নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি বিশুদ্ধ কোন মানব নই, তুমি তোমার মত করে শুদ্ধ করে নিও আমায়

ডার্ক ম্যান

...

ডার্ক ম্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

গণশত্রু ঃ ধর্ম ব্যবসায়ী আর বিজ্ঞানের লড়াই

১৭ ই মে, ২০২০ রাত ১০:৫৬



গণশত্রু ১৯৮৯ সালে মুক্তি পাওয়া সত্যজিৎ রায় এর একটি অসাধারণ সিনেমা । সত্যজিৎ রায় এটি হেনরিক ইবসেনের an enemy of the people অবলম্বন করে বানিয়েছেন ।
পৃথিবীর প্রায় সব দেশে সব সমাজে বিজ্ঞানকে ধর্মের প্রতিপক্ষ হিসেবে সৃষ্টি করে রাখে একটি চক্র । এই চক্রকে কেউ কেউ সমাজের সুবিধাভোগী হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকে । রাজনীতিবিদ , সরকারি কর্তা , সাংবাদিক , সুশীল সমাজ তথাকথিত ধর্মীয় পণ্ডিত এই চক্রের অপরিহার্য সদস্য ।

ছোট শহর চণ্ডীপুরে হঠাৎ করে পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় । হাসপাতালের ডাক্তার অশোক গুপ্ত রোগের উৎসস্থল জানার জন্য কলকাতায় পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য পাঠান । ডাক্তার জানতে পারেন মন্দিরের চরণামৃত পান করার জন্য এই রোগের বিস্তার । মন্দিরের জলে জীবাণুর অস্তিত্ব বিদ্যমান । ডাক্তার স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদকের কাছে এই বিষয়ে সাহায্য চান । সম্পাদক তার প্রগতির ডালা সাজিয়ে ডাক্তারকে অভয় দেন।

ডাক্তারের ভাই নিশীথ পৌরসভার চেয়ারম্যান, তিনি আবার মন্দিরের ট্রাষ্টি । ডাক্তার যেখানে প্রগতিশীল , চেয়ারম্যান সেখানে রক্ষণশীল । শুরু হয়ে যায় ভাইয়ে ভাইয়ে লড়াই । বিজ্ঞান আর ধর্ম মুখোমুখি । ডাক্তার ক্রমশ একা হয়ে পড়েন । তার বাড়ির মালিক তাকে বাড়ি ছেড়ে দিতে বলেন।
ডাক্তার একটা পাবলিক মিটিং ডেকে সাধারণ মানুষকে জানানোর চেষ্টা করেন । সেখানে তাকে অপদস্ত করেন তার ভাইসহ ধর্ম ব্যবসায়ীরা । ডাক্তারকে নাস্তিক বলে পাবলিককে খেপিয়ে তোলা হয় । ডাক্তারের মেয়ের স্কুলের চাকরি চলে যায় ।
সমাজে যে শুধু খারাপ মানুষ থাকে তাই নয় , প্রগতিশীল মানুষও থাকেন। যারা সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যায় । ডাক্তার যখন নিজেকে একা ভাবতে থাকেন তখনই তার পক্ষে স্লোগান তুলে থিয়েটারের লোকজন শিক্ষিত তরুণরা । এক স্থানীয় সাংবাদিক ডাক্তারের রিপোর্ট কলকাতায় পাঠাতে চান । সাংবাদিক বীরেশ অন্যায়ের প্রতিবাদ হিসেবে জনবার্তা থেকে বেরিয়ে আসেন । জনবার্তা ছিল সুবিধাভোগী সমাজের প্রতিনিধি । বীরেশ ডাক্তার অশোক মিত্রের সাক্ষাৎকারও ছাপাতে চান । ডাক্তার নিজেই যে সাক্ষাৎকারের নাম দেন [sb]জনৈক গণশত্রুর জবানবন্দী

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই মে, ২০২০ রাত ১২:২৮

রাজীব নুর বলেছেন: মুভি দেখি নি।
আগামী কাল দেখব।

১৯ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৩৩

ডার্ক ম্যান বলেছেন: অবশ্যই দেখা উচিত

২| ১৮ ই মে, ২০২০ রাত ১২:৪৮

আল-ইকরাম বলেছেন: অল্প কথায় ’গণশত্রু’ চলচ্চিত্রের আলোকপাত হয়েছে বেশ। ভাল লাগলো আপনার লেখনী। শুভেচ্ছা অগনিত।

১৯ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৩৪

ডার্ক ম্যান বলেছেন: মুভি কিংবা বুক কোন রিভিউ ভাল লিখতে পারি না

৩| ১৮ ই মে, ২০২০ রাত ১:৪৫

Masterda বলেছেন: মানিকদার মুভি অসাধারণ হয়। দেখতে হবে।
পোস্টে ধন‍্যবাদ

১৯ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৩৫

ডার্ক ম্যান বলেছেন: সব মুভি অসাধারণ নয় । তবে এটা অসাধারণ লেগেছে

৪| ১৮ ই মে, ২০২০ রাত ২:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


রুপকাহিনী মানুষ মনে রাখতে পারে, বিজ্ঞান অনেকে বুঝতে পারে না, এটা একটা বড় সমস্যা।

১৯ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৩৬

ডার্ক ম্যান বলেছেন: রুপকাহিনী অশিক্ষিত মানুষের হাতে রচিত আর বিজ্ঞান সৃজনশীল মানুষের হাতে

৫| ১৮ ই মে, ২০২০ রাত ৩:৩৪

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: ধর্ম আর বিজ্ঞান যদি এক সাথে চলে,তবে সেটা হয়ে যাবে, কাঁঠালের আমসত্ব।

১৯ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৩৭

ডার্ক ম্যান বলেছেন: একেক ধর্ম একেক কথা বলে ।

৬| ১৮ ই মে, ২০২০ রাত ৩:৫৫

অনল চৌধুরী বলেছেন: সত্যজিতের প্রতিটা ছবি অত্যন্ত বিরক্তিকর।

১৯ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৩৯

ডার্ক ম্যান বলেছেন: আপনি সম্ভবত মানসিক অবসাদে ভুগছেন । আপনি কি একসময় নিরাপত্তা বাহিনীতে ছিলেন ???

৭| ১৮ ই মে, ২০২০ ভোর ৪:২৭

নেওয়াজ আলি বলেছেন: অনেক নামকরা নায়ক উনার গড়া

১৯ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৪০

ডার্ক ম্যান বলেছেন: অনেক অভিনয় শিল্পীর শিক্ষক ছিলেন উনি

৮| ১৯ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৪৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সিনেমাটি মনে হয় দেখিনি । তাড়াতাড়ি দেখতে হবে।

১৯ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৫৭

ডার্ক ম্যান বলেছেন: তাড়াতাড়ি দেখেন। অনলাইনে পাবেন । অবশ্যই রিভিউ দিবেন

৯| ২০ শে মে, ২০২০ রাত ৩:৩৩

অনল চৌধুরী বলেছেন: আমি চলচ্চিত্র গবেষক হিসেবে একটা যুক্তিসঙ্গত মন্তব্য করলাম কিন্ত আপনি ব্যাক্তিগতভাবে অঅক্রমণ করলেন।
সত্যাজিতের ছবি দেশ-জাতি সমাজ পরিবর্তন বা জনগণকে বিনোদন দেয়া-দুই ক্ষেত্রেই ব্যার্থ।

হলিউড,রাশিয়া এবং জাপানের ছবির সাথে তুলনা করলেই বুঝবেন তার ছবির মান কোন পর্যায়ে।

আমি ১৮ বছর বয়স থেকে বাংলাদেশের জনগণের শান্তি ,সমৃদ্ধি আর উন্নতির জন্য লেখালেখি এবং আইনী কার্যক্রমের মাধ্যমে লড়াই করছি,তবে কোনো বাহিনীর সদস্য ছিলাম না।

২০ শে মে, ২০২০ দুপুর ২:২৬

ডার্ক ম্যান বলেছেন: আমার জানার পরিধি আপাতত ভারত পর্যন্ত সীমাবদ্ধ । আপনার মত বিশ্ব পণ্ডিত নয় ।
সিনেমা শুধুমাত্র বিনোদন । দেশ-জাতি- সমাজ পরিবর্তনে সিনেমার কোন ভূমিকা থাকে না ।
করোনায় আমেরিকার নিরাপরাধ মানুষের মৃত্যুকে ইনিয়ে বিনিয়ে সন্ত্রাসীর মৃত্যু বলেছেন , তাতে আপনাকে কি বলা যায় ???
আপনাকে আমি ভালভাবেই চিনতে পেরেছি ।

১০| ২১ শে মে, ২০২০ রাত ১:৪০

অনল চৌধুরী বলেছেন: দেশ-জাতি- সমাজ পরিবর্তনে সিনেমার কোন ভূমিকা থাকে না- আপনার জানার পরিধির স্বল্পতার কারণেই একথা বললেন। না হলে জানতেন যে একটা চলচ্চিত্র একটা দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামওে কিভাবে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করতে পারে।
জহির রায়হানের জীবন থেকে নেয়া এবং মেল গিবসনের ব্রেভহার্ট তার শ্রেষ্ঠ প্রমাণ।

আর আমি কোনো ইনিয়ে বিনিয়ে না,সরাসরি করোনায় সন্ত্রাসী এ্যামেরিকানদের মৃত্যুতে আনন্দ প্রকাশ করেছি আর করবো,যারা দেশে দেশে গণহত্যা,লুটপট আর সন্ত্রাস চালাচ্ছে।
এইসব সন্ত্রাসীদের যারা নিরপরাধ বলে,তারাও সমান অপরাধী,সেটা বাংলাদেশী বা এ্যামেরিকান যাই হোক না কেনো।
https://www.medievalists.net/2014/08/braveheart-scottish-independence/

২১ শে মে, ২০২০ রাত ৯:০৫

ডার্ক ম্যান বলেছেন: ভাই এখন আপনার সাথে তর্ক করতে ভাল লাগছে না । আমার জানার পরিধি আসলেই কম ।
জীবন থেকে নেয়া সিনেমা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামকে অনুপ্রাণিত করেছে বলে আমার মনে হয় না । আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম হঠাৎ করে হয় নি

১১| ২২ শে মে, ২০২০ রাত ১:২৯

শায়মা বলেছেন: আমিও দেখবো।


৬. ১৮ ই মে, ২০২০ রাত ৩:৫৫০

অনল চৌধুরী বলেছেন: সত্যজিতের প্রতিটা ছবি অত্যন্ত বিরক্তিকর।

হা হা হা হা

অনলচৌধুরী ভাইয়ার মন্তব্য পড়ে হাসছি! :P

১২| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ১:৪২

শায়মা বলেছেন:
কালরাতে এই সিনেমা আমি দেখেছি। এই পোস্টে অনল চৌধুরী ভাইয়ার প্রথম মন্তব্যও মনে পড়েছে! এই মন্তব্যের সাথে কিছুটা মিলও পেয়েছি । :P

তবে ঐ আমলে এমন একটা সত্য এবং বাস্তব সিনেমা ভাবাই যায়না। থীম বা ভাবনাটা বা এই প্রচারণা অসাধারন!

১৩| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ৩:০২

অনল চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ প্রবীণ ব্লগার শায়মা।
বাংলাদেশের কিছু লোক পোপের চেয়েও বড় ক্যাথলিক।
এদের কাছে রবীন্দ্রনাথের মতো সত্যজিতের সমালোচনা করাও বিরাট অপরাধ। ২০ বছর চলচ্চিত্রে সাথে জড়িত থেকে এই জগতের পূণাফেরত কিছু শিক্ষক,এদেশী পন্ডিত আর তাদের তোতাপাখি ছাত্রদের দেখেছি,সত্যজিতের বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত সমালোচনা করলেও প্রচন্ড ক্ষুদ্ধ হয়। পাল্টা যুক্তি না দিয়ে জঙ্গীদের মতো হামলা করতে চায়।
এদের কোনভাবেই বিশ্বসেরা চলচ্চিত্রগুলির সাথে সত্যাজিতের ছবিগুলির পার্থক্য বোঝানো যায়না।
চলচ্চিত্রের উদ্দেশ্য মানুষকে বিনোদন তথ্য আর শিক্ষা দেয়া। কোনোভাবেই দারিদ্রের প্রদর্শণীকে চলচ্চিত্র বলা যায় না,যেটা সত্যজিত পথের পাচালী আর অশনী সংকেত এ করেছেন।
তবে তিনি একজন ভদ্রলোক,শিল্পী এবং সুসাহিত্যিক ছিলেন। বেশীরভাগ চলচ্চিত্র পরিচালকদের মতো লম্পট ছিলেন না।
আপনি আমার লেখার তালিকার সবগুলি ছবি দেখেন। বুঝবেন,চলচ্চিত্র কিভাবে একটা মানুষের মনোজগতে পরিবর্তন ঘটাতে পারে।
নিজের ভিতরের শক্তিকেও উপলদ্ধি করতে পারবেন।

১৪| ২৩ শে মে, ২০২০ রাত ৩:১২

শায়মা বলেছেন: পথের পাঁচালী। এই সিনেমার প্রতিটা দৃশ্য, মুহূর্ত আর অভিনয় দেখে পরিচালকের দক্ষতা, সৃজনশীলতা আমাকে মুগ্ধ করে। সেই আমলে এমন এক অভিনয় ফুটিয়ে তোলা আমার কাছে প্রায় বিস্ময়!!! সাধারণত বই পড়ে সেই সিনেমা দেখলে হতাশ হতে হয়। কিন্তু পথের পাঁচালী যেন সকলের মনের সেই দৃশ্যাবলীই।

পথের পাঁচালীকে শুধু দারিদ্রের প্রদর্শনী বলা যাবে না। এই গল্পের স্রষ্টা সত্যজিৎ নন। তিনি গল্পটিকে চলচিত্রে খুবই দক্ষতা এবং অসাধারন মেধায় প্রকাশ করেছেন। তার দক্ষতা এখানে অবিশ্বাস্য রকমের।
অনলভাইয়া তুমি বলেছো,
আপনি আমার লেখার তালিকার সবগুলি ছবি দেখেন। বুঝবেন,চলচ্চিত্র কিভাবে একটা মানুষের মনোজগতে পরিবর্তন ঘটাতে পারে।
নিজের ভিতরের শক্তিকেও উপলদ্ধি করতে পারবেন।

এই চলচিত্রও আমার মনোজগতে এক দীর্ঘস্থায়ী রেখে ফেলেছে। নিজের ভেতরে এক আশ্চর্য্য বোধেরও সৃষ্টি করেছে।

গণশত্রু সিনেমাটাতেও কিনতু এই মনোজগতের পরিবর্তন বা ভিতরের শক্তির ব্যাপারটি আছে। কিন্তু এর মাঝে বোরিং ব্যাপারটাও আছে তাই তোমার কথা মনে পড়েছিলো ভাইয়া। হা হা

যাইহোক অনেক ভালো থেকো।

১৫| ২৩ শে মে, ২০২০ ভোর ৫:১১

অনল চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ।
যা ভালো লাগে তাই করেন,তাই বলেন,তাই দেখেন।
এটাই সুখী থাকার সর্বোকৃষ্ট উপায়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.