নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি বিশুদ্ধ কোনো মানব নই, তুমি তোমার মতো করে শুদ্ধ করে নিও আমায় ।

ডার্ক ম্যান

...

ডার্ক ম্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

সাবেক ডিএজি এমরান এবং উকিলদের নিয়ে জোকস

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ রাত ৮:৩৫

ডেইলি স্টারের এই নিউজে জানা যাচ্ছে এমরান সাহেব মার্কিন দূতাবাসে আশ্রয় নিয়েছেন। মার্কিন দূতাবাসে পরিবারসহ আশ্রয় চেয়েছেন বরখাস্ত ডিএজি এমরান

তিনি নিজে মেসেজ পাঠিয়ে এই খবর প্রচারের ব্যবস্থা নিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, 'আমি মার্কিন দূতাবাসে আজকে পুরো পরিবারসহ আশ্রয়ের জন্য বসে আছি। বাইরে পুলিশ। আজকে আমাকে চাকুরিচ্যুত করা হয়েছে ........। আমার ফেসবুক মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে গত ৪-৫ দিন যাবত অনবরত হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে। এই সরকার ভালবাসার প্রতিদান দেয় জেল দিয়ে। আমার আমেরিকার কোনো ভিসা নেই। স্রেফ ৩টা ব্যাগে এক কাপড়ে আমার ৩ মেয়েসহ কোনোক্রমে বাসা থেকে বের হয়ে এখানে বসে আছি। দোয়া করবেন আমাদের জন্য।'
রাষ্ট্রের একজন সাবেক গুরুত্বপূর্ণ আইন কর্মকর্তা হিসেবে ভাল টাকা ইনকাম করেছেন এবং তার একটা বড় অংশ সম্ভবত আমেরিকায় পাচার করেছেন। ডঃ ইউনুসের প্রতি আসলে উনার কোন টান ছিল না। তিনি আসলে পরিস্থিতির ফায়দা নিয়েছেন।
উকিলদের কখনো বিশ্বাস করবেন না। এরা নিজের স্বার্থে যে কোন নোংরামি করতে পারে ।

উকিলদের নিয়ে জোকস

১/একই দুর্ঘটনায় এক গ্রামের দুই ব্যক্তি মারা গেলেন। একজন এলাকার সুখ্যাত পরহেজগার ব্যক্তি সমীর অপরজন উকিল কাজল।
আমলনামা মোতাবেক দুজনই স্বর্গবাসী। ফেরেস্তা এসে দুজনকে নিয়ে গেল যার যার বিশ্রামের স্থান দেখাতে। ধার্মিককে দেওয়া হলো সাধারণ মানের সিঙ্গেল বেডের একটি ঘর যাতে ফ্যান ও লাইট আছে। কিন্তু উকিলকে দেওয়া হলো রীতিমতো ফাইভস্টার হোটেলের অতি আরামদায়ক স্যুইট।
ব্যবস্থা দেখে উকিলের সন্দেহ হলো। নিশ্চয়ই কোনো ফজলামো হচ্ছে তার সঙ্গে।

উকিল স্বর্গীয় দূতকে বললেন: মনে হচ্ছে কোথাও ভুল হয়েছে। এই স্যুইটটা সমীর সাহেবের হওয়ার কথা আর উনাকে যেটা দেওয়া হয়েছে...

ফেরেস্তা: না না! সবই ঠিক আছে।
স্বর্গে কোনো ভুল হয় না। এটা আপনারই।

উকিল: আমার হিসেব তো বলছে এই স্পেশাল স্যুইট আমার হতেই পারে না...

ফেরেস্তা: কিন্তু এখানে হয়েছে, মহাশয়। কারণ, আমরা এযাবত পরহেজগার লোক হাজার হাজার পেয়েছি- কিন্তু একজন উকিলকে এই প্রথম পেলাম এখানে...

দ্বিতীয় জোকস

২। অপরাধীদের কাছে জনপ্রিয় কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে কুখ্যাত এক আইনজীবী গ্রামে বেড়াতে গিয়ে বন্দুক নিয়ে পাখি শিকারে বের হলেন। তার গুলিতে আহত একটি পাখি উড়ে গিয়ে পড়লো পাশের খামারে। তিনি পাখিটিকে তুলে আনতে গেলেন। ওদিকে খামারের মালিক বৃদ্ধ কৃষক আহত পাখিটিকে তুলে ক্ষতস্থান ব্যান্ডেজ করছিলেন। তিনি আইনজীবীকে আটকালেন।

কৃষক: আপনি আইন ভেঙে পাখি শিকার করছেন!

আইনজীবী: বাজে কথা বলো না! তুমি জানো না আমি কে? আমার শিকার করা পাখিটি নিয়ে যেতে দাও।

কৃষক: এই পাখি আপনি পাবেন না। আর এটা আমার জমি এবং আমার বিনা অনুমতিতে আপনি এখানে ঢুকতে পারেন না।

আইনজীবী: আমি দেশের শীর্ষ আইনজীবী আর তুমি আমাকে আইন শেখাচ্ছো! লেখাপড়া জানা মানুষজন জানে কতো বড় বড় খুনিকে আমি নিরপরাধ প্রমাণ করেছি আর কতো লোককে খামোখাই জেলের ঘানি টানিয়েছি...

কৃষক: আপনি যেই হোন তাতে কিছু আসে যায় না। তবে আমরা আমাদের গ্রামে এ ধরনের সমস্যার সমাধান স্থানীয় কায়দায় করি।

আইনজীবী: কী সেই কায়দা, বল তাড়াতাড়ি!

কৃষক: যে দুজনের মধ্যে বিবাদ তারা একজন আরেকজনকে তিনটি করে উষ্টা মানে লাথি মারে। এভাবে চলতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না তাদের একজন পরাজয় স্বীকার করে নেয়। একে বলে ‘তিন উষ্টা’ পদ্ধতি। একেকজন পর পর তিনটি করে লাথি মারতে থাকে।

ধূর্ত আইনজীবী খুব দ্রুত হিসাব কষে বুঝলেন এই হাড় জিরজিরে বৃদ্ধ লাথির লড়াইয়ে বেশিক্ষণ টিকবে না তার সঙ্গে। ওদিকে দুজনের চেঁচামেচিতে আশপাশে বেশকিছু দর্শকও জড়ো হয়েছে। আইনজীবী মনে মনে হেসে নিয়ে বললেন: ওকে, তিন উষ্টা পদ্ধতিই সই। আমি রাজি।

কৃষক: তাহলে আমি শুরু করি।

আইনজীবী: সমস্যা নাই, আমি প্রস্তুত।

আইনজীবী শক্ত হয়ে দাঁড়ালেন কৃষকের সামনে। কৃষক আহত পাখিটিকে পাশের একজনের হাতে দিয়ে ঘুরেই আইনজীবীর উরুসন্ধিতে মারলেন কঠিন এক লাথি। বুড়ো হলেও কঠোর পরিশ্রমী চাষার পাগুলো তো লোহার মতো শক্ত। আইনজীবী চোখেমুখে অন্ধকার দেখলেন। কোমড় কুঁচকে বসে পড়লেন। ওদিকে কৃষক দ্বিতীয় লাথি চালালো তার পেট আর বুকের মাঝ বরাবর। আইনজীবী দুপুরে যেসব মোগলাই খাবার খেয়েছিলেন তা বেড়িছে আসলো বমি হয়ে। তিনি ফুটবলের মতো কুঁচকে পড়ে রইলেন মাটিতে। এবার কৃষক মারলেন তৃতীয় লাথি তার পশ্চাদ্দেশে। আইনজীবী সোজা দাঁড়িয়ে গেলেন।

তবে জীবনে অনেক কঠিন কেস লড়া পোড়খাওয়া আইনজীবীর মাথা পুরো ঠাণ্ডা রয়েছে। কারণ, তিনি জানেন এই লড়াইয়ে জয় তার অবধারিত। তিনি বুড়োর চেয়ে অনেক কঠিন আঘাত হানতে যাচ্ছেন এবার।

আইনজীবী: ওকে, বুড়ো হারামি কোথাকার! এবার আমার পালা। দাঁড়াও, দেখি এবার তোমার পায়ে কতো শক্তি আছে।

কৃষক: স্যার, আমি হার মানছি। এই নেন, আপনার জেতা পাখিটা নিয়ে যান!

এই জবাবে আইনজীবীর মাথা ঘুরতে লাগলো, বুকেও ব্যথা শুরু হলো। দ্রুতই তিনি জ্ঞান হারালেন।

জোকস দুইটি কালের কণ্ঠ থেকে নেয়া

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ রাত ৮:৫০

শাহ আজিজ বলেছেন: B-)

২| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ রাত ৯:০৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: জোকস ভালো হইছে।

৩| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:১৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:

সর্বশেষ খবর
গাট্টি বোস্কা নিয়ে আশ্রয় প্রার্থী উকিল মশাই কে এম্বাসি থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।

৪| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ রাত ১০:৫২

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: দ্বিতীয় জোকসটা মজার ছিলো, অনেকক্ষণ ধরে হেসেছি। =p~ =p~ :P ধন্যবাদ।

৫| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ রাত ১১:২১

কামাল১৮ বলেছেন: সে আমেরিকায় আশ্রয় চাইছিলেন।হয়তো পেয়েও যাবেন।একেই বলে উকিলের বুদ্ধি।

৬| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ রাত ১১:৫২

নূর আলম হিরণ বলেছেন: হাহাহা :)

৭| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ রাত ১:১৬

কাছের-মানুষ বলেছেন: দ্বিতীয় জোকসটি মজার ছিল।

৮| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সকাল ৭:৩৫

শেরজা তপন বলেছেন: প্রথম জোকসটা পড়ে দারুন মজা পেয়েছি। দ্বিতীয়টাও ভালো :)

৯| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সকাল ১০:৪৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: দুটো জোকই উপভোগ্য হয়েছে, দ্বিতীয়টা বেশি।

১০| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সকাল ১০:৫৭

ডার্ক ম্যান বলেছেন: যারা মন্তব্য করেছেন এবং হয়তো বা করবেন , তাদের সবাইকে ধন্যবাদ ।

১১| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সকাল ১১:০১

অপু তানভীর বলেছেন: দ্বিতীয়তা থেকে প্রথম জোক্সটাই বেশি ভাল লাগলো । দ্বিতীয়টার আরেকটা ভার্শন শুনেছিলাম আগে ।

উকিল নিয়ে আরেকটা জোক্স শুনেন !

একবার দেশে প্রচুর শীত পড়েছে । সেই সময়ে দেখা গেল রাস্তা দিয়ে দুজন উকিল নিজের পকেটে হাত ঢুকিয়ে ঠান্ডায় কাঁপতে কাঁপতে ফিরছে। সেটা দেখে একজন বলল, জীবনে প্রথমবার দেখলাম কোন উকিল নিজের পকেটে হাত ঢুকিয়েছে !

এমরান সাহেবের ঘটনায় আমার মাথায় একটা জিনিস ঢুকলো না সরকারের এতো উচ্চ পর্যায়ের একটা পোস্টে এমন ড. ইউনুস ভক্ত নিয়োগ পেয়ে গেল কিভাবে ! ব্যাপারটা তাজ্জব না? যেখানে এখন সামান্য এস আই নিয়োগেও পুরো ব্যাকগ্রাউন্ড খুব ভাল করে চেক করা হয়! বড়ই রহস্যময় !

১২| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সকাল ১১:০৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: @অপু তানভীর,
তিনি বোধকরি সুঁই হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বের হতে চেয়েছিলেন। এখন ফালের ভেতরে হাতল ঢুকে গেছে! :)

১৩| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১২:২৩

দারাশিকো বলেছেন: একটা জোকস কমন ছিল। তবে, উনার বিষয়টা সম্ভবত ভন্ডামি। আপনার ধারণার সাথে আমিও একমত - সম্ভবত আমেরিকার সম্পদ রক্ষার জন্যই তাকে যে কোন উপায়ে আমেরিকা যেতে হবে। আজকে ফেসবুকে দেখলাম - ৬০ বছর বয়সী এক আমলা পিএইচডি করার ছুতোয় আমেরিকা যাইতে চেষ্টা করতেছেন।

১৪| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ দুপুর ১:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: ১৯৭৫ সাল থেকেই দেশের মানুষ ভালো নেই। দেশের মানুষ আজ বড় হতাশ, বড় যন্ত্রনাবিদ্ধ। মার্কিন দূতাবাসে ডেপুটি এর্টনি জেনারেল আশ্রয় নিয়েছেন। সমস্যা হচ্ছে, ইহা দেশের প্রোফাইলের জন্য ভালো নয়, জাতি হতাশ হচ্ছে। আমেরিকা এভাবে কাউকে নেয় না; তবে, এগুলো ঘটার পেছনে কারণ আছে।

১৫| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সকাল ১১:০৮

জুন বলেছেন: B-)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.