নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Triumph of Death

আমি সকল ধর্মের উদ্ধে উঠে মানবতাকে আলিঙ্গন করতে চাই।

রুদ্ধ কারাগারে অবরুদ্ধ মন

রুদ্ধ কারাগারে অবরুদ্ধ মন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভালোবাসার জাতভেদ

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:২৬

যদি জিজ্ঞাসা করা হয় "ভালোবাসার সীমাবদ্ধতা কি?" তাহলে কি উত্তর আশা করা যেতে পারে তা আমার জানা নেই, তবে আমি মনে করি যদি কোনো ভালোবাসার মাঝে সীমাবদ্ধতা থাকে তাহলে সেটা খাঁদযুক্ত। আর খাঁদযুক্ত মানে ভেজাল। সেটাকে তাই ভালোবাসা না বলে বলা যেতে পারে মোহ কিংবা ক্ষেত্র বিশেষে লোক দেখানো।



এবার দ্বিতীয় প্রশ্নঃ "একজন কি শুধু একটি নির্দিস্ট কোনো কিছুকে ভালোবাসলে আর কোনো কিছুর প্রতি তার ভালোবাসা থাকে না?" এই উত্তর

ও কি হতে পারে অন্য সবার কাছে আমার জানা নেই তবে আমি মনে করি শুধু একটা নির্দিস্ট জিনিষের প্রতিই যদি কারো টান থাকে তাহলে সেটা ভালোবাসা নয় সেটা লোভ। কারণ যে ভালোবাসতে পারে সে জগতের সব মঙ্গলজনক কিনবা শুভ জিনিষকেই ভালোবাসতে পারে।



এবার আমার এই প্রশ্ন গুলো উত্থাপন করার কারণ বর্ণনা করছিঃ

১. জামাত শিবির দেশকে কতটুকু ভালোবাসে? উত্তর সবারই জানা আছে, সম্প্রতি শহীদ মিনার পুড়িয়ে, জাতীয় পতাকার অবমাননা করে, পাকিস্তানী পতাকা নিয়ে মিছিল করে সেই প্রমাণ তারা রেখেছে।



২. তাদের ভাবখানা তারা একলাই আল্লাহ ও তার নবীকে ভালোবাসে, বাংলাদেশে জামাতে ইসলাম বা শিবির না করলে সে নাস্তিক। কিন্তু তাদের উগ্রতা আরো বেশি মনে হয় যখন দেখি তাদের ভাবভঙ্গিতে আল্লাহ-রসূল ছাড়া কাউরে ভালোবাসা যাবে না, তখন সন্দেহ হয় আসলে তারা কি আল্লাহ-রসূলকেও ভালোবাসে? বাস্তব সত্য হল তারা কাউকেই ভালোবাসে না তারা জান্নাতের লোভ করে আর সেই সুযোগটা উচ্চপর্যায়ের ত্যানা যারা আছে তারা ব্রেন ওয়াসের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার জন্য ধর্মকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে। কারণ তাদের মধ্যে যদি ভালোবাসা নামক কিছু থেকেই থাকতো তাহলে সেটা দেশের জন্যেও থাকত, মানুষের জন্যেও থাকত, শুধুই লোক দেখানোর জন্য আল্লাহ-খোদার ভালোবাসা দেখায়া বেড়াইত না নাস্তিক হত্যা কইরা, দাঙ্গা হাঙ্গামা কইরা। তাদের আল্লাহ-খোদার প্রেমও দেখা হইয়া গেছে, গতকাল যখন টিভিতে দেখলাম মসজিদের ভিতরকার কাহিনী। সত্য কথা হল যে ভালোবাসতে পারে সে তার মা, তার জন্মস্থান, তার মাতৃভাষা সব কিছুকেই ভালোবাসতে পারে, সুধুই স্বধর্মের ঈশ্বরকে ভালোবাসা আর অন্য কিছুকে ভালোবাসতে না পারা মানেই বুঝতে হবে তার ভালোবাসায় খাঁদ আছে।



মানুষ মানুষই, আস্তিকরাও মানুষ নাস্তিকরাও মানুষ। মানুষে মানুষে ধর্মের, বর্ণের, গোত্রের, লিঙ্গের, জাতির পার্থক্য যারা করে তাদেরকে আর যা ই বলা হোক না কেন মানুষ বলা যেতে পারে না। ভালোবাসা নিখুঁত হলে সেই ভালোবাসা নির্দিস্ট কারো জন্যে হয় না সেই ভালোবাসা হয় সকলের জন্যে সব কিছুর জন্যে।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৪৪

মন মাতাল বলেছেন: মানুষের সংজ্ঞা যদি এমন হতো তাহলে আপনার কথা মেনে নিতাম। কিন্তু আপনার কথায় আবেগ ছাড়া আর কিছুই পেলাম না! যুক্তি দিয়ে সব কিছুকে বিচার করলে আপনার কথা আর টিকবেনা। কারণ আপনি মানুষের যে ভালবাসার নজির দিয়েছেন তা কোন উপমা হতে পারে না। আপনাকে ধন্যবাদ যে আপনি রাজাকারদের বিরুদ্ধে। তার মানে এই নয় যে আপনি মানুষের সংজ্ঞা নতুন করে সমাজে প্রচলন করবেন।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৫৯

রুদ্ধ কারাগারে অবরুদ্ধ মন বলেছেন: আমি মানুষের কোনো সংজ্ঞা প্রচলন করতে লেখাটি দেইনি। আমি বলেই দিয়েছি আমি কি মনে করি আমি তা লিখছি। এখানে লেখার মত একান্তই আমার, আপনের এর সাথে একাত্মতা জানাতে হবে সেটাও আমি বলিনি।র ভালোবাসার নজিরের কথাটি যদি বলেন সেক্ষেত্রেও আমার একটি কথা বলার আছে কারো কাছেই ভালোবাসার নির্ধারিত কোনো সঙ্গায়ন নেই, সবাই ভালোবাসাকে নিজের মত করেই সংগায়ন করে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.