| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুমাইয়া রহমান
ব্লগে সব সময় সত্য প্রকাশিত হোক। আমি চাই যেসব তথ্য আমাদের অগোচরে থেকে যায় তা ব্লগে প্রকাশিত হোক..

প্রতিদিন খবরের কাগজে চলমান ঘটনার ছিটেফোঁটা বিবরণ প্রকাশ পাচ্ছে। এই আংশিক চিত্র অনাকাক্সিত, অসম্ভব, অবিশ্বাস্য মনে হয়। এর চেয়ে কঠিনতম ও কঠোরতম ঘটনা ঘটছে বলে দাবি মানুষের মুখে মুখে। এসব দাবি যাচাই করা কঠিন। তবে অনুভব করা যায়। এক কথায় মানুষ যন্ত্রণাকিষ্ট, হতাশ।
ক্ষমতাবানেরা সুরও পাল্টাতে শুরু করেছেন। যদিও দেশের ঊষালগ্ন থেকেই ঘটে চলেছে এমন ঘটনাবলি। আর একইভাবে এর বর্ণনা দেয়া হচ্ছে। একটি বহুল ব্যবহৃত বাক্য দিয়ে এমন ঘটনাবলির বর্ণনা দেয়া হয়- ‘দেশ এখন ক্রান্তিকালের মাঝ দিয়ে চলছে।’ এ ক্রান্তিকালের শেষ নেই। গত সাড়ে চার দশক ধরে চলছে। দেশের জন্মের প্রথম তিন বছরে এমনই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। হত্যা-খুন-গুম নিত্যদিনের বিষয় হয়ে পড়লে মানুষ নীরবে সৃষ্টিকর্তার সাহায্য চাইত।
বর্তমানে বাংলাদেশের অভিধান থেকে গণতন্ত্র, সততা, বিশ্বাস, মতবিনিময়, অনুভব, সহানুভূতি, আস্থা, সম্মানবোধ, স্বাধীনতা, সহনীয়তা, ক্ষমা, দয়া, নৈতিকতা, ধৈর্য, বোধশক্তিসহ মানবিক ও সামাজিক শব্দগুলো হারিয়ে গেছে।
প্রশ্ন হলো, এমনটি কেন হয়? এক কথায় এর জবাব, ক্ষমতার লড়াই। ঠিক একই ঘটনা ফ্রান্সের ইতিহাসে বিধৃত। রাজার ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে এমন হত্যা-গুম-খুন ফরাসি বিপ্লবের আগ পর্যন্ত শতবর্ষব্যাপী চলে। রাজা সৃষ্টি করেন গোপন বিচারকক্ষ, যার নাম ছিল ‘চেম্বার আরদঁত’। প্যারিসের বাস্তিলের (যেখানে বিপ্লবের শেষ যুদ্ধ হয়) কাছে অবস্থিত ছিল এই বিচারকক্ষ। একে ‘জ্বলন্ত কক্ষ’ বলা হতো। কারণ, মশাল দিয়ে একে আলোকিত করা হতো; কেননা আলো প্রবেশের কোনো পথ ছিল না।
পুলিশের সৃষ্টি হয়েছিল, প্রভুসমাজকে রক্ষা এবং সেবা করার জন্য। পুলিশের জন্ম অপরাধ দমনের জন্য নয়- বিশেষ করে সাধারণ মানুষ যেমনটি বোঝে। তাদের সৃষ্টি সমাজের প্রভুদের শান্তি যারা ভঙ্গ করে তাদের দমনের জন্য। তবে বিংশ শতাব্দীতে এসে এর অনেক পরিবর্তন হয় এবং এক সময়ে নির্বাচিত পুলিশব্যবস্থাও ছিল। কিন্তু গণতান্ত্রিক বলে পরিচিত নির্বাচিত ক্ষমতাবানেরা এ ব্যবস্থা ভেঙে বর্তমান পুলিশব্যবস্থা চালু করেন। এতে ‘নির্বাচিত’ ক্ষমতাবান সংখ্যালঘিষ্ঠরা পুলিশকে ব্যাপক ব্যবহারের সুযোগ পান। এখানেই পুলিশি রাষ্ট্রের ধারণাটি জন্ম নেয় এবং বর্তমান বিশ্বে এর উপস্থিতি ব্যাপক।
হিংসাত্মক ঘটনার আবির্ভাব কেন ঘটে, এ বিষয়ে গবেষণা করেছেন হানাহ্ আরেন্ডট। তার এই মৌলিক গবেষণা বিশ্বে প্রধান সূত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বলেছেন, ‘ক্ষমতা ও সন্ত্রাস অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত।’ তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের আকার ও অবস্থান নির্ধারণ করে ক্ষমতাসীনেরা কত দিন ক্ষমতা আঁকড়ে থাকবে।’
২|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৪০
কলাবাগান১ বলেছেন: "পুলিশের জন্ম অপরাধ দমনের জন্য নয়" - তাদের জন্ম হল যাতে রাজাকারদের গাড়ীতে আবার রক্তস্নাত বাংলাদেশের পতাকা উড়ে তার ব্যবস্হা করা
৩|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:১৩
চাঁদগাজী বলেছেন:
"তার এই মৌলিক গবেষণা বিশ্বে প্রধান সূত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি বলেছেন, ‘ক্ষমতা ও সন্ত্রাস অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত।’ তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের আকার ও অবস্থান নির্ধারণ করে ক্ষমতাসীনেরা কত দিন ক্ষমতা আঁকড়ে থাকবে।’ "
-"তার এই মৌলিক গবেষণা বিশ্বে প্রধান সূত্র হিসেবে গণ্য করা হয়। "
-কিসের প্রধান সুত্র? আবোলতাবোল কিছু বুঝছেন?
-উনি গবেষণা ঠিকই করেছেন, আপনি উনাকে সঠিকভাবে বুঝেছেন কিনা সন্দেহ
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:১৩
সানিয়া রেজা বলেছেন: ভালো লিখেছেন..