নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

!!!!আজি হতে শতবর্ষ পরে !!!! (একটি (একটি টারজানীয় বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী!!!!)

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:১০

২০৩৫ সাল !
স্থান : অজ্ঞাত

আর্মি ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের উপপ্রধান রবীন্দ্র গোসাই মহা উৎকণ্ঠায় পায়চারি করছেন ! ফাঁকে ফাঁকে কাচঘেরা ঘরটায় উঁকি দিয়ে দেখছেন যেন লাশটা পালিয়ে না যায় ! জানা আছে , লাশ নয় , জ্যাতা , বরং জ্যাতার চাইতেও বেশি কিছু সেখানে শুয়ে আছে ! বহু সাধনার ধন ! উদ্বিগ্ন চোখে আবার তাকালেন গোসাই ! কোন নড়াচড়া নাই। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলশ্রী পালাকারের আজ আসার কথা। তারই অপেক্ষায় গোসাই উদ্বিগ্ন ! নিজে সামরিক বাহিনীর লোক হলেও পালাকারকে দেখলেই কেমন অস্বস্তি বোধ করেন গোসাই ! আরেকবার তাকালেন কাচমোড়া ঘরের দিকে ! পেছনে শব্দ শুনে গোঁসাইয়ের শরীরের লোম দাঁড়িয়ে গেল ! পালাকারকে দেখলে প্রথমে এমন অনুভুতিই হয় বলেই লোকটাকে ঠিক পছন্দ হয়না গোঁসাইয়ের। অথচ পালাকারকে কিংবদন্তি বললে কম বলা হয়। কাশ্মীরের স্বাধীনতাপন্থীদের দমনে তার বিরাট ভূমিকার কথা কে না জানে। গোটা কাশ্মীরে এখন আর স্বাধীনতার দাবি তেমন শোনা যায় না ! বলা চলে শক্তি প্রয়োগ ছাড়াই কাশ্মীরকে নিজের বগলের তলায় নিয়ে এসেছেন পালাকার ! অথচ এতো সহজ এক বুদ্ধি কিনা কারও মাথায় আসলো না ! পালাকার প্রথমে কাশ্মীরের সব ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি ধ্বংস করে দিলেন ! সেনাশাসনে প্রায় পঙ্গুই ছিল কাশ্মীরের ব্যবসা-বাণিজ্য ! কুলশ্রী গিয়ে প্রায় বন্ধই করে দিলেন। ফলে দুর্ভিক্ষ শুরু হইয়া গেল ! লোকজনের দিন কাটলো না খেয়ে ! বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকানো যায় না ! অভাবের তাড়নায় মেয়েরা পতিতাবৃত্তিতে নাম লেখালো ! পুরুষেরা বিক্ষোভ দেখালো বটে , তবে লিডারগুলোকে গুম করার পরে বাকিরা মরার জন্য দিন গোনা ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারলোনা ! পাকিস্তান কিছুকাল কুই কুই করে প্রতিবাদ জানালো বটে , বিশ্বদরবারে উহার কদর হইলো না ! মুসলমান মরলে কারও ক্ষতি নেই ! বরং ভারত চটলে ব্যবসার ক্ষতি ! তাই সকলেই উদ্বেগ প্রকাশ করিয়া খ্যান্ত হইয়া গেল ! প্রথম প্রথম রাজনীতিকরাও হৈচৈ শুরু করিয়াছিল ! এমনকি খোদ পিএম নাকি জেনারেল কুলশ্রীর উপর ভয়ানক চটিয়া গিয়েছিলেন ! কুলশ্রী কিছু না বলিয়া তাহার প্ল্যান শোনাইয়াছিলেন ! প্রথমে কেহ বিশ্বাস করে নাই , সমর্থনও করে নাই ! কুলশ্রী হিসাব করিয়া দেখাইয়াছিলেন বিদ্রোহ খতম হইলে যে টাকা বাঁচিবে তাহা দিয়া কি কি করা যাইবে ! জাতি হিসেবে কাশ্মীরিদের অস্তিত্বও বিপন্ন করা যাইবে !
তাহার পরে বিশ্ব অবাক হইয়া দেখিল মাত্র দুই বছরে কাশ্মীরে বিদ্রোহ নাই ! বিদ্রোহ করার মতন লোকই নাই , বিদ্রোহ কেমনে হবে ! তাহলে কি সব কাশ্মীরি মারা পড়ল? না ! কুলশ্রীর সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে কাশ্মীরবাসীর যখন প্রাণ যায় যায় অবস্থা ঠিক তখনই কুলশ্রী তাহাদের জন্য দেবদূত চেহারা লইয়া হাজির হইলেন ! এক বিকেলে তিনি কাশ্মীরের বয়োজৈষ্ঠদের লইয়া বৈঠক করিলেন ! কি ? না, তাহাদের ধ্বংস করার কোন পরিকল্পনা ভারতের নাই। ভারত কাশ্মীরে শান্তি চায় ! কাশ্মীরের অশান্তি, দুর্ভিক্ষ দূর করার জন্য তরুণদের কর্মসংস্থান হইবে ভারতের সর্বপ্রথম পদক্ষেপ ! লক্ষ লক্ষ কাশ্মীরি বেকার তরুণকে চাকুরী দেওয়া হইবে ! দুর্ভিক্ষের শিকার কাশ্মীরবাসীর আর কিছু বলার বা করার ছিল না !সরকারি / বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষভাবে কাশ্মীরি তরুণদের কর্মসংস্থানের অনুরোধ করা হইলো। লক্ষ লক্ষ কাশ্মীরি তরুণ তৃতীয়/চতুর্থ শ্রেণীর চাকুরী লইয়া ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে মাইগ্রেশন করিল ! কাশ্মীরের নেতারা গাইগুই করিল বটে , লোকে তাহাদের কথায় কান দিলো না ! তাহাদের প্রতি আস্থা অনেক আগেই শেষ হইয়া গিয়াছিল , এই মুহূর্তে কান দেওয়ারও উপায় নাই ! সমগ্র ভারতে বিশেষ বার্তা পাঠানো হইলো কাশ্মীরিদের যেন কোনরকম সমস্যা না হয় ! ব্যাস, কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠী ব্যাতিত সব ঠান্ডা ! সারা দুনিয়া বিস্ময়ে দেখিল কাশ্মীরের ঘটনা। পাকিদের আঙ্গুল চোষা ছাড়া আর কিছু করার রহিল না ! বরং আজাদ কাশ্মীরেও একই আওয়াজ উঠিল, ওখানের তরুণদের কর্মসংস্থান করিতেই তাহাদের নাভিশ্বাস উঠিল ! সারা বিশ্ব ভারত বন্দনায় মাতিল, তাহাদের পূর্বের আকাম-কুকাম আড়ালে চলিয়া গেল ! আকাবেরিনরা যদিও সন্দিহান ছিলেন , কিন্তু শান্তি প্রক্রিয়ায় সহযোগিতাও করিলেন ! ইহার ঠিক পাঁচ বছর পরে ভারতের উদ্দেশ্য বোঝা গেল ! ইহা ছিল বিরাট এক পরিকল্পনার অংশ ! নেহেরুর বৃহত্তর ভারতের পরিকল্পনা ভারতের নেতারা কখনও ভোলে নাই। বরং তিলে তিলে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সকল সরকারই অগ্রসর হইয়াছে ! এই পরিকল্পনায় কাশ্মীর ছিল একটা বড় বাধা ! বিপুল সেনা , খরচের কারণে ভারত অন্যদিকে মনযোগ দিতে পারছিলো না ! কুলশ্রী সেই হিসেবটাই দিয়াছিলেন ! কাশ্মীরি তরুণদের কর্মসংস্থানে যে খরচ হইবে, তাহাদের চাকুরী দিয়া বিভিন্ন রাজ্যে পাঠাইয়া দিলে সশস্ত্র বিদ্রোহ করার লোকই পাওয়া যাইবে না , বিদ্রোহও খতম হইবে, বৃহত্তর ভারতের পরিকল্পনার পথে বাঁধাও অপসারণ হইবে ! প্রথমে সকলেই সন্দিহান হইলেও কুলশ্রী যখন দুর্ভিক্ষ ও কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা পেশ করিলেন সকলেই অনুমোদন করিলেন, কারণ সফল হইলে বিরাট লাভ। তাই ঝুঁকি লওয়া চলে ! সেই কুলশ্রীর পাঁচ বছর পরের কান্ড বিশ্বকে আক্ষরিক অর্থেই থামাইয়া দিয়াছিল ! কি সেই কান্ড , না , তিনি বাংলাদেশ দখল করিতে চাহিয়াছিলেন ! পরিকল্পনার প্রথম অংশে বছরখানিক ধরেই সংখ্যালঘুদের প্রতি আক্রমন হইলো, হত্যা-নির্যাতন চলিল ! এমনকি ভারতের ব্যাপক ঘনিষ্ঠ সরকারও থামাইতে না পারিয়া দিশেহারা হইয়া গেল !বাস্তবে তাহারাও কুলশ্রীর পরিকল্পনা সম্পর্কে অন্ধকারে ছিল ! তারপর হঠাৎ একটা ব্যর্থ অভ্যুথান হইলো ! উহাতে সরকারের পতন হইলো বটে , তবে আর কোন সরকার গঠন হইলো না ! সরকার নিশ্চিহ্ন হইয়া গেল, লক্ষাধিক মানুষ স্রেফ জবাই হইয়া গেল। চেতনাধারীদের চেতনাও বিলুপ্ত হইয়া নতুন চেতনার উৎপত্তি হইলো , 'চাচা আপন প্রাণ বাঁচা।' পালের গোদাগুলো কেমনে জানি পগার পার হইয়া গেল , হিন্দি বা বাংলা কোন চুলই তাহারা হারাইল না ! সংখ্যালখুদের রক্ষার নামে ভারতীয় সৈন্য ঢুকিয়া পড়িল ! ভূখণ্ড দখলের সাথে সাথে চিকেন নেক লইয়া ভারতের দীর্ঘদিনের মাথাব্যথা দূর হইল। মানুষ আশ্চর্য হইয়া দেখিল কাল যাহাদের সাথে এক টেবিলে খাইয়াছে আজ তাহারা রাজাকার হইয়া গলায় ছুরি চালাইতেছে ! তবে ইহারা পাকি নহে ! ব্যাপক সংখক হত্যাকাণ্ডের পরে পরিস্থিতি ঠান্ডা হইলে দেখা গেল বাংলাদেশ ভারতের মাইনকা চিপায়! ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হইল, তবে চরিত্রগুলো পাল্টাইয়া গেল ! কতিপয় দালাল, মিডিয়ার সাহায্য লইয়া ভারত সরকারের গুনগান গাহিতে লাগিল ! নিহত, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্ত্রাসী তকমা দেওয়া হইল। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো জঙ্গিবাদের অপবাদে বন্ধ করিয়া দেওয়া হইল ! কতিপয় রাজাকার ঠিক আগের মতনই ভারতীয় সেনা ক্যাম্পে মুরগি সাপ্লাই দিতে লাগিল ! হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণ নিয়মিতভাবেই চলিতে লাগিল ! তবুও রেডিওটা টিভিটার সাথে সুর ধরিল........
সারে যাহা ছে আচ্ছা ! (চলবে )

Disclaimer : এই পোস্টের ঘটনা ও চরিত্রগুলো সম্পূর্ণ কাল্পনিক ! কাহারো সাথে বা কোন ঘটনার সাথে মিলিয়া গেলে কোনক্রমেই লেখক দায়ী হইবে না !

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৪২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আপনি কোথায়?

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: প্রথম হওয়ায় স্বাগতম ! আমিতো পৃথিবীতেই আছি ! কামলাগিরি, ক্যারিয়ার, সংসারের হ্যাপা সামলাইয়া ব্লগিংয়ের সময় পাই না ! তার উফরে সামুতে সবসময় ঢোকাও যায় না ! তাই দূরে আছি !

কিছুটা বিরক্তিও আছে !

২| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:১৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: স্পিড ড্রিংক খাইয়া রোহিঙ্গারে লাথি মাইরা রেংগুন ফালাইতে হইবো - এইটা এখন এক মাত্র কাজ। ব্যাক্তিগত সমস্যা সারাজীবন থকবে মৃত্যুই ব্যাক্তিগত সমস্যা সমাধানের একমাত্র মুক্তি। চলেন রোহিঙ্গা নিয়ে ফুটবল খেলি।
চিন্তা কম করেন, ক্যারিয়ারে চিন্তা হচ্ছে পিছুটান। আপনার জন্য ক্যারিয়ার নিয়ে পোষ্ট দিবো।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: মনে হইতাছে আফনে আমারে চাগাম দিতাছেন কাহু !!! হে হে হে !

রোহিঙ্গা লইয়া নেগেটিভ অনেক কিছুই আমিও হুনতাছি ! রাষ্ট্রীয় অধিকার হইতে দীর্ঘকাল বঞ্চিত একখানা জাতি শরণার্থী হইয়া এদেশে আসিয়াছে ! শরণার্থীরা চিরকালই দেশীয়দের কাছে চক্ষুশূল হয় ! ইতিহাস বলে জর্দান ফিলিস্তিনিদের তাড়াইয়া দিয়াছিল ! আমাদের দেশ হইতে যাহারা ওপার বাংলায় গিয়াছিল তাহাদের আজও বাঙাল বলিয়াই খেপানো হয় , আমাদের দেশে যাহারা আসিয়াছিল তাহাদের আমরা ঘটি বলি। শরণার্থীদের চাপে অর্থনীতি খারাপ হওয়ায় বিরাট বিজয় সত্বেও ইন্দিরা সরকারের পতন ঘটে !

যে দেশ ত্যাগে বাধ্য হয় , সেই বোঝে কষ্ট ! তাই শরণার্থী লইয়া মজাক পছন্দ নহে ! তবে নিতান্তই যদি তাহাদের ঠেলিয়া পাঠাইতে হয় , তাহা হইলে তাহাদের অস্ত্র-ট্রেনিং দিয়া ফেরত পাঠানো হউক। মরার আগে অন্তত মাইরা মরুক !

৩| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১২

মাহের ইসলাম বলেছেন: রোহিঙ্গাদের নিয়েও এমন একটা কাহিনি বানানো যায় না ?

৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৫৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: একটা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখারই চেষ্টা করিতেছি ! ভূমিকা হিসেবেই কাশ্মীর, ভারত আসিয়াছে ! বার্মা , চীনও আসিবে ! তবে সামান্যই ! ধন্যবাদ !

৪| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:


রোহিংগা নিয়ে এখনো নেগেটিভ কথা সকেহ বলেনি, সরকারও বলেনি; রোহিংগাদের সন্মেলন থেকে, ওদের ভুল ও বেকুবী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। আপনি আবার কোনটা ভুল, কোনটা সঠিক, সেটা কম বুঝেন।

বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আপনার ১ পয়সার ধারণা থাকলে, আপনি রোহিংগাদের হাতে অস্ত্র দেয়ার কথা বলতেন না। আপনার হাতে অস্ত্র দিলে, আপনি নিজেই মারা যাবেন।

৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:০৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: রোহিংগা নিয়ে এখনো নেগেটিভ কথা সকেহ বলেনি, সরকারও বলেনি; রোহিংগাদের সন্মেলন থেকে, ওদের ভুল ও বেকুবী মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। আপনি আবার কোনটা ভুল, কোনটা সঠিক, সেটা কম বুঝেন।

তাহা ঠিকই বলিয়াছেন ! আমার লিলিপুটিয়ান মগজে বেশি কিছু ধরে না, তারউফরে বনে জঙ্গলে থাকি ! তবে রোহিঙ্গাদের লইয়া নেগেটিভ কিছু বলা হইতেছে না ইহা ভুল ! আপনি বুঝি ব্লগের বাহিরে সংবাদপত্র , অন্য সোশ্যাল সাইটগুলোতে ঢুঁ মারেন না , তাই খবর নাই !

বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আপনার ১ পয়সার ধারণা থাকলে, আপনি রোহিংগাদের হাতে অস্ত্র দেয়ার কথা বলতেন না। আপনার হাতে অস্ত্র দিলে, আপনি নিজেই মারা যাবেন।

মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে আমার বাস্তব ধারণা নাই ইহা নিজ্যস সত্যি ! তাই বলিয়া বাস্তব ধারণা না থাকিলে কোন বিষয় সম্পর্কে জানা যাইবে না এমন নহে ! যদিও সেই জানা বাস্তব হইতে বিস্তর ফারাক হইবে !
ট্রেনিং ছাড়া আমার হাতে অস্ত্র দিলে মারা যাইবার সম্ভাবনাই বেশি সন্দেহ নাই ! তাই রোহিঙ্গাদের ট্রেনিং দিয়াই অস্ত্র দিতে বলিয়াছি। নিজেদের প্রতি জুলুমের প্রতিকার তাহারা নিজেরাই করুক , যেহেতু আমরা করিতে পারিব না !

৫| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি হয়তো 'ফেইসবুক ফিল্ড-মার্শাল' সেইজন্য রোহিংগাদের হাতে অস্ত্র দিতে বলছেন; ফাকড-আপ রাজাকার নিজামী সেই কাজ করেছিল, আরসা'কে অস্ত্র দিয়েছিলো; সেটার ফলাফল, ১৪ লাখ রোহিংগা বিতাড়িত।

৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনি হয়তো 'ফেইসবুক ফিল্ড-মার্শাল' সেইজন্য রোহিংগাদের হাতে অস্ত্র দিতে বলছেন; ফাকড-আপ রাজাকার নিজামী সেই কাজ করেছিল, আরসা'কে অস্ত্র দিয়েছিলো; সেটার ফলাফল, ১৪ লাখ রোহিংগা বিতাড়িত।

ব্লগারদের ফেসবুক আইডি আছে বটে , তবে তাহারা ম্যাংগো পিপলের মতন স্রোতে গা ভাসাইয়া দেন না ! সামান্য আরসা এতো বড় ঘটনা ঘটনা ঘটাইয়াছে ইহা বিশ্বাসযোগ্য নহে। ইহার পরিকল্পনা বহু আগের এমনটাই পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ হইয়াছে ! ধর্মে আপনার জ্ঞান হাঁটুতে তাহা মানিতে কষ্ট হইলেও জিওপলিটিক্সেও এমন কিঞ্চিৎ জ্ঞান আশা করা যায় না !

৬| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: ওরে বাবারে বাবা-----

৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:১৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমার লেখা কাহারও পিতৃদেবকে স্মরণ করাইয়া দিতেছে ইহাতো বিরাট কমপ্লিমেন্ট ! হে হে হে !

৭| ৩০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৩৮

গেছো দাদা বলেছেন: লেখকের এত ভারত বিদ্বেষ বা সঠিকভাবে বললে হিন্দু বিদ্বেষ দেখে আমি শঙ্কিত।এই মানষিকতা বাঙ্গালীকে ভয়ানক অধঃপতনের দিকে নিয়ে যাবেই। আমরা কি ভালবাসার শক্তির উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলছি ??

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:১৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ভারত বিরোধিতা এবং হিন্দু বিদ্বেষ তো এক নহে ; ভারত ও হিন্দুও সমার্থক নহে !

জ্ঞানতো আমার কোন পোস্টে বা মন্তব্যে আমি হিন্দু বা অন্য কোন ধর্ম বিদ্বেষী কিছু কখনো লিখিয়াছি এমন প্রমান দেখাইতে পারিবেন কি ? জানি পারিবেন না ! এমন গুরুতর অভিযোগ করার আগে প্রমান উপস্থাপন করা উচিত ছিল।

ভারত বিরোধিতা তো নতুন নহে। এমনকি স্বাধীনতার পর হইতেই শুরু হইয়াছে , আর ভারতের ইহা প্রাপ্যও বটে। উপমহাদেশের অধিকাংশ রাষ্ট্রে আকাম-কুকামের পিছনে ভারতের বাম হাত প্রবিষ্ট ! আমাদের দেশে সীমান্ত হত্যা , রাজনীতিতে অবৈধ হস্তক্ষেপ , বাণিজ্য উপনিবেশ বানানোর চক্রান্ত, নিজ দেশে মুসলমানদের উপর সীমাহীন অত্যাচার , বঞ্চিতকরণ ইহা ভারতকে ঘৃণা করার বহু কারণের মধ্যে সামান্য নমুনা ! ইহাতো হিন্দু বিদ্বেষ নহে। একটা রাষ্ট্রের হারামীপনার বিরোধিতা ! আমি বহু মুক্তিযোদ্ধা, ঘোর আওয়ামীলীগারকে ভারত বিদ্বেষী পাইয়াছি ! ঠান্ডা মাথায় একটু কারণগুলো খুজুন !




আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.