নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

জাতির অধঃপতনে শিক্ষক সম্প্রদায়ের দায় !!! :( :( :(

১৪ ই জুন, ২০১৮ রাত ১১:৫০



১। ব্লগার কাউসার ভাই তাহার পোস্টে ডাক্তারদের এমন ধোলাই দিয়াছেন যে এপ্রোনের ভিতরে ডাক্তার থাকিলে , এপ্রোনের চাইতেও সাদা হইয়া যাইত ! বাস্তবে সব মাছ ইয়ে খায় , ঘাইরা মাছের নাম হয় ! কাস্টমার রিলেটেড সার্ভিসগুলোতে যেহেতু জনগনের সরাসরি সম্পৃক্ততা , তাই এই সার্ভিসগুলোই মানুষের মূল্যায়নের সম্মুখীন হয় ! একারণেই রাজনীতিক, পুলিশ , ডাক্তার , পরিবহন সেবা বেশি সমালোচনার সম্মুখীন ! বাস্তবে সব পেশাতেই যেইভাবে দুর্নীতি, বিশৃঙ্খলা প্রবেশ করিয়াছে তাহাতে ঠগ বাছিতে গা উজাড় হওয়ার জোগাড় ! তাহা হইলে সমস্যার গোড়া কোথায় !

২।
কাজী কাদের নেওয়াজ
শিক্ষকের মর্যাদা

বাদশাহ আলমগীর-
কুমারে তাঁহার পড়াইত এক মৌলভী দিল্লীর।
একদা প্রভাতে গিয়া
দেখেন বাদশাহ- শাহজাদা এক পাত্র হস্তে নিয়া
ঢালিতেছে বারি গুরুর চরণে
পুলকিত হৃদে আনত-নয়নে,
শিক্ষক শুধু নিজ হাত দিয়া নিজেরি পায়ের ধুলি
ধুয়ে মুছে সব করিছেন সাফ্ সঞ্চারি অঙ্গুলি।
শিক্ষক মৌলভী
ভাবিলেন আজি নিস্তার নাহি, যায় বুঝি তার সবি।
দিল্লীপতির পুত্রের করে
লইয়াছে পানি চরণের পরে,
স্পর্ধার কাজ হেন অপরাধ কে করেছে কোন্ কালে!
ভাবিতে ভাবিতে চিন্তার রেখা দেখা দিল তার ভালে।
হঠাৎ কি ভাবি উঠি
কহিলেন, আমি ভয় করি না'ক, যায় যাবে শির টুটি,
শিক্ষক আমি শ্রেষ্ঠ সবার
দিল্লীর পতি সে তো কোন্ ছার,
ভয় করি না'ক, ধারি না'ক ধার, মনে আছে মোর বল,
বাদশাহ্ শুধালে শাস্ত্রের কথা শুনাব অনর্গল।
যায় যাবে প্রাণ তাহে,
প্রাণের চেয়েও মান বড়, আমি বোঝাব শাহানশাহে।

তার পরদিন প্রাতে
বাদশাহর দূত শিক্ষকে ডেকে নিয়ে গেল কেল্লাতে।
খাস কামরাতে যবে
শিক্ষকে ডাকি বাদশা কহেন, ''শুনুন জনাব তবে,
পুত্র আমার আপনার কাছে সৌজন্য কি কিছু শিখিয়াছে?
বরং শিখেছে বেয়াদবি আর গুরুজনে অবহেলা,
নহিলে সেদিন দেখিলাম যাহা স্বয়ং সকাল বেলা''
শিক্ষক কন-''জাহপানা, আমি বুঝিতে পারিনি হায়,
কি কথা বলিতে আজিকে আমায় ডেকেছেন নিরালায়?''
বাদশাহ্ কহেন, ''সেদিন প্রভাতে দেখিলাম আমি দাঁড়ায়ে তফাতে
নিজ হাতে যবে চরণ আপনি করেন প্রক্ষালন,
পুত্র আমার জল ঢালি শুধু ভিজাইছে ও চরণ।
নিজ হাতখানি আপনার পায়ে বুলাইয়া সযতনে
ধুয়ে দিল না'ক কেন সে চরণ, স্মরি ব্যথা পাই মনে।''

উচ্ছ্বাস ভরে শিক্ষকে আজি দাঁড়ায়ে সগৌরবে
কুর্ণিশ করি বাদশাহে তবে কহেন উচ্চরবে-
''আজ হতে চির-উন্নত হল শিক্ষাগুরুর শির,
সত্যই তুমি মহান উদার বাদশাহ্ আলমগীর।''

বাদশাহ ঔরঙ্গজেবের আরেক নাম হইল আলমগীর।যদিও কবি এখানে বাদশাহ আলমগীরের নাম লইয়াছেন, ইতিহাসের পাতায় এই ঘটনা খলিফা হারুনুর রশিদের বলিয়া জানা যায় !

৩। ইসলামের একজন মহা মনীষীর মন্তব্য হইল , তুমি যদি কাহারও কাছে ইলম শিক্ষা কর , তাহা হইলে তুমি তাহার গোলাম ! ইহা আখিরাতের ইলমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইলেও দুনিয়াবী শিক্ষার শিক্ষকের মর্যাদাও কম নহে ! সম্ভবত আমাদের শিক্ষক সম্প্রদায় যে শিক্ষকের মর্যাদা ও সম্মান দাবি করে এবং আমরাও জাতি হিসেবে শিক্ষকের মর্যাদা ও সম্মানের কথা বলিয়া থাকি তাহা ধর্মীয় চেতনা হইতেই আসিয়াছে !

৪। একটি কারখানায় পণ্য উৎপাদনে অনেকের , অনেক বিভাগের সংশ্লিষ্টতা আছে ! পণ্যের মান নির্ভর করে , পণ্যের কাঁচামাল ,উৎপাদন , মানোন্নয়ন ,মান নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদির উপর ! এখানে একক দায়িত্ব নাই সত্যি ! তবে কাঁচামাল, উৎপাদক ও মান নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি !

৫।একটা জাতির শিশুরা হইল কাঁচামাল ! কাঁচামালের মান , পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে ভুমিকা রাখে ! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের যদি কাঁচামাল ধরা হয় তাহা হইলে বলিতে হইবে এই কাঁচামালের উৎপাদক ও সরবরাহকারী হইল অভিভাবকেরা ! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে যদি শিল্প প্রতিষ্ঠান ধরা হয় তাহা হইলে শিক্ষকরা হইলেন একই সাথে পণ্য উৎপাদক , মান নিয়ন্ত্রক ও মান উন্নয়ক !! তাই জাতিগঠনে অভিভাবকের যেমন ভূমিকা আছে , তার চাইতে কম নাই শিক্ষক সম্প্রদায়ের ! তাই একজন শিক্ষার্থী যখন যথাযথ মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই শিক্ষার ধাপ গুলি অতিক্রম করিয়া একসময় কর্মক্ষেত্রে , সমাজে ,রাষ্ট্রে , নাগরিক হিসেবে ব্যার্থ হয় , তাহার ব্যার্থতার দায় শিক্ষক সম্প্রদায়ের উপর সিংহভাগ পরে যদিও অন্যান্য কারণও আছে !



৬।বেশ কিছুকাল আগে একখানা আর্টিকেল পড়িয়াছিলাম ! উহাতে মূলত ইংল্যান্ডে শিক্ষকতা পেশায় ভালো ছাত্ররা কেন আসিতেছে না ইহার কারণগুলো পড়িয়াছিলাম। ইহা ছিল একখানা রিসার্চ আর্টিকেল ! কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল , শিক্ষার্থীরা চরম বেয়াদব ! তাহাদের সামলানো খুব কষ্ট বিধায় ভালো ছাত্ররা শিক্ষকতা পেশায় আসিতে চাহে না !

একেবারে বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই অভিযোগ ঠিক আছে।ইংরেজিতে একখানা প্রবাদও আছে "Garbage in garbage out" ! একজন নতুন শিক্ষার্থী যদি বেয়াদব হয় বুঝিতে হইবে অভিভাবক ঠিকমতন আদব শিক্ষা দেয় নাই , কিন্তু বিদ্যালয়ে বছরের পর বছর কাটানোর পরও এমনকি বাহির হওয়ার পরও যদি শিক্ষার্থী মানুষ না হয় তাহা হইলে অন্যান্য কারণের সাথে শিক্ষকদের দায়ই সর্বাধিক !

৭। একজন প্রফেসর একবার আমাদের প্রাইমারির পাঠ্যক্রমের সমালোচনা করিয়া বলিলেন , আমাদের শৈশবে আমরা মদনমোহন তর্কালংকারের লেখা

আমার পণ

সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,
সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি।
আদেশ করেন যাহা মোর গুরুজনে,
আমি যেন সেই কাজ করি ভাল মনে।
ভাইবোন সকলেরে যেন ভালবাসি,
এক সাথে থাকি যেন সবে মিলেমিশি।
ভাল ছেলেদের সাথে মিশে করি খেলা,
পাঠের সময় যেন নাহি করি হেলা।
সুখী যেন নাহি হই আর কারো দুখে,
মিছে কথা কভু যেন নাহি আসে মুখে।
সাবধানে যেন লোভ সামলিয়ে থাকি,
কিছুতে কাহারে যেন নাহি দেই ফাঁকি।
ঝগড়া না করি যেন কভু কারো সনে
সকালে উঠিয়া এই বলি মনে মনে।

শিখিতাম , এখন শিশুরা শেখে হাট্টিমাটিম টিম ! ইহাতে শিক্ষার কিছু কি আছে ? প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের একজন সাবেক উচ্চপদস্থ আমলা ইহার প্রতিবাদে বলিলেন ,এইসব ছড়া স্টার্টার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হইয়াছিল ! তাহার কথা ঠিক আছে ,তবে নৈতিকতা শিক্ষা কোথায় গেল ?



৮।বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার পরিচিত দুই বন্ধু ছিল ! তাহাদের একজনের শেষ বর্ষে প্রাইমারি স্কুলে সহকারী শিক্ষকের চাকুরী হইয়া যায় , আরেকজনের ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই বিভাগেই প্রভাষক হিসেবে যোগদান ফাইনাল ! দুইজনের ভেতরে কোন বিষয়ে মতভেদের কারণে এক পর্যায়ে প্রাইমারির শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষককে বলিলেন , দেখ আমার ছাত্ররা ৩০ বছর পরেও আমারে দেখিলে সালাম করিবে , আর তোর ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করিয়া শালা বলিবে ! বাস্তবে আমি ইহা হইতে দেখিয়াছি !

৯।আমাদের এক প্রফেসর একবার এক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে গেলেন ! ওখানে তখন দুই রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের মারামারিতে একজন নিহত হইয়াছে ! ওখানকার উপাচার্য বড় দুঃখের সাথে বলিলেন , বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িতে আসিয়া ইহারা রাজনীতি করে, আবার মারামারি করিয়া মরিয়াও যায় !! উপাচার্য এখনকার মতন দলীয় ছিলেন না ! নীতি--নৈতিকতা ছিল ! প্রফেসর তাহাকে বলিলেন, ইহাই তো হওয়ার কথা স্যার ! আমরা শিক্ষকতার কোন পর্যায়ে কি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা শিক্ষা দিয়াছি ?

১০। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অবশ্য গুটিকয়েক বিশ্ববিদ্যালয়ে এথিক্স পড়াইতে দেখিয়াছি ! যাহারা পড়াইয়াছিলেন, তাহাদের দুয়েকজনকে চিনি ! দুঃখের সাথে বলিতে হয় , তাহাদের এথিক্সই ঠিক নাই , তাহারা শিক্ষার্থীদের কি এথিক্স পড়াইবেন , আর পড়াইলেও শিক্ষার্থীরা কি এথিক্স শিক্ষা লইবেন !

১১। একজন যোদ্ধা যুদ্ধক্ষত্রে বিভিন্ন কারণে পরাজিত হইতে পারে। পরাজয়ে ডরে না বীর ! কিন্তু তাহার মূল্যায়ন হইবে যুদ্ধক্ষেত্রে তাহার শৌর্য-বীর্য কেমন ছিল ,প্রতিপক্ষের সাথে তাহার আচরণ কেমন ছিল , লড়াইয়ের মানসিকতা কেমন ছিল , যুদ্ধকৌশল,সাহস ,মহানুভবতা কেমন ছিল !শুধু জয়ের উপরেই নহে ! একারণেই হিটলারের বাহিনী পরাজিত হইলেও যুদ্ধ ইতিহাসে তাহাদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয় , টিপু সুলতান পরাজিত হইলেও ইংরেজরা আজও তাহাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে।রাজা রিচার্ড সুলতান সালাহউদ্দিনের কাছে পরাজিত হইলেও প্রশংসনীয় হইয়াছেন !
যুদ্ধক্ষেত্রে একজন সৈনিক কি করিবেন তাহা বহুলাংশে নির্ভর করে তাহার নৈতিক ,মানসিক , শারীরিক বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণের উপর ! আর প্রশিক্ষণ নির্ভর করে শিক্ষকের উপর ! আমাদের শিক্ষার্থীরা জীবন যুদ্ধে পরাজিত হউক সমস্যা নাই , কিন্তু লড়াই কেন করিতেছে না , কেন অসৎ উপায় অবলম্বন করিতেছে ? তাহাদের শিক্ষা কি তবে সৎ পথে লড়াইয়ের উপযুক্ত নহে ?

১২। আমাদের এক সিনিয়র বলিতেন , ইউরোপের সমাজ নষ্ট হইল যেভাবে তাহা হইল , তাহাদের শিক্ষকেরা আকাম করিতে নিষেধ করিতেন , আবার নিজেরাই গিয়া ওই আকাম করিতেন ! শিক্ষার্থীরা দেখিলেন , শিক্ষকই আকাম করিতেছে , আমরা আর বাদ দিয়া কি করিব ! আমাদের ওলামায়ে কেরামও বলেন বেআমল বক্তার ওয়াজ-নসীহতে কাজ হয় না ! আমাদের প্রবাদেও আছে , আপনি আচারি ধর্ম পরকে শেখাও ! যদিও নিজে আচারি না হইলেও ধর্ম পরকে শেখাইতেই ইসলামের নির্দেশ , তবে নিজে আচারি হইতে বিশেষ জোর দেওয়া হইয়াছে ! বাস্তবে আমাদের শিক্ষার্থীরা বড় হওয়ার জন্য কোন নমুনা পাইতেছে না ! আমাদের শিক্ষকরা আদর্শ নহেন !

১৩। কিছুকাল আগে যখন গ্রেড সংশোধন হইল তখন সিনিয়র শিক্ষকদের গ্রেড সিনিয়র সচিবদের পরে স্থাপন লইয়া কাহিনী হইল ! শিক্ষকরা তীব্র প্রতিবাদ করিলেন। একজন সিনিয়র প্রফেসর সখেদে বলিলেন , যেসকল আমলা এই আকাম করিয়াছেন তাহারাও একসময় আমাদেরই ছাত্র ছিলেন। ইহাতে প্রমান হয় আমরা তাহাদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করিতে পারি নাই। নাহলে তাহারা শিক্ষকদের এমন অবমূল্যায়ন করিতে পারিতেন না ! তাহার কথা বোধহয় তিক্ত হইলেও সত্য !

১৪। যে মন্ত্রীগন শিক্ষার , অর্থনীতির বারোটা বাজাইতেছেন , পরিবহন ডাকাইতদের সমর্থন দিতেছেন, যে আমলা ঘুষ খাইতেছেন , যে ব্যাংকার ব্যাংকলুট করিতেছেন , লুটে সহযোগিতা করিতেছেন, যে পুলিশ আইনকে হারাম রোজগারে ব্যাবহার করিতেছেন , যে বিচারক অন্যায়ভাবে আইনকে বাঁকা করিতেছেন , যে ডাক্তার রোগীর জীবন নিয়া ছিনিমিনি খেলিতেছেন , যে কন্ট্রাক্টর,ইঞ্জিনিয়ার রডের বদলে বাশ দিতেছেন , যে ব্যাবসায়ী ব্যাবসায় অসৎ উপায় অবলম্বন করিতেছেন , যে রাজনীতিবিদ সন্ত্রাস পালিতেছেন , চাঁদাবাজি করিতেছেন , যে শিক্ষক ফাঁকি দিতেছেন , পরিমল হইতেছেন, যে ছাম্বাদিক ভুয়া খবর তৈরী করিতেছেন, এমনকি পুলিশের কাছ হইতেও ঘুষ খাইতেছেন , যে বুদ্ধুজীবী ক্ষমতাবানদের পদলেহন করিয়া পদ বাগাইতেছেন , যে চরমপন্থী বৃথাই মানুষ মারিতেছেন , আত্মঘাতী হইতেছেন , যে পাঁঠা ধর্ম অবমাননা করিয়া ব্লগকে ,সমাজকে নষ্ট করিতেছেন তাহারা সকলেই জাতি গড়ার কারিগর শিক্ষকদেরই ছাত্র/ছাত্রী।তাহাদের এই অধঃপতন ইহাই প্রমান করে যে তাহাদের কারিগর তাহাদের দায়িত্ব ঠিকমতন পালন করে নাই ! তাই জাতির অধঃপতনে শিক্ষক সম্প্রদায়ের দায়ই সর্বাধিক !

মন্তব্য ৪৭ টি রেটিং +১২/-০

মন্তব্য (৪৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ১২:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


Garbage বানান শুদ্ধ হয়নি

১৫ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৭:৩৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ, কাহু ! আমার বানাম গেছে ! ইংরেজি আর ঠিক হইল না !!! :(

২| ১৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ১২:৩৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় টারজান ভাই। চমৎকার একটি পোস্ট। আমি এ পর্যন্ত আপনার যে কয়টি লেখা পড়েছি তার মধ্যে এটাই সেরা। বিশেষ করে বলতে গেলে (১), (২), (৫), (৮), (৯) এবং (১৪)। আর প্রথমে আমার নামটি দেখে বেশ ভাল লাগলো। অনেক ভাল লাগা ও শুভ কামনা ভাই।

পোস্টে লাইক +++ দিলাম।

যারা বাংলাদেশের ডাক্তারদের নিয়ে লেখা আমার "ডাক্তার - বাংলাদেশ ও বিলাতের নিরিখে" লেখাটি পড়েন নাই; আপনারা চাইলে পড়তে পারেন।

১৫ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৭:৪২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ, কাউসার ভাই। আপনার লেখা হইতে লেখার চিন্তায় পাইয়াছিল ! ১৪ নম্বর আপডেট করিয়াছি !! এবিষয়ে আরো আলোচনা চাই ! বিষয়টি আমার মাথায় অনেকদিন ঘুরিতেছে !!

৩| ১৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ১:০৭

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ছাত্র রাজনীতি বন্ধ না হওয়ার পেছনে শিক্ষকদের মৌনতা অন্যতম কারণ। তেনারা সবাই যদি বলেন, ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি থাকলে শিক্ষাদান বন্ধ তাহলে কার সাধ্য আছে রাজনীতি চালু রাখার?

১৫ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৭:৪৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সত্যি বলিয়াছেন !! শিক্ষক রাজনীতি বন্ধ না হইলে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হইবে না ! চাঁদগাজী কাহুর ভাষায় বলিতে হইবে ,মধুর ক্যান্টিনের গ্রাজুয়েট বাহির হওয়াও বন্ধ হইবে না , বরং এরাই একদিন শিক্ষক, রাজনীতিক, পেশাজীবী হইয়া জাতিকে নষ্ট করিবে, করিতেছেও ! :(

৪| ১৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ১:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


ছাত্র রাজনীতির দুষ্টরা শিক্ষকতায় ঢুকে গেছে

১৫ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৭:৪৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: এমনকি উপাচার্যও হইতেছেন ! ভাবুন একবার, শিক্ষক নিয়োগের অবস্থা কি হইতেছে !!

৫| ১৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ১:৪৪

রসায়ন বলেছেন: আগে জানতাম বা যেটা হওয়ার কথা ছিল যে, শিখলদের পেছনে রাজনৈতিকরা আর সরকারের লোকজন দৌড়াবে পরামর্শ নেয়ার জন্য আর এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোগ্রামে শিক্ষকরা বসে থাকে রাজনৈতিকদের পা চাটার জন্য ।

১৫ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৭:৫২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ইহারা বুদ্ধিজীবী না হইয়া বুদ্ধুজীবী হইয়া যাইতেছেন ! আফসোস ! জাতির কি হইবে ? মাথা লেজ নাড়াইতেছে না , এখন লেজই মাথা নাড়াইতেছে ! :(

৬| ১৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ২:০৯

সুমন কর বলেছেন: তিক্ত সত্য কথন। সহমত।
+।

১৫ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৭:৫৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ ! উত্তরণের উপায় কি ? কোন আশা দেখিতেছি না ! অন্ততঃ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানতো গড়িয়া ওঠা উচিত ! :(

৭| ১৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ২:১১

সৈয়দ ইসলাম বলেছেন: প্রিয় টারজান নাই নাই নাই নাই সাত,

তোমার এবারের পোস্ট আসলেই ব্যতিক্রম।
ভারত বর্ষের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে কোন বড়মাপের বিজ্ঞানী বের না হওয়ার কারণ এই ক্যাম্পাসযুক্ত রাজনীতি। তা এখন খুবই খারাপ অবস্থানে চলে এসেছে।

আপনি সাধু ভাষার লাঠি দিয়া যে পরিমাণে আঘাত করিলেন তাতে শিক্ষকবৃন্দ অনেকটা ধারালো হইবেন বলিয়া আশা রাখিতেছি।
সর্বশেষ চৌদ্দ দিয়ে যা দৌত করিলেন তা সত্যি আমায় টাশকিত করলো!

১৫ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৮:০৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: প্রিয় টারজান নাই নাই নাই নাই সাত

বাহ্ , কথায় লিখিলে সব দেখি নাই হইয়া যায় ! যাউক শ্যাষে তো সাত আছে !!

শিক্ষাব্যাবস্থা নিয়া ভাবিলে খালি কান্দন আর কান্দন আসে ! কিছু কিছু কাজ অবশ্য হইতেছে। তবে অধঃপতনের তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল ! আমাদের শিক্ষক সম্প্রদায়ের বিরাট দায় আছে ! তাহারা যদি ইহা পালন করিত !!

আমার স্কুলের হেডস্যারের কথা মনে পড়িল ! আল্লাহ উনাকে জান্নাত নসিব করুন ! কি রাজনীতিক, কি সন্ত্রাসী , কি পুলিশ ১৫/২০ বছর পরেও তাহার সামনে কেঁচো হইয়া যাইতো ! সমাজে তাহাদের ব্যাপক প্রভাব এখনো আছে ! অথচ তাহারা জাতি গড়ায়, সমাজ পরিবর্তনে কর্তব্য পালন করিতেছেন না ! আফসোস ! আফসোস !

১৫ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৮:১৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ১৪ নম্বর আপডেট করিয়াছি !!

৮| ১৫ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৯:১১

কাইকর বলেছেন: বাহ.......সুন্দর লিখেছেন।লাইক দিলাম

১৫ ই জুন, ২০১৮ সকাল ৯:১৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধইন্যবাদ!

৯| ১৫ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:২০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: দারুণ পোষ্ট!! শিক্ষকের মর্যাদা নামে , কাজী কাদের নেওয়াজের কবিতাটা নয়, তবে বিষয়টা গল্পাকারে আমার ষষ্ঠ শ্রেণিতে সহায়ক পাঠে পড়েছি। আজ কবিতাকারে পড়ে মুগ্ধ হলাম। আর আপনার দেখার দৃষ্টি অত্যন্ত স্বচ্ছ। যেকারনে প্রত্যেকটা বিষয় মন ছুঁয়ে গেল। তবে ১৪ নম্বর সমস্ত কিছুকে ছাপিয়ে গেল। হ্যাঁ, যেটা না বললে অন্যায় হত শুরুতে কাওসার ভায়ের একটি পোষ্ট যে ভাবে আপনার ভাবনাকে চালিত করেছে, তাতে কেবল এই দুজন নয়, ব্লগের পারস্পারিক মিথোস্ক্রিয়ায় মুগ্ধ হলাম। এই ভাবনা যদি সমাজেও প্রসারিত হয়, সেই কামনাই থাকলো।

অনেক অনেক শুভ কামনা প্রিয় টারজান ভাইকে।

১৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ১১:০৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সুস্থ ব্লগিঙের ইহাই ফলাফল হওয়া উচিত ! ব্লগাররা নিজেদের গঠনমূলক চিন্তা ভাবনা শেয়ার করিলে কিছু না কিছু উপকার হইবেই ! কিছু আজাইরা উস্কানিমূলক পোস্ট সুস্থ ব্লগিংয়ের অন্তরায় ! আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ !

১০| ১৫ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: ছাত্র রাজনীতি তারা দেশের ভালোর জন্য কেউ করে না।
নিজের আখের গুছানোর জন্য করে।

১৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ১১:০৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কিছু রাজনীতি সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তি ছাড়া ছাত্র রাজনীতি এখন আর কেহ সমর্থন করে না ! ইহা জাতিকে নষ্ট করিতেছে ! লাঠিয়াল বাহিনী তৈরী করিতেছে !

১১| ১৫ ই জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:০১

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: বাহ! টারজান ভাই, কি দারুন লিখেছেন।
লেখার বিষয়বস্তু সাথে সুন্দর উপস্থাপনা দুটোই প্রশংসনীয়।

১৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ১১:১০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ ! আপনাদের প্রশংসা আমার অনুপ্রেরণা !

১২| ১৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ৮:৩০

সনেট কবি বলেছেন: চমৎকার একটি পোস্ট।

১৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ১১:১২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ ! ভয়ে ভয়ে আছি , কবে আপনি আমারে নিয়ে সনেট লেখেন !!!!

১৩| ১৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ৮:৫৬

সিগন্যাস বলেছেন: সকল পয়েন্টগুলোই মারাত্মক হয়ছে।আপনিতো জিনিয়াস।

১৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:৪২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ ! আপনিই কেবল চিনিতে পারিলেন !!! :D বাকিরা যে চিনিলনা কেনু বুঝিতাছি না !! :((

১৪| ১৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ৯:০৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: টারজান০০০০৭ ,




আপনার প্রতিটি পয়েন্টের বিষয়গুলো একেবা্রেই সঠিক ।

তবে ১২ নম্বরের শেষ কথা "আমাদের শিক্ষকেরা আদর্শ নহেন" এর সাথে আর একটু যোগ করতে চাই ----- এরা হলেন অশিক্ষিত শিক্ষক । হবেন না-ই বা কেন ? এরা নিজেরাই তো গত বিশ বছর ধরে এক একজন অযোগ্য শিক্ষকদেরই ছাত্র ছিলেন । যেমন গাছ তেমনই তো ফল হবার কথা ।

১৫ ই জুন, ২০১৮ রাত ১১:১৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: যোগ্য শিক্ষক অনেকেই আছেন ! তবে কেন তাহারা তাহাদের অর্পিত দায়িত্ব পালন করিতেছেন না ইহাই বিস্ময় ! শিক্ষা জীবনে আমিও কয়েকজনকে পাইয়াছি ! তাহাদের জন্য এখনো মন হইতে দোয়া আসে !

১৫| ১৬ ই জুন, ২০১৮ রাত ১২:০২

সৈয়দ তাজুল বলেছেন:

ঈদের শুভেচ্ছা প্রিয় টারজান।

শিক্ষকদের সময় নেই নিজ দুর্দশা নিয়ে চিন্তা করার!

১৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:১৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন:

শিক্ষকদের প্রচুর সমস্যা আছে সত্য ! কিন্তু পেশাটাই ত্যাগের , তিতিক্ষার ! একারণেই উনারা সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী ! সরকার ও সমাজেরও উচিত তাহাদের সম্মান ও মর্যাদার সাথে সাথে সম্মানীও যেন সম্মানের হয় ! তাহারা জাতি গড়ার কারিগর। তাহাদের নিজেদের দিকে নজর দিতেই হইবে, নিজেদের যোগ্যতার উন্নয়ন, দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতি যত্নবান হইতে হইবে যেন তাহারা জাতির বৃহত্তর কল্যানে যথাযথ ভূমিকা রাখিতে পারেন !

১৬| ১৬ ই জুন, ২০১৮ রাত ২:৪৪

নতুন বলেছেন: +++

১৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:১৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ !

১৭| ১৬ ই জুন, ২০১৮ ভোর ৫:১৬

ইমরান আশফাক বলেছেন: এখনকার ছাত্ররা হচ্ছে বেয়াদপ টাইপের, শিক্ষকরা বেইজ্জতির ভয়ে অনেক কিছু হজম করে ফেলেন। তবে সার্বিকভাবে আপনার প্রতিটি পয়েন্টের সাথে একমত।

১৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১০:২৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ইহা সত্যি ! বেশিরভাগই পরিবার হইতে আদব শিখে না বোধহয় ! তবে পরিবার হইতে না শিখিলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হইতে শিখিতে পারে, শেখাই উচিত ! নাম পরিচয়হীন শিক্ষার্থীকেও শিক্ষকের যত্নে আদবের নমুনা হইতে দেখিয়াছি ! চাঁড়াল টাইপের পোলাপাইনও বিশ্ববিদ্যালয়ে আসিয়া মানুষ হইতে দেখিয়াছি শিক্ষকের স্পর্শে ! আমাদের শিক্ষার্থীরা মানুষ হইয়া ওঠার সময় কোন আদর্শ পাইতেছে না !

১৮| ১৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:২২

সৈয়দ তাজুল বলেছেন: কথা কিন্তু সেটাই; যেটা বললেন :)

১৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:২৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কোনটা বললুম ? ;)

১৯| ১৬ ই জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৫৩

সৈয়দ তাজুল বলেছেন: ১৫ নং প্রতিমন্তব্যে যাহা ফরমাইলেন! ;) তাহার কথাই বলিতেছি।

১৬ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:০১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: এতক্ষনে বুঝলুম !! :D ঈদ কেমন কাটিতেছে ?

২০| ১৬ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:০৪

সৈয়দ তাজুল বলেছেন: বৃষ্টি আমার বান্ধবী হওয়ায় তাকে নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। তাকে ছেড়ে কোথাও বের হতে পারছি না। এটাই আনন্দ :-B

১৬ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:২৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বৃষ্টির সাথে ইয়ে করিলে বন্যা আসিবে ! দুই বান্ধবীরে লইয়া ঘর করিতে পারিবেন তো ? :P

২১| ১৭ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:২১

নতুন নকিব বলেছেন:



অনেক সুন্দর একটি লেখা। ঈদ শুভেচ্ছা জানবেন, 'ঈদ মোবারক'।

অনেক ভাল সময় কাটুক সপরিবারে। ঈদের আনন্দধারায় সিক্ত হোন। বিশ্ব মুসলিমের জন্য আপনার সদা উত্তোলিত দুআ'র হাত আল্লাহ পাক কবুল করুন। আমাদের জন্যও দুআ চাই।

১৭ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ২:১১

টারজান০০০০৭ বলেছেন:

সারা দুনিয়ায় যত মুসলমান আছে,যত অমুসলমান আছে আল্লাহ তাদের সবাইকে হেদায়েত নসিব করুন , দ্বীন মানার , দ্বীন বুঝার , দ্বীনের উপর চলার তৌফিক দান করুন ! আমিন !

২২| ০১ লা আগস্ট, ২০১৮ সকাল ১০:৫৬

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:

মহান শিক্ষকতার পেশাকে কলংকিত করেছে কিছু কুলাঙ্গার। এর দায় সম্পূর্ণ ভাল শিক্ষকদের! তাদের মোরালিটি ড জোহার মত নয়।

০১ লা আগস্ট, ২০১৮ সকাল ১১:১৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভালো শিক্ষকেরা মন্দ শিক্ষকদের দাপটে অসহায় হইয়া থাকে ! তাহার পরও বলিতে হয় , পেশাজীবীদের নিজেদের মধ্যে সমস্যা থাকিতেই পারে ! ইহার ঝাল শিক্ষার্থীদের হইতে উঠিবে কেন ?

জাতি গঠনে সবার কম বেশি দায় আছে সত্যি, তবে শিক্ষকের দায় সর্বাধিক ! হাজারো অসুবিধা থাকিলেও শিক্ষক সম্প্রদায় ইহার দায় অস্বীকার করিতে পারে না !

২৩| ০১ লা আগস্ট, ২০১৮ সকাল ১১:১৮

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:



এই গুলা বিশ্ববিদ্যালয় এতোগুলো শিক্ষক। দৃষ্টান্ত কেউ কি রাখতে পারেনি!

০১ লা আগস্ট, ২০১৮ সকাল ১১:৪৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ভালো শিক্ষক, আদর্শ শিক্ষক আছে , নাই যে তাহা নহে ! সমস্যা হইল প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল ! বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকগণ তো বেণীআসহকলার সবগুলো রঙে বিভক্ত হইয়া শিক্ষার্থী তথা জাতির ইয়ে মারাতে ব্যস্ত ! গবেষণা, পড়ানো, আদর্শবাদী হওয়ার মতন তাহাদের সময় কোথায় !

শিক্ষকদের এখন গাড়ি, ফ্লাট না হইলে ইজ্জত পানিতে মিশিয়া যায় ! তাই নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে না পড়াইয়া প্রাইভেটে দারুন উদ্যমী ! নিজ বিদ্যালয়ে না পড়াইয়া কোচিংয়ে দারুন পরিশ্রমী। আন্ডারগ্রেডে বা রেগুলার মাস্টার্স এ না পড়াইয়া ইভিনিং শিক্ষার্থীদের দিকে মনযোগ কারণ অর্থযোগ আছে ! আন্ডার গ্রেড বা রেগুলার মাস্টার্সের পোলাপাইনগুলোরে না পড়াইলেওতো টাকা মাইর নাই ! স্কুলে না পড়াইলেও বেতন আটকাইবে না , চাকুরী যাইবে না ! বিশ্ববিদ্যালয়ে যত বেশি সিনিয়রিটি তত আরাম ! প্রফেসর হইলে ক্লাস প্রায় নাই বলিলেই চলে ! গবেষণাও যেহেতু নাই , তাই অবসর সময়ে লাল , নীল , সাদায় বিভক্ত হইয়া একে অন্যের ইয়ে মারা তথা জাতির ইয়ে মারাই কাম হইয়া দাড়ায় !

এক শিক্ষক গর্ব করিয়া বলিয়াছিলেন, ঈশ্বরের পরে আমরাই সবচেয়ে ক্ষমতাবান ! সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের রিসার্চ আর্টিকেল নকল করিয়া ধরা পড়ার পরও চাকুরী থাকা দেখিয়া তাহাই মনে হয় !

তবে ভালোও আছেন ইহা অস্বীকার করা যাইবে না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.