নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আল্লামা শফির (দা. বা.) বিরোধিতায় Artifitial Intelligence এর ব্যবহার !!!!!!! নবম আশ্চর্য !!!!!

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৩২



ব্লগ কেন জানি বিরক্তিকর মনে হইতেছে ! কোন এক বক্তৃতার পূর্বে শুনিয়াছিলাম শ্রোতার মনের যে ধরণের চাহিদা থাকে বক্তার বক্তৃতাতে তাহার প্রতিফলন হয় ! বিষয়টা উল্টো মনে হইলেও আমার কাছে অনেকখানিই বাস্তব মনে হয়। বোদ্ধা ব্লগাররা নাই বিধায় তাহাদের উপযোগী পোস্টের সংখ্যাও কমিয়া গিয়াছে ! তাহাদের উপস্থিতি বাড়িলে মানসম্পন্ন পোস্টও বাড়িত নিশ্চিত !

সে যাহাই হউক , আমিতো টারজান , ছাইপাশ কি লিখি, বোদ্ধা পাঠক খোঁজার প্রশ্নই আসে না ! তবে বিবর্তনের ধারায় বান্দরের দলেরও মানুষ হইয়া যাওয়ার কথা ! তাহা হইতেছে না বিধায় ডারউইনের তত্ব খালি চোখেই ভুল প্রমাণিত হইতেছে !(ইহার জন্য টারজান কি নো-বেল পাইবেক ! :D )

আচ্ছা আলোচনায় আসা যাক। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স লইয়া আমার বিরাট কৌতূহল ! ইহা মূলত সাইন্স ফিকশনের প্রতি আগ্রহ হইতেই জন্মিয়াছে ! আমার কাছে ইহা খুবই আগ্রহদ্দীপক, কল্পনার লাগাম বহুদূর পর্যন্ত ছাড়িয়া দেওয়া যায় ! স্পিলবার্গের এআই দেখিয়া বহুক্ষণ তব্দা খাইয়া ছিলাম ! শালা সাইন্স ফিকশনকেও এমন মানবিক বানাইয়াছে যে আমার কল্পনার লাগাম থমকাইয়া গিয়াছিল। যাহা হউক ছেলেবেলার জাফর ইকবাল , হুমায়ুন, জুলস ভার্ন, ওয়েলস বড়বেলার আর্থার সি ক্লার্ক, আসিমভ পড়িয়া খুব মজা পাইয়াছি ! এমনকি বুড়োবেলাতেও পাই।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বাংলা হইলো কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা ! ভাবিতেই কেমন রোমাঞ্চ জাগে, মানুষের যেমন বুদ্ধিমত্তা আছে একটা যন্ত্রের বা বস্তুর যদি এমন ক্ষমতা থাকে তাহা হইলে দুনিয়ার চেহারা কেমন হইবে !!

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা কি তৈরী করা সম্ভব ? বিজ্ঞান বলিতেছে সম্ভব ! ইতোমধ্যে ইহা লইয়া ব্যাপক গবেষণা হইতেছে, বিশ্বের সরকার গুলো, বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় , বিজ্ঞানাগার, ইন্ডাস্ট্রি ইহা লইয়া কাজ করিতেছে, কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ঢালিতেছে , মোবাইল ফোন , ব্রাউজার, ড্রোন , বিমান , সামরিক অস্ত্র , জাহাজ প্রভৃতিতে অল্প-বিস্তর কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা কাজ করিতেছে !

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স খুব জটিল এক প্রক্রিয়া। অনেকগুলি বিষয়ের সমষ্টি হইলো এআই। এতো গভীরে যাওয়ার ইচ্ছা, সামর্থ বা প্রয়োজন নাই । সংক্ষেপে বলিতে হয় , কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা হইলো একটা সত্বা তৈরী করিয়া দেওয়া যা স্বাধীনভাবে চিন্তা করা, সিদ্ধান্তগ্রহণ ও কর্ম সম্পাদন করিতে পারে !

আচ্ছা যন্ত্রের কৃত্তিম স্বত্বা, বুদ্ধিমত্তা তো তৈয়ার করা সম্ভব বলিয়া প্রতীয়মান হইতেছে, কিন্তু মানুষের মধ্যে কৃত্তিম সত্বা , বুদ্ধিমত্তা তৈরী করা কি সম্ভব ? তাহার অতুলনীয় বুদ্ধিমত্তা থাকা সত্ত্বেও ?

আমার প্রবল ধারণা সম্ভব ! আপনাদের কি হীরক রাজার দেশের কথা মনে আছে? ওই রাজ্যে একখানা মগজ ধোলাই যন্ত্র ছিল যাহার মধ্যে একজন শিক্ষককে ধোলাই করার পর সে বলিতে লাগিল, "জানার কোন শেষ নাই , জানার চেষ্টা বৃথা তাই" (এই 'জানা' , জানা আফা নহে :P ) !!!! শেষে নিজে যখন ধোলাই হইয়া গেল, তখন রাজার মূর্তি অপসারণের সময় নিজেই বলিতে লাগিল, ''দড়ি ধরে মার টান , রাজা হবে খান খান !'' এই মগজ ধোলাই কি আসলে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা, সত্বা তৈরী করার কাজ নয় ? ৬০, ৭০,৮০ এর দশকে পশ্চিমা দেশগুলো, সোভিয়েত ইউনিয়ন ব্যাপকহারে স্কলারশিপ দিতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোকে ! জী না , শুধু খয়রাত হিসেবে নহে ! উহাদের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল মগজ ধোলাই করা , কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা তৈরী করা , তাহাদের রঙে চশমা রঙিন করা, তাহাদের চিন্তা-চেতনা , সংস্কৃতি রফতানি করা ! আমাদের দেশে যেসকল বুইড়া পাঁঠা দেহা যায় তাহাদের এক বিরাট অংশ এসব স্কলারশিপ প্রোগ্রামে মগজ ধোলাইকৃত ! সুতরাং কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা তৈরির চেষ্টা আজকের নহে !!

এক অর্থে নবী-রাসূল , দার্শনিক, শিক্ষক , মহামানবদের সকলেই কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার জনক। তাহারা মানব মনে প্রভাব বিস্তার করিয়া তাহাদের মধ্যে আলাদা সত্বা তৈয়ার করিয়াছেন, তাহাদের দৃষ্টিভঙ্গি/চশমা বদলাইয়াছেন, তাহাদের এলগোরিদম শিখাইয়াছেন , বুদ্ধিমত্তা তৈরী করিয়াছেন !

আচ্ছা, বাস্তবে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার জনক কে ? গুগলাইয়া কুল পাইলাম না ! সেই গ্রিক আমল হইতেই নাকি কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চর্চা হইতেছে !! কেমতে কি ? আমি গুগল মিয়ার চাইতেও আউগাইয়া কইতে পারি মানুষ সৃষ্টির পর হইতেই কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা সৃষ্টির চেষ্টা করা হইতেছে ! ! জী, পাঁঠাকুলের প্রভু মিস্টার আজাজিলই কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা তৈরির চেষ্টা করিয়াছে !!! নিষ্পাপ মানব সত্ত্বার কানে ফুস মন্তর ঢালিয়া, স্বাভাবিক বুদ্ধিমত্তাকে পরিবর্তন করিয়া আল্লাহর হুকুম লঙ্ঘনে প্ররোচিত করা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা তৈরির অপচেষ্টা বলিয়া মনে হয় ! ! (আল্লাহ ভালো জানেন !) ইবলিশ ব্যাটাই প্রথম হ্যাকারও আছিল ! হে হে হে !

হাদিসের মাউফুম, মনের মধ্যে কিছু ভাবনা ফেরেস্তাদের পক্ষ হইতে তৈরী হয় , কিছু ভাবনা শয়তানের পক্ষ হইতে তৈরী হয় !

পাঁঠাকুলের প্রভুর কথা আর ফেরেস্তাদের কথাতো গেল ! কিন্তু মানুষের মধ্যে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার জনক কে ? সাহিত্যে মেরি শেলী বোধহয়। ফ্রাঙ্কেনস্টাইন তো কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন প্রথম রোবট আছিল। ইহার পরে আরো অনেকেই লিখিয়াছে ! বিজ্ঞানী মহলে আল্যান ট্যুরিং যদিও এআই এর জনক হিসেবে অভিহিত হয়, তবে আমার কাছে এলগরিদমের আবিষ্কর্তা খাওয়ারিজমিকেও এআইএর জনকদের অন্যতম বলিয়া মনে হয় ! ব্লগে বিজ্ঞানীকূলের কেহ থাকিলে আওয়াজ দিয়েন !

সাহিত্য আর বিজ্ঞানের কথাও গেল । ইহার বাহিরে আর কেহ আছে কি ? বিশেষ করিয়া আমাদের উপমহাদেশে ? আছে !! আছে !! লর্ড মেকলে তাহার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ! তাহার স্পিচ পড়িলে অনুভূত হয় ব্যাটা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার জনকদের মধ্যে একজন ! "We must at present do our best to form a class who may be interpreters between us and the millions whom we govern, – a class of persons Indian in blood and colour, but English in tastes, in opinions, in morals and in intellect." (আমার অনুবাদ গুগলের চেয়েও খ্রাফ ! তাই সেই চেষ্টা করিলাম না ! ইংরেজিই পড়িয়া লন !) ইংরেজ সরকার তাহার যথাযথ মূল্যায়নই করিয়াছে ! তাহার নীতি বাস্তবায়ন করিয়া উপমহাদেশ জুড়িয়া সত্যি এমন এক ক্লাস তৈরী করিয়াছে যাহাদের রক্ত আমাদের হইলেও চিন্তা-চেতনা, মতামত, উপলব্ধি , বুদ্ধিমত্তা, নৈতিকতা আমাদের নহে , তাহাদেরই ! ইহারা এমনই এক ক্লাস যাহারা পশ্চিমাদের হইয়া আমাদেরই প্রতিনিয়ত বিরোধিতা করে , লাঞ্ছিত করে, অসম্মান করে ! তাহাদেরই গুনগান গায় ! পশ্চিমাদের চশমা দিয়া দুনিয়া দেখে, দেখিতে বলে ! ব্রাভো !!! না হইলে , একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেমের বক্তব্য লইয়া তাহাকে গালাগালি , অসম্মান, হেয় করার অপচেষ্টা কোন মুসলমানের করার কথা নহে যদি না ওই ক্লাসের কেহ হয় !

যেসমস্ত ম্যাংগোপিপল তাহার বিরোধিতা করিতেছে, তাহাকে হেয় করিতেছে , কটুবাক্য বলিতেছে আমার প্রবল ধারণা তাহারা তাহাকে প্রত্যক্ষ দেখে নাই , তাহার বয়ান শোনে নাই , তাহার সাথে মেশে নাই , তাহার সম্পর্কে বিশদ জানেই না।

এই বিরোধিতার সাথে রাজনীতি মিশিয়া আছে সত্যি, তবে বেশিরভাগই শিয়ালদের সাথে হুক্কা মিলাইতেছে না জানিয়া , না বুঝিয়াই !! ধজঃভঙ্গ , ধর্ষিত বিম্পির ততোধিক আবাল , ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা মহা সচিব, রাজনৈতিক সার্কাসের ক্লাউন ডক্টর মশায় , খাউজানিযুক্ত নারীবাদী, বিচিওয়ালা বামাতী পাঁঠা, ক্ষমতাবান আর টাকাওয়ালাদের কোলে চড়া মিডিয়া, ছাম্বাদিক --- সকলে পুটুর বেদনায় , বিচির ভারে, খদ্দেরের মনরোঞ্জনে বিরোধিতায় নামিয়াছে। ইস্যু না পাইয়া ইহাকেই ইস্যু বানাইয়া হিস্যু করিতেছে ! ধিক শতধিক !!

যাহারা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের খোঁজ-খবর রাখে বা তাহাদের সাথে মেশে তাহারা জানে, ইস্কুল-কলেজে নারীশিক্ষায় অনীহা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নতুন নহে ! বহুকাল আগে হইতেই। এই অনীহার কারণ নারীশিক্ষার বিরোধিতা হইতে নহে , বরং তথাকার পর্দাবিহীন পরিবেশ, নৈতিকতাহীন শিক্ষাব্যবস্থা , সহশিক্ষা ব্যবস্থা , অনিরাপত্তা, ইত্যাদি। যে শিক্ষাব্যবস্থায় এখন বয়ফ্রেন্ড-গার্ল ফ্রেন্ড , ভ্যালেন্টাইন, লিটনের ফ্লাট, পরিমল , মানিকের কালচার শুরু হইয়াছে তাহার সমর্থন আমাদের আকাবেরীনগন কিভাবে করিতে পারেন ? আর তাহা হইতে কেন উম্মতকে সতর্ক করিবেন না , বিরত থাকিতে বলিবেন না? নারীশিক্ষার বিরোধিতা তাহারা কখনো করেন নি , স্কুল-কলেজের শিক্ষার বিরোধিতা নারী শিক্ষার বিরোধিতা নহে , নারীশিক্ষার বিরোধিতা তাহারা করিতেও পারেন না , কারণ ইলম অর্জনকে ইসলামে ফরজ করা হইয়াছে ! তাহারা কিভাবে ফরজের বিরোধিতা করিবেন ? ইহা কি সম্ভব ?

আর নারীদের নাজুক স্বভাব, কোমলতা ইস্কুল-কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ তা বিবেচনার দাবি রাখে !! তাহাদের জন্য পৃথক শিক্ষাব্যাবস্থা, নিরাপত্তা , পর্দার সাথে শিক্ষায় তো কোন আপত্তি করা হয়নি। ম্যাংগোপিপল কেন দাবি তোলেন না নারীদের যথাযথ নিরাপত্তা , নৈতিকতা , পর্দার সাথে শিক্ষাব্যাবস্থা গড়িয়া তোলা হউক ?

তাহলে ম্যাংগোপিপলদের এই বিরোধিতার কারণ কি ? সাইবর্গদের বিরোধিতার কারণ তো পাওয়া গেল , তাহাদের মগজ ধোলাইকৃত , তবে কি ম্যাংগোপিপলদের মগজও ধোলাই হইতেছে ? কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা তৈরী হইতেছে ? সাধারণের মনে পৃথক সত্তা তৈরী হইতেছে যাহা পশ্চিমা , পাঁঠা বা ইসলামের শত্রুদের প্রোগ্রাম করা ? নচেৎ আমাদেরই সন্তানেরা আমাদেরই আকাবেরিনদের বিরোধিতা, অসম্মান কেমনে করে ?

ওলামায়ে হক নবী-রাসূলদের ওয়ারিস। নবীরা সম্পদের ওয়ারিস বানান না , ইলমের ওয়ারিস বানান। একজন আলেমের মৃত্যুতে যে ক্ষতি হয় দুনিয়া কখনো সে ক্ষতি পূরণ করিতে পারে না। ওলামায়ে হকের অসম্মান তো প্রকারান্তরে দ্বীনের ক্ষতি, নিজের ঈমানের , দুনিয়া-আখিরাতের ক্ষতি ! আফসোস ! আফসোস ! জানিয়া , না জানিয়া কতবড় ক্ষতিই হইতেছে !! আহা ! আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত নসিব করুন , বুঝ দিন। আমিন !

(অষ্টম আশ্চর্য হইলো বনের রাজা টারজানের ব্লগ লেখা ! হে হে হে !!) =p~


মন্তব্য ৪৮ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৪৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৫৯

নজসু বলেছেন:



এই হুজুরের বয়স আনুমানিক কেমন হতে পারে?

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:০১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: জী, ৯০ এর আশেপাশে হইবে। ধন্যবাদ।

২| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৫২

এ আর ১৫ বলেছেন: একটা কথা -- হুজুররা পর্দার অজুহাতে শুধু নারী শিক্ষা নহে , নারী নেতৃত্ব, নারীর কর্মসংস্থান, নারী উন্নয়ন ইত্যাদি সকল কিছুরই বিরুধীতা করে ।
এখানে উল্লেখ যোগ্য সংখ্যা গরিষ্ঠ যে কোন মুসলিম দেশে নারীরা কোন নগ্ন অশালিন পোষাক পরিধান করে না । আমাদের দেশে উচ্চ বিত্তের কিছু মহিলা ছাড়া ( তবে প্রকাশ্যে পাবলিক প্লেসে নহে ) বাকি সব মহিলারাই মার্জিত শাড়ী সেলোয়ার কামিজ পড়ে ।
সুতরাং পর্দা লংঘনের অজুহাত তুলে নারী শিক্ষা, নারী নেতৃত্ব , নারী কর্ম সংস্থানের বিরুধীতা করা কখনো গ্রহন যোগ্য নহে ।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৫৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: পর্দা লঙ্ঘন , অনিরাপত্তা যদি মিথ্যা হইতো তাহা হইলে অজুহাত বলা যাইতো। মিথ্যা নহে ! অন্ধ হইলেই প্রলয় বন্ধ হয়না , মিয়া বাই !!

হুজুররা কখনোই নারী শিক্ষা , নারীর কর্মসংস্থানের, উন্নয়নের বিরোধিতা করে না, তাহারা বিদ্যমান ব্যবস্থায় ইহার বিরোধিতা করেন ! যদি শরীয়ত সমর্থিত উপায়ে ইহা সম্ভব হয় তাহাতে কোনোই আপত্তি নাই ! বিদ্যমান ব্যবস্থা শরীয়ত সমর্থিত নহে বলিয়াই বিরোধিতা !

৩| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৫

জুন বলেছেন: =p~

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৫৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: টারজান ব্লগার হইয়াছে বলিয়া কি শুধুই হাস্য করিবেন , পুরস্কার দিবেন না ? :(

৪| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:০২

নাহিদ০৯ বলেছেন: বিস্তর লম্বা লিখা হইলেও পড়ে ভালো লাগলো অনেক। ধন্যবাদ

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সর্বনাশ ! বহু কষ্টে ছোট করিয়াছি ! দুই পর্বে দেওয়ার ইচ্ছা ছিল ! ধন্যবাদ।

৫| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:২৫

এ আর ১৫ বলেছেন: বিদ্যমান ব্যবস্থা শরীয়ত সমর্থিত নহে বলিয়াই বিরোধিতা !

তেতুল হুজুর বিভিন্ন বয়ানে বলেছে ---- নারীরা নগ্ন হয়ে ঘর থেকে বের হয় !! বাংলাদেশের কোথায় মেয়েরা নেংটা হয়ে ঘর থেকে বের হয় ? শাড়ী সেলোয়ার কামিজ কি নগ্ন পোষাক ?
সুতরাং পর্দা লংঘনের খোড়া যুক্তি এখানে খাটে না । আর নিরাপত্তা --- শুধু বাংলাদেশ কেন তৃতীয় বিশ্বের সব দেশের ল এন্ড ওডারের খুব করুন অবস্থা । দেশের উন্নতি না হলে ল এন্ড ওডার শক্তিশালী করা যায় না এবং মানুষের নৈতিকতার উন্নতি হয় না । পর্দা লংঘনের অজুহাত তুলে নারীদেরকে অশিক্ষিত এবং ঘরে বন্দি রেখে দেশের উন্নতি কখনো হয় না ।
তেতুল হুজুরদের ইচ্ছা অনুযায়ি সব কিছু হলে দেশের মানুষের অবস্থা রহিঙ্গাদের মত হবে । তেতুল হুজুরের ইচ্ছা অনুযায়ি চললে আমাদের দেশের মহিলাদের অবস্থা রহিংগা মহিলাদের মত হবে ।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:২৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জবাব দেওয়া বৃথা !

৬| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৪২

ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ বলেছেন: @ টারজান - জনাব, আপনার দৃষ্টিতে আহমদ শফি সাহেব সর্বজনশ্রদ্ধেয় আলেম । সত্যিই কি তিনি সর্বজনশ্রদ্ধেয় ? অন্যন্য ইসলামী গোষ্ঠীর লোকেরা তাকে কি চোখে দেখে জানা যাক :

হাটহাজারী মাদ্রাসার অদূরে মাইজভাণ্ডারি পীরেরা ও তাদের অসংখ্য মুরীদেরা শফি সাহেবকে দুচোখে দেখতে পারে না।

ষোলশহরে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসাকেন্দ্রিক পাকিস্তানী পীর তাহের শাহ্ ও তার বিশাল মুরিদরা , বেরলভী সুন্নিরা শফি সাহেবকে শ্রদ্ধা তো দূরের কথা , ওয়াজ মাহফিলে সারাক্ষণ ওহাবী বলে গালি দেয় ।

আহলে হাদিসপন্হীরাও শফি সাহেবকে পছন্দ করে না।

তাবলীগ জামাতের সাদপন্হীরাও শফি সাহেবকে পছন্দ করেন না ।

শফি সাহেব কেবল ওয়াহাবী, দেওবন্দি আকিদার মানুষদের কাছে শ্রদ্ধেয়।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৪৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনার ভিন্নমতের সত্যতা আছে। দেওবন্দীরাই এদেশে মূলধারা। তাহাদের মহলে তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয়। ধন্যবাদ !

৭| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০৫

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: বাংলাদেশে বর্তমান নারীদের সংখ্যা কতো? হুজুরের বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়ে, কেউ মেয়ে বোনকে পড়ালেখা না করালে ঐ কম শিক্ষিত মেয়েকে বিয়ে করবে কে?

মেয়েকে বেশি পড়াবেন না, এটা কোনো যুক্তিতেই সমাধান নয়। উনি নারীদের পর্দার নিয়ম করে, স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠার পরামর্শ দিতে পারতেন। বা আরো উত্তম পরামর্শ দিতে পারতেন। আমলে, হুজুর'রা জ্ঞানী; নেতা। সমাজের দেশের এবং বর্তমান দুনিয়ার অবস্থা মাথায় রেখে ভালো এবং যথাযথ বক্তব্য, পরামর্শ বা সমাধানই উনাদের কাছে কাম্য।

মাথায় উকুন, চুল কেটে ফেলুন। মাথা ব্যথা, মাথা কেটে ফেলুন। - এমন সমাধান গ্রহণযোগ্য নয়; বরং বর্জনীয়। মানুষ বর্জন করবে, সমালোচনাও করবে। হাসি তামশা করবে।

(যুক্তি, টুক্তি সব মিলিয়ে আপনার পোস্ট'টাও ব্রেইনওয়াশ করার ক্ষমতা রাখে ।)

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২১

টারজান০০০০৭ বলেছেন:
ব্রেইন ওয়াস আর করিতে পারলাম কই ? আপনার ব্রেইন তো যেমন ছিল তেমনই রহিল !! :D

সমস্যাটা বিশাল সন্দেহ নাই।সিস্টেম গড়িয়া ওঠাটাও কষ্টসাধ্য বটে ! তবে যাহাতে শরীয়ত লঙ্ঘন হয় তাহা বলাটা ওলামায়ে হকের দায়িত্বের মধ্যে পরে তা যতই ম্যাংগোপিপলের কাছে তেতো হউক না কেন !

হুজুর যাহাদের মাঝে বলিয়াছেন তাহারা ধর্মীয় গোষ্ঠী। তাহাদের মাঝে এতো ব্যাখ্যার হয়তো প্রয়োজন ছিল না। উহাকে মিডিয়াতে আনা উদ্দেশ্যমূলক ইহাতে কোন সন্দেহ নাই। উদ্দেশ্য টা কি ? নতুন কোন গেম ? :(

৮| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: দরকারী কথার চেয়ে আজাইরা প্যাচাল পাড়লে ব্লগ বিরক্তকর মনে হবেই।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সত্যি ! ইহা মনে রাখিলে বকরীর লাদির মতন পোস্ট বাহির হইবে না !! :D

৯| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: মাফ করবেন, উনাকে বুজুর্গ ব্যক্তি হিসেবে মনে হয় না। এমন কি ইসলাম ধর্ম নিয়ে উনার পড়াশোনাও শুধু মাত্র আক্ষরিক। আল্লাহ রহমতে দেশ বিদেশে উনার চেয়ে কম জনপ্রিয় কিন্তু অনেক জ্ঞানী মানুষ, আলেমের সাথে দেখা করার, কথা বলার সৌভাগ্য হয়েছে। উনি দীর্ঘদিন থেকেই প্রচলিত নারী শিক্ষার বিরুদ্ধে। মেয়েদের কাজের বিরুদ্ধে, মেয়েদের বাল্য বিবাহের পক্ষে।

এই ধরনের একটি মানুষকে যদি বিদ্যান বা আলেম মানতে হয়, তাহলে হয় কোরান শরীফে যা লেখা আছে তা সবই ভুল অথবা অথবা কোরান শরীফ বা ইসলাম ধর্মকে এখনও অন্তরে ধারন করতে পারি নাই।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: খাইছে ! আমার পোস্টে মহারথীর আগমন !!!

উনাকে ওস্তাদ মানেন ওস্তাদেরাই। আপনার আমার মতন ম্যাংগোপিপল মিডিয়ার চোখে উনাকে মূল্যায়ন করিলে ভুল হওয়াটাই স্বাভাবিক।

কুরআন শরীফে তো ভুল নাই। বাকিটা আল্লাহ ভালো জানেন।

১০| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৩

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: তবে হুজুর বর্তমান বাংলাদেশের খুজ খবর রাখেন না? উনার বক্তব্যের পরবর্তী রিয়েক্ট কি হতে পারে সেটা তিনার অনুমানে ছিলো না? নেই?
টারজান ভাই, আমি গ্রামের মানুষ। গ্রামেই বড় হয়েছি৷ ইসলাম বলছে, ইমাম মানে নেতা। সমাজের সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন ইমাম সাহেব। কিন্তু দুঃখজনক, অপ্রিয় হলেও সত্য - আমাদের ইমাম সাহেবদের গ্রামের সমস্যা সমাধানে কখনো ছোটখাটো কোনো ভূমিকা রাখতে দেখিনি। তিনারা গম চোর চেয়ারম্যানের বিপক্ষে ইশারায় কথা বলতেও ভয় পেতেন।
সামাজিক সমস্যা নিয়ে সর্বদা যাদের কথা বলতে দেখেছি, তারা সবাই ছিলেন আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত। ইসলাম মানবতা ধর্ম, হুজুর সম্মানিত ব্যক্তি - সেটাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু আমাদের বর্তমান মুসলিম ও হুজুরদের বেশিরভাগই অযোগ্য, সুযোগসন্ধানী, নীতি নৈতিকতাহীন। এনাদের কোনকিছুর ঠিক নেই।
এনাদের কর্মকাণ্ডে ইসলাম বিদ্বেষীরা ইসলামকে বিতর্কিত করার সুযোগ পাচ্ছে। আপনি স্বীকার করুন আর নাই করুন, এটাই সত্য।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: তবে হুজুর বর্তমান বাংলাদেশের খুজ খবর রাখেন না? উনার বক্তব্যের পরবর্তী রিয়েক্ট কি হতে পারে সেটা তিনার অনুমানে ছিলো না? নেই?

অবশ্যই আছে। কথায় আছে , যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা। ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে এতো সাইবর্গ তৈরী হইয়াছে যে উনি যদি জোরে কাশিও দেন তাহা হইলেও আপত্তি জানানো হইবে বোধহয় ! তাই বলিয়া ওলামায়ে হক কি হক কথা বলিবেন না ?

টারজান ভাই, আমি গ্রামের মানুষ। গ্রামেই বড় হয়েছি৷ ইসলাম বলছে, ইমাম মানে নেতা। সমাজের সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন ইমাম সাহেব। কিন্তু দুঃখজনক, অপ্রিয় হলেও সত্য - আমাদের ইমাম সাহেবদের গ্রামের সমস্যা সমাধানে কখনো ছোটখাটো কোনো ভূমিকা রাখতে দেখিনি। তিনারা গম চোর চেয়ারম্যানের বিপক্ষে ইশারায় কথা বলতেও ভয় পেতেন।

জী, আমরা ম্যাংগোপিপলরাই ইমামদের সবচেয়ে বড় বাধা। আমাদের কারণেই উনারা যথাযথ ভূমিকা রাখিতে পারেন না ! ইমামতি যে চাকুরী নহে দায়িত্ব , কোন সমাজপতি , মসজিদ কমিটির লোকরে কি তাহা বুঝাইতে পারিবেন ? আমরাই প্রতিবন্ধক।

সামাজিক সমস্যা নিয়ে সর্বদা যাদের কথা বলতে দেখেছি, তারা সবাই ছিলেন আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত।

জী, উনারা কথা বলিলে কি হয় তাহাতো দেখিতেই পাইতেছেন। তারপরও উনারা যথাসাধ্য বলিতেছেন !

ইসলাম মানবতা ধর্ম, হুজুর সম্মানিত ব্যক্তি - সেটাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু আমাদের বর্তমান মুসলিম ও হুজুরদের বেশিরভাগই অযোগ্য, সুযোগসন্ধানী, নীতি নৈতিকতাহীন। এনাদের কোনকিছুর ঠিক নেই।
এনাদের কর্মকাণ্ডে ইসলাম বিদ্বেষীরা ইসলামকে বিতর্কিত করার সুযোগ পাচ্ছে। আপনি স্বীকার করুন আর নাই করুন, এটাই সত্য।


ইসলাম বিদ্বেষীরা তো বিদ্বেষীই ! উহাদের কাজই হইলো ইসলাম আর মুসলমানদের পচানোর চেষ্টা করা !

হুজুরদের বেশিরভাগই অযোগ্য ইহা ভুল ধারণা ! বরং আমাদের মনোভাবই তাহাদের প্রান্তিকতায় ঠেলিয়া দিতেছে , ইহাতে আমাদেরই ক্ষতি। তাহারা যদি সমাজের মূল কাঠামোয় সম্পৃক্ত হয় তাহা হইলে সমাজের উপকার হইবে সন্দেহ নাই।

১১| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:১৫

এমজেডএফ বলেছেন:
লেখাটি বিজ্ঞান, ধর্ম, সংস্কার বা কুসংস্কার কোন বিষয়ে পড়েনি, সব মিলে জগাখিচুড়ি। পরোক্ষভাবে তেতুল হুজুরকে সমর্থন করে নারীদের পর্দার সাফাই গেয়েছেন।

আমাদের দেশ শিক্ষা, বিজ্ঞান এবং অন্যান্য সর্বক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার অনেকগুলোর কারণের মধ্যে ধর্মীয় কারণ অন্যতম। কয়েকটি উদাহরণ:
১। বৃটিশ আমলে হিন্দুরা ইংরেজি শিক্ষা শুরু করলেও মুসলমানেরা করেনি। কারণ মুসলমান হুজুর-আলেমরা বয়ান করলেন যে খ্রিস্টান-ইহুদিদের ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণ করলে মুসলমানদের ঈমান থাকবে না। যার ফলে আমাদের পিতামহ-প্রপিতামহেরা পুরো জেনারেশন অশিক্ষিত রয়ে গেল। কিছু মুসলমান মাদ্রাসায় লেখাপড়া তথা গৎবাঁধা কোরাণ-হাদিস পড়ে মোল্লাগিরি করে মুসলমান সমাজকে বিশ্বের আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান থেকে বিমূখ করে রাখার দায়িত্ব পালন করে গেল।
২। পাকিস্তান আমলে মুসলমানেরা বুঝতে পারলো যে ইংরেজি তথা বিজ্ঞান শিক্ষা না থাকলে পৃথিবীতে ঠিকে থাকা সম্ভব নয়। তখন মুসলামান ছেলেরা স্কুল-কলেজে লেখাপড়া শুরু করলেও মেয়েরা করলো না। কারণ আবার সেই হুজুর মোল্লাদের ফতোয়া। সাবালক মেয়েরা স্কুলে যাওয়া দূরে থাক ঘর থেকে বের হতে পারবে না। তাহলে বেপর্দা হয়ে যাবে। এর জন্য পুরো পরিবারের উপর গজব নেমে আসবে। ফলাফল আমাদের দাদা/পিতারা কিছুটা শিক্ষিত হলেও আমাদের দাদী/মাদের জেনারেশন অশিক্ষিত রয়ে গেল।
৩। জনসংখ্যা বিস্ফোরণের কারণে এদেশের আর্থ-সামাজিক সমস্যা হুহু করে বাড়তে লাগলো। ৬০ ও ৭০-এর দশকে সরকার জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নিলে আবার হুজুর-মোল্লাদের ফতোয়া - 'মুখ দিয়েছেন আল্লাহ, আহারও দেবেন আল্লাহ', রিজিকের মালিক রাজ্জাক, ইত্যাদি। ফলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও আমরা পিছিয়ে পড়লাম। জনসংখ্যার বিস্ফোরণে ভেসে গেল সব উন্নয়ন প্রচেষ্টা।

অর্থাৎ আমরা জাতি হিসাবে তিন কদম এগিয়ে গেলে হুজুর-মোল্লারা ধর্মের ফতোয়া দিয়ে দুই কদম পেছন দিকে নিয়ে গেছে। উপরোল্লখিত ফতোয়াগুলো কিন্তু এখন হুজুররা আর বলে না। কারণ তারা জানে রূঢ় বাস্তবতার নিরিখে সেগুলো এখন মানুষ আর শুনবে না! তারপরেও ধর্মের জলে ব্রেইন ওয়াশ কিছু লোক সমাজে এখনও আছে বলেই শফী সাহেবদের মতো বিতর্কিত হুজুরেরা ফতোয়া দেওয়ার সুযোগ পায়।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৩৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: লেখাটি বিজ্ঞান, ধর্ম, সংস্কার বা কুসংস্কার কোন বিষয়ে পড়েনি, সব মিলে জগাখিচুড়ি। পরোক্ষভাবে তেতুল হুজুরকে সমর্থন করে নারীদের পর্দার সাফাই গেয়েছেন।

জী , ইহা বনের রাজা টারজানের লেখা কিনা তাই ব্যাপক প্রোটিন সমৃদ্ধ খিচুড়ি হইয়াছে ! সভ্য (!) সমাজের কাহারও হইলে শুধু কার্বোহাইড্রেড হইতো !

আল্লামা শফি দা. বা. কে "তেতুল হুজুর" সম্বোধন করা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন সাইবর্গের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

কোন সন্দেহ নেই , আমি তাহাকে সমর্থন করি আর নারীদের পর্দাও ফরজ। সুতরাং উহার পক্ষে সাফাই গাইতে আমি লজ্জা বোধ করিনা, বিব্রতও হইনা !

আমাদের দেশ শিক্ষা, বিজ্ঞান এবং অন্যান্য সর্বক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার অনেকগুলোর কারণের মধ্যে ধর্মীয় কারণ অন্যতম। কয়েকটি উদাহরণ:
১। বৃটিশ আমলে হিন্দুরা ইংরেজি শিক্ষা শুরু করলেও মুসলমানেরা করেনি। কারণ মুসলমান হুজুর-আলেমরা বয়ান করলেন যে খ্রিস্টান-ইহুদিদের ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণ করলে মুসলমানদের ঈমান থাকবে না। যার ফলে আমাদের পিতামহ-প্রপিতামহেরা পুরো জেনারেশন অশিক্ষিত রয়ে গেল। কিছু মুসলমান মাদ্রাসায় লেখাপড়া তথা গৎবাঁধা কোরাণ-হাদিস পড়ে মোল্লাগিরি করে মুসলমান সমাজকে বিশ্বের আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান থেকে বিমূখ করে রাখার দায়িত্ব পালন করে গেল।


তো ভালো কথা ! হুজুরদের কথাতো সংখ্যাগরিষ্ঠ ম্যাংগোপিপল শোনে নাই , শুনিয়াছে পশ্চিমাদের মাইনকা চিপার বাসিন্দাদের কথা ! তো ক্ষতির দায় হুজুরদের ঘাড়ে কেন , ক্ষতির দায় তো ম্যাংগোপিপল যাহাদের কথা শুনিয়াছে তাহাদের। তা দীর্ঘকাল ধরিয়া মাইনকা চিপার বাসিন্দাদের অনুসরণ করিয়াও অবস্থা এমন কেন ?

২। পাকিস্তান আমলে মুসলমানেরা বুঝতে পারলো যে ইংরেজি তথা বিজ্ঞান শিক্ষা না থাকলে পৃথিবীতে ঠিকে থাকা সম্ভব নয়। তখন মুসলামান ছেলেরা স্কুল-কলেজে লেখাপড়া শুরু করলেও মেয়েরা করলো না। কারণ আবার সেই হুজুর মোল্লাদের ফতোয়া। সাবালক মেয়েরা স্কুলে যাওয়া দূরে থাক ঘর থেকে বের হতে পারবে না। তাহলে বেপর্দা হয়ে যাবে। এর জন্য পুরো পরিবারের উপর গজব নেমে আসবে। ফলাফল আমাদের দাদা/পিতারা কিছুটা শিক্ষিত হলেও আমাদের দাদী/মাদের জেনারেশন অশিক্ষিত রয়ে গেল।

হুজুররা নারী শিক্ষার বিরোধিতা করিয়াছেন এমন প্রমান দেখাইতে পারিবেন ? যেখানে শরীয়তে ইলম অর্জনকে ফরজ করা হইয়াছে সেখানে হুজুররা শিক্ষার বিরোধিতা করিবেন ইহা কি হইতে পারে ? ইস্কুল-কলেজের শিক্ষার বিরোধিতা তো নারী শিক্ষার বিরোধিতা নহে। তাহারা তথাকার পরিবেশ ,নিরাপত্তাহীনতা , পর্দাহীনতা , সহশিক্ষা , পুরুষ শিক্ষক ইহার কারণে বিরোধিতা করিয়াছেন ! আপনি এমন একটা শিক্ষালয় গড়িয়া তুলুন যেখানে শরীয়তের শর্ত সমূহ মানা হয়, তাহারা অবশ্যই সমর্থন দিবেন।

৩। জনসংখ্যা বিস্ফোরণের কারণে এদেশের আর্থ-সামাজিক সমস্যা হুহু করে বাড়তে লাগলো। ৬০ ও ৭০-এর দশকে সরকার জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ নিলে আবার হুজুর-মোল্লাদের ফতোয়া - 'মুখ দিয়েছেন আল্লাহ, আহারও দেবেন আল্লাহ', রিজিকের মালিক রাজ্জাক, ইত্যাদি। ফলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও আমরা পিছিয়ে পড়লাম। জনসংখ্যার বিস্ফোরণে ভেসে গেল সব উন্নয়ন প্রচেষ্টা।

উনারা তো কথা মিথ্যা বলেন নাই। শরীয়তে যাহা নিষিদ্ধ তাহা নিষিদ্ধই বলিয়াছেন , ইহা উনাদের দায়িত্ব। দায়িত্ব পালন না করিলে গোনাহগার হইবেন। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বিরোধিতা করিয়া উনারা দায়িত্ব পালন করিয়াছেন , ম্যাংগোপিপলের ঈমান-একিনের ক্ষতি হইতে রক্ষা করিতে চেষ্টা করিয়াছেন , জাতিকেও ক্ষতি হইতে রক্ষা করিতে চেষ্টা করিয়াছেন। আপনার বরং উনাদের ধন্যবাদ দেওয়াই উচিত। খেয়াল করিলে দেখিবেন ডেমোগ্রাফিতে জাপান, ইউরোপ , স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো মাইনাস। তাহারা বরং চেষ্টা করিতেছে জনসখ্যা বাড়ানোর জন্য। চীন কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শিথিল করিয়াও ফল পাইতেছে না ! তাহাদের দূরদৃষ্টি তো অন্ধ বুদ্ধুজীবীদের হাতি দেখার মতন নহে। তাহারা বুদ্ধিমানের কাজই করিয়াছেন। আর্থ-সামাজিক সমস্যাতো তাহাদের কারণে হয় নাই। বরং রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণে হইয়াছে। তাহারা জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করিতে পারেন নাই।

অর্থাৎ আমরা জাতি হিসাবে তিন কদম এগিয়ে গেলে হুজুর-মোল্লারা ধর্মের ফতোয়া দিয়ে দুই কদম পেছন দিকে নিয়ে গেছে।

এই কথাতো সেই ইংরেজ আমল হইতেই চলিতেছে। ধর্ম হইতে দূরে সরিলে জাগতিক উন্নতি হইবে ইহাতো আজকের কথা নহে। সেই ব্রিটিশ আমলের সাইবর্গেরাও একই কথা বলিত। জাতি ধর্ম হইতে দূরে সরিয়া, হুজুরদের কথা না শুনিয়া কতদূর আসিয়াছে বলিয়া মনে হয় ? হ্যা , জাগতিক উন্নতি হইয়াছে সত্যি , বাকি মানুষ হিসেবে , মুসলমান হিসেবে কতটুকু উন্নতি হইয়াছে তাহাতো দিবালোকের মতন সত্য !

উপরোল্লখিত ফতোয়াগুলো কিন্তু এখন হুজুররা আর বলে না। কারণ তারা জানে রূঢ় বাস্তবতার নিরিখে সেগুলো এখন মানুষ আর শুনবে না!

যাহা হক তাহা অবশ্যই বলে। যাহাদের শোনার সৌভাগ্য হয় তাহারা শোনে।

তারপরেও ধর্মের জলে ব্রেইন ওয়াশ কিছু লোক সমাজে এখনও আছে বলেই শফী সাহেবদের মতো বিতর্কিত হুজুরেরা ফতোয়া দেওয়ার সুযোগ পায়।

ধর্মের জলে ব্রেন ওয়াশ হইলেতো সৌভাগ্য। অন্যের দ্বারা প্রোগ্রামড হইয়া সাইবর্গ পরিণত হইলেতো দুনিয়া-আখিরাত দুইই যাইবে !

১২| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনাকে স্পষ্টই বলছি - উনাকে মিডিয়ার চোখে মুল্যায়ন করি নাই। উনার অনেক বক্তব্য শুনেছি, উনার অনেক কীর্তিকালাপ সম্পর্কে ধারনা আছে। ধর্মীয় নেতা হিসেবে তিনি বড় জোড় হয়ত কিছু হাদিস আর কোরান শরীফ মুখস্ত করেছেন কিন্তু কোরানকে ধারন করতে পারেন নি। আপনি উনাকে পছন্দ করেন, সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। সেটা নিয়ে আমার আপত্তি নাই। কিন্তু এই বয়স্ক ভদ্রলোকটি ধর্মীয় লেবাসে যা বলবেন, তাহাই সত্য এবং সঠিক এটা আমি স্বীকার করি না।

অনেক ছোট খাটো হুজুর আছে, আপনার ভাষায় তারা হয়ত ওস্তাদ নয়। কিন্তু তাদের জ্ঞান তাদের বক্তব্যে, তাদের খুতবায় প্রকাশিত হয়। এরা বিশাল আয়োজন করে ওয়াজে যায় না, কারন মানুষকে উত্তেজিত করার মত ভাষন উনারা দেন না। উনারা প্রকৃত ইসলামই প্রচার করেন নিভৃতে।

কয়েকটি ইসলামী দল ইসলাম ধর্মটাকে একটা রাজনৈতিক, ধর্মীয় এবং ব্যবসায়িক হাতিয়ার বানিয়ে ফেলছে। এরা মানুষ তৈরী করছে না। এরা শুধু ধর্ম আর ধর্ম নিয়ে কট্টর মনভাব পোষনকারী কিছু মানুষ তৈরী করছে।

নারী পুরুষের মর্যাদা বা পর্দা নিয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর ওয়াজ শুনেছি, বক্তব্য শুনেছি- কিন্তু অশালীনতা শুনি নাই। আপনি বললেন, আমি উনাকে মিডিয়ার কথা শুনে বিচার করছি। কেন ভাই, আপনি আমি কি মিডিয়ার কথা শুনে সরকার বা অন্য কাউকে জাজ করি না? আর মিডিয়া বাদ দিন, ইউটিউবে বিভিন্ন চ্যানেলে উনার অনেক বক্তব্য অখন্ড, অবিকৃত এবং পুরো পাওয়া যায়। সেখানে উনার নিজ মুখে শোনা গেছে, মেয়েদের কাজের ব্যাপারে উনার আপত্তির কথা, শিক্ষার ব্যাপার আপত্তির কথা।

সব কিছু দেখেও কেউ কেউ অন্ধ হবে। কারন ইসলাম নিয়ে আপনার আমার পড়াশোনা অনেকটা মান্ধাতার আমলের। হুজুর আর বয়ান নির্ভর। ভালো বই, রেফারেন্স, অর্থ সহ মুল ধর্মীয় বইগুলো যতদিন না আমরা পড়ব, প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য অশিক্ষিত মানুষদের পরামর্শ নিব ততদিন এই অন্ধত্ব কাটবে না।

এই দেশের হুজুররা শুধুমাত্র বাল্য বিবাহ আর অল্প বয়সী মেয়েদের বিয়ের কথা বলে, রেফারেন্স টানে। কিন্তু স্বার্থপর লোভী শ্রেনীর সেই মানুষগুলো মহানবী সাঃ এর প্রথম স্ত্রী মা খাদিজার রেফারেন্স টানে না।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৩০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনাকে স্পষ্টই বলছি - উনাকে মিডিয়ার চোখে মুল্যায়ন করি নাই। উনার অনেক বক্তব্য শুনেছি, উনার অনেক কীর্তিকালাপ সম্পর্কে ধারনা আছে। ধর্মীয় নেতা হিসেবে তিনি বড় জোড় হয়ত কিছু হাদিস আর কোরান শরীফ মুখস্ত করেছেন কিন্তু কোরানকে ধারন করতে পারেন নি। আপনি উনাকে পছন্দ করেন, সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। সেটা নিয়ে আমার আপত্তি নাই। কিন্তু এই বয়স্ক ভদ্রলোকটি ধর্মীয় লেবাসে যা বলবেন, তাহাই সত্য এবং সঠিক এটা আমি স্বীকার করি না।

কে কাকে পছন্দ করিবে তাহা যার যার অভিরুচি ! কেহ জাকির নায়েকের ঘরানার, কেহ লা মাজহাবী , কেহ আবার মডার্ন প্রোটোটাইপ ইসলাম বিশেষজ্ঞদের ঘরানার, কেহ বেরলভী , কেহ আলিয়া , কেহ জামাতি , কেহ দেওবন্দী। আপনি যে ঘরানার তাহাকেই পছন্দ করিবেন ইহাই স্বাভাবিক। আমি তাহাকে পছন্দ করি , ছাত্র বয়স হইতেই। উনি ওস্তাদদের ওস্তাদ। কোরআনকে উনি ধারণ করিতে পারিয়াছেন কিনা তাহা মূল্যায়ন করা আপনার-আমার মতন ধর্মীয় ও আধ্যাত্বিক শিক্ষায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাবিহীন ম্যাংগোপিপলের পক্ষে সম্ভব নহে। যে রঙের চশমা দিয়া উনাকে দেখিবেন উনাকে তেমন মনে হওয়াই স্বাভাবিক ! উনি মানুষ , ফেরেস্তা নহেন, উনি ভুল-ত্রুটির উর্ধে এমন কেহ দাবি করে নাই। তবে উনাকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিতর্কিত করা হইতেছে ইহা নিশ্চিত। ইহা নতুন কোন গেম হওয়ার সম্ভাবনা।

অনেক ছোট খাটো হুজুর আছে, আপনার ভাষায় তারা হয়ত ওস্তাদ নয়। কিন্তু তাদের জ্ঞান তাদের বক্তব্যে, তাদের খুতবায় প্রকাশিত হয়। এরা বিশাল আয়োজন করে ওয়াজে যায় না, কারন মানুষকে উত্তেজিত করার মত ভাষন উনারা দেন না। উনারা প্রকৃত ইসলামই প্রচার করেন নিভৃতে।

জী , অবশ্যই আছে। আল্লাহওয়ালারা সকলেই যে প্রকাশিত এমন নহে। তবে ধর্মীয় চেতনার যে অবস্থা তাহাতে সাধারণ্যে আরও বেশি ওয়াজ-নসিহত হওয়া উচিত সাধারণের উপযোগী করিয়াই।


কয়েকটি ইসলামী দল ইসলাম ধর্মটাকে একটা রাজনৈতিক, ধর্মীয় এবং ব্যবসায়িক হাতিয়ার বানিয়ে ফেলছে। এরা মানুষ তৈরী করছে না। এরা শুধু ধর্ম আর ধর্ম নিয়ে কট্টর মনভাব পোষনকারী কিছু মানুষ তৈরী করছে।

ইহা সত্যি। আমিও তাহাদের অপছন্দ করি।

নারী পুরুষের মর্যাদা বা পর্দা নিয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর ওয়াজ শুনেছি, বক্তব্য শুনেছি- কিন্তু অশালীনতা শুনি নাই। আপনি বললেন, আমি উনাকে মিডিয়ার কথা শুনে বিচার করছি। কেন ভাই, আপনি আমি কি মিডিয়ার কথা শুনে সরকার বা অন্য কাউকে জাজ করি না? আর মিডিয়া বাদ দিন, ইউটিউবে বিভিন্ন চ্যানেলে উনার অনেক বক্তব্য অখন্ড, অবিকৃত এবং পুরো পাওয়া যায়। সেখানে উনার নিজ মুখে শোনা গেছে, মেয়েদের কাজের ব্যাপারে উনার আপত্তির কথা, শিক্ষার ব্যাপার আপত্তির কথা।

উনার আপত্তি তো অগ্রাহ্য করার মতন নহে. শরীয়তের শর্ত লঙ্ঘন করিলে তাহা বলা উনাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। বক্তব্যের ধরণ তো কমুনিটির ধরণের উপর নির্ভর করে। প্রাইমারি লেভেলে তো ইউনিভার্সিটি লেভেলের বক্তব্য দিলে চলে না।

সব কিছু দেখেও কেউ কেউ অন্ধ হবে। কারন ইসলাম নিয়ে আপনার আমার পড়াশোনা অনেকটা মান্ধাতার আমলের। হুজুর আর বয়ান নির্ভর। ভালো বই, রেফারেন্স, অর্থ সহ মুল ধর্মীয় বইগুলো যতদিন না আমরা পড়ব, প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য অশিক্ষিত মানুষদের পরামর্শ নিব ততদিন এই অন্ধত্ব কাটবে না।

শিক্ষক বিহীন শিক্ষা বিপদজনকই হইয়া থাকে। ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বই-পত্র তো বাজার ভরা। কিনিয়া পড়িলেই কি ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হওয়া যাইবে ? মানুষ মারার ডাক্তার হইবে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যাতিত , শিক্ষকের সাহচর্য ব্যাতিত ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হইতে চাহিলে নিজে বিভ্রান্ত তো হইবেই অন্যদেরও বিভ্রান্ত করার সম্ভাবনা নিশ্চিত। উচিত হইলো ওলামায়ে হকের সাথে সম্পর্ক রাখা , তাদের লেখা , তাদের রেফারেন্স থাকিলে বই পড়া।

এই দেশের হুজুররা শুধুমাত্র বাল্য বিবাহ আর অল্প বয়সী মেয়েদের বিয়ের কথা বলে, রেফারেন্স টানে। কিন্তু স্বার্থপর লোভী শ্রেনীর সেই মানুষগুলো মহানবী সাঃ এর প্রথম স্ত্রী মা খাদিজার রেফারেন্স টানে না।

টানেন টানেন। আপনি হয়তো শোনেন নাই। শরীয়তে যাহা হালাল, তাহাকে হারাম মনে করাওতো হারাম। বাল্যবিবাহ হালাল বিধায় তাহারা পক্ষে বলিতেছেন। আমরা ম্যাংগোপিপলরাতো বাল্যবিবাহকে হারাম বলিতেছি মাগার বাল্য প্রেম , বাল্য যৌনতাকে মানিয়া লইতেছি ! বাল্য প্রেম , বাল্য যৌনতাকে বাল্য বিবাহের মাধ্যমে হালাল করিলে সমস্যা কোথায় ? কাহাদের ?

১৩| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ কাল্পনিক_ভালোবাসা ভাই, আপনি আমার কথা লিখে দিয়েছেন, আমি শুধু জোরাতালি দিতে চাচ্ছি আল্লামা শফির (দা. বা.) আসল নাম অর্থাৎ পাসপোর্ট এনআইডি তে নাম কি ? আল্লামা শফির (দা. বা.) ???

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৩১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কাভাকে উত্তর দিয়াছি , দেখিয়া লইবেন ! উনার পুরো নাম আমার জানা নাই ! ধন্যবাদ !

১৪| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৪৯

নতুন বলেছেন: ভাই যারা গালাগালী করে তাদের কথা এক কান দিয়ে প্রবেশ কারাইয়ে আরেকটা কণ` দিয়ে বাইরে বাহির করে দিতে হয়।

আপনার শফী হুজুর মুরুব্বি.... তিনি এখন ৯০ বছর বয়স...তিনি বত`মানে ২০১৯ সাল চলে এবং দুনিয়া কোথায় আছে বা যাচ্ছে সেটা সম্পকে খুবই কমই জ্ঞান রাখেন.... তিনি মাঘ মাসে গরম কালের ওয়াজ করেফেলেছেন।

নারী শিক্ষার বিরুদ্ধে কথা বলা এক রকমের মূখ্যতা... তিনি বত`মানের সমাজে মেয়েদের কম পড়িয়ে বিয়ে দিয়ে বাড়ীতে রাখতে যেই কথা বলছেন সেটা বত`মানের সমাজের খবই কম মানুষ মানবেন।

আর উনি বয়সে বড় তাই তাকে সামনে নেতা হিসেবে সবাই রাখে.।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৪৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: উনার সম্পর্কে আপনার জানা নাই মিয়া বাই। উনি দুনিয়া ও আখিরাতের ভালো জ্ঞান রাখেন। উনার বয়ান যথাযথই আছে , সময় বা ঋতু ভুল হয় নাই। শিক্ষক যাহা লেকচার দেয় সব ছাত্র সমানভাবে তাহা হৃদয়ঙ্গম করিতে পারে না।

উনি নারী শিক্ষার বিরুদ্ধে কিছু বলেন নাই , শরীয়তে নারী-পুরুষ উভয়েরই ইলম অর্জন ফরজ করা হইয়াছে , উহা ইস্কুল কলেজে যাইয়াই শিক্ষা গ্রহণ করিতে হইবে ইহা ফরজ নহে। বরং উনি ইস্কুল-কলেজের অনিরাপত্তা, পর্দাহীনতা , সহশিক্ষা, পুরুষ শিক্ষক , নষ্ট সংস্কৃতি ইত্যাদির বিরোধিতা করিয়াছেন। শরীয়তের শর্ত সহকারে এমন প্রতিষ্ঠান গড়িয়া উঠুক উনি অবশ্যই সমর্থন দিবেন। নারী শিক্ষার বিরোধিতার প্রশ্নই আসে না !

উনার ইলমী যোগ্যতা সম্পর্কেও আপনার ধারণা নাই। হাটহাজারীর মতন মাদ্রাসার শত শত অত্যন্ত উঁচুমানের, আধ্যাত্বিক জ্ঞান সম্পন্ন ইসলামী স্কলারদের নেতৃত্বে আশা শুধু বয়সের কারণে হইতেই পারে না। তাহার সে যোগ্যতা অবশ্যই আছে !

১৫| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:২৮

কানিজ রিনা বলেছেন: বুইড়া পাঁঠা, পাঁঠাকুলের প্রভু হা হা হা হ
তেঁতুই ছুপি। চোখের নিচে তে্তুই রস জমার
কারনে ছুপি সাব কি বলিতে কি বলে।
ওহহ তিনিতো সরকারী পিষ্টোপষোক। তিনি
কিত্তিম বুদ্দিতে যাহাই বলিবেক তাহাই হাদীস
হইবেক সংসদে পাশ হইবেক।

তয় টারজান ৭০০০০। আপনার এত্তর এককান
লেকায় কিচু ভাসা বেফাস হইয়াছে যাহা
হউক আমিও আপনার লেখায় বেজার
হইলাম কারন সরকারী লোক যেই হোক
তাদের বিরুদ্দে কতা ঠিক না। ডিজিটাল
ভুটের মাধ্যমে দেশ আন্তর্জাতীক ক্ষেতী
পেয়েছে। সেই সাহসে ছুপি সাব তার মনের
আশাখান বাতলাইয়াছে। তাই বলিয়া বুল
বুজিলে চলিবেক না। বেশ হয়েছে পোষ্টু।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৪৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ। তাহার মতন সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেমকে এমন ভাষায় অশ্রদ্ধা জ্ঞাপন কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন সাইবর্গদের বৈশিষ্ট্য !

১৬| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:২৪

শেখ মিজান বলেছেন: ভালোবাসা রইলো ভাই, আইডিতে বুঝতে পারছিনা কে আপনি, সামনা সামনি হলে এক কৌটা প্রেম আপনার জন্য বরাদ্দ রইলো।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৫১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ। কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা তৈরী হওয়ার প্রমাণ কি পাওয়া যাইতেছে মিয়া বাই?

আমারে দেখিবেন কেমতে , আমিতো বনের রাজা , বনে থাকি কিনা !!

১৭| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ ভোর ৪:২২

বলেছেন:

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ধন্যবাদ কাল্পনিক_ভালোবাসা ভাই, আপনি আমার কথা লিখে দিয়েছেন, আমি শুধু জোরাতালি দিতে চাচ্ছি আল্লামা শফির (দা. বা.) আসল নাম অর্থাৎ পাসপোর্ট এনআইডি তে নাম ---
আমি আরেকটু জোড়াতালি দিয়ে দিলাম।
এদের কুসংস্কার আর গোড়ামীটা কবে শেষ হবে!!! আফসোস

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৫৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সেটাই , এরা যে কেন মডার্ন , প্রোটোটাইপ ইসলামিস্ট হইতে পারিতেছে না ! এজন্যইতো ঝাতির এই অবস্থা ! :D

১৮| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:২৯

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন:...। ধর্মীয় নেতা হিসেবে তিনি বড় জোড় হয়ত কিছু হাদিস আর কোরান শরীফ মুখস্ত করেছেন কিন্তু কোরানকে ধারন করতে পারেন নি।

সহমত।

নিজের সুবিধার জন্য ধর্মকে এরা কাস্টমাইজ করে থাকে আর কিছু ব্রেইন ওয়াশ্ড অনুসারীরা অন্ধের মতোই এদের অনুসরণ করে ।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৫৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: উনাকে যে জবাব দিয়াছি দেখিয়া লইবেন ! সবকিছু জেনেরালাইজ করিয়া ফেলিলে কি চলিবে ?

উনি কোরআনকে ধারণ করিতে পারিয়াছেন কিনা ইহা স্বামী বিশুদ্ধানন্দ চিন্তা করিতেছে , ইহাতো এই পোস্টের মহিমা বাড়াইয়া দিলো !!

ধর্মের জলে ব্রেন ওয়াশ হইলেতো সৌভাগ্য। অন্যের দ্বারা প্রোগ্রামড হইয়া সাইবর্গ পরিণত হইলেতো দুনিয়া-আখিরাত দুইই যাইবে !

১৯| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৪৪

কি করি আজ ভেবে না পাই বলেছেন: দোস্ত ছোট্ট একখান কথা,
আমার আহ্বানে সাড়া দিয়া কচি কচি ক্বোরআনে হাফেজ বাচ্চারা কেউ কুমিল্লা থিক্যা কেউবা টঙ্গি থিক্যা হাঁইটা হাঁইটা মতিঝিল গেলো শুধুমাত্র ইসলামের টানে। রাইতের আন্ধারে কুত্তার মতন মাইরা শুয়াইয়া দেয়া হৈলো। কয়জন মরছে কেউ জানে না।
সেই প্রতিবাদ না কৈরা ইউনাইটেডে চইড়া চাঁটগা গেলামগা কারো খবর না লৈয়া। যে পিডাইলো, ক্বোরআন পুড়ানের অপবাদ দিলো, তেতুল কইয়া বেইজ্জত করলো তারে ক্বওমি জননী বানাইয়া তার দুই জাহানের কামিয়াবির তরে মুনাজাতে চোখের পানি নাকের পানি জারজার।
হৈলো??
প্রাপ্তি রেলওয়ের অবৈধ জমি আর শান্তনার সনদ!!!

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: দোস্ত, প্রথম কথা হইলো ইহা লইয়া আমার পোস্ট আছে ভালো কইরা পইড়ো।

মিশরের মুরসির ঘটনাতো দেখিয়াছ। সেনাবাহিনীতেও তাহার ব্যাপক সমর্থন ছিল। কিন্তু পরাশক্তি সমূহ এমনকি সৌদি আরবও বিরুদ্ধে ছিল। তাহারা গুটি চালিলে গৃহযুদ্ধ হইবে, অধিক ক্ষতি হইবে। গৃহযুদ্ধ এড়াইতে , ব্যাপক মাত্রায় রক্তপাত এড়াইতে উম্মতের বৃহত্তর স্বার্থেই ক্ষমতা ত্যাগ করিয়া কারাবরণ করিলেন। বাংলাদেশে তাহার চাইতেও খারাপ অবস্থা ছিল। উনি যদি সেইসময় এই জামাতকে না সামলাইতেন তাহা হইলে বিপর্যয় নিশ্চিত ছিল। পরিস্থিতি কেহই নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিত না। সরকারও ইহা ভালো করিয়াই জানিত। তাই রাজনৈতিক কারণে উনার বিরোধিতা করিলেও উনার কাছেই ফিরিয়া গিয়াছে। আর সরকার তাহার ভুলকে শোধরাইতে চেষ্টা করিয়াছে। শাসক যখন ভুল সংশোধন করিতে চায় , তাহাকে সহযোগিতা করা কাম্য। তবে ক্ষত শুকায় নাই।

'কওমি জননী' উপাধি উনি দেন নাই। ইহা ব্যক্তিগত কর্ম। ইহা লইয়া কওমি সম্প্রদায়ের মধ্যেই ব্যাপক সমালোচনা হইয়াছে, এমনকি নেতৃবৃন্দ ইহার বিরোধিতাও করিয়াছেন।

সনদের প্রয়োজন ছিল , ইহা লইয়া পৃথক পোস্ট আসিতেছে !

২০| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১২

এ আর ১৫ বলেছেন: উনি ওস্তাদদের ওস্তাদ।

ওনার কথা শুনলে তো মনে হয় না উনি শিক্ষিত কোন মানুষ । উনি কাদের ওস্তাদ সেটা কিন্তু বোঝা যায় । এবার ওস্তাদদেরর ওস্তাদের ভাষা দেখুন --
১) মেয়েরা তেতুলের মত
২) মেয়েরা উলঙ্গ হইয়া ঘর থেকে বের হয় । উল্লেখ শাড়ী সেলোয়ার কামিজ পরিহিতা নারীরা নাকি উলঙ্গ
৩) গার্মেন্টেস এ যে সমস্ত মেয়েরা কাজ করে তারা সবাই বেশ্যা
৪) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা রাস্তার পাশে নেংটা হইয়া হইয়া জেনা করে ।
এটা হোল তথা কথিত ওস্তাদদের ওস্তাদের ভাষা । এই লোকের কথা বার্তায় কোন দিন ই মনে হয় নি তিনি আসলে ইসলামের কিছু জানেন ।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:২৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনার প্রোগ্রামিং যে করিয়াছে তাহার প্রশংসা করিতে হয় ! হেতে আফনারে ইসলাম বিশেষ অজ্ঞও বানাইয়াছে !

আল্লামা শফি (দা. বা.) ইসলামের কিছু জানেন না , জানেন আপনার মতন ইসলাম বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাবিহীন বিশেষ অজ্ঞেরা !

সত্যি সেলুকাস !!

২১| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৭

এ আর ১৫ বলেছেন: আল্লামা শফি (দা. বা.) ইসলামের কিছু জানেন না , জানেন আপনার মতন ইসলাম বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাবিহীন বিশেষ অজ্ঞেরা

ওনার কথাবার্তা ভাষা ফতুয়াই প্রমাণ , উনার ইসলামের দৌড় । এত নোংড়া ভাষায় যে লোক কথা বলে সে লোক আসলে কাদের ওস্তাদ ? আপনার মত লোকদের কারন ব্লগে নোংড়া ভাষার প্রয়োগের তামিল তো আপনি এই ওস্তাদদের ওস্তাদের কাছে পাইছেন । আপনার ভাষা আর তার ভাষা তো এক । খালি কোরানের সুরা আর হাদিস মুখস্ত করলেই ইসলামের পন্ডিত হওয়া যায় না ।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমি এখন অবসরে ! ইয়ের চিকিচ্ছা আর ভালো লাগে না !!

দূরে গিয়া মরিলে ভালো হয়!

২২| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০৫

নতুন নকিব বলেছেন:



তাহার প্রতি শ্রদ্ধা ছিল অশেষ। এখনও আছে! তয় দিনদিন ইহা ধরিয়া রাখা কঠিন হইয়া দাঁড়াইতেছে! কাহাতক আর!!! থাক.......বাকিটা আর বলিতে চাহি না। ব্লগার ছড়াকার কি করি আজ ভেবে না পাই কিছুটা বলিয়া দিয়াছেন।

আমার ছোট্ট এই ছড়াটি কি আপনি দেখিয়াছিলেন? না দেখিয়া থাকিলে দেখার অনুরোধ রহিল। কষ্টগুলো মনের জমিনেই রাখিয়া দিতে হয়! কি আর করিব!

ধোকা

তবে আমাদের স্পষ্ট মতামত, পরিস্থিতি যাহাই হউক না কেন, তিনি নিজে যুগশ্রেষ্ঠ আলেমে দ্বীন, এদেশের হাজার হাজার আলেমের উস্তাদ। অশীতিপর এই শ্রদ্ধাভাজন বয়সের ভারেও ন্যুজ এখন। বর্তমান জীবন জগতের কঠিন, কুটিল ও জটিল হিসাব নিকাশের মারপ্যাচে পড়িয়া যদি জীবনে চলার পথে কোনো কোনো ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ভুলভ্রান্তিতে তিনি নিপতিত হইয়াও থাকেন, তাহার দায় শুধুমাত্র একাকি তাহার- মনে করি না। তাহার আশেপাশে কিছু ভালো লোকের পাশাপাশি একদল স্বার্থপর মানুষের চকচকে কিছু লোভী চোখকেও ঘুরঘুর করিয়া বেড়াতে দেখা যায়। উহারাই তাহাকে বিভ্রান্ত করিয়া চলিতেছে।

তাহার কিছু কথাবার্তা কাহারও কাহারও নিকট জাতির অগ্রগতি উন্নতির অন্তরায় সদৃশ অনুভূত হইলেও আসলে তিনি যাহা বলিয়া থাকেন, হাতে গোনা দু'একটি বিষয় বাদে, তাহাতে তাহাদের তেমন আপত্তি করার মত কিছু রহিয়াছে বলিয়া দেখি নাই। তবে তাহার একটা সমস্যা হইলো, প্যাঁচঘোচ দিয়া মধু মিশাইয়া কথা বলার কৌশল হয়তো তাহার রপ্ত করা হইয়া ওঠে নাই।

সর্বোপরি এমন একজন বরেন্য আলেমের প্রতি যথাযথ সম্মানের আচরন সর্বাবস্থায় কাম্য। ইহা ঈমানদারী এবং তাকওয়ারও পরিচায়ক বটে।

পোস্ট দিয়া ভালো করিয়াছেন।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:২৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: এতবড় জামাতের নেতৃত্ব দেওয়া , বেফাকের দায়িত্ব , হাটহাজারীর অধ্যক্ষের দায়িত্ব ইত্যাদির বিশালতায় ভুল-ভ্রান্তি হইতে পারে , সমালোচনার ক্ষেত্র তৈরী হইতে পারে, যেহেতু মানুষ , ফেরেস্তা নহেন।সাদা কাপড়ে ছোট্ট দাগও অনেক দেখায় ! রাজনীতিতে এই জামাতের গুরুত্ব বাড়িতেছে বিধায় ধান্দাবাজেরাও চতুর্পাশে জড় হইতে পারে , কিন্তু অবমাননা , গালাগালি , ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ ইহাতো ঈমান বিধ্বংসী হইবে ! বড় দুঃখের সাথে বলিতে হইতেছে শুধুমাত্র নিজের মতের সাথে মিলিতেছে না , বা নিজের রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধার হইতেছে না বিধায় আমাদেরই সন্তানেরা তাহার অবমাননা করিতেছে। ইহার কারণ ওই কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তাই।ইংরেজ একটা চাবি মাইরা দিছে ছাইড়া , এখন জন্ম ধইরা এই আকাম চলিতেছে !!

শরীয়তের মৌলিক জ্ঞানই যাহাদের নাই, নিজের সুরত-সীরাত- সারিরাতে যাহাদের ইসলামের চিহ্নই পাওয়া যায় না , যাহাদের কাপড় এমনই কালো যে অন্য ময়লা চোখেই পরে না , তাহারা আসিয়াছে একজন প্রথিতযশা আলেমের জ্ঞান-গরিমা মূল্যায়ন করিতে !! আফসোস ,আফসোস ! দেখেন আজকেও তাহারে ব্যঙ্গ করিয়া পোস্ট আসিয়াছে। অথচ জানেও না পরিণতি কি !!

বয়ানতো মজমার ধরণ অনুযায়ী হইয়া থাকে। বিশ্বাস করুন , আমি তাহার বয়ান প্রথম শুনিয়াছি বিশ্ববিদ্যালয়ে ! এমন হেকমতপূর্ণ , হৃদয়গ্রাহ্য বয়ান মনে দাগ কাটে।সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথিতযশা শিক্ষক হইতে বিখ্যাত আলমে দ্বীনও ছিল !!

উপমহাদেশে এই জামাতের আল্লাহওয়ালাদের বিরোধিতা নতুন নহে।স্মরণ করিয়া দেখুন হুসাইন আহমেদ মাদানী র. এর মতন আকাবিরকেও সাইবর্গেরা অবমাননা করিতে কসুর করে নাই।অথচ তিনি শুধু আমাদের আকাবীরই ছিলেন না ,রাসূল স. এর আওলাদও ছিলেন। আজ তাহারই খলিফার অবমাননা করা হইতেছে।

২৩| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০৯

নতুন নকিব বলেছেন:



দূরে গিয়া মরিলে ভালো হয়!

আপনাকে মানুষজন ভালোবাসিতে চাহে! ইহার কারন কি?

২১ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমি বিশেষ ধরণের শল্যচিকিৎসায় অতীব দক্ষ বিধায় যেসমস্ত রোগী আমার কাছে চিকিৎসা লইয়াছে তাহারা আমাকে চিরতার রসের মতন ভালোবাসিতে চায় ! কিন্তু মডুর আবেদনে আপাতত বিশ্রামে আছি। :D

আমার এখানে মরার জায়গা নাই বিধায় দূরে গিয়া মরিতে ফরামর্শ দিতাছি ! :P

২৪| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০০

নতুন নকিব বলেছেন:



আল্লাহ পাক আপনার মঙ্গল করুন। নতুন পোস্টটি আপনি একটু দেখলে খুশি হব-

প্রিয় নবীজী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিবেদিত আবেগঘন একটি চিঠি

২১ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ হজরত ! সময় করে পড়ব !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.