| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ান এই ‘মুখে বাচ্চা ফোটানো ব্যাঙ’ এর জিনোম আবার জীবিত করেছেন বিজ্ঞানিরা।
নামের সাথেই সাযুজ্যপূর্ন “ল্যাযারাস প্রোজেক্ট” এর একটি অংশ হিসেবে অত্যাধুনিক ক্লোনিং প্রযুক্তি ব্যাবহার করে গবেষকগণ একটি সাধারণ ব্যাঙ এর ডিম্বের মধ্যে মৃত কোষ নিউক্লিয়াস স্থাপন করেন।
“আমরা একের পর এক উত্তেজনাকর ধাপ অতিক্রম করে এই পুনর্জন্ম কে দেখতে পাচ্ছি”, নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গবেষক দলের প্রধান মাইক আর্চার এ কথা বলেন।
“এই পদ্ধতিতে আমরা মৃত কোষ কে পুনরায় কার্যক্ষম করেছি এবং বিলুপ্ত এই ব্যাঙের জিনোম কে নতুন জীবন দিয়েছি। এখন আমাদের কাছে এই ব্যাঙের সম্পুর্ন নতুন কোষ রয়েছে যা আমরা ভবিষ্যতে ক্লোনিং এর গবেষনায় কাজে লাগাতে পারব”।
১৯৮৩ সালে বিলুপ্তির আগে গ্যাস্ট্রিক ব্রুডিং (বৈজ্ঞানিক নাম-Rheobatrachus silus) প্রজাতির মা ব্যাঙেরা তাদের ডিম গিলে ফেলতো এবং তাদের পাকস্থলিতে সেগুলোর লালন পালন করতো এবং পরবর্তিতে মুখ দিয়ে বাচ্চা প্রসব করতো।
১৯৭০ সালে এই ব্যাঙের টিস্যু থেকে সংগৃহিত কোষ নিউক্লিয়াস সংগ্রহ করেন বিজ্ঞানিরা। তাঁরা ৪০ বছর সাধারণ ডীপ ফ্রিজারেই এটি সংরক্ষন করেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি টি হচ্ছে-
“In repeated experiments over five years, the researchers used a laboratory technique known as somatic cell nuclear transfer. They took fresh donor eggs from the distantly related great barred frog, Mixophyes fasciolatus, inactivated the egg nuclei and replaced them with dead nuclei from the extinct frog. Some of the eggs spontaneously began to divide and grow to early embryo stage – a tiny ball of many living cells. Although none of the embryos survived beyond a few days, genetic tests confirmed that the dividing cells contain the genetic material from the extinct frog.”
“জীব বৈজ্ঞানিক যে বাঁধা ছিল তা আমরা অতিক্রম করেছি এবং আমরা সামনের প্রযুক্তিগত যে কাজ গুলো বাকি আছে তা করতে সমর্থ হব বলে প্রচন্ড আশাবাদী,” আর্চার বলেন।
কিছুদিন আগে তিনি প্রকাশ্যে ‘ল্যাযারাস প্রোজেক্ট’ এবং বিলুপ্ত অস্ট্রেলিয়ান ঘোগ ও তাসমানিয়ার বাঘ নিয়ে তাঁদের আগ্রহের কথা জানান।
গবেষনার জন্য তালিকা করা আরো সম্ভাব্য বিলুপ্ত প্রজাতি গুলো হচ্ছে- ম্যাম্যথ,ডোডো,কিউবার রেড ম্যাকাউ এবং নিউজিল্যান্ডের দৈত্যাকৃতির মোয়া।
এই কাজে একই সাথে অনেক গভীর চিন্তা ভাবনা এবং পরিকল্পনার ও প্রয়োজন আছে কারণ ম্যাম্যথ এর জীবদ্বশায় পৃথিবীর ইকোসিস্টেমের সাথে এখনকার পৃথিবীর অনেক পার্থক্য। এই ব্যাঙ বিলুপ্ত হয়েছিল সেটা অবশ্য খুব বেশিদিন আগের কথা না।
এই বিলুপ্ত প্রাণী গুলোকে আবার পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনলে বর্তমান পৃথিবীর প্রাণী,পোকামাড় বা গাছপালার উপর কোন ক্ষতিকর প্রভাব পরবে না। এটা হবে অনেকটাই মানুষের দ্বারা পূর্বে সংঘটিত ভুলের প্রায়শ্চিত্তের মত...
সূত্র: ডিসকভারি নিউজ
©somewhere in net ltd.