নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

স্রোতের অজানা টানে সমুদ্র বালিয়াড়ি বেয়ে বোহেমিয়ান- গৃহকোন, জীবন যাপন ফেলে চলে যায়। তুমি দুহাত বাড়িয়ে আলিঙ্গনে বাঁধতে চাও জোছনা গলে হারিয়ে যায় সুখ । আছড়ে পরা ঘূর্ণিজল মনে বাজায় অচেনা সবুজ দিগন্ত ..

রোকসানা লেইস

প্রকৃতি আমার হৃদয়

রোকসানা লেইস › বিস্তারিত পোস্টঃ

ছবির কথা আমার মুভি উতল অপেক্ষা

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৫



আজ একটা নতুন খবর ভাগ করে নেই সবার সাথে। অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম, নিজের গল্প দিয়ে যদি নাটক বা সিনেমা করা যেত। পরিচিত যারা কাজ করেন তেমন দু একজনের সাথে কথাও বললাম। কিন্তু কেউ তেমন সাহায্য করতে চাইলেন না। বরং কাজটা ভীষণ কঠিন এই ঝুঁকিতে না যেতেই সাবধান করলেন। অবশ্যই তারা তাদের দিক থেকে সঠিক। কিন্তু নিজের ভিতর কিছু করার তাড়ানা ভাবাতেই থাকল। এক সময় যা হোক চেষ্টা করে দেখি। ঝুঁকি না নিলে কাজে না নামলে কিছুই হবে না। অন্য কেউ আমার গল্প নিয়ে আমাকে ছবি বানিয়ে দিবেন এমন ভাবনা কোন কাজে আসবে না। তাই নিজেই নেমে পরলাম কাজ করতে। বিষয়টা একদমই নতুন আমার কাছে। তারপরও একদম নতুন নয়। ক্যামেরার সামনে অভিনয় আর বিশ্বের বিখ্যাত পরিচালকদের কাজের সাথে কাজ করার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা তাদের কাজ করার ধরন অনেকটাই শিক্ষা দিয়ে ছিল ছবি বানানোর নানা প্রকৃয়া সম্পর্কে। আর সবচেয়ে বড় বিষয় হোল, নিজের ধারনা থাকা যা পরিচ্ছন্ন ভাবে ক্যামেরায় তুলে আনতে হবে। নিজের মধ্যে কিছু করার উৎসাহ ভাবনা এক সময় সত্যি হয়ে গেলো।
দু বছর আগে হঠাৎ করেই মনে হলো একটা কাজ করা দরকার, অনেক মনে মনে ভাবা হয়েছে এবার কাজে নেমে যাওয়া জরুরী। নিজের একটা গল্প নিয়ে কাজ শুরু করলাম। গল্পকে সিনেপ্লে করার জন্য গল্প থেকে কিছু বাদ কিছু সংযোজন করে একটা গল্প দাঁড় করানো হলো। গল্পের বিষয়টা আমার নিজের সবচেয়ে পছন্দের।
এরপর শুরু হলো অভিনয় কারা করবে তাদের নিয়ে ভাবনা চিন্তা। কলা কুশলি ক্যামেরা এবং অন্যান্য নানা বিষয়ের প্রস্তুতি। একে একে প্রতিটি ধাপের সম্ভাব্য সকল আয়োজন শেষ হলে অর্থনৈতিক আয়োজনের বিষয়েও ভাবতে হলো। যতটা বাজেট ধরা হলো এর মধ্যে কাজ শেষ করা যাবে কিনা।
বিশাল এই আয়োজন করার মধ্যেই অনেকটা সময় কেটে গেলো।
যাহোক এক সুন্দর সকালে কাজ শুরু করেছিলাম মুভি তৈরি করার। ধাপে ধাপে সব চিত্র ধারন শেষ করা হয়েছিল। এর মধ্যে বেশ কিছু ধকলও পোহাতে হয়েছিল।
এরপর সম্পাদনার কাজ করতে অনেকটা সময় চলে গেলো। যা হোক এ বছর সব কাজ শেষ করে ফ্যাস্টিভ্যালে পাঠাতে শুরু করলাম। গত মাসের আঠাশে সেপ্টেম্বর খবর পেলাম আমার মুভিটি বিচারকরা সিলেকশন করেছেন ফাইন্যালের জন্য। পরের দিন উনত্রিশে সেপ্টেম্বর দর্শকদের দেখানো হবে।
অপেক্ষা ছিল ভালো খবর শোনার । অপেক্ষা করতে করতে ঘুমাতে গেলাম। সকালে উঠেই খবর পেলাম আমার মুভিটি Thilsri International Film Festival থিলশ্রী ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, তামিল নাডু ইণ্ডিয়ায়, এওয়ার্ড উইনার মুভির শিরোপায় জয় করেছে। এত একটা আনন্দের খবর মন ভরে গেল । এত একটা আনন্দের খবর আজ সবাইকে জানাতে এলাম।
অধীর হয়ে যদি কাজটা না করতাম তা হলে এই স্বীকৃতি পাওয়া হতো না। সীমিত সামর্থের মধ্যে যতটুকু সম্ভব ভালো কিছু করার চেষ্টা আর কলাকুশলী সকলের আন্তরিকতায় শেষ পর্যন্ত সুন্দর ভাবে সব কিছু শেষ হয়েছিল। এই কাজটি করার সময় কিছু মানুষকে সাথে পেয়েছিলাম এঞ্জেলের মতন। তাদের সার্বিক সহায়তা না পেলে এই কাজটি একা করা আমার পক্ষে কঠিন হতো। তারা সুহৃদ হয়ে সব সময় পাশে থেকেছেন। নিজের অসুবিধা করেও আমাকে সময় দিয়েছেন। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।
আমার গল্পের নাম উতল অপেক্ষা। মুভিতেও একই নাম রেখেছি। ইংরেজিতে Impatient Waiting.
বাংলায় করা হলেও ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাস্টিভ্যালে দেওয়ার জন্য সাবটাইটেল ইংরেজিতে করা হয়েছে। নামও দিতে হয়েছে ইংলিশে যাতে গ্রহণযোগ্য হয় ভিন্ন ভাষাভাষীর মধ্যে।

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মুভির শিরোপায় জয় করেছে। এত একটা আনন্দের
খবর আজ সবাইকে জানাতে এলাম।

..............................................................................
লিংক দিতে পারতেন তাহলে দেখা যেত ।

২| ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:২৫

রোকসানা লেইস বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ । প্রথম ছবি বানিয়ে এওয়ার্ড উইনার হওয়া অনেক বেশি পাওয়া। কাজটা ছিল আন্তরিকতার।
এখনই লিঙ্ক দেয়া যাবে না। এখন ফেস্টিভ্যালে দেখানো হচ্ছে পাবলিক করা যাবে না।
দেশে কোন ফ্যাস্টিভ্যালে যোগ করতে পারলে জানাব।
হয়তো আগামী বছর পাবলিশ করব তখন কিন্তু কিছুটা পয়সা দিয়েই দেখতে হবে।
শুভকামনা

৩| ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: গ্রেট।
অভিনন্দন।

০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৩২

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ

৪| ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: গ্রেট।
অভিনন্দন।

০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৩২

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ

৫| ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: অসাধারণ খবর! দেখার অপেক্ষায় রইলাম। কবে যে আমার গল্প নিয়ে কিছু একটা হবে!

০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৩৪

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ । বাংলাদেশে প্রদর্শনের সুযোগ পেলে জানাব।

৬| ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
অভিনন্দন।

০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৯

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ

৭| ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।

০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪০

রোকসানা লেইস বলেছেন: ধন্যবাদ

৮| ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



অভিনন্দন ও আন্তরিক শুভেচ্ছা!

স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য যে সাহস, নিষ্ঠা, অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাসের প্রয়োজন, আপনার এই পথচলা
তারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত। অনেক বাধা, সংশয় আর সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে নিজের গল্পকে চলচ্চিত্রে রূপ
দেওয়া এবং সেই চলচ্চিত্রের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার অর্জন করা নিঃসন্দেহে এক অসাধারণ সাফল্য।
উতল অপেক্ষা শুধু একটি চলচ্চিত্রের নাম নয়, এটি আপনার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, গভীর ভালোবাসা, সৃজনশীলতা ও
নিরলস সাধনার এক সুন্দর প্রতিফলন। সত্যিই, স্বপ্ন পূরণের জন্য অপেক্ষা করতে হয়, তবে সেই অপেক্ষার সঙ্গে
যখন যুক্ত হয় সাহসী পদক্ষেপ ও নিরন্তর প্রচেষ্টা, তখন সাফল্যও একদিন ধরা দেয়। আপনার এই অর্জন যেমন
আনন্দের, তেমনি নতুন স্বপ্ন দেখার ও সাহস করে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণাও বটে। এই পথচলায় যাঁরা আপনার
পাশে থেকে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের প্রতিও রইল আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। থিলশ্রী ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম
ফেস্টিভ্যালে উতল অপেক্ষা র পুরস্কারজয় আপনার সৃজনশীল যাত্রাকে আরও সমৃদ্ধ করুক। আপনার কলম ও
ক্যামেরার জাদুতে আগামী দিনেও সৃষ্টি হোক আরও অনেক হৃদয়ছোঁয়া গল্প, অর্জিত হোক আরও আন্তর্জাতিক
স্বীকৃতি। আপনার আগামী দিনের প্রতিটি স্বপ্ন সার্থক হোক এই কামনায় রইল

অফুরন্ত শুভেচ্ছা রইল

১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৫

রোকসানা লেইস বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
আসলে সাহস নিয়ে না এগিয়ে গেলে এই স্বপ্ন পুরন বাস্তবায়িত হতো না কোনদিন। চেষ্টাটা নিজের এবং একার। অনেক দ্বিধাদ্বন্দ কাটিয়ে এক সময় কাজে নেমে পরলাম। আর কাজটা করে ফেলার পরও কিছুটা শাইনেস কাজ করছিল কিন্তু পুরস্কার অর্জন করার পরই বুঝতে পারলাম কাজটা অবশ্যই ভালো হয়েছে না হলে অচেনা মানুষ অন্য সংস্কৃতির মানুষ এই কাজকে স্বীকৃতি এমনি দেয় নাই। এই কাজটা শেষ পর্যন্ত শেষ করতে অনেক র্নিঘুম রাত পার হয়েছে কখনো হতাস হয়েছি এত অর্থের ইনভেস্ট করলাম সব কিছুই কি শুধু নিজের কাছে রয়ে যাবে। এখন পর্যন্ত কাজ শেষ হয়নি। মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য নিরলস কাজ করতে হচ্ছে। অর্থের রির্টান তো কিছুই আসেনি। তবে আশা রাখি ছবিটা মানুষ দেখবে এবং ভালোলাগবে দর্শকদের কাছে।
আবরো আপনাকে ধন্যবাদ একদম প্রতিটি বিষয় ধরে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.