নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

কি হইত , জিন্নাহ যদি একালের হইতেন, আর ঘোষণা করিতেন,"English, and English shall be the state language of Pakistan"?

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:১৩



১. ভাষা আন্দোলন বাঙালির স্বাধিকার, স্বাধীনতার প্রথম ধাপ। ইতিহাসে ইহার গুরুত্ব তাই অপরিসীম। ভাষা, মানুষের অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম।ভাষা, মানুষ তার মায়ের কাছ থেকে শেখে। তাই নিজের ভাষার প্রতি মানুষের ভাবাবেগ অত্যাধিক বেশি। (এখন অবশ্য ব্যাতিক্রম দেখা যাইতেছে!) রাজনীতির ক্ষেত্রেও তাই ভাষা বিশেষ গুরুত্বের অধিকারী। সাংঘাতিক স্পর্শকাতর। জিন্নাহ এখানেই ধরা খাইয়াছেন।


২. উর্দু পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা নহে, প্রভাবশালী পাঞ্জাবিদেরও নহে, এমনকি জিন্নাহের মাতৃভাষাও উর্দু নহে, গুজরাটি। পাকিস্তানের মাত্র ৫% জনগোষ্ঠীর মাতৃভাষা ছিল উর্দু! তাহা হইলে জিন্নাহ কেন উর্দুকে স্টেট্ ল্যাঙ্গুয়েজের মর্যাদা দিলেন ? এই প্রশ্ন আমার মনে বহুবার আসিয়াছে। ইহার কারণ উদ্ঘাটন করিতে যাইয়া পাইয়াছি যে, , উর্দু ফৌজি ভাষা (উর্দু হইলো তুর্কি আরবি ও হিন্দির সংমিশ্রণ যাহা উপমহাদেশ আগত তুর্কি সৈন্যদের থেকে উৎপন্ন হয়। ) থেকে জনতার ভাষা হইয়া শেষ পর্যন্ত একাডেমিক ও সাহিত্যের ভাষা হইয়াছিল। ইহার কারণে আপামর মুসলমানের সন্তানদের হাতে খড়ি হইতো উর্দু বর্ণ দিয়া। আজও মাদ্রাসাগুলোতে উর্দু গুরুত্ব সহকারে শিক্ষা দেওয়া হয়। উহার কারণ পাকি প্রেম নহে, পাকি প্রেম হইলে পাঞ্জাবি বা পশতু শেখানো হইতো উর্দু নহে। ইহার কারণ হইল দ্বীন ইসলামের খেদমত আরবির পরে সবচেয়ে বেশি উর্দু ভাষাতেই হইয়াছে। ইসলামের মূল আরবি কিতাবের অনুবাদ ও মৌলিক রচনাগুলোর অধিকাংশই উর্দুতেই হইয়াছে। ইলমের এক বিরাট অংশ উপমহাদেশের জনগণ উর্দুতেই পাইয়াছেন, প্রাথমিক শিক্ষা, মাদ্রাসা শিক্ষাও উর্দুতে হইয়াছে এক দীর্ঘকাল। তাই উর্দু মাতৃভাষা না হইলেও, অফিসিয়াল ল্যাংগুয়েজ না হইলেও একাডেমিক ল্যাংগুয়েজ হওয়ার কারণে উপমহাদেশে মুসলমানদের মাঝে লিঙ্গুয়া ফ্র্যাংকার মর্যাদা পাইতো। ইহার সাথে ধর্মীয় খেদমতের মহিমা যুক্ত হওয়ায় উর্দু মুসলিম জাতীয়তাবাদীদের কাছে বিশেষ মর্যাদা পাইতো। সময়টা খেয়াল করিতে হইবে। একই সময়ে ইন্ডিয়াতেও স্টেট্ ল্যাংগুয়েজ নিয়া সিদ্ধান্ত হইতেছে যে হিন্দি হইবে রাষ্ট্র ভাষা এবং ইহা লইয়া তামিলরাও প্রতিবাদ জানাইতেছে, আত্মাহুতি দিতেছে, বন্ধ ডাকিতেছে। উহার ঢেউ পাকিস্তানেও লাগিবে স্বাভাবিক। পাকিরা যতই জিন্নাহকে সম্মান করুক, আমার কাছে তাহাকে অর্বাচীন, অদূরদর্শীই মনে হয়। ভারত বিভাজনের ক্ষেত্রেই তাহা প্রমাণিত হইয়াছে। রাষ্ট্রভাষার ঘোষণা আরেকখানা বদলামি !


৩. সাহাবা রা. কোনো দেশ অধিকার করিয়া কখনো ওই দেশের ভাষার অমর্যাদা করেন নাই, জনসাধারণকেও বলেন নাই আরবি গ্রহণ করিতে। তারপরও বহু জনগোষ্ঠীর ভাষা পরিবর্তন হইয়া আরবি হইয়াছে। জনগোষ্ঠীকে ভালোবাসিতে হয়। ইংরেজের মত ছলেবলে কৌশলে ভাষা গিলাইলে ব্যাবহারিক ভাষা হইলেও, অভিজাত ভাষা হইলেও সাধারণের ভাষা হয় না। জিন্নাহের বাঙালিদের প্রতি ভালোবাসাও ছিল না, ইংরেজেদের মতন ছলাকলাও জানিতেন না ! যাহার কারণে তাহার ঘোষণা বুমেরাং হইয়াছে !


৪. জাফর ইকবাল স্যার বিদ্বান মানুষ। তাহার অনেক গুন আছে সন্দেহ নাই। কৈশোরে তাহার সাইন্স ফিক্শন গোগ্রাসে গিলিয়াছি। সংবাদপত্রে তাহার কলাম নিয়মিত পড়িতাম। তাহার লেখা ভালো লাগিলেও কিছু লেখা প্রতিচিন্তার উদ্রেক করিত। একদা কোনো কলামে তিনি বিমানবন্দর রোডে বিভিন্ন সাইনবোর্ড , পথনির্দেশিকা আরবিতে লেখার বিরুদ্ধে ব্যাপক লিখিলেন।যতদূর মনে আছে , তাহার লেখার প্রতিপাদ্য ছিল, আরবি মানেই পবিত্র ভাষা নহে, আরবিতে চটিও লেখা হয়। সুতরাং আরবিতে কেন সাইনবোর্ড লেখা হইবে ? অথচ ওই রোডে বহুকাল যাবৎ ইংরেজিতে সাইনবোর্ড ও পথনির্দেশিকা লেখা হইতেছে। উনি কোনোদিনও ইংরেজির বিরুদ্ধে লেখেন নাই ? শুধু আরবির সাথে এই বিমাতাসুলভ আচরণের কারণ কি ? আরবি , ইসলামের ভাষা বলিয়া? ইংরেজিকরণ হইলে সমস্যা নাই, আরবিকরণ হইলে সমস্যা ? দুইশত বছরের গোলামীর কারণে অবচেতন মন ইংরেজির সমালোচনা করিতে পারে না ?


৫.
------একটা বিড়ালকে কাঁচামরিচ খাওয়াইতে পারিবে ?
----- অসম্ভব।
------- সম্ভব !
-------বাজি ?
------- বাজি !
------- অতঃপর, বিড়ালের পশ্চাৎদেশে কাঁচামরিচ ডলিয়া দেওয়া হইলো। ঝাল হইতে বাঁচিতে বিড়াল এখন পশ্চাৎদেশ চাটিতেছে আর কাঁচামরিচ খাইতেছে !


৬.যেই বাংলা ভাষার মর্যাদাকে রক্ষার জন্য আমরা জীবন দিয়াছি, রক্ত দিয়াছি সেই ভাষার মর্যাদা আজ একুশে বইমেলাতেই সীমাবদ্ধ। ভাষার সাথে সংস্কৃতির যোগ আছে। কান টানিলে মাথা আসে, মাথা টানিলে কান ! সাংষ্কৃতিক আগ্রাসনের কারণে আইজ পোলাপাইনের মুখে হিন্দি ভাষা অহরহ শোনা যাইতেছে, একাডেমিক এবং আনঅফিসিয়ালি অফিসিয়াল ল্যাংগুয়েজ হওয়ার কারণে ইংরেজিতো বাধ্যতামূলক। ইংলিশ মিডিয়ামের বহু পোলাপাইন বাংলা জানে না। ইংরেজি ভাষা তথা সংষ্কৃতির কারণে আমরা কতটুকু সভ্য হইয়াছি তাহাতো না বলিলেও চলে ! লিটনের ফ্লাট ও কাছে আসার অশ্লীল সংষ্কৃতি, ভ্যালেন্টাইন ডেতে কন্ডোম বিক্রয়ের রেকর্ড উহার কিঞ্চিৎ উদাহরণ !


৭. বুকের রক্ত ঢালিয়া, উর্দুর একাধিপত্যকে পরাজিত করিয়া, বাংলার মর্যাদা আদায় করিলাম বটে, ইতিহাসেরও অংশ হইলাম বটে, তবে, একখানা প্যাচ রহিয়া গেল ! প্যাচ খানা কি ? উর্দুকে পরাস্ত করিলাম ঠিকই তবে ইংরেজিকে পারিলাম না ! এমনকি সবচেয়ে জনপ্রিয়, প্রভাতভেরির গান "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী " এর প্রথম কলিতেই ইংরেজি (একুশে ফেব্রুয়ারী) রহিয়া গেলো, ৮ ই ফাল্গুন হইল না !


৮.জিন্নাহকে বলদ বলিয়াছি, কারণ বিড়ালকে কাঁচামরিচ খাওয়াইতে তিনি জানিতেন না। ইংরেজরা জানিত। ভারতীয়রা জানে। তাই ইংরেজের ভাষা, সংষ্কৃতি আমাদের মধুর লাগিতেছে, হিন্দির আগ্রাসন মধুর লাগিতেছে ! আমরা চাটিয়া খাইতেছি !
বরং জিন্নাহ যদি একালের হইতেন, পাকিস্তান যদি এক থাকিত, আর ইংরেজিকে স্টেট্ ল্যাংগুয়েজ বলিয়া ঘোষণা দিতেন, তাহা হইলে আমাদের বুদ্ধুজীবী সম্প্রদায় আজ তাহাকে হিরো বানাইতো!!! অর্থনীতিবিদরা বাহবা দিতো ! বলিত, ভাষার সাথে অর্থনীতিরও যোগ আছে, কর্মসংস্থানের যোগ আছে ! গোলামীর জীন তাহাদের ইংরেজি, হিন্দি ভাষা ও তাহাদের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কিছুই বলিতে দিতো না !


৯.ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ! তাহারা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য রক্ত দিয়াছেন, আমরা তাহার মর্যাদা রক্ষা করিতে পারিতেছি না ! ইংরেজি , হিন্দি, আরবি , উর্দু কোনো ভাষার প্রতি আক্রোশ নাই। সবই মানুষের ভাষা। তবে মাতৃভাষার আসন পুরোই আলাদা।
বিনে স্বদেশী ভাষা,
মিটে কি আশা !

মন্তব্য ১৮ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:০৭

ইছামতির তী্রে বলেছেন: অসাধারণ সুন্দর লিখেছেন! অনেকদিন পর একটা লেখা পড়ে খুবই মুগ্ধ হলাম। আর এই লেখায় নেই কোন মন্তব্য। অথচ কত অপ্রয়োজনীয় লেখা মানুষ আগ্রহ নিয়ে পড়ে, মন্তব্য করে, হিট বানায়।

এক্ষুণি দেখলাম এত সুন্দর লেখাও নির্বাচিত পোস্টে যায় নি। সম্মানিত মডুগণের চোখ এই পোস্টে পড়েনি। যাইহোক, আপনাকে ধন্যবাদ আমাকে পড়ার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।

বেশ কিছু নতুন তথ্য আপনার লেখা থেকে জেনেছি। সব কিছুর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:২৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনিই আমারে চিনতে পারলেন, ভাইডি ! আমার প্রতিভা আর কেহ ধরিতে পারিল না ! মডুতো মডুই ! যাহাই হউক, আপনারে অশেষ ধন্যবাদ ! আপনার বাড়ি কি ইছামতির তীরে ?

২| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:২১

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: গতকাল লেখাটা পড়েছি। দারুন টপিক। তবে নততুন বলে মন্তব্য করিনি। লেখকদের কোন মন্তব্য না দেখে আমিও অবাক। ব্লগারদের নিরবতা দেখে আমি হতাশ।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সকাল ১০:৩৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ব্লগারদের দোষ নাই। আমার পোস্ট প্রথম পাতায় যায় না। আমারে ফিল্ড মার্শাল বানাইয়া আমার পোস্ট টপ সিক্রেট ট্যাগ দেওয়া হইয়াছে। সকলেই দেখিতে পায় না। আপনি সৌভাগ্যবান, আপনি দেখিয়াছেন !

নতুনের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম ! ভাইডি, সিরিয়াস পোস্ট সবাই পড়িতে চাহে না। আমার মতোই সবাই বিনুদুন খোঁজে !

৩| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৭

আখেনাটেন বলেছেন: ভালো লিখেছেন।

পাকিদের এই উর্দু উর্দু খেলা এখনও সে দেশে অালোচনার অংশ। জিন্না ও নেহেরুর অপরিণামদর্শী আচরণ গোটা ভারতবর্ষকে শতবছর পেছনে দিয়েছে।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ। আমাদের দেশেও ইংরেজি-ইংরেজি , হিন্দি-হিন্দি খেলা চলিতেছে, মাগার ইহার বিরুদ্ধে কাহাকেও বলিতে দেখিনা ! ভাষা শিখিতে আপত্তি নাই, বরং শেখাই উচিত, তবে নিজের মাতৃভাষা অবহেলা করিয়া কেন ? অন্যের সংষ্কৃতি ধারণ করা কেন ? শুধু আরবিকরণ, উৰ্দুকরণের প্রতিবাদ কেন? ইংরেজিকরণ, হিন্দীকরণের প্রতিবাদ নাই কেন ? আগ্রাসনের প্রতিবাদ নাই কেন ?

৪| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:০৯

আখেনাটেন বলেছেন: ইংরেজি-ইংরেজি খেলাটা দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থেই দরকার। তবে তা অবশ্যই সার্বজনীন খেলা হওয়া দরকার। শুধু উঁচু তলার লোকেরাই এ খেলাই বাজিমাত করবে এটা মেনে নেওয়া যায় না। এই মনোপলি সরকারকেই ভাঙতে হবে জাতির ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের জন্য।

আর যে হিন্দি-হিন্দি খেলার কথা বলেছেন তা আমরা কিছুতেই রোধ করতে পারব না যদি না নিজেরা অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হই। মেরুদন্ড শক্ত হলে এ ধরণের খেলাগুলো এমনিতেই অপসৃয়মান হবে। আর না হলে অন্যের অাগ্রাসনে গুটিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছু করার নেই। খেয়াল করে দেখবেন পশ্চিমবঙ্গের দাদারাও কিন্তু তাদের মৃতপ্রায় বাংলা ভাষাটা আমাদের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে নানাভাবে ঐ অর্থনীতি ও জ্ঞাননীতির জোরে। এখানেও আমাদের সাংস্কৃতিক মহাপুরুষরা অসহায়।

অর্থনৈতিক উল্লফন কি করতে পারে তা কোরিয়ান-টার্কিশ-মালয়রা করে দেখাচ্ছে। আমাদেরও ও পথেই হাঁটতে হবে। তাহলেই এই সকল অরাজকতার নিরসন ঘটবে।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ভাষা হিসেবে ইংরেজির গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। ইংরেজি এখন আর শুধু ভাষা নহে, লার্নিং টুল। তবে সংস্কৃতি কেন ? আমাদের সন্তানরা বাংলা শিখবে না কেন ? ইংরেজি মাধ্যমের বহু শিক্ষার্থী বাংলা লিখিতে পড়িতে পারে না ! আমাদের সন্তানরা ইংরেজি সংস্কৃতি ধারণ করিতেছে। কে কতটুকু সাহেব হইবে তাহার প্রতিযোগিতা করিতেছে ! আর হিন্দির কথা কি বলিব ! কিছু বলার নাই !
অর্থনৈতিকভাবে আমরা শক্তিশালী হইতেছি তো ! তবে আমাদের ভাষা, সংষ্কৃতি জলাঞ্জলি দিয়া, ইহাতেই আপত্তি ! নতুবা ভাষা হিসেবে ইংরেজি শিখুক, হিন্দি শিখুক, আরবি-উর্দু , জাপানিজ , চাইনিজ , ফ্রেঞ্চ , জার্মান, কোরিয়ান শিখুক কোনো আপত্তি নাই, বরং উৎসাহিত করা উচিত !

৫| ০৩ রা মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫

পদ্ম পুকুর বলেছেন: সাধারণত মৌসুমী লেখা দিতে আমি আগ্রহী নই। তারপরও একুশের আগের দিন একটা লেখা দিয়েছিলাম, যথারীতি খুব কম মানুষ পড়েছে। মনে মনে একটু কষ্ট ছিল যে ব্লগাররা এখন খালি হিট পোস্ট চায়... কিন্তু আপনার এই লেখার অবস্থা দেখে আমার দুঃখ নেই হয়ে গেছে, সেই যে শেখ সাদীর 'জুতা নেই বনাম পা নেই' এর অবস্থা আর কি।
এত সুন্দর, হিউমারাস লেখারই যখন এই অবস্থা, তখন আমি তো কোন হরিদাস পাল...

তবে একটা ব্যাপার, যদিও আপনি ব্লগে সদ্য বছর পার করলেন, কিন্তু আপনার লেখার ঢং বলছে আপনি পুরোনো ব্লগার। বস্, ঘটনা কি সত্যি?

০৫ ই মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:১৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আসনে ভাই কুলাকুলি করি ! একখানা সমব্যাথী পাওয়া গেল !

আমার জুতা, পা দুইটাই বান্ধিয়া রাখিয়াছে , ইহার কারণে হাটিতেই পারিতেছি না। ফিল্ড মার্শালের নিরাপত্তা বলয়ে আসিয়া পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আমি সামুর পুরান পাঠক !

৬| ০৫ ই মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১২:২৩

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: আপনি এখনো সর্বাধিনায়ক?

০৫ ই মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:২০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমি সর্বাধিনায়কেরও উপরে, ফিল্ড মার্শাল ! সামু আমারে মহা সম্মানে নিরাপত্তা দিতেছে !

৭| ০৫ ই মার্চ, ২০১৮ দুপুর ২:৩৬

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: অসাধারণ হয়েছে।

০৫ ই মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৫:২১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইডি !

৮| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:০৪

তিহাম বলেছেন: বিশ্লেষণ ধর্মী লেখা টা অসাধারণ হয়েছে ।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৮ দুপুর ১:৫৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কেউ পড়ে না ! আপনি পড়িয়াছেন ! পড়ার জন্য ধন্যবাদ !

৯| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১০:৪৮

বিপরীত বাক বলেছেন: বাঙালের আবার সনসকীর্তি?
এরা পারে শুধু একে অন্যের গোয়া মারামারি করতে। এটাই ঐতিহ্য। এটাই সংস্কৃতি।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৩৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ইয়ে মারামারি করিলে নিজের ইয়ে দিয়ে মারুক, অন্যের ইয়ে দিয়ে যেন না মারে !! :D

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.