নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

গ্রাম আর গ্রাম নাই ---২ : গ্রামের শ্রমিক সংকট নিরসন, রোহিঙ্গাদের বিকল্প পুনর্বাসন !!!!

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৩৪

মহান পে (পাঁঠা ) ও তাহার সাইকেল :D !!!


নদী-১


নদী -২



নদী -৩


মাছরাঙা - দেখা যায় কি ?


মাছ নাই, পোকাই সই !!


নেপিয়ার-১


বটবৃক্ষ-১

অপার্থিব-১


অপার্থিব-২

অপার্থিব-৩

আলো

নেপিয়ার-২

আঁধারি

বিরহী !!! আহা !

অপার্থিব-৪


পলাশ ফুটেছে, শিমুল ফুটেছে : শিমুলের ফুল নয় , ফল, তুলা !!

পথে হল দেখা !!


কিছুদিন আগে খবরে প্রকাশ, সিলেটের পাথর কেয়ারির কাজ প্রশাসন বন্ধ করিয়া দিয়াছে। কারণ ধান কাটার মৌসুমে শ্রমিকের সংকট। আগে অন্য অঞ্চল হইতে কামলা আসিত , এখন তাহাও আসে না ! বছর ৫/১০ আগেও সিলেট, বৃহত্তর নোয়াখালীতে দেখিয়াছি অন্য অঞ্চল হইতে কামলা আসিতে। সিলেটের অবস্থাতো জানিলাম ! অন্য অঞ্চলগুলোর অবস্থায়ও খুব ভালো নহে , কারণ যেসব অঞ্চল হইতে শ্রমিক আসিত, সেখানেই শ্রমমূল্য বাড়ায় তাহারা অন্য অঞ্চলে যাইতেছে না , এমনকি ঐসব অঞ্চলেও শ্রমিক ঘাটতি দেখা যাইতেছে ! বাস্তবে গ্রামে শ্রমিক সংকট ভয়াবহ ! শ্রমমূল্য গৃহস্তের নাগালের প্রায় বাহিরে। সব খরচ বাদ দিয়া ফসল ফলাইয়া পোষায় না বিধায় গৃহস্ত কৃষিকাজ বাদ দিয়া দিতাছে ! দেশের জন্য ইহা অশনি সংকেত ! বিকল্প কর্মসংস্থান, বিদেশে গিয়া কামলাগিরি, কৃষিকাজকে অচ্ছুৎ ভাবা, কৃষিতে আধুনিক টেকনোলজির অভাব কৃষিতে শীঘ্রই বিপর্যয়ের সম্মুখীন করিবে বলিয়াই বিশ্বাস ! অথচ কৃষিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়াটা সম্ভব এবং প্রয়োজনীয়ও বটে ! কৃষিখাতকে উপেক্ষা করিলে দেশের বিরাট ক্ষতি। আমাদের সৌভাগ্য, প্রায় সব সরকারই কৃষিকে অগ্রাধিকার দিয়াছে। কিন্তু শ্রমিক সংকট সরকারের পদক্ষেপ ম্লান করিয়া দিতেছে ! এই সংকট নিরসনে দরকার সস্তা শ্রম, যাহা আমাদের গ্রামগুলোতে এখন সহজলভ্য নয়। অথচ গৃহস্তের বাড়িতে শ্রমজীবী ছাড়া চাষাবাদ সম্ভব নহে ! সমাধান কি ?

গত কয়েকদিনের খবর হইতে জানা যাইতেছে, পরাশক্তি, পাতিশক্তিগুলো রোহিঙ্গাদের ভাষানচরে পুনর্বাসনের বিরোধিতা করিতেছে ! বার্মিজ কুত্তাগুলোর কাছে পাত্তা না পাইয়া ইহারা বাংলাদেশে আসিয়া পশ্চাৎদেশ ঘষিতেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঠিকই বলিয়াছেন, ইহাদের লাথি মাইরা খেদাইয়া দেওয়া উচিত, বার্মায় গিয়া পশ্চাৎদেশ ঘসুক ! ছাল নাই কুত্তার, বাঘা তার নাম !! জাতিসংঘ এখন ছালহীন কুত্তা ছাড়া আর কিছু নহে ! কইষা লাথি মারিলে পায়ে পায়ে ঘুরিবে, আর খাইতে দিলে পায়খানা করিয়া নষ্ট করিবে ! ইহাদের দিকে তাকাইয়া লাভ নাই !

সময় গেলে সাধন হয় না ! এই সমস্যা যদি প্রথমেই সমাধান করা যাইতো, তাহা হইলে এই ১৫ লক্ষ্ রোহিঙ্গা লইয়া দেশকে বিপদে পড়িতে হইতো না ! এখন ইহা স্পষ্ট হইয়া গিয়াছে বার্মা রোহিঙ্গাদের আর ফেরত নিবে না ! আরাকানে নিরাপদ অঞ্চল তৈরির প্রচেষ্টাও বিফলে গিয়াছে ! তৃতীয় বিশ্বের বীরপুঙ্গব সশস্ত্রবাহিনী শুধু তাহাদের নিজেদের জনগনের ইয়ে মারিয়া বিজয়ী হইতে পারে, বহিঃশত্রুর সাথে লড়িলে পশ্চাৎদেশের চর্বি ঘাটতি হইয়া দেশের ইজ্জত নষ্ট হইবে বিধায় সেই চেষ্টা হইতে ইহাদের সহস্র হাত দূরে থাকিতে দেখা যায় ! সুতরাং আমরাও গলা মেলাই , সামরিক পদক্ষেপ কোন সমাধান নয় ! আলুচোনার মাধ্যমে সমস্যা দীর্ঘায়িতকরনেই বিবিধ লাভ !! শুধু দেশের ইয়ে মারা ! উহা ব্যাফার নহে !

যাহা হউক, ইহা স্পষ্ট হইয়া গিয়াছে, রোহিঙ্গা সমস্যার শান্তি বা অশান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব নহে। ইহারা বাংলাদেশ হইতে আর যাইবে না ! ভাষানচরে পুনর্বাসন খুব একটা ফলপ্রসূ হইবে বলিয়া মনে হইতেছে না। কারণ তাহাদের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা কম ! সীমান্তে তাহাদের রাখাও বিপদজনক ! এদিকে শ্রমিক সংকটে গ্রামগুলো জেরবার ! বিকল্প হিসেবে তাই ইহাদের কে গ্রামগুলোতে পুনর্বাসন করা যায় কিনা ভাবিয়া দেখা যাইতে পারে।

শ্রমিক সংকট নিরসনে অভিবাসীদের কাজে লাগানো নতুন নহে। পশ্চিমা দেশে, আমেরিকায় অবৈধ বাসিন্দারা কম টাকায় কাজ করে ! ইহাতে বিবিধ লাভ ! সরকারগুলো ক্রেডিট লইতে পারে, দেখো আমরা মানবতার কত বড় অবতার ! তোমাদের নিরাপত্তা , খাদ্য দিতাছি (কাবিখা প্রজেক্টে কাজে লাগাইতেছি ) ! বিশ্বের কাছে মহৎ সাজা গেল ! সস্তা শ্রম পাওয়া গেল, একপ্রকার আধুনিক দাস পাওয়া গেল, শ্রমের ঘাটতি পূরণ হইলো ! ইহাদেরকে প্রান্তিক হিসেবেই রাখা হইবে, প্রয়োজন পড়িলে বহিস্কার করা হইবে, একসময় আত্মীকরণ হইলেও ইহাদের সংস্কৃতি, মায় ধর্ম পর্যন্ত পরিবর্তন হইয়া যাইবে আশা করা যায় ! !

রোহিঙ্গাদের আত্মীকরণে সংস্কৃতি , ধর্ম, ভাষা পরিবর্তন লাগিবে না। একসময় এদেশের হিন্দুরা মুক্তিযুদ্ধের আগে ও পরে মাইগ্রেশন করিয়া ইন্ডিয়াতে গিয়াছিল ! আত্মীকরণে তেমন সমস্যা হয় নাই। কারণ , ভাষা, ধর্ম , সংস্কৃতি এক ছিল , আত্মীয়তাও ছিল ! তাই রোহিঙ্গাদের আত্মীকরণে খুব একটা সমস্যা হইবে না। ইহাতে এই নির্যাতিত জনগোষ্ঠী খাইয়া -পড়িয়া বাঁচিয়া যাইবে, সরকারের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল হইবে। উপরন্তু, গ্রামের শ্রমিক সংকট অনেকখানিই নিরসন হইবে। এমনিতেও হয়তো বছর পাঁচেকের মধ্যেই আমাদের শ্রমিক আমদানি করিতে হইবে। সুতরাং ইহাদের কাজে লাগাইলে ক্ষতি নাই, বরং মানবতার বড় উপকার হয়, আমাদের রোহিঙ্গা ভাই-বোনেরা বাঁচিয়া যায় !

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:২৩

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: সুন্দর ভাবনা।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:২৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ ! প্রথম হওয়ায় অভিনন্দন। মনে হচ্ছে গঠনমূলক চিন্তার চেয়ে বার্নিং ইস্যুই ব্লগাররা বেশি খাইতেছে ! ব্লগ আর ফেবুর পার্থক্য কমিয়া যাইতেছে !

২| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: সামু - সাবু - ফেবু ;)

ভালো লেগেছে B-))

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ব্লগ আর ফেবুর মধ্যে পার্থক্য হওয়াই উচিত !!

৩| ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:০১

নতুন নকিব বলেছেন:



অপার্থিব ছবিগুলো বেশ উপভোগ্য। গ্রামের দৃশ্যগুলোও দারুন। চিরায়ত বাংলার অপরূপ চেহারা যেন।

আশা করছি, আল্লাহ পাকের রহমতে ভালো আছেন।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৩১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ ! অপার্থিব দৃশ্যগুলো এই দুনিয়ার মনে হয় না ! ভালোই আছি আলহামদুলিল্লাহ !

আপনি কেমন আছেন ? ব্লগে ঢুকতে পারি না সবসময় ! ভিপিএন দিয়ে ভালো লাগে না !

৪| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ ভোর ৫:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



আমাদের লোকেরা অন্যদের দাসত্ব করছে, সরকার কমিশন পাচ্ছে; সরকার হলো ইডিয়টদের মিলনমেলা।

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:১৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সেটাই ! দেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে কামলা রফতানির রমরমা ব্যবসা কেহ ছাড়িতে চায় না ! তবে ইহারা ইডিয়ট নহে , ধান্ধাবাজ অপরাধী ! ম্যাংগোপিপলের কি উপায় হইবে কে জানে ? তবে এই অভিবাসীদের কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ হইবে !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.