নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন.....

সুবোধ অবোধ

খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন......

সুবোধ অবোধ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আবারও একটি নিরীহ কৌতুক(তবে অনুভূতিতে আঘাত লাগার চান্স আছে!!!)

০৩ রা মে, ২০১৩ রাত ১১:০৬

(এই লেখার প্রতিটা ঘটনা বাস্তব এবং অতি অনুভূতি প্রবন লোকজনের অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে। তাই তাহারা নিজ দায়িত্বে এড়াইয়া চলুন।)







আগে একটা গল্প বলি। অনেকদিন আগের গল্প। সত্যি গল্প। তবে আগেই প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির বিশাল পাঠক গোষ্ঠীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। উনাদের কাউকে ছোট করার জন্য এই গল্প না। যাই হোক, গল্পে আসি-



আমাদের কলেজের বাংলার শিক্ষক নাজিমউদ্দিন স্যার। সাহিত্যের শিক্ষকেরা সাধারণত রসিক হন। উনিও তাই ছিলেন। সে ১০/১২ বছর আগের কথা। দেশে তখন প্রাইভেট ভার্সিটি গুলো কেবল মাথা চারা দিয়ে উঠছে। ওদিকে রাজনীতির গ্যাড়াকলে পড়ে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর অবস্থা একটু খারাপ! প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া এক ছাত্রের বাবা উনাকে বললেন -"বুঝলেন স্যার, একটা ব্যাপার ভেবে দেখলাম।"

স্যার বললেন -"কি ব্যাপার?"

-"দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর যে বেহাল দশা, তাতে সেখানে ছেলে পেলে সব ঢোকে বাঘ হয়ে ঠিকই, কিন্তু বের হয় ছাগল হয়ে! অন্যদিকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে একটু ছাগল টাইপের ছেলে পেলে ঢুকলেও বের হয় বাঘ হয়ে!"

স্যার একটু মুচকি হেসে বললেন -"তা,কথা তো আপনি ঠিকই বলেছেন,তবে একটু ভুল আছে।"

-"কি?"

-"ছাগল খেটেখুটে বড়জোর রামছাগল হতে পারে,বাঘ তো হতে পারে না!"





আগেই বলেছি,আবার বলি -বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এর কাউকে ছোট করা এই গল্পের উদ্দেশ্য না। বাংলদেশে এখন আসলেই বেশ কয়েকটা অনেক ভাল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে যেখানে বাঘা বাঘা ছাত্ররা ঢুকে তাদের দাঁতে,নখে ধার দিয়ে বের হচ্ছে। এতক্ষনে অনেকেই হয়ত বলে বসেছেন-“তবে রে ব্যাটা,এই গল্প বললি ক্যানো,আমরা কি কিছুই বুঝিনে,এখন সাধু সাজা হচ্ছে!” তাদের কাছে খোলাশা করে বলতে গেলে আরেকটা ঘটনা বলতে হবে। বলি-



একবার আমার বেশ পরিচিত একজন আমাকে বলল-“তা যাই বল না কেন জামাত শিবিরের পোলাপান কিন্তু জানে ভালো,ওরা বেশ পড়ালেখা করে। দেখ না,এরা হাদীস কোরানও জানে আবার ভার্সিটি তে গিয়েও ভাল করে। ওদের এমন ঢালাও ভাবে ছাগু বলা ঠিক না।”

আমি তখন তাকে উপরের গল্পটা বলে বললাম-“ভাই,ছাগু তো ছাগুই। অনেক পড়ালেখা করেও ছাগুই থাকে।”

সে একটু বিরক্ত হয়ে বলল-“এখন যদি জোর করেই একদিকে নিয়ে যাও তাহলে কি আর করা!”

আমি বললাম-“ভাই,জোর করে না। যুক্তি আছে।”

-“কি?”

-“তার আগে আপনাকে একটা প্রশ্ন করি,বলেন তো,আলিয়া মাদ্রাসার সিলেবাসে তো মওদুদীর কোন বই নাই,তার পরও আলিয়া মাদ্রাসাগুলা এমন শিবিরের কারখানা কেন?”

-“কেন?”

-“আলিয়া মাদ্রাসায় কোরানের তাফসীর পড়ানোর সময় বিভিন্ন তাফসিরকারকের বই নিয়ে আলোচনার পর তারা বলে মওলানা ‘আবুল’ (আলা) মওদুদী বলেছেন...... এবং কৌশলে মওদুদীবাদ মাথার ভেতর ঢুকিয়ে দেয়,ওই ব্যাপারটাকেই জোর দিয়ে বলে।”

-“তো?”

-“ব্রেইন ওয়াসড এই ছেলেগুলোর মাথায় আপনি পরবর্তিতে যত জ্ঞান ই ঢুকান না কেন এরা ওই মতবাদ থেকে আর বের হতে পারে না। হাতে গোনা দু’একজন হয়তোবা কখনো পারে। আর তাই এদের কাছে মওদুদী মতবাদের বিরদ্ধে কেউ কথা বললেই কাফের হয়ে যায়,তাদের খুন করাও জায়েয হয়ে যায়!!”

সে একটু বিরস মুখে বলল-“হুম।”

-“আবার খুব উচ্চ শিক্ষিত ছাগুর কাহিনী শুনতে চান?”

-“বল”

-“সাঈদীর খোমা(চেহারা) চাঁদে দেখা যাওয়ার পর যখন কোন ভার্সিটির শিক্ষক মিনমিন করে বলে-এত লোক যখন দেখছে,তাহলে সত্যি তো হইতেই পারে! তখন তাকে রাম ছাগু বলাটা কি দোষের কিছু? অনেক পড়ালেখা করে সে ছাগল থেকে রামছাগল হেয়েছে এই যা!”





আমার কথা তার খুব একটা পছন্দ হল না বুঝতে পারলাম। আমিও আর বোঝানোর চেষ্টা করলাম না। বৃথা চেষ্টা! ছাগল বড়জোর রামছাগল হতে পারে......!!!

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.