| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজ আমার এক ফ্রেন্ড আমাকে ওর এক ফ্রেন্ডের (যে কিনা এক কালে আমার ক্লাসমেট ছিলো) কথা বললো।ছেলেটা নাকি আগে অনেক ফেসবুকে থাকতো কিন্তু এখন আর তেমন থাকে না!কারণটাও খুব মজার ছেলেটার এখন রিলেসন হইছে সো ফেসবুকে ঢুকতেও এখন বিধি-নিষেধ চলে এসেছে।যে ছেলে মেয়েরা বাপ মার কথা শুনে কখনো ফেসবুক ছাড়ে নি তারা বয়ফ্রেন্ড/গার্লফ্রেন্ড এর কথা শুনে ঠিকই ফেসবুক ছেড়ে দেয়!বলতেই হয় ভালোবাসার অনেক ক্ষমতা।
আমার ২-৩ টা ফ্রেন্ডের ফেসবুক পাসওয়ার্ড আবার ওদের গার্লফ্রেন্ডরাও জানতো ,মাঝে মাঝে নাকি ওদের প্রোফাইলেও ওদের গার্লফ্রেন্ডরা ঢুকত।ভালো কথা,আমি বলছি না ওরা সন্দেহ করে এই কাজ করতো কিন্তু সমস্যা হলো চ্যাটে আমরা ফ্রেন্ডরা যেসব কথাবার্তা বলি আমার দৃঢ় বিশ্বাস এইগুলা কোন মেয়ে শুনলে নির্ঘাত হার্ট অ্যাটাক করবে।তাই একটু ভয় লাগতেছে কোনদিন না আবার মার্ডার কেসে পড়ে যাই।
সন্দেহর কথা যখন আসছে তখন আরেকটা মজার ঘটনা মনে পড়ে গেল।একবার আমার এক ফ্রেন্ড তার এক ফ্রেন্ডকে বললো মামা তোর গার্লফ্রেন্ডকে দেখলাম আরেকটা ছেলের সাথে খুব ঘনিষ্ট অবস্থায়।সাথে সাথে আমরা দেখলাম ওই ছেলে তার গার্লফ্রেন্ডকে কিভাবে অপমান করলো।তো যাওয়ার সময় আমার ফ্রেন্ডটা আমাকে বললো দোস্ত তোকে একটা কথা বলি কাউকে বলিস না।যে মেয়েটাকে দেখছিলাম সেই মেয়ে আর এই মেয়ে এক কিনা আমার কনফিউশন লাগতেছে।আমার এটা শুনে মজাই লাগছে।আমি বলছি না ছেলেটা ভুল বুঝে সন্দেহ করে ওর গার্লফ্রেন্ডকে অপমান করছে, হয়তো এটাই ভালোবাসা যেটা আমি বুঝি না।
আমার এক ফ্রেন্ড খুব চঞ্চল প্রকৃতির ছিলো সবসময় হাসিখুশি, কিন্তু বেচারা এখন খুব শান্ত স্বভাবের হয়ে গেছে প্রেমে পড়ে।প্রেমে পড়ে না টেনশনে পড়ে তা কিন্তু আমি জানি না।আমার কাজিন একটা আছে ৩ বছরের মারাত্মক চঞ্চল, ভাবতেছি ওইটাকেও একটা প্রেম করাই দিবো,শান্ত হয়ে যাবে।
এখন আসি ব্রেক আপের বিষয়ে।আমার এক ফ্রেন্ডের ব্রেক আপ হইছে সুন্দর একটা কারণে।ওর গার্লফ্রেন্ডের দাবি ওর ফ্রেন্ডের বয়ফ্রেন্ড ওর ফ্রেন্ডকে যে পরিমাণ সময় দেয় তা নাকি আমার ফ্রেন্ড তার গার্লফ্রেন্ডকে দিতে পারে না।শুনে হাসি পাইছিলো অনেক।মেডিক্যাল,ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়া পাবলিকের কাছে সময় চায় যাদের কাছে সময় হলো সোনার হরিণ।
আমার আরেক ক্লাসমেটের ব্রেক আপ হইছে কারণ ওর গার্লফ্রেন্ড ২ বছর পর বুঝতে পারছে যে তাদের মাঝে আন্ডারস্ট্যান্ডিং নাই,২ জন ২ রকমের ইত্যাদি ইত্যাদি।তো আমার প্রশ্ন হলো এটা বুঝতে ২ বছর লাগলো?আর বুঝলেই যখন তখন মানিয়ে নিতে পারলে না?যদি মানিয়ে নিতে নাই পারলা তাহলে সেটা আর কিসের ভালোবাসা!চাইলে সবই পারা যায় এবং সেজন্য ইচ্ছাশক্তি লাগে।মনে করুন আপনি একটা শার্ট গিফট পেয়েছেন কিন্তু শার্টটা আপনার পছন্দ না।যেহেতু শার্টটা আপনার হয়েই গেছে সুতরাং আপনি চেষ্টা করবেন শার্টটাকে ভালো লাগানোর এবং কিছুদিন পর দেখবেন শার্টটা আপনার ভালো লেগে গেছে।পৃথিবীর কোন কিছুই বিশ্রী না সব হলো আপনি জিনিসটা কিভাবে নিচ্ছেন কিভাবে দেখছেন তার উপর।মানুষ চাইলেই ভালোবাসতে পারে অপছন্দের মানুষকেও পছন্দের বানিয়ে ফেলতে পারে।
আমি ব্যক্তিগতভাবে এইসব প্রেম ভালোবাসা বিরোধী,এইসব প্রেম ভালোবাসা আমার কাছে ভুয়া লাগে।নিজের জীবনের টেনশন নিয়েই পারা যায় না তার উপর নিজ ইচ্ছায় আরেকজনের পেইন কে গলায় নেয়!নিজের জীবনটা আরেকজন নিয়ন্ত্রণ করবে সেটাই বা কোন পাগলে চাইবে।তারপরও সবাই যখন ভালোবাসাকে এতো ভালোবাসে তো আমিও তাদের ভালোবাসার প্রতি সম্মান রেখেই বলি ভালোবাসবেনই যখন তখন একজনের সব খারাপ দিককেই ভালোবাসুন,দেখেন পারেন কিনা।ভালো দিককে তো সবাই ভালোবাসতে পারে খারাপ দিককে কয়জন ভালবাসতে পারে?যদি পারেন তাহলে সেটাই হবে আসল ভালোবাসা
২|
২৪ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৮:২০
লিন্কল্ন বলেছেন: মানুষ যে এতো প্যারা নিতে পারে আমি আগে জানতাম না। সে আমার ইউনিভার্সিটির ফ্রেন্ড। গত কাল তার কাহিনী শুনলাম। আপানার লিখা পইড়া আমার ইচ্ছা হইলো তার কাহিনী শেয়ার করি। আমার বন্ধুটাএকটা মেয়েকে পছন্দ করে, মেয়েটা না করে নাই, কিন্তু হ্যাঁ বলে না। আজ কাল আমার বন্ধু না কি বেশ অসুস্থ হয়ে গেছে। মেয়েটা হ্যাঁ বলে নাই কেন, সেই জন্য না। সে সারা দিন-রাত চিন্তা করে সে যেই মেয়েটা ভালবাসে, সে অন্য আরেক জনের হাত ধরে ঘুরে বেরাচ্ছা। আর তাতে আমার বন্ধু টা এই অবস্থা। সে না ঠিক মত ঘুমায়, না কাজ করে। আমার কয়েক বন্ধু মিলে ঠিক করে মেয়েটাকে জানাবে যে ছেলেটার এই অবস্থা। কিন্তু আমার বন্নধু দিলো না, শুনে যদি কষ্ট পায়। মানুষ যে কত প্যারা নিতে পারে, আমার মাথায় আসে না। আমার মাথায়ও কোন বুদ্ধি আসে না, তাকে যে কি বলবো। আপনাদের যদি কোন বুদ্ধি থাকে, শেয়ার করতে পারেন। সবাইকে ধন্যবাদ।
৩|
২৪ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৯:১০
তারাজ কবির বলেছেন: ভাই আপনার বন্ধুকেই বলুন আরেকবার ওই মেয়েটার সাথে কথা বলার জন্য,রাজি হলে হ্যাঁ বলবে না হলে না বলবে এইরকম ঘুরানোর তো কোন মানে নাই
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে এপ্রিল, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০২
নিসাব বলেছেন: ভাই ঠিকই বলছেন। পোস্ট টা পড়ে যেমন মজা পাইলাম তেমন ভালো জিনিস শিখতে পারলাম। ভালোবাসা রে গুল্লি মারি।