নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাক স্বাধীনতা, বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন বনাম সামুর পাঁঠাদের বক স্বাধীনতা ! সামুর প্রতি ডাস্টবিন না হওয়ার আবেদন !!!!

০৫ ই মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৯


নিত্য একই বাধা পথে চলিতে চলিতে একদিন রেলগাড়ির ভারী বিরক্তি আসিল ! সে চিৎকার করিয়া ড্রাইভারকে বলিল, "মহাশয়, আমার শরীরে যে কত শক্তি তাহা আপনার অজানা নাই। আমার ইচ্ছা যখন যেদিকে খুশি চলিয়া পৃথিবীটাকে দেখি ; কিন্তু আপনি এমনই নিষ্ঠুর যে আমাকে একদিনের জন্যও স্বাধীনতা দিলেন না !"

ড্রাইভার বলিল, " বাবা, তোমার ধারণা ভুল। নিয়মের অধীন হইয়া চলাকেই স্বাধীনতা বলে ! এই পথটাকে ছাড়িয়া একটু এদিক-ওদিক যাইলে তোমার সর্বনাশ হইবে !''


ইহাই স্বাধীনতা ! স্বাধীনতা মানে নিয়মের বাহিরে গিয়া যাহা ইচ্ছা তাহাই করা, বলা বা লেখা নহে ! বরং সীমার মধ্যে যথা ইচ্ছা বিচরণ করাকে স্বাধীনতা বলে ! আমাদের পাঁঠা সম্প্রদায় স্বাধীনতা বলিতে বুঝি নিয়ম ভঙ্গ করাকেই বুঝিয়া থাকে ! সীমার বাহিরে চলাকেই বুঝিয়া থাকে ! ভব্যতার সীমা অতিক্রম করাকেই বুঝিয়া থাকে ! তাই দেখা যায় ধর্মের নামে কুৎসা রচনা। ধর্মীয় ব্যাক্তিত্বের নামে অপবাদ ! ইহাকে তাহারা বাক স্বাধীনতা মনে করিয়া থাকে। প্রতিবাদ করিলে বা বাধা দিলে বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলিয়া নিন্দা করে। প্রকৃতপক্ষে ইহাতো বাক স্বাধীনতা নহে , বরং ইহা হইল বক (ভণ্ডামি) স্বাধীনতা বা বাগ (ঝগড়া ) স্বাধীনতা ! ইহার প্রতিক্রিয়া হইবে ইহাই স্বাভাবিক। সাধারণ মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধে ইট মারিলে তাহার প্রতিক্রিয়ায় পাটকেল খাইতে হইবে ইহাই যুক্তিযুক্ত ! পাটকেল না খাইলেই অস্বাভাবিক ! বানর যদি নির্বিরোধী বাঘের লেজ দিয়া কান চুলকাইতে যায়, আর থাবড়া খাইয়া অভিযোগ করে যে, বাঘ থাবা মারিয়া অন্যায় করিয়াছে, বাঘের উচিত ছিল বানরের লেজ দিয়া নিজের কান চুলকাইয়া লওয়া, আক্রমণ করা উচিত হয় নাই, ইহা হাস্যকর চিন্তাই হইবে ! চুলকাইতে গেলে কি পরিণতি হইতে পারে তাহা চুলকানির আগেই বানরের ভাবিয়া দেখা উচিত ! চুলকানোর পরে বাঘের প্রতিক্রিয়া দেখিয়া চিৎকার চেচামেচি করিয়া লাভ কি ?

প্রকৃতপক্ষে বাক স্বাধীনতা ও বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন এক নহে ! বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন শুরু হয় ১৯২৬ সালে ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ গঠনের মাধ্যমে। যাহার পুরোধা ছিলেন অধ্যাপক আবুল হোসেন।

"এই সমাজ তাদের মুখপত্র হিসেবে শিখা নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করত, যার প্রতিটি সংখ্যায় লেখা থাকত ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’। এই সমাজের কার্যক্রম বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন নামে পরিচিতি লাভ করে।মুসলিম সাহিত্য সমাজ গঠিত হয় কয়েকজন আলোকিত মানুষের উদ্যোগে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল হুসেন, কাজী আবদুল ওদুদ, আবদুল কাদির প্রমুখ। এঁরা ছিলেন যুক্তিবাদী, প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক। মুসলমানদের কুসংস্কার থেকে মুক্ত হয়ে যুক্তি ও জ্ঞানের রাজ্যে আহ্বান করাই ছিল এই গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য।"
বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন

এই শ্রদ্ধেয় মনীষীগণ কেহই ধর্ম ও ধর্মীয় ব্যাক্তিত্বের অবমাননাকে বুদ্ধির মুক্তি বলেন নাই।ধর্মে কাহারো বিশ্বাস না থাকিতে পারে, সক্রেটিসেরও ছিল না , তাহা বলিয়া অবমাননার অধিকার বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন বা বাক স্বাধীনতা কাহাকেও দেয় নাই। বক ধার্মিকের মতোই পাঁঠারাও বক স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। বিশ্বের সব দেশ সব সমাজ কিছু মূল্যবোধ , অবমাননার উর্ধে কিছু বিষয় সংরক্ষণ করে। ইউরোপে কেহ হলোকাস্টের বিপরীত কিছু কহিতে পারেনা, আহমেদিনেজাদ বলিয়া সারা বিশ্বে ভিলেন হিসেবে পরিগণিত হইয়াছিলেন। জুনিয়র বুশের ইরাক আক্রমণকালে জনৈক কোলাজ কার্টুনিস্ট বুশকে ব্যাঙ্গ করিতেন। একটা সীমা পর্যন্ত আমেরিকান সরকার সহ্য করিয়াছে। কিন্তু তাহার কার্টুনে যখন তিনি বুশের পশ্চাৎদেশ দিয়া মিজাইল নিক্ষেপ করিলেন, সরকার তাহার সাইট বন্ধ করিয়া দিল। আমেরিকান সমাজ ইহাকে বাক স্বাধীনতার হতক্ষেপ বলে নাই ! তসলিমা নাসরিন যখন ইসলামের বিরুদ্ধে লিখিলেন, পাঁঠারা তাহার পক্ষে বিস্তর লিখিলেন, তাহার বাক স্বাধীনতা রক্ষার জন্য চিৎকার করিলেন। তারপর তিনি যখন কোন কোন লেখকের সাথে শুইয়াছেন ইহা প্রকাশ করিলেন, আর লেখকরা তাহা বন্ধ করার জন্য হাইকোর্ট পর্যন্ত দৌড়াইলেন, পাঁঠাদের জবান তখন বন্ধ ছিল, তসলিমার পক্ষে তখন চিৎকার শোনা যায় নাই যে ইহা বাক স্বাধীনতার লঙ্ঘন, ইহা বুদ্ধির মুক্তিতে বাধা।

অপরদিকে,
বাকস্বাধীনতা হচ্ছে স্বতন্ত্র্য ব্যক্তি বা সম্প্রদায়ের; নির্ভয়ে, বিনা প্রহরতায় বা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা, অনুমোদন গ্রহণের বাধ্যতা ব্যতিরেকে নিজেদের মতামত স্বাধীনভাবে প্রকাশ করার সমর্থিত মুলনীতি। (উইকি )

ইহাকে যাহা ইচ্ছা তাহা বলার, লেখার স্বাধীনতা মনে হইলেও বাস্তবে তাহা নহে। বাক স্বাধীনতারও সীমাবদ্ধতা আছে !

বাকস্বাধীনতাকে চূড়ান্ত হিসেবে স্বীকার নাও করা হতে পারে। মর্যাদাহানি, কুৎসা রটানো, পর্নোগ্রাফি, অশ্লীলতা, আক্রমণাত্মক শব্দ এবং মেধাসম্পদ, বাণিজ্যিক গোপনীয়তা, জননিরাপত্তা ইত্যাদি ক্ষেত্রে বাকস্বাধীনতা যদি অন্য কারও স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে বা কারও অপকার করে তবে অপকার নীতির মাধ্যমে বাকস্বাধীনতাকে সীমাবদ্ধ করা যেতে পারে। এই অপকার নীতির ধারণাটি প্রণয়ন করেছিলেন জন স্টুয়ার্ট মিল তার অন লিবার্টি নামক গ্রন্থে। সেখানে তিনি বলেন, "একটি সভ্য সমাজে কোন ব্যক্তির ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে তার উপর তখনই ক্ষমতার সঠিক ব্যবহার করা যায়, যখন তা অন্য কোন ব্যক্তির উপর সংঘটিত অপকারকে বাঁধা দেয়ার জন্য করা হয়। (উইকি )

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, ধর্মীয় ব্যাক্তিত্বের প্রতি অপবাদের চেয়ে বড় অপকার আর কি হইতে পারে ? ইহাকে বাধা দেওয়া বাক স্বাধীনতার লঙ্ঘন নহে, বরং ক্যান্সার হইলে যেমন অঙ্গ কাটিয়া ফেলিয়া হইলেও পুরো শরীর বাচাইতে হয়, ইহা তেমনি একখানা অস্ত্রপ্রচার মাত্র !

ব্লগে যেসকল পাঁঠা, ধর্ম ও ধর্মীয় ব্যাক্তিত্বের অবমাননা করে, ধর্ম সম্পর্কে ইহাদের জ্ঞান হাঁটুতে! না জানিয়া , না যাচাই করিয়া ধর্ম ও ধর্মীয় ব্যাক্তিত্ব সম্পর্কে যে অবমাননাকর লেখা তাহারা লিখিতেছে তাহা আসলে ধর্ম সম্পর্কে তাহাদের হাটু সমান জ্ঞানই প্রকাশ করিতেছে ! ইহারা রোগ হইলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যাইবে, আইনি বিষয়ে আইনজ্ঞদের কাছে যাইবে , আর ধর্মীয়, বিশেষ করিয়া ইসলামের বিষয় হইলে নিজে নিজে চিকিৎসা করিবে ! অথবা, হাতুড়ে ডাক্তারদের (পশ্চিমা বা অমুসলিম ) দ্বারস্থ হইবে, বিশেষজ্ঞদের কাছে যাইবে না। বঙ্গবন্ধু সম্মন্ধে জ্ঞান আহরণ করিতে হইলে যেমন জামাতি বা বামাতী সম্প্রদায় নির্ভরযোগ্য নহে , তেমনি ইসলাম সম্পর্কে জানিতে হইলে অমুসলিম বা অমুসলিম ভাবধারার ইসলাম বিশেষজ্ঞরাও নির্ভরযোগ্য নহে। তাই নিজে নিজে ইতিহাসবিদ হইয়া বা ঐরূপ বিশেষজ্ঞদের নিকট হইতে জ্ঞান আহরণ করিয়া ইতিহাসের নামে পাতিহাঁস প্রসব করা বানর হইয়া বাঘের লেজ দিয়া কান চুলকানির নামান্তর হইবে। ইহারা ব্লগার নামের কলঙ্ক। সামুর কাছে আবেদন ইহাদের নিয়ন্ত্রণ করিয়া কলঙ্ক মোচন করুন !



আরেক কিসিমের পাঁঠার আগমন হইয়াছে, কারণে অকারণে বিভিন্ন পোস্টে গিয়া গর্ভপাত করাই ইহাদের কাজ ! ইহারা কি সামুকে ডাস্টবিন পাইয়াছে ?
মেছোবাঘ যেমন লেজ ডুবাইয়া মাছকে আকৃষ্ট করে ইহারাও তেমনি বিভিন্ন পোস্টে গিয়া বিচি প্রদর্শন করিতেছে আর আশা করিতেছে মাছের মধ্যে যদি দুয়েকটা হাঙ্গর মাছ থাকে তাহা হইলে তাহাদের বিচি নামাইয়া এসাইলাম পাওয়াইয়া দিবে ! বিচি হারাইয়া হইলেও ইহারা এসাইলাম চায় ! সামুর উচিত ইহাদেরও পশ্চাৎদেশে লাথি মারিয়া সমুদ্রে নিক্ষেপ করা। ভাসিয়া ভাসিয়া ইহারা এসাইলামের দেশে যাউক, সামু যেন ইহাদের তরী না হয় !

মন্তব্য ২৩ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:০৯

নতুন নকিব বলেছেন:



অনেক গুরুত্বপূর্ন কথা বলেছেন। আপনার স্টাইলটা দারুন। অনেককে আকর্ষন করে।

আচ্ছা, আপনি কি সেইফ হয়েছেন? প্রথম পাতায় লেখা প্রকাশ হয় এখন?

অনেক ভাল থাকার দোআ আপনার জন্য।

০৬ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:৫৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: নারে ভাই, দুঃখে পড়ান যায় ! ইহজনমে আর সেইফ হইব না বোধহয় ! পাঁঠারা ধুমাইয়া ধর্মের অবমাননা করে, তাহার পরও নির্বাচিত পাতায় , আর আমি তাহাদের বিচি ফেলাইয়া ফিল্ড মার্শাল ! X((

২| ০৬ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ১১:২০

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: আবালে ভইরা গেছে। ২-১ দিন আগে একখানা জাত আবাল যার কিনা প্রাইভেসি বলতে কিছু নাই সে মুসলিম বিজ্ঞানি নিয়া পোস্ট মারাইছে। সেইখানে আবার কুরআনের কাহিনী নিয়া ভ্যাটকাইছে। এইটা ১০ বছর ব্লগিং করে কেম্নে সেইটা বুঝতাছি না।

লিংক

০৬ ই মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১২:৫০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আফসোস ! মুসলমান বাচ্চাদের চশমা এখন পশ্চিমা রংয়ে রঙিন হইয়া যাইতেছে ! আসল রঙ দেখিতে পায় না ! আল্লাহ দয়া করুন , দ্বীনের বুঝ দিন, হেদায়েত দিন ! আহ !

৩| ০৬ ই মার্চ, ২০১৮ সকাল ১১:২২

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: সরি, ৮ বছর ব্লগিং হবে

০৬ ই মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বছরে কি আসে যায় ! পরিপক্কতা প্রজ্ঞার সাথে, ক্রিটিকাল থিঙ্কিংয়ের সাথে , মুসলমানদের জন্য হেদায়েতের সাথে ! হার জমানায় বুদ্ধুজীবীরাই সবচেয়ে দেরিতে হেদায়েত পায় ! আল্লাহ আমাদের বুদ্ধুজীবী না বানাইয়া হেদায়েত নসিব করুন , আমিন।

৪| ১২ ই মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৩:১৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাক স্বাধীনতা হচ্ছে, মানুষের অধিকারের ভেতরে নিজকে প্রকাশ করা; সামুর বেশীর ভাগ ব্লগার নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন নন

১২ ই মার্চ, ২০১৮ বিকাল ৩:২৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: এইখানেই সমস্যা ! কোনটি অধিকার আর কোনটি অনধিকার, অধিকার চর্চার সীমা কোথায় ইহা না জানার কারণেই যত ঝামেলা হইতে থাকে ! ইহারা স্বাধীনতার অর্থ জানে না ! তাই আবাল পোস্ট প্রসব করার অধিকারকেই স্বাধীনতা মনে করে !

৫| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ ভোর ৫:৩০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সুন্দর পোস্ট। আমরা চেষ্টাই করি না। কেবল চিৎকার করি।

২১ শে মার্চ, ২০১৮ সকাল ৯:৩৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ!

৬| ২১ শে মার্চ, ২০১৮ সকাল ১০:৩৬

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: আমি বাক স্বাধীনতার সজ্ঞা দিবো - বাংলাদেশে বাক স্বাধীনতা বলতে বুঝায় সকল সীসারেখা লঙ্ঘন করে দেশী বিদেশী প্রভুদের খুশি করার নিমিত্তে উদ্ভট তথ্যের ভিত্তিতে ইসলাম ধর্মের কুটুক্তি করা।



আমার উপরোক্ত সজ্ঞার ভিত্তিতে আপনি একটি পোস্ট দিন দেখবেন মুহূর্তে আপিনি সেফ এবং প্রথম পাতায়।

২১ শে মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১২:২৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: উহা করার মত বিচি আমার নাই ভাইডি ! পাঁঠা বা ছাগু কোন সম্প্রদায়ভুক্ত হইবার চাই না ! মুসলমান হিসেবে ইসলামরে ভালোবাসি ! তাই অবমাননা সহ্য হয় না ! ইহাতে সামু আমারে ফিল্ড মার্শাল হইতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বানাইলেও কিছু করার নাই !

মডারেশন প্যানেলের অযোগ্যতার দরুন সামু সুপারমল হইতে মুদির দোকান হইয়াছে, না শোধরাইলে পান-বিড়ির দোকান হইবে !ধন্যবাদ!

৭| ৩০ শে মার্চ, ২০১৮ সকাল ১১:২৮

কালীদাস বলেছেন: হলোকাস্টের ব্যাপারটা ছাড়া পোস্টের বেশিরভাগ কনটেন্টের সাথে একমত। হলোকাস্টের বিপরীতে ইউরোপে কথা বলা যায় না ব্যাপারটা পুরাপুরি সেরকম না; নাজি বা ফ্যাসিস্টদের সমর্থকরা এখনও এক্টিভ পলিটিক্স করে জার্মানি বা ইটালিতে। বিগত বছরগুলোতে এদের উত্থান আতংকিত হওয়ার মতই। নৈতিকতাটা খুব ভালভাবে শেখানো হয় ইউরোপে স্কুল লেভেলে; এরপর কেউ যদি অণ্যায়কে সাপোর্ট করে সেটা ব্যক্তির সীমাবদ্ধতা, রাষ্ট্রের না।

২ নাম্বার কমেন্টে অয়নের উল্লেখ করা লিংকের নিকটা আসলেই একটা আবালের। আমি এটার মত ছাগল ব্লগে কমই দেখেছি। সে যে ইসলামের এগেইনস্টে পোস্ট দিয়েছে সেজন্য না, সে আসলেই একটা পোজার রামছাগল, বা* পাকার সময় হয়ে গেছে এখনও জানে না কোন জায়গায় কিসের ছবি দিতে হয়। ঐ পোস্ট দিয়েছে ইসলামের চুলকানি থেকে আবার এর পুরা আফগান মোল্লার মত পোস্টও আছে। ইডিয়ট একটা।

৩০ শে মার্চ, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমিও জানি হলোকাস্টের ব্যাপারটা পুরোপুরি এমন না ! ইহুদি এবং বুদ্ধুজীবী সম্প্রদায়ের একচোখা দৃষ্টি সময়ের সাথে কিছু কিছু পরিবর্তন হইতেছে, আগের মতন আর হলোকাস্ট শুনিলেই ইউরোপিয়ানরা গলিয়া পানি হইয়া যায় না ! অতি প্রচার আর অপপ্রচারের আড়ালে ইহুদিরা যে আকামগুলো করিত, করে , মানুষ এখন সেগুলো সম্পর্কে প্রশ্ন করিতেছে ! তবে নাৎসিরা আরেক কাঠি বাড়া ! একবিংশ শতাব্দীতে এই আবালীয় বমি যে ইউরোপিয়ানরা আবারো খাইতেছে ইহা বিস্ময়কর ! আমার ধারণা, সব মতবাদ শেষ পর্যন্ত মুসলিম ও ইসলাম বিরোধিতায় নামিয়া যাইবে ! তবে বুদ্ধুজীবী ও রাজনৈতিক সম্প্রদায় এখনো হলোকাস্টের বিরোধী কিছু বলিলে অবাঞ্চিত ঘোষণা করিয়া থাকে বলিয়া জানি ! অবস্থার পরিবর্তন হইলে ভালোই !

আর দুই নম্বরে উল্লেখিত ব্লগার সম্পর্কে কি বলিব ! আমিতো ধারণা করিয়াছিলাম ব্লগকে সচল রাখার জন্য সামুই তাহাকে নিয়োজিত করিয়াছে ! না হইলে বকরীর লাদির মতন পোস্ট কিভাবে দিতে পারে, বিশেষ করিয়া ফ্যামিলি ম্যাটারগুলো ! তবে কিছু লেখা ভালো লাগে ! আমার ধারণা তাহার বয়ঃসন্ধিকাল শেষ হয় নাই !

৮| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:১৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আপনি এখনও সেফ হন নাই আমি এটা জানিনা।

জানলে সবার আগে আপনার নামটাই থাকত।

অন্য কোন বিষয়-গল্প, কবিতা, রম্য ................।পোস্ট করে দেখুন কি হয়।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমি প্লেটোর অনুসারী ! আমার রাজ্যে কবির কোন স্থান নাই ! গল্প, রম্য লেখার মতন মনই নাই ! খালি কান্দন আর কান্দন !!!!!!!!

৯| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৩:৫২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: থাক কেদে কাজ নেই।

যা পারেন তাই পোস্ট করেন।

হয়তো একদিন সেফ হবেন................।অপেক্ষায় থাকলাম।

১৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:১৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ভাই , বকরীর লাদির মতন পোস্ট যে আসে না ! তবে কায়কাউসের পোলা জামিলের মতন যদি কবিতা লিখিতে বলেন তাহা হইলে চেষ্টা করিয়া দেখা যাইতে পারে !

১০| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:৪৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ভাই নতুন পোস্ট দিন।

১৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৪:১৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: মাথা খুঁড়িতেছি !

১৮ ই এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:০০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: অবশেষে ব্যাপক কোষ্ঠকাঠিন্যের (পোস্ট বাইর হইতেই চায় না ) বাঁধা অতিক্রম করিয়া পোস্ট দিলাম ! পড়িয়া লইবেন !

১১| ০৮ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১:৪১

জহিরুল ইসলাম সেতু বলেছেন: ইসলাম রক্ষা ও প্রচারের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা হচ্ছে, মহানবী (সাঃ) এর আদর্শ অনুসরণ করে বলা ও লেখা। লেখায় খোঁচা মারা, গালাগাল করা হলে (বিশেষ করে ইসলামী ভাবাদর্শের লেখায়) ইসলামের মাহাত্ব আড়ালে পড়ে যায়।
যুক্তি দিয়ে যুক্তি খণ্ডন এবং আদর্শকে সমোন্নত রেখে ধর্ম প্রচার আমার কাছে অধিক যৌক্তিক মনে হয়। যাক এলেম দেবার মতো জ্ঞান আমার নেই, ত্রুটি মার্জনা করবেন।

০৮ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৪০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনি সঠিকই বলিয়াছেন ! তবে ব্লগে আমি তবলীগ করিতে আসি নাই, ইসলাম প্রচার করিতেও না ! আমি ম্যাংগোপিপল মাত্র ! সোশ্যাল সাইটগুলোকে আমি ইসলাম প্রচারের যোগ্য মনে করিনা ! দোয়া চাই !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.