নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

হায় ! হায় ! স্তালিন চিৎকার করিয়া কাঁদিয়া উঠিলেন! :D :P =p~

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১২:৪৭



(ব্লগার রওশন জামির ভাইয়ের অনুরোধে বিচির উপর পিএইচডি করতাছি। ওখান থেইকা কিছু কিছু পাঠকদের উপহার দিলুম !)

আমাদের মগাচীপ জার্মানিতে যাইয়া পশ্চাৎদেশ ভাড়া দিয়া ভালোই চলিতেছিল। কিন্তু কালের আবর্তে এই ব্যাবসার নিয়ম অনুযায়ী নতুন পাঁঠার আমদানিতে মগাচীপের ব্যাবসায় লালবাতি জ্বলার উপক্রম হইলো। রেসলিং করিয়াও খুব একটা সুবিধা হইলো না। কাহাতক আর বিচিতে কামড় দেওয়া যায় ! অবশ্য আরেকটি কারণও ছিল। তাহা হইলো অধিক ব্যাবহারে রাস্তা প্রশস্ত হইয়া ট্রাক লরি চলার উপযোগী হওয়ার দরুন মগাচীপের বয়ফ্রেইন্ড তাহাকে পরিত্যাগ করিয়াছিলেন। দুঃখে , কষ্টে মগাচীপের বিচি বিস্ফোরিত হওয়ার উপক্রম হওয়ায় আত্মহত্যার চেষ্টায় মগাচীপ এক অভিনব পদ্ধতি অবলম্বন করিলেন। জার্মানি ছাড়িয়া তিনি স্পেনে গমন করিলেন এবং ম্যাটাডোর হওয়ার তালিম লইলেন।

ইতোমধ্যে বাংলাদেশে সরকার কতৃক কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃতি এবং সুপ্রিম কোর্টের মূর্তি অপসারণে সরকার বাহাদুরের বক্তব্যে পাঁঠাদের চিককুর আর ম্যাত্কারে থাকিতে না পারিয়া ইবলিশ তাহার একনিষ্ঠ শাগরেদ স্তালিন , লেলিন , মেও , হোজ্জাকে মর্তে পাঠাইলেন। জার্মানিতে তাহারা মগাচীপের রেসলিং দেখিয়াই পাঁঠাদের বুদ্ধি দিলেন নিজ নিজ বিচিতে কামড় দিতে। তাহাদের দেওয়া প্রেসক্রিপশন পাঁঠারা যথাযথভাবে পালন করিতেছে কিনা তাহা দেখিতে স্তালিন , লেলিন , মেও , হোজ্জা দেশে দেশে ভ্রমণ করিলেন। তাহারা দেখিলেন বাংলাদেশিদের মতো এতো একনিষ্ঠ পাঁঠা আর কোথাও নাই। তাহাদের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী পাঁঠারা নিজ নিজ বিচিতে এমনই কামড় দিয়াছেন যে কামড় ছাড়াইতে গিয়া কাহারো কাহারো দাঁতই বিচিতে রহিয়া গিয়াছে। যাহা হউক ভ্রমণ করিতে করিতে তাহারা স্পেনে গিয়া পৌঁছিলেন।

দীর্ঘদিন মানুষ না মারিয়া উত্তেজনার অভাবে তাহারা অবসাদে ভুগিতেছিলেন। মেও প্রস্তাব দিলেন ষাঁড়ের লড়াই দেখা হোক !
স্তালিন কহিলেন তথাস্তু !
ষাঁড়ের লড়াই দেখিয়া তাহারা পাশের রেস্তারাঁয় ঢুকিলেন। স্পেশাল ডিশ অর্ডার দেয়ায় বেয়ারা এক অদভুত জিনিশ এনে হাজির করিল। আলু আর লেটুসের সাথে গোল গোল দুটো মাংসের টুকরোমত।

“কী এইটা ?” জানিতে চাহিলেন স্তালিন ।

‘কহোনেস, সেনর। ‘ বুক ফুলাইয়া বেয়ারা জবাবে কহিল । ‘আজিকে অ্যারেনাতে যে ষাঁড়টা লড়াইয়ে হারিল, তাহার অন্ডকোষ। ‘

নাক সিঁটকিয়ে খাওয়া শুরু করিলেন স্তালিন। কিন্তু মুখে দিয়াই চমকিয়া গেলেন তিনি। না, যা ভাবিয়াছিলেন তাহা নহে , বরং বেশ সুস্বাদু জিনিসটা। চাটিয়া পুটিয়া খাইয়া স্তালিন ভাবিলেন আগামীকালও এই কহোনেসই খাইতে হইবে ।

পরদিন ছিল মগাচীপের অভিষেক দিবস। তাহাদের একনিষ্ঠ সেবকের লড়াই দেখিতে তাহারা স্টেডিয়ামে প্রবেশ করিলেন। তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই দেখিয়া তাহারা পুলকিত হইলেন। শেষের দিকে কয়েকটি গুতা খাইয়া রিটায়ার্ড হার্ড হইয়া মাঠ ছাড়িলেও মোটের উপর মগাচীপের দুর্দান্ত পারফরমেন্স দেখিয়া তাহারা সাবাসি দিলেন," বাংলার পাঁঠা", তবে কে জিতিলো তাহারা বুঝিতে পারিলেন না।

খেলা দেখিয়া ক্ষুধায় কাতর হইয়া আবার একই রেস্তোরাঁয় যাইয়া তাহারা অর্ডার দিলেন চটপট। যথারীতি বেয়ারা এনে হাজির করিল খাবার। আলু, লেটুস, কিন্তু আজকের মাংসের টুকুরো দুটো খুবই ছোট। ঘটনাটি কী, জানিতে চাহিলেন স্তালিন ?

‘আসলে ব্যাপারটা হইয়াছে কি …,’ খানিক মাথা চুলকিয়ে বেয়ারা বলিল , "ষাঁড়ের লড়াইতে কিন্তু সবসময় ষাঁড়ই হারে না, সেনোর "

হায় ! হায় ! স্তালিন চিৎকার করিয়া কাঁদিয়া উঠিলেন , "আমাদের প্রানপ্রিয় সেলিব্রেটি পাঁঠা আজ ছাগু হইয়া গেলো !" :( =p~ :D =p~

মন্তব্য ০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.