নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জানিনা কি লিখতে চাই,কি বা বলতে চাই,কত শত অব্যক্ত কথনগুমরে মরে হৃদয়ের কারাগারে .....

শেহজাদী১৯

আমি যে আঁধারের বন্দিনী আমারে আলোতে নিয়ে যাও

শেহজাদী১৯ › বিস্তারিত পোস্টঃ

অকথ্য অশ্রাব্য ভাষন ও নর্দমার কীট

০৪ ঠা মে, ২০২১ রাত ১০:৫০

আমি মুনিয়ার আত্মহননের ঘটনা নিউজে দেখেছি। ফেসবুক ইউটিউব এবং পত্রিকার পাতাতেও পড়েছি। মুনিয়ার ইনোসেন্ট লুক শুভ্র চেহারা কিন্তু বিষাদে ভরা চোখ দুটির দিকে চেয়ে ভেবেছি কোথায় ভুল ছিলো? কোন ভুলে এমন মৃত্যুফাঁদে পা দিলো মেয়েটি? অনেকেই অনেক কথাই বলছেন, মেয়েটার গাইডেন্সে ভুল ছিলো, মেয়েটার পরিবার তাকে সাপোর্ট করেনি, মেয়েটা মায়াবী জগতের নেশায় পড়েছিলো, মেয়েটা অর্থের লোভ চাকচিক্যময় জীবনের হাতছানিতে সাড়া দিয়েছিলো এবং শেষ পরিনতি ডুবে মরতে হলো। হ্যাঁ এ ভরাডুবিই বটে। এই সুন্দর পৃথিবীটা ছেড়ে একটি সুন্দর সম্ভাবনাময় জীবনের ক্ষয়ে যাওয়া। এমন নতুন নয়। এর আগেও বহুবার আমরা এমন মৃত্যু দেখেছি, আলোচনা করেছি, বাড়িতে বাড়িতে মেয়েদেরকে সাবধানও করেছি হয়ত। তবুও মুনিয়ারা বার বার ভুল করেছে। ভুল ফাঁদে ভুল মোহে পা দিয়েছে। পরিনতি সবসময়ই ইতিবাচক হয়নি।

যাক সেসব কথা। আমার আজকের আলোচ্য বিষয় মুনিয়া না। মুনিয়াকে ব্যবহার করা আনভীর বা আনভীরের মত মানুষেরা। মূলত আমার ভাবনার বিষয়টা এদের দ্বিমুখী আচরণ, সামনে এক আর ভেতরে আরেক মানুষের বাস। সমাজে উচ্চবিত্ত পরিবারের সুন্দরী সভ্য ভদ্র নমনীয় স্ত্রী সামনে থাকছে আর পিছে থাকছে নাম না জানা হাজারও ভোগবিলাসের নারীরা। অতীত ইতিহাসে রাজা বাদশা উচ্চবিত্ত পুরুষের মাঝে এই আচরন আমাদের অজানা নয়। বর্তমানেও এমনই হয় সেও আমাদের জানা। তবুও বলি হয় যখন মুনিয়ারা তখনই প্রশ্ন জাগে মনে? কোন ভুলে অকালে ঝরে যায় জীবন? কতটা অভিমানে এবং অপমানে বা ভয়ে কূল কিনারা হারায় মুনিয়ারা?

মুনিয়ার আত্মহনন বা অপমৃত্যু যাই হোক এ ঘটনায় আমি তার টিকটক ভিডিও দেখেছি, নানা রকম ছবি, আনভীরের সাথে ছবি, ফোনালাপ বা মেসেঞ্জার চ্যাট সবই দেখেছি। কিন্তু মেসেঞ্জার চ্যাট এবং ফোনালাপে আনভীরের ভাষার ব্যবহারে আমি সবচাইতে বেশি আহত হয়েছি। এই ভাষায় কোনো ভদ্রলোক কথা বলতে পারে! এ ভাষায় কথা বলে সমাজে উচ্চবিত্তের উচ্চবিত্ত এবং শিক্ষিত বলে পরিচিত আনভীর? যার এমন ভাষার ব্যবহার বাড়িতেও কি তার অতি যত্নে লালিত সমাজে সুপরিচিত স্ত্রীটির সাথেও সুন্দর ব্যবহার হতে পারে! আড়ালে একজন মুনিয়া জীবন দিয়েছে অপমানে অভিমানে দুঃখ কষ্ট ক্ষোভে বা আমাদের অজানা কোনো কারণেই জীবন দিতে হয়েছে তাকে। হয়ত আড়ালে এমন ব্যবহারেই নিত্য জর্জরিত তার নিজের স্ত্রীও। কে জানে কতটা অপমান আর অভিমান বুকে জমে আছে তারও?

এই সব প্রশ্ন মাথায় আসে। আনভীরের স্ত্রী সাবরিনা এবং সকল আশা আকাঙ্খা ভালোবাসা ভালোলাগার উর্ধে চলে যাওয়া গোপন প্রেমিকা মুনিয়ার চোখের মাঝে একই বিষাদ দেখতে পাই আমি। আনভীরের মত কুৎসিৎ ভাষা ভাষী মানুষগুলোর আর কখনও বোধদয় হবে কি হবে না জানিনা তবে পৃথিবীর সকল পুরুষের প্রতি অনুরোধ ভাষা ব্যবহারে সংযত হোন। আপনার একটি কুৎসিৎ ভাষার ব্যবহার আপনাকে শত মানুষের চোখে নিকৃষ্ট নর্দমার কীটে পরিনত হতে হয় আপনার অজান্তেই।

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা মে, ২০২১ রাত ১০:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: আমাদের দেশ হলো ক্ষমতাবানদের। তারা যা চায় তাই করতে পারে। নিজের চোখেই বহু ঘটনা দেখেছি। দেশের সবার সব শ্রেনীর মানুষ ক্ষমতাবানদের দালালি করে, চাটুকারিতা করে। আর না করেওও উপায় নাই।

০৪ ঠা মে, ২০২১ রাত ১০:৫৯

শেহজাদী১৯ বলেছেন: একজন শিক্ষিত মানুষের ভাষা যখন মূর্খের মত হয় তখন যত ক্ষমতাবানই হোকনা কেনো সে নর্দমার কীটেই পরিনত হয়।

২| ০৪ ঠা মে, ২০২১ রাত ১১:১১

জটিল ভাই বলেছেন: পোস্ট নিয়ে সুদীর্ঘ বিশ্লেষণে না গিয়ে কয়েকটা বিষয় এ্যাড করছি।
১, টিকটক সমাজ গঠনে আদৌ ভূমিকা রাখছে কি?
২. আমরা অন্ধকার জীবনের বিষয়ে জেনে চুপ থেকে কি এটার বৈধতা দিচ্ছি না?
৩. একটা বাচ্চা মেয়ের এতো উচ্চাভীলাসের উৎস কি?
৪. আনভীরের ভাষা কি আমরা নেগেটিভ/পজেটিভলি মিডিয়ায় বিনোদনের নামে দেখে অভ্যস্থ নই?
সবগুলো প্রশ্নের উত্তরে আপনি মিডিয়ার এভয়েলেবলিটির নেগেটিভ ইম্প্যাক্টকে রিলেট করতে পারবেন। ভয় হয় কবে জানি দেখি ঘেটুপুত্র কমলার চলটাও এসে গেছে। আপনি যখন ১০ম শ্রেণিতে ছিলেন নিশ্চই মিডিয়া রেস্ট্রিক্টেড ছিলো। তখন আপনার বা সাথের কয়টা মেয়ের এমন উচ্চাভিলাস ছিলো? তখন উচ্চাভিলাস মানে, মায়ের আদর, বাবার স্নেহ। তাই, মিডিয়া এবং ডিভাইসকে রেস্ট্রিক্টেড করা অতি জরুরী মনে করি। এককালে বিটিভি দেখতেও লাইসেন্স লাগতো।

০৪ ঠা মে, ২০২১ রাত ১১:৩৮

শেহজাদী১৯ বলেছেন: মিডিয়া রেস্ট্রিক্টেড করেন বাড়িতে ডিভাইস রেস্ট্রিক্টেড করলে আজকালকার অবাধ্য সন্তানেরা বাড়ি মাথায় তুলবে। আসলে পাশ্চাত্য সমাজের ভুল অনুসরন আমাদের সমাজের ছেলেমেয়েদেরকে ভুল পথে চালাচ্ছে।

দূরের বাদ্য যতই ভালো মাঝখানে তার বেজায় ফাক। আমাদের ছেলেমেয়েরা উন্নত দেশগুলো দেখে ইতিবাচক নেতিবাচক মিলিয়ে ফেলে হ য ব রল ভজঘট লাগিয়ে ফেলে ইচড়েপাকামির শিকার হচ্ছে।

১, টিকটকের কোনো রকম প্রয়োজনীয়তা নেই ভাড়ামী ছাড়া
২.অন্ধকার জীবন নিয়ে বাবামায়েদের খোলামেলা আলোচনা প্রয়োজন। চুপ থাকা চলবে না।
৩. বাচ্চা মেয়ের উচ্চাভিলাষ থাকবে কিন্তু এক লাফে উপরে ওঠা যায়না। সৃষ্টিকর্তা যাকে যা দিয়েছে তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থাকার পাশাপাশি নিজেকে সুযোগ্য করে গড়ে তুলতে হয়।

বিখ্যাত মডেল, নায়িকা গায়িকা কি নেই? সাধনায় সবই হয় কিনতু সমস্যা আজকালর এক লাফে গাছে উঠতে চাওয়া জেবারেশন। তাই কোনটা সঠিক আর কোনটা বেঠিক সে বিচারের বোধ লোপ পায়।

কিন্তু আনভীর এই ভাষা কোথায় শিখলো!
ছি ছি ছাড়া কিছুই বলার নেই।

৩| ০৪ ঠা মে, ২০২১ রাত ১১:৪৭

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আনভীরের মুখের ভাষা ঠিক তার চেহারার উলটো পিঠ। সুবেশী মানুষটার ভেতরটা হলো কত কদাকার! গালিবাজরা সব জায়গাতেই গাল দেয়। সাবরিনার সাথে তার আচরণও এমনই হওয়ার কথা।

একটা দাবিতেই এখন আমাদের সোচ্চার থাকতে হবে- আনভীরের বিচার। মহাপরাক্রমশালী রাজা-বাদশারাও ধরাশায়ী হয়েছে, ক্ষমতাবান শাসকদের পতন হয়েছে, আনভীর গ্রুপ নিশ্চয়ই রাষ্ট্র, সরকার ও আইনের চাইতে অধিক শক্তিশালী না।

০৫ ই মে, ২০২১ রাত ১:০৩

শেহজাদী১৯ বলেছেন: সবার আগে এই মেয়েকে অপমানের গালিগুলির বিচার হোক।

কি বাজে মানুষ হলে এইভাবে চ্যাটে লিখে, ফোনে কথা বলে। উনি নিজে যেন সাধু। যেসব কথা ঐ মেয়েকে বলেছে সে। সে নিজেই তার দেওয়া গালিগুলির প্রথম মানুষটি। সে যা যা বলেছে সব সে নিজেই।

৪| ০৪ ঠা মে, ২০২১ রাত ১১:৫৭

সিগনেচার নসিব বলেছেন: অকথ্য ভাষায় আজকাল পত্রিকার হেডলাইন ও লেখা হচ্ছে। অনলাইন নিউজ পোর্টাল গুলো এর বড় উদাহরণ।

০৫ ই মে, ২০২১ রাত ১:০৪

শেহজাদী১৯ বলেছেন: অকথ্য ভাষাভাষীরা ধ্বংশ হোক।

৫| ০৫ ই মে, ২০২১ রাত ১২:১০

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: টাকা থাকলে অনেক মুনিয়া পাখি পালা যায়।
চালাক মুনিয়া গুলি সোনার খাঁচা পেয়েই খুশী, বোকা মুনিয়ারা মরে যায়।
খাঁচার মালিক কিছুদিন গেলে আবার নতুন মুনিয়া কিনে নেয়।
খাঁচা খালিরেখে লাভ কি!!! টাকাতো আছে!!!!

০৫ ই মে, ২০২১ রাত ১:০৫

শেহজাদী১৯ বলেছেন: মুনিয়ার মালিকের বুলি বন্ধ হোক। বোবা হয়ে বেঁচে থাকুক। এটাই তার শাস্তি।

৬| ০৫ ই মে, ২০২১ রাত ১২:১৬

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: আনভীর বাইরে ভদ্রতার মুখোশ পরে থাকা শয়তান। সে ভদ্রলোক কখনোই ছিলো না। ভদ্রলোকেরা তার মতো লম্পট হয় না। নারীকে ভোগ করে না। নিজ সহধর্মিণীকে ঠকায় না। সততায় স্থির থাকে। তার ভাষা তার চরিত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। লম্পটের মুখ থেকে এর চেয়ে ভালো ভাষা আশা করা যায় না।

০৫ ই মে, ২০২১ রাত ১:০৫

শেহজাদী১৯ বলেছেন: একেবারেই সঠিক কথা।

৭| ০৫ ই মে, ২০২১ রাত ৩:৩০

নেওয়াজ আলি বলেছেন: আনভীর মনে হয় দেশ হতে চলে গিয়েছে । আর চিল্লাই কী করবো। বরঞ্চ তার বাপ গণপূত মন্ত্রীকে ধমক দিয়েছে ওই নিউজ দেখি

০৫ ই মে, ২০২১ দুপুর ২:৪৭

শেহজাদী১৯ বলেছেন: তার বাপের অন্যায় করার জন্য মোড়লীপূর্ণ ধমক দেখে মনে হয়েছে কেনো তার পুত্রধনেরা এমন মোড়লী শিখেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.