নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

একদেশের গালি, আরেক দেশের বুলি !!!! (ভাষার মাসে ভাষা লইয়া একখানা পুরান কৌতুক ! সাথে কয়েকখানা পিচকার ফুটো ফাও !) ১৮+

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:২৪



ইহা সেই সময়কার কথা যখন নারীরা প্রকৃতই অবলা আছিল ! কাপুরুষেরা কারণে অকারণে বউ পিটাইতো, কারণ শাস্ত্রে কহিয়াছে জরু, গরু আর ঢোল সবসময় বাড়ির উফরে রাখিতে হয় ! নইলে ইহাদের স্বভাবে নাকি না বাজানো ঢোলের মতনই কর্কশতা আসিয়া যায়। আর বাড়ির উফরে রাখিলে রেশমের মতন মোলায়েম হইয়া যায় , যেমনে নাচাও তেমনেই নাচে।

এখনকার মতন নারী বলা আর পুরুষ অবলা নহে , মৃণালিনী সেই সময়কার বাঙালি গৃহবধূ। অবলা বটে ! কেষ্টা বেটাই চোরের মতন সবকিছুতেই তাহার দোষ ধরা হয় ! তখনও নারীবাদের উত্থান হয় নাই বিধায় জামাই দুর্যোধোনরে মৃণালিনী কহিতে পারে না , তুইও ষোল টাকা দিছিস , আমিও ষোল টাকা দিছি, সুতরাং আমিই শুধু মরিব কেন ? তাই মাঝে মধ্যেই ডালভাতের মতনই উত্তম-মধ্যম মায় অধমও খাইতে হয় ! ইহাতে এমনই অভ্যস্ততা আসিয়া গিয়াছে যে ভাইটামিন K এর মতন ইহাও অনেকটা ভাইটামিনে পরিণত হইয়াছে। বেচারা দুর্যোধোন জানেনা, মালগাড়ির মতন বউরে ঠেলিয়া নেওয়ার চাইতে মুলা ঝুলাইয়া কাজ করানো অনেক সহজ !

যাহাই হউক মৃণালিনীর কন্যা হৈমন্তী সেইরাম সুদর্শনা ! রূপে তাহার আগুন জ্বলে, যৌবন ভরা অঙ্গে !!! (বেশি কিছু কইলাম না ! আবিয়াত্তারা আবার ভারতের ম্যাপ আকিতে পারে !) ইহা সেসময়কার কথাও বটে যখন বিবাহ বাল্যেই হইতো ! তখনও বাল্য প্রেম , বাল্য যৌনতা জায়েজ , আর বাল্য বিবাহ নাজায়েজ হয় নাই ! এমনকি রবি ঠাকুর নিজেই বাল্য বিবাহ করিয়াছেন , নিজের কন্যাদেরকেও বাল্যেই বিবাহ দিয়াছেন। তাহারে অবশ্য কেহ পেডোফাইল কহে নাই। কারণ কাক কখনো কাকের মাংস খায় না। তবে অন্যের মাংস খাইতে তো আপত্তি নাই ! বরং সুস্বাদুই লাগে ! তাছাড়া নরম মাংসের পাকা পেঁপেতে তাহার যতোকিছু আসে যায় শক্ত চামড়ার পাকা বেলে তাহার কিছুই আসে যায় না ! থোতা মুখ ভোঁতা হওয়ার রিস্ক কে লইতে পারে !



আচ্ছা খাউক গা ! কৈতাছিলাম হৈমন্তীর কথা। হৈমন্তী রূপে , গুনে , কর্মে মেকাপ ছাড়াই সরস্বতী , লক্ষী; সার্টিফিকেট ছাড়াই সতী-সাধী, প্রতিযোগিতা ছাড়াই মিস ইউনিভার্স ! তাহার চরিত্র ধুতরা ফুলের মতন ফোবিত্রও নহে, সানি লিওনির মতন কুমারীও নহে। নারীবাদ, আধুনিকতা সে চোখেও দেখে নাই বিধায় কৌমার্য, সতীত্ব তাহার কাছে তখনও মূল্যবান ! সে তাহা সযতনে রক্ষা করিয়া চলিয়াছে। তখন অবশ্য ইহারই চল ছিল ! নারীরা তখনো এখনকার নারীকুলের মতন সাহসী (!) হইয়া ওঠে নাই বিধায় ট্যাবলয়েড পত্রিকার সেলিব্রিটিও হইতে পারে নাই ! তবে লাইলির সৌন্দর্য যেমন মজনুর মুখেই প্রচার হইয়াছিল তেমনি হৈমর সৌন্দর্য তাহার অগুনতি ওয়ান সাইডেড লাভারের মুখেই চারিদিকে প্রচার হইলো ! হৈমন্তীও ওই জমানায় সেলিব্রিটি হইয়া গেল !

পতঙ্গ যেমন আগুনে ঝাঁপ দেওয়ার জন্য লালায়িত থাকে , ভ্রমর যেমন ফুল দেখিলেই ভ্যান ভ্যান করে, মশা যেমন আমারে দেখিলেই গীত গায় তেমনি পাড়ার রোমিওরা মজনু হইয়া হৈমর পিছে লাগিল ! চুনট করা ধুতীর কোচা সামলাইয়া মজনুবৃন্দ কখনো গান ধরিত

"মেরা মনকি গঙ্গা
অর তেরা মনকি যমুনা
বোল রাধা বোল সঙ্গম হোগা কি নেহি !"

কখনো বা গান ধরিত ,

" ম্যায় কালে হ্যায় তো কেয়া হুয়া দিলওয়ালে হ্যায় !!
ম্যায় তেরে তেরে তেরে চাহনে ওয়ালে হ্যায় !!"

তখনকার মজনুবৃন্দের অবশ্য লিটনের ফ্লাট ছিল না , ছিল না পার্কের চিপা-চাপা, ভার্সিটির নির্জন কবর। আবার আন্দুলন করিয়া সান্ধ্য আইনও তাহারা বাতিল করিতে পারে নাই ! তাই খাঁচার ভেতরে মুরগি দেখিয়া শিয়াল যেমন লোল ফেলিয়া ঘোরে মজনুবৃন্দেরও লোল ফেলা ছাড়া কিছু করিবার উফায় রহিল না, সঙ্গম তো দূরের কথা ! ইহাতো টাকা নহে , চাহিবামাত্র দিতে বাধ্য থাকিবে , তাই কালে দিলওয়ালেদেরও চাওয়াই সারা ! তাছাড়া তখনকার ময়মুরুব্বীদের খড়ম এতো শক্ত ছিল যে, বাড়ির পাশে শিস দিয়া যে সংকেত দিবে সে সাহসও কাহারো ছিল না ! শিস দিলেও অবশ্য লাভ হইতো না ! হৈম কখনোই বলিত না ,

''গামছা কাঁধে শিস বাজাইয়া গেল,
কোন পাড়ার কোন ছোড়া ,
ওঁওঁওঁওঁওঁ ওওও বুবু লো আমায় দোষ দিস না ! "

কারণ হৈমর মন বিশ্বসুন্দরীদের মতনই ক্যালকুলেটিভ ! পাড়ার সোলেমানরে বাদ দিয়া অভিষেকের গলায় ঝুলিতেই তাহার উৎসাহ ছিল বেশি ! ভ্যাগাবন্ডের সাথে ভাগিয়া যাওয়া , প্রেম করার মতন নির্বুদ্ধিতা তাহার ছিল না ! তবে সেই জমানায় সুযোগ থাকিলে সোলেমানদের লেজে খেলাইতেও আপত্তি ছিল না ! কিন্তু খড়মের লিঙ্গজ্ঞান কম ছিল বিধায় সেই সাহস হৈমর হয় নাই !

তাহার পিতা দুর্যোধোন কাহারও পরিধেয় বস্ত্র উন্মোচন না করিলেও দুর্যোধোনিও স্বভাব কিছু ছিলই ! এমন রূপবতী , গুনবতী মাইয়া যে গ্রামে বেশিদিন রাখা যাইবে না তাহা নিজের অতীতকালের অভিজ্ঞতার আলোকে বিলক্ষণ বুঝিতে পারিয়াছিলেন ! ইহা তখনকালের কথাও বটে যখন বাল্য বিবাহের দায়ে ঠাকুর-পুরোহিত, ইমাম-মুয়াজ্জিন শশুরবাড়ি যাইতো না, মিডিয়া কভারেজ ছিল না বিধায় ইউএনও- টিএনও, প্রশাসনের ইহাতে আগ্রহও ছিলোনা , আর আগ্রহও বা কেমনে হইবে যেখানে নিজেরাই কুটিকালে বিড়াল মারিয়া বাঘ হইয়াছে ! বুড়ো বয়স পর্যন্ত বেড়ালের লেজে লেজে ঘুরিয়া হয়রান হওয়ার চিন্তা তাহাদের কালে ছিল না। তাহাদের স্বভাবও অবশ্য এমন ছিল না -- আমার পেট খারাপ, বিরানি খাইতে পারিব না , তাই বাড়িতে বিরানি রান্না হইবে না ! সবাইকে করলা দিয়া সিঙ্গি মাছের ঝোল খাইতেই হইবে ! আমি ডাব খাইতারিনাই বিধায় সবাইকেই ঝুনা নারিকেল খাইয়া গুনা করিতেই হইবে !!



দুর্যোধোন মেয়ের জন্য পাত্র খুঁজিতে শুরু করিলেন ! মাগার পাত্র আর মিলে না ! বেশিভাগ পাত্রই ফুটো, তালি দিলে ঢ্যাপ ঢ্যাপ আওয়াজ করে ! কেহ টন টন করে না ! কাহারও ধার আছে , ভার নাই , কাহারো ভার আছে ধার নাই। কাহারও নাকিমুকি ঠিক আছে কিন্তু বুকিপিটি ঠিক নাই ! কাহারও বা সবই ভালো শুধু একটু পেঁয়াজ খায় ! এমনি ভাবে জামাই বাছিতে গা উজাড় ! ওদিকে মাইয়ার বিয়ার বয়স যায় যায় ! উপায় না পাইয়া দুর্যোধোন স্বয়ম্বরা সভা করিবেন কিনা ভাবিতেছেন। তাহার অবশ্য প্রয়োজন হইলো না ! জাতিতে মাড়োয়ারি বিধায় বাংলার ওপারে জামাই মিলিয়া গেল ! জামাই বাবাজি পুরোই নাড়ুগোপাল , নাদুস-নুদুস ! বিলাতি ইঁদুরের মতনই সাদা ! বিরাট ব্যবসায়ী, আংরেজের পকেটও কাটিতে পারে ! আর কি চাই ! মাগার ছমস্যা একখানাই, জামাই হিন্দিভাষী। বাংলা বোঝে , তবে বলিতে পারে না ! তা না পারুক , হৈমন্তী বরং হিন্দি শিখিয়া লইবে ! বাংলা বাক্যের শেষে হ্যায়, থা লাগাইলেই কম-বেশি হিন্দি হইয়া যাইবে ! মাগার লোকে ভাবে এক , আর হয় এক ! দুর্যোধোন জানিতেন না সামান্য পার্থক্যই ভাষার অর্থ পাতালপুরে লইয়া যাইতে পারে !!

যাহাই হউক , পাড়ার সকল ইঁচড়ে পাকার বুকে শক্তিশেল বিধাইয়া হৈমন্তী নাড়ুগোপাল জামাইয়ের গলায় ঝুলিয়া পড়িলেন ! এমন বৈষয়িক জামাই পাইলে দেবদাস প্রেমিকরে কে মনে রাখে ! ক্যাল্কুলেটিভ হৈমর মনে কোন দেবদাস দাগ কাটে নাই ! সুতরাং bairi piya গানও ভবিষ্যতে আর শোনা যায় নাই !

হিসাব-নিকাশ করিয়া লাভের পাল্লা বেজায় ভারী দেখিয়া হৈম গৌড়গোবিন্দের পালকিতে চড়িয়া হিন্দুস্তানে তাহার শশুরালয়ে চলিয়া গেল ! মৃণালিনী চোখের জলে তাহারে বিদায় দিলেন ! দুর্যোধোন স্বস্তির শ্বাস ছাড়িলেন ! মা দুগ্গা নারী হইয়া পূজনীয় হইতে পারে , তবে ঘরের কন্যা হইলে বোঝাই বটে ! আপদ বিদায় হইলো !



হৈমন্তিতো শশুরালয়ে গেল ! ইতোমধ্যে দেশ স্বাধীন হইয়া দুই দেশ হইয়া গেল ! ক্যালকুলেটিভ হইলেও হৈমন্তী কাঁদিয়া বাঁচে না ! তাহার দেশ নাই ! বিদেশ হইয়া গেল ! এখনকার পোলাপাইনের মতন হৈমন্তী বিদেশ কইয়া স্বপ্নালু হইয়া যাইতোনা ! গলিয়া পানি হইয়া যাইতো না ! চোখের তারায় ঝিকিমিকি করিতনা ! যা ইচ্ছা তাই লেখার স্বাধীনতার মতন অবারিত দুয়ারের লোভ , টং ক্রুজ বা সোলেমান খানের স্বপ্ন সেই প্রজন্মের নারীকুলের ছিল না ! পোলাদেরও টু ডব্লিউ, পোঙটামো করার উফায় ছিল না ! সানি লিওনিরে দেখিয়া ভারতের ম্যাপ আঁকারও নেশা ছিল না !

দেশকে হৈমন্তীর খুব মনে পড়িত ! মাগার একগাদা আন্ডা-বাচ্চা , পতি দেবতার সেবা শুশ্রুষা ইহাতে আর ফুসরত হয় না ! এখনকার মাইয়াগো মতন 'আমি বাপের বাড়ি চলিলাম'ও কইতে পারে না ! বহুকাল কাটিয়া গেল। আন্ডা বাচ্চার চোখ ফুটিয়াছে , গৌড় কিছু গোছাইয়া লইয়াছে ! হৈমন্তীর দেশের তৃস্না বাড়িয়া গেলে জামাইরে বহু তৈল মর্দনে রাজি করাইল ! অবশেষে হৈম নিজ বাটিতে জামাই সহকারে বেড়াইতে আসিল !

বহুকাল বাদে মেয়ে-জামাইকে পাইয়া মৃণালিনীর আনন্দের বাঁধ মানে না ! পুকুরের ইলিশ মাছ হইতে শুরু করিয়া ব্লগের পাঁঠা পর্যন্ত রাঁধিয়া ফেলিলেন ! মাড়োয়ারি পোলা , আশি টাকা তোলা ! তাই মৃণালিনী আশি প্রকার তরকারি রাঁধিয়া পরিবেশন করিলেন।



ইহা সেই সময়কার কথাও বটে , যখন ঘরে ঘরে টেবিল-চেয়ার ছিল না। মানুষ মাদুর বা পিঁড়ি বিছাইয়া খাবার খাইতো। মৃণালিনী তাই বাহারি শীতল পাটি বিছাইয়া, খাবার সাজাইয়া জামাইকে খাওয়াইতেছেন ! নিজে পিঁড়িতে বসিয়া খাবার পরিবেশন করিতেছেন ! এখনকার মতন জামাইরে খাবার বাড়িয়া দিয়া সিরিয়াল দেখার চল ছিল না বিধায় হৈমন্তী পতিদেবতাকে বাতাস করিতেছিল ! দুর্যোধন কিছু না করিলেও পিঁড়িতে বসিয়া খবরদারি ঠিকই করিতেছিল ! ভুল হইলে হাতটাও নিশপিশ করিতেছিল ! মাগার জামাইয়ের সামনে জরু পিটাইলে জামাই আবার শিখিয়া গিয়া মেয়েরে মোলায়েম বানায় কিনা এই আশংকায় নিজেরে সংযত রাখিতেছিলো !

পুকুরের ইলিশ, ব্লগের পাঁঠা, আশি পদের রান্না দেখিয়া জামাইয়ের লোল পড়িতে লাগিল ! শিকারি বেড়ালের মতন খাবার ছাড়া কোনদিকে তাহার খেয়াল নাই ! দেরি না করিয়া গণেশের মতন বসিয়া কোপাইতে লাগিল ! প্রথম কিছুক্ষন শশুর-শাশুড়ির কথার উত্তরে হু-হা দিয়াই কাম সারিল ! কারণ শব্দ বাহির হইবার কোন জায়গা ছিল না ! মাগার একেবারে কিছু না বলিলে খ্রাফ দেখায় ! তাই মুখ খুলিল---- "আম্মা, পিছলে বার যাব আপকো দেখা আপতো বহুত জওয়ানি থা ! আব দেখা, আপ ভি বুড়ি হো গেয়ি হ্যায় ! তেরা বাল ভি পাক গিয়া !!"

মৃণালিনীর হৃদকম্প শুরু হইলো , হে ধরণী দ্বিধা হও ! জামাই এসব কি বলে ! মাগার সেই লংকাও নাই, সেই সীতাও নাই ! ধরণী শুধু সীতারেই ধারণ করিতে পারে ! তাই মৃণালিনী জমিনেই রহিলেন ! দুর্যোধন দাঁত কিড়মিড় করিতেছিল ! শাস্ত্রে এমনি এমনি জরুরে বাড়ির উফরে রাখিতে বলে নাই ! ব্যাক্কল মেয়েলোক , মান-ইজ্জত সব গেল !

পেটে সুস্বাদু খাবার যাইতেই গৌড়র চোখ বন্ধ হইয়া আসিতেছিল। একেক গ্রাস মুখে তুলিয়াই চোখ বন্ধ করিয়া উপভোগ করিতেছিল ! বহুদিনের কাজা আদায় হইতেছে কিনা ! তাই শশুরের অগ্নিমূর্তি বা শাশুড়ির অগ্নিপরীক্ষায় ব্যর্থতা চোখে পড়িতেছিল না ! পাঁঠার পশ্চাৎদেশের একখানা বড় পিছ পেটে চালান দিয়া ভাবিল শাশুড়ি বুঝি শুনিতে পায় নাই ! তাই আবার বলিল ------- "আম্মা, পিছলে বার যাব আপকো দেখা আপতো বহুত জওয়ানি থা ! আব দেখা, আপ ভি বুড়ি হো গেয়ি হ্যায় ! তেরা বাল ভি পাক গিয়া !!"

দুর্যোধোন এইবার আর সহ্য করিতে পারিলেন না , পাছার নিচ্ হইতে পিঁড়িখানা উঁচু করিয়া মৃণালিনীরে মারিতে উদ্দত হইলেন ----- "শালী , তোর বসাই খারাপ ! আমিও একদিন দেখছি !!!!"

মন্তব্য ১৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: এক দেশের গালি, আরেক দেশের বুলি।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৪১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: জী ! এক দেশের বুলি আরেক দেশের গালি ! প্রথম হওয়ায় অভিনন্দন !

২| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৫১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:

পাশের বাসা থেকে আওয়াজ আসছিল দিলয়ার দিলয়ার--- ও ও ও দিলওয়ার দিলওয়ার... আর বাম কানের বাজছিল মশার সাইরেন (!) দু'টা আওয়াজ মিলে যে কী রিমিক্স হয়েছিল সেটা কয়ে বুঝাতে পারুম না! :``>> তা যাই হোক!

আপনার লেখা পাঠ করিয়া আপনার পিলোচপি সম্পক্কে আমার হালকা জ্ঞান হইয়্যাছে যে, আপনি বর্তমানকার কালচারের সাথে খুব একটা বন্ধুত্ব সূলভ খাইছলত দেখাতে পাচ্ছেন না, যেমনটা আপনি আপনার গার্ল ফ্রেন্ডের সাথে দেখানে পারেন। ;)
চুনেন, জাতি আজ খুবই বেরসিক দিনাতিপাত কচ্চে, এমন এহনাবস্থায় আপনার এই বিনোদনধর্মী গপ্পখানা আমাগোরে কিছুটা আন্দোলিত করলোই তো বটে, তবে হেই সাথে আপনার উপর একখানা জবরদস্ত দায়িত্ব দিচ্ছি, আপনি হেমন্তির মত যদি কোন... পান তাহলে একটু এদিকে দেইখেন! ভারতের মানচিত্র আঁকামো না কচ্চি, হ্যা বাঙালিদের মানচিত্র আঁকাতে তো কোন দোষ নেই ;) (এটা আমগো অধিকার ;) ) =p~

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: পাশের বাসা থেকে আওয়াজ আসছিল দিলয়ার দিলয়ার--- ও ও ও দিলওয়ার দিলওয়ার... আর বাম কানের বাজছিল মশার সাইরেন (!) দু'টা আওয়াজ মিলে যে কী রিমিক্স হয়েছিল সেটা কয়ে বুঝাতে পারুম না!

আমিতো ভাবিয়াছিলাম মশা শুধু আমারেই গীত শোনায় ! আপনারেও শোনায় শুনিয়া ভরসা পাইলাম ! আহেন , কুলাকুলি করি !

আপনার লেখা পাঠ করিয়া আপনার পিলোচপি সম্পক্কে আমার হালকা জ্ঞান হইয়্যাছে যে, আপনি বর্তমানকার কালচারের সাথে খুব একটা বন্ধুত্ব সূলভ খাইছলত দেখাতে পাচ্ছেন না, যেমনটা আপনি আপনার গার্ল ফ্রেন্ডের সাথে দেখানে পারেন। ;)

বাইরে ! আই পুরান পাপী কিনা তাই এহনকার কালচার আমার হাত গলাইয়া বাহির হইয়া যায় ! কিছুতেই ধরিতে পারি না ! গার্লফ্রেন্ডের চ্যাপ্টার বহু আগেই ক্লোজ ! আস্তে কইয়েন ! জেন্ শুনিলে শুধু আমার না আপনারও খবর আছে !

চুনেন, জাতি আজ খুবই বেরসিক দিনাতিপাত কচ্চে, এমন এহনাবস্থায় আপনার এই বিনোদনধর্মী গপ্পখানা আমাগোরে কিছুটা আন্দোলিত করলোই তো বটে, তবে হেই সাথে আপনার উপর একখানা জবরদস্ত দায়িত্ব দিচ্ছি, আপনি হেমন্তির মত যদি কোন... পান তাহলে একটু এদিকে দেইখেন! ভারতের মানচিত্র আঁকামো না কচ্চি, হ্যা বাঙালিদের মানচিত্র আঁকাতে তো কোন দোষ নেই ;) (এটা আমগো অধিকার ;) ) =p~

হৈমন্তীর মতন কাউরে শুধু ব্লগে , আর রবি ঠাকুরের গল্পেই পাওয়া যায় ! বাস্তবে হারিকেন লাগাইয়াও খুঁজিয়া পাওয়া মুশকিল ! তবে আপনি যদি সোলেমান না হইয়া অভিষেক হইতে পারেন তাইলে একখানা চাঞ্চ আছে !

আর যাই করেন , বাংলাদেশের ম্যাপ আঁকিয়েন না ! ভারত, নিপল , বাটন যাহারে খুশি আঁকুন ! নইলে .............

৩| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৫৪

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: দুষ্ট রেএএএ ...
আমার পেট ব্যথা করছে ।
হাসতে হাসতে মরে যাব কিনা !!!!

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ভাইরে ! মইরেন না ! এমনিতেই ব্লগের অবস্থা খ্রাফ ! আপনি মরিলে আরেকজন কমিয়া যাইবে !

আফনের দেহি ইস্কুলের স্বভাব যায় নাই ! কিছু হইলেই প্যাট ব্যাথা করে ! ছুটি কিন্তুক হইবে না !

৪| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:১৯

জনৈক শঠ বলেছেন: কাক কখনো কাকের মাংস খায়না। কিন্তু অন্যের মাংস খাইতে তো সমস্যা নাই। :)

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ঠিকোই ! আবার বেলের শক্ত চামড়াতেও ঠোকর মারার মতন বোকামি করে না ! পাছে থোতা মুখ ভোঁতা হইয়া যায় !!

৫| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৫

গড়ল বলেছেন: হাহাহাহাহাহহা চমৎকার, ব্যাপক মজা পাইলাম, বেশি মজা পাইলাম শশুরের কথা শুনে।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৪৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: হে হে হে ! এক দেশের বুলি আরেক দেশের গালি কিনা ! :D

৬| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: শেষ লাইনটা বেশী অশ্লীল। X(

আপনি কি স্বপ্নেও ব্লগের পাঁঠা দ্যাখেন??


"সানি লিওনিরে দেখিয়া ভারতের ম্যাপ আঁকা" কথাটা বুঝলাম না। ইহা কী বিশেষ অঙ্গের ভূমির সাথে ৯০ডিগ্রী কোন তৈরীর সাথে সম্পর্কিত??:P:P

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:০৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: শেষ লাইনটা বেশী অশ্লীল। X(

জী ! কৌতুকটাই অশ্লীল :( ! কিন্তু কন্টেক্সচুয়াল ডিফারেন্সের অসাধারণ দৃষ্টান্ত !

আপনি কি স্বপ্নেও ব্লগের পাঁঠা দ্যাখেন??

তা দেখিনা , তবে চান্স পাইলে ছাড়িনা !

"সানি লিওনিরে দেখিয়া ভারতের ম্যাপ আঁকা" কথাটা বুঝলাম না। ইহা কী বিশেষ অঙ্গের ভূমির সাথে ৯০ডিগ্রী কোন তৈরীর সাথে সম্পর্কিত??:P:

বিছানায় ম্যাপ আকার কথাই বুঝাইয়াছি ! আমি আবার ত্রিকোনমিতিতে ভোলানাথ ! বিশেষ অঙ্গ ভূমির সাথে ৯০ডিগ্রী কোন কেমনে তৈরী করে , একটু বুঝায়া কনতো ভাইডি ? ;)

৭| ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: জী ! এক দেশের বুলি আরেক দেশের গালি ! প্রথম হওয়ায় অভিনন্দন !

ধন্যবাদ। সাথে চা পেলে বেশী লাগতো।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমার জঙ্গলে স্বাগতম ! চা এর সাথে টা হিসেবে কি খাইবেন জানায়েন ! অপেক্ষায় রহিলাম !

৮| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:১০

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: B-))

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৩০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: X( X(( =p~

৯| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:২২

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: বিছানায় ম্যাপ আকার কথাই বুঝাইয়াছি ! আমি আবার ত্রিকোনমিতিতে ভোলানাথ ! বিশেষ অঙ্গ ভূমির সাথে ৯০ডিগ্রী কোন কেমনে তৈরী করে , একটু বুঝায়া কনতো ভাইডি ?
মনে করুন আপনি অবিবাহিত/মিসেসের বিশেষ দিন চলছে, সকালে ঘুম ভাঙলেই বুঝবেন ৯০ডিগ্রী কারে কয়।(এটা কিন্তু আমার আবিষ্কার);)

আর দাঁড়িয়ে থাকলে ভূমির সাথে সমান্তরাল। আর যদি পেন্ডুলামে ছয়টা বাজে, তাইলে আপনারে দিয়ে কোন কাজ হবে না। কলিকাতা হারবালে সিরিয়াল দ্যান...:P

পুনশ্চঃ বাচ্চারা এই কমেন্ট থেকে দুরে থাকো। :)

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:০৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ওরে বাবা ! আফনে যে কলিকাতা হারবালের ডাক্তার তাহা বিলক্ষণ বোঝা গেল ! :P

চরম গবেষণা =p~ ! ত্রিকোণমিতির মাস্টার ! :D

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.