ার পক্ষে না। দেশের স্থিতাবস্থা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ

৫| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:১১

ইসিয়াক বলেছেন: এদেরকে এদেশে জায়গা দেওয়াই ভুল হয়েছে। বর্বর জাতীয় জনগোষ্ঠী। যে পাতে খায় সেই পাতে বিষ্ঠা ত্যাগ করে।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:০১

ডার্ক ম্যান বলেছেন: তাদের না আছে শিক্ষা না আছে বিবেক

৬| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৫২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রাথমিক অবস্থায় সহানুভুতির দরকার ছিল। কিন্তু সাথে সাথে দরকার ছিল কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনা। যে জিনিসটার এখন ভয়ঙ্কর অভাব অনুভূত হচ্ছে। এখনো সময় আছে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদেরকে নিজের দেশে প্রত্যর্পণ করার। অন্যথায় দেশের আর্থসামাজিক কাঠামোর উপরে ভয়ঙ্কর প্রভাব আসতে বাধ্য। সংখ্যাটা কিন্তু 10-15 হাজার নয়।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:০৩

ডার্ক ম্যান বলেছেন: সহানুভূতি অনেক পরের ব্যাপার । আমাকে দেখতে হবে দেশের স্বার্থ । বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি খুবই বাজে কূটনীতি বলতে কিছু নাই

৭| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২১

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্লগার পদাতিক চৌধুরি বলেছেন, " প্রাথমিক অবস্থায় সহানুভুতির দরকার ছিল। কিন্তু সাথে সাথে দরকার ছিল কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনা। যে জিনিসটার এখন ভয়ঙ্কর অভাব অনুভূত হচ্ছে। "

-বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনায় কি কি অভাব আপনি অভাব অনুভব করছেন?

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:০৪

ডার্ক ম্যান বলেছেন: উনি উনার মতামত তুলে ধরেছেন

৮| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৫৮

বলেছেন: পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: আপনার মন্তব্যগুলো তো অনেক প্রজ্ঞাময় হয়, কিন্তু পোস্টে একি ছেলেমি আইডিয়া দিলেন! রোহিঙ্গারা পার্বত্য এলাকায় দিলে সেখানে তো কুরুক্ষেত্র হয়ে যাবে! তালেবান স্টাইলে এলাকা নিয়ন্ত্রন করবে।

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:১০

ডার্ক ম্যান বলেছেন: মন্তব্য প্রজ্ঞাময় হয় কিনা জানি না। মন্তব্যের কারণে অনেকের সাথে বন্ধুত্ব আবার কারো সাথে তিক্ততা হয়েছে । আইডিয়া কেমন সেটা নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলতে পারবেন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.