নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুসলমানের দুর্গতির কারণ ! উত্তরণের ভুল পরামর্শ !!! ১৮+

০৮ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৯



প্রথম মহাযুদ্ধের আগে হইতেই দীর্ঘকাল পর্যন্ত মুসলমান পশ্চিমা বিশ্বের তথা খ্রিষ্টান বিশ্বের বগলের তলায় থাকিয়া দুর্গন্ধযুক্ত হইয়া গিয়াছিল। যাহারা আরো নিচে তাহাদের দুই রানের চিপায় বাস করিত তাহারা লাক্স সাবান দিয়াও পরিষ্কারের অযোগ্য হইয়া গিয়াছিল। জিগাতলার ট্যানারির বাসিন্দাদের মতন তাহারা আর এই দুর্গন্ধ ছাড়া বাঁচিতে পারে না !



অতীত কাল হইতেই যাহারা পশ্চিমাদের বগলের তলায় বাস করিতে বিদ্রোহ করিয়াছে , তাহারা মুসলমানকে পশ্চিমাদের বগলের তলা হইতে, মাইনকা চিপা হইতে বাহির করিতে প্রানপন চেষ্টা করিয়াছেন , এমনকি প্রাণ পর্যন্ত বিসর্জন দিয়াছেন, কিছু মানুষ বগলের তলা হইতে বাহির হইলেও মাইনকা চিপায় যাহারা বাস করিত তাহাদের টানিয়া বাহির করিতে চাহিলেও ঘুরিয়া ফিরিয়া তাহারা সেখানেই ফিরিয়া যায় ! বাহিরের মুক্ত বাতাস তাহাদের ভালো লাগে না ! ইহারা পশ্চিমাদের রঙে রঙিন চশমা পরে, পশ্চিমা কুজিন ছাড়া চলে না , তাহাদের পানীয় খায় , তাহাদের সংস্কৃতিতে ঘুমায় , এমনকি তাহাদের হার্টও পশ্চিমা চিন্তাই পাম্প করে। মাইনকা চিপায় বাস করার কারণে বাহিরের বাতাস, বাহিরের আলো ইহাদের জন্য বিষ, ইহারা হ্যারি পটারের ভুত হইয়া গিয়াছে, শেওড়া গাছের পেত্নী হইয়া গিয়াছে !



তাহারা ভুত হউক আর পেত্নী হউক , পশ্চাৎদেশে বা মাইনকা চিপায় যেখানে খুশি বাস করুক না কেন , সমস্যা হইল পশ্চিমাদের বগলের তলার দুর্গন্ধ মুসলমান হইতে এখনো দূর হয় নাই , আর মাইনকা চিপায় বাস করা বাসিন্দারাই মুসলমানের ঘাড়ে বসিয়া বান্দরের মতন দুই কান চাপিয়া মুসলমানের মুখকে পশ্চিমাদের দিকে ঘুরাইয়া রাখিয়াছে !! এখন মুসলমানকেই ঠিক করিতে হইবে সে কি মাইনকা চিপায় যাইবে নাকি বানরকে উপেক্ষা করিয়া মুক্ত আলো বাতাসে বাহির হইবে !! নাকি লেজকাটা শিয়ালের পরামর্শ মানিয়া নিজেরও লেজ কাটিবে !




পশ্চিমাদের চশমায় দুনিয়া দেখিয়া বা মাইনকা চিপার বাসিন্দাদের পরামর্শ মানিয়া যাহারা চিন্তা করিতেছেন যে মুসলমানের উন্নতি পশ্চিমাদের অনুসরণে জ্ঞান, বিজ্ঞানে, প্রযুক্তিতে , গণতন্ত্রে, পশ্চিমা সংষ্কৃতি , শিক্ষার অনুসরণের মধ্যেই নিহিত তাহারা যে বিরাট ভুলের মধ্যে আছে ইহা বলার অপেক্ষা রাখে না ! মুসলমানের উন্নতি ইহার মধ্যে নহে। মুসলমানের সমস্যার সমাধান ইহার মধ্যে নহে। বরং মুসলমানের সমস্যার অন্যতম কারণও ইহা ! পশ্চিমা শিক্ষা , প্রযুক্তি অর্জনে নিষেধ নাই , বরং প্রাথমিক কালের ইতিহাসেও ইহা শিক্ষা করিতে দেখা যায় , তবে তাহাদের চশমায় দুনিয়া দেখায় সমস্যা আছে !



আমাদের দুর্ভাগ্য বর্তমান কালে বা নিকট অতীতে আমরা মুসলামানের আদর্শিক অবস্থানের তেমন কোন জোরাল উদাহরণ দেখাইতে পারিতেছি না যাহা অন্যরা পারিতেছে !মাইনকা চিপার বাসিন্দারা আমাদের স্বর্ণযুগের উদাহরণকে বাতিল বলিতেছে, উড়াইয়া দিতেছে ! নতুন সমাধান বাৎলাইতেছে। ইহারা জানে না , মুসলমানের সমস্যার সমাধান চার জিনিসে খুঁজিতে বলা হইয়াছে। কুরআন , হাদিস , ইজমা, কিয়াস ! সুতরাং নতুন উপায় কখন অবলম্বন করিতে হইবে , কাহাদের হইতে উপায় লইতে হইবে , কিভাবে হইবে তাহাও বলা হইয়াছে। নিজেদের স্বকীয়তা হারাইয়া অন্যকে অন্ধ অনুসরণ করিলে উহা কাকের ময়ূর সাজার চেয়ে বেশি কিছু হইবে না ! তাহাই হইতেছে !

রাষ্ট্র ক্ষমতা , সামরিক শক্তি, লড়াইয়ের চেতনা , উন্নত সংষ্কৃতির অধিকারী না হইলে সেই জাতির আদর্শিক স্থান বিশ্বে নাই। ইহার সবগুলি মুসলমানের অতীতে থাকিলেও বর্তমানে নাই বলিলেই চলে , যেটুকু আছে তাহাও নিয়ন্ত্রণ করিতেছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাইনকা চিপার বাসিন্দারাই ! ইহাদের লড়াইয়ের চেতনা শুধু মুসলমানদের বিরুদ্ধেই আছে , পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে ইহাদের লেজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুই পায়ের ফাঁকে ঢুকিয়া যায় ! যাহার কারণে মুসলমানের কোন আশা নাই ! অন্তত চূড়ান্ত পর্যায় পর্যন্ত !

আজ যে দুনিয়ার প্রযুক্তি , জ্ঞান , সামরিক শক্তি না থাকার কারণে মুসলমান হাহাকার করিতেছে, দুনিয়া জয়ের জন্য মুসলমানের ইহা খুব গুরুত্ব পূর্ণ নহে , গুরুত্বপূর্ণ হইল ঈমানী চেতনা, নেক আমল যাহার কারণে লড়াইয়ের চেতনা আসে, মৃত্যুর ঝুঁকি নিতে মন তৈয়ার হইয়া যায়। ইসলামের বিজয় ও পরাজয় গুলো বিশ্লেষণ করিলেই ইহা প্রতিভাত হইয়া যাইবে, প্রাথমিক কালেও , মধ্যকালেও। মুসলমান আজ সেই চেতনাই হারাইয়াছে। যাহাদের আছে তাহারাও জানে না বা খুঁজিয়া পায় না কোথায় নিজেদের কাজে লাগাইতে হইবে !

মাইনকা চিপার বাসিন্দারা ক্রমাগত নসিহত করিতে থাকে । মুসলমানের দুরবস্থা লইয়া ইহাদের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হইয়া যায়, আমরাও কান্দিলাই , কান্দিয়া কান্দিয়া ইহারা আসলে আমাদের মাইনকা চিপায় লইতে চায় , লেজ কাটিতে চায়।

ইহারা জানে না চূড়ান্ত পর্যায়ে না যাওয়া পর্যন্ত মুসলমানদের অবস্থা আরো খারাপ হইবে, ইজরায়েল আরো শক্তিশালী হবে, মুসলমান আরো শক্তিহীন হইবে, ইহাই প্রফেসি। ইহা হইবেই। কেন হইবে আল্লাহই ভালো জানেন। ওলামায়ে কেরাম ভালো বলিতে পারিবেন। হাদিসের মওফুম আছে , মুসলমানের সংখ্যা বেশি হইলেও তাহারা পর্যদুস্ত হইবে। ইহার কারণ বলা হইয়াছে , মুসলমানের মধ্যে অহান বা মৃত্যুভয় বাড়িয়া যাইবে। ইহার কারণ হইতে পারে ঈমানের ঘাটতি, আমলের কমতি। আল্লাহওয়ালারা মৃত্যুকে ভালোবাসেন । তাহারা ঈমানী শক্তিতে বলীয়ান , আমলী শক্তিতে সমৃদ্ধ। আমরা আল্লাহওয়ালা নই, হইতে চেষ্টা করিতেছি না !

পশ্চিমা বিশ্বের মতন প্রযুক্তি আর জ্ঞানে উন্নত হইলেই উহাদের সাথে টক্কর দেওয়া যাইবে ইহা ভুল ধারণা। অতীত ইতিহাস বলে মুসলমান যখন জ্ঞান , বিজ্ঞান , প্রযুক্তি , সংষ্কৃতি , বিলাস , ব্যসন সবকিছুতেই সারা দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ ছিল, বাগদাদ তখন ধ্বংস হইয়াছিল বর্বর মোঙ্গলদের দ্বারা, যাহাদের দিন কাটিত ঘোড়ার পিঠে, আর রাত তাঁবুতে । স্পেন বিজিত হইয়াছিল পশ্চিমাদের দ্বারা যাহাদের শাসনামলকেই মধ্যযুগের বর্বরতা বলা হয় ! সবকিছুই ছিল , শুধু ছিল না ঈমানী চেতনা , মূল্যবোধ ; যাহার কারণে লড়াই করার মানসিকতা তৈরী হয় ! খলিফা মোঙ্গলদের প্রতিরোধ করার জন্য ১০০০০ সেচ্ছাসেবক চাহিয়াও পায় নাই। ফলাফল পরিষ্কার ! একারণেই ইরাকী বাহিনী যুদ্ধে না মরিয়া ধুকিয়া ধুকিয়া মরার জন্য, আত্মসমর্পণ করার জন্য তৈয়ার হইয়া যায় , সিরাজের বাহিনী কামানের মুখে আক্রমণ না করিয়া আত্মসমর্পন করিয়া দেশ , জাতি , নিজেকে অপমানকর মৃত্যুর মধ্যে ফেলে !

আমরা যাহাকে লড়াইয়ের চেতনা বলিতেছি তাহা পশ্চিমারা লালন করিতেছে তাহাদের মারদাঙ্গা সংষ্কৃতির মাধ্যমে, সিনেমা , উপন্যাসের মাধ্যমে। নিজেদের লড়াইয়ের চেতনা তাহারা জিয়াইয়া রাখিতেছে ঠিকই ! আর মুসলমান যেখানেই লড়াই করিতেছে তাহারা সন্ত্রাসী (!) হইয়া যাইতেছে !

পশ্চিমা সংষ্কৃতি অনুসরণ করিয়া মুসলমান না পারিতেছে তাহাদের লড়াইয়ের সংষ্কৃতি আত্মস্থ করিতে , কারণ জানে ইহা তাহাদের নহে , না পারিতেছে নিজেদের ঈমানী চেতনা লালন করিয়া লড়াইয়ের চেতনা পালন করিতে। তাই মুসলমান হারে কেন , হারিবে কেন সহজেই অনুমেয় ! এই অবস্থা হইতে উত্তরণে পশ্চিমাদের বগলের তলা, মাইনকা চিপা হইতে বাহির হইতে হইবে ! উহাতে গমন নহে !!!

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১:১৯

জহিরুল ইসলাম সেতু বলেছেন: রবিন্দ্রনাথ বলেছিলেন, আধমরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।
ঘা মারছেন ভাল কথা, কিন্তু কথায় ধানমরিচের ছড়াছড়ি! ঝালটা একটু বেশি হইয়া গেল না ভাই?
এতো ঝাল সকলের কি হজম হইবে?

০৮ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৫০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সকলের হজমের দরকার নাই। কিছু মানুষের যেন বদহজম হয় সে নিয়তেই ঝাল দেওয়া হইয়াছে !

২| ০৮ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১:২১

জহিরুল ইসলাম সেতু বলেছেন: দুঃখিত, রবিন্দ্রনাথ না, রবীন্দ্রনাথ হবে। অনাকাঙ্খিত ভুল হয়ে গেছে, ক্ষমা করবেন।

০৮ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৫২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বানান ভুল হইলে রবিবাবু কিছু মনে করিবেন না ! তাহার মুরিদগন অবশ্য মাইন্ড খাইতে পারেন !

৩| ০৮ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১:৩২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: চমৎকার বাস্তবসম্মত লেখা। লেখাটি ধর্ম নিয়ে যারা ঘাটাঘাটি করেন, তারা পড়লে উপকৃত হতেন। তাদের চৈতন্য জাগ্রত হবে। লেখাটি ভাল লাগায় লাইক দিলাম +++। ইসলামের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আমার একটি লেখা আছে।

আপনি চাইলে, এই লেখাটি পড়ে দেখতে পারেন।

০৮ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৫৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ ! পড়িয়া দেখিব !! আপনিতো নিয়মিত লিখিতেছেন ! ভালোই। সিলেট ভালোই লাগে। অল্পের জন্য সিলেটি জামাই হয় নাই !

৪| ০৮ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১:৪১

বাবুরাম সাপুড়ে১ বলেছেন: আল্লাহওয়ালা রা মৃত্যুকে ভালোবাসেন ....... ঠিকই তো ! দেখছেন না আইসিসরা কেমন মৃত্যু বরণ করছে। ..আল কায়দা , বোকো হারাম.. .আরো কত কি আছে ....কি যেন বলে এটাকে ---ওহ হ্যা শাহাদাত ! আবার বলবেন না যেন এসব ইসরায়েলের ষড়যন্ত্র ! আল্লাহ চাইছেন তবেই না এসব হচ্ছে ! অবশ্য দুদিনের এই দুনিয়াদারী ..চার পলের এই জিন্দগী। .এখানে আছেটাই বা কি ?? আল্লাহ সর্বজ্ঞ , কোন কিছুই তাঁর ইচ্ছা বিনা হয় না।

০৮ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:০০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: মাইনকা চিপা কেমন লাগিতেছে কাহু ??

আইসিস, বোকো হারাম , আল কায়েদা কতটুকু আল্লাহওয়ালা তাহা ওলামায়ে কেরাম বলিতে পারিবেন। আমি আল্লাহওয়ালা বলিতে সুফিদের বোঝাইয়াছি !

মুসলমানের দুনিয়া নাই। আল্লাহর হুকুম ও রাসূল স. এর তরিকা অনুযায়ী ব্যবসা , চাকুরী , শিক্ষা যাহাই করুক না কেন , হালাল হইলে সবই আখিরাতের পুঁজি হইয়া যায়।

০৯ ই জুন, ২০১৮ রাত ১২:০৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আলকায়েদা , আইসিস ,বোকো হারাম কেন উৎপন্ন হইয়াছে ইহা নিশ্চয় বলিবেন না ! ভাসুররা দায়ী হইলে তাহাদের নাম মুখে আনিতে নাই ! মাইনকা চিপায় বাস করিলে ইহা মুখেও আসিবে না !শুভ মাইনকা চিপায় বসবাস !!!!!!!!

৫| ০৮ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১:৫৬

নতুন বলেছেন: আমেরিকার সৈন্যদের ইমানী শক্তি এতো বেশি কেন? তারা কেন মৃত্যুকে ভয় পাচ্ছেনা? কেন তারা যুদ্ধে জয়ী হচ্ছে?

কেন পৃথিবিতে আমেরিকান সম্রাজ্য চলছে? কেন চাইনিজ সম্রাজ্য সামনে আসতেছে?

০৮ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:০৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ছোটবেলায় পাঁঠাকে দেখিয়েছেন ? পাঁঠার বিচিতে হাত দিলে উহা লাফাইয়া ওঠে , সামনের দিকে দৌড়ায় ! আমেরিকান সৈন্যদের ঈমান তাহাদের বিজয়ী করে না , তাহাদের ঈমান নাই , তাহারা তাহাদের মারদাঙ্গা সংষ্কৃতির কারণে দৌড়ায়। উহা তাহাদের বিচিতে সুড়সুড়ি দিয়া সামনে দৌড়াইতে বাধ্য করে। ইহারা কাপুরুষ ! আফগানিস্তানে, ভিয়েতনামে মারা খাইয়া গ্রামের পর গ্রাম বোমা মারিয়া সাধারণ মানুষকে হত্যা করিয়াছে। কাপুরুষ না হইলে সাধারণ মানুষের উপর গণহত্যা চালাইতো না !

জয় পরাজয় আল্লাহর হাতে। বাহ্যিক ভাবে আমরা কারণ দেখি। জাতিসমূহের উত্থান পতন স্বাভাবিক !

জমির ফসলের পরিচর্যা না করিলে আগাছাদেরই দৌরাত্ম হইয়া থাকে !

৬| ০৮ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ২:২৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আল্লাহওয়ালা রা মৃত্যুকে ভালোবাসেন ....... ঠিকই তো ! দেখছেন না আইসিসরা কেমন -

বাংলদেশ ও ইংল্যান্ড ইউরোপ থেকে ৩০০০ এর মত বাংগালী বংশদ সিরিয়াতে গেছিল জেহাদে যোগ দিতে।
শখানেক মেয়েও গেছিল যেহাদে বা দেহযেহাদে।
পরে অবস্য সবাই গর্ভবতি হয়ে ফেরত এসেছিল

০৮ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:১০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: মাইনকা চিপা কেমন লাগিতেছে কাহু ??

আইসিস, বোকো হারাম , আল কায়েদা কতটুকু আল্লাহওয়ালা তাহা ওলামায়ে কেরাম বলিতে পারিবেন। আমি আল্লাহওয়ালা বলিতে সুফিদের বোঝাইয়াছি !

মুসলমানের দুনিয়া নাই। আল্লাহর হুকুম ও রাসূল স. এর তরিকা অনুযায়ী ব্যবসা , চাকুরী , শিক্ষা যাহাই করুক না কেন , হালাল হইলে সবই আখিরাতের পুঁজি হইয়া যায়।

০৯ ই জুন, ২০১৮ রাত ১২:০৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আলকায়েদা , আইসিস ,বোকো হারাম কেন উৎপন্ন হইয়াছে ইহা নিশ্চয় বলিবেন না ! ভাসুররা দায়ী হইলে তাহাদের নাম মুখে আনিতে নাই ! মাইনকা চিপায় বাস করিলে ইহা মুখেও আসিবে না !শুভ মাইনকা চিপায় বসবাস !!!!!!!!

৭| ০৮ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৫৪

ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ বলেছেন: @ টারজান- আপনারা বড় অদ্ভুত চিজ, 2018 সালে এসে আধুনিক দুনিয়ার সব সুযোগ- সুবিধা ভোগ করবেন, সর্বোচ্চ উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করেবেন আর স্বপ্ন দেখবেন চৌদ্দশত বছরের পুরোনো পৃথিবীর। নিজেদের যাবতীয় অক্ষমতার জন্য, ব্যর্থতার জন্য,শিক্ষা- দীক্ষা জ্ঞান-বিজ্ঞানে পিছিয়ে থাকার জন্য দোষারোপ করবেন পশ্চিমা দেশগুলোর আর ইহুদি নাসারাদের। আর নিজেদের সব মেধাশক্তি ব্যয় করবেন শিয়া- সুন্নি, সুন্নি- কাদিয়ানী, মাযহাবী-আহলে হাদিস কামড়া কামড়িতে। আপনার জন্য আফসোস !

০৮ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:২১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: শিরোনামে ১৮ + ট্যাগ লাগাইয়াছি , পোস্টটা নাবালেগদের জন্য নহে ! কারণ , নাবালেগ কখনো বালেগ হওয়া কি জিনিস বুঝিতে পারেনা !

অন্ধ হইলেই তো প্রলয় বন্ধ থাকে না।মানবসৃষ্ট সকল মতবাদের মৃত্যুঘন্টা বাজিয়া গিয়াছে ! সারা বিশ্বই ধর্মের দিকে ঝুঁকিতেছে , কাউয়ার মতন চোখ বন্ধ করিয়া থাকিলে ইহা নজরে পরিবেনা ! স্বয়ং মার্কেলের দলের নাম ক্রিস্টিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি , খেয়াল আছে ?

জ্ঞান , বিজ্ঞান , প্রযুক্তি অর্জনের বিরোধিতা কেহ করিতেছেনা ! পশ্চিমাদের মাইনকা চিপা হইতে বাহির হইতে বলা হইতেছে !

বিভক্তি কাহার মধ্যে নাই ? সবার মধ্যেই আছে। খ্রিস্টানরা খ্রিষ্টান মারিয়াছে ইহা বেশিদিন হয় নাই , ইহুদিরাও , হিন্দুরাও। আজ তাহারা সাধু হইয়া মুসলমানরে দোষারোপ করিতেছে ! চালুনি বলে সুঁই তোর পাছায় ফুটো ! পার্থক্য হইল তাহারা নিজেদের স্বার্থে এক হইতে পারিতেছে , মুসলমান পারিতেছে না !

৮| ০৮ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:০৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



কোরান, হাদিস, ইজমা, কিয়াস, অনুসরণ করে মুসলমানেরা আজকের অবস্হানে এসেছেন। পশ্চিম যেই অবস্হানে এসেছেন, সেটা মানুষের ভাবনা ও জ্ঞান থেকে, সেখানে বাইবেল, যীশুর উপদেশ, ইজমা, কিয়াস নেই।

মুসলমান ইমামেরা কোরান হাদিস জানেন, নামাজ পড়াছ্ছেন, ইসলামের পথ দেখাচ্ছেন; কিন্তু তারা সমসাময়িক মানুষের জ্ঞান থেকে সব সময় পেছনে; কারণ, কোরান হাদিসে ধর্মীয় জ্ঞানের বাহিরে কিছু নেই; ধর্মীয় জ্ঞান দ্বারা মানুষ বেহেশতে যাবেন; কিন্তু পৃথিবীত ভালো থাকতে হলে মানুষের সাধরণ জ্ঞান দরকার, যা ইমামদের নেই, মুসলমানদের নেই।

০৮ ই জুন, ২০১৮ রাত ১১:২৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কোরান, হাদিস, ইজমা, কিয়াস, অনুসরণ করে মুসলমানেরা আজকের অবস্হানে এসেছেন। পশ্চিম যেই অবস্হানে এসেছেন, সেটা মানুষের ভাবনা ও জ্ঞান থেকে, সেখানে বাইবেল, যীশুর উপদেশ, ইজমা, কিয়াস নেই।

সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানেরা কুরআন, হাদিস, ইজমা, কিয়াস বাদ দিয়া বহু আগেই মাইনকা চিপার বাসিন্দাদের অনুসরণ করিতেছে। যাহারা কুরআন, হাদিস, ইজমা, কিয়াস অনুসরণ করিতেছে তাহারা সংখ্যালঘিষ্ঠ ! সুতরাং মুসলমানদের এই দুরবস্থার জন্য দায়ী মাইনকা চিপার বাসিন্দারাই। সংখ্যালঘিষ্ঠরা নহে।

মুসলমান ইমামেরা কোরান হাদিস জানেন, নামাজ পড়াছ্ছেন, ইসলামের পথ দেখাচ্ছেন; কিন্তু তারা সমসাময়িক মানুষের জ্ঞান থেকে সব সময় পেছনে; কারণ, কোরান হাদিসে ধর্মীয় জ্ঞানের বাহিরে কিছু নেই; ধর্মীয় জ্ঞান দ্বারা মানুষ বেহেশতে যাবেন; কিন্তু পৃথিবীত ভালো থাকতে হলে মানুষের সাধরণ জ্ঞান দরকার, যা ইমামদের নেই, মুসলমানদের নেই।

ইহা আপনার ভুলধারণা ! ধর্মীয় জ্ঞানের সাথে সাধারণ জ্ঞান অর্জনে তো নিষেধ নাই , কেহ করেও নাই। বর্তমানেও এমন বহু ধার্মিক আছেন যাহারা উভয় জ্ঞানই অর্জন করিতেছেন , ভালো আছেন। মুসলমানদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠরা ধর্মীয় জ্ঞান বাদ দিয়া সাধারণ জ্ঞান অর্জনেই লাগিয়া আছে, তাহারা কেন সফল হইতেছে না, ভালো থাকিতেছে না ? ইহাতো ইমামদের ব্যার্থতা নহে।সাধারণ জ্ঞান অর্জনে কেহ নিষেধ করিতেছে না ,বরং ইহা ফরজে কেফায়া। শুধু স্বকীয়তা বর্জন করিয়া মাইনকা চিপায় যাইতে নিষেধ করা হইতেছে।

৯| ০৮ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:১৫

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: যা হউক, উপর থেইক্কা বোমা পড়লে আর আল্লাহু আকবর বলে চিৎকার দিলে বোমা ড্যামেজ হইবেনা। বোমা মারা রোধ করতে হলে প্রতিরোধী অস্ত্র আবিষ্কার করতে হবে। আল্লাহ কাউকে নিজ থেকে সাহায্য করেন না যদি না সাহায্যের উপযোগী হন। মুসলমানগণ বর্তমানে চিন্তা চেতনায় পিছিয়ে পড়েছে। চিন্তা চেতনায় উন্নতি না করতে পারলে আজীবন মাইর খাইবে।

০৮ ই জুন, ২০১৮ রাত ১১:৩৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: যা হউক, উপর থেইক্কা বোমা পড়লে আর আল্লাহু আকবর বলে চিৎকার দিলে বোমা ড্যামেজ হইবেনা। বোমা মারা রোধ করতে হলে প্রতিরোধী অস্ত্র আবিষ্কার করতে হবে। আল্লাহ কাউকে নিজ থেকে সাহায্য করেন না যদি না সাহায্যের উপযোগী হন। মুসলমানগণ বর্তমানে চিন্তা চেতনায় পিছিয়ে পড়েছে। চিন্তা চেতনায় উন্নতি না করতে পারলে আজীবন মাইর খাইবে।

আপনি বুঝি পোস্ট পুরো পড়েন নাই ! পশ্চিমা জ্ঞান ,প্রযুক্তি অর্জনে কেহ নিষেধ করে নাই , বরং তাহা ফরজে কেফায়া।হাদিসের মওফুমে ইহাও বলা হইয়াছে ,আল্লাহতায়ালা উত্তম তরিকায় চেষ্টা না করার কারণে তিরস্কার করেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানেরা বহু আগে হইতেই মাইনকা চিপার বাসিন্দাদের অনুসরণ করিতেছে। তাহারা কেন এই প্রাযুক্তিক জ্ঞান অর্জন করিল না। তাহাদের তো কেহ নিষেধ করে নাই। এইখানে ওলামায়ে কেরামের দোষ কোথায় ?

১০| ০৮ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:২৪

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: লেখার সাথে ছবিগুলো সুন্দর মিলিয়েছেন। বিশেষ করে নাক নিয়া বগল শুকতেছে ঐ ছবিটা তো ইউনিক।

০৮ ই জুন, ২০১৮ রাত ১১:৩৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: মুসলমান আজ এই চাকুরিই নিয়াছে ! দুঃখও লাগে, কষ্টও লাগে !

১১| ০৮ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:২৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


জ্ঞান হলো মনুষের ভাবনাশক্তি; এখানে ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ, ইহুদী, বা খৃষ্টান ধর্মগুলোর কোন ভুমিকা নেই।

০৮ ই জুন, ২০১৮ রাত ১১:৪০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: মানুষের জ্ঞান অর্জনের সাথে ইসলামের বিরোধ নাই , কেহ নিষেধ করে নাই।পশ্চিম যখন সভ্যতার ছোয়াও পায় নাই তখন মুসলমান গ্রিকদের জ্ঞান আত্মস্থ করিয়াছিল, আরবিতে অনুবাদ করিয়াছিল। পরবর্তীতে আগায় নাই ইহা মুসলমানদের সামগ্রিক ব্যার্থতা , কারণ মুসলমানের মূল চেতনাই দুর্বল হইয়া গিয়াছিল। নিষেধতো শুধু মাইনকা চিপায় , বগলের তলায় যাওয়া , পশ্চিমা চশমায় দুনিয়া দেখা !

১২| ০৮ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:৩২

আখেনাটেন বলেছেন: পাঁঠার বিচিতে হাত দিলে উহা লাফাইয়া ওঠে , সামনের দিকে দৌড়ায় ! -- হা হা হা হা হা! বেশ পুরান একটি স্মৃতি মনে করে দিলেন। আমাদের গ্রামের বাড়িতে এক অতি বদ প্রকৃতির ছেলের (যার নামই হয়েছিল 'হেডমাস্টার';) সারাদিনের অন্যতম কুকাজ ছিল গ্রামের পাশের গ্রামের পাঁঠা দেখলেই 'ঐ কাজ' করা। একসময় এমন হয়েছিল পাঁঠারাও ওকে দেখতে পেলেই আগেই শিং পাকিয়ে তেড়ে আসত। হয়ত বুঝতে পারত এরপর কি হতে যাচ্ছে? অন্যদের ক্ষেত্রে কিন্তু তা ঘটত না। হা হা হা।

যাহোক আপনার পোস্টের ব্যাপারে অাসি।

নিজেদের স্বকীয়তা হারাইয়া অন্যকে অন্ধ অনুসরণ করিলে উহা কাকের ময়ূর সাজার চেয়ে বেশি কিছু হইবে না ! -- সহমত। চীনারা ৯০'র দিকে এটা বুঝে উঠে। এতে গত দুই দশকেই চীনা বৈশ্বিক কোম্পানীর জয়জয়কার। জিডিপির একটি বড় অংশ স্বকীয়তা অর্জনে ব্যয় করছে। বাৎসরিক প্যাটেন্ট সূচকে শতধাপ পেছন থেকে এই বছর যুক্তরাষ্ট্রকে টপকাবে আশা করছে। জাপানি কোরিয়ানরা তা আগে করেছে ফলও আগে পেয়েছে। ভারত কেবল শুরু করেছে। ফলও আসতে শুরু করেছে। আমরা স্বকীয়তার বদলে অন্যের গাধা কিনে অাকাশে উড়াতেই পছন্দ করছি (চাঁদগাজীর মতে :D )।

পশ্চিমা শিক্ষা , প্রযুক্তি অর্জনে নিষেধ নাই , বরং প্রাথমিক কালের ইতিহাসেও ইহা শিক্ষা করিতে দেখা যায় , তবে তাহাদের চশমায় দুনিয়া দেখায় সমস্যা আছে ! -- দুনিয়া এখন চলছে ব্রান্ডিং এর উপর। কে কত ভালোভাবে নিজেদের ব্রান্ডিং করতে পারে। তার উপরই নির্ভর করছে দেশ কিংবা জাতি বা ব্যক্তির সফলতা। আমাদের ব্রান্ডিং প্রশ্নফাঁস, গলার রগ ফুলিয়ে নন-সাসটেইনেবল উন্নয়নের ঢোল, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দাফন-কাফন, দূষিত পরিবেশ, শোষনের মাধ্যমে টাকা পাচার ইত্যাদি।

রাষ্ট্র ক্ষমতা , সামরিক শক্তি, লড়াইয়ের চেতনা , উন্নত সংষ্কৃতির অধিকারী না হইলে সেই জাতির আদর্শিক স্থান বিশ্বে নাই। ইহার সবগুলি মুসলমানের অতীতে থাকিলেও বর্তমানে নাই বলিলেই চলে , যেটুকু আছে তাহাও নিয়ন্ত্রণ করিতেছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাইনকা চিপার বাসিন্দারাই ! ইহাদের লড়াইয়ের চেতনা শুধু মুসলমানদের বিরুদ্ধেই আছে , পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে ইহাদের লেজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুই পায়ের ফাঁকে ঢুকিয়া যায় ! -- মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষেত্রে এ কথা বহুলাংশে যায়। তার কারণও আছে। অবৈধ গদিটাতো বাঁচাতে হবে। পাকিরাও ৭১এ এই চেতনার প্রকাশ ঘটায়েছিল আমাদের উপর।

পশ্চিমা বিশ্বের মতন প্রযুক্তি আর জ্ঞানে উন্নত হইলেই উহাদের সাথে টক্কর দেওয়া যাইবে ইহা ভুল ধারণা। -- এটাতে একমত না। হয়ত আপনি জিনিসটা অন্যভাবে বুঝাতে চেয়েছেন। এটা ঠিক যে প্রযুক্তি ও জ্ঞানকে বুদ্ধি সহকারে অন্যদের সামনে উপস্থাপন করতে না পারলে এর সফলতা সুদূর পরাহত। যেটাকে আমরা গালভরা ভাষায় 'কূটনীতি' বলে থাকি। কূটনৈতিক ব্যর্থতার দরুন প্রযুক্তিগত দিক থেকে এগিয়ে থেকেও অনেকে পিছিয়ে পড়েছিল বা পড়েছে। বিশ্বযুদ্ধগুলোর অন্যতম কারণও ছিল এটি একটি। উদাহরণস্বরুপ, মালয়েশিয়ার একটি নিজস্ব প্রাইভেট কার আছে নাম 'প্রোটন'। একসময় বৃটেনেও রপ্তানী করেছে যে সময় কোরিয়ান গাড়িগুলো এতটা প্রচার পায় নি। চমৎকার প্রযুক্তিগত জ্ঞান থাকা স্বত্তেও কূটনৈতিক ব্যর্থতার দরুন এই জিনিস মালয়েশিয়ার বাইরে খুব একটা পরিচিত না। শুনছি বাংলাদেশে নাকি এর উৎপাদন শুরু করবে পিএইচপি গ্রুপ।

আমরা যাহাকে লড়াইয়ের চেতনা বলিতেছি তাহা পশ্চিমারা লালন করিতেছে তাহাদের মারদাঙ্গা সংষ্কৃতির মাধ্যমে, সিনেমা , উপন্যাসের মাধ্যমে। - আপনি মনে হয় 'সফট পাওয়ার' এর কথা বুঝাতে চাচ্ছেন। ঠিক তাই। আজকের যুগে 'সফট পাওয়ার' হচ্ছে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। গতকাল টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি রিপোর্টে দেখলাম যুক্তরাষ্ট্রের এ বছরের গ্রিন কার্ড পাওয়ার যে প্রাথমিক লিস্ট সেখানে শুধুমাত্র ভারতীয়রাই ৭০ শতাংশের উপর। যদিও একটি নির্দিষ্ট দেশ থেকে মনে হয় সাত শতাংশের বেশি তা দেওয়া হয় না।
ভারতীয়রা রীতিমত পশ্চিমা দুনিয়াতে একটি সমীহ আদায় করে নিয়েছে নিজেদের প্রচেষ্ঠার দ্বারা। এখন তারা তাদের শিল্প-সংস্কৃতির মাধ্যমে এগুচ্ছে। যদিও তাদের চীনাদের ধরতে অনেক পথ যেতে হবে। আগামী দশকগুলো যে চীনা ও ভারতীয়দের দ্বারা প্রভাবিত হবে এতে কারো দ্বিমত থাকার কথা। ভারতীয় সিইও দ্বারা পশ্চিমা বৈশ্বিক কোম্পানীগুলো চলছে। এভাবে ইন্ডিয়ান ব্রান্ডিং হচ্ছে।

যে তুরস্কে ২০০০ সালের আগে দু মিলিয়ন পর্যটকও যেত না সেখানে এখনও পাঁচ কোটির টার্গেট করছে। তুর্কি সিরিয়ালগুলো বলকান থেকে ভারত সবখানেই দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এগুলোই হয়তবা আপনি লড়াইয়ের চেতনা বলছেন।

আর ধর্ম নিয়ে আমার জ্ঞান যেহেতু শূন্যে কোঠায় তাই ওদিকে যাচ্ছি না। তবে ধার্মিকের সামনে 'অতি' উপসর্গটাতে আমার চরম আপত্তি। এই 'অতি' ব্যবহার শুধু আমাদের উপমহাদেশেই নয় পশ্চিমাদের মাঝেও বেড়ে গেছে। শুধু আঙ্গিকটা ভিন্ন।


শেষকথা: আমি কিন্তু বাবুরাম সাপুড়ে১ ও টারজান০০০০৭ এর চাপন উতোর উপভোগ করি যদি তা শালীনতার সীমা অতিক্রম না করে। :P

০৮ ই জুন, ২০১৮ রাত ১১:৪৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: খুব ভালোভাবে পড়ার জন্য ধন্যবাদ ! স্বকীয়তা বর্জন করিয়া কোন জাতি কবে উন্নতি করিতে পারিয়াছে।মাইনকা চিপার বাসিন্দারা আমাদের তাহাই করিতে বলিতেছে ! জাতিকে বান্দর বানাইয়া ইহারা উন্নতি করিতে চায় !

শুধু জ্ঞান ,বিজ্ঞান ,প্রযুক্তির উন্নতি করিলেই মুসলমান মাথা উঁচু করিতে পারিবে ইহা ভুল ধারণা ! সাথে ঈমানী চেতনা ,মূল্যবোধও লাগিবে। নাহইলে সব থাকিলেও, লড়াই করার চেতনা না থাকার কারণে বাগদাদ হইতে সময় লাগিবে না ! বর্তমানের বিধর্মী শক্তিগুলো মোঙ্গলদের চেয়েও বর্বর। মাইনকা চিপার বাসিন্দারা ইহা মানিবেনা !

১৩| ০৮ ই জুন, ২০১৮ রাত ৮:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: ছবি গুলো বাছাই করতে অবশ্যই আপনার অনেক সময় লেগেছে।

০৮ ই জুন, ২০১৮ রাত ১১:৫০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: তাহা লাগিয়াছে ! পড়ার জন্য ধন্যবাদ ! ভালো থাকবেন ! আমি দুষ্টলোক হইলেও আপনার জন্য দোয়া করিতেছি !

১৪| ০৮ ই জুন, ২০১৮ রাত ১১:৫৩

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল বলেছেন: ও ভাই বনের রাজা?
কোনটি কার ছবি??:(


পোস্টটা কালকে পড়বো!!:)

০৯ ই জুন, ২০১৮ রাত ১২:০২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আগামীকল্য পড়িয়া যদি না বুঝে আসে তাহা হইলে বলিয়া দিব ! এখন নাকে সরিষার তেল দিয়া ঘুমান ! শুভরাত্রি !

১৫| ০৯ ই জুন, ২০১৮ রাত ২:০৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আপনিতো নিয়মিত লিখিতেছেন ! ভালোই। সিলেট ভালোই লাগে। অল্পের জন্য সিলেটি জামাই হয় নাই!!
......... ভাই এখনো চান্স থাকলে মিস কইরেন না। B-) B-) সিলেটি মাইয়ারা কিন্তু খুব স্বামী ভক্ত। :( :(

০৯ ই জুন, ২০১৮ ভোর ৬:০৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: চান্সতো আরো তিনখানা আছে ভাইডি ! তবে আমার জেন আবার বাঘিনী কিনা ! রাজি হইবে না ! আমারও পোষাইবেনা ! একখানাতেই কামলাগিরি করিতে করিতে জীবন যায় ! বেশি হইলে রাজত্ব হারানোর আশংকা আছে ! ;)

১৬| ০৯ ই জুন, ২০১৮ রাত ২:৩২

রাকু হাসান বলেছেন: ঠিক..।আমরা স্বকীযতা হারিয়ে ফেলছি সেটাই অধঃপতনের কারণ । এই সব কি আদৌ শেষ হবে !! অনেকটা সাদু ভাষায় লেখাটা । নতুনদের এমন লেখা বলতে গেলে পড়ােই হয় না । ভালই লাগলো টারজান ভাইয়া

০৯ ই জুন, ২০১৮ ভোর ৬:১১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: চূড়ান্ত পর্যায়ে না যাওয়া পর্যন্ত শেষ হইবে না ! সাধু ভাষায় লিখিতে মজা পাইতেছি ! ধন্যবাদ !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.