| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
-মেয়ে শোন, আমি তোমাকে এত্তগুলা ভালোবাসি... ভালোবাসি ভালোবাসি
-ওমা তাই!!! সো কিউট। আমিও বাসি...বাসি বাসি
অতঃপর দুইজন টগবগে দিপ্তিময় তারুন্যের একত্রীকরণ....
তাদের "সো হ্যাপ্পি" প্রেমের তরীর অছিন্ন পালে মাতাল হাওয়া ধাক্কা খায় তীব্র গতিতে... তাতে প্রেমের তরী বিন্দুমাত্র বিচলিত হয় না,
বরং একরাশ শক্তি সঞ্চার করে বয়ে চলে উদ্যমী ভঙ্গিমায়....
একদিন, দুইদিন, তিনদিন...কয়েক মাস
হঠাৎ একদিন ছন্দপতন!!!
ছেলেটির দুনিয়ায় মেয়েটি ব্রাত্য...
সুন্দর কিছু সুশ্লীল কথা ছুড়ে দেওয়া হয় একসময়ের প্রিয় চেহেরাটিকে, "মেয়ে, তোমার সাথে আমার আর যাইতেছে না!!! Actually, We are not for each other! তুমি খুব লক্ষী একটা মেয়ে, আমার চে অনেক...অন্নেক ভালো একটা ছেলে পাবা। টাট্টা, বাই বাই"
মেয়েটি কাঁদে, বুকে বালিশ চেপে কাঁদে....বাথরুমের নির্জনতায় কাঁদে!
কাঁদে আর কাঁদে!
মেয়েটি ভাবে,
ছেলেটি ছাড়া সে অচল! চলতে পারবে না এক কদমও!
ক্যাম্নে চলবে??? তার প্রতি কদমে যে লেগে আছে ছেলেটির উষ্ম ছোঁয়া! তাকে ছাড়া কি চলা যায়?
কিন্তু...একি!!
দিব্যি কেটে যায় দিন, বেশ হেসে খেলেই কাটে।
তবুও মাঝে মাঝে কান্না পায়! সৃষ্টিকর্তার প্রিয় উপহার হারানোর কান্না
মেয়েটি এখন কান্নায় ভেঙে পরে না... কাউকে তার আর লাগেনা,
সে একাই পথ চলতে পারে, পাড়ি দিতে পারে জিবনের বন্ধুর পথগুলো
কার জন্যে কাঁদবে সে বলতে পারেন???
যে একজন ভালোবাসি বলে কাছে এসেছিল, সে তো ছিল ভিনগ্রহবাসী কোন নপুংসক! সে কখনই মেয়েটির ছিলনা(!) হারানোর প্রশ্ন তাই কল্পনাতীত
সে বুঝে গেছে,
সৃষ্টিকর্তা নিশ্চয় কোন একজনের(শুধু একজনই) জন্যে তাকে প্রেরণ করেনি! বাচার কত উপলক্ষই তো তিনি তৈরি করে দিয়েছেন
মেয়েটা বুঝে গেছে, নপুংসকদের জন্যে কান্না করা শোভা পায় না...কোনমতেই না
চেষ্টা করেন... আপনিও পারবেন।
আপনাকে পারতেই হবে
©somewhere in net ltd.