নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

৪৭ এর দেশভাগ এবং নেতৃত্বের ব্যার্থতা !

১৭ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:৫৯


দেশবিভাগ উপমহাদেশের অধিবাসীদের এক বিয়োগান্ত ঘটনা ! নেতৃত্বের ভুলে এই অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হয় মুসলিম- হিন্দু-শিখ সম্প্রদায় ! অদূরদর্শী নেতৃত্ব বাছিয়া লইলে ইহার ফলাফল কি হইতে পারে তাহার একটা প্রকৃষ্ট উদাহরণ দেশবিভাগ ! বিশেষ করিয়া মুসলমানদের জন্য ইহাতে চিন্তার বিষয় আছে, শিক্ষার বিষয় আছে !

জনগোষ্ঠীর ঈমান আমলের অবস্থা যেমন হয়, তাহাদের সার্বিক চরিত্র যেমন হয়, তাহাদের শাসকও তেমনি হইয়া থাকে !সুতরাং শাসক দেখিয়া যেমন জনগণের চরিত্র বোঝা যায়, তেমনি জনগণ দেখিয়া শাসকের চরিত্রের যথার্থতা নিরুপন করা যায়।শোনা যায়, পরাজয়ের সংবাদ শুনিয়াও বাহাদুর শাহ পুনরায় শক্তি সঞ্চয়ের উদ্দেশ্যে পলাইতে পারেন নাই, কারণ তাহার জুতা খুঁজিয়া পান নাই , জুতাবাহক পলাইয়া গিয়াছিল ! হালের মুসলমান শাসকদের অবস্থাতো আপনারাও ভালো জানেন এবং অনুমান করিতে পারেন জনগণের কি অবস্থা !
যাহা হউক, সার্বভৌমত্ব, ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহ্পাকের হাতে ! জনগণের হাতে নহে ! থাকিলে এই সরকার, এরশাদ , জিয়া কেহ ক্ষমতা পাইতো না !

ইংরেজ যখন থেকে উপমহাদেশ করায়ত্ত শুরু করে, ইহার প্রথম থেকেই মুসলমান বিদ্রোহ করা শুরু করে।কাটা দিয়া কাটা তোলার মতো ইংরেজ তাই হিন্দুদের প্রাধান্য দিতে থাকে।মুসলমানদের শক্তি, সমৃদ্ধি ধ্বংস করিতে থাকে !মুসলমানদের প্রতি প্রথম আঘাত আসে যখন সরকারি ভাষা ফার্সি থেকে ইংরেজিতে পরিবর্তন করা হয় যাহার ফলে ইংরেজি শিক্ষিত হিন্দু মুসলমানের উপর প্রাধান্য পাইয়া যায়। দ্বিতীয় আঘাত আসে যখন ইংরেজ ওয়াকফ সম্পত্তি বাতিল করে, যাহার ফলে মুওলমানের ঈমানী চেতনার সূতিকাগার মাদ্রাসাগুলো বিরাট অর্থনৈতিক সংকটে পরে।এগুলো ছিল মুসলমানদের কোমর ভাঙিয়া দেওয়ার চেষ্টা।

অপরদিকে হিন্দুরা দেখিয়াছে, তাহারা শাসক হইতে পারিতেছে না।সুতরাং ইংরেজ প্রভু হইলেও যা , মুসলমান হইলেও তা ! বরং ইংরেজ তাহাদের প্রাধান্য দিতেছে ! তাহা ছাড়া নিরোদ সি চৌধুরীর সেই বিখ্যাত উক্তি '''দাসত্ব করিতে হইলে প্রথম শ্রেণী শক্তির দাসত্ব করাই ভালো ' অনুসরণের চিন্তাও ছিল বোধহয় ! যাহা হউক দেড়শত বছর ধরিয়া সশস্ত্র জিহাদ করার পর ১৮৫৭ সালে জিহাদে জড়িত উলামা হজরত ও নেতৃস্থানীয় মুসলমানদের উপর গণহত্যা চালানোর ফলে অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে মুসলমান সশস্ত্র জিহাদে ক্ষান্ত দেয়। বিপর্যস্ত মুসলমানকে গোছানোও একটা দায়িত্ব ছিল। যাহার ফলে দেওবন্দের প্রতিষ্ঠা হয়।

যেসমস্ত ওলামায়ে কেরাম সশস্ত্র জিহাদে অংশগ্রহণ করিয়াছিলেন তাহারাই ইহার প্রতিষ্ঠায় জড়িত ছিলেন।প্রথম মহাযুদ্ধের শেষ পর্যন্ত তাহারাই মুসলমানদের নেতৃত্ব দিয়াছিলেন যতদিন না কংগ্রেসের মুসলমান নেতৃত্বের আবির্ভাব হয় , মুসলিম লীগ গঠিত হয়, খেলাফত বিলুপ্ত হয় ! এসব কারণে ওলামা হজরতদের কাছ থেকে নেতৃত্ব চলিয়া যায় ব্যারিস্টারি বা সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতদের হাতে।এই নয়া নেতৃত্ব ইংরেজদের শক্ত বিরোধিতা না করিয়া তাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করা শুরু করিয়াছিল এবং একসময় হিন্দুদের মতোই উচ্ছিষ্ট ভোগীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হইয়া যায়। ইংরেজ ঠিকই জানিত, তাহাদের মগজ ধোলাই শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষিত হইলেও মুসলমান তাহাদের পক্ষে সবসময় থাকিবে বা অনুগত থাকিবে ইহা হয়তো সম্ভব হইবে না ! তাই বিড়ালরে যেমন ব্যাস্ত রাখার জন্য পায়ে মাখন লাগাইয়া দেওয়া হয় , তেমনি একখান পেজগি উপমহাদেশে লাগাইয়া রাখিয়া গিয়াছিল ! হিন্দু -মুসলমান ব্যাস্ত থাক !

ইতিহাস হইতে জানা যায়, উলামাদের সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ শেষ দিন পর্যন্ত অখণ্ড ভারতের পক্ষে ছিল ! এমনকি হুসাইন আহমেদ মাদানী র. প্রস্তাব করিয়াছিলেন এসেম্বলির ৪৫% মুসলমান, ৪৫% হিন্দু এবং ১০% অন্যান্য জাতি পাইবে ! গান্ধীজি রাজি হইয়াছিলেন।জিন্নাহ রাজি হন নাই ! গোখলে, নেহেরু , প্যাটেলের সাম্প্রদায়িক মনোভাব, হিন্দুদের ছোয়াছুয়ির দীর্ঘদিনের অপমানকর আচরণ , হিন্দু জমিদারিতে ধর্মীয় স্বাধীনতার অভাব, চাকুরী , সুযোগসুবিধার সব ক্ষেত্রে বঞ্চনা, ইত্যাদি তাহাদের মন বিষাইয়া দিয়াছিল। কিন্তু রাজনীতিতে বিষ খাইয়া বিষ হজম করিতে হয়।মুসলমান নেতৃবৃন্দের যেমন ধৈর্য ও হজম ক্ষমতা থাকা দরকার , তাহা তাহাদের ছিল না। কারণ তাহারা নববী শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন না , ছিলেন ইংরেজি শিক্ষায় ! এজন্য জিন্নাহ ও হুসাইন আহমেদ মাদানী র., মাওলানা আজাদের র. এর সিদ্ধান্ত গ্রহণের পার্থক্য দেখা যায়।হুসাইন আহমেদ র. ও মাওলানা আজাদ র. অখণ্ড ভারতের পক্ষে ছিলেন।


দেশভাগের সময় সুযোগ ও অফার পাইয়াও ইন্ডিয়ান মুসলমানদের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব তাহারা এড়ান নাই, ইন্ডিয়াতেই থাকিয়া গিয়াছেন।হুসাইন আহমেদ মাদানী র. পরবর্তীতে আফসোস করিয়াছেন, জিন্নাহ যদি মানিয়া লইতেন তাহা হইলে দেশভাগ হইতো না, দাঙ্গা হইতো না।জিন্নাহ উম্মতের বৃহত্তর স্বার্থ বুঝিতে পারেন নাই ! উলামারা পারিয়াছিলেন ! যদিও মতভিন্নতা ছিল !

আমাদের ব্যারিষ্টাররা দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ছিলেন না ইহা দেশভাগের দরকষাকষিতেও প্রমান হইয়াছে ! যদি হইতেন , তাহা হইলে এইভাবে দেশ বিভাগ মানিয়া লইতেন না বিশেষ করিয়া সংযোগবিহীন দুইটি আলাদা ভূখণ্ড যাহাদের সংস্কৃতি ও ভাষা আলাদা, যাহাদের ঈমানী চেতনা, যাহার মাধ্যমে মুসলমান ঐক্যবদ্ধ হইবে, তাহাই ক্ষীণ হইয়া আসিতেছে , তাহাদের নিয়া আলাদা রাষ্ট্র তৈরী করা, আর যাই হোক দূরদর্শিতা নহে ! ইহাও দূরদর্শিতা নহে পানির সব উৎস ভারতে ফেলিয়া দেশ ভাগ মানিয়া লওয়া !
ইংরেজ শিক্ষায় শিক্ষিতদের নেতৃত্বে যতই কারিশমা থাকুক, উম্মতের কাছে যতই ভালো মনে হোক, ফলাফল এযাবৎকালে ভালো হয় নাই , ভবিষ্যতেও ভালো হইবে না !

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


উপনিবেশের ভেতর মানুষ হওয়া নেহেরু, জিন্নাহ ও গান্ধীর তেমন দক্ষতা ছিলো না; মানুষও মগজ হারায়ে ফেলেছিল।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৪৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: শুধু উপনিবেশের ভিতরে মানুষ হওয়া নহে বরং ঔপনিবেশিক শিক্ষায় মানুষ হওয়াও তাহাদের ব্যার্থতার অন্যতম কারণ ! তাহাদের চিন্তাভাবনা মানব কল্যানমুলক ছিল না , বরং রাজনীতিকেন্দ্রিক ছিল। দেশভাগের নির্মম ফলাফলের জন্য তাহারা অনেকাংশে দায়ী। গান্ধীজি বরং কিছুটা স্বচ্ছ চিন্তার অধিকারী ছিলেন !

২| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:৩২

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: চমৎকার লেখা।






ভালো থাকুন নিরন্তর। ধন্যবাদ।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৫৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ।দেশবিভাগ না হইলে ৪৭ এর দাঙ্গা, ৭১ এর গণহত্যা, ভারতে মুসলিম নির্যাতন, সর্বোপরি ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশের এই পারস্পরিক শত্রুতা থাকিত না।চায়নার মতন সুপারপাওয়ার হইয়া যাইতো ! মুসলিমদের অবস্থা অনেক ভালো থাকিত !

৩| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ৯:৩৭

সামিউল ইসলাম বাবু বলেছেন: ভা ছবির সাথে ক্যাপশন দিলে ভালোহতো।

ভালোলাগা রেখেগেলাম

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:২৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ ! চেষ্টা করিব! দৌড়ের উপর পোস্ট করিতে হয় বিধায় সম্ভব হয় না !

৪| ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:০৫

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: তথ্যপূর্ণ লেখা ভালো লাগলো।

০৫ ই অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:২২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ ! আমাদের ইতিহাস মিডিয়াগুলো নতুন কইরা তৈরী করিতেছে ! তাই ভাবছি ইতিহাস নিয়া আরো কিছু লিখব !

৫| ২০ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৩:১৮

আখেনাটেন বলেছেন:
ভালো বিশ্লেষণ।

জিন্নাহ ও নেহেরুর ক্ষমতালিপ্সাই ভারতভাগের অন্যতম কারণ। সাথে যোগ দিয়েছিল কিছু সাম্প্রদায়িক মনস্টার।


অফটপিক: অাপনার পাঁঠাবিষয়ক ব্যাপুক বিনুদুনমূলক মন্তব্যগুলো আর দেখি না। মিস করি ইউনিক পাঁঠাতব্যগুলো (পাঁঠা+মন্তব্য)। :P

২০ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ভাই, কামলা দিতে গিয়া এতো ব্যাস্ত থাকিতে হয়, পাঁঠাদের বিচি ফেলাইতে সময় পাইতেছি না !
দেশভাগের ইতিহাস যতখানি গুরুত্ব পাওয়া দরকার ছিল, আমাদের ইতিহাসে তা পায় না ! আমাদের ইতিহাস ৫২ এর আগে আর যাইতেই পারে না ! দেশভাগে জিন্নাহ কে যতখানি ভিলেন বানানো হইয়াছে ততখানি নেহেরু , প্যাটেল, গোখলের ভিলেনগিরি আলোচনায় আসেনা ! তাহাদের অপকর্ম সম্পর্কে মানুষ জানেই না ! তাহাদের সাম্প্রদায়িক রাজনীতি যে মুসলিম লীগ গঠনের বড় কারণ ছিল এই আলোচনাও দেখা যায় না ! অথচ মুসলিম লীগ গঠনে বাঙালিরাই অগ্রগামী ছিল ! 'তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ , আমি আজ চোর বটে !' আজ মুসলমানই চোর, বাকি সব সাধু !

৬| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:২৩

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় কোথাও বলেছিলেন, একসময় হিন্দু-মুসলামান দুটো জাত ছিলো, মানুষ ছিলো না হয়তো।" দাঙার ইতিহাস পড়লে উপমহাদেশের মানুষকে মানুষ মনে হয় না, মনে হয় বর্বর কোন প্রাণি!

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:৩৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: হ্যা , আমাদের ইংরেজ শিক্ষিত নেতৃত্বের চরম ব্যার্থতা ! হারামির হাড় ইংরেজরা সেই যে ডিভাইড এন্ড রুল প্রয়োগ করিয়াছিল তাহারা উহা হইতে বাহির হইতে পারেন নাই ! বর্ণবাদী আচরণ , শোষণ, ধর্মীয় স্বাধীনতার অভাব, ১৮৫৭ সালের বিশ্বাসঘাতকতা সত্ত্বেও উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে যে সহনশীলতা, সৌহার্দ ছিল তাহা উভয়ের শত্রূ ইংরেজের বিরুদ্ধে না লাগিয়া , ইংরেজ শিক্ষিত নেতৃবৃন্দের ভুলে আত্মঘাতী দাঙ্গায় পরিণত হয় ! নেহেরু , গোখলে, প্যাটেল , জিন্নাহ এই ভুলের জন্য দায়ী ! উপমহাদেশের নেতৃত্ব যতদিন পর্যন্ত ইংরেজ শিক্ষিতদের হাতে ছিল না ততদিন এই সৌহার্দ্য বজায় ছিল ! আফসোস , আমরা হাওয়া দেখিয়াই পাল টাঙ্গাইয়া ফেলিয়াছিলাম ! তরী কোন পরিণতির দিকে যাইতেছে বুঝি নাই! তাহাদের বোঝার সেই ক্ষমতা ছিল না ! এই কারণেই শুধুমাত্র জ্ঞান-বিজ্ঞান ছাড়া পশ্চিমাদের দলবাজি, গনোরিয়া গণতন্ত্র, ধজঃভঙ্গ সমাজতন্ত্র আমার পছন্দ নহে !

সুনীল ঠিকই বলিয়াছিলেন ! কিভাবে সব পাল্টে গেলো আমারও খুব অবাক লাগে !

৭| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০০

কামালপা বলেছেন: আপনি বাংলাদেশে বিশ্বাস করেন, নাকি ভারতে বিশ্বাস করেন?

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৪৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: এমন অদ্ভুত মন্তব্যের কারণ কি? বাংলাদেশ কি উপমহাদেশের অংশ ছিল না ? উপমহাদেশের রাজনৈতিক ঘটনাবলী , পরম্পরায় কি বাংলাদেশের সংযোগ নাই ?

আমার পোস্ট এবং প্রতিমন্তব্যগুলো ভালো করিয়া পড়ুন !

৮| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৩৮

গড়ল বলেছেন: আমার মতে সবচেয়ে ভাল প্রস্তাব ছিল সুভাস বোস এর টা, ভাগ হইতে হইলে তিনটা ভাগ হতে হবে, ইন্ডিয়া, পাকিস্তান ও বাংলা। তখনকার সব বুদ্ধিজিবীরাই ছিল বাংলার যাদের পেয়ে ইন্ডিয়া এত উন্নতি করেছে যেমন জগদীশ চন্দ্র বসু, ড: মেঘনাদ সাহা ইন্ডিয়ার পরমানু গবেষণার জনক), সত্যেন্দ্রনাথ বসু (পদার্থবিদ - আইনষ্টাইনের সাথে যৌথভাবে Bose-Einstein Condensate তত্ত আবিষ্কারক), এছাড়াও ইন্ডিয়ার নোবেল লরিয়েটের মধ্যে দুইজন বাঙ্গালী, একমাত্র অষ্কার জয়ী সত্যজিৎ রায় বাঙ্গালী। স্বাধীনতাউত্তর প্রথীতজসা বুদ্ধিজিবীদের ৮০%ই ছিল বাঙ্গালী।

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:৫৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ভাগ হওয়ারই কোনো প্রয়োজন ছিল না। ক্ষমতালিপসু, সাম্প্রদায়িক নেহেরু, জিন্নাহ , প্যাটেল , বল্লভের আকামের দায় টানিতে হইয়াছে উপমহাদেশের সকল সম্প্রদায়কে ! বাংলা কে আলাদা দেশ করাও কোন সমাধান ছিলোনা ! বৃহত্তর বাংলার বহু মানুষ অন্য রাজ্যে বসতি গাড়িয়াছিলো। আলাদা দেশ হইলেও বাস্তুচ্যুতি এড়ানো যাইতো না ! বরং ঐক্যবদ্ধ থাকিলেই সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যালান্স হইয়া যাইতো ! বাস্তুচ্যুতি, দাঙ্গা এড়ানো যাইতো। মুসলমানদের অবস্থা ভালো থাকিত। নরাধম মোদী, সংঘ পরিবার এমন সাহস পাইতনা।
হুসাইন আহমেদ মাদানী র. এর প্রস্তাবই সর্বোত্তম ছিল। বাংলা আলাদা রাষ্ট্র পাইলে অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীও বর্ণ, ভাষা, কৃষ্টি , সংস্কৃতি, জাতিসত্তা ইত্যাদির ভিত্তিতে আলাদা রাষ্ট্রের দাবি তুলিত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.