নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সুবাইতা প্রিয়তি। লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। প্রিয় সাহিত্যিক কাফকা, গোগোল, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস।

Subaita

Learner Forever

Subaita › বিস্তারিত পোস্টঃ

সৃষ্টি ও যৌনতা

১৮ ই মার্চ, ২০২৪ রাত ১১:১০

সভ্যতা, জাগরণ, আধুনিকতর জীবনব্যবস্থা লিপ্সা- মূলত উন্নত যৌনতা প্রাপ্তির আশায় মানুষের ঘটানো পরিবর্তন। এটাকে ফ্রয়েডদোষে দুষ্ট মতবাদ মনে হতে পারে কিন্তু মূল বিষয়টা অপরিবর্তিত থাকছে তখনো।

মানুষ বনে সেক্স করতো, তারা ভাবলো ঢেকে-লুকিয়ে কাজটা করলে কেমন হয়? দালানের প্রয়োজন অনুভূত হলো। পারফেক্ট যৌনতায় একজনকে ডোমিন্যান্ট হতে হয়, বাহুবলে পুরুষ তা হতে চাইল- প্রাচীন সেই কৃষিভিত্তিক সমাজ গড়ে উঠল যাতে ঘরে সঙ্গিনী রাখার মতো পর্যাপ্ত খাবার থাকে। ধর্ম সৃষ্টি করা হলো সঙ্গিনীর উপর ডোমিনেটিং নিশ্চিত করতে। আর তার অল্টারনেটিভ হিসেবে এক অদ্ভুত মায়াবল (মায়াশিকল!)-'প্রেম'।মানুষ এমন এক অলৌকিক জীব যারা কাঙ্ক্ষিত বস্তুটা কয়েক প্রজন্ম পরে হলেও আবিষ্কার করে ফেলে। দারুণ এই অতৃপ্তির দৌঁড়ে এগিয়ে গেল মানবসভ্যতা। উন্নত বিশ্বে মানুষ যৌনতাকে এখন আর অদ্বিতীয় চাহিদা বলে স্বীকার করে না।এই অস্বীকৃতির মধ্যের সুপ্ত কামনাগুলো নানা রঙ নিয়ে বেরিয়ে আসে। ফেলাসিও,ব্লাইন্ডফোল্ড ,সেক্স টয়- ডিলডো ইত্যাদি ইত্যাদি তারই উদাহরণ। সেই প্রাচীন পূর্বপুরুষদের কাঙ্ক্ষিত উন্নত যৌনতা। বছরের পর বছর শুষ্ক শিক্ষা গিলতে থাকি স্রেফ উন্নত ও নিরাপদ যৌনজীবন নিশ্চিত করতে ।এতো কিছুর পরও অর্গাজমের আনন্দ সেই একই রকম রয়ে গেল- একদম সেই পরিমাণ যতোটুকু আদিমাতা ও আদিপিতা ভোগ করেছিলেন। আধুনিক মানুষ বুঝলো এই ক্ষুধা অতৃপ্তির অপর নাম। আধুনিক মানুষ তাই ডিপ্রেসনে। শরীরচর্চায় ব্যস্ত কেউ কেউ- জিম নাকি সেই একই হরমোন নিঃসরণ করে যা সেক্স পরবর্তী রিলাক্সেশন নিশ্চিত করে থাকে। এই চিরকালীন অতৃপ্তি এক দিকে ভালোই করেছে। শিল্প-সাহিত্য সব এই অতৃপ্তি বা ক্ষুধারই দ্যোতনা। আমরা পেয়েছি অপেক্ষাকৃত আরামদায়ক জীবন।

যৌন আকাঙ্ক্ষা এক আগুন। এ আলোকময় করতে জানে, ছাই- ভস্ম করতেও পারঙ্গম।

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে মার্চ, ২০২৪ দুপুর ২:৪০

মায়াস্পর্শ বলেছেন: আপনি বলতে চাচ্ছেন , সবকিছুর মূল কারণ যৌনতা ?

২০ শে মার্চ, ২০২৪ রাত ১০:১০

Subaita বলেছেন: এটা একটা হাইপোথিসিসমাত্র। তবে হ্যাঁ আমি এটা বিশ্বাস করি।

২| ২০ শে মার্চ, ২০২৪ দুপুর ২:৪৬

মিথমেকার বলেছেন: ব্লগে স্বাগতম!
আপনার ভাবনা পড়ে দারুণ লাগল!
সাধারত ফ্রয়েড পড়ে অনেকেই বাইঅ্যাসড হয়ে পড়েন। আদিম বিশ্বাস এর সাথে ফ্রয়েড এর তত্ত্বের তুলনা করে।

২০ শে মার্চ, ২০২৪ রাত ১০:১২

Subaita বলেছেন: আমি কেবল মনঃসমীক্ষণ পড়েছি তাও বেশ আগে।আর ফ্রয়েড পড়া হয়নি।এটা আমি বিশ্বাস করি।

৩| ২০ শে মার্চ, ২০২৪ রাত ১১:০২

মিথমেকার বলেছেন:
এটা পড়ে দেখতে পারেন..

২২ শে মার্চ, ২০২৪ দুপুর ১:৫৬

Subaita বলেছেন: আচ্ছা পড়বো। ধন্যবাদ

৪| ০৯ ই নভেম্বর, ২০২৪ রাত ১:১৭

রেজ থর্ন বলেছেন: ফ্রয়েডকে গুরুত্ব দেবে না, এটি এখন অর্থহীন।

ফ্রয়েডের তত্ত্বকে আর আধুনিক বিজ্ঞান হিসেবে দেখা হয় না,
তবে এটি এখনো গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক তত্ত্ব।
তাঁর ধারণাগুলো আধুনিক মনোবিজ্ঞান এবং সমাজচিন্তায় একটি ভিত্তি হিসেবে রয়ে গেছে,
যদিও বর্তমানে মনোবিজ্ঞান আরও বৈজ্ঞানিক,
পরীক্ষাযোগ্য এবং বিস্তৃত তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।

ফ্রয়েডের মনোবিশ্লেষণ তত্ত্বের বিকল্প হিসেবে আধুনিক মনোবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানে অনেক তত্ত্ব রয়েছে,
যা আরও বৈজ্ঞানিক, পরীক্ষাযোগ্য এবং সমসাময়িক মানব আচরণ ও সমাজের উন্নত ব্যাখ্যা প্রদান করে।

কগনিটিভ সাইকোলজি,
বিহেভিয়ারিজম,
মানবতাবাদী মনোবিজ্ঞান,
বিবর্তনবাদী মনোবিজ্ঞান,
সংযুক্তি তত্ত্ব

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.