নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ওহ জেরুজালেম ! হায় ফিলিস্তিনি, তুমি আজ সন্ত্রাসী !!!!!!!!!!!

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৮




The Soviet Union was the first country to recognise Israel de jure on 17 May 1948, followed by Nicaragua, Czechoslovakia, Serbia, and Poland. The United States extended de jure recognition after the first Israeli election, on 31 January 1949.
International recognition of Israel - Wikipedia


ট্রাম্পকে আমি এক কারণে পছন্দ করি, এই বেটা আর যাই হোক, ভন্ড না ! যাহা বলার সোজাসুজি বলে ! কূটনৈতিক ভাষায় মাইরপ্যাচ কষে না, যাহা পশ্চিমা বিশ্বের পররাষ্ট্রনীতি, রাজনীতিতে দেখা যায় ! একারণেই আমেরিকান বুদ্ধুজীবী সম্প্রদায়, রাজনীতিক তাহারে দেখিতে পারে না। অভিজাততন্ত্রের ভাষা পরিহার করিয়া রাস্তার গুন্ডাদের মতন পাছা দিয়া পাহাড় ঠেলা তাহার স্বভাব ! অভিজাততন্ত্রের ভণ্ডামি দেখিতে দেখিতে ক্লান্ত জনগণ তাই ইহার বিরুদ্ধে রাস্তার গুণ্ডারে প্রেসিডেন্ট বানাইয়াছে ! এহেন রংবাজ ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইজরায়েলের রাজধানী ঘোষণা করিয়াছে ! তাহার ঘোষণাকে সাধুবাদ জানাইতে হয় ! অন্ততঃ ইউরোপিয়ানদের মতন সে মুনাফিকী করে নাই। সরাসরি বলিয়াছে। মুখে মানবতার ওহী, আর কার্যে হিটলারও ফেইল এমন নহে ! মুখেও হিটলার, কাজেও হিটলার ! ফিলিস্তিনিদের জন্য পশ্চিমাদের কান্না কুম্ভীরাশ্রু ছাড়া আর কিছু নহে। ইহাদের চরিত্র শকুনি মামার চেয়ে ভালো নহে ! আজ যে রাশিয়া ফিলিস্তিনিদের জন্য সহমর্মিতা দেখাইতেছে, আমাদের শিয়া সম্প্রদায় যাহাকে ব্লোজব দিয়া আনন্দিত হইতেছে, সমর্থন করিতেছে, তাহাদের কি স্মরণ নাই, এই রাশিয়াই প্রথম দেশ যাহারা ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়াছে ? আজ তাহারা গরু মারিয়া জুতা দান করিতে চাহিতেছে, আর তাহাতেই শিয়ারা অর্গাজমের স্বাদ পাইতেছে ! ইজরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধেই শিয়া ইরানের কোনো ভূমিকা নাই ! ভূমিকা আছে হামাস আর হেজবুল্লাহরে দিয়া প্রক্সি ওয়ারে। দুর্মুখেরা বলে উভয়ের উপরে হম্বি তম্বি আর তলে গলায় গলায় পিরিত ! প্রক্সি যুদ্ধে ফিলিস্তিনের কোনো লাভ হয় নাই, শিয়া ইরানের শক্তি বাড়িয়া মুসলমানের বোঝার উপর শাকের আটি হইয়াছে !

যাহা হউক, চাঁদগাজী কাহু যেমন বলিয়াছেন, ট্রাম্পের এই ঘোষণা ফিলিস্তিনিদের কাছে অপ্রত্যাশিত নহে। বস্তুতঃ ইহা মুসলমানদের কাছেই অপ্রত্যাশিত নহে ! হাদিসে ভবিষ্যৎবাণী আছে, সারা দুনিয়ার অমুসলিমরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে একে অপরকে এক দস্তরখানে বসার জন্য দাওয়াত দিতে থাকিবে (মোটামুটি অর্থ ) ! সুতরাং মুসলমানদের বিরুদ্ধে আজ বিশ্বব্যাপী যে তোড়জোড়, অপপ্রচার, সন্ত্রাসী তকমা ইহাও অপ্রত্যাশিত নহে ! সব রসুনের কোয়ার এক পুটকির মতন বিধর্মীরা সবাই এক পুটকিতে আসিয়া জড় হইতেছে ! ইহা প্রত্যাশিতই ছিল ! যেইটা আমার কাছে আশ্চর্যকর মনে হইতেছে , তাহা হইল , মুসলমানদেরই একদল বুদ্ধুজীবী, যাহারা পশ্চিমা চশমা ছাড়া কোন কিছু দেখিতে নারাজ, তাহারাও আসিয়া একই পুটকিতে জড় হইতেছে ! সব শিয়ালের এক রোর মতন ইহারা পশ্চিমাদের সাথে সুর মিলাইতেছে ! এমনকি ফিলিস্তিনদের সন্ত্রাসী কহিতেও কসুর করিতেছে না, তাহাদের প্রতিবাদকে, মুক্তিযুদ্ধকে পশ্চিমাদের মতনই সন্ত্রাসী আক্রমণ কহিতেও ইহাদের বাঁধিতেছে না ! পশ্চিমাদের কাছে পশ্চাৎদেশ ভাড়া দিয়া যাহাদের জীবন চলে সেইসব ইসলামবিরোধী, দেশবিরোধী ঘেটুপুত্রদের কাছে ফিলিস্তিনিরা আজ সন্ত্রাসীই বটে !!! পশ্চিমা, ইহুদি মহারাজরা আজ সাধু হইয়া গেল, ফিলিস্তিনিরা হইল সন্ত্রাসী/চোর !!!! ইহারা ভাবিয়া দেখিতেছে না , মুক্তিকামী ফিলিস্তিনিরা যদি সন্ত্রাসীই হয়, তাহা হইলে ব্রিটিশ বিরোধী, পাকিস্তান বিরোধী স্বাধীনতাকামীরাও সন্ত্রাসী হইয়া যায়। মুক্তিযোদ্ধা নহে ! পরাজিত হইলেই যদি পাছা পাতিয়া দিয়া দখলদার শক্তির সাথে আলোচনা চালাইতে হয় তাহা হইলে দুনিয়ার তাবৎ মুক্তিকামী মানুষ ইহা করে নাই কেন? যাহারা বলিতেছে তাহারাও করে নাই কেন ? অন্ধভক্তিরও একটা সীমা আছে, এমন নির্লজ্জের মতন চামচামি, সুর মেলানো বুদ্ধুজীবী পাইতে হইলে কি করিতে হইবে বুঝিতেছি না ! শামীম ওসমান বলিয়াছিল, টাকা হইলে আগে বড়লোকেরা কুত্তা পালিত, এখন ছাম্বাদিক পালে ! শামীম ওসমান জানে না, পশ্চিমারা বুদ্ধুজীবী পালে বহুকাল আগে হইতেই ! ইহারই প্রমান দেখিতে পাইতেছি ! ইহাদের নসিহত শুনিলে ভারতবর্ষ, বাংলাদেশ কোনোকালে স্বাধীন হইতোনা নিশ্চিত !

অন্ধ না হইলে সকলেই বুঝিতে পারিবে , সারা বিশ্বের নতুন করিয়া মেরুকরণ হইতেছে ! খোদ পরাশক্তিগুলোও তাহাদের পররাষ্ট্রনীতি, রাজনীতি পুনর্মূল্যায়ন করিতেছে ! রাজনৈতিক আদর্শ, তন্ত্র হিসেবে ধজঃভঙ্গ সমাজতন্ত্র, তামাশার ধর্মনিরপেক্ষতা, যাত্রাপালা সাম্যবাদ সবগুলোরই পতন হইয়াছে, ব্যর্থ প্রমাণিত হইয়াছে ! আবাল গণতন্ত্র পেনশন পাওয়ার উপযুক্ত হইয়া গিয়াছে, উহারে নিয়া ফুটবলের মতন সবাই খেলে ! মানবসৃষ্ট সব মতবাদের উপর মানুষ আস্থা হারাইয়াছে ! তাহারাও এখন ধর্মের দিকে ঝুঁকিতেছে ! এখন তাই জনপ্রিয়তা পাওয়ার জন্য, ভোট জেতার জন্য রাজনীতিজীবীরা ধর্মের আশ্রয় লইতেছে। ইহা ভিন্ন তাহাদের উপায় নাই ! পশ্চিমাদের রাজনৈতিক সেইন্ট খোদ মার্কেলের রাজনৈতিক দলের নাম Christian Democratic Union of germany (CDU). পশ্চিমা বিশ্বে রাজনীতির সাথে ধর্ম মেশানো বহু পুরোন চর্চা ! ভারতের নরাধম মোদীতো এক কাঠি বাড়া ! শুধু ইসলাম মিশলেই সমস্যা ! আমাদের আবাল বামাতিরা যখন জামাতীগো কাছে মারা খায় তখন চিক্কুর তোলে, 'ধর্ম নিয়ে রাজনীতি, সবচেয়ে বড় দুর্নীতি !' ছাগু সম্প্রদায়ের ধর্ম নিয়া অপরাজনীতিকেও তাহারা বিট দিতে না পারিয়া কখনো এর কোলে কখনো ওর কোলে চড়িয়া জীবন মধুময় করিতেছে !

যাহা হউক , সারা বিশ্বেরই ধর্মীয় মেরুকরণ হইতেছে ! স্বেচ্ছায় হউক, অনিচ্ছায় হউক সারা বিশ্বের মানুষকেই আবার ধর্মের দিকেই ঝুঁকিতে হইবে, হইতেছে ! ইহার থেকে কেহ মুক্ত থাকিতে পারিবে না ! ইহার কারণেই আজ মুসলমান 'সন্ত্রাসী '
তকমায় ভূষিত ! আর তাহাদেরই ঘেটুপুত্ররা তাহাদেরই হুইসেল বাজাইতেছে !

রেডিও তেহরানের বাণী শুনিয়া ফিলিস্তিনি সমস্যাকে যত সরল মনে হয়, সৌদি আরবকে ভিলেন আর ভন্ড ইরানকে সাধু মনে হয়, বিষয়টি এতো সরল নহে ! ফিলিস্তিনের সমস্যা তৈরিতে পশ্চিমাদের সাথে সাথে আরবদের দায় পুরোমাত্রায় আছে ! তুর্কি খেলাফত ধ্বংসে তাহাদের ভূমিকা ছিল ! লরেঞ্চ অব আরাবিয়ার সাথে শরীফ হুসাইন (জর্দানের বাদশাহের পূর্বপুরুষ ) পুরোমাত্রায় সহযোগিতা করিয়াছে খেলাফত ধ্বংসে ! নিজে কুরাইশ বংশের হওয়ায় নিজেকেই খেলাফতের অধিক হকদার মনে করিয়া খেলাফত ধ্বংসে ইংরেজদের সহযোগিতা করিয়াছে ! যাহার ফলাফল খেলাফত ধ্বংস, ফিলিস্তিনের ইংরেজদের উপনিবেশে পরিণত হওয়া, অতঃপর জায়োনিস্টদের কাছে ফিলিস্তিনকে সমর্পন ! শরীফ হুসাইন নিজ জীবদ্দশাতেই ইংরেজকে বিশ্বাসঘাতক পাইয়াছেন ! ইব্ন সৌদের কাছে রাজত্ব হারাইতে হয়, খেলাফত ধ্বংসে উম্মাহের কাছে বিভীষণ হিসেবে চিহ্নিত হয়।বস্তুতঃ রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কৌশলগত সম্পর্ক না গড়িয়া বিধর্মীকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা সবসময়ই উম্মাহের ক্ষতি হইয়াছে ! একারণেই এর্দুগানকে আমি সমর্থন করি, কোনো বন্ধুত্ব নহে, কৌশলগত সম্পর্ক !

উম্মাহের উম্মাহ (এক মুসলিম জাতি ) বনার মূলসূত্র হইল ঈমান ও আমল। শুধুমাত্র এই দুই বৈশিষ্ট্যেই উম্মাহ , এক উম্মাহ হইতে পারে ! মুসলমান হিসেবে অন্য কোন বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করিয়া জাতীয়তাবাদ একারণেই গ্রহণযোগ্য নহে, কারণ ভাষা, কৃষ্টি, বর্ণ, সংষ্কৃতি, খাদ্যাভ্যাস, বাকি সবই আলাদা ! সুতরাং এগুলোর উপর উম্মাহ বনা বাস্তবতা বিবর্জিত ! পাকিস্তানের ভাঙ্গন তাই অনিবার্য ছিল। 'আওয়ামী মুসলিম লীগ' হইতে 'মুসলিম' বাদ যাওয়া আর কমুনিস্ট ছাত্র ইউনিয়নের উত্থান ইহার ফলাফল ! বলদ পাকিদের শোষণ আর বঞ্চনা উহার সলিতায় আগুন দিয়াছে !

যাহা হউক, মূলসূত্র দুর্বল হইয়া উম্মাহ টুকরা টুকরা হইয়া যাওয়ায় ইহুদি ও পশ্চিমাদের সুবিধা হইয়া যায় ! ইহুদিদের প্রতি পশ্চিমাদের দৃষ্টিভঙ্গি স্বয়ং সেক্সপিয়ার, আলেকজান্ডার দুমা প্রমুখ উল্লেখ করিয়াছেন ! তাহারা ইহুদি জাতিকে রক্তচোষা ভ্যাম্পায়ার ভিন্ন কিছু ভাবিতেন না ! আজও পশ্চিমে বহু লোক আছে যাহারা মুখ ফস্কে ইহুদিদের সম্পর্কে তাহারা কি ভাবে তাহা বলিয়া ধরা খাইয়াছেন ! মেল্ গিবসন, ববি ফিশার ইহাদের মধ্যে উদাহরণ ! ইহুদিদের সবকিছু কুক্ষিগত করার স্বভাব, সুদের ব্যবসা, যে ডালে রাঁধে সেই ডালেই হাগার চেষ্টা তাহাদের হলোকাস্টের শিকার হওয়ার কারণসমূহের মধ্যে অন্যতম কারণ ! ইহার সংঘটনের মুলে ছিল পশ্চিমারাই, আজকের জার্মানি ! ইহুদিদের ক্ষতিপূরণস্বরূপ আলাদা ভূখণ্ড দিতে হইলে ইউরোপেই উহা দেওয়া উচিত ছিল যেহেতু আকাম করিয়াছিল তাহারাই ! বাস্তবে ইউরোপ যেহেতু ইহুদীদেরকে আবর্জনা মনে করে তাই উহাদের ডাম্পিংয়ের জন্য জায়গা খুঁজিতেছিলো ! প্রথমে আফ্রিকায় নির্ধারণ করা হইলেও, পরে তাহাদেরই আবেদনের প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে তাহাদের ডাম্পিং করা হয় ! এই বিষয়ে খ্রিষ্টানদের একটি ধর্ম বিশ্বাসের গুঞ্জনও শোনা যায়! তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে মুসলমান ও খ্রিষ্টানদের মাঝে চূড়ান্ত সমরে ইহুদিরা খ্রিষ্টান বিশ্বের ঢাল হইবে ! তাহা ছাড়া আরেকটি গুঞ্জনও শোনা যায়, মুসলমানরা আবার যেন ঐক্যবদ্ধ না হইতে পারে , আবার যেন ক্রুসেডের প্রয়োজন না হয় সে কারণে খ্রিষ্টান বিশ্ব ইহুদিদের ঠিকাদারি দিয়া মধ্যপ্রাচ্যে পাঠাইয়াছে যেহেতু গোটা আরব ভূখণ্ডে খ্রিষ্টানদের কোনো একক রাষ্ট্র নাই !

আরব জাতীয়তাবাদ উম্মাহের বিশাল ক্ষতি করিয়া ফেলিয়াছে ! ব্রিটিশ শাসনাধীনেই ইহুদিরা ফিলিস্তিনে যেকোনো মূল্যে জায়গা জমি কেনা শুরু করে ! ১৯৩৭ সালে মুফতীয়ে আজম মুফতি কেফায়েতুল্লাহ র. ফতোয়া জারি করিয়াছিলেন যে , ফিলিস্তিনের ভূখণ্ডে ইহুদিদের কাছে জমি বেচা হারাম ! আরব, আজমী মুফতির ফতোয়ার গুরুত্ব দেয় নাই ! বেচিয়াছে। অতঃপর জায়োনিস্টরা অল্প জমিনে আশ্রয় পাইয়া বাকিটুকু দখল করিয়াছে !

১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে রাশিয়ার বিশ্বাসঘাতকতায় মিশর ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির মাধ্যমে পশ্চিমা বলয়ে ঢুকিয়া যায়। ফিলিস্তিন সমস্যায় মিশর হাত গুটাইয়া ফেলে। তুরস্ক আগেই পশ্চিমা বিশ্বে নাম লেখাইয়া উম্মাহ থেকে পৃথক থাকিয়াছে ! বাকি রহিল সৌদি আরব, ইরাক ও ইরান, সিরিয়া। আগেই বলিয়াছি, আরব-ইজরায়েলের কোনো যুদ্ধেই ইরানের কোনো ভূমিকা ছিল না ! সৌদি আরব অলিখিতভাবে ইসলামী বিশ্বের নেতৃত্বে আসিয়া গিয়াছিল ! আমেরিকা তথা পশ্চিমা বিশ্ব ইজরায়েলের পক্ষে হওয়ায় সশস্ত্র যুদ্ধে জেতা সম্ভব নহে এই বাস্তবতা মানিয়া বাদশাহ ফয়সাল তেলের দাম বাড়াইয়া পশ্চিমা বিশ্বকে একটা শিক্ষা দিয়াছিলেন ! তাহার হত্যাকাণ্ডের পর ইহাও বন্ধ হইয়া যায় ! ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের পর আরবে এক নতুন মেরুকরণ ঘটে ! শিয়া বিশ্বের উত্থান ঠেকাইতে গিয়া সাদ্দাম ইরানের সাথে যুদ্ধে জড়াইয়া পরে। আমেরিকা, সৌদি ইরাকের পক্ষে, রাশিয়া, সিরিয়া ইরানের ! এই যুদ্ধের সমাপ্তির পরে সাদ্দামের বোকামিতে উপসাগরীয় যুদ্ধে ইরাকের জড়িয়ে পড়া, পরাজয়, মৃর্ত্যুর পরে মুসলমানদের নেতৃত্বে সৌদি আরবই বাকি থাকে !

ইরানি বিপ্লবের পরে শিয়া মতবাদের পুনরুত্থান ঘটে ! শিয়া মতবাদের উপর ভিত্তি করিয়া ইরান মুসলিম দুনিয়ার নেতা হওয়ার চেষ্টা করে। তাহাদের বিপ্লব রপ্তানি করার জন্য রেডিও তেহরানের মতন মিডিয়া খুলিয়া আরব বিশ্বের কাপড় খোলার অবিরাম প্রচেষ্টা দেখা যায় ! আমাদের দেশের নিউজলেটার, ব্লগে রেডিও তেহরান, ফেসবুকে সত্য মিথ্যা মিশ্রিত পোস্ট ইহাদের সুকর্ম ! ইহারই অংশ হিসেবে হিজবুল্লাহ তৈরী, হামাসকে পৃষ্ঠপোষকতা ! ইরাকে সুন্নিদের উপর গণহত্যা , কসাই আসাদকে কোলে তুলে সোহাগ ইহারই অংশ ! ইহাদের আসল টার্গেট হইল মক্কা-মদিনার নিয়ন্ত্রণ, মুসলিম বিশ্বের অলিখিত নেতৃত্ব বাগানো ! তাই ইয়েমেনে হুতিদের দিয়া সৌদিকে চাপে রাখা !

মুসলিম বিশ্বের অলিখিত নেতা হিসেবে সৌদি আরবের এসব সহ্য করার কথা নহে ! নিজের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে তাই সৌদি আরবের পশ্চিমা বিশ্ব ও ইজরায়েলের সাথে মাখামাখি ! হামাসের ইরানের সাথে মাখামাখি, ফিলিস্তিনের দুর্বল নেতৃত্ব , ইরাকের শিয়া সরকার, সিরিয়ার আসাদ সরকার সবদিক দিয়া শিয়া উত্থান ফিলিস্তিন সমস্যাকে সৌদির কাছে প্রায়োরিটি লিস্টে দ্বিতীয় নম্বরে নিয়া গিয়াছে ! ফিলিস্তিনের এই করুন অবস্থা ও সৌদির ইজরায়েলের সাথে মাখামাখিতে তাই ইরান তথা শিয়া উত্থানের দায় আছে !

সৌদি আরবের ইহা ছাড়া উপায় নাই ! তবে শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের লাভ হইবে বলিয়া মনে হয় না ! ইরান লাভ বেশি দিতে পারিবে এই বিশ্বাস জন্মাইতে পারিলে পশ্চিমা বিশ্ব মক্কা-মদিনাকে ইরানের হাতেই তুলিয়া দিয়া মজা দেখিবে ! মিডিয়ার সৌদি রাজবংশের কুৎসা গাওয়া দেখিয়া ইহারই আশংকা জাগিতেছে ! টার্গেট সৌদি রাজবংশ নহে, টার্গেট মক্কা-মদিনার নিয়ন্ত্রণ, মুসলমানদের অলিখিত নেতৃত্ব হইতে মুসলমান তথা সুন্নিদের অপসারণ , তাই রাজপরিবারের কুৎসা !

শেষ জমানায় মুসলমানদের সংখ্যা বেশি হইবে ও অবস্থা করুন হইবে ইহাই ভবিষ্যৎ বাণী ! সুতরাং অবস্থা আরো খারাপই হইবে !

ছবিসূত্রঃ একটি স্প্যানিশ পত্রিকা। কৃতজ্ঞতা : মাওলানা আতিকুল্লাহ ! তাহার টাইমলাইন হইতে সংগৃহিত !

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৯

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ, প্রথম কিবলাহকে নিয়ে দু:খগাঁথা তুলে ধরায়।

ফিলিস্তিন ইস্যুতে সউদি প্রশাসকদের ভূমিকা সবচে' দু:খজনক! দুই পবিত্র মসজিদ তথা হারামাইন শরীফাইনের অবস্থানের কারনে, প্রিয় নবীজী সল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লামের স্মৃতি বিজরিত হওয়ায় সউদি আরবের প্রতি সারা বিশ্বের সকল মুসলিম আবেগপ্রবন। হৃদয়ের মনিকোঠায় সউদি আরবের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা-ভালবাসা স্বভাবজাত, সঞ্জিভূত। কিন্তু ফিলিস্তিন প্রশ্নে সউদি রাজ পরিবারের সাম্প্রতিক ভূমিকা এবং সর্বোপরি বৃহত্তর মুসলিম উম্মাহর স্বার্থ, অধিকার এবং চাওয়া-পাওয়াকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে দখলদার ইসরাঈল অপশক্তির পক্ষে তাদের নির্লজ্জ অবস্থান মুসলিম বিশ্বকে শুধু ক্রুদ্ধই করে নি; যুগপথ হতাশ হতবাক এবং বিচলিত বিক্ষুব্ধ করে তুলেছে।

বিলাসিতায় গা ভাসিয়ে দেয়া স্বজাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতাকারী, গাদ্দারিতে লিপ্ত বিন গংরা ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। এদের ইসলাম এবং বিশ্ব মুসলিমের স্বার্থ রক্ষার কেউ বলে মনে হচ্ছে না। ঘৃনা, প্রতিবাদ আর প্রতিরোধই এদের প্রাপ্য। মুসলমানদের প্রথম কিবলাহ বাইতুল মুকাদ্দাস বিশ্ব মুসলিমের প্রানের স্পন্দন তুল্য। এই পবিত্র ভূমি এবং কিবলাহ নিয়ে হোলি খেলা ইসলামী দুনিয়া কখনও মেনে নিবে না। মার্কিন-ইসরাঈলীদের পা-চাটা এই নতজানু 'বিন' গংদের ক্ষমতার মসনদ আঁকড়ে থাকার কোন অধিকার নেই। এদের টেনে হিঁচড়ে নামানো হোক।

পৃথিবীর সকল পথ ও মতের প্রত্যেককে ফিলিস্তিনের বৈধ অধিকার আদায়ের পক্ষে, ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে দাড়াতে হবে। দখলদার, জারজ ইসরাঈল রাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র থেকে উৎখাত করতে হবে। তাদের অবস্থান কোন অবস্থায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্রে মেনে নেয়া হবে না। আমরা স্বাধীন ফিলিস্তিন দেখতে চাই। আল্লাহ পাক নিশ্চয়ই ন্যায়বিচারক। তিনি ফিলিস্তিনের নির্যাতিত মানবতার অধিকার অবশ্যই ফিরিয়ে দিবেন। আমরা প্রান খুলে তাঁর দরবারে দোআ করছি। তিনি আমাদের দোআ কবুল করুন। আমীন।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:২৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: দুঃখিত ! হাজারো দোষ থাকিলেও সৌদি রাজতন্ত্রের বিপক্ষে আমার অবস্থান নহে ! খেলাফতের বিপক্ষেও একসময় একই কথা বলা হইত , তাহাদের দোষ বর্ণনা করা হইতো! জনগনরে স্বাধীনতার মূলা দেখানো হইত ! কিন্তু জনগণের এই ধারণা ছিল না যে খেলাফত একটি প্রতিষ্ঠান, একটি ঢাল ! ইহার ত্রুটি থাকিলে সংশোধনের চেষ্টা করা যাইতে পারে, তবে উৎখাত করা নিজেদের অস্তিত্বের পক্ষে হুমকি ! তাহাই হইয়াছে ! সৌদি রাজতন্ত্র খেলাফত না হইলেও, মুসলমানদের একটা ঢাল, অন্তত ধজঃভঙ্গ সমাজতন্ত্র, আবাল গণতন্ত্রের চেয়ে শতগুনে ভালো! ইহার ত্রুটি হইলে সংশোধনের চেষ্টা হইতে পারে ! তবে উৎখাত করিলে আবাল গণতন্ত্র আসিবে ! আর উহা ছিঃ ছিঃ'র গণতন্ত্র বা শিয়া ইরানের মাকাল ফলের চেয়ে ভালো কিছু হইবে না ! আমার কাছে গণতন্ত্র হইল ভেড়ার পালে নেকড়ের টোপ, যে পাল হইতে বাহির হইলেই মুক্তি !! বাস্তবে খাইতে সুবিধা হইবে বিধায় এই মূলা ঝুলানো ! একারণেই সৌদি রাজতন্ত্রের উৎখাত করিয়া মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার নামে আবাল গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠায় আমার সমর্থন নাই !

সময় বড় সংকটপূর্ণ ! আল্লাহ আমাদের সহায় হোন ! আমিন !

২| ০৬ ই মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: চিত্র দিয়েই বুঝিয়ে দিয়েছেন কি অবস্থা ফিলিস্তানের।

০৬ ই মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: হ্যা, আশ্রিত কুত্তাই এখন নিজেরে মনিব দাবি করিতেছে !! আর আমাদের পাঁঠাগুলো তাহাদের ঢোল পিটাইতেছে !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.