নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

শেষ জমানায় খ্রিষ্টানদের প্রাধান্য লাভের কারণ !!!

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৩



বহুকাল যাবৎ আমার মনে এই প্রশ্ন দেখা দিয়াছে যে শেষ জমানায় খ্রিস্টানদের প্রাধান্য লাভের কারণ কি ?

ওলামায়ে কেরামের অভিমত হইলো, মুসলমানের উন্নতি ও অবনতি জাগতিক বিষয় তথা আসবাবের সাথে নহে। মুসলমানের উন্নতি তাহাদের ঈমান-আমলের উন্নতির সাথে এবং অবনতির কারণও ঈমান-আমলের অবনতির সাথে। ইতিহাস ঘাটিলেও ইহার প্রমান পাওয়া যায়। মুসলমানের সভ্যতা, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রাযুক্তিক উন্নতির শিখরের সময়কাল বিশ্লেষণ করিলে দেখা যাইবে, সেই সময়কালে ঈমান-আমলের চর্চার অবনতি হইয়াছিল। যাহার কারণে উন্নতির শিখরে থাকিয়াও পতনে সময় লাগে নাই। বাহির হইতে চাকচিক্য ঠিকই ছিল, এমনকি বিশ্বের অপরাপর শক্তিসমূহ হইতে অনেকদূর আগাইয়া থাকার পরও শুধু ঈমান-আমলের চর্চার অবনতিতে ধ্বংসের সূচনা হইয়াছিল। কারণ, ভিতর ঠিক হওয়ার জন্য যে ঈমান-আমলের চর্চার প্রয়োজন তাহারই অবনতি হইয়াছিল।প্রশ্ন হইতে পারে, তখনতো বড় বড় আল্লাহওয়ালা ছিল, মাদ্রাসা ছিল, আলেম ছিল ! উত্তর হইতে পারে , ব্যাক্তির ফয়সালা ব্যাক্তির ঈমান-আমলের সাথে আর সমষ্টির ফয়সালা সমষ্টির ঈমান-আমলের মাপকাঠিতে হইয়া থাকে। একারণেই সমষ্টির মধ্যে যদিও আল্লাহওয়ালা থাকেও , নেককার থাকেও , সমষ্টির ঈমান-আমল যদি সমষ্টিগতভাবে কমিয়া যায় তাহা হইলে আল্লাহতায়ালার আজাবের ফয়সালা ঠেকানো সম্ভব হয় না। একারণে নেক ব্যক্তি থাকা সত্ত্বেও জাতি ধ্বংসের সম্মুখীন হইয়া থাকে। পরকালে নেককার বদকার হইতে আলাদা হইয়া যাইবে।



ঈমান-আমলের চর্চার অবনতিতে মানুষের মধ্যে আল্লাহতায়ালার ভয়, আখিরাতের উপরে নির্ভরতা , একিন সরাইয়া আসবাবের উপর নির্ভরতা , বিশ্বাস আসিয়া যায়। যাহার ফলে পতন ত্বরান্বিত হয় ! পতনের আরো অনেক কারণের সাথে ইহাই মূল কারণ। মুসলমানের নির্ভরতা শুধু আল্লাহতায়ালার উপর হইবে। আসবাব অবলম্বন করা জায়েজ, কিন্তু নির্ভরতা, একিন করা জায়েজ নাই। স্মরণযোগ্য যে, হাওয়াজেন গোত্রের সাথে যুদ্ধে সাহাবা রা. দের মধ্যে সংখ্যাধিক্যের অনুভূতি জাগিয়াছিলো ! প্রথম ধাক্কাতেই সাহাবা রা. ছত্রভঙ্গ হইয়া গিয়াছিলেন। ইহা আমাদের জন্য শিক্ষা।

যদিও অন্ধেরা হাতি দেখার অভিজ্ঞতা হিসেবে নসিহত করিয়াই যাইতেছে ; কেহ বলিতেছে মুসলমানের শিক্ষার অভাব, প্রাযুক্তিক জ্ঞানের অভাব, সম্পদের অভাব , সুষ্ঠু রাজনীতির অভাব, সিস্টেমের অভাব ইত্যাদি। কিন্তু ওলামায়ে কেরামের অভিমত হইতে মুসলামানের উন্নতি ও অবনতির কারণতো সুস্পষ্ট। মানিতে না চাহিলেও ইহাই সত্যি। যে মুসলমান ঈমান-আমলের মাধ্যমে আল্লাহতায়ালার রহমত, সাহায্যই আনিতে পারেনা , সে কিভাবে পতন ঠেকাইবে, উন্নতি করিবে?



যাহা হউক , প্রশ্ন হইলো, একই অবনতির কারণ তো বিধর্মীদের মধ্যেও বিদ্যমান। তাহা হইলে তাহারা উন্নতি করিতেছে, নেতৃত্ব, ক্ষমতা কুক্ষিগত করিতেছে কিভাবে। ইহার সাধারণ উত্তর হতে পারে , ফসলের মাঠের উদাহরণ দিয়া ! ফসল শুধু বুনিলেইতো হয় না , যত্ন করিতে হয় ! নচেৎ আগাছার দৌরাত্ম বাড়িয়া যায়। একসময় ফসল আর চোখে পরে না। শুধু আগাছাই দেখা যায়। মুসলামানের হালত এমনই। আমরা জন্মে মুসলমান হইয়াছি ঠিকই , কিন্তু মুসলামানের ঘরে জন্মিয়াও ঈমানের যে ফসল পাইয়াছিলাম, আমলের যে দৌলত পাইয়াছিলাম , পরিচর্যা না করার কারণে এখন আগাছার দৌড়াত্মই দেখিতে হইতেছে !



কিন্তু ইহাতো সাধারণ উত্তর হইলো। বিশেষ উত্তরই খুঁজিতেছিলাম। খুঁজিতে গিয়া হজরত শামসুল হক ফরিদপুরী র. লিখিত প্রবন্ধে পাইলাম -------

" সাহাবী হজরত আমার ইব্ন আস রা. খ্রিস্টানদের সম্পর্কে বলিয়াছেন , শেষ জমানায় তাহাদের প্রাধান্য লাভ হইবে একারণে যে , তাহাদের মধ্যে ৫ টি গুন্ আছে :

১. তাহারা বড়ই ধৈর্যশীল।
২. তাহারা বড়ই অধ্যবসায়ী।
৩. তাহারা একবার অকৃতকার্য হইয়া বসিয়া থাকে না, কৃতকার্য হওয়ার জন্য পুনঃ পুনঃ চেষ্টা করে।
৪. তাহারা ইয়াতিম , বিধবা ও দুস্থ মানবতার সেবা করে।
৫. তাহারা জালিম বাদশাহর জুলুম হইতে জনগণকে রক্ষা করে।

এই কাজগুলো জনসেবা ও খিদমতে খালকেরই কাজ। এর কারণে তাহাদের দুনিয়ার তারাক্কী হইবে। যখন মুসলমান খলিফাগণ এই কাজগুলি করিতেন, তখন মুসলমানগনেরই তারাক্কী ছিল, তাহাদেরই প্রাধান্য ছিল।

এখন মুসলমান রাষ্ট্রপতিগণ বিলাসিতা ও খামখেয়ালীতে মত্ত হইয়াছেন। এইজন্যই মুসলমানদের তারাক্কী হইতেছে না। "


আমি ভাবি আর আশ্চর্য হই , সাহাবা রা. কি পরিমান দূরদর্শী ছিলেন, কি পরিমান জ্ঞান আল্লাহ তাহাদের দিয়াছিলেন , কেনই বা তাঁহারা আমাদের অনুসরণীয় হইবেন না !

তাই অন্ধদের নসিহত শোনার আগে চক্ষুস্মানদের নসিহত পড়িয়া দেখি আমাদের জন্য সমাধান আছে কিনা !

মন্তব্য ১০৪ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১০৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: THe less you see their faces the better

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কাহাদের মুখ দেখিতে বারণ করিলেন , পাঁঠাদের ?

২| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


মুসলমানদের মাঝে আপনাদের মতো রূপকাহিনী বলার মানুষ বেশী। আমি মুসলিম দেশ সমুহ ও ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা, দক্ষিণ আমেরিকা ঘুরেছি, গড়ে একজন খৃষ্টান একজন মুসলমান থেকে হাজার গুণে ভালো, এটাই ওদের উন্নতির কারণ

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:০০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: যার সাথে যার ভাব ,
তার ইয়ে দেখিলেও লাভ !

আপনি দেখিতে থাকুন !

৩| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:০৯

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: ব্যাক্তির ফয়সালা ব্যাক্তির ঈমান-আমলের সাথে, আর সমষ্টির ফয়সালা সমষ্টির ঈমান-আমলের মাপকাঠিতে হইয়া থাকে। একারণেই সমষ্টির মধ্যে যদিও আল্লাহওয়ালা থাকেও , নেককারথাকেও , সমষ্টির ঈমান-আমল যদি সমষ্টিগতভাবে কমিয়া যায় তাহা হইলে আল্লাহতায়ালার আজাবের ফয়সালা ঠেকানো সম্ভব হয় না।"



এখন মুসলমান রাষ্ট্রপতিগণ বিলাসিতা ও খামখেয়ালীতে মত্ত হইয়াছেন। এইজন্যই মুসলমানদের তারাক্কী হইতেছে না। "

ইহা চরম সত্য কথা।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:১৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ। সত্য বড় তিতারে ভাই !

৪| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


বিশ্বের সব মুসলিম দেশ থেকে মানুষ প্রাণ বাঁচাতে, পড়াযলেখা করার জন্য, ভালো জীবনের আশায় খৃষ্টান দেশে চলে যাচ্ছে; আগামী ২০ বছরের মাঝে মুসলিম দেশ থেকে ২০ কোটী মুসলিম তরুণ-তরুণী ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা ও অষ্ট্রেলয়ায় পালানোর চেষ্টা করবে; ১ জন খৃষ্টানও মুসলিম দেশে যাবার চেষ্টা করবে না।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:১৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ইহা সত্যি হইতে পারে। কিন্তু পরিনাম কি ? মুসলমানের সংস্কৃতি , ধর্ম লইয়া ওখানে থাকিতে পারিবে বলিয়া কি আপনার মনে হয় ?

৫| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:১১

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: মুসলিমদের উন্নয়নের উপায় কী??



১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:১৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: লেখাতেই বলা আছে ভাইডি। উন্নতির উপায় হইলো শিকড়ে প্রত্যাগমন ! আল্লাহর হুকুম ও রাসূল র. তরিকায় ফেরা। ঈমান-আমলের তারাক্কী। এই পাঁচ গুনের চর্চা।

৬| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:১৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


"এখন মুসলমান রাষ্ট্রপতিগণ বিলাসিতা ও খামখেয়ালীতে মত্ত হইয়াছেন। "

-ইসলামে এমন কিছু আছে, যা মুসলমানদের কমবুদ্ধিমান করে রাখে, সেজন্য মুসলিম দেশগুলোতে সরকারের লোকেরা চুরি করে, রাষ্ট্রপতিগণ বিলাসিতা ও খামখেয়ালীতে মত্ত থাকে।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:২১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমিতো একবার বলিয়াছি, ইসলাম সম্পর্কে আপনার জ্ঞান হাঁটুতে। আপনি ইসলাম চিনিয়াছেন সাধারণ মুসলমান দেখিয়া। কোন বিশেষজ্ঞ হইতে নহে।

৭| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৫

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বলেছেন: ৫ গুন থাকা দরকার। ভাল বলেছেন।।। আসলেইওই ৫টি গুণ খুব দরকারি

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৩৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: অবশ্যই থাকা দরকার ! ঈমান না থাকার পরও যে গুণাবলী থাকার কারণে বিধর্মীদের উন্নতি হইয়াছে, ঈমান-আমলের সাথে এই পাঁচ গুন্ থাকিলে মুসলমানের উন্নতি অবশ্যই হইবে, ইনশাল্লাহ।

৮| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


"শেষ জামানা" একটি ভুল ভাবনা; মানব সভ্যতা আরো দীর্ঘদিন থাকবে; আজ থেকে ২০০০ বছর আগেও যারা মানব সভ্যতার সম্পর্কে প্রেডিকশন করেছেন, তাদের মাঝে মাত্র সক্রেটিস, প্লেটো, পীথাগোরাস'এর কিছু ভাবনা সঠিক; বাকীদের প্রেডিকশান ভুল; এখন যারা প্রেডিকশান করছেন, এদের কথা সঠিক।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৩৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: গত সপ্তাহে হজরত মাওলানা মাহমুদুল হাসান দা. বা. গুলশান আজাদ মসজিদে বয়ান করিয়াছেন, মস্তিস্ক বিকৃতির চেয়ে বড় আজাব আর কিছু নাই।

৯| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪২

ব্লু হোয়েল বলেছেন: নাস্তা খাওয়াদের যতই উপদেশ দেন কোন কাজে লাগবে না । আবু তালেব ইসলামের বিরোধিতা করেনি ইসলাম গ্রহণও করেনি । আর আবু জাহেল, আবু লাহাব ইসলাম গ্রহণতো দূরের কথা পারলে মুহাম্মদ(সাঃ) মেরে ফেলে । ইসলামের এত কাছে থেকেও এরা ইসলাম গ্রহণ করতে পারেনি । তাদেরই অনুসারী নাস্তা খাওয়ার দল ইসলাম , কুরআন সম্পর্কে কতটুকু জানবে ? ওদের জ্ঞান কোথায় আছে তা তো দেখাই যাচ্ছে ।
এরা কিন্তু খৃষ্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা ইহুদি ধর্ম নিয়ে কথা বলতে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে ।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৪০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কি করিবে, মগজ কখনো ধর্ম লইয়া পরিশ্রম করে নাই ! বিভিন্ন তন্ত্রের গোলকধাঁধায় ঘুরিয়া মরিতেছে ! আল্লাহর কাছে দোআ করি , আল্লাহ যেন সবাইকে পথ দেখান। আমিন।

১০| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " ইহা সত্যি হইতে পারে। কিন্তু পরিনাম কি ? মুসলমানের সংস্কৃতি , ধর্ম লইয়া ওখানে থাকিতে পারিবে বলিয়া কি আপনার মনে হয় ? "

-মুসলমানেরা ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা, অষ্ট্রেলিয়া ধর্ম পালনের জন্য যায় না, ভালো জীবনের আশায় যায়; পশ্চিমে ধর্ম এখন সামাজিক সংস্কৃতি মাত্র।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৪৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: পশ্চিমে ধর্ম এখন সামাজিক সংস্কৃতি মাত্র।

এই জায়গাতেই ইসলামের সাথে অন্য ধর্মের পার্থক্য। ইসলাম কমপ্লিট কোড অফ লাইফ। জীবনের সকল ক্ষেত্রে ইসলাম আছে। খালি সামাজিক সংস্কৃতি নহে। আচারসর্বস্ব নহে।

ভালো জীবন যাপনের আশায় যাইতেছে ঠিকই , পরবর্তী অবস্থা কি হইবে ইহাতে আমার আশংকা আছে ! আহা , দুনিয়ার খারাপ (আরাম , আয়েশ , তথাকথিত শান্তি বিহীন ) জীবন ভোগ করিয়া যদি আখেরাতের ভালো জিন্দেগী পাওয়া যায় , তাহা হইলেও সস্তা সদাই হইবে।

১১| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫১

সনেট কবি বলেছেন: ভাল লিখেছেন।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৪৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০০

চাঁদগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন, "আমিতো একবার বলিয়াছি, ইসলাম সম্পর্কে আপনার জ্ঞান হাঁটুতে। আপনি ইসলাম চিনিয়াছেন সাধারণ মুসলমান দেখিয়া। কোন বিশেষজ্ঞ হইতে নহে। "

-যেসব গাছে ফল ধরে না, তাদের উপর রূপকথা লেখা যায়।
সব ধর্মের উপর আমার জ্ঞান হাঁটুতে।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:০৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: যাক , স্বীকার করিলেন ! তা হাটুসর্বস্ব জ্ঞান লইয়া বিশেষজ্ঞ মতামত দিতে আসেন কেন ?

কোন গাছে ফল ধরে , আর কোন গাছে ফল ধরেনা ইহা বুঝিতে হইলে চক্ষুষ্মান হইতে হয়। আপনি অন্ধ মানুষ, হাতিরে কুলার মতন বলিবেন ইহাই স্বাভাবিক !

১৩| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৫

কে ত ন বলেছেন: কেবল খ্রিস্টান নয়, ভারতের হিন্দুরাও আরবের মুসলিমদের চেয়ে ব্যবসা বাণিজ্য ও প্রযুক্তিতে কয়েক গুণ এগিয়ে আছে, আরবরা তেল বিক্রি করে যা কামাই করে, কন্সালটেন্সির নামে ভারতীয় ও ইসরাইলীরা তার অধিকাংশ গাপ করে ফেলে। বলিঊডের অখাদ্য আরবেরা মুড়ি মুড়কির মত খায়।

জাপান ও চীনের বৌদ্ধ/নাস্তিক বৃন্দও মুসলিমের তুলনায় জাগতিক দিক দিয়ে অনেক অনেক দূর এগিয়ে গেছে। তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য মুসলিমদের কাছে বিক্রি করে ধনী হয়ে যাচ্ছে, মুসলিমদের ক্ষয়িষ্ণু সম্পদ এরা ভাগ বাঁটোয়ারা করে নিয়ে নিচ্ছে।

ইসরাইলী ও আমেরিকান ইহুদীরা তো সারা বিশ্বের মুসলিমদের কানে ধরে উঠ বস করাচ্ছে - এ ব্যাপারে বলারই কিছু নেই।

কেবল কপাল পোড়া মুসলিম জাতিরই উন্নতির কোন আশা দূর থেকেও দেখতে পাওয়া যাচ্ছেনা।

চাদ্গাজীর হাঁটুর মধ্যস্থিত জ্ঞান এখানে বারংবার প্রকাশের চেষ্টা দেখিয়া যারপর নাই আমোদিত হইলাম।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:০৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: হ্যা ! ঠিকই বলিয়াছেন ! ফসলের পরিচর্যা না হইলে আগাছার দৌরাত্ম হইবে ইহাই স্বাভাবিক।

১৪| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
যতই বলেন কয়লার ময়লা যাবেনা!!
যে নিজের দেশ , নিজের মানুষ ছেড়ে
পরবাসী হয়ে সাদা চামড়ার পদলেহণ করে
তার কাছে ইসলাম আর মুসলমান আদর্শ হবে
তা ভাবেন কি করে !!

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:২২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: তাহা হইবে এই আশাই তো করি। ঢেকি স্বর্গে গেলেওতো ধান ভানে ! মুসলমানের স্থান-কাল-পাত্র ভেদে কোন মৌলিক পরিবর্তন তো নাই। সমস্যা হইলো চশমা পাল্টাইয়া গেলেই দৃষ্টিভঙ্গি, মস্তিস্কও পরিবর্তন হইয়া যায়। ইহাও বুঝি একধরণের বিবর্তন !

১৫| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪১

বাকপ্রবাস বলেছেন: যুগটা যখন আধুনিক তায় কোন কিছু তুলনা করার জন্য আধুনিক উপকরণ ব্যবহার করতে হবে।
১) কোথায় কোথায় পিছিয়ে
২) কেন পিছিয়ে
৩) অন্যরা কেন এগিয়ে
ইত্যাদি বিষয়গুলো তুলনা করে আলাপ করতে হবে।
শিক্ষা
চিকিৎসা
বিজ্ঞান
খেলাধুলা
সংস্কৃতি চর্চা
এভাবে বিষয়গুলো এনে একটা একটা বিচার করতে হবে।
তবে সওদি আরবে শিক্ষার মান সোচনিয়। শাসকরা হয়তো চায়না শিক্ষিত জাতি গড়ে উঠুক। কারন রাজতন্ত্রের অন্তরায় বর্তমান শিক্ষায় শিক্ষিত সমাজ।
সওদি আরব কিভাবে চালায় সেটা নিয়ে ইসলামকে মূল্যায়ন করা যাবেনা এই কথা বলা যেতে পারে কিন্তু রয়ে যায় এখানে যে, যেখানে শেষ নবি আসল, যেখানে কোরানের নাজিলকৃত প্রথম আয়াত পড় তোমার প্রভুর নামে সেখানে যদি অবস্থা সোচনিয় হয় তাহলে অনেক কিছু আলেচনার অবকাশ থাকে। বুঝার গলত নাকি অন্যকিছু সেটাও দেখার বিষয়।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:২১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: যুগটা যখন আধুনিক তায় কোন কিছু তুলনা করার জন্য আধুনিক উপকরণ ব্যবহার করতে হবে।

আধুনিক উপকরণের ব্যবহার হইতেই পারে। তবে গাইডলাইন কুরআন, হাদিস , ইজমা , কিয়াস হইতেই হইতে হইবে। ইসলামকে মডার্ন বানানোর দরকার নাই। ইসলাম কিয়ামত পর্যন্তের।

১) কোথায় কোথায় পিছিয়ে
২) কেন পিছিয়ে
৩) অন্যরা কেন এগিয়ে
ইত্যাদি বিষয়গুলো তুলনা করে আলাপ করতে হবে।


অন্যরা কেন এগিয়ে , তাহাইতো বলিলাম। বাকিগুলো লিখুন না !

শিক্ষা
চিকিৎসা
বিজ্ঞান
খেলাধুলা
সংস্কৃতি চর্চা
এভাবে বিষয়গুলো এনে একটা একটা বিচার করতে হবে।


করিলে স্বাগতম জানাইবো। আমি বনের রাজা টারজান , মুখ্য সুখ্য মানুষ। বাকিরা আওগাইয়া আসুক।


তবে সওদি আরবে শিক্ষার মান সোচনিয়। শাসকরা হয়তো চায়না শিক্ষিত জাতি গড়ে উঠুক। কারন রাজতন্ত্রের অন্তরায় বর্তমান শিক্ষায় শিক্ষিত সমাজ।
সওদি আরব কিভাবে চালায় সেটা নিয়ে ইসলামকে মূল্যায়ন করা যাবেনা এই কথা বলা যেতে পারে কিন্তু রয়ে যায় এখানে যে, যেখানে শেষ নবি আসল, যেখানে কোরানের নাজিলকৃত প্রথম আয়াত পড় তোমার প্রভুর নামে সেখানে যদি অবস্থা সোচনিয় হয় তাহলে অনেক কিছু আলেচনার অবকাশ থাকে। বুঝার গলত নাকি অন্যকিছু সেটাও দেখার বিষয়।


প্রতিটা বিষয় সূক্ষাতিসূক্ষ বিচার হইতে পারে। জাগতিক শিক্ষা গ্রহণে তো নিষেধ নাই। বরং ফরজে কেফায়া বলিয়াই জানি। সৌদির অনেক কিছুই ভালো নাই , আবার অনেক কিছুই সারা দুনিয়ার চেয়ে ভালো আছে। তবে ওলামায়ে কেরামের মুখে শুনিয়াছি, এলেম মদিনা হইতে সফর করিয়া বিভিন্ন স্থানে যাইবে এবং শেষে মদীনাতেই ফিরিবে । সুতরাং সৌদিতেই এলেমের কেন্দ্র হইবে এমন হইতে বোধহয় দেরি হইবে। আর জাগতিক শিক্ষার কথা যদি বলেন , তাহা হইলে বলিতে হয় তাহারা পিছাইয়া আছে সত্যি , তবে চেষ্টা করিতেছে সারা বিশ্ব হইতে সেরা শিক্ষক রিক্রুট করিতে। তাহাদের বিপুল পরিমান শিক্ষার্থী পশ্চিমা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ালেখা করিতেছে।

তাহারা যে পড়িতেছে , ইহা আশাব্যঞ্জক। এই পরিমান সম্পদ , আরাম-আয়েশ থাকিলে আমিতো ইয়েও নড়াইতাম না। আপনি কি করিতেন ? :D

১৬| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫১

চাঁদগাজী বলেছেন:


@নূর মোহাম্মদ নূরু ,

আজকে কি কোন বিখ্যাত মানুষ মরেননি; ফুলেল শুভেচ্ছা হবে না?

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:২৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: নুরু ভাইয়ের উত্তর নুরু ভাইই দেউক !

১৭| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমাদের নবীর(স: ) সাহাবীদের বেশীর ভাগই ছিলেন খুবই দরিদ্র, উনাদের বেশীর ভাগের অক্ষর জ্ঞান ছিলো না; সাহাবীরা বিশ্ব, মানুষ, ভবিষ্যত সম্পর্কে যদি কিছু বলে থাকেন, উহা ৯৯% ভুল হওয়ার সম্ভাবনা।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৪৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনি যদি আমাদের দেশেও রুট লেভেলের মানুষদের সাথে মেশেন তাহা হইলে দেখিবেন, দরিদ্র , নিরক্ষর মানুষের মধ্যেও কি পরিমান বুদ্ধিমত্তা থাকিতে পারে। আমাদের উপমহাদেশ মায় বিদেশের রাজনীতিতেও স্বশিক্ষিত লোকজনের ছড়াছড়ি। তাহারা কম বুদ্ধির হইলে এতো মানুষকে চড়াইয়া খাইতে পারিতেন না ! হ্যা, শিক্ষা, সম্পদ মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে শানিত করিতে পারে , উৎকর্ষিত করিতে পারে। তবে দরিদ্রদের মধ্যে বুদ্ধিমত্তা, প্রজ্ঞা থাকিবে না ইহাতো সত্য নহে। ইতিহাসে তাকালেই দেখিবেন।

আপনাকে বুঝিতে হইবে , সাহাবা রা. সাধারণ কেহ ছিলেন না। তাহারা ছিলেন হজরত মুহাম্মদ স. এর সুহবত প্রাপ্ত। তাহারা ঐশী জ্ঞানে কি পরিমান সমৃদ্ধ ছিলেন তাহা ইতিহাসে , কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। পড়িয়া দেখুন।

আপনি ইসলাম সম্পর্কে এতো কম জানেন ভাবিয়া আশ্চর্য হইতেছি। আপনার মতন ইন্টেলেক্চুয়াল ইসলাম সম্পর্কে এতো কম জানিবে, ভুল জানিবে তাহা বিস্ময়কর বটে।

১৮| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:০৪

ঢাকার লোক বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন, মানুষ জাগতিক উন্নতি ভালোবাসে এবং তাকে প্রাধান্য দেয় সে আল্লাহ নিজেও বলেছেন , তবে আখিরাত যে দুনিয়াবী জীবনের চেয়ে শ্রেয় তও বলেছেন, আজ আমরা আখিরাতকে পরিপূর্ণ অবহেলা করে দুনিয়াকে মুখ্য এবং একমাত্র আরাধ্য করে নিয়েছি , আল্লাহর উপর নির্ভরশীলতার চেয়ে জাগতিক বিষয়ের উপর বেশি নির্ভর করছি, আজ মুসলমানদের পিছিয়ে পড়ার এটা একটা বড় কারণ এতে কোনো সন্দেহ নেই !

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:০১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সম্ভবত , আবু উবায়দা ইবনু জাররাহ রা. এর সেই বিখ্যাত কথা , " আমাদের সাথে এমন এক বাহিনী আছে যাহারা মউতকে এমন ভালোবাসে যেমন তোমরা সরাবকে ভালোবাসো !" ইহাতো এমনি এমনি বলেন নাই ! মউতকে ভালোবাসাতো আখিরাতের উপর বিশ্বাস, আল্লাহতায়ালাকে ভালোবাসা হইতে আসে। আর এসব গুনতো আসে ঈমানের দৃঢ়তা তথা একিন হইতে ! একিন যদি আসবাবের উপর আসে তাহা হইলে আল্লাহর উপর নির্ভরতা সরিয়া যাইবে। আল্লাহর আজাব অনিবার্য। আর আল্লাহর উপর একিনতো ঈমানের চর্চার মাধ্যমে আসে।

হালাকু খাঁ যখন বাগদাদ আক্রমণ করে , খলিফা মুতাসিম বিল্লাহ ১০০০০ সেচ্ছাসেবক চাহিয়াও পান নাই। বাকিটুকু ইতিহাস !

১৯| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:১৮

বিশিষ্ট বলদ বলেছেন: চাঁদগাজী ভাই,
আপনেও বলদ আমিও বলদ। আসেন দুই ভাই মিলে একত্রে ঘাস খাই আর জাবর কাটি।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:০২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ভাইরে , এইডা কি কইলেন !!!!! =p~

২০| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


@বিশিষ্ট বলদ,

নিজ সম্পর্কে আপনার ধরণা সঠিক, আমি আপনার কেহ নই।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:০৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: :D

২১| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৪৮

বিশিষ্ট বলদ বলেছেন: আপনি বলদের আপডেট ভার্সন ট্রাক্টর।

হলেনই নাহয় ট্রাক্টর। তাই বলে রাগ করেন কেন ভাই? উহারা ইডিয়েট ফিডিয়েট। কেহই আপনার সম্মান বুঝলোনা। আমি আপনার মর্যাদা বুঝলাম। আর আপনি কিনা ভাই হয়ে ভাইকে অস্বীকার করলেন? দুঃখে পুনরায় আমার ককে পানি চলে আসল।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:০৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনার ককে ফানি দেখিয়া আমার ককেও পানি আসিয়া গেলো ! :P

২২| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১৬

জাহিদ হাসান বলেছেন: আমি আপনার সাথে পোস্টের সাথে একমত।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:০৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৩৩

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: মুসলমানরা শিয়া, সুন্নী, পীর, মাজহাব নিয়ে ভাগ হয়ে গিয়েছে। ঐক্য না থাকলে তাদের আরো পতন হবে...

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:১৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বিভাজন কাহার মধ্যে নাই ? কোন দলে নাই ? এই কিছুদিন আগেও ক্যাথলিক আর প্রটেস্টান্ট একে অপরের ইয়ে মারিয়াছে ! কিন্তু মুসলমানের বিরুদ্ধে আজ সকল রসুনের ইয়ে এক হইয়াছে। মুসলমান এক হইতে পারিতেছে না, এই যা । এক আর হইতেও পারিবে না। ইহাই প্রফেসি।

পতন অনিবার্য ঠিকই , তবে আশাও আছে। চক্ষুস্মানগন তাহাই বলিয়া গিয়াছেন। সুতরাং অন্ধদের হইতে হাতির বিবরণে বিশ্বাস করায় লাভ নাই।

২৪| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৫০

আল ইফরান বলেছেন: চাদগাজি বলেছেন "... সাহাবীরা বিশ্ব, মানুষ, ভবিষ্যত সম্পর্কে যদি কিছু বলে থাকেন, উহা ৯৯% ভুল হওয়ার সম্ভাবনা।"

আই এম স্যরি টু সে, আপনি অনেক বিষয়েই অনেক কিছু জেনে থাকতে পারেন, কিন্তু ইসলামের ইতিহাসে আপনার জ্ঞান অত্যন্ত সীমিত। নিজের জ্ঞানের অক্ষমতাকে ঢাকতে গিয়ে ব্যক্তি/দল বিশেষকে কাঠগড়ায় দাড় করিয়ে দেয়াটা একধরনের হীনমন্যতার পরিচয় বহন করে। আশা করি বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিবেন।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:১৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ইসলাম সম্পর্কে উনি নাবালেগ ! তাই বালেগ হওয়া কি জিনিস বুঝিতে পারিতেছেন না !

২৫| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:০৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: মুসলমানরা শিয়া, সুন্নী, পীর, মাজহাব নিয়ে ১৫৩ ভাগ হয়ে গিয়েছে।
মুসলমানদের হতেই মুসলমানরা বেশী মরছে
ঐক্য না থাকলে তাদের আরো পতন হবে...

আগে নিজেদের ভেতর কাইজ্জা মিটিয়ে মোসলমান ও মানুষ হয়ে আসেন, তারপর জবাব দিব।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:২৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আগে নিজেদের ভেতর কাইজ্জা মিটিয়ে মোসলমান ও মানুষ হয়ে আসেন, তারপর জবাব দিব।

আপনি কি নিজেকে মুসলমানদের হইতে পৃথক ভাবিতেছেন, তাই কাইজ্জা মিটাইয়া , ভালো মানুষ হইয়া আসিতে বলিতেছেন।আপনি কি মুসলমানদের কেহ নন ?

আফসোস , আফসোস ! ভুল হইলে নসিহত করিবেন। উম্মত হইতে পৃথক হইয়া চিন্তা করিবেন কেন ?

কাইজ্জা কাহাদের মধ্যে নাই ? খ্রিস্টানদের ইতিহাসেতো একে অপরের ইয়ে মারামারিতে ভরপুর ! হিন্দুদের উচ্চবর্ণ-নিম্নবর্ণ এখনো চলিতেছে। ইহুদিদের জায়োনিজম , এন্টি জায়োনিজমের বিরোধে মানুষও কম মরে নাই ! বৌদ্ধদের মহাযান, হীনযান ,; জৈনদের দিগম্বর , পীতাম্বর ! সমস্যা হইলো নিজেদের বৃহত্তর স্বার্থে তাহারা এক হইতে পারিতেছে , মুসলমানের বিরুদ্ধে সব রসুনের এক ইয়ে হইয়াছে , মুসলমান পারিতেছে না ! পারিবেও না। ইহাই প্রফেসি।

২৬| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪১

ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ বলেছেন: @ টারজান0007-জনাব,ইহুদি-নাসারাদের সাফল্য ও প্রাধান্যে আল্লাহ্-র পেয়ারা বান্দাদের এত জ্বালা কেন ? এত আহাজারি আর বিলাপ কেন ?

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: জ্বালা বা বিলাপতো নাই ! আত্মসমালোচনা করিতেছি , আত্মনুসন্ধান করিতেছি ! ইহাতে আপত্তি আছে ?

ফসলের জমিতে ফসল না হইয়া আগাছার দৌরাত্ম বাড়িলে কৃষকের কি করা উচিত ?

২৭| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


@আল ইফরান বলেছেন, "আই এম স্যরি টু সে, আপনি অনেক বিষয়েই অনেক কিছু জেনে থাকতে পারেন, কিন্তু ইসলামের ইতিহাসে আপনার জ্ঞান অত্যন্ত সীমিত। "

-তা'হলে, আপনি বলছেন যে, মক্কায় ও মদীনায় আমাদের নবীর( স: ) আশেপাশে যারা ছিলেন, তারা শিক্ষিত ও পন্ডিত ব্যক্তি ছিলেন!

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনি বরং ইসলাম লইয়া পড়াশোনা করুন। ধর্ম লইয়াই আপনার পড়াশোনা খুবই কম।

পান্ডিত্যের রকমফের তো আছে। তাহারা ঐশী জ্ঞানে পন্ডিত ছিলেন। ঈমানের নূরে নূরান্বিত ছিলেন। রাসূল স. সোহবতে সমৃদ্ধ ছিলেন !

নাকি আপনার ধারণা , পন্ডিত হইতে গেলে এখনকার মতন পিএইসডি না করিলে হইবে না ?

২৮| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


@আল ইফরান বলেছেন, "আই এম স্যরি টু সে, আপনি অনেক বিষয়েই অনেক কিছু জেনে থাকতে পারেন, কিন্তু ইসলামের ইতিহাসে আপনার জ্ঞান অত্যন্ত সীমিত। "

-১৪০০ বছর পর, যারা আপনার আশেপাশে আছেন, তারা কি রকম পন্ডিত?

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনি এক কাজ করুন , পন্ডিতের সংজ্ঞা লইয়া একখানা পোস্ট দিন। আমরা দেখি পন্ডিতের কি কি গুন্ আছে !!!

২৯| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ২:০৪

আলআমিন১২৩ বলেছেন: ২৯ নং কমেন্ট-চাদগাজীর জ্ঞ্যান -আমার ধারনা কোন বিষয়েই তার গভীর জ্ঞ্যান নেই। যা বলেন সব হালকা ।প্রায় সময়ই অপ্রাসঙ্গিক। মাঝে মাঝে বেশ অভদ্রজনোচিত।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: উহু ! এইটা অবশ্য ভুল বলিলেন। উনি ইন্টেলেক্টুয়াল সন্দেহ নাই। তবে ইসলাম সম্পর্কে উনি নাবালেগ !

৩০| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ২:০৬

নতুন বলেছেন: ধমের অবস্থা খুবই নাজুক সেটা অন্ধবিশ্বাসীরা বুঝতে চাইবেনা।

খৃস্টান, হিন্দুরা বুঝতে পেরেছে যে তাদের ধম` রুপকথার মতন... মানুষেরই লেখা.... তাই এটা নিয়ে তারা বেশি লাফালাফি করেনা।

ধমান্ধ, অন্ধভক্ত থাকবেই যারা কট্টরবাদ প্রচার করে। যেমন দেখবেন ভারতে কিছু হিন্দু কট্টরবাদী.... তেমনি আছে আইএসআইএস, তালেবান,...

এখন মুসলিম বিশ্বে নামের মুসলিমের সংখ্যা অনেক.... কিন্তু কত % ইসলামী আদশ মেনে চলে???

বাংলাদেশ, পাকিস্তান এর মতন দেশে যদি মুসলিমরা ঘুষ, সুদ, দূনিতি,মদ, পতিতাবৃত্তি না করতো তবে দেশ অবশ্যই আরো ভালো হতো।

দেশের অবস্থা দেখে অবশ্যই বুঝতে পারছেন যে এখন গুনাহ/দোজখের ভয়ে আর মুসলমানেরা পাপ করা বন্ধ করে না।

কারন তারা এখন এইগুলিকে আর ভয় পায় না।

ধম` ছিলো তাদের মরালিটির একটা স্টান্ডাড.... সেটাকে যেহেতু মুসলমানেরা ভয় পাচ্ছেনা....তাই দেশে নৈতিকতার এই হাল...

কিন্তু এই ট্রান্সিসন পিরিওড খৃস্টিয়ান,ঈহুদীরা পার করে এসেছে.... এখন তারা মানবতাকেই মরালিটির স্টান্ডাড হিসেবে নিয়েছে.... তারা ধমের ভয়ে না... মানবতার কারনে মন্দ জিনিস গুলি কম করছে।

উন্নত বিশ্বের বেশির ভাগই কাফের/নাসারা... তারা উন্নতি করেছে কারন তারা মানুষের জন্য ভালো কাজ করে... মানুষের জন মন্দ জিনিস এড়িয়ে চলে....

এটা মুসলিম সমাজেও আসবে... তবে সময় লাগবে....

টারজান ভাই ... এটাই বাস্তবতা... আপনার পছন্দ হবেনা... কারন আপনি সবার সাথে মিশে তাদের কাছ থেকে দেখেন নাই। ইহুদী.খৃস্টিয়ান/হিন্দু/বৌদ্ধ দের কাছ থেকে কিছু দিন দেখলে বুঝতে পারবেন।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: অন্য ধর্মের কথা জানিনা , তবে ইসলামে যাহাদের বিশ্বাস তাহাদের ঈমানের বিষয়গুলিতে অন্ধ বিশ্বাসীই হইতে হইবে ! মুসলমানের সাথে অন্যান্যদের পার্থক্য হইলো, অন্যদের উন্নতি ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত নহে। মুসলমানদের সম্পৃক্ত। মুসলমানদের ইতিহাসও তাহাই বলে। ধর্মে দুর্বলতা যখনি আসিয়াছে , সভ্যতার চূড়ান্তে থাকিয়াও পতন হইতে সময় লাগে নাই !

দেখুন খ্রিষ্টান জাতির উন্নতির কারণগুলোর সাথে ঈমানের কথা বলা হয় নাই ! তবে মুসলমানদের উন্নতি করিতে হইলে আমলের সাথে ঈমান শর্ত। মুসলমান ধর্ম হইতে দূরে গিয়া উন্নতি করিতে পারিবে না ! অন্যদের অনুসরণ করিলে বড়জোর জবাইয়ের আগে মোটাতাজা গৃহপালিত পশু হইবে, ছুড়ির মালিক হইবে না !

তাই মুসলমানের জন্য নসিহত হইলো ধর্মে ফেরা। আপনার উহা পছন্দ হউক বা না হউক।

৩১| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ২:১৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তাইলে ইহুদী নাছাড়াদের ওষুধ না খেয়ে দাওরায় সেকেন্ড ইয়ারে দাওয়া এ ইসলাম কোর্সে বিভিন্ন অসুখ বিসুখের ঝাড় ফুঁক শিক্ষা আছে। সেগুলো পালন করলেই ল্যাঠা চুকে যায়। তখন বিশ্ববাসীও দেখবে মাসলমম্যানদের ধর্ম সত্যি বলিয়া তাদের সহী গ্রন্থের মাধ্যমে সকল রোগের চিকিত্সা করিতেছ্।

এখন আবার বইলেন না যে মারিয়া কিবতির বাচ্চা ১৮ মাস বয়সে ঝড়ে ভুগে মরলো কেন? রুকাইয়া সুন্দরী অল্প বয়সে পটলাইলো কেন? আমার ঠিক বুঝে আসে না মহাগ্রন্থ মুখস্থ কইরা তার লেখক বাপ হওয়া সত্বেও এদের অল্প বয়সে করুন মৃত্যু হইলো কেন? যদিও শিয়ারা বলে জামাই এর ডলা খাইয়া নাকি রুকাইয়া মরছে.. এইটা মিছা কথা... শিয়ারা তো মাসলম্যান না

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: যাক , মানসিক অসুস্থতা লইয়াও আমার পোস্টে মন্তব্য করিয়াছেন।

হ্যা, একিনের পর্যায় যদি ওই পর্যায়ে যায় যেমন আল্লাহওয়ালাদের আছে তাহা হইলে ঝাড়-ফুকেও কাজ হইবে নিশ্চিত। ইহা ছাড়া, ওষুধ ব্যবহার , ডাক্তার দেখানো সুন্নত। তাই নিষেধ নাই।

মউততো নিয়তির লিখন , যাহার যখন লেখা আছে , আসিবে। আপনারও আসিবে। মউতের আগে সুস্থ হউন , ঈমানের দৌলতে সমৃদ্ধ হউন এই দোআ করি।

৩২| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:২৬

গাওসেল এ. রাসেল বলেছেন: আমাদের বড় হয়ে উঠাতেই ভুল ছিলো। সেটা সঠিক ইসলামী জ্ঞানের অভাবেই হোক কিংবা কুপমন্ডুক, গোঁড়া, ধর্মান্ধ ধর্মগুরুর ব‍্যাখ‍্যা করা বিকৃত ইসলাম শিক্ষার কারনে। পুরো লেখাটিতে কয়েকটা আপত্তিকর পয়েন্ট ছিলো। আমার মনে হচ্ছে না লেখক সাহেব এসব নিয়ে আলোচনা করার কিংবা সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতা রাখেন। আর হ‍্যা, একটি মন্তব্য বাদে এই পোস্টে করা চাঁদগাজী সাহেবের সকল মন্তব্যের সাথে আমি একমত- যদিও তাতে উনার কিছু আসে যায় বলে মনে হয় না। ধন্যবাদ।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমারও মনে হইতেছে , আপনার বড় হইয়া উঠাতেই সম্ভবত ভুল ছিল ! এখনো সময় আছে , আল্লাহওয়ালাদের কাছে গিয়া শোধরাইয়া লইতে পারেন।

৩৩| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৩২

মেহেদী হাসান হাসিব বলেছেন: মন্তব্যে আস্তিক আর নাস্তিকে মিলে এক হয়ে গেছে।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:০১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: পোস্টটাতেতো খ্রিস্টানদের গুনের কথাই লিখিয়াছি ! তাহা হইলে উনাদের লাগিতেছে কেন ?

৩৪| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:০২

এ.এস বাশার বলেছেন: পোস্টের বিষয় বস্তু '' একদম উচিৎ কথা" সমালোচনা পড়ে অনেকের সম্পর্কে জানতে পারলাম......

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৩১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৫| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৩৭

নীল আকাশ বলেছেন: - চাদ্গাজীর হাঁটুর মধ্যস্থিত জ্ঞান এখানে বারংবার প্রকাশের চেষ্টা দেখিয়া যারপর নাই আমোদিত হইলাম।
- পিগমীরা সবকিছুতেেই আমোদ খুঁযজে পান, খালি পেটেও উঠানে নাচে।

কি ব্যাপার কাহিনী থেমে গেল কেন? ;)

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:৩৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কাহুর বয়স হইয়াছে , তারউপর চোখে কম দেখেন। তাই বিশ্রাম লইতাছেন ! :D

৩৬| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৬

এ আর ১৫ বলেছেন: আমাদের তথাকথিত আলেম সমাজ এবং তথাকথিত লোক দেখানো ধার্মিক সমাজ সব সময়ে বলে থাকে মুসলমানদের ভিতর বিভক্তি , দুর্গতির জন্য নাকি ইহুদী নাসারা দায়ি এবং এগুলো নাকি তাদের ষড়যন্ত্র ।
এখন দেখা যায় ইহুদী এবং নাসা -- এদের মধ্য বিভক্ত আছে , অনৈক্য আছে সেই জন্য নিশ্চয় মুসলমানরা দায়ি ? যদি না হয় তাহোলে কারা দায়ি ?
ইহুদী নাসার যড়যন্ত্রে মুসলমানরা বিভক্ত হয়ে জ্ঞানে বিজ্ঞানে পিছিয়ে পড়েছে , তাহোলে মুসলমানদের ষড়যন্ত্রে ইহুদী নাসার বিভক্ত হয়ে জ্ঞানে বিজ্ঞানে এতো আগালো কি করে ?
মুসলমানদের দলিলের ভিতরে যে সমস্যা রয়েছে সে গুলো মুলত মুসলমানদের বিভক্ত করেছে এবং জ্ঞানে বিজ্ঞানে পিছিয়ে পড়ার জন্য প্রধান কারন হয়ে দাড়িয়েছে , তাহোলে ঐ সমস্ত ইসলামিক দলিল গুলোকি ইহুদী নাসাদের তৈরী বা যড়যন্ত্রের ফল ?
একটা উদাহরন --- আপনি যখন পহেলা বৈশাখ বা বিজয় দিবস পালন করবেন দেশিয় কৃষ্ঠি ব্যবহার করে ধর্ম নিরপেক্ষ চেতনায় তখন ওনারা বলবেন ওগুলো করা হারাম । ঠিক আছে ঐ ভাবে পালন করলে ওগুলো হারাম হয়ে যাবে , তাহোলে আসুন এবার আমরা কোরান হাদিস ইসলামিক চেতনা ব্যবহার করে ঐ দিবস গুলো পালন করি -- তখন ওনারা বলবে সোয়াব পাবার উদ্দেশ্য ইসলামে কোন কিছু যুক্ত করাকে বিদাত বলে , সুতরাং ইসলামিক চেতনায় পালন করলে সেটা হবে বিদাত ।
--
এই যে মুক্ত চিন্তা বিরুধী, মাওলানাদের মনোভব আমরা দেখতে পাচ্ছি প্রতিটি ইসুতে, সেই মনোভবের জন্য কি ইহুদী নাসাদের যড়যন্ত্র দায়ী ? এই মনোভব যখন কোন জাতীর মজ্জায় মজ্জায় প্রবাহিত হয় তখন সে জাতী জ্ঞানে বিজ্ঞানে পিছিয়ে পড়ে । ইহুদী নাসাদের মধ্যে অনেক বিভক্তি আছে কিন্তু যেহেতু তারা এখন মুক্ত চিন্তা বিরুধী নহে ( এক কালে তারা ছিল ) , তাই তারা এখন সব কিছুতে এগিয়ে আছে ।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:১৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ৩২ নম্বর মন্তব্যের জবাব পড়িয়া লইবেন ভালো করিয়া।আর সবকিছুর জন্য ইহুদি-নাছারা দায়ী ইহা আমাদের ওলামায়ে কেরাম বলেন না ! তবে তাহারা যে ষড়যন্ত্র করে , ইসলামের ক্ষতি করার চেষ্টা করে, মুসলমানকে ধর্ম হইতে সরাইতে , ধর্ম বিমুখ করিতে চেষ্টা করে ইহা বলিয়া সতর্ক করেন , আর ইহার প্রমাণও ভুরি ভুরি।

জী, ইসলাম , মুক্ত চিন্তার নামে ধর্ম ও ধর্মীয় ব্যাক্তিত্বের অবমাননাকর কোনকিছু সহ্য করার মতন উদার (!) হইতে পারিবে না। উহার নির্দেশনাও নাই ! নিজ নিজ অবস্থানে থাকিয়া প্রতিবাদ করারই নির্দেশনা। তাহাতে দুনিয়ার উন্নতি না হইলেও কিছু যায় আসেনা ! মুক্তবুদ্ধির নামে বিকৃত মস্তিষ্কের বমি আর মানবাধিকারের নামে সমকামিতার চল মুসলিম সমাজের প্রয়োজন নাই।

৩৭| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৮

আল ইফরান বলেছেন: @ চাঁদগাজী, আমি আপনার সাথে বিতর্কে যেতে চাই না। আমি মানুষ হিসেবে অত্যন্ত নগন্য ও স্বল্প অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। আপনি যা বলেছেন তা আমার কাছে অনুচিত বলে মনে হয়েছে।

আপনার প্রথম প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি না কারন আপনি ঘুরেফিরে 'কুমিরের লেজ খাজকাটা' এই যুক্তিতে ফিরে যাবেন।

আর দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাবে বলতে চাইঃ আলহামদুলিল্লাহ,১৪০০ বছর পরেও আল্লাহ তাদের আশেপাশেই থাকার তাওফিক দিয়েছেন পৃথিবীর যে অংশকে বা যাদের তাত্ত্বিক জ্ঞানী বলে আপনি বা আপনারা দাবী করেন।

আশা করি দয়া করে এর ব্যাখ্যা চাইবেন না।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:১৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ। তাহার পন্ডিতের সংজ্ঞা জানিতে মুন চায়।

৩৮| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৩৪

এ আর ১৫ বলেছেন: ৩২ নম্বর মন্তব্যের জবাব পড়িয়া লইবেন ভালো করিয়া

ওখানে আমার মন্তব্যের জবাব নেই ।
আর সবকিছুর জন্য ইহুদি-নাছারা দায়ী ইহা আমাদের ওলামায়ে কেরাম বলেন না ! তবে তাহারা যে ষড়যন্ত্র করে , ইসলামের ক্ষতি করার চেষ্টা করে, মুসলমানকে ধর্ম হইতে সরাইতে , ধর্ম বিমুখ করিতে চেষ্টা করে ইহা বলিয়া সতর্ক করেন , আর ইহার প্রমাণও ভুরি ভুরি।
ও তারা ষড়যন্ত্র করে ইসলামিক দলিলে তথ্য ঢুকিয়ে মুসলমানদের মধ্য বিভক্তি এনেছে এবং মুসলমানরা শিক্ষাদিক্ষা সব কিছুতে পিছিয়ে গেছে । ঐ সমস্ত দলিল অব্যাহত চর্চা করেই তো ধর্ম বিকৃত করা হচ্ছে ।

জী, ইসলাম , মুক্ত চিন্তার নামে ধর্ম ও ধর্মীয় ব্যাক্তিত্বের অবমাননাকর কোনকিছু সহ্য করার মতন উদার (!) হইতে পারিবে না। উহার নির্দেশনাও নাই !
পহেলা বৈশাখ বা বিজয় দিবস পালন বুঝি ধর্ম আর ধর্মীয় ব্যক্তিত্বকে অবমাননা করা ??

নিজ নিজ অবস্থানে থাকিয়া প্রতিবাদ করারই নির্দেশনা। তাহাতে দুনিয়ার উন্নতি না হইলেও কিছু যায় আসেনা ! মুক্তবুদ্ধির নামে বিকৃত মস্তিষ্কের বমি আর মানবাধিকারের নামে সমকামিতার চল মুসলিম সমাজের প্রয়োজন নাই।
মুক্ত বুদ্ধির ম্যারিট ডিম্যারিট সব কিছুই আছে তবে ম্যারিটের পরিমান অনেক গুন বেশি ।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৪৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধুর ! উদাসী স্বপ্নদোষই আপনাকে ইয়ে বলিয়াছে ! আমি আর কি বলিব ! পাছা দিয়া পাহাড় ঠেলা ব্যক্তির সাথে বাতচিত করা পন্ডশ্রম !

৩৯| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৩৫

ব্লু হোয়েল বলেছেন: ১১ নং মন্তব্যের প্রেক্ষিতে, “ ইহা সত্যি হইতে পারে। কিন্তু পরিনাম কি ? মুসলমানের সংস্কৃতি , ধর্ম লইয়া ওখানে থাকিতে পারিবে বলিয়া কি আপনার মনে হয় ?

-মুসলমানেরা ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা, অষ্ট্রেলিয়া ধর্ম পালনের জন্য যায় না, ভালো জীবনের আশায় যায়; পশ্চিমে ধর্ম এখন সামাজিক সংস্কৃতি মাত্র।”
কিছুদিন আগে বিবিসি’র জরীপে দেখেছি ২০৭০ সালে বিশ্বে মুসলিমদের অবস্থান হবে হবে ১ নং স্থানে ।
আমরা যারা বিশ্বাসী তারা ভাল করেই জানি এবং বিশ্বাস করি কেয়ামতের আগে সারা পৃথিবীতে ইসলাম কায়েম হবে । কারণ মুহাম্মাদ (সাঃ) আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন সারা পৃথিবীর রহমত হিসেবে ।

আবার এটাও ঠিক যে পৃথিবীতে আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা একজন ব্যক্তিও যখন অবশিষ্ট থাকবে না তখনই কেয়ামত হবে । আর যেসব মুসলিরা বিভিন্নভাবে নিপীড়নের মূখে অথবা উচ্চ শিক্ষার নামে ইউরোপ, আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া যায় তারা কিন্তু সারা পৃথিবীতে মুসলমানদের ছড়িয়ে পড়ার কারণেও যেতে পারে । এটি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই ভাল জানেন ।

পৃথিবী সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর পূর্বেই আল্লাহ তায়ালা মানুষের তকদীর লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন । তবে এটিও বিশ্বাসীরাই মানবে বলে মনে হয় ।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: হ্যা , মুসলমানদের সংখ্যাধিক্য হইবে ইহা বলা আছে , তবে সাথে ইহাও বলা আছে যে তাহাদের মধ্যে অহান (মৃত্যুভয়) পয়দা হইয়া যাইবে ! আর অহানতো পয়দা হইবে ঈমান-আমলের দুর্বলতার কারণে।

ইসলাম প্রতিটি কাঁচাপাকা ঘরে পৌঁছিয়া যাইবে ইহাও বলা হইয়াছে। ইহার জন্য দাওয়াত তো একটা রাস্তা। হইতে পারে এইসব প্রবাসীরাও মাধ্যম হইবে। পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলিতে এথনিক ক্লিনজিংয়ের যে সুর দেখা যাইতেছে তাহাতে মুসলমানদের কি হইবে তাহা বলা মুশকিল।

ইমাম মাহ্দী র. আসার আগে পর্যন্ততো পরিস্থিতির অবনতিই হইবে। তাহার পর ভালো তাহার পর আবার খারাপ হইবে।

৪০| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৪২

ইনাম আহমদ বলেছেন:

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৪০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বাহ্ ! আপনার চেহারা সুরততো মাশাল্লাহ ! কুরবানী পর্যন্ত অপেক্ষা করেন, ভালো দাম উঠিবে !

৪১| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৫৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: আমি একজনের কথা জানি- সে ইউরোপে মাত্র কবছর কাটিয়ে দেশে এসে বলে কিনা ? শুধু আল্লাহকে বিশ্বাস করেনা এই কারণে এত ভাল ভাল খৃষ্টান দোযখে যাবে ! সেটা মানা যায়না।

আরে ব্যাটা তুই নিজেইতো ধর্ম কর্ম সব জলাঞ্চলি দিয়ে আসামী হয়েছিস, তুই আবার বিধর্মীর জন্য সুপারিশ করিস কিসের জোড়ে ?

এই হচ্ছে আমার অবস্থা। তো পতন আসবেনা কেন ?

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ইহার ভয়ই মনে জাগে। আল্লাহ হেফাজত করুন। আমিন।

৪২| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:০৩

নতুন নকিব বলেছেন:



উপস্থিতি জানিয়ে গেলাম। আপনার ভাবনা ভাল। পোস্টে +++

মন্তব্যগুলোতে নজর বুলালাম। কেউ কেউ আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভুগে থাকেন, যা তাদের মন্তব্যে উঠে এসেছে। মুসলমানদের আত্মোন্নয়নের লক্ষ্যে আত্মসমালোচনার প্রয়োজন রয়েছে। এসব কারও কারও কাছে বিরক্তি উদ্রেকের কারন হিসেবে চিহ্নিত হতেই পারে।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ। চিন্তা করিয়া দেখুন , আত্মপরিচয় কতটুকু বিস্মৃত হইলে মুসলমান মুসলমানকে বলিতে পারে কাইজ্জা মিটাইয়া আসিতে, মুসলমান ইসলামকে খারাপ বলিতে পারে। নিজেকে উম্মাহর বাহিরে রাখিয়া চিন্তা করা কতখানি দুঃখের।

অফ টপিক : জাল হাদিস নিয়া আপনার পোস্টটা কি মুছিয়া দিয়াছেন ? খুঁজিয়া পাইলাম না !

৪৩| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:০৮

এ আর ১৫ বলেছেন: মুক্তবুদ্ধির নামে বিকৃত মস্তিষ্কের বমি আর মানবাধিকারের নামে সমকামিতার চল মুসলিম সমাজের প্রয়োজন নাই।

ও আপনার কাছে মুক্ত বুদ্ধি মানে বিকৃত মস্তিকের বমি ---- তাহোলে মাওলানারা যে ওয়াজ মহফিলে কুৎছিত রুচির বিকৃত সুর সুরি দিয়ে কথাবার্তা বলে ওগুলা বুঝি অমুক্ত মস্তিকের বমি ।
দুনিয়ার শিল্প সাহিত্য সাইন্স সব কিছু যে মুক্ত চিন্তার আউটপুট , সেটা বোঝার মত মেধা তো অন্ধ মানুষের তঃাকার কথা না , অশালিন কথাবার্তাই তাদের একমাত্র ভরসা ।
মানবাধিকারের নামে সমকামিতার চল মুসলমান সমাজে প্রয়োজন নেই -- তাহোলে কিসের নামে সমকামিতা কাওমি আলীয়া মাদ্রাসা গুলিতে চলিতেছে ।প্রায় পত্র পত্রিকায় যে মাদ্রাসার ভিতরে সমকামের খবর আসে সেগুলো কিসের নামে ।

পাছা দিয়া পাহাড় ঠেলা ব্যক্তির সাথে বাতচিত করা পন্ডশ্রম !
কি কারনে আপনার আই ডি ব্যান হয় না , সেটার কোন ব্যাখা এখনো পেলাম না ।

ধুর ! উদাসী স্বপ্নদোষই আপনাকে ইয়ে বলিয়াছে !

উদাসী আমাকে ইয়ে বলিয়াছে সেটা আপনাদের কাছে গ্রহন যোগ্য , তাহোলে উদাসী যখন আপনাদের মত লোকদের বলেছে শালার প্রেডফাইল জংগি -- তাহা হইলে উদাসীর সেই মুল্যায়ন টাও আপনাদের কাছে গ্রহন যোগ্য ।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধুর ! আপ্নে একখান ইয়ে !

৪৪| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৯

মিঠু পারভেজ বলেছেন: ভালো লিখেছেন

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৫| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এইটার পিছে আজকে কে, মন্ডল না নোটিশবোর্ডের হাতে ধরা খাওয়া নকিব? পারফরম্যান্স তো দেখি ভালো না। তার ওপর নিজেরাই নিজেদের পোস্টে কমেন্ট করতেছে।ইহা কিন্তু একটা বিনোদন।

@নতুন নকিব ভাই, জান হাদিসের পোস্ট কৈ? সেরাম আলুচানা হইছিলো কিন্তু। সুস্বাদু

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনার সপ্নদোষতো দেখি বন্ধ হয় নাই ! অতি সত্বর কলিকাতা হারবালে যুগাযুগ করুন ! নইলে..............

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কি কইতাছেন নিজে বুঝেন কিনা আগে নিশ্চিত হইয়া লন ! স্বপ্ন আর স্বপ্নদোষের পার্থক্য আছে !

৪৬| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৩৯

নতুন বলেছেন: জানি বিষয়গুলি হয়তো বুঝতে পারবেন না। তবুও বলছি।

ইসলামে ভালো কাজের তাগাদা দিয়েছে। খারাপ কাজ করতে নিষেধ করেছে।

ধামিকরা খারাপ কাজ করবেন না কারন আল্লাহ সাজা দেবেন, গুনাহ হবে, দোজখে যেতে হবে।

এখন মুসলিমরা আধুনিক বিজ্ঞানের কারনে মৃত্যু ভয় কমে গেছে। এখন মানুষের গড় আয়ু অনেক বেশি, অনেক রোগের চিকিতসা্ আছে। তাই মৃত্যু ভয়ে মানুষ আগের মতন ভীত না।

তাই আপনার পাশের মুসলমানরাই ঘুষ খায়, সুদ নেয়, ভ্যাজাল দেয়, পরকিয়া, পতিতার ... ( কারন এরা গুনাহ/দোজখের ভয়ে ভীত না)

কিন্তু এরা শুক্রবারে মসজিদে ভীড়, ঈদের নামাজ পড়ে, রোজা রাখে। কারন ( ছোট বেলা থেকে করে অভ্যাস... )

অনেক মুসলিম আছে যারা মদ খায় কিন্তু তাদের আপনি শুকরের মাংশের চপ দিয়ে মদ খাওয়াতে পারবেন না। কারন শুকর হারাম।

খৃস্টিয়ান/ ঈহুদীরা ধমের নরকের ভয় ছেড়ে নতুন মানদন্ড খুজে নিয়েছে। সেটা হলো মানবতা...

তারা এখন ধম` আনুস্ঠিকতার মতনই পালন করে। কিন্তু মানবতাকে সবার উপরে রেখে তারা দূনিতি/ভাজাল/মিথ্যা বাদ দিয়েছে।

আর বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে ধমের কাহিনি তেমন বিশ্বাসযোগ্য থাকছেনা এখন। তাই মানুষ ধমের দিকে ফিরে যাবেনা।

ইসলামের সংখ্যা বাড়বে কারন মুসলিমদের সন্তানের হার বেশি। তাই এরা সংখায় বেশি হবে। তখন রাস্ট ক্ষমতায়ও আসতে পারে। তাই বলে সামনে ইসলামের সুদিন আসছে বলে কল্পনায় মসগুল হলে সেটা বোকামীই হবে।

দেশের বাইরে জান, বিভিন্ন ধমের, গোত্রের, দেশের সমাজের মানুষের সাথে মিশে দেখুন ... আপনার ধারনা পাল্টে যাবে।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:০০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: জানি বিষয়গুলি হয়তো বুঝতে পারবেন না। তবুও বলছি।

অনেক কিছুই আমি বুঝিতে চেষ্টাও করিনা , কারণ আমার খুব ভালো করিয়াই জানা আছে কোনটা বুঝিতে গেলে বৃথাই পন্ডশ্রম হবে, চোখের আর মগজের কষ্ট হইবে ! তাই অন্ধের হাতি দেখার বর্ণনার কাছেও যাই না !

ইসলামে ভালো কাজের তাগাদা দিয়েছে। খারাপ কাজ করতে নিষেধ করেছে।

ধামিকরা খারাপ কাজ করবেন না কারন আল্লাহ সাজা দেবেন, গুনাহ হবে, দোজখে যেতে হবে।

এখন মুসলিমরা আধুনিক বিজ্ঞানের কারনে মৃত্যু ভয় কমে গেছে। এখন মানুষের গড় আয়ু অনেক বেশি, অনেক রোগের চিকিতসা্ আছে। তাই মৃত্যু ভয়ে মানুষ আগের মতন ভীত না।


কুরবানীর গরু দেখিয়াছেন ? মউতের ২/৩ দিন আগেও কি নিশ্চিন্তে ঘাস খায় ! মানুষের মনে ধর্মীয় চিন্তা , আখিরাতের ভয় না থাকিলে তাহার অবস্থাতো কুরবানীর গরুর মতোই হইবে ! দুনিয়াতে মত্ত মানুষের মৃত্যুভয় থাকেনা ইহা সত্যি। কিন্তু ইহার কারণে ধর্মের কি ক্ষতি , বরং ক্ষতি তো মানুষেরই। ধর্ম মানুষকে সতর্ক করিয়াছিল। মানুষ ভুলিয়া থাকিয়াছে।

তাই আপনার পাশের মুসলমানরাই ঘুষ খায়, সুদ নেয়, ভ্যাজাল দেয়, পরকিয়া, পতিতার ... ( কারন এরা গুনাহ/দোজখের ভয়ে ভীত না)

কিন্তু এরা শুক্রবারে মসজিদে ভীড়, ঈদের নামাজ পড়ে, রোজা রাখে। কারন ( ছোট বেলা থেকে করে অভ্যাস... )


সত্য বলিয়াছেন। ঈমানের অবনতির কারণেই আমলে ঘাটতি আসে , গোনাহের দিকে মন ধাবিত হয়। ইবাদত রুসুমে পরিণত হয় , ইহা হইতে বাঁচার উপায় হইলো ঈমানের চর্চা।


খৃস্টিয়ান/ ঈহুদীরা ধমের নরকের ভয় ছেড়ে নতুন মানদন্ড খুজে নিয়েছে। সেটা হলো মানবতা...

এইটা হয়ত তাহাদের জন্য ঠিকই আছে। তাহারা তাহাদের ধর্মে মানবতার অনুপস্থিতি দেখিয়া নিজেরাই মানদণ্ড তৈরী করিয়াছে। ইসলামের ইহা দরকার নাই। ইসলাম মানবতার ধর্ম। তবে আপনাদের মানবতা আর ইসলামের মানবতার পার্থক্য আছে। আপনাদের মানবতা হইলো শরীরে টিউমার রাখিয়া ক্যান্সারে সহায়তা করা। শরীরের ক্ষতি হইলেও। ইসলামের মানবতা হইলো শরীরের প্রয়োজনে টিউমার অপসারণ করা।

তারা এখন ধম` আনুস্ঠিকতার মতনই পালন করে। কিন্তু মানবতাকে সবার উপরে রেখে তারা দূনিতি/ভাজাল/মিথ্যা বাদ দিয়েছে।

অন্যান্য ধর্মের সাথে ইসলামের পার্থক্য এইখানেই। ইসলাম শুধুমাত্র সামাজিক সংষ্কৃতি নয় , আচার অনুষ্ঠান নয়। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলাম আছে।

আর বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে ধমের কাহিনি তেমন বিশ্বাসযোগ্য থাকছেনা এখন। তাই মানুষ ধমের দিকে ফিরে যাবেনা।

ঈমানের বিষয়বস্তু ঈমানের চর্চার কারণে জাগরুক থাকে। ঈমানের চর্চা না হইলে কুফর/শির্কের বিষয়বস্তু মনে আসন গারে। বিজ্ঞানের উন্নতি বা অবনতিতে তেমন কিছু যায় আসে না। কারণ ধর্ম ও বিজ্ঞানের মৌলিকত্বই আলাদা। ধর্ম , আগে বিশ্বাস পরে প্রমান , এমনকি প্রমান না থাকিলেও বিশ্বাস। বিজ্ঞান আগে প্রমান, পরে বিশ্বাস। সুতরাং বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে ধর্মের কোন সংযোগ নাই , বিরোধও নাই যতক্ষণ না নিয়ত পরিবর্তনশীল ফলাফল লইয়া বিজ্ঞান ধর্মকে অসার প্রমান করিতে আসে ! ঈমানের বিষয়বস্তু , ধর্মের মৌলিকত্ব অপরিবর্তনশীল চাই বিজ্ঞানের বুঝে আসুক বা না আসুক। কারণ শরীয়ত যুক্তির, বিজ্ঞানের বিপরীত নহে , বরং উর্ধে।


ইসলামের সংখ্যা বাড়বে কারন মুসলিমদের সন্তানের হার বেশি। তাই এরা সংখায় বেশি হবে। তখন রাস্ট ক্ষমতায়ও আসতে পারে। তাই বলে সামনে ইসলামের সুদিন আসছে বলে কল্পনায় মসগুল হলে সেটা বোকামীই হবে।

ইসলামের সুদিন আসিবে ইহা কখনো আমি বলিনি ! প্রফেসি ইহা বলেও না। বরং প্রফেসি ইহাই বলে , ইসলামের বিরুদ্ধে সব শক্তিগুলো রসুনের ইয়ের মতন এক ইয়ে হইবে। যেমন ব্লগেও দেখা যাইতেছে !

দেশের বাইরে জান, বিভিন্ন ধমের, গোত্রের, দেশের সমাজের মানুষের সাথে মিশে দেখুন ... আপনার ধারনা পাল্টে যাবে।

বিভিন্ন ধর্মের , গোত্রের, দেশের সমাজের মানুষের সাথে মিশিতে কি দেশের বাহিরে যাইতেই হয় ? বিজ্ঞানের এই যুগে আপনার এই ধারণা ?
মুসলমানের ঈমানের ধারণা সংরক্ষণের কথাই বলা হইয়াছে, পাল্টানোর কথা বলা হয় নাই ! বরং পাল্টানোর আশংকা থাকিলে যেখানে ধর্ম ও ধর্মীয় বিশ্বাস , ধারণা সংরক্ষণের সুবিধা , সেইখানেই যাইতে বলা হইয়াছে।

আপনারা তো পাল্টানোর চেষ্টাই করিতেছেন ! এবিষয়ে আপনার সাথে কথা শেষ। আর নয়।

৪৭| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:০৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: @নতুন, মাসলম্যানদের জন্মহার বেশী বলে সব মুসলমান থাকছে সেটাও ঠিক না। ইরানের বেশীর ভাগ দ্বিতীয় তৃতীয় প্রজন্ম কেউ মুসলিম নাই। তার সবচে বড় উদাহরন আজ পর্যন্ত যত জঙ্গি ধরা পড়ছে একটাও ইরানী না। এছাড়া তুর্কীরাও অনেকটা ধর্ম না পালন করার মতই। যতটুকু আছে সেটা হলো নিজস্ব জাতীয়তাবাদের সাথেই ধর্ম বেশ জড়িত। আরব দেশগুলোতে সুদিন ও স্ট্যাবিলিটি আসলে সবার আগে এরা ধর্মটা ছাড়বে। আফ্রিকায়ে এখন যেমন জ্ঞান বিজ্ঞানের অগ্রগতি ঘটছে, কালুরা বেশ নমনীয়। মদ গাজা মাফিয়াতে থাকলেও এদের মধ্যেও জঙ্গি কম। যা আছে ঐ বোকো হারাম। আফ্রিকা যদি আলোকিত হয় তাহলে মিডল ঈস্টেও সেই ছোয়া লাগবে। মাসলমযানরা যতই সন্তান নিক আদতে দুয়েকটা বাংলাদেশের মতো লো কোয়ালিটির শিক্ষা ব্যাবস্থার দেশ ছাড়া সবাই এই বর্বর মিথ্যা ধর্ম পরিত্যাগ করবে। নির্বাচনটা শেষ হইতে দেন, ইসলামী ফাউন্ডেশন অলরেডি হাদিস অনেক পাল্টে ফেলছে। কোরান পাল্টানো এখন সময়ের ব্যাপার

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:০৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধুর ! আপনার মাথাটাই গেছে ! কি যে বলেন , নিজেই বুঝেন কিনা সন্দেহ !

আপনি সুস্থ হন এই কামনা করি।

৪৮| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:১২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মন্ডল কি খবর? বাপজান কি আজকা পকেটমানী দেয় নাই?এখনো ঘরে যে! চাকরী বাকরী কিছু করবা না?

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:২৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: হা হা হা ! দারুন মজা পাইলাম ! :D মন্ডল ভায়া কোথায় !

৪৯| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৬

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: উদাসী স্বপ্ন
রাবিশ।
এত কম বুদ্ধি নিয়ে যারা চলে, সেসব লিলিপুটিয়ানদের সাথে দাবা খেলা জমে না।
(রাগ ধরলে গালি শুরু করবানি। সন্মান বাঁচাতে চাইলে, দুরে গিয়ে মর।)





@ টারজান০০০০৭
এতদিনে পাঁঠাদের বিচিইতো খুঁজে পাওয়া গেল না। এক কাজ করা হোক, এবারের কালী পুজোয় পাঁঠিই বলি দেয়া হোক।।
জয় মা কালী।।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: এত কম বুদ্ধি নিয়ে যারা চলে, সেসব লিলিপুটিয়ানদের সাথে দাবা খেলা জমে না।
(রাগ ধরলে গালি শুরু করবানি। সন্মান বাঁচাতে চাইলে, দুরে গিয়ে মর।)


একারণেই তাহার কমেন্টের জবাব আর দিতেছিনা ! আগে সুস্থ হইতে কইতাছি !

@ টারজান০০০০৭
এতদিনে পাঁঠাদের বিচিইতো খুঁজে পাওয়া গেল না। এক কাজ করা হোক, এবারের কালী পুজোয় পাঁঠিই বলি দেয়া হোক।।
জয় মা কালী।।


বলির ক্ষেত্রে লিঙ্গ সমতা না থাকার ব্যাপারটা খেয়াল করিয়াছেন ? সকল বলিই পুরুষ জাতির হইয়া থাকে !এইখানে সমানাধিকার কেন নাই , ইহার তেব্র পরতিবাদ জানানো দরকার আছে কিনা কনচেন দেহি !!

৫০| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: নিজের আইডিতে নিজেই কমেন্ট... আহা বেশ বেশ!!

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:০৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনার দেখি কপাল ভিজিয়া যাইতেছে নয়নের জলে, কারণ
চরণ ঝুলিয়া আছে কদমের ডালে !!

তাই , সবকিছুই উল্টা দেখিতেছেন ! আহা বেশ বেশ!! :D

৫১| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪২

নতুন বলেছেন: আপনারা তো পাল্টানোর চেষ্টাই করিতেছেন ! এবিষয়ে আপনার সাথে কথা শেষ। আর নয়।


ঠিক আছে আর কথা বইলেন না। আপনার জেগে জেগে ঘুমটা ভেঙ্গে যেতে পারে আমার মন্তব্যের বিষয়ে চিন্তা শুরু করলে। :)

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:১২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: জী ! লাকুম দীনুকুম ওয়াল ইয়া দ্বীন ! তোমাদের ধর্ম তোমাদের কাছে , আমাদের ধর্ম আমাদের কাছে !


যখন ভোর হইবে
তখন বুঝে আসিবে
কে ঘোড়ার পিঠে আছে আর কে গাধার পিঠে !! :D

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.