নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মোঃ নাঈম হোসেন

মোঃ নাঈম হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্মব্যবসা নতুন নয় - লাভজনকও নয়। তবুও কেন যে বোকারা পুঁজি খাটায়।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:০৭

কিছুদিন আগে রাজাকারদের ধর্মব্যবসা নিয়ে একটি পোষ্ট দিয়েছিলাম। এখন আবার দেখছি কিছু ১০০% খাটি ছাগু, গণজাগরণকে প্রশ্নবিদ্ধ করার নিষ্ফল

চেষ্টায় রত, তা-ও সেই পুরানো কাসুন্দি; ধর্ম গেল, ধর্ম গেল। একাত্তরে এই ব্যবসা লস-প্রজেক্ট ছিল, এইবারও হবে - ইনশাআল্লাহ্। বাংলার মানুষ

একাত্তরে ধর্মও বিসর্জন দেয়নি- পাকিদেরও ছারেনি, এইবারও ধর্মকে বিলিন করছেনা - রাজাকার ও তাদের দোসরদের ছারবেনা। একাত্তর দেখিনি,

তাই এই একাত্তরের ছবিটা দিলাম - বিজয়ের মুহূর্ত, এখনকার ছবি দেয়ার প্রয়োজন আছে কি ? সওদাগরগন সাবধান !!!

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:১২

বোকামন বলেছেন: ইন-শা-আল্লাহ্

২| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:১৫

লীনা জািম্বল বলেছেন: সাধু সাবধান -----

৩| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:২৪

ফায়ারম্যান বলেছেন: শাহবাগে আন্দোলনের সাথে যারা যুক্ত আছেন, তাদের মধ্য কোন বিতর্কিত ব্যক্তি থাকলে ঝেটিয়ে বিদায় করুন। কারণ এই ধরণের ব্যক্তিরা আন্দোলনে যতটুকু অবদান রাখছে তার চেয়ে আন্দোলনকে ক্ষতিগ্রস্হ করছে বেশি।

কুখ্যাত নাস্তিক থাবা এই আন্দোলনের লাখো মানুষের মধ্যে একজন মাত্র... সে এই আন্দোলনের রিপ্রেজন্টেটিভ বা মুখপাত্র না... এই আন্দোলন বাংলার মানুষের দাবী... থাবার ধর্ম বিরোধি লেখায় তার ব্যক্তিগত বিশ্বাস ফুইটা উঠছে... শাহবাগের সকল মানুষের না ।
আসিফ থাবা বাবারা আন্দোলনে যতটুকু অবদান রেখেছে তার চাইতে হাজারগুণ বেশি অবদান রেখেছে এই আন্দোলনকে বিতর্কিত করতে।এই ধরণের ব্যক্তিরা আন্দোলনে যতটুকু অবদান রাখছে তার চেয়ে আন্দোলনকে ক্ষতিগ্রস্হ করছে বেশি

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:২০

মোঃ নাঈম হোসেন বলেছেন: শাহবাগ একটি সার্বজনীন আন্দোলন কেন্দ্র। এর সৌন্দর্যই-তো এখানে নিহিত; নানান মতের, নানান পথের, নানান বিশ্বাসের মানুষ একটি মহৎ উদ্দ্যেশ্যে এক পথে মিলিত হয়েছে। এই সমাবেশ না কোন নাস্তিকদের সমাবেশ, না ইসলামি মাহফিল, না হিন্দু মন্ডপ, না বৌদ্ধ সম্মেলন - এটি মানুষের সমাবেশ, যারা কিছু মানুষরূপ হায়েনার যথোপযুক্ত শাস্তির দাবি করছেন। শাহবাগে কেউ কারো ধর্মের পরিচয় জানতে চায়না, কেউ কারো ধর্মের বিরুদ্ধে বক্তৃতা দেয়না। কিছু স্বার্থাণ্বেষী, এই আন্দোলনকে অন্য রং দিতে ধর্মের নাম ব্যবহার করছে, যেমনটা করেছিল একাত্তরে। বাঙ্গালী তখনও ভুল করেনি, এবারও করছেনা। যারা এই গণজাগরণ নিয়ে শংকিত, তারাই নানান রকম বিষ-বাষ্প ছড়াচ্ছে।

৪| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:২৭

দিকদর্শন বলেছেন: আপনি কি মনে করেন, এদেশে শুধু জামাত ধর্মের ব্যবসা করে? আমি কিন্তু তা মনে করিনা। কারন, আওয়ামীলিগ-বিএনপি নির্বাচনের আগে মাজার জেয়ারতের মাঝ দিয়ে প্রচারনা শুরু করেন, নির্বাচনের সময় দু নেত্রীর হিজাব পড়া ছবি দেখা যায়, লাইলাহা ইল্লাল্লাহ ...এর সাথে প্রতীকের মালিকানা আল্লাহকে দেয়া হয়, ক্ষমতায় থেকে ইসলামের জন্য কে কি করেছে এটা জনগনকে ফলাও করে প্রচার করে, সম্প্রতি ইনুর মত নেতারা ও ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ দাবী থেকে পিছিয়ে এসেছে।
সেখানে জামাত তো প্রকাশ্যে সবসময় ইসলামের আলোকে তাদের রাজনীতিকে সংজ্ঞায়িত করতে চাচ্ছে ।
সে দৃষ্টিতে আমি মনে করি জামাতের চেয়ে অনেক নিকৃষ্ট হল এই সব তথাকথিত প্রগতিশীল বলে দাবীদার দলগুলো।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৫

মোঃ নাঈম হোসেন বলেছেন: ভাই দিকদর্শন, সাধারনত যেকোন গুরুত্বপূর্ন কাজের আগে সব ধর্মের মানুষ তার সৃষ্টিকর্তাকে একটু বেশী ডাকাডাকি করে- যেমনটা আমি আপনি সবাই করি। কিন্তু তাই বলে যদি, কোন একটা ধর্মকে পুঁজি করে যদি কোন দল রাষ্ট্র চালায়, তাহলে অন্য ধর্মের মানুষগুলো্র কথা একবার চিন্তা করুন। এইবার যদি কেউ বলে, তাহলে খুলাফায়ে রাশেদিনরা কিভাবে ইসলামি রাষ্ট্র পরিচালনা করতো ? তাহলে আমি বলবো, খলিফাদের জুতো্র তলার ধুলো্কণার যোগ্যতাও বাংলাদেশের কোন ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের নাই। কারন, খলিফারা কোন যুদ্ধে প্রতিপক্ষের নরীদের গনিমতের মাল হিসাবে গণধর্ষন করেনি, ইসলামের সমালোচনাকারিকে (এমনকি অন্য ধর্মের মানুষকেও) হত্যা করেনি, যুদ্ধে কোন নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করেনি - কিন্তু বর্তমানে অনেক ধর্মের মুখোশ পরা উপরোক্ত অপরাধে স্বঘোষিত অপরাধি ধর্মের নামে ব্যবসা করছেন। তাই, বর্তমানে মানুষের দৈনন্দিন কাজে ধর্মের ব্যবহার আর রাষ্ট্র পরিচালনায় ধর্মকে নিয়ে আসা ( অন্তত আমাদের দেশের ভন্ড ধর্ম-ব্যবসায়ী দ্বারা) এক কথা নয়। তাই দিনের পর দিন ধর্মপ্রান বাঙ্গালী ধর্ম-ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে, মন্দে্র ভাল হিসাবে প্রচলিত দলগুলো্কে নির্বাচিত করছে। এইবার, কে উৎকৃষ্ট আর কে নিকৃষ্ট তা আপনি নিজের মতো করে চিন্তা করবেন।

৫| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:১১

েমা:আবদুল্লাহ আল বাকী বলেছেন: শাহাবাগ চত্ত্বর থেকে সকল যুবকরা দাবী উত্থাপন করুন ঃ


১. বেকারদের কর্মসংস্থানের
২. শেযার বাজার লুটের হিসাব দাও
৩. হলমার্কসহ নানা অস্থিতিশীল অবস্থা থেকে মুক্তির শ্লোগান তুলো।
৪. জীবনের নিরাপত্তা

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৯

মোঃ নাঈম হোসেন বলেছেন: হাস্যকর দাবি, শুরু থেকে শুরু করব, ৭১ থেকে শুরু .. চলছে .. চলবে ..

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.