নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

জর্জ অরওয়েলের "Shooting an elephant", ভারতের হিটলারের পুনর্নির্বাচিত হওয়া(ধিক ভারত ধিক !!), গণতন্ত্রের অসারতা এবং উগ্র জাতীয়তাবাদী নেতাদের বিফদ !!

২৯ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:৫০

সেই কুটিকালে জর্জ অরওয়েলের shooting an elephant পড়িয়াছিলাম ! একজন বামাতী শিক্ষক পড়াইয়াছিলেন।তিনি রাজনীতিও করিতেন।৬০ মিনিটের ক্লাসে ৪০ মিনিটই গল্প করিতেন ,রাজনীতির কথা বলিতেন। মাগার , যেই বিশ মিনিট পড়াইতেন মুগ্ধ হইয়া শুনিতাম ! আমাদের তখন, কেবলই আবালের দপ্তর হইতে নাম কাটা গিয়াছে। দুনিয়া রঙিন ,বড়োই রহস্যময় ! তাই তাহার রাজনৈতিক গফসফ এমনই গিলিতাম যে চোখের পলক পরিত না ! বামাতীদের আর যাইহোক প্রতিভা আছে। তবে তাহা কাজে না লাগিয়া অকাজে লাগে এই যা ! তাহারা ইবলিসের মতন জ্ঞানী , ইহুদিদের মতন কৌশলী। মাগার দিনশেষে ফলাফলে জিরোই !


বলিতেছিলাম shooting an elephant এর কথা। জর্জ অরওয়েল আমার প্রিয় লেখকদের মধ্যে একজন।তাহার 'এনিম্যাল ফার্ম' তো অনবদ্য ! বামাতীদের প্রেরিত পুরুষ স্তালিনরে এক্কেরে ল্যাংটা বানাইয়া ছাড়িয়াছেন ! সে যাউকগা ! বামাতীরা এমনিতেই ল্যাংটা ! তা স্তালিনরে ল্যাংটা বানাইলে আর নতুন কি হইবে ! তাহার চেয়ে shooting an elephant এর কথাই বলি ! লেখক নিজের বয়ানেই গল্প বলিয়াছেন। তিনি বার্মায় আংরেজ পুলিশ অফিসার ছিলেন। যেখানে আংরেজদের প্রতি ম্যাংগোপিপলের এমন ঘৃণা ছিল যে আংরেজ যেন গুয়ের মাছি ! মাগার ম্যাংগোপিপলের হিম্মত ছিল ছাত্রদলের চাইতেও বেশি, এমনকি সুযোগ পাইলে আংরেজ মহিলাদের কাপড়েও পানের পিক ফেলিতে কসুর করিত না ! বৌদ্ধ সন্যাসীদের আচরণ ছিল সবচেয়ে খাইষ্টা ! তাহারা চোখ দিয়াই আংরেজরে পরাজিত করিতে চাহিতেন, বিদ্ধেষ সঞ্চারিত করিতেন ! এহেন হিম্মতওয়ালা বিদ্রোহী পরিবেষ্টিত হইয়া জর্জের দিন কাটে ! এমনি একদিনে খবর আসিল জংলী হাতির আগমন ঘটিয়াছে ! জর্জ তখনকার ক্ষ্যাপানি অস্ত্র উইনচেস্টার রাইফেল লইয়া রওয়ানা হইলেন যদিও উহা হাতিমারা বন্দুক নহে ! তবে নেটিভ পিপল তো ইহা জানে না ! পথিমধ্যে হাতির মানুষ মারার সংবাদ পাইয়া অরওয়েল হাতিমারা বন্দুক লইয়া আসিলেন ! কাগজে-কলমে তিনি নিজেকে পশুদরদী হিসেবে বিবেচিত করিয়াছেন, বাস্তবে কি ছিলেন তাহা জানিনা ! তবে নিজ লেখনীতেই বৌদ্ধ সন্যাসীদের ভুঁড়িতে বেয়োনেট চার্জ করাকে আংরেজ অফিসারদের প্রিয় কাজ বলিয়াছেন , আর বৌদ্ধ সন্যাসীদের প্রতি তাহার বিদ্বেষ চাপা থাকেনি ! তাহার লেখনীর এই অংশ নিন্দনীয় মনে হইলেও হালের বার্মার বৌদ্ধ সন্যাসীদের সন্ত্রাসীদের উস্কিয়ে দেওয়া, গণহত্যায় নেতৃত্ব দেওয়া দেখিয়া মনে হয় অরওয়েল খারাপ কিছু বলেন নাই, তাহারা ইহার প্রাপ্য ছিল !

সে যাই হউক, নেটিভ পিপলের মাঝে সাদা চামড়ার বিলাতি ইঁদুরের মতন আংরেজ ছিল দর্শনীয় বিষয় ! একইরকম ভাবে দেশীয় ঢাল-তলোয়ারের মাঝে হাতি মারা বন্ধুকও সার্কাসের মতন আকর্ষণীয় ! অরওয়েল বন্দুক লইয়া অগ্রসর হইতেই তাহার পিছনে ২০০০ মানুষ গভীর আগহে সঙ্গী হইলো ! অরওয়েলের নিজেকে ছেলিবিটি মনে হইয়াছিল কিনা জানিনা !! ২০০০ মানুষ তাহার দিকে তাকাইয়া আছে ! তাহারা তাহার বন্দুকের দর্শনী, কেরামতি, সাহেবের সাহেবসুলভ নৃশংস ভূমিকা দেখিতে চায় ! তাহাদের প্রত্যাশার চাপ তাহার উপরে পর্বতপ্রমাণ ! লেখকের নিজের ভাষায় যদিও তিনি হাতি-মারার বিপক্ষে কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতি, প্রত্যাশার চাপে তিনি হাতিটিকে হত্যা করিতে বাধ্য হইলেন, যদিও হাতির পাগলামি সারিয়া গিয়েছিলো এবং মাহুত আসিলে তাহারে সহজেই নিয়ন্ত্রণে লওয়া যাইতো। সাহেবকে সাহেবি আচরণ করিতে হয় ! এখন যদি তিনি হাতিটিকে হত্যা না করেন, নৃশংস না হন , তাহা হইলে লোকে তাহাকে কাপুরুষ বলিবে; নৃশংস, কঠোর, হারামি জাতি সমূহের লিস্টি হইতে আংরেজের নাম কাটা যাইবে ! তাই , লেখকের ভাষায়, হাতি হত্যার কাজ অনিচ্ছা সত্বেও করিতে হইয়াছে ! হাতি হত্যার পরবর্তীতে আংরেজ সমাজের বিতর্কও আংরেজ চেনার সহায়ক বটে ! প্রবীণ আংরেজ বলিতেছে , হাতি হত্যা ঠিকই হইয়াছে যেহেতু সে নরহত্যা করিয়াছিল ! নবীন আংরেজ পুরোদস্তুর বেনিয়া ! তাহার মতে, একজন কোরিংগি কুলি হত্যার অপরাধে একটা হাতির জীবন লওয়া ঠিক হয় নাই, কারণ হাতির মূল্য একজন নেটিভ কুলির চেয়ে বেশি ! ব্রাভো !!!

২. অরওয়েলের এই রচনা আমাকে খুব ভাবাইয়াছে একসময় ! শাসককে যতখানি স্বাধীন সত্বা বলিয়া মনে হয়, বাস্তবে তাহা নহে। অধিকাংশ সময় শাসককে জনমতকে মাপিয়াই চলিতে হয় ! এমনকি জনগনের প্রচ্ছন্ন ইচ্ছা, পছন্দ, চাওয়াও শাসকের সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখে। হাতি মারার ইচ্ছা না থাকিলেও জনগণের কাছে নিজের, নিজের জাতের ভাবমূর্তি , রোল সাইন ঠিক রাখিতে অরওয়েলকে হাতি হত্যা করিতে হয়। প্রবল শক্তিসম্পন্ন শাসকের পক্ষেও জনমতকে উপেক্ষা করা কঠিন। তাই শাসকগন, রাজনীতিবিদগণ সবসময় জনমতকে কাজে লাগাইতে চেষ্টা করেন, ছলে -বলে-কৌশলে নিজের পক্ষে আনার চেষ্টা করেন, প্রয়োজনে উগ্র জাতীয়তাবাদ, ধর্মীয় উন্মাদনা এমনকি যুদ্ধ বাধাইয়া হইলেও জনমতকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন ! গুজরাটের কসাই, ভারতের হিটলার নরাধম মোদির পুনর্নির্বাচিত হওয়া, আবাল জনগনের জনমতকে ধর্মীয় উন্মাদনা, পপুলওয়ামার যুদ্ধের মাধ্যমে ঘুরাইয়া নিজের পক্ষে আনিয়া নির্বাচিত হওয়া ইহারই প্রমান !

৩. গণতন্ত্র আমার পছন্দ নহে ! জাতিকে বিভক্ত করা সহ ইহার অনেক ত্রুটির মধ্যে একটি হইলো , জনগণ যদি অন্যায় কিছুও চাহে, শাসক তাহা মানিয়া লইতে বাধ্য ! বরং অন্যায়ের বিরোধিতা করিলে শাসকই পরিবর্তন হইয়া যায় ! আইনের ইতিহাসে বহু হাস্যকর, নৃশংস আইনের অস্তিত্ব পাওয়া যায় যাহা জনমতের চাপে প্রণীত হইয়াছিল ! ইনকুইজিশন, ডাইনি পোড়ানো, সতীদাহ প্রথা, গোরক্ষা আইন প্রভৃতির উদাহরণ দেওয়া যাইতে পারে ! হালের নিরাপত্তার অজুহাতে পশ্চিমা দেশে হিজাব/নেকাববিরোধী আইনও স্মরণ করা যাইতে পারে ! গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের আইনের কোন নির্দিষ্ট, ধরাবাধা, অলংঘ্যনীয় আইন নাই বিধায় জনমতের চাপে আইন/সংবিধান পরিবর্তন হইয়া যায় ! তাই দেখা যায় , আমাদের দেশেও সংবিধান বানরের রুটির মতন বিকৃত হইয়া যায় ইন্ডেমনিটির মতন অমানবিক আইন পাশে ! ভারতের মতন গান্ধীজির দেশে মানুষ মারিয়া গো রক্ষার মতন গো-শাবকদের আইন প্রয়োগে ! বাস্তবে গণতন্ত্রে জনগণ সর্ব ক্ষমতার মালিক নহে, জনমতকে নানাভাবেই বিভক্ত, বিচ্যুত, প্রভাবিত করা যায় , দাবাইয়া রাখা যায় , নির্বাচনকে প্রভাবিত করিয়া ক্ষমতা রক্ষা, ক্ষমতায় আরোহন , কুক্ষিগত করা যায় ! হিটলারের ক্ষমতায় আশা সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমেই হইয়াছিল ! গুজরাটের কসাই নরাধম মোদির নির্বাচিত হওয়াও তাই অসম্ভব কিছুই নহে ! হিটলারের যেমন অনেক গুন্ ছিল, অনেক ভালো কাজ সে করিয়াছিল , একটা জাতিকে সে টানিয়া তুলিয়াছিল, হয়তো মাদিও অসভ্য ভারত কে চাঙ্গে তুলিবে ! জ্ঞানে, বিজ্ঞানে, ব্যবসায় , অর্থে ,সামরিক শক্তিতে বলীয়ান করিবে, খোলা ময়দানে হাগা ভারতীয় জাতি হয়তো ভবিষ্যতে সোনার পালঙ্কে হাগিবে , তবে পুরো জাতির কসাই মনোভাব, নৃশংস সত্ত্বা পরিবর্তন হইবে না ! কারণ ইহাকেই ক্ষমতারোহন, রাজনীতির ঘুটি বানানো হইয়াছে ! যেমন হিটলারের জার্মান জাতি সবদিক দিয়া উন্নতির শিখরে উঠিলেও নৃশংসতায় চ্যাম্পিয়ন হইয়াছিল , পুরোপুরি মেথডিক্যাল পদ্ধতিতে গণহত্যা করিয়াছিল , নরাধম মাদিও হয়ত তাহাই করিবে ! এইসব আকাম-কুকামে হিটলারও জনগণের সমর্থন-সহযোগিতা পাইয়াছিল, মোদিও যে পাইবে তাহা নিঃসন্দেহে বলা যায় !

৪। তবে হিটলার তৈরী হইয়া গেলে হিটলারেরও হিটলারি না করিয়া উপায় থাকে না ! আপনি রাবনকে রামের ভূমিকা লইতে বলিতে পারেন না ! রাবনকে রাবনের ভূমিকাই পালন করিতে হইবে ! কসাইকে যদি কসাইগিরির দক্ষতার কারণে নির্বাচিত হইতে হয় , সে কসাইগিরি কোনকালেই ত্যাগ করিতে পারিবে না ! এমনকি ভালো হইতে চাহিলেও না ! জনমতের চাপে শাসককে অনেক সময়ই ক্ষতিকর সিদ্ধান্ত লইতে হয়, জনগনের চাহিদামতন ভূমিকা রাখিতে হয়, ন্যাক্কারজনক হইলেও ! জর্জ অরওয়েলের কথা ইহাই ! হিটলারকে হিটলার বানাইয়াছে জনগণই ! তাহার উগ্র জাতীয়তাবাদে হাওয়া দিয়াছে জনগণই ! জনগনের বিপুল মাত্রায় সমর্থন না থাকিলে এমন সর্বাত্মক যুদ্ধ, গণহত্যা সম্ভব নহে ! আজ যাহারা মোদিকে মোদী হইতে সমর্থন সহায়তা করিতেছে, মোদির ভূমিকা ঠিক করিয়া দিতেছে সেই আবাল ভারতের জনগণই মোদির বিপদ ডাকিয়া আনিবে !

৫. পুরো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকেই আমার কাছে যাত্রাপালার মতন লাগে !যেখানে শাসক হইলো নায়ক, বিরোধীদলগুলো হইলো ভিলেন, ক্ষমতা হইলো ইহার মঞ্চ, জনগণ হইলো দর্শক যাহাদেরকে মুগ্ধ করিতে হয় নচেৎ হাততালি,ভাত নাই !
শিক্ষিত, বিবেকবান বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায় হইলো বিবেক যাহারা অনুচ্চ, মিনমিনে স্মরে নায়ক কে, অভিনেতা/অভিনেত্রীদের কি করিতে হইবে, কি বলিতে হইবে তাহা বলিয়া দেয় ! উল্ল্যেখ্য যে, বিবেক দর্শকসারিতে বসে না, দর্শক বা জনগনের সাথে তাহার সম্পর্ক নেই ! বাস্তবে দর্শক বা জনগণের বিবেক, বুদ্ধিমত্তা, বিবেচনাবোধ নাই । তাহারা বিনোদন, উত্তেজনা পছন্দ করে, ইন্দ্রিয়সুখ, স্বার্থসিদ্ধিই ইহাদের লক্ষ্য, ইহাতেই তাহাদের তৃপ্তি। কোনকিছু তলাইয়া দেখা, এভালুয়েশন করার যোগ্যতা জনগনের নাই। একারণেই গণতন্ত্র ব্যার্থ , কারণ প্রার্থী , দল, নির্বাচনের যোগ্যতা বাস্তবে জনগনের নাই। এই যোগ্যতা তখনই হইবে যখন অন্তত সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ শিক্ষিত , বুদ্ধিমান, বিবেচনাবোধ সম্পন্ন হইবে। ইহাও সম্ভব নহে , কোনকালেই সম্ভব হয় নাই, হইবেও না !

৬. হিন্দুত্ববাদের ধোঁয়া , মুসলিম বিদ্বেষ , উগ্র জাতীয়তাবাদ ভারতে নতুন নহে ! ইহা বরং দেশভাগের আগে হইতেই চলিতেছে। সংঘ পরিবার, হিন্দু মহাসভা প্রভৃতির মাধ্যমে সংগঠিত হইয়া আজকের বিজেপি মহীরুহ হইয়াছে ! প্রথমদিকে গোখলে , বল্লভ , প্যাটেল জমি চাষ করিয়াছে , নেহেরু জমি তাহাদের কাছে বর্গা দিয়াছে। কালে কালে তাহারা শক্তি সঞ্চয় করিয়া নিজেরাই মালিক বনিয়াছে ! কংগ্রেসের সময় অজস্র দাঙ্গায় কংগ্রেসের সহায়তা তাহাদের হিন্দুত্ববাদ, মুসলিম বিদ্বেসের প্রমান রাখিয়াছে বারবার, উফরে তাহারা যাহাই বলুক ! সর্বশেষ বাবরি মসজিদ ভাঙার সময় নরসীমা রাও কানে তুলো দিয়া পুজোয় বসিয়াছিলেন ! আমাদের দেশের বিম্পির মধ্যে যেমন দুই গ্রূপ ছিল , একটা বিম্পি আরেকটা হইলো জামাত সমর্থিত বিম্পি , তেমনি ভারতের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও একদল হইলো হিন্দুত্ববাদ, মুসলিম বিদ্বেষী রাজনীতিবিদ আরেকদল সাধারণ রাজনীতিবিদ ! নেহেরু আদতে হিন্দুত্ববাদী ছিলেন, ছিলেন অনেকেই ! তাই জমি পাইতে হিন্দুত্ববাদীদের কষ্ট হয় নাই ! সময়মত তাহারা ক্যামোফ্লেজ সরাইয়া পর্দায় আসিয়াছে মাত্র ! সামনে বিজেপিতে যাওয়ার হিড়িক পড়িবে ! পর্দা সরাইতে সবাই উদগ্রীব হইবে !


৭. বস্তুতঃ যে হিন্দুত্ববাদ , মুসলিম বিদ্বেষের হাওয়া তৈরী করিয়া নরাধম মোদী পুনরায় ক্ষমতায় আসিল, ইহাই তাহার বিফদ ডাকিয়া আনিবে ! জনগণের মধ্যে যে প্রত্যাশা তৈরী হইয়াছে তাহা মাদীকে পুলওয়ামায় যুদ্ধ করিতে ঠেলিয়াছে ! উপমহাদেশের নিজ জনগনের ইয়ে মারিতে পারঙ্গম সশস্ত্রবাহিনীগুলো অন্য দেশের সাথে যুদ্ধ পছন্দ করে না, কারণ ঐখানে মরার চাঞ্চ আছে। ভারত-পাকিস্তানের সশস্ত্রবাহিনীগুলোও ব্যতিক্রম নহে ! কিন্তু যে মুসলিম বিদ্বেষের ধোঁয়া, জনগনের ইচ্ছা মোদিকে পাকিস্তান আক্রমনে ঠেলিয়াছে কাল তাহা চীন আক্রমনে ঠেলিতে পারে, পারে পাকিস্তানের সাথে পুরো মাত্রায় যুদ্ধ বাঁধাইতে ! আদতে মোদি এখন ভারতের হিটলার, হিটলারি না করিয়া তাহার উপায় নাই ! জনগনরে বিনুদুন দিতে, জনগণের ইন্দ্রিয়সুখ মেটাইতে, জনগনের হাততালি পাইতে হইলে হিটলারের এক্টিং তাহাকে চালাইয়া যাইতে হইবে ! ইহাই মোদির বিপদ, ইহাই ট্রাম্প , সিংপিং, পুতিন সকল উগ্র জাতীয়তাবাদী নেতাদের বিপদ ! তাহারা এমন এক দৈত্যকে জাগাইয়া ক্ষমতায় যাইতে , থাকিতে চাহিতেছে যাহা প্রকারন্তরে তাঁহাদেরকেই বিপদে ফেলিয়া গোটা বিশ্বে যুদ্ধ বাধাইয়া দিবে !

মন্তব্য ৫০ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৫০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৩

অরিন্দম চক্রবত্রী বলেছেন: :P

২৯ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: এতোক্ষণে অরিন্দম আসিলা হরষে !!

তা দাদা , খেয়ে এসেছেন না যেয়ে খাবেন ? :P

২| ২৯ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৪:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:

গণত্ন্ত্র যদি ঠিক না হয়, তা'হলে বাকী থাকছে সমাজতন্ত্ ও রাজতন্ত্র, কোনটা আপনার পছন্দনীয়?

মোদী মুসলিম বিরোধী প্রচারণায় নির্বাচিত হয়নি, সে নির্বাচিত হয়েছে, ভারতের রাজনীতিতে ধর্মীয়দের উপস্হিতি নিশ্চিত করতে; মুসলমানরা তাল মিলাতে না পারলে সমস্যা হবে।

২৯ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: গণত্ন্ত্র যদি ঠিক না হয়, তা'হলে বাকী থাকছে সমাজতন্ত্ ও রাজতন্ত্র, কোনটা আপনার পছন্দনীয়?

আমার পছন্দ ইসলাম! ইসলামে যে শাসন ব্যবস্থাকে আদর্শ বলা হইয়াছে তাহাই ! উহা সামন্ততন্ত্রও নহে ,সমাজতন্ত্রও নহে ! আপনার উহা বুঝে আসিবে বলিয়াও মনে হয় না,কারণ বুঝিতে ইচ্ছা নাই !

মোদী মুসলিম বিরোধী প্রচারণায় নির্বাচিত হয়নি, সে নির্বাচিত হয়েছে, ভারতের রাজনীতিতে ধর্মীয়দের উপস্হিতি নিশ্চিত করতে; মুসলমানরা তাল মিলাতে না পারলে সমস্যা হবে।

হিন্দুত্ববাদীরা নিজ ধর্মের গুনকীর্তন করিয়া ভোট বাগায় নাই। মুসলিম বিদ্বেষ, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধউন্মাদনা, গো-রক্ষা এসব করিয়া মুসলিম বিদ্বেষকে জাগাইয়া তুলিয়া ভোট বাগাইয়াছে ! আপনি একটু প্রথম আলোর সংবাদের মন্তব্যগুলো পড়ুন ! ভারতের পাঠকেরা এখন খোলাখুলিই বলিতেছে যাহা বলার ! আর প্রমানের দরকার নাই বোধহয় ! ভারতের রাজনীতিতে ধর্মীয়দের উপস্থিতি বরাবরই ছিল , এখন তাহারা মুখোশ খুলিতেছে এই আর কি !!

মুসলমানরা তাল মিলাইবে কেন ? তাহাদের ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার কি নাই ? নাকি ধর্মীয় স্বাধীনতা শুধু অন্য ধর্মের মানুষদের আছে ,মুসলমানের থাকিতে নাই ! শুধু মুসলমানকেই তাল মিলাইতে হইবে ? তাল মিলাইতে মিলাইতে , সাইড দিতে দিতে ওদিকে গাড়ি যে ব্রিজ পার হইয়া খালে যাইতেছে , মুসলমানের নিজস্ব ঈমান-আমল , দৃষ্টিভঙ্গি , চিন্তা-চেতনা ,মুসলমানের শিয়ার,পরিচয় হারাইতে বসিয়াছে ,আবার তাল মিলাইতে কন ?

৩| ২৯ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৪:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি নিজেই "ধর্ম নিরপেক্ষতা"র বিপক্ষে; মোদীও আপনার মতো "ধর্ম নিরপেক্ষতা"র বিপক্ষে; আপনার সাথে মোদীর মিল আছে।

২৯ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনি নিজেই "ধর্ম নিরপেক্ষতা"র বিপক্ষে; মোদীও আপনার মতো "ধর্ম নিরপেক্ষতা"র বিপক্ষে; আপনার সাথে মোদীর মিল আছে।

তাহা আছে ! তবে কিনা আমার ধর্ম ইসলাম কমপ্লিট কোড অফ লাইফ ! উহা দিয়া রাজ্য শাসন , সমাজ পরিচালনা হইতে শুরু করিয়া ব্যক্তি, পরিবার সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণ সাধন সম্ভব ! ইতিহাসে ইহার নজির ভুরি ভুরি ! ১২০০ বছর শাসকেরা ইসলামের আইন দিয়াই শাসন করিয়াছেন ,সফলতার সাথে , গৌরবের সাথে ! ইসলামের ইতিহাসে তাহার আইন কোন বিধর্মীর ক্ষতি করে নাই ! তাহা কি নরাধম মোদী দেখাইতে পারিতেছে, বা অন্য কোন ধর্ম?

ধর্মনিরপেক্ষতা আরএরশাদ কাহুর নীতির মধ্যে কি কোন পার্থক্য আছে ? ধর্মনিরপেক্ষতার মৃত্যুঘন্টা বাজিয়া গিয়াছে ! খোদ এঞ্জেলা মার্কেলের দলের নাম খ্রিষ্টান ডেমোক্রেটিক পার্টি ! সামনে ধর্মই আসিতেছে !

আচ্ছা , ভারতের নির্বাচনে বামেরা সব রাম হইয়া গেল কেমতে কনচেন দেহি ?

৪| ২৯ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৪:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


ভারতের মুসলমানরা ভারতে "ধর্ম নিরপেক্ষতা"র পক্ষে; বাংলাদেশের মুসলমানদের বড় অংশ "ধর্ম নিরপেক্ষতা"র বিপক্ষে; এখন বুঝেন ইসলামের অবস্হা কি!

২৯ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ভারতের মুসলমানরা ভারতে "ধর্ম নিরপেক্ষতা"র পক্ষে; বাংলাদেশের মুসলমানদের বড় অংশ "ধর্ম নিরপেক্ষতা"র বিপক্ষে; এখন বুঝেন ইসলামের অবস্হা কি!

জি , ইসলাম সর্বোত্তম এবং আল্লাহতায়ালার একমাত্র মনোনীত ধর্ম ।

ভারতে হিন্দুত্ববাদ ব্যর্থ , তাহা ইসলাম সহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়েছে এমনকি নিম্নবর্ণের সনাতনধর্মীদের অধিকারকেও ! তাই ওখানে মুসলিম সহ অন্যান্য সবাই এমনকি নিম্নবর্নেরাও ধর্মনিরপেক্ষতাই চাহে ! উহা ভালো হিসেবে নহে , বরং মন্দের ভালো হিসেবে ! মন্দ হিন্দুত্ববাদের চেয়ে উহা ভালো হিসেবে !

বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ব্যর্থ , ইহা খালি চোখেই দেখা যায় ! তাই সর্বোত্তম ইসলামকেই ব্যর্থ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের উপরে জনগণ পছন্দ করিয়াছে। আমি তো যৌক্তিকই মনে করিতেছি।

৫| ২৯ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৪২

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: প্রবন্ধখানা পড়িয়া তাহলে এই প্রবন্ধখানা লিখা হয়েছে। যাই হোক সময় পাইলে অরওয়েলের Animal Farm টা পড়িতে পারেন।

এত্তো সব তন্ত্র মন্ত্র দেইখ্যা বনের টারজান হইতে ইচ্ছা করে !

২৯ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: পড়া হইয়াছে ! উহা আমার প্রিয়ও বটে ! বামাতীগো এক্কেরে ল্যাংটা করিয়া দিয়েছে ! Shooting an Elephant আমার পাঠ্য ছিল। তাই কুটিকালেই পড়া হইয়াছে ! প্রাসঙ্গিক বলিয়া উল্লেখ করিয়াছি !

৬| ২৯ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৬

মা.হাসান বলেছেন: আপনি ব্লগের পাঁঠাদের বিচি নামানোর কাজ ছাড়িয়া দেয়ার পর আপনার ব্লগেই ব্যা ব্যা শুরু হইয়া গেল। চাকুতে ধার দেয়া শুরু করার অনুরোধ রইলো।
ক্যামোফ্লাজ নামাইয়া গেরুয়া শিবিরে অংশগ্রহণ অলরেডি শুরু হইয়া গিয়াছে।
'উপ মহাদেশের সশস্ত্রবাহিনী নিজ জনগনের ইয়ে মারিতে পারঙ্গম...' - যথার্থ বলিয়াছেন। পাকিস্তান বাংলাদেশে এই খেলা দেখাইয়াছে, বর্তমানে নিজ দেশের বিভিন্ন স্থানে দেখাইতেছে। ভারত বহু বছর ধরিয়া কাশ্মিরে দেখাইয়া আসিতেছে। শ্রীলংকা তামিলদের সাথে এই কাজ করিয়াছে। বাংলাদেশের কথা কহিলে জান আর থাকে না। সব দেশেই উগ্রপন্থিদের উত্থান ঘটিতেছে।

গনতন্ত্রের হাজার খারাপের মাঝে ভালো এই ছিল যে সরকার পরিবর্তন করা সম্ভব ছিল। হালে বাংলাদেশ গনতন্ত্রের যে মডেল তৈরি করিয়াছে এবং অন্যান্যরা যেভাবে এই মডেলে আগ্রহ দেখাইতেছে তাহাতে গনতন্ত্রের আবেদন নষ্ট হইয়া গিয়াছে। বাকি আপনার পরামর্শ মতো লাইলির অন্বেষন ব্যতিত উপায় নাই।

২৯ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনি ব্লগের পাঁঠাদের বিচি নামানোর কাজ ছাড়িয়া দেয়ার পর আপনার ব্লগেই ব্যা ব্যা শুরু হইয়া গেল। চাকুতে ধার দেয়া শুরু করার অনুরোধ রইলো।

মডুদের জ্বালায় অবসরে আছি ! পাঁঠাদের বিচি হাইড্রার মাথার মতন , একটা কাটিলে আরেকটা গজায় ! একা আর কয়টা কাটিব !

ক্যামোফ্লাজ নামাইয়া গেরুয়া শিবিরে অংশগ্রহণ অলরেডি শুরু হইয়া গিয়াছে।

ঠিকই , বামেরা সব রাম হইয়া গিয়াছে ! কি চমৎকার দেখা গেল !!! ভণ্ডামি আর পল্টিবাজির উৎকৃষ্ট উদাহরণ !!

'উপ মহাদেশের সশস্ত্রবাহিনী নিজ জনগনের ইয়ে মারিতে পারঙ্গম...' - যথার্থ বলিয়াছেন। পাকিস্তান বাংলাদেশে এই খেলা দেখাইয়াছে, বর্তমানে নিজ দেশের বিভিন্ন স্থানে দেখাইতেছে। ভারত বহু বছর ধরিয়া কাশ্মিরে দেখাইয়া আসিতেছে। শ্রীলংকা তামিলদের সাথে এই কাজ করিয়াছে। বাংলাদেশের কথা কহিলে জান আর থাকে না। সব দেশেই উগ্রপন্থিদের উত্থান ঘটিতেছে।

তৃতীয় বিশ্বের সশস্ত্রবাহিনীগুলোর কাজই হইলো নিজ দেশের বাসিন্দাদের ইয়ে মারা ! ইহাদেরকে পোষাই হয় এই কারণে ! বহিঃশক্তির সাথে লড়াই করিতে বলিলে ইহাদের লেজ দুই পায়ের ফাঁকের মধ্যে ঢুকিয়া যায় ! ইহারা এমনই বীরপুঙ্গব !

গনতন্ত্রের হাজার খারাপের মাঝে ভালো এই ছিল যে সরকার পরিবর্তন করা সম্ভব ছিল। হালে বাংলাদেশ গনতন্ত্রের যে মডেল তৈরি করিয়াছে এবং অন্যান্যরা যেভাবে এই মডেলে আগ্রহ দেখাইতেছে তাহাতে গনতন্ত্রের আবেদন নষ্ট হইয়া গিয়াছে। বাকি আপনার পরামর্শ মতো লাইলির অন্বেষন ব্যতিত উপায় নাই।

গণতন্ত্র ব্যর্থ ! উহার আর জীবিত হইবার সম্ভাবনা নাই ! জন্তূষ্টিবাদ, একনায়কতন্ত্রই ফিরিয়া আসিতেছে ! তাহাদের হাত ধরিয়া ধর্মই ফিরিয়া আসিতেছে !

আহা লাইলী ! মুসলমানের লাইলী আজ কোথায় ! আমাদেরকে মুলে ফিরিতে হইবে !

৭| ২৯ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৫:০৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, "লেখক বলেছেন: গণত্ন্ত্র যদি ঠিক না হয়, তা'হলে বাকী থাকছে সমাজতন্ত্ ও রাজতন্ত্র, কোনটা আপনার পছন্দনীয়?

আমার পছন্দ ইসলাম! ইসলামে যে শাসন ব্যবস্থাকে আদর্শ বলা হইয়াছে তাহাই ! উহা সামন্ততন্ত্রও নহে ,সমাজতন্ত্রও নহে ! আপনার উহা বুঝে আসিবে বলিয়াও মনে হয় না,কারণ বুঝিতে ইচ্ছা নাই ! "

-ইসলাম একটি ধর্ম; ইহা রাষ্ট্র চালনার জন্য বিশ্বের কোথায়ও গৃহিত হয়নি, আর হওয়ার সময় নেই; আধুনিক মানুষ শাসনতন্ত্র লিখছেন। মোদীর দল ধর্মীয়; কিন্তু ভারতের শাসনতন্ত্র গণতান্ত্রিক।

আপনি ইসলাম চাচ্ছেন, বিজেপি'র লোকেরা সুযোগ পেলে "রাম রাজ্য" চেয়ে বসবে; দেখছেন, আপনার সাথে বিজেপি'র সাথে কি ধরণের পুরোপুরি মিল! মোদীর বিপক্ষে কথা বলে, আপনি নিজের বিপক্ষে কথা বলছেন?

৩০ শে মে, ২০১৯ সকাল ১১:০০

টারজান০০০০৭ বলেছেন:

-ইসলাম একটি ধর্ম; ইহা রাষ্ট্র চালনার জন্য বিশ্বের কোথায়ও গৃহিত হয়নি, আর হওয়ার সময় নেই;

হ্যা , ইসলামই একমাত্র ধর্ম যাহাকে কমপ্লিট কোড অফ লাইফ বলা হইতেছে, যাহা রাষ্ট্র , সমাজ, পরিবার , ব্যক্তির, সমষ্টির পরিচালনার জন্য সবচেয়ে ভালো ব্যবস্থা যাহা অন্য কোন ধর্ম বা মতবাদে নাই !

মুসলিম রাষ্ট্রগুলিতে ১২০০ বছর ধইরা ইসলামই রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সফলতার সাথে গৃহীত হইয়াছে। আপনি কি ইতিহাস জাইন্যা কইতাছেন নাকি বুঝতাছি না !

আধুনিক মানুষ শাসনতন্ত্র লিখছেন।

আধুনিক মানুষের শাসনতন্ত্র তো বানরের রুটি, যাহার যখন যে আইন বানাইতে ইচ্ছা হইলো খাইয়া কমাইয়া ফেলে বা আটা দিয়া জোড়া দেয় ! উহা কাজীর গরু ছাড়া আর কিছু নহে যাহা কেতাবে থাকে , গোয়ালে থাকে না !

মোদীর দল ধর্মীয়; কিন্তু ভারতের শাসনতন্ত্র গণতান্ত্রিক।

ভারতের শাসনতন্ত্র গণতান্ত্রিক হইয়া কি লাভ হইছে , বাস্তবে ভারত হইলো হিন্দুত্ববাদী , মুসলিম বিদ্বেষী রাষ্ট্র। শাসনতন্ত্র গণতান্ত্রিক হওয়া আর সরকার হিন্দুত্ববাদী হওয়াতো একখানা সার্কাজম ! আপনি কি ইহাতেও মুগ্ধ ?

আপনি ইসলাম চাচ্ছেন, বিজেপি'র লোকেরা সুযোগ পেলে "রাম রাজ্য" চেয়ে বসবে; দেখছেন, আপনার সাথে বিজেপি'র সাথে কি ধরণের পুরোপুরি মিল! মোদীর বিপক্ষে কথা বলে, আপনি নিজের বিপক্ষে কথা বলছেন?

ইসলামের ইতিহাসে ইসলামিক রাষ্ট্রের সুগ্রন্থিত ইতিহাস আছে। আপনি নিজেও জানেন পলিটিকাল সাইন্সে ইসলামিক রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা বেশ গুরুত্বসহকারেই পড়ানো হয়। যাহার সফল দৃষ্টান্ত আছে , সুগ্রন্থিত ইতিহাস আছে, কল্যাণও আছে এমন জিনিস চাইতে দোষ কি !

রামরাজ্য মহাভারতের সময় ছিল যাহার সুনির্দিষ্ট ইতিহাসই নাই ! উহা দিয়া চাইলেও রাজ্য পরিচালনা সম্ভব নহে ! আপনি বরং চশমা পরিষ্কার করিয়া আমার পোস্ট আবার পড়ুন ! সুস্থ, স্বাভাবিক মানুষের পক্ষে কসাই মোদির বিপক্ষেই বলা উচিত , নাকি আপনার দ্বিমত আছে ?

৮| ২৯ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৫:১১

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, "মুসলমানরা তাল মিলাইবে কেন ? তাহাদের ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার কি নাই ? "

-এক ধর্ম অন্য ধর্মের স্বাধীনতা হরণ করে; "জিজিয়া কর"এর কথা মনে আছে?

৩০ শে মে, ২০১৯ সকাল ১১:২৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: -এক ধর্ম অন্য ধর্মের স্বাধীনতা হরণ করে; "জিজিয়া কর"এর কথা মনে আছে?

ইসলাম অন্য ধর্মালম্বীদের ধর্মীয় স্বাধীনতা কোনকালেই হরণ করে নাই , ইসলামের আইনেই কাহারও ধর্মীয় স্বাধীনতা হরণ নিষিদ্ধ !

জিজিয়া কর কি জিনিস সম্ভবত আপনার তাহা জানা নাই ! আমি যতটুকু জানি তাহা বলিতেছি। জিজিয়া হইলো নিরাপত্তা কর ! ইসলামী রাষ্ট্রের সকল সক্ষম পুরুষের সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দিয়া রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক ! এখনকার সশস্ত্রবাহিনীগুলোর মতন খাইয়া-দাইয়া শুধুই এক্সারসাইজ কইরা পশ্চাৎদেশে চর্বি জমানোর সুযোগ তখন ছিল না , তাহাদেরকে অনবরত যুদ্ধে যাইতে হইতো ! অমুসলিমদের জন্য ইহা বাধ্যতামূলক ছিল না , বরং তাহাদের নিরাপত্তার দায়িত্বও মুসলিম বাহিনীর উপরই ছিল ! তাহাদের নিরাপত্তা কর হিসেবেই জিজিয়া লওয়া হইতো। এমন ঘটনা ইতিহাসে লিপিবদ্ধ আছে যে নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নহে বিধায় জিজিয়া ফেরত দেওয়া হইয়াছে ! জিজিয়া কর সম্পর্কে উইকিতে পড়তে পারেন অথবা আল কাউসার পত্রিকায় প্রশ্নোত্তর পাতায় জিজ্ঞাসা করিতে পারেন !

৯| ২৯ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৫:১৪

অরিন্দম চক্রবত্রী বলেছেন: নির্বাচন আবার ৫ বছর পরে। :P :-P =p~

৩০ শে মে, ২০১৯ সকাল ১১:৩২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: জি , ঠিকই বলিয়াছেন দাদা ! গো- বৎসেরা আরও পাঁচ বছর খোঁয়াড়ের বাহিরে চড়িয়া বেড়ানোর সুযোগ পাইলো ! ভারত হইবে তাহাদের বৃহৎ চারণভূমি, পরিণতি সহজেই অনুমেয় !

পাঁচ বছর ঘুরিয়া বেড়ানোর সুযোগ পাওয়ায় আপনাকে অভিনন্দন !!! :P

১০| ২৯ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি লিখেছেন, "লেখক বলেছেন: আপনি নিজেই "ধর্ম নিরপেক্ষতা"র বিপক্ষে; মোদীও আপনার মতো "ধর্ম নিরপেক্ষতা"র বিপক্ষে; আপনার সাথে মোদীর মিল আছে।

তাহা আছে ! তবে কিনা আমার ধর্ম ইসলাম কমপ্লিট কোড অফ লাইফ ! উহা দিয়া রাজ্য শাসন , সমাজ পরিচালনা হইতে শুরু করিয়া ব্যক্তি, পরিবার সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণ সাধন সম্ভব ! ইতিহাসে ইহার নজির ভুরি ভুরি ! ১২০০ বছর শাসকেরা ইসলামের আইন দিয়াই শাসন করিয়াছেন ,সফলতার সাথে , গৌরবের সাথে ! ইসলামের ইতিহাসে তাহার আইন কোন বিধর্মীর ক্ষতি করে নাই ! তাহা কি নরাধম মোদী দেখাইতে পারিতেছে, বা অন্য কোন ধর্ম? "

_ইসলাম যদি সত্য হয়, জুডাইজম, খৃষ্টান ধর্ম, হিন্দু ধর্ম, সবই সত্য; জুডাইজমের সব মানুষই শিক্ষিত, খৃষ্টান ধর্মের লোকজন আজকের বিশ্বে সবাইকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন; হিন্দুরা কম পক্ষে মুসলমানদের চেয়ে এগিয়ে আছে।

৩০ শে মে, ২০১৯ সকাল ১১:৪৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: _ইসলাম যদি সত্য হয়, জুডাইজম, খৃষ্টান ধর্ম, হিন্দু ধর্ম, সবই সত্য; জুডাইজমের সব মানুষই শিক্ষিত, খৃষ্টান ধর্মের লোকজন আজকের বিশ্বে সবাইকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন; হিন্দুরা কম পক্ষে মুসলমানদের চেয়ে এগিয়ে আছে।

আপনার পছন্দ হউক বা না হউক ইসলাম আল্লাহ্পাকের একমাত্র মনোনীত ধর্ম। অন্য ধর্মালম্বীদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করিয়া আমি তাহাদের ধর্ম সম্পর্কে মন্তব্য করিতে চাহিনা !

জাতির উত্থান-পতন স্বাভাবিক। নিকট অতীতেও তাহার উদাহরণ পাইবেন ! সুতরাং কাহারা আউগাইয়া আছে ইহা দিয়া জাতি বিচার করা ভুল !

মুসলমান কেন পিছিয়ে আছে , অন্যরা বিশেষ করিয়া খ্রিষ্টানরা কেন আউগাইয়া আছে তাহা আমার পূর্বের পোস্টেও আমি বলিয়াছি ! আর মুসলমান কেন নেতৃত্বহারা ইহা লইয়া একখানা পোস্ট দিবো ভাবছি !

মুসলমানকে এগিয়ে যেতে হলে ধর্মের দিকেই ফিরিয়া যাইতে হইবে , মূলের দিকেই ফিরিয়া যাইতে হইবে !

আর শিক্ষার কথা বলিতেছেন ? প্রকৃত শিক্ষা আর শিক্ষিত কি জিনিস তাহা বলিতে গেলে পুরো একখানা পোস্টেও কুলাইবে না ! শুধু মাত্র ডিগ্রি অর্জন, জ্ঞান-বিজ্ঞানে উন্নতিকেই আমি শিক্ষা মনে করিনা ! আপনি মনে করিতেই পারেন !

১১| ২৯ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:

আপনি লিখেছেন, "তাহা আছে ! তবে কিনা আমার ধর্ম ইসলাম কমপ্লিট কোড অফ লাইফ ! উহা দিয়া রাজ্য শাসন , সমাজ পরিচালনা হইতে শুরু করিয়া ব্যক্তি, পরিবার সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণ সাধন সম্ভব ! ইতিহাসে ইহার নজির ভুরি ভুরি ! ১২০০ বছর শাসকেরা ইসলামের আইন দিয়াই শাসন করিয়াছেন ,সফলতার সাথে , গৌরবের সাথে ! ইসলামের ইতিহাসে তাহার আইন কোন বিধর্মীর ক্ষতি করে নাই ! তাহা কি নরাধম মোদী দেখাইতে পারিতেছে, বা অন্য কোন ধর্ম? "

-ইসলামের রাজতন্ত্র খলীফা আলী অবধি ছিলো; উহা যেই কোন রাজতন্ত্রের মতোও ছিলো; ইসলামিক রাজতন্ত্র কোনভাবে আলাদা ছিলো না।

-অটোম্যানদের ৮০০ রাজতন্ত্র ইসলামিক রাজতন্ত্র ছিলো না, উহা তার্কিদের শক্ত অস্ত্রের রাজতন্ত্র ছিলো; উহাসহ সকল রাজতন্ত্রের অবসান ঘটেছে; আপনাকে জেগে উঠতে হবে।

৩০ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১২:০৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: -ইসলামের রাজতন্ত্র খলীফা আলী অবধি ছিলো; উহা যেই কোন রাজতন্ত্রের মতোও ছিলো; ইসলামিক রাজতন্ত্র কোনভাবে আলাদা ছিলো না।

আপনি অন্যসব বিষয়ে জ্ঞানী মানুষ সন্দেহ নাই, তবে ইসলাম বিষয়ে দুগ্ধপোষ্য শিশু ! এতো বিষয়ে পড়াশোনা করেন, আর ইসলাম নিয়ে করেন না কেন ?
ইসলামের আদর্শ শাসনব্যবস্থার বাস্তব নমুনা খেলাফায়ে রাশেদার মধ্যেই ছিল ! ইহার পরে ত্রুটিপূর্ণ হইলেও আইন, বিচার ও শাসনব্যবস্থায় অধিকাংশ বিষয়েই ইসলামেরই অনুসরণ করা হইতো ! ইহা নির্ভর করিয়াছে শাসকের তাকওয়া , ঐসময়ের রাজন্যবর্গের আল্লাহ্ভক্তি , জনসাধারণের ধর্মীয় চেতনার উপরে। তাই বিভিন্ন সময়ে কমবেশি হইয়াছে !

-অটোম্যানদের ৮০০ রাজতন্ত্র ইসলামিক রাজতন্ত্র ছিলো না, উহা তার্কিদের শক্ত অস্ত্রের রাজতন্ত্র ছিলো; উহাসহ সকল রাজতন্ত্রের অবসান ঘটেছে; আপনাকে জেগে উঠতে হবে।

অটোমানদের ৮০০ বছরে পুরোপুরি ইসলামের আদর্শ শাসনব্যবস্থা অনুসরণ করা হয় নাই ঠিকই , তবে যতটুকু হইয়াছে উহার কল্যাণ , সুফল তাহারা পাইয়াছে। আজও যে রাষ্ট্র যতটুকু ইসলাম অনুসরণ করিবে ততটুকু কল্যাণ পাইবে !

আলহামদুলিল্লাহ , আমি জেগে আছি ! আপনাকে চশমা পাল্টাইতে হইবে। দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাইয়া গেলে ধূসর ঘাসও সবুজ মনে মনে হয় !

১২| ২৯ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১১

চাঁদগাজী বলেছেন:



-অটোম্যানদের ৮০০ বছরের রাজতন্ত্র ইসলামিক রাজতন্ত্র ছিলো না, উহা তুর্কিদের শক্ত অস্ত্রের রাজতন্ত্র ছিলো; উহাসহ সকল রাজতন্ত্রের অবসান ঘটেছে; আপনাকে জেগে উঠতে হবে। এখন কোন রাজতন্ত্র বা ধর্মীয় রাজতন্ত্র আর আসতে পারবে না; বেশীরভাগ মানুষ নবী/পয়গম্বরদের চেয়ে বেশী জানেন।

৩০ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১২:২৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: এখন কোন রাজতন্ত্র বা ধর্মীয় রাজতন্ত্র আর আসতে পারবে না;

রাজতন্ত্র আসিবে না সত্যি, তবে ধর্ম, ধর্মীয় রাষ্ট্র আসিবে যে ফর্মেই হউক ! রাজনৈতিক দল, গোষ্ঠীগুলোকে ধর্মের কাছে ফিরিতেই হইবে ! মনুষ্যসৃষ্ট সকল মতবাদ , তন্ত্রের উপরে মানুষের আস্থা উঠিয়া গিয়াছে , যাইতেছে , তাই মানুষ ধর্মের দিকেই ফিরিবে। রাজনীতিকদেরও না ফিরিয়া উপায় নাই !

বেশীরভাগ মানুষ নবী/পয়গম্বরদের চেয়ে বেশী জানেন।

আপনার কি মাথা খারাপ হইয়া গিয়াছে ? নবী/পয়গম্বর কি, কাহারা আপনার জানা আছে ? সারা দুনিয়ার মানুষ মিলিয়াও তো একজন নবীর সমকক্ষ হইতে পারিবে না ! নবীর সাথে , নবীর জ্ঞানের সাথে মানুষের জ্ঞানের তুলনাই হইতে পারে না সে যতই জ্ঞানী হউক, অসাধারন হউক ! নবী আল্লাহ কতৃক নির্বাচিত, তাহার জ্ঞান ঐশী জ্ঞান। কোন মানুষই , কোন কালেই কোন নবীর সমকক্ষ হইতে পারিবে না !

১৩| ২৯ শে মে, ২০১৯ রাত ৯:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার পোষ্ট টি খুব মন দিয়ে দুই বার পড়লাম। সাথে মন্তব্য গুলো।

৩০ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বিষয়টা গুরুতর তাই মন দিয়াই পড়িতে হইবে ! সকলে ইহা হজম করিতে পারিবে না ! একারণে ব্লগে আসি, ফেবুতে লিখিনা !

আমাদের এক বুজুর্গ বলিতেন, "মুসলিম জাতি কখনও অন্য জাতি দ্বারা পরাজিত হয়নি। বরং আমরা আমাদের নিজেদের লোকদের কাছেই পরাজিত হয়েছি।" মন্তব্যগুলো পড়িয়া কি মনে হয় ?

মনযোগ দিয়া পড়ার জন্য ধন্যবাদ !

১৪| ২৯ শে মে, ২০১৯ রাত ৯:২৮

বলেছেন: :D B-) :D

৩০ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: লতিফ ভাইজান , হাসেন ক্যান ? বেশি রম্য করিলে এই এক সমস্যা !! সিরিয়াস পোস্টেও সকলে হাসে !!! :D

১৫| ২৯ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:৪০

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: কথা হচ্ছে আপনার পোষ্ট পড়ে মনে হয়েছিলো, পোষ্ট অপেক্ষা বড় একটি কমেন্ট করবো। কিন্তু রোজা রাইখা কাহিল লাগে, তাই সর্টকাট মারি B-)

In the end I could not stand it any longer and went away. I heard later that it
took him half an hour to die. Burmans were arriving with dahs and baskets
even before I left, and I was told they had stripped his body almost to the
bones by the afternoon.

আপনি হয়তো একটা জিনিস খেয়াল করেন নাই। জনতা ঐ মরা হাতিটাকে চমৎকারভাবে সাবাড় করেছিলো। এই অংশটার শিক্ষা কি? গনতন্ত্রে মানুষ প্রচন্ড ব্যক্তিস্বার্থ খোঁজে। অনেক বার্মিজ হয়তো হাতিটার মাংস খাওয়ার লোভেই ঐ গেনজামে ছিলো।
অরওয়েল নিজের জবানীতে একজন সুষ্ঠু গনতান্ত্রিক শাসক হিসেবে চিন্তা করেছেন, কিন্তু ঐ ম্যাংগোপিপল (যারা আপনার সিস্টেমের মেইন স্টেক হোল্ডার) এর মনের কথা কিন্তু সঠিক বলা যায় না। এই কারনে রাইট উইং পপুলিজম হইলো এক টাইপের জুয়া। আপনি জানেন না, জনগন কহন কি করবো, তাই উল্টাপাল্টা একটা না একটা লাগাইয়াই রাখা লাগে।


আপনি নিশ্চয়ই "গাযওয়ায়ে হিন্দের" কথা শুনছেন। তা এগুলা না হলে, যুদ্ধ ক্যামনে হবে?

অরওয়েল নাম পড়ে ভাবছিলাম, ১৯৮৩ নিয়ে কিছু লিখবেন, কিছুই লিখেন নাই! যাহৌক লাইক +

৩০ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন:

আপনি হয়তো একটা জিনিস খেয়াল করেন নাই। জনতা ঐ মরা হাতিটাকে চমৎকারভাবে সাবাড় করেছিলো। এই অংশটার শিক্ষা কি? গনতন্ত্রে মানুষ প্রচন্ড ব্যক্তিস্বার্থ খোঁজে। অনেক বার্মিজ হয়তো হাতিটার মাংস খাওয়ার লোভেই ঐ গেনজামে ছিলো।

আমি খেয়াল করিয়াছি, বলিয়াছি জনগণ ইন্দ্রিয় সুখ খোঁজে, বিনুদুন খোঁজে !
আসলেই জনগণ স্বার্থবাদী, তাহাদের বিবেক নাই , তাহারা দূরদর্শী নহে !

অরওয়েল নিজের জবানীতে একজন সুষ্ঠু গনতান্ত্রিক শাসক হিসেবে চিন্তা করেছেন, কিন্তু ঐ ম্যাংগোপিপল (যারা আপনার সিস্টেমের মেইন স্টেক হোল্ডার) এর মনের কথা কিন্তু সঠিক বলা যায় না। এই কারনে রাইট উইং পপুলিজম হইলো এক টাইপের জুয়া। আপনি জানেন না, জনগন কহন কি করবো, তাই উল্টাপাল্টা একটা না একটা লাগাইয়াই রাখা লাগে।

জনগণ সর্বদাই আনপ্রেডিক্টবল ! ইসলামে তাই জনসাধারণের দ্বীনি শিক্ষার উপরে খুবই জোর দেওয়া হইয়াছে। তাহাদের মধ্যে দ্বীনি চেতনা না থাকিলে তাহাদের দৃষ্টিভঙ্গি ত্রুটিপূর্ণ হইবে, দ্বীনের স্বার্থ , রাষ্ট্রের , সমাজের কল্যাণের উপরে নিজের স্বার্থের প্রাধান্য দিবে ! বাস্তবে তাহাই হইতেছে !

আপনি নিশ্চয়ই "গাযওয়ায়ে হিন্দের" কথা শুনছেন। তা এগুলা না হলে, যুদ্ধ ক্যামনে হবে?

জি , ইহা লইয়া পোস্ট দিব ভেবেছিলাম ! যতটুকু মনে হয়, নরাধম মোদির নির্বাচিত হওয়া, ভারতে মুসলিম বিদ্বেষের ঢেউ গাজওয়ায়ে হিন্দের লক্ষণ। আল্লাহ আমাদের সকলকে হেফাজত করুন। আমিন !

অরওয়েল নাম পড়ে ভাবছিলাম, ১৯৮৩ নিয়ে কিছু লিখবেন, কিছুই লিখেন নাই! যাহৌক লাইক +

১৯৮৩ পড়ি নাই ! পড়িলে লিখিতাম হয়তো। আপনি লিখুন না !

১৬| ২৯ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:৫২

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: @চাঁদগাজী
জুডাইজমের সব মানুষই শিক্ষিত তার পরও ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর মতো একজন উগ্রলোক কিভাবে টানা পাঁচবার গদিতে বসে?
তাহলে এই শিক্ষার ফলাফলটা কি? তাহলে টেকনলজি দিয়ে বোম বানানোই সব?
ধন্যবাদ

৩০ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:০৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: দ্বীন ও দুনিয়াবী শিক্ষার পার্থক্য এইখানেই ! দুনিয়াবী শিক্ষা কাজে লাগিলেও উহার সাথে নৈতিকতার কোন সম্পর্ক নাই ! তাই শিক্ষিতদের কসাইগিরি , আকাম-কুকামে হামেশাই দেখা যায় ! একারণেই নেতানিয়াহু নির্বাচিত হয়, স্নাইপারের গুলিতে নিরীহ ফিলিস্তিনি নিহত হইলে ইজরায়েলি জনগণ নেচে-গেয়ে আনন্দ করে ! তাহারা এমনই সভ্য, এমনই শিক্ষিত জাতি !

একমাত্র দ্বীনি শিক্ষাতেই সত্যিকারের নৈতিকতার, মানবতার স্থান আছে।

কাহু আফনেরে নাবালক বলিয়াছেন !

১৭| ২৯ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:৫৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি লিখেছেন, "আচ্ছা , ভারতের নির্বাচনে বামেরা সব রাম হইয়া গেল কেমতে কনচেন দেহি ? "

-ইষ্ট ইউরোপের মানুষ, মার্ক্সের "ডাস ক্যাপিটেল"এর অর্থনীতি বুঝেছিলেন, এবং সেসব দেশের মানুষ অনেকটা মানবিক। ভারতের লোকদের পক্ষে এই অর্থনীতি বুঝা যেমন কঠিন, তেমনি তারা অমানবিক।

২ সপ্তাহ আগে, ভারতে একটি বিবাহে, নীচু বর্ণের একটা হিন্দু ছেলে চেয়ার বসে খেতেছিল; চেয়ারে বসার অপরাধে তাকে মেরে ফেলা হয়; সেখানে কি মানুষ মানবিক অর্থনীতিতে যাবে? আপনি যাবেন?

৩০ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:৩৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: তাহা হইলে বসনিয়া-হারজেগোভিনায় গণহত্যা কেমতে হইলো ?

যে অর্থনীতি এতটাই কঠিন যে ৭০ বছর বাম রাজনীতি করা, কয়েক দশক বাম অর্থনীতি , শাসন দেখা জনগণই বোঝে না, মানবিক হইতে পারে না উহা জনগনের জন্য নহে !

জাত-পাত কমন সেন্সেই জঘন্য ! এই বিংশ শতাব্দীতে এখনো ইহা টিকিয়া আছে বিধায় ভারত এখনো অসভ্য রাষ্ট্রের তালিকাতেই রহিয়া গেল !

আলহামদুলিল্লাহ আমরা তুলনামূলক ভালো আছি !

১৮| ২৯ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:৫৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন, " @চাঁদগাজী
জুডাইজমের সব মানুষই শিক্ষিত তার পরও ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর মতো একজন উগ্রলোক কিভাবে টানা পাঁচবার গদিতে বসে?
তাহলে এই শিক্ষার ফলাফলটা কি? তাহলে টেকনলজি দিয়ে বোম বানানোই সব? "

-আমি ব্যাখ্যা করতে পারবো, আপনি তা বুঝতে পারবেন না; ব্লগে আপনার লেখা ও কমেন্ট দেখছি! বছর দ'শেক পরে আমাকে আবার স্মরণ করায়ে দিয়েন।

৩০ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:৪০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনি ব্যাখ্যা করুন ! প্রান্ত নাবালক হইতে পারে, সাবালকেরা পড়িবে !

১৯| ৩০ শে মে, ২০১৯ সকাল ৯:৩৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ইসলামিতন্ত্র, খেলাফতি তন্ত্র বা তথাকথিত গ্লোবাল ইসলামী রাজতন্ত্র কখনো সফল তো দূরের কথা। গঠন হওয়ারও সম্ভাবনা নেই।
যে জিনিস ইসলামের শুরুতে পুরা মিডিলিষ্ট আয়ত্বে থাকার পরও সম্ভব হয়নি। মাহাজাব বিভক্তির কারণে।
সৌদি ইয়ামেন তুর্কি কুর্দি ইরান (পাকিদের কথা বাদ দিলাম এরা বেতনভুক আম্রিকান চর।)

এই ইসলামিরা কোনকালেই একমত হতে পারবে না। রসুলের আমলেই পারে নি।
মামুলি সুন্নিদের ভেতরেই তো মিল নেই (সৌদি কাতার)
এরা বাংগালীদেরও খাটি মোসলমান তো দুরের কথা,মানুষই মনে করে না।
এরা আবার ইসলামতন্ত্রের স্বপ্ন দেখে!
পাগলের সুখ মনে মনে!

৩০ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:৫৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ইসলামিতন্ত্র, খেলাফতি তন্ত্র বা তথাকথিত গ্লোবাল ইসলামী রাজতন্ত্র কখনো সফল তো দূরের কথা। গঠন হওয়ারও সম্ভাবনা নেই।

জি , প্রফেসি বলে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সম্ভাবনা নাই , বরং
পরিস্থিতি আপনার ধারণার চেয়েও খারাপ হইবে !

এই ইসলামিরা কোনকালেই একমত হতে পারবে না। রসুলের আমলেই পারে নি। মামুলি সুন্নিদের ভেতরেই তো মিল নেই (সৌদি কাতার)

মতপার্থক্য সব মতবাদে , সব ধর্মে আছে, ছিল , থাকিবে ! ইহা নতুন নহে, ক্ষতিকরও নহে যদি বাড়াবাড়ি না হয় ! ইসলাম বিরোধিতায় আপনার পুঁজি এই মতপার্থক্যই !

এরা আবার ইসলামতন্ত্রের স্বপ্ন দেখে!
পাগলের সুখ মনে মনে!


আপনি কি পোস্ট পড়িয়া মন্তব্য প্রসব করিলেন নাকি না পড়িয়াই ?
পোস্টে কোন ইসলামতন্ত্রের স্বপ্ন দেখা হয় নাই !

আল্লামা মাহমুদুল হাসান দা. বা. বলিয়াছেন, বিকৃত মস্তিস্ক সবচেয়ে বড় আজাব ! আল্লাহ আপনাকে সুস্থতা দান করুন , আমিন !

২০| ৩০ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১২:২১

নাসির ইয়ামান বলেছেন: আমার মনে হয়,গণতন্ত্র-রাজতন্ত্র‌-সমাজতন্ত্র বা সামন্ততন্ত্র কোনটাতেই মানবতার মুক্তি নাই।
মানবতার মুক্তি হলো একমাত্র ইসলামি শাসণ-ব্যবস্হায়_তবে সেটা সম্ভব হবে, "মানসতন্ত্র"জয় করা.।
কিংবা সত্য দিকনির্দেশনার মাধ্যমে মানুষের মানার প্রবণতা তৈয়ার করা!

৩০ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:৫৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ইহা শুধু আপনার মনে হয় না , ইহাত আল্লাহতায়ালারই কথা , ইসলাম ছাড়া মানবতার মুক্তি নাই !

সংখ্যাগরিষ্ঠ গনমানসে দ্বীনি চেতনা, তাকওয়া , নেকআমল, আখিরাতের বিশ্বাস, আল্লাহর ভয় না থাকিলে শুধুই শাসনব্যবস্থায় ইসলাম কায়েম করিলে উহা টেকসই, দীর্ঘস্থায়ী ফলপ্রসূ হয় না , কল্যাণ রাষ্ট্র হয় না !

২১| ৩০ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:২২

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: @চাঁদগাজী
১০ বছর আমি - আপনি জীবিত থাকলে, আপনাকে জিজ্ঞেস করবো, সমস্যা নাই। আপনারা আমেরিকা প্রবাসী "মার্ক্সবাদী" লোক, মহাজ্ঞানী মানুষ, আপনারা যা বলবেন সেটাই সই!
আর লেখা ও কমেন্ট প্রসঙ্গে যদি বলি, সব জায়গায় সবাইকে জ্ঞান দেয়া ঠিক না, তাই নিজের ক্ষুদ্র জানাশোনার যত সম্ভব কম প্রয়োগ করি।


@টারজান ০০৭, এই বার আমি ভোটার আইডি কার্ডের জন্য এপ্লাই করবো, সে হিসেবে আমি নাবালকই B-)

৩০ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:৩১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: উনি আসলে আপনার উবগারই করিতে চাহিয়াছেন ! সমাজতন্ত্রের যে গোলকধাঁধায় উনি ঘুরিয়া পথ হারাইয়াছেন সেখানে আপনাকে পাঠাইয়া আপনার ক্ষতি করা তাহার অভিপ্রায় নহে ! উনাকে আপনার ধন্যবাদই দেওয়া উচিত ! :D

ভোটার কার্ডতো দরকারি জিনিস দেখা যায় , আবালের দপ্তর হইতে নাম কাটা যায় না ইহা ছাড়া ! ভোট না দিলেও দেখি ভোটার হইতে হয় ! ;)

২২| ৩০ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৮

হাসান রাজু বলেছেন: "আমি ব্যাখ্যা করতে পারবো, আপনি তা বুঝতে পারবেন না; ব্লগে আপনার লেখা ও কমেন্ট দেখছি! বছর দ'শেক পরে আমাকে আবার স্মরণ করায়ে দিয়েন"
জনাব চাঁদগাজী সাহেব, আপনি যখন এমন মন্তব্য করেন তখন একটা কথা খুব সত্য মনে হয় । সেটা হল, আপনি যখন কোন বিষয়ে গভিরভাবে অনুসন্ধান করবেন তখন আপনি ঐ বিষয়ে পাণ্ডিত্য অর্জন করবেন। আর আপনি যখন একই বিষয়ে দরকারের চেয়ে বেশি চিন্তা করতে থাকবেন তখন সে বিষয়ে ধীরে ধীরে হয়ে উঠবেন কট্টর।
আসলেই মন্তব্যকারিকে অন্তত ১০ বছর অপেক্ষা করতে হতে পারে । কারন, কট্টরদের (যুক্তি!) শোনার পর । এটা কিভাবে যুক্তি হয় সেটা বুঝতে গেলেই মাথায় চক্কর দিবে।
মন্তব্যকারির মন্তব্য খুব সহজ। ইসলামের ইতিহাস ঘাঁটলে এমন অনেক ইতিহাস পাবেন যেখানে সম্পূর্ণ ইসলাম বিদ্বেষী রাজ্য/এলাকা জয় করে সেখানে উৎখাত বিতারনের পথে না গিয়ে সাম্য, মানবিকতা ও ভাতৃত্ব দিয়ে জয় করা হয়েছে ভিন্ন জাতি, ধর্ম, বর্ণের মানুষের মন। কিন্তু আপনার আদর্শ আমেরিকা, ইসরাইল এতো শিক্ষিত, মানবিক, সভ্যদের ইতিহাসে এমন উদাহরন একটাও কি আছে।? বরং সেই শিক্ষা দিয়ে বোমা বানানোর নারকীয় ইতিহাস আছে প্রচুর। আপনি বরং এখন উত্তর দিতে পারেন কেউ না কেউ ব্লগে এসে পড়বে যার ম্যাচুরিটি একটু বেশি। সে অন্তত বুঝোক।

০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ১২:১৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কাহু পেকে পাকা পক্ক হইয়া গিয়াছেন বিধায় তাহার মন্তব্য জিলাপির প্যাচের মতন হইয়া গিয়াছে ,কাঁচা আধাপাঁকারা সহজে বুঝিতে পারে না !

মন্তব্যকারির মন্তব্য খুব সহজ। ইসলামের ইতিহাস ঘাঁটলে এমন অনেক ইতিহাস পাবেন যেখানে সম্পূর্ণ ইসলাম বিদ্বেষী রাজ্য/এলাকা জয় করে সেখানে উৎখাত বিতারনের পথে না গিয়ে সাম্য, মানবিকতা ও ভাতৃত্ব দিয়ে জয় করা হয়েছে ভিন্ন জাতি, ধর্ম, বর্ণের মানুষের মন। কিন্তু আপনার আদর্শ আমেরিকা, ইসরাইল এতো শিক্ষিত, মানবিক, সভ্যদের ইতিহাসে এমন উদাহরন একটাও কি আছে।?


আপনি ভালো পয়েন্ট ধরিয়াছেন ! ইসলামের বিজিত অঞ্চলের ইতিহাস আর ইউরোপিয়ান তথা খ্রিস্টানদের বিজিত অঞ্চলের ইতিহাসের আসমান-জমিন ফারাক ! খ্রিস্টান বিজয়ী শক্তিগুলোর মধ্যে হারামি ইংরেজ হইলো সবচেয়ে ভালো ! তাইলে বাকিগুলোর কি অবস্থা সহজেই অনুমেয় !

আসলে দীর্ঘকাল পশ্চিমাদের মাইনকা চিপায় থাকিতে থাকিতে অনেকেরই স্বাভাবিক বিবেচনা বোধ বিকৃত হইয়া যায় ! পশ্চিমাদের ইয়ের গন্ধও তাহাদের শ্যানেল ৫ এর মতন সুগন্ধ লাগে ! মুসলমানের ন্যাচারাল ফ্লেভার তাহাদের সহ্য হয় না !

২৩| ৩০ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৯

অরিন্দম চক্রবত্রী বলেছেন: বড বড প্রবন্ধ না লিখে দেশের উন্নতি কর.।
আমাদের তোমাদের উপদেশের প্রয়জন নেই।আমরা যদি ভালো থাকি তোমার চুলকায় কেন?
নিজের দেশের শেখ হাসিনাকে উপদেশ দাও,কাজে দেবে।

০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ১২:৪৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বড বড প্রবন্ধ না লিখে দেশের উন্নতি কর.।
আমাদের তোমাদের উপদেশের প্রয়জন নেই।আমরা যদি ভালো থাকি তোমার চুলকায় কেন?



যেদেশে মানুষের চেয়ে গরুর মূল্য বেশি , গো-দুধের চেয়ে গো-মূত্রের মূল্য বেশি সেই ভারত লইয়া চিন্তা করা আসলেই শোভা পায় না ! চিন্তা করিতাম না যদি :

১. ভারত আমাদের প্রতিবেশী না হইতো ! প্রতিবেশীর ঘরে আগুন লাগিলে নিজের ঘরেও আগুন লাগার সম্ভাবনা থাকে, তাই সতর্ক থাকিতে হয় !
২. ভারতে আমাদের ৩০ কোটি মুসলমান ভাইয়েরা না থাকিত ! তাহাদের দুর্দশায় মন কাঁদে।
৩. ভারত প্রতিবেশীদের ইয়েতে তাহার নোংরা নাক না গলাইতো ! আশেপাশের সকল প্রতিবেশী রাষ্ট্রের আকাম কুকামে ভারতের বাম হাত প্রবিষ্ট ! মারা না খাইলে উহা থামে না !
৪. মুসলমানদের ইলমী মারকাজ দেওবন্দ ভারতে না হইতো !

নিজের দেশের শেখ হাসিনাকে উপদেশ দাও,কাজে দেবে।

আমাদের দেশের শাসক নির্বাচনের সুযোগ আমরা পাই নাই ! তারপরও আল্লাহ যাহাকে ক্ষমতা দিয়েছেন তিনি ছাগু সম্প্রদায়কে খোঁয়াড়ে ঢুকাইয়াছেন, পাঁঠা সম্প্রদায়ের গলায় দড়ি দিয়া খুটায় বাঁধিয়াছেন ! তাহাকে সুশাসনের , সন্ত্রাস দূরীকরণের, সুষম অর্থিনীত প্রণয়নের, বিরোধীপক্ষের প্রতি যথাযথ আচরণের পরামর্শ জ্ঞানীরা দিতেছেন !

আর ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ নেতা নির্বাচনের সুযোগ পাইয়াও গুজরাটের কসাই ,হিটলার, গো-বৎসরে নেতা বানাইয়া নিজেদের গরুর পাল প্রমান করিয়াছে ! তাই উফদেশ পাবার যোগ্যতা গো-বৎসদেরই বেশি !

২৪| ০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ১:৫৮

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: বিভিন্ন পোস্টে চাঁদগাজীর আচরণ ও মন্তব্য প্রায়ই জুতার তলায় আটকানো বিষ্ঠার মতো, বিরক্তিকর, সারবত্তাহীন কিন্তু সহজে ঝেড়ে যায় না। ভদ্রলোককে পোস্টে প্রশ্রয় দেবেন না, তিনি পোস্টের হিট বাড়ানোর রবোট।

০১ লা জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৫৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: উহু ! কাহুরে আমি বালা পাই !

উনি ব্লগের বিনুদুন, ফ্ল্যাগশিপ, টেনশন হেডেক ! :D

প্রব্লেম হইলো উনি ছোমাজতন্ত্র ছোকলাসহ খাইয়া ফেলিয়াছেন, তাই তাহার চিন্তা ওই গোলকধাঁধা হইতে বাহির হইতে পারে না ! ইহারই কারণে ধর্মেও তাহার অজ্ঞতা, চুলকানি আছে ! :(

২৫| ০১ লা জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: কিছু পোস্ট পড়লে অনেকক্ষণ ঝিম মেরে থাকতে হয়। রেশ সহজে কাটেনা। এটা সেরকম একটি পোস্ট।
মন্তব্যগুলি সহ পড়ে গেলাম।
জিজিয়া কর সম্পর্কে আমার ধারনা ছিল গাজী সাহেবের মত। এটা যে নিরাপত্তা কর ছিল তা জানা ছিল না।

০১ লা জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:০০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: লিটন ভাই , আপনার কমপ্লিমেন্ট কোথায় রাখি , আমার ঝুড়ি যে তলাবিহীন !!! :(

জিজিয়া সম্পর্কে আসলেই মানুষের মাঝে ভুল ধারণা আছে ! ক্রমাগত অপপ্রচারের কারণে ইহা তৈরী হইয়াছে। ইহাকে বিধর্মীদের প্রতি শাস্তি, জুলুম ,অবমাননাকর হিসেবে প্রচার করা হইয়াছে !

বাস্তবে তাহা নহে !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.