নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

এনআরসি বাংলাদেশেও চাই !!! দৈত্ব নাগরিকত্বের বিলোপ চাই !!!

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:১৭


১.সাম্প্রতিক সময়ে উপমহাদেশে , বিষয়ে করিয়া ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশে এনআরসি হট টপিকস, টক অফ দা টাউন, বার্নিং ইস্যু ! এনআরসি বাস্তবে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির কার্ড হইলেও উহার উপরিতলে বিজেপি সরকারের, আসাম সরকারের যুক্তি লক্ষণীয় ! তাহাদের যুক্তি হইলো অবৈধ বাংলাদেশিরা তাহাদের নরকে গিয়া তাহাদের ভাত মারিতেছে ! অর্থাৎ চাকুরী-বাকুরী , ব্যবসা , সম্পদ বাগাইয়া লইয়াছে , তাহাদের ভাগে কম পড়িয়া যাইতেছে বিধায় তাহারা এনআরসি চাহে !! এনআরসির মেইন টার্গেট বাংলাদেশ ! আসামে এনআরসি করিয়া বাঙালি মুসলমানদের রাষ্ট্রহীন করিয়া তাহাদের বাংলাদেশে ঠেলিয়া দেওয়ার একখানা পরোক্ষ হুমকি তৈয়ার করাই ছিল বিজেপি সরকারের উদ্দেশ্য ! এনআরসি নিজেই বিজেপি ও আসাম সরকারের ইয়ে মারিয়া দিয়াছে ! ইতোমধ্যে আসাম বিজেপি নিজেই এনআরসি বাতিল চাহিয়াছে। কারণ নাগরিকত্ব সনদবিহীনদের মধ্যে সনাতনধর্মী বাংলাভাষীদের সংখ্যাই বেশি যাহারা কার্যত বিজেপির ভোট ব্যাংক ! অন্যের জন্য খোড়া গর্তে বিজেপি এখন নিজেই ধরা ! বাংলাদেশের দিকে তাক করিয়া ছোড়া অস্ত্র এখন তাহাদেরই পশ্চাৎদেশ খুঁড়িতেছে !! সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের মন্ত্রী টিপু মুন্সী আর উপদেষ্টা গওহর সাহেব আসামে গিয়া বিজেপিরে ধুইয়া দিয়াছেন দেখিয়া আমুদ পাইলাম !

২. এনআরসির আরেক টার্গেট পশ্চিমবঙ্গ ! এনআরসির টার্গেট যেহেতু কথিত বাংলাদেশী, তাই রাজ্যে রাজ্যে বাংলাভাষী মুসলমানদের সাথে সনাতনধর্মীরাও হুমকির সম্মুখীন হইতেছে ! কর্নাটক, বেঙ্গালুরু ইহার উদাহরণ। অন্যান্য রাজ্যও বাদ যাইবে না ! পশ্চিমবঙ্গে যেহেতু অবিজেপি সরকার ক্ষমতায় তাই মমতার সরকারকে চাপে ফেলিতে বাংলাভাষীদের উপর এনআরসি চলিতেছে ! টার্গেট মুসলমান হইলেও সনাতনধর্মীরাও ভুগিতেছে ! পশ্চিমবঙ্গেও ইহা বুমেরাং হইবে বলিয়াই বিশ্বাস!

৩. এনআরসির বাস্তব কারণ রাজনীতি হইলেও বিদেশিদের দেশের কর্মসংস্থানে ভাগ বসানো , সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার বিষয় চমকপ্রদ বটে ! ইহার কথা বলিয়াই বিজেপি সরকার এনআরসির পালে হাওয়া দিতেছে ! এই যুক্তি যদি ভারতের ক্ষেত্রে মানিয়া লইতে হয় তাহা হইলে বাংলাদেশেও এনআরসির দাবি তোলা উচিত। কারণ একই সমস্যা বাংলাদেশেও আছে ! প্রশ্ন হইলো বাংলাদেশে এনআরসি হইলে কি সুবিধা হইবে ?

৪. সংবাদপত্রে প্রকাশ , বাংলাদেশ ১৫ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স আয় করে ! পক্ষান্তরে ৫ বিলিয়ন ডলার অবৈধ বিদেশিরা বাংলাদেশ হইতে লইয়া যায়। ইহারা কোনপ্রকার ট্যাক্স না দিয়াই দেশে কাজ করিতেছে ! বিআইডিএসের গবেষণা অনুযায়ী বাংলাদেশের শিক্ষিতদের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশেরও অধিক বেকার। এনআরসি হইলে অবৈধ বিদেশী চিহ্নিত করিয়া তাহাদের বিতাড়ন করা গেলে আমাদের বেকার সমস্যা কিছুটা হইলেও লাঘব হইবে। ৫ বিলিয়ন ডলার দেশেই রাখা যাইবে। যদি বিদেশী কর্মীর একান্তই প্রয়োজন হয় তাহারা বৈধ কাগজপত্রে কাজ করিলে তাহাদের হইতে সরকার যথাযথ ট্যাক্স আদায় করিতে পারিবে ! তাই বাংলাদেশেও এনআরসি এখন সময়ের দাবী ! ইহাতে ইটের জবাবে পাটকেলটাও ভালোই জমিবে!

৫. গণতান্ত্রিক অর্থনীতিতে দুর্নীতি একখানা উপজাত বিষয়। ইহাকে কোনভাবেই নির্মূল করা যায় না, বিশেষ করিয়া তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে ইহা ডালভাত ! এজন্য সরকারগুলো কালোটাকা সাদা করার সুবিধা দিয়া থাকে। ইহাতে সরকারের আশা, টাকা কালো হইলেও দেশের টাকা দেশেই থাকিবে , বিনিয়োগ হইবে। সামষ্টিক অর্থনীতির জন্য ইহা ভালো মনে করা হয়। একটা সময় পর্যন্ত ইহা কার্যকর হয়তো ছিল। কিন্তু এখন আর নহে। কালো টাকার মালিকেরা এখন দেশে টাকা রাখিতেছে না। তাহারা বিদেশের ব্যাংকে টাকা জমাইতেছে। ক্যাসিনো কাণ্ডে ইহার প্রমান পাওয়া যাইতেছে ! ইহাতে ইন্ধন জোগাইতেছে ঐসকল দেশের দৈত্ব নাগরিকত্ব ব্যবস্থা , সেকেন্ড হোমের অপসন ! তাই দেশের বৈধ-অবৈধ নাগরিকেরা এদেশে উপার্জন করিয়া বিদেশে পাচার করিতেছে। খুব শক্ত মানি লন্ডারিং আইন করিয়াও ইহাদের থামানো যাইতেছে না ! দৈত্ব নাগরিক হওয়ায় ইহাদের দেশের প্রতি কোন দায়বোধও নাই। তাই দৈত্ব নাগরিকত্ব বাতিল হইলে তাহারা এদেশে বসিয়া উপার্জন করিতে পারিবে না। কারণ ভিন্ন দেশের নাগরিক হইলে দেশে কাজ করিতে সরকার হইতে বৈধ অনুমতি লইতে হইবে ! একারণে দৈত্ব নাগরিকত্ব বাতিল করা উচিত ! ইহাতে অন্যদেশে টাকা পাচার বন্ধ হইবে , দেশের টাকা দেশেই থাকিবে। এই টাকা দেশে বিনিয়োগ হইলে কর্মসংস্থান বাড়িবে ! আর যাহারা এদেশে কর্মস্থান বানাইয়া অন্যদেশে বাসস্থান বানাইয়াছে তাহাদের সংখ্যাও কমিয়া আসিবে। দুর্নীতিবাজদেরও নিরাপদ আশ্রয়স্থল সংকুচিত হইবে ! দেশে আকাম করিয়া বিদেশে পারি দেওয়ার রাস্তাও বন্ধ হইবে ! আমার জানা আছে বহু প্রবাসীর দৈত্ব নাগরিকত্ব আছে। তাহারা অনেকে ক্ষতিগ্রস্থ হইলেও দেশ লাভবান হইবে বলিয়াই আমার বিশ্বাস !

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪০

রাজীব নুর বলেছেন:

তিন জনের নাম বলুন।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপনি আপনার আত্মীয়-স্বজন , বন্ধু-বান্ধব যাহারা বিদেশে আছেন তাহাদের মাঝে খুজুন, পাইয়া যাইবেন আশা করি।

২| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৫

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: মাইগ্রেশন একটি বহুল প্রচলিত প্রাগৈতিহাসিক কিন্তু চলমান প্রক্রিয়া। আদি মানুষ উৎপত্তি (হোমো স্যাপিয়েন্স-দের উদ্ভবকে বোঝায়) আফ্রিকার বতসোয়ানায়। জলবায়ূ পরিবর্তণের আগে তারা সেখানে প্রায় 70 হাজার বছর বসবাস করেছিলো। জলবায়ূ পরিবর্তণ তথা বাসস্থানে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জই তাদের কে পৃথিবীর বিভিন্ন যায়গায় দেশান্তর হতে বাধ্য করেছে। অনেক গোত্র আবার খাদ্য, বাসস্থান, নিরাপত্তা কিংবা উন্নত জীবনের লাভের আশায় এক যায়গা থেকে অন্য যায়গায় দেশান্তরিত হয়েছে।

জাতিসংঘ তথা জাতি রাষ্ট্রের উদ্ভবের ফলে মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া কঠিন হয়ে গেছে। কিন্তু ইতিপূর্বে যারা সেটেলমেন্ট হয়ে গেছে তাদের কে জোড় করে উচ্ছেদ, বন্দি শিবিরে আটক রাখা কিংবা অপর দেশে বৈআইনিভাবে ঠেলে দেওয়া মানবতা বিরোধী কাজ।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: যদি তাহাদের বাসস্থান ও কর্মসংস্থানের অভাব থাকে, জীবনের উপরে হুমকি থাকে তাহা হইলে তাহাদের বিতাড়ন করা অমানবিক বৈকি। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়া মানবিকতায় দেখাইয়াছে বটে ! কিন্তু যাহাদের কথা এখানে বলা হইতেছে তাহারা কোন হুমকিতে নাই। ইহারা দেশের জন্য ক্ষতিকর বিধায় তাহাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই উচিত ! ধন্যবাদ !

৩| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




দুর্নীতি নামে অনার্সে একটি সাবজেক্ট বাড়ানো যেতে পারে। কারণ শিক্ষিত জনগণ দুর্নীতি করছেন। অতএব দুর্নীতিতে অনার্সে মাষ্টার্স শিক্ষিত হয়ে ভালোভাবে দুর্নীতি করুন - নিজেকে গড়ুন।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: মন্দ বলেন নি ! দুর্নীতি করিতেও কৌশলী হইতে হয় , বুদ্ধি খাটাইতে হয়। ইহা সাবজেক্ট বা কোর্স হইলে মন্দ হয় না ! আচ্ছা শিক্ষক হিসেবে কাহাদের নিয়োগ দেওয়া যাইতে পারে ?

৪| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




শিক্ষক হিসেবে কাহাদের নিয়োগ দেওয়া যাইতে পারে ?
- নাম বলিলে ছাকরি থাইকবে না !

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বলেনকি ? আপনার ছাকরি না থাকিলে আমারেতো ডিম্ব থেরাপি দিবে ! থাউক ! আপনার ছাকরিও থাউক, আমিও ডিম্ব থেরাপি হইতে বাঁচি !

৫| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০২

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: যাহারা দৈত্ব নাগরিক তাহারা আমাদের জন্য মাথা ব্যাথা নয়। তাহারা আমাদের জন্য ক্ষেত্র বিশেষ টাকার মেশিন- এটিএম বুথ। তাহারা এখনো এদেশের স্ব-জনদের জন্য টাকা পাঠান। যাহারা দৈত্ব নাগরিক তাহার এককালে হয় হয় কামলা খাটতে, না হয় শিক্ষিত হয়ে ভালো মাইনে ও উন্নত জীবন লাভের আশায় বিদেশ পাড়ি জমিয়েছেন।

যাহারা দৈত্ব নাগরিক তাহারা কম্বিকালেও বাংলাদেশে থাকতে চাইবেনা।

আসামের এনআরসি সেদেশের বাস্তসংস্থানের জন্য বিরুপ প্রভাব ফেললেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তেমন নয়। কারণ আসামে যারা সেটেল হয়েছে তারা বিদেশী। কিন্তু বাংলাদেশে যারা দৈত্ব নাগরিক তাহারা প্রভাসী, স্বদেশী কিংবা বাঙালা মায়ের সন্তান।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: যাহারা দৈত্ব নাগরিক তাহারা আমাদের জন্য মাথা ব্যাথা নয়। তাহারা আমাদের জন্য ক্ষেত্র বিশেষ টাকার মেশিন- এটিএম বুথ। তাহারা এখনো এদেশের স্ব-জনদের জন্য টাকা পাঠান। যাহারা দৈত্ব নাগরিক তাহার এককালে হয় হয় কামলা খাটতে, না হয় শিক্ষিত হয়ে ভালো মাইনে ও উন্নত জীবন লাভের আশায় বিদেশ পাড়ি জমিয়েছেন।

আমাদের প্রবাসী যাহারা দৈত্ব নাগরিক, খেটে খায় তাহারা সমস্যা নহে ! সমস্যা হইলো যাহারা দৈত্ব নাগরিকত্ব লইয়া দেশে চাকুরী, ব্যবস্যা , দুর্নীতি করিতেছে ! ইহারা এইখানে সৎ-অসৎ ভাবে উপার্জন করিয়া বিদেশে পাচার করিতেছে ! ইহাদের কারণেই দৈত্ব নাগরিকত্ব বাতিল করা উচিত। দৈত্ব নাগরিকরা যেহেতু এদেশে স্থায়ী হইবেন না , তাহাদের এদেশের নাগরিকত্ব দরকার নাই ! তাহারা ঐদেশের পাসপোর্ট লইয়াই দেশে আসিতে পারিবে। প্রবাসীদের বেশিরভাগেরই দৈত্ব নাগরিকত্ব নেই। সুতরাং বেশিরভাগই ক্ষতিগ্রস্ত হইবে না !



আসামের এনআরসি সেদেশের বাস্তসংস্থানের জন্য বিরুপ প্রভাব ফেললেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তেমন নয়। কারণ আসামে যারা সেটেল হয়েছে তারা বিদেশী। কিন্তু বাংলাদেশে যারা দৈত্ব নাগরিক তাহারা প্রভাসী, স্বদেশী কিংবা বাঙালা মায়ের সন্তান।

আসামের ইতিহাস আবার নতুন করিয়া পড়িতে অনুরোধ করিতেছি ! কয় প্রজন্ম ধরিয়া বাস করিলে নাগরিক হইবে বলুনতো ? আসামে যাহাদের অবৈধ বাংলাদেশী বলা হইতেছে তাহাদের অধিকাংশেরই বৈধ কাগজ আছে ! ইহা সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ছাড়া আর কিছু নহে !
এদেশে কর্মস্থান , বিদেশে বাসস্থান এমন দৈত্ব নাগরিকের সংখ্যা বাংলাদেশে কম নহে ! ভিনদেশের পাসপোর্টে তাহারা দেশে আসুক, বৈধভাবে কাজ করুক সমস্যা নেই ! সমস্যা হইলো যখন এদেশে অবৈধভাবে অবস্থান করিয়া , উপার্জন করিয়া নিজ দেশে পাঠায়।ইহাতে আমাদের দেশীয় বেকারদের কর্মসংস্থান কমিয়া যাইতেছে। টাকা পাচার হইতেছে ! দৈত্ব নাগরিকত্ব টাকা পাচারে সহায়তা করিতেছে ! ইহা বন্ধ করা উচিত !

৬| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



“ছুরের মায়ের বড় গলা” - যা বোঝার বোঝেন, না বোঝলে না বোঝেন। বাংলাদেশ হচ্ছে চলছে গাড়ী যাত্রবাড়ী টাইপ। চলছে চলুক। কোনো একদিন থামবে। থামলে ক্ষতি নাই, না থামলেও ক্ষতি নাই। চলুক।।

কে ভালো? কোন হাড়ে হারাম --- দা ভালো? বলেন না ?


০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ঠগ বাছিতে গাঁ উজাড় হইয়া যাইবেক !

ঠিকই বলিয়াছেন , চলছে চলুক !!!

আমাদের তালি দেওয়া ছাড়া কিছু করার নাই !

৭| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ৪ নং পয়েন্ট টা জরুরী। কিন্তু কথা হচ্ছে এই চোর চাট্টা, ২৪/৭ পটেনশিয়াল দুর্নীতিবাজ, লোভীদের দেশে বিদেশী কর্মীদের ট্যাক্স না দেয়ার যতটা না দায় তার চেয়ে বেশী দায় দেশীদের। কারণ, তেনাদের বার বার ভিজিট ভিসা দিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়। ওয়ার্কিং ভিসা দিলে খরচ বেশী হয় বলে। বলা বাহুল্য যে দেশের কর্মীদের প্রতি অঙ্গুলী প্রদর্শন করা হয়, সে দেশের জনগণও আমাদের মতই এক রকম চোর। উপমহাদেশীয় রক্ত বলে কথা...

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: জি ! বিদেশী চোরদের খেদাইয়া দেশি চোরদের চাকুরী নিশ্চিত করিতেই এনআরসি চাহিতেছি ,যেন দেশি চোরেরা বেকার না থাকে , দেশের টাকা দেশে থাকে ! ধন্যবাদ !

৮| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০৮

বলেছেন: ৪০% বেকার -- তথ্য ঠিক আছে কিনা??
সরকারি মতে দেশে কোন বেকার, কোন ভিক্ষুক, কোন দারিদ্র্য নাই.....

দেশের ভেতরে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য লইয়াও কোন বেকার পাওয়া যাইবে বলিয়া মনে হয় না

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ৪০% বেকার -- তথ্য ঠিক আছে কিনা??
সরকারি মতে দেশে কোন বেকার, কোন ভিক্ষুক, কোন দারিদ্র্য নাই.....


লতিফ ভাই , বিআইডিএসের মতে দেশে শিক্ষিতের মধ্যে ৪০% বেকার। অশিক্ষিত বা অল্প শিক্ষিতের মধ্যে বেকার নাই ! বিআইডিএসরে জিগাইতে পারেন হাচা কিনা !!

দেশের ভেতরে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য লইয়াও কোন বেকার পাওয়া যাইবে বলিয়া মনে হয় না

তাহা পাওয়া যাইবে না ! কারণ বেকার মানুষ সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকে ! পাইবেন কিভাবে ?

৯| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

মা.হাসান বলেছেন: গভীর ষড়যন্ত্র লক্ষ্য করিতেছি।
দেশের জনগনের একাংশ অপরাংশকে পাকিস্তানী দালাল ট্যাগ দিয়া দিয়াছে। ট্যাগ খাওয়ারা অপর পক্ষকে ভার‌্তীয় দালাল ট্যাগ দিয়া দিয়াছে। এন আর সি হইলে উভয় দল বাদ যাইবে। বাকি থাকিবে শুধু যাহারা জঙ্গলে থাকে তাহারা, আর টারজান তাহাদের রাজা হইয়া জঙ্গলের বদলে গোটা দেশে রাজত্ব করিবে।
আকুল আবেদন-- সুন্দরবন, চট্টগ্রাম, মধুপুর সব লইয়া নেন, আমাকে কমিশনের বিনিময়ে সিলেটের সুপারি অঞ্চলের দায়িত্ব দিন, সুপারি লইয়া এরশাদ চাচার একখান গল্প শুনিয়াছি, এক্সপেরিমেন্ট করিয়া দেখিতে চাই।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: গভীর ষড়যন্ত্র লক্ষ্য করিতেছি।
দেশের জনগনের একাংশ অপরাংশকে পাকিস্তানী দালাল ট্যাগ দিয়া দিয়াছে। ট্যাগ খাওয়ারা অপর পক্ষকে ভার‌্তীয় দালাল ট্যাগ দিয়া দিয়াছে। এন আর সি হইলে উভয় দল বাদ যাইবে। বাকি থাকিবে শুধু যাহারা জঙ্গলে থাকে তাহারা, আর টারজান তাহাদের রাজা হইয়া জঙ্গলের বদলে গোটা দেশে রাজত্ব করিবে।


বসেন , বসেন , বইসা যান !!

খেলা হইবে বাতিজা !!!

বাংপাকি আর বাংভাদু উভয় দল ইয়ে মারামারি করিয়া বাদ পড়িলে খ্রাফ হইবে না !! তখন বনের রাজা টারজানই দেশের রাজা হইবেক ! তা আপনি কোন পদ চান ? কমিশন কত দিতে পারিবেন আগেই কইয়া লন !!

আকুল আবেদন-- সুন্দরবন, চট্টগ্রাম, মধুপুর সব লইয়া নেন, আমাকে কমিশনের বিনিময়ে সিলেটের সুপারি অঞ্চলের দায়িত্ব দিন, সুপারি লইয়া এরশাদ চাচার একখান গল্প শুনিয়াছি, এক্সপেরিমেন্ট করিয়া দেখিতে চাই।

দিমুনে ! স্বপ্নে খাইলে ডাল-ভাত খামু ক্যানে , বিরানিই খামু !

তা এরশাদ চাচার সুপারির গল্প ঝাতি ঝানিতে চায় !! তবে উহা কোন সুপারি তাহা আগে কন ? তাহার নিজের সুপারি নাকি ?

১০| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

মা.হাসান বলেছেন: জনাব সোহেল তাজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে থাকার সময়ে বলেছিলেন, তিনি অত্যন্ত অবাক হয়ে লক্ষ্য করেছিলেন সরকারের অনেক এমপি-মন্ত্রীরই বিদেশি পাসপোর্ট ছিল।

বর্তমান সরকারের একাধিক উপদেষ্টা বিদেশি নাগরিক বলে গুজব আছে।
যারা বিদেশ থেকে দেশে টাকা পাঠান তাদের কেউ কেউ বিদেশি পাসপোর্ট পেয়েছেন বা নিয়েছেন। আপনার সাথে একমত , এরা সমস্যা না। যে সব আমলা-নেতা-ব্যবসায়ীরা দেশের বাইরের ব্যাংকে টাকা জমান তারাই সমস্যা। ওয়ার্কিং ক্লাস কখনো দেশের জন্য সমস্যা ছিলো না।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৩৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: জনাব সোহেল তাজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে থাকার সময়ে বলেছিলেন, তিনি অত্যন্ত অবাক হয়ে লক্ষ্য করেছিলেন সরকারের অনেক এমপি-মন্ত্রীরই বিদেশি পাসপোর্ট ছিল।

একারণেই দৈত্ব নাগরিকত্ব বাতিল করা উচিত।তাহা হইলে ভিনদেশের নাগরিক কেহ জনপ্রতিনিধি হইতে পারিবে না বা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসিতে পারিবে না ! এদেশে দুর্নীতি করিয়া ভিনদেশে টাকার পাহাড় গড়া বা নিরাপদ আবাসস্থল গড়া বন্ধ হইবে। দেশের টাকা দেশেই থাকিবে ! তাছাড়া বিপুল পরিমান পদ খালি হইলে বেকারদের কর্মসংস্থানও হইবে !

বর্তমান সরকারের একাধিক উপদেষ্টা বিদেশি নাগরিক বলে গুজব আছে।
যারা বিদেশ থেকে দেশে টাকা পাঠান তাদের কেউ কেউ বিদেশি পাসপোর্ট পেয়েছেন বা নিয়েছেন। আপনার সাথে একমত , এরা সমস্যা না। যে সব আমলা-নেতা-ব্যবসায়ীরা দেশের বাইরের ব্যাংকে টাকা জমান তারাই সমস্যা। ওয়ার্কিং ক্লাস কখনো দেশের জন্য সমস্যা ছিলো না।


ধন্যবাদ ! আপনি পোস্টের উদ্যেশ্য বুঝিয়াছেন।দেশে থাকিয়া , দেশের খাইয়া বিদেশে আবাস গড়ার স্বপ্ন যাহারা দেখিতেছে তাহাদের স্বপ্ন বন্ধ হইবে , দেশে কর্মসংস্থান বাড়িবে , দেশের টাকা দেশেই বিনিয়োগ হইবে , দুর্নীতি, টাকা পাচার কিছু হইলেও কমিবে !

১১| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৩৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ভাল প্রস্তাবনা!

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ লিটন ভাই ! কেমন আছেন ?

সরকার যদি সত্যিই এনআরসি চালু করে , দৈত্ব নাগরিকত্ব বাতিল করে তাহা হইলে কাহাদের সমস্যা হইবে বলুনতো ?

১২| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৫২

মা.হাসান বলেছেন: তা এরশাদ চাচার সুপারির গল্প ঝাতি ঝানিতে চায় !! তবে উহা কোন সুপারি তাহা আগে কন ? তাহার নিজের সুপারি নাকি ?

এইডা পানের সাথে খাওনের গুয়া। আমি নিশ্চিত আপনে হুনছেন, তয় ভার্সন আলাদা হইবার পারে।

এরশাদ আঙ্কেলের সুপারির গল্পঃ এই গল্পগুলির বেশিরভাগ ছড়াইছিল এরশাদ কাকু ক্ষমতা ছাড়নের পর , নব্বইয়ের পর পর। তখন আমরিকার পেসিডেন হইলো জর্জ বুশ সিনিয়র। এরশাদ, মোয়াজ্জেম, আর মওদুদে আইছে এই ধান্দায়, যদি বুশরা তেল দিয়া কিছু খয়রাতি সাহায্য আনন যায়। বুশ কইলো, তোমরা ট্রপিক্যাল দেশের লোক। ওইখানে নাকি অনেক ফল-ফুরুট পাওন যায়, আমার লাইগা কিছু লইয়া আসো। তো নোয়াখাইল্লা মওদুদের আছিলো পান গুয়ার অভ্যাস। সেই ব্যাডায় জ্যাকসন হাইটের এক দোকান খুঁইজা কিছু সুপারি লইয়া গেল। শাহ মোয়াজ্জেমের আছিল কুষ্ঠু-কাঠিন্য, একবর বাথরুম করনের পর জামবাক-নিক্স মালিশ করন লাগতো। হেই বেডার কাছে বেলের উরপে কিছু নাই। বহুৎ দোকান বিছড়াইয়া একখান বেল লইয়া আইলো । বুশের কইলাম একখানও পছন হয় নাই ক্কা । হেই ব্যাডায় কইলো-- এদের পিছন দিক দিয়া এইগুলান ঢুকাইয়া দাও। ঢুকানের পর মওদুড কুই কুই করতে করতে দ্যাখে শাহ মোয়াজ্জেম ফিচিক ফিচিক হাসতে আছে। হাসি দেইখা মওদুদে জিগায়--- ভাইজান আমার ভিতরের সুপারি যাইয়া আমার যা হইতাছে, আপনার ভিতরে বেল গেল , আপনি হাসেন ক্যামতে? মোয়াজ্জেম কয়-- সবুর কর, সবুর কর কাহু আইতাছে। হেরে দেখছি একখান কাডল লইয়া আইতে।

আমার একপেরিমেন কাডল দিয়া শুরু না কইরা সুপারি দিয়াই শুরু করবার চাই। আপনে রেডি হইলে কাডলের ব্যবস্থা করন যাইবো :P

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:০৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কি কন ভাইজান !! আমার পছন্দের ফল কাঁচা খেজুর !

কাঁঠাল আপনি বাংপাকি আর বাংভাদুদের লাইগ্যা পছন্দ করিতে পারেন !!

আমি অবশ্য নারিকেলের ভার্সনও শুনিয়াছি !!

কৌতুকতো সেইরাম আছিল !! মওদুদ ব্যাডায় ব্যাফক পিছলা !! জাইন্যা শুইন্যাই সুপারি পছন্দ করছিলো বোধহয় !!

আমি রেডি না :D ! দেহেন এক্সপেরিমেনের জইন্য ব্লগের কোন পাঁঠা পান কিনা ;) !!! হে হে হে !

১৩| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি আপনার আত্মীয়-স্বজন , বন্ধু-বান্ধব যাহারা বিদেশে আছেন তাহাদের মাঝে খুজুন, পাইয়া যাইবেন আশা করি।

বিপদে ফেলে দিলেন।

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বিফদে পড়িলেও খুঁজিয়া পাইবেন আশা করা যায় ! ব্লগারদের মধ্যেও পাইবেন !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.