| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তারুবীর
অন্তর্হিত সংস্রাব
এইতো সেদিনকার কথা...
তোমার কানে কানে চুপিসারে বলেছিলাম ‘ভালোবাসি’। তুমি মুখ ফিরিয়ে চোখে চোখ রেখে মুখ টিপে ক্ষণিক হেসে বলেছিলে ‘আমিও ভালোবাসি’। সেদিন যে প্রেম কাব্য রচিত হয়েছিল তার ভার বোধহয় স্বয়ং বিধাতাও নিতে চাননি; তুমি কখনো চেয়েছ কিনা তা জানবার সুযোগ হয়তো হয়েছিল কিন্তু আমার সাধ্যের কিংবা স্বভাবের দোষে তা আর হয়ে ওঠে নি। আমি একচেটিয়ে অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই নি, আমি কেবল আমার ভালোবাসাকে একান্তই আমার করে রাখতে চেয়েছিলাম। আমি আমার সমাজ’টা কেবল ‘তুমি’ কেন্দ্রিক গড়ে তুলতে চেয়েছিলাম,ঠিক অনেকটা বনবাসের মত। সেকেলে চিন্তা-ভবনা,তাইনা?আমিও তাই ভাবি...তাইতো একালের তুমি’র সাথে সেকেলে আমি’র এত দূরত্ব! এ দূরত্ব পথের না –অন্তরের।
সেদিন তুমি যদি চোখে চোখ রেখেও বলতে তাহলেও বোধ করি এত কষ্ট আমার হত না। তাই তোমার কাছে আমাদের সব শেষ হয়েও যে আমার কাছে হ’ল না শেষ! আমি যে এখনো তোমার স্পর্শ মেশা গোটা তিনেক শুকনো গোলাপের ঘ্রান নিয়ে ছত্র কয়েক পড়েই মন খারাপ করি তা তো তুমি জানো না, কখনো বা যদিও তোমার অবচেতন মন আমার কথা ভাবে তাহলেও তুমি যে তাকে প্রশ্রয় দাও না তা আমি নিশ্চয়ই জানি। কারন আমি মুছে গেছি তোমার দোরগোড়ায় গোধূলির রঙটুকুর মত।
আমি নেশাগ্রস্ত,তোমার ভালোবাসার নেশায় আসক্ত। তুমি তোমার হিসেবে আমার নেই,কিন্তু আমার হিসেবের হালখাতাটা আমার মতই পুরণো হয়েও তোমাকে প্রতিক্ষণে নতুন করে গড়ে তুলছে। আমাদের ভালোবাসাকে আমি নষ্ট হতে দিই কি করে বল? এই ভালোবাসার নেশাটাকেই তো আঁকড়ে ধরে পড়ে আছি,নয়তো কবেই খাটের বদলে খাটিয়ায় উঠতাম! তোমাকে জড়িয়ে ধরার পর যখন হ্রদযন্ত্র টা অস্বাভাবিক লাব-ডাবে মেতেছিল, সেদিনের পর থেকে আমি আর শান্ত চিত্তে দু’চোখ বুজতে পারি নি। যখন বুকের বাঁ পাশটা সামান্য ব্যথার আর্তি জানায় তখন আমি কি ধরে নেব- আমার কালো অন্তরটার সুর তোমার রঙিন অন্তরের সুরের সাথে মিশে একাকার হতে চেয়েও পারে না বলে এই ব্যথা?
তুমি নও, তোমার স্মৃতি কষ্ট দেয়। পালিয়ে বেড়াতে যেয়ে ঘুরে ফিরে ‘আমাদের’ আমি হয়ে তোমাকে ভালোবেসেই থেমে যাই। কি করবো বল? আমার সব রাস্তা যে আমাকে তোমার কাছেই পৌঁছে দেয়!
মানুষের রাত হয় ভোরের আশায়, আর আমি ভোরটুকু ভালোবাসি রাতের অপেক্ষায়...রাতটাই আপন,অন্ধকারটাই চিরসত্য। তাই রাতের আঁধারে যখন তুমি ঘিরে ধর তখন সোডিয়ামের আলোতে ভেজা কালো রাস্তায় আমি পথচলি,পথচলি উদ্দেশ্যহীন হয়ে। উত্তরের কিংবা দক্ষিণের মৃদু হাওয়া যখন চোখ ভেজাতে চায় তখন মন খারাপের কোন গান কানে বাজিয়ে মনের কথাগুলো ধোঁয়ার আশ্রয়ে ছেড়ে দিই; ধোঁয়াতে মন খারাপের অংশটুকু কখনো বা বিধাতার কাছে নালিশ জানায়,তাইতো নামাজ শেষে আমি আর দুই হাত এক করি না।
কয়েকদিন আগে রাতের দ্বিপ্রহরে আমারই মত আমার এক বন্ধু যখন আচমকা হাত থেকে সিগারেট টা নিয়ে নিঃশব্দে টান দিয়ে এক কর ছাই তৈরী করলো তখন বলে বসলাম –দিল পুড়াইতে যেয়ে পাম্প’টা পুড়াইস না। তখন তার চোখের চাহনি আর ম্লান হাসি আমার ভেতরটা পর্যন্ত পুড়িয়ে দিয়েছিল। এই হাসি’র মর্মটা ‘তোমরা’ কখনো বোঝ না নারী ! উঃ! সেই রাতের অন্ধকারে মিশে যাওয়া ধোঁয়ার কারনটা তোমরা যদি কখনো বুঝতে চাইতে !
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:১৬
তারুবীর বলেছেন: জ্বী আচ্ছা, চেষ্টা করবো।ধন্যবাদ
২|
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ দুপুর ২:০৩
ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: তারুবীর জিনিসটা আবার কি?
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:১৫
তারুবীর বলেছেন: নাম। নামের মতই ছদ্মনাম ।
৩|
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ দুপুর ২:০৬
ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: আমি বুঝি বাঁকা পথ সোজা করার ঝামেলায় না জড়িয়ে, অন্য পথ ধর।
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:১৮
তারুবীর বলেছেন: জ্বী বুঝেছি ,ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১:৫৭
ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: মন্তব্য আরো পড়তে হবে।