নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জানার আছে অনেক কিছু, শিক্ষা নিবে কতজন?

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition)

সবার জন্যে শিক্ষা। আমার জন্যে তো বটেই। নিজে আগে শিক্ষা নিয়ে আরেকজনের মাঝে তা ছড়িয়ে দেওয়া...এটাই থাকবে আমার লেখাগুলোর উদ্দেশ্য।

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশ সরকারের উচিৎ এই মূহুর্তে সিলেটে সীমান্তরক্ষী বাহিনী\'র উপস্থিতি বাড়ানো

৩১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২৩

কাশ্মীর আর রোহিঙ্গা ইস্যু'র সাথে যোগ হলো আসামে ১৯ লক্ষ বাঙালী'র নাগরিকত্ব বাতিল হওয়ার সম্ভাবনার বিষয়টি। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিমধ্যে বলেছেন যে, এতে বাংলাদেশের চিন্তিত হবার কিছু নেই। কিন্তু, আসামের রাজধানী গউহাটিসহ কয়েকটি জায়গায় ১৪৪ ধারা জারী করা হয়েছে। এতে স্বভাবতই এন,আর,সি থেকে বাদ পড়া মানুষগুলো আতংকিত হবে। আতংকিত মানুষ অনেক কিছুই করতে পারে।

যে সাড়ে ১৯ লক্ষ বাঙালী'র নাগরিকত্ব বাতিল করা হতে পারে, তার মাঝে ১১ লক্ষ হিন্দু, বাকিরা মুসলমান......এই ১৯ লক্ষের ১০%-এরও যদি নাগরিকত্ব পুরোপুরি বাতিল করে দেয় ভারত সরকার, তাহলে এঁদের কি বাংলাদেশে পুশ ইন করা হবে? সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। যদি পুশ ইন না করে, তাহলে এই স্টেটল্যাস বা রাষ্ট্রবিহীন মানুষগুলোর পরিচয় কি হবে? তাদেরকে যদি বাংলাদেশী বলে চিহ্নিত করে আসামেই লেবার বা ডিটেনশন ক্যাম্পে রেখে দেওয়া হয়, সেই মানুষগুলোর ভবিষ্যৎ কি?

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এখন খুবই ভালো। কিন্তু, এটাও মনে রাখতে হবে যে, আসামে অনেক দিন ধরেই উলফা সক্রিয়। এই সুযোগে বিচ্ছিন্নতাবাদী দলটি যদি আরাকানের আরসা'র মতোই কোন কান্ড ঘটিয়ে বসে, তখন কি ভারত সরকার শান্ত ভাবে বসে থাকবে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। সেই রকম কোন কিছু ঘটলে আসামে স্বভাবতই বাঙালী হটাও আন্দোলন শুরু হয়ে যেতে পারে বি,জে,পি'র নেতৃত্বে। এই তথাকথিত 'বাংলাদেশী হঠাও' আন্দোলন আসামে অনেক দিন ধরেই হয়ে আসছে। আর, তা করলে আসামের এই রাষ্ট্রবিহীন মানুষগুলো সিলেটের সীমান্ত দিয়ে ঢুকে পড়তে পারে দলে দলে।

বাংলাদেশের এখন কি করা উচিৎ? বাংলাদেশ সরকার সিলেটের সীমান্তগুলোতে এখন থেকেই যদি কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারে, তাহলে, রোহিঙ্গা সংকটের মতোই আরেকটি ঝামেলায় পড়তে পারে।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:১৩

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: যাক্, আজকের পোস্টটা লাইনমত আছে। মাঝে মাঝে কি যে সব লিখেন না!

বিষয়টা উদ্বেগের, তবে আসাম সীমান্তে পুশ-ইন ঠেকাতে প্রস্তুত বিজিবি
বিজিবি(ব্যাটালিয়ান-১৯) ও সিলেট-আসাম সীমান্তবর্তী ১৩টি থানাকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এখন দেখা যাক, সামনে কী হয়...

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৩

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন: সতর্কতা আরও বাড়াতে হবে। দরকার হলে ড্রোন দিয়ে নজরদারী চালাতে হবে।

ধন্যবাদ।

২| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৩০

শাহাদাত* বলেছেন: সাথে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানো উচিত বাংলাদেশের৷

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৫

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন: ওটা ভারতের অভ্যন্তরীন বিষয়। তবে, ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। ধন্যবাদ।

৩| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৩৩

সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: এখনই অনপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে কাউকে বাংলাদেশে ভারত থেকে পুশ ইন করা হবে না। বিভিন্ন স্তরের ট্রাইবুনাল এ প্রক্রিয়া চলবে। কয়েক বছর কেন কয়েক দশক ধরেই এত লক্ষ লক্ষ লোকের বিচার প্রক্রিয়া চলবে। আমার মনে হয় না সামাজিক স্তরে কিছু উত্তেজনার বাইরে রাষ্ট্রীয় স্তরে পুশ ইন এর মত কিছু এখনই ঘটবে।
বাংলাদেশে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু যারা ঢুকে পড়েছেন তাদের নিয়ে সরকার কী করবেন, সেটা একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। আন্তর্জাতিক স্তরে মায়ান্মারের সরকারের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক কার্যকলাপ চালানো যেতে পারে, কিন্তু তাতে নিকট ভবিষ্যতে সমস্যা মেটার সম্ভাবনা কম। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া ছাড়া কী করতে পারে ? এরা আশ্রিত, মুসলিম এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। এদের সঙ্কটের মুখে পড়ে পুশ ব্যাক করাটা তো মানবিকতার দিক থেকে সমস্যা। আবার এমনিতেই জনসংখ্যার চাপে জর্জরিত বাংলাদেশের পক্ষে বিপুল সংখ্যক উদ্বাস্তুকে আশ্রয় দেওয়ার একটা বড়সড় সমস্যা।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৯

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন: অতীতে পুশ ইনের মতো ঘটনা ঘটেছে বলেই এই সন্দেহ।

আর, আসামের এই মানুষগুলোর ভবিষ্যত নিয়েও চিন্তিত হতে হবে। এটা মানবাধিকারের প্রশ্ন। পুশ ইন না করলে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হবে এদেরকে। সেখানের অবস্থা কি ভালো?

আর, উলফা যদি সক্রিয় হয়, তাহলে, ভারত সরকার তখন যে পদক্ষেপ নিতে পারে, তা বাংলাদেশের জন্যে ভালো না-ও হতে পারে।

তাই, আগে থেকেই, সাধু সাবধান!

ধন্যবাদ।

৪| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: এত অস্থির হবার কিছু হয় নাই।
আসামের লোকজন আসবে না আমাদের দেশে। আমদের দেশ রসগোল্লা না।
রোহিঙ্গাদের হিসাব আলাদা।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৪

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন: বাংলাদেশের মাটি এখন রসগোল্লাই। আমাদের দেশে ভূমির সংকট আছে বলে সবাই জানতো। অথচ, সেই দেশে ১২ লক্ষ রোহিঙার জায়গা হয়ে গেলো। চিন্তা করে দেখুন ব্যাপারটা।

ডিটেনশন ক্যাম্পে স্টেটল্যাস অবস্থায় থাকার চেয়ে এইসব মানুষেরা বাংলাদেশকেই তাদের নিবাস হিসেবে বেছে নিতে পারে।

একটা অস্থিরতা তৈরী হতে পারে যদি বিচ্ছিন্নতাবাদিরা এই সুযোগ নেয়।

ধন্যবাদ।

৫| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
এত সিরিয়াস হওয়ার কিছু নেই।
আসাম সরকার জানিয়েছে এনআরসির চূড়ান্ত তালিকায় যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের এখনই বিদেশি তকমা দেওয়া হচ্ছে না।
আসলে এনআরসির পুরো ব্যাপারটি একটি তালিকা। তাদের গ্রেফতার বা পুশিঙ্গের প্রশ্নই আসে না।

কোন রাজ্য সরকার আইনত কারো নাগরিকত্ব বাতিল করতে পারে না। কেন্দ্রিয় সরকার পারবে তবে সেটাও সুপ্রিম কোর্টের মতামত লাগবে। সেটা কঠিন আমিকাস কিউরি মতামত সাপেক্ষে।
তালিকা প্রকাশের পর ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জনের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় পড়ে গেলেও এখনো তারা আইনত নাগরিক। রাজ্য সরকার ভোটার তালিকা থেকেও বাদ দিতে পারবে না।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:০১

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন: এই বাদ পড়া মানুষগুলো দুই দেশের সম্পর্কে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে। এখন না হোক, ভবিষ্যতে তা হবে। সবাইকে নাহোক, যদি ১%-কেও স্টেটল্যাস ঘোষণা করা হলে, এই মানুষগুলো যাবে কোথায়?

আসামে ডিটেনশন ক্যাম্প বানানো আছে। সেখানেই হবে তাদের জায়গা। আর, ডিটেনশন ক্যাম্পে যদি কিছু উল্টা-পাল্টা হয়, সোজা পুশ-ইন করে দিতে পারে।

মনে রাখবেন, এখন যে বাংলাদেশ সরকার আছেন, ভবিষ্যতে তাঁরা নাও থাকতে পারেন। পরে যদি নতুন সরকার আসে, সেই সরকারের জন্যে মাথা ব্যথা হয়ে দাঁড়াবে এই মানুষগুলো। তখন কি হবে? সর্বোপরি, বাংলাদেশের ভূমি নিয়ে টানাটানি।

সেই সাথে যোগ করুন, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অপকর্ম।

ব্যস! বাংলাদেশ হয়ে যাবে শরণার্থীদের দেশ।

৬| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:২৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
এখন বাংলাদেশ সরকার আছেন, ভবিষ্যতে তাঁরা নাও থাকতে পারেন।
পরে যদি নতুন সরকার আসে, সেই সরকারের জন্যে মাথা ব্যথা হয়ে দাঁড়াবে


তার মানে বর্তমান সরকার বা দেশবাসির জন্য আপনার কোন মাথাব্যাথা নেই। খালি নতুন সরকারের স্বপ্ন!

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৪২

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন: না, ভাই! যে কোন সরকারই বাংলাদেশের জনগণের সরকার। সরকার পরিবর্তন হলে বাংলাদেশ হিজিবিজি অবস্থায় পড়ে যাবে।

সেই জন্যেই চিন্তা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.