নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

মুক্তিযুদ্ধের শ্রেণীভিত্তিক পর্যালোচনা হইয়াছে কি ?

২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:২৩

চাঁদগাজী কাহুর "স্বাধীনতা কারা চেয়েছিলেন, কারা এনেছিলেন, কারা স্বাধীনতা বুঝে নিয়েছেন" পোস্ট টা পড়ে আগেও মন খারাপ হইয়াছে, এখনও হল ! মুক্তিযুদ্ধের বর্ণনা সেসময়কার মুক্তিযোদ্ধাদের, ম্যাংগোপিপলের মুখে শোনাই কষ্টকর , আর যাহারা প্রত্যক্ষ যোদ্ধা, ভুক্তভোগী তাহাদের অনুভূতি বর্ণনাতীত ! কাহুর পোস্ট হইতে জানা যাইতেছে প্রধানত দরিদ্র শ্রেণীই মুক্তিযুদ্ধ করিয়াছেন !

ইহাতে প্রশ্ন জাগিল, মুক্তিযুদ্ধের শ্রেণীভিত্তিক পর্যালোচনা হইয়াছে কি ? যে শিক্ষিত , মধ্যবিত্ত শ্রেণী স্বাধীনতাপূর্ব সকল আন্দোলনের সংগঠক ছিল, সামনের সারিতে ছিল , তাহারা মুক্তিযুদ্ধের সময়ে পেছনে চলিয়া গেল কেন ইহার বিশ্লেষণ হইয়াছে কি ?

আরেকটি বিষয় প্রণিধান যোগ্য ! সময় বদলে , সমাজ বদলে সমাজের নিচুতলার দরিদ্র শ্রেণীর লোকেদের ভূমিকাই প্রধান দেখা যাইতেছে ! মুক্তিযুদ্ধও ইহার ব্যতিক্রম নহে ! ইহাই সত্যি !

ইসলামের প্রথম দিককার বেশির ভাগ সাহাবী রা. ছিলেন দাস, দরিদ্র শ্রেণীর। ঈসা আ. এর সাহাবী হাওয়ারিরাও দরিদ্র শ্রেণীই ছিলেন ! মুসা আ. এর সাহাবীরাও দাস, দরিদ্র শ্রেণীরই ছিলেন !

আমার মনে হয়, সম্পদের স্বল্পতা, নিত্য অভাবের সাথে জীবন কাটানোর ফলে তাহারা সম্পদের মোহ হইতে মুক্ত থাকে বিধায় তাহাদের ঝুঁকি নেওয়া সহজ হইয়া যায় , যাহা মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তরা পারে না !

একই কারণে ফরাসি বিপ্লব, কমুনিস্ট বিপ্লব, চীনের বিপ্লবেও দরিদ্র শ্রেণীই মুখ্য ভূমিকা পালন করিয়াছে !

বাংলাদেশে অতীতের সমাজ পরিবর্তন, আন্দোলনগুলোতে সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং বর্তমানের আন্দোলন গুলোতে সাধারণ মানুষের অনীহাও কি দারিদ্র্য হইতে মুক্তিই হইবে ? মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্তের আধিক্যই হইবে ? সম্পদের আধিক্য, দারিদ্র্য হইতে মুক্তিই কি ঝুঁকি লওয়া হইতে ম্যাংগোপিপলকে বিরত রাখিতেছে ?

তাহা হইলে পরিবর্তন আনিবে কাহারা ?

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:০৪

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: কি মন্তব্য করবো বুঝে উঠতে পারছি না।

২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:০৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সত্যি , আমার মগজেও কোন উত্তর আসিতেছে না , খালি প্রশ্নই !! ধন্যবাদ !

২| ২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:১৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আপনি বিস্তারিত লিখে পোষ্ট দিন। আপনার জানা অজানা তথ্য সহযোগে একটি পোষ্ট যেখানে ব্লগের সবাই কিছু না কিছু জানতে পারবেন। আপনার কাছে বিশ্লেষনধর্মী ভারী ওজনদার পোষ্ট আশা করছি।

২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:২৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: দুঃখিত ! এধরণের বিস্তারিত বিশ্লেষণমূলক পোস্ট লেখার সামর্থ্য আমার নাই , কারণ ইহাতে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার প্রয়োজন আছে !

আমার মনে হয়, কাহু, আপনি সহ ওই সময়ের যাহারা আছেন তাহারা চেষ্টা করিতে পারেন ! নিজের মধ্যে আগ্রহ পাইলে সীমিত জ্ঞান লইয়াও লেখার চেষ্টা করিব। ধন্যবাদ !

৩| ২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৪

চাঁদগাজী বলেছেন:




শ্রেণী বিষয়ক আলোচনা হয়নি; কারণ, দরিদ্র শ্রেনীর মানুষেরা মুক্তিযুদ্ধ করে জাতিকে মুক্ত করেছিলেন, কিন্তু তাঁদের মাঝে কেহ এত কিছু লেখার মতো শিক্ষিত লেখক ছিলেন না; আসলে, এদের বেশীর ভাগই অশিক্ষিত কিংবা কম-শিক্ষিত ছিলেন; এবং তখন ব্লগ ছিলো না, লিখে আজকের মতো বই প্রকাশ করা মোটামুটি অসম্ভব ছিলো।

কৃষক্বের ছেলেরা, শ্রমিকেরা, ইপিআর যোয়ান, বেংগল রেজিমেন্টের যোয়ানেরা লেখক ছিলেন না।

শিক্ষিতরা, যারা যুদ্ধে যাননি তারাই মুক্তিযুদ্ধের উপর প্রথমেই লেখার শুরু করেছিলেন ও সবচয়ে বেশী লিখেছিলেন। আমার শিক্ষক মরহুম মমতাজ উদ্দিন সাহেব (নাট্যকার) যুদ্ধে যাননি; কিন্তু ১৯৭২ সালের জানুয়ারীতে উনার লেখা আমি দেখেছি; এবং সেখানে শহরের মধ্যবিত্ত পরিবারের এক শহীদকে নিয়ে লেখা হয়েছিলো।

২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমাদের সোসিওলজিস্টরা ইহা লইয়া গবেষণা করিয়াছেন কিনা আমার জানা নাই ! আমাদের বামপন্থীরা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন , রাজনীতি লইয়া অনেক লেখালেখি করিয়াছেন, ইতিহাসবিদগণ, রাজনীতিবিদগণ অনেক লিখিয়াছেন ! তাহারাও কি লিখিয়াছেন ? মুক্তিযুদ্ধের সময় লেখা সম্ভব হয়নি সঙ্গত কারণেই ! মুক্তিযোদ্ধারাও লেখেন নি , যাহার কারণ আপনিই বলিয়া দিলেন ! কিন্তু এতোদিনেও কি ইহার উপরে আলোকপাত করা হয় নাই ?

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মুক্তিযুদ্ধের উপরে পিএইসডির সংখ্যা নাকি সর্বসাকুল্যে ৫০ এর বেশি নহে। একটা জাতির এমন বর্ণিল , রক্তিম , ত্যাগের স্বাধীনতার ইতিহাস লইয়া এমন অকিঞ্চিৎকর গবেষণা কিভাবে সম্ভব ?

তবে মধ্যবিত্ত কেন পিছনে পড়িয়া গেল এই গবেষণা হইয়া জরুরি , কারণ আধুনিক সমাজে, অর্থনীতিতে তাঁহাদেরকেই ভিত বলা হইতেছে ! অথচ ইতিহাস বলিতেছে , সময় , সমাজ পরিবর্তনে দরিদ্রদের ভূমিকাই মুখ্য !

আপনার লেখা একটা নতুন চিন্তার দুয়ার খুলিয়াছে। ধন্যবাদ !

৪| ২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি বলছেন, আনুমানিক ৫০ জনের মতো পিএইচডি করেছেন; তা' মোটামুটি ভালো; এঁদের মাঝে যদি ৭১'এর জেনাারেশনের (১৯৭১ সালের বয়স কমপক্ষে ১৫/১৬ বছর), তাঁরা হয়তো কিছুটা লিখতে পারবেন।

২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:২৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সম্ভবত সংবাদপত্রে পড়িয়াছি ! ৭১ এর জেনারেশনের কেহ থাকিলেও থাকিতে পারে , জানা নাই ! মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মের ব্লগাররাও লিখিতে পারেন , কারণ এধরণের লেখা লিখিতে তাহাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা , উপলব্ধি প্রয়োজন হইবে !

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হইলো , ইহা যদি সত্য হয় , তাহা হইলে আমাদের সমাজ পরিবর্তন করিবে কাহারা ? কোন ধরণের বিপ্লব ঘটানোর যোগ্যতা কি আমরা হারিয়ে ফেলেছি ? তেলাপোকা হইয়াই কি আমাদের টিকিয়া থাকিতে হইবে ?

৫| ২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


সব দেশের মধ্যবিত্ত সমান নয়: আমেরিকা ও ইউরোপের মধ্যবিত্তরা চায়, বাকীরা তাদের মতো কিছুটা সুখের মুখ দেখুক; বাংগালী মধ্যবিত্তের সদস্যদের ১ম কাজ হলো, অন্য সপরিবারকে ঠেকায়ে দেয়া; মধ্যবিত্ত ও তাদের ছেলেরাই দেশের প্রশাসন চালায়।

২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কথা সত্যি ! আমাদের মধ্যবিত্ত সমাজ কাপুরুষ, স্বার্থপর ! কিন্তু মুক্তিযুদ্ধপূর্ব সকল আন্দোলনে তাহারা সংগঠকের ভূমিকা পালন করিয়াছে , যুদ্ধে তাহারা পিছনে রহিল কেন ? আধুনিক সমাজ , অর্থনীতিতে তাঁহাদেরকেই ভিত বলা হইতেছে ! তাহলে কি আমাদের ভিত অনেক আগে হইতেই দুর্বল ভাবে গাথা হইয়াছে ?

৬| ২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের বামদের নাম 'বাম' হয়েছে, কারণ তাদের ডান চোখ কানা। চট্টগ্রামের একটা শব্দ আছে, "বোম্বাইয়া হাজী": বৃটিশ আমলে, ভারতের বেশীরভাগ মানুষ হজ্বে যেতেন সমুদ্র পথে বোম্বাই থেকে; ভারতের সকল অন্চল হতে মানুষ আসতেন বোম্বাই, যিনি যেভাবে পারেন সেভাবেই বোম্বাই আসতেন; তারপর সেখান থেকে জাহাজ ধরতেন; অনেকেই শেষ জাহাজ মিস করে, বাড়ী ফিরে যেতেন; তাঁদের বলা হতো বোম্বাইয়া হাজী। আমাদের বামেরা মার্ক্সের "ডাস ক্যাপিটাল" মিস করে, ডান চোখ কানা বামে পরিণত হয়েছেন।

২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: হা হা হা ! বলেন কি কাহু !! আসলেই , উপমহাদেশের বামাতীগো কোন ক্লাস নাই ! ইহারা বাম সমাজেও কুবেরের মতন তফসিল শ্রেণীভুক্ত। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনেও ইহা দেখা গেল, বামেরা সব রাম হইয়া গেল !

মার্ক্সের ডাস ক্যাপিটাল অনেক দেশের বামাতিরাই মিস করিয়াছে। সমাজতন্ত্র মূল হইতে অনেকখানিই সরিয়া গিয়াছে !

৭| ২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " কথা সত্যি ! আমাদের মধ্যবিত্ত সমাজ কাপুরুষ, স্বার্থপর ! কিন্তু মুক্তিযুদ্ধপূর্ব সকল আন্দোলনে তাহারা সংগঠকের ভূমিকা পালন করিয়াছে , যুদ্ধে তাহারা পিছনে রহিল কেন ? "

-প্রথমত: যুদ্ধ সবার জন্য নয়, আবার বিনা পয়সায় ভলনটিয়ার যুদ্ধ, যেখানে মানুষের মৃত্যু হবে। মধ্যবিত্তরা হাজার কিছুতে যুক্ত, পরিবার, সম্পত্তি, ছেলেমেয়ের পড়ালেখা ইত্যাদি। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধও এর থেকে ব্যতিক্রম নয়, দরিদ্রদের হারানোর ভয় কম, তাদের কইছু ছিলো না; তাদের প্রাপ্তির আশাও বড়, হয় হবে, না হয় হবে না।

২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: নজরুলের কবিতা "হে দারিদ্র্য তুমি মোরে করিয়াছ মহান" তাহা হইলে আংশিক সত্য দেখা যায় !
আমাদের ধর্মেও ইহা বলা হইয়াছে , আমি তোমাদের দারিদ্র্য নিয়া ভয় করিনা , বরং প্রাচুর্য নিয়া ভয় করি !

প্রশ্ন হইলো, আমাদের দারিদ্র্য দূরীকরণে সাফল্য, মধ্যবিত্ত , উচ্চবিত্তের সংখ্যাবৃদ্ধিতে আমাদের সমাজ, সময় পরিবর্তন তথা বিপ্লব করিবেন কাহারা ?

৮| ২৪ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি বলেছেন, "প্রশ্ন হইলো, আমাদের দারিদ্র্য দূরীকরণে সাফল্য, মধ্যবিত্ত , উচ্চবিত্তের সংখ্যাবৃদ্ধিতে আমাদের সমাজ, সময় পরিবর্তন তথা বিপ্লব করিবেন কাহারা ? "

আমাদের সমাজে আরেকটা বিপ্লব হবে না স হজে; আমাদের মধ্যবিত্তরা দয়ামায়াহীন মানুষ, এরা নিজের মেয়েকে কলেজে পাঠাতে গিয়ে, গরীব প্রতিবেশীদের মেয়েকে চাকরাণী বানায়েছে, ঝি বানায়েছে; এদের থেকে ভালো কিছু আশা করা যায় না।

২৫ শে জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৪১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমারও তাই মনে হয় , খুব সহসা বিপ্লব হওয়ার সম্ভাবনা নাই ! কারণ বিপ্লব করার জন্য কোন শ্রেণী এখন আর আগ্রহী নহে।
আমাদের মধ্যবিত্ত স্বার্থপর সন্দেহ নাই ! তবে ইহারাই আধুনিক সমাজের , অর্থনীতির ভিত্তি ! শিল্প, সাহিত্য , শিক্ষা ক্ষেত্রে ইহারাই চালকের আসনে। সুতরাং ইহাদের ভূমিকা কম নহে। তবে ইহারা সমাজ পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে না ! উচ্চবিত্ত ব্যবসা , রাজনীতি লইয়া আছে ! ইহারাই ক্ষমতায় ! নিম্নবিত্ত অর্থ উপার্জনে , মধ্যবিত্ত হইবার পথে ব্যস্ত ! এক তরুণ প্রজন্ম, শিক্ষার্থীরা যদি কিছু পারে ! নইলে কোন আশা দেখিতেছি না !

৯| ২৪ শে জুন, ২০১৯ রাত ১১:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট এবং মন্তব্যে আমার নজর আছে।

২৫ শে জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৫৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: নজর হইতে একটু নজরে সানি দিলে ভালো হয় ! আপনার মতামত জানিতে ইচ্ছুক !

১০| ২৫ শে জুন, ২০১৯ রাত ৩:৩৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধ এরপর স্বাধীন বাংলাদেশ।
এতে মুক্তিযোদ্ধাদের রিয়েল যুদ্ধের অবদান বিশাল।

কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ের দির্ঘ ব্যাকগ্রাউন্ডের কথা ভুলে গেলে চলবে না। মুক্তিযুদ্ধ পক্ষের অনেল লড়াইএর সবচেয়ে বড় লড়াই ছিল ৬ দফা।
যেখানে শুধু স্বায়েত্তশাসন না পৃথক অর্থনীতি পৃথক কারেনসি সহ স্বায়েত্তশাসন চাওয়া হয়েছিল।
যেটা ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের একটা বড় ভিত্তি।
কিন্তু ভাষানী ভিন্নমত পোষন করে পৃথক হয়ে গেছিল। ভাষানি চেয়েছিল সরাসরি ওয়াইকুম সালাম বলে এখনি স্বাধিনতা।
ভাষানিদের কথা কর্নপাত করলে মুক্তিযুদ্ধ পক্ষ তামিল টাইগারদের মত বিলুপ্ত হতো।

২৫ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১০:০৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ের দির্ঘ ব্যাকগ্রাউন্ডের কথা ভুলে গেলে চলবে না।

সেটাই ! আমাদের শিক্ষিত , মধ্যবিত্ত শ্রেণী স্বাধীনতাপূর্ব প্রতিটি আন্দোলনের সংগঠক ছিল, সামনের সারিতে ছিল। অথচ মুক্তিযুদ্ধের সময় ইহারা পেছনের সারিতে চলিয়া গেল কেন ? এই কাপুরুষতার কারণ কি ? ইহা লইয়া গবেষণার প্রয়োজন আছে। আমাদের বর্তমান মধ্যবিত্ত যাহাদেরকে আধুনিক সমাজ ও অর্থনীতির ভিত বলা হইতেছে তাহাদেরও একই সমস্যা ! ইহারা সমাজ, রাজনীতি পরিবর্তনে কোন ভূমিকা রাখিতে পারে না। তাহলে কি আমাদের সমাজ বিনির্মানে বড় ধরণের ত্রুটি আছে ?

১১| ২৫ শে জুন, ২০১৯ ভোর ৪:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


@হাসান কালবৈশাখী,
আপনি বলেছেন , "কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ের দির্ঘ ব্যাকগ্রাউন্ডের কথা ভুলে গেলে চলবে না। মুক্তিযুদ্ধ পক্ষের অনেল লড়াইএর সবচেয়ে বড় লড়াই ছিল ৬ দফা। "

-৬ দফা আপনি তো দুরের কথা, শেখ সাহেবও বুঝতেন না। আওয়ামী লীগ ছিলো প্রতিবাদী বাংগালীদের দল, এরা রাজনীতি বুঝতে চায়নি কখনো।

২৫ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১০:১৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সেই সময়কার ম্যাংগোপিপল কতখানি রাজনীতি সচেতন ছিল, রাজনীতি বুঝিত , অর্থনীতি বুঝিত ইহা লইয়া আমারও সংশয় আছে !

রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী এবং ম্যাংগোপিপলের পার্সেপশনের বিরাট পার্থক্য ছিল ! তবে মানুষ শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সচেতন ছিল, দারিদ্র্য হইতে মুক্তি চাহিয়াছিল। বাঙালির চিরকালীন বিদ্রোহী মনোভাবও কাজ করিয়াছে বলিয়া মনে হয় !

১২| ২৫ শে জুন, ২০১৯ ভোর ৪:৩৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


পাকিস্তান সরকার ও বাংলাদেশে সরকারের মাঝে পার্থক্য হলো, বাংলাদেশে সরকারের লোকেরা ইংরেজী কম জানে, বাংলায় কথা বলে।

২৫ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১০:২১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বাংলায় কথা বলাটা সমস্যা নহে , তবে ইংরেজি কম জানাটা সমস্যা ! ইংরেজি এখন প্রয়োজন !

ধানের মধ্যে চিটা থাকিলে উহা ধান হিসেবেই বিক্রয় হয় , আর চিটার মধ্যে ধান থাকিলে উহা চিটা হিসেবে বিক্রয় হয় ! আমাদের আমলাতন্ত্র এখন চিটা হইয়া গিয়াছে ! উহাতে যে অল্প পরিমান ধান আছে উহারাও চিটা হিসেবে বিক্রয় হইতেছে !!

১৩| ২৫ শে জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৫০

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: শেষ কথাগুলোই গুরুত্বপূর্ণ। দারিদ্র হতে মুক্ত হওয়াতেই এখন আর আন্দোলন করছে না মধ্যবিত্তরা। দরিদ্ররাও হাল ছেড়ে দিয়েছে অপ্রাপ্তির বেদনায়। তা না হলে ৬ বছর ধরে জোর করে একটা দল ক্ষমতায়। খালেদা জিয়া ১ বছরের উপরে জেলে আছেন ছোট একটা মামলায়। এগুলো ২০ বছর আগেও কল্পনা করা যায়নি...

২৫ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১০:৪৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: শিক্ষিত মধ্যবিত্তরা প্রতিটি আন্দোলনে , সমাজ পরিবর্তনে সংগঠকের কাজ করিয়াছে ! অথচ যখনই সম্মুখ সমরের প্রয়োজন হইয়াছে দরিদ্ররাই সামনে গিয়াছে, রক্ত দিয়াছে ! মুক্তিযুদ্ধেও একই চিত্র দেখা গিয়াছে ! মধ্যবিত্তের এই কাপুরুষতার কারণ কি ? আমাদের সমাজ বিনির্মানে ত্রুটি আছে ?

সম্ভবত ৯০ এর পরেই মধ্যবিত্ত-- সমাজ পরিবর্তন , আন্দোলনে সংগঠকের কাজ ছাড়িয়া নিজের আখের গোছাইতে লাগিয়া গিয়াছে ! যাহার কারণে আন্দোলনগুলোর প্রকৃতিরও পরিবর্তন হয় ! মধ্যবিত্ত এখন আর সমাজ, রাজনীতি পরিবর্তনে ভূমিকা রাখিতে পারে না ! দরিদ্রদের আগ্রহ নাই !

শুধু খালেদা জিয়া কেন , যদি ক্ষমতার পালাবদলও হয় , সমাজ, রাজনীতি পরিবর্তনে ধান্ধাবাজেরা ছাড়া কেহ শামিল হইবে না ! সমাজের কোন শ্রেণীর বিপ্লব সাধনে আগ্রহ নাই !

১৪| ২৫ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১০:০০

চাঁদগাজী বলেছেন:


বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন, "খালেদা জিয়া ১ বছরের উপরে জেলে আছেন ছোট একটা মামলায়। এগুলো ২০ বছর আগেও কল্পনা করা যায়নি... "

-গণবিপ্লব করেন মানুষ; কোন মানুষটার জন্য বেগম জিয়া কি করেছেন যে, মানুষ উনাকে বের করে আনতে যাবেন?

২৫ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১১:০৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: শুধু উনি কেন, মানুষ এখন কাহাকেও বাহির করিতে যাইবে না ! বাহির করার আগ্রহ একমাত্র ধান্ধাবাজেরা ছাড়া আর কোন শ্রেণীর মধ্যে নাই ! এই বিমুখিতা কিসের সংকেত কে জানে !!

১৫| ২৫ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:১৮

রানার ব্লগ বলেছেন: দেখুন অর্থশালি উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা কখনই ঝামেলায় যেতে চায় না কারন তারা ভাবে এতে তাদের দুই রকম ক্ষতি এক অর্থ নাশ দুই সময় নাশ। এর দুটই তারা করতে চায় না তারা চায় সুখে শান্তিতে বসবাস করতে একটু গা বাচিয়ে সুন্দরের দিকে যেতে (এদের সুন্দর যে কিসে এটা নিয়েও ভাবার বিষয় আছে) আর দরিদ্র শ্রেনী এদের আসলে কোথাও যাওয়ার জায়গা নাই তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে এরাই মুল প্রতিহতের কাজ করেছে জীবন ও সন্মান বাঁচানর তাগিদে। নেতাদের বড় বড় বুলি এদের চোখে একে দিয়েছে স্বপ্ন এরা সেই স্বপ্নের পিছনে ছুটে গেছে। এটাই হল বাস্তবতা।

২৫ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনি সঠিক বলিয়াছেন ! পরিবর্তনের আসল নায়ক দরিদ্ররাই ! তবে মধ্যবিত্ত বরাবরই সংগঠক হিসেবে কাজ করিয়াছে ! অথচ সম্মুখ সমরে তাহাদের পাওয়া যায় নাই ! পাওয়া গিয়াছে দরিদ্রদের ! এই গা বাঁচিয়ে চলার মানসিকতার জন্যই কি তাহারা মুক্তিযুদ্ধেও পেছনে ছিল ?

মধ্যবিত্ত সমাজ ও অর্থনীতির ভিত। কিন্তু তাহারা বর্তমানে পরিবর্তনের নিয়ামক হইতে পারিতেছে না , দরিদ্রদের আগ্রহ নাই ! তাহা হইলে সমাজের , রাজনীতির পরিবর্তন কিভাবে হইবে , কাহারা করিবে ?

১৬| ২৫ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৬

রানার ব্লগ বলেছেন: ৭১ থেকে এখন ২০২০ এই অল্প সময় এই দেশে এত্ত বেশি সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন এসেছে যে জনগন এখন ক্লান্ত। তারা পরিবর্তন চায় কিন্তু এই রকম ত্বরিত পরিবর্তন তারা চায় না। এবং আমরা আমাদের খোলা চোখে দেখেছি এই সব পরিবর্তন আমাদের কোন কাজে লাগে নাই, সমাজের সুবিধালোভিদের কাজে লেগেছে। তাই আপাতত কোন পরিবর্তন না করেই যদি চলা যায় দেখি কি হয়। এরপর আমরা যে পরিবর্তন চাই তা সম্পুর্ন রুপে রাজাকার শ্রেনীমুক্ত চাপাবাজ ধান্দাবাজ মুনাফাবাজ মুক্ত। অপেক্ষায় আছি, ভাব্বেন না ঘুমিয়ে গেছি অপেক্ষায় আছি।

২৫ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:২৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ৭১ থেকে এখন ২০২০ এই অল্প সময় এই দেশে এত্ত বেশি সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন এসেছে যে জনগন এখন ক্লান্ত।
জনগণ শুধু ক্লান্ত নহে, তাহাদের আস্থার কোন জায়গা নাই ! কাহারও উফরে জনগণ আর বিশ্বাস স্থাপন করিতে পারে না ! তাই কাহারও পরিবর্তনের ডাকে সারা দিতে জনগনের অনীহা !

তারা পরিবর্তন চায় কিন্তু এই রকম ত্বরিত পরিবর্তন তারা চায় না।

আমার সন্দেহ আছে , ম্যাংগোপিপল পরিবর্তনও চাহে না ! পরিবর্তনের ফলাফল হতাশাজনক ! যেই লাউ সেই কদু হইলে পরিবর্তনের দরকার কি ?

এবং আমরা আমাদের খোলা চোখে দেখেছি এই সব পরিবর্তন আমাদের কোন কাজে লাগে নাই, সমাজের সুবিধালোভিদের কাজে লেগেছে।তাই আপাতত কোন পরিবর্তন না করেই যদি চলা যায় দেখি কি হয়।

অপেক্ষাই সার হইবে বোধহয় ! কোন আশা দেখছি না ! সমাজের কোন শ্রেণী বিপ্লব চাহে না , চাই সামাজিক হউক, রাজনৈতিক হউক !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.