নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ডেমোগ্রাফিক বিপদ : কারণ ও প্রতিকার !! বাংলাদেশের এখনই সতর্ক হওয়ার সময় !!

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১২:৫৭



১. শিশুকাল হইতেই ইস্কুলে পড়িতে হইয়াছে দেশের উন্নতির প্রধান অন্তরায় হইলো জনসংখ্যার পারমাণবিক বিস্ফোরণ !! এই বিস্ফোরণ সামলানোর জন্যই সরকার বাহাদুর পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় গঠন করিয়াছিলেন ! নামে পরিবার পরিকল্পনা হইলেও কামে উহা মানুষ কমানোর মন্ত্রণালয়ই ছিল ! একারণেই কুটিকাল হইতেই স্লোগান শুনিতেছি "ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট", "দুটির বেশি সন্তান নয়, একটি হলে ভালো হয় !" টিভি , রেডিও, পেপার মায় ব্লগেও কন্ডোম আর মায়াবড়ির বিজ্ঞাপন ! ব্যাপারটা এমনি পর্যায়ে পৌঁছিয়েছিলো যে পোলাপাইন আসল কামে ব্যবহার না করিয়া (সাইজে হয় না বিধায় !!) কন্ডোম দিয়া বেলুন ফুলাইতো ! কিছু আবাল প্রেমিক মায়াবড়ি খাইয়া আত্মহত্যাও করিতে গিয়াছে ! বিজ্ঞাপন হইতেই আসল পুরুষ আর নকল পুরুষের সংজ্ঞা নিরুপন করা সম্ভব হইয়াছে ! বাংলা একাডেমি যদিও ইহাকে এখনও লিপিবদ্ধ করে নাই , তবে সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যানে জনগণ উহা সম্যক অবগত হইয়াছে ! জনসংখ্যা বিস্ফোরণের কারণ লইয়াও ব্যাফক গবেষণা হইয়াছে ! এতো বিস্তৃত গবেষণা আর পাঠ্য বুঝি আর কোন বিষয়ে হয় নাই ! গবেষণার গভীরতা এমন পর্যায়ে পৌঁছিয়াছে যে মধ্যরাতের এবং ভোরের ট্রেনও জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণ বলিয়া চিহ্নিত হইয়াছে !!

২. বাংলাদেশে যেহেতু গবেষণা নিয়মিত হয় না , এবং রাজনীতিবিদ ও আমলাতন্ত্র হস্তিনীসম পশ্চাৎদেশ লইয়া কোন কিছুরই গতি বাড়াইতে পারে না, একারণে কোন একটা বিষয় চালু হইলে উহার ভাঙা রেকর্ড বাজিতেই থাকে ! জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কর্মসূচিও তেমনি ! সেই ১৯৫৩ সালে জনসংখ্যা বিস্ফোরণকে পারমাণবিক বিস্ফোরণের ন্যায় বিপদ জ্ঞান করিয়া যে রেকর্ড বাজানো হইয়াছে তাহা আজও বাজানো হইতেছে ! রেকর্ড ভাঙিয়া বোর্ড ফাটিয়া গেলেও এবিষয়ে সরকারি, বেসরকারি, বুদ্ধিজীবী পর্যায়ে আর কোন ভ্রূক্ষেপ নাই !! ১৯৫৩ সালের তত্ব পর্যালোচনা করার অভিপ্রায়ই কাহারও আছে বলিয়া মনে হয় না ! এদেশের সরকারি সেক্টরের মস্তিস্ক পশ্চাৎদেশে, বেসরকারি সেক্টর চরম স্বার্থপর, আর বুদ্ধুজীবী সম্প্রদায় পতিতার মতন ভাড়া খাটে, তাহাদের নিজস্বতা বলিয়া কিছু নাই, অন্যের চশমায় দুনিয়া দেখে, পদ-পদবি ,টাকা-পয়সার লোভে যে কাহারও কোলে বসিয়া পরে ! সুতরাং এমনই হওয়ার কথা !

৩. তাত্বিকভাবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের যুক্তি পেশ করা হয় ম্যালথাস বাবাজির সূত্র হইতে। খ্যাদ্য উৎপাদন হয় গাণিতিক হারে আর জনসংখ্যা বাড়ে জ্যামিতিক হারে। ইংরেজ অর্থনীতিবিদ টমাস রবার্ট ম্যালথাস উনিশ শতকের প্রথমভাগে এই তত্ত্ব প্রচার করেন। এই তত্ত্ব অনুসারে স্বাভাবিক নিয়মে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলে খাদ্যসংকট এমনকী দুর্ভিক্ষ অবশ্যম্ভাবী। এই কারণে ম্যালথাস মনে করতেন যে দুর্ভিক্ষ প্রতিরোধের জন্য জন্ম নিয়ন্ত্রণ অপরিহার্য। জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা না-গেলে দুর্ভিক্ষের কারণে মানুষ মারা পড়বে এবং এভাবেই জনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে(উইকি)।

কিন্তু বিংশ শতাব্দীতে আসিয়া খালি চোখেই তাহার সূত্র ভুল প্রমাণিত হয় ! বিশ্বব্যাপি জনসংখ্যা যে পরিমান বাড়িয়াছে খাদ্য উৎপাদন তাহার চেয়ে কয়েকগুন বাড়িয়াছে ! তাছাড়া অমর্ত্য সেন গবেষণা করিয়া প্রমান করিয়া দিয়াছেন দুর্ভিক্ষের কারণ খাদ্য উৎপাদনের অভাব নহে , বরং খাদ্য বিপণনের বিশৃঙ্খলা, অব্যবস্থাপনা ! ইহার উদাহরণ হিসাবে ব্রিটিশদের তৈরী মন্বান্তরকে দেখা হয় ! বিপণনের অব্যবস্থাপনায় সারা উপমহাদেশে ২ কোটি মানব সন্তান না খাইয়া মারা যায় ! (আমাদের বুদ্ধুজীবী সম্প্রদায় নিজেদের ইয়ে মারিতে যতটুকু পারঙ্গম তাহাদের প্রভুদের নিন্দা-আচ্চা করিতে ততটুকু পারঙ্গম নহে ! )

৪. ২০০০ এর দশক হইতেই বিশ্বব্যাপী ডেমোগ্রাফিক বিপদের আভাস পাওয়া যাইতেছিলো ! জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ফলাফল স্পষ্ট হইতে শুরু করিয়াছিল ! বিপদের আভাস প্রথম পাওয়া যায় চীনে ! যেখানে জন্মনিয়ন্ত্রণ কঠোরভাবে পালন করা হইতো ! এক সন্তানের বেশি হইলে শাস্তি , জরিমানা গুনিতে হইতো ! একারণে মাত্র এক দশকে চীনে নারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়া যায়। কারণ তাহাদের সমাজেও ভারতের মতনই ছেলেসন্তান প্রীতির কারণে ভ্রূণহত্যা ব্যাপক হইয়া পরে। ভারতেও ইহার অবস্থা ভয়াবহ !
https://www.bbc.com/bengali/news-49124516
পরবর্তীতে সংবাদপত্রে খবর বেরোয় কনের অভাবে চীনা পুরুষেরা ভিয়েতনামী নারী বিবাহ করিতেছে !

৫. আমাদের ওলামায়ে কেরাম , আকাবেরিন গন বহুকাল যাবৎ জন্মনিয়ন্ত্রনের বিরোধিতা করিতেছেন ! তাহারা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ হইতেই নিষেধ করিতেছেন ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিসসাল্লাম আমাদের সংখ্যাধিক্য লইয়া গর্ব করিবেন ! আজব কান্ড হইলো মুসলমান তাহাদের নবীর, তাহাদের আকাবেরিনদের কথা অনুসরণ করিতেছে না, করিতেছে তাহাদেরই যাহারা নিজেরাই আজ জনসংখ্যা বাড়াইবার চেষ্টা করিতেছে ! পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশেই বিবাহ ও বিচ্ছেদ অনেক হইলেও প্রত্যেক ঘরেই তাহারা এক বা একাধিক সন্তান লইয়া থাকে !! আর কি আশ্চর্য, শুধু মুসলমানকেই এই তত্ব গিলাইবার জন্য অধিকাংশ প্রচেষ্টা ! যাহারা এই বড়ি মুসলমানকে গিলাইতেছে তাহারা নিজেরাই আজ এই বড়ি খাইতেছে না ! তবে মুসলমানকে খাওয়াইতে কসুর করিতেছে না ! আর আমাদের বুদ্ধুজীবী সম্প্রদায় সেইসব শিয়ালের সহোদর হিসাবে হুক্কা হুয়া করিতেছে !! আর মুসলমান দেশসমূহে সরকারগুলো যেহেতু বেশিরভাগই পশ্চিমা বিশ্বের ম্যান্ডেট লইয়াই ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়, তাই জনসংখ্যা বিষয়ে তাহাদের চশমাতেই দেখিবে ইহা আর আশ্চর্য কি !! তবে আমাদের সরকার বাহাদুরকে ধন্যবাদ দিতেই হয় জনসংখ্যা যে বোঝা নহে বরং সম্পদ এই উপলব্ধি করার জন্য ! দরকার শুধু জনসংখ্যা জনশক্তিতে রূপান্তর করা !! আমাদের বুদ্ধুজীবীদের অবশ্য মত ইহার বিপরীতই ! ইহারই কারণে বিবাহের বয়স কমাইতেই ইহাদের পুটু জ্বলিয়া যায় !! ইহাদের কাছে বাল্যপ্রেম জায়েজ , বাল্য বিবাহ নাজায়েজ ! ১৫/১৭ বছরে দেদারছে আকাম করিলে সমস্যা নাই , বিবাহ করিলে "দাস ক্যাপিটাল " অশুদ্ধ হইয়া যাইবে ! (যদিও উহা অশুদ্ধই !!)

৬. জনসংখ্যা যে কতবড় শক্তি তাহা আজ চীন ও ভারতের দিকে তাকাইলে বোঝা যাইবে ! শুধুমাত্র বিপুল জনসংখ্যাকে কাজে লাগাইয়া চীন আজকে সারা বিশ্বের কারিগরে পরিণত হইয়াছে ! বিশাল বাজারে প্রবেশাধিকারকে অস্ত্র হিসাবে কাজে লাগাইয়া চীন , ভারত বৃহৎ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক , সামরিক শক্তিগুলোকেও ল্যাজে খেলাইতেছে !! উইঘুরে চীনের আকাম , কাশ্মীরে ভারতের আকাম , বার্মায় রোহিঙ্গাদের উপরে আকাম বিশ্ব নীরবতার সাথে মানিয়া লইতেছে শুধুমাত্র বাজার হারানোর ভয়ে !!! ভবিষ্যতে জনসংখ্যা ও ভুখন্ডের আধিক্যই পরাশক্তি হওয়ার চাবিকাঠি হইবে ! বুঝি একারণেই ভারত , ইউরোপ, ইজরায়েল মুসলমানদের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার লইয়া এতো চিন্তিত , মুসলমানদের প্রতি তাহাদের শেন্যদৃষ্টি !!

৭. জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বিপদ শুধু ধর্মীয় নহে ! ইহার কারণে জাতিকেও ভুগিতে হইবে। বিশ্বব্যাপী জাতিসমূহ ভুগিতেছে। আমাদেরও ভুগিবার সম্ভাবনা আছে।ইতিমধ্যে শ্রমমূল্য বৃদ্ধি পাইয়াছে, গ্রামগুলো খালি হইয়া যাইতেছে, গড় বয়স বৃদ্ধি পাইতেছে অর্থাৎ বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়িতেছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার যদি কমিয়া নিচের দিকে চলিয়া যায় তাহা হইলে এই মুহূর্তে দেশ যে তরুণ শ্রমশক্তি লইয়া সারাবিশ্বে শক্তিশালী অবস্থানে আছে তাহা দ্রুতই হারাইয়া যাইবে !! শ্রমঘন কর্মক্ষেত্রে কাজ করার লোক পাওয়া যাইবে না ! ইহা আজ স্পষ্ট হইতেছে !

৮. জনসংখ্যার নিম্নহারের কারণ শুধুই আইনই নহে ! এককালের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কঠোর আইন শিথিল করিয়াও চীন এখন ফলাফল পাইতেছে না। বরং বিশ্বব্যাপী আইন এখন উল্টোদিকে প্রবাহিত হইতেছে ! ইন্সেন্টিভ দিয়া বাচ্চাপ্রতি সুবিধা দিয়াও জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বাড়ানো যাইতেছে না। ইহার কারণ কি ? দেশভেদে ইহার কারণ বিভিন্ন হইলেও আমাদের দেশে সন্তান/অধিক সন্তান গ্রহণের অনীহার কারণ গুলো হইতে পারে :

ক. জাতিসংঘ, পশ্চিমা বিশ্বের প্রেসক্রিপশনের অন্ধ অনুসরণ ! পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশেই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার মাইনাস হইয়া গেলেও, তাহারা জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে আপ্রাণ চেষ্টা করিলেও আমাদের দেশে তাহাদের ভাঙা রেকর্ড আজও বাজিয়া চলিতেছে !! তাহাদের প্রেস্ক্রিপশনও বদলায় নাই !

খ. উগ্র নারীবাদের উত্থান , নারী স্বাধীনতার অপব্যাখ্যা !! ইহার কারণে গর্ভধারণ , শিশুজন্ম দান , শিশুর প্রতিপালনকে নারী স্বাধীনতার অন্তরায় মনে করা হয় , পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার কারণ মনে করা হয় !

গ. পুরুষবাদী সমাজ ও পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গিরও দোষ আছে !! নারীর সন্তান জন্মদান, প্রতিপালন, ঘরে কাজ করাকে হেয় চোখে দেখা হয় বিধায় ইহার গুরুত্ব এমনকি নারীদের কাছেও হ্রাস পাইতেছে !

ঘ. দেরিতে বিবাহ ! ইহার কারণে ফার্টিলিটি কমিয়া যায় ! বেশি বয়সে সন্তান জন্মদান এমনিতেই ঝুঁকিপূর্ণ ! বেশি বয়সে স্পার্মের কোয়ালিটিও কমিয়া যায় ! একারণে দেরিতে বিবাহের কারণে জন্মহারও কমিয়া যায় !

ঙ. ক্যারিয়ার সচেতনতা ! চাকুরীজীবি নারীরা তাহাদের ক্যারিয়ারের ক্ষতির আশঙ্কায় সন্তান জন্মদানে অনীহা প্রকাশ করে ! উন্নত বিশ্বে এমনকি বিবাহ, প্রেম ইত্যাদির হারও কমিয়া গিয়াছে ! সরকারগুলো বিভিন্ন প্যাকেজ দিয়াও সফল হইতে পারিতেছে না !

চ। নারীর সামাজিক, আর্থিক নিরাপত্তার অভাব ! ইহার জন্য পুরুষ দায়ী ! নারীর আর্থিক, সামাজিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পুরুষের ! কিন্তু সমাজে অনেক ক্ষেত্রেই নারী সম্পত্তির অধিকারও পায় না ! স্বামীর প্রতি আস্থাহীনতার কারণে নারী নিজেই আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করিতে ক্যারিয়ার গড়িতে চায়,ক্যারিয়ারে মনোযোগ দেয়। আবার সন্তান প্রতিপালনে পুরুষের যথাযোগ্য সহায়তা, সমর্থন পায় না বিধায় সন্তান প্রতিপালন নারীর কাছে বোঝা মনে হয় !! একারণে সন্তান/অধিক সন্তানে আগ্রহ পায় না !

ঞ। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি !! জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি, সন্তান প্রতিপালনে ব্যয়বৃদ্ধি সন্তান গ্রহণে অনীহার অন্যতম কারণ ! একটা সন্তান মানুষ করা যে প্যারা , যে খরচ তাহা ভাবিয়াই অনেকে সন্তান লইতে চাহে না !

আরও অনেক কারণ আছে। তবে আমার কাছে এগুলোই প্রধান মনে হয় !!

৯. কারণ তো অনেক হইলো ! কিন্তু প্রতিকার কি ?

ক. সর্বপ্রথম সরকারকে উপলব্ধি করিতে হইবে জনসংখ্যা বোঝা নহে, বিপদ নহে বরং শক্তি ! নিম্ন জন্মহারের কারণে অনেক উন্নতদেশই শ্রমশক্তির অভাবে ভুগিতেছে ! উগ্র জাতীয়তাবাদের উত্থান হইলেও বাস্তবতা হইলো নিম্ন জন্মহারের কারণে উন্নত বিশ্বগুলোকে অভিবাসী গ্রহণ করিতেই হইবে ! আমাদেরও এই আশংকা আছে ! ভাঙা রেকর্ড না বাজাইয়া একটু চোখ খুলিলেই দেখিবেন গ্রামগুলো খালি হইয়া যাইতেছে ,শ্রমশক্তি দুর্লভ হইয়া যাইতেছে, শ্রমমূল্য বৃদ্ধি পাইতেছে , বৃদ্ধের সংখ্যা বাড়িতেছে ! ইহা দেশের জন্য ভালো লক্ষণ নহে !

খ. জনসাধারণের মধ্যে ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রত করার বিকল্প নাই ! ইহাতে জলদি বিবাহ, সন্তানের গুরুত্ব, সন্তান গর্ভধারণ, জন্মদানের ফজিলত, নারীর সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ হইবে ! সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিও পরিবর্তন হইবে !

গ. নারীর সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সরকার নারীকে সামাজিক স্তর অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করিতে পারে, শিশুপ্রতি ভাতা নির্ধারণ করিতে পারে যাহাতে নারী ঘরে সময় দিতে পারে, সন্তান গ্রহণ ও প্রতিপালনে কোন সমস্যা না হয় ! আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হইলে ক্যারিয়ারের চেয়ে সন্তানের প্প্রতিই নারী বেশি মনোযোগ দিবে। পুরুষদের বেকারত্বের হারও কমিয়া যাইবে !! শিশুরা যেহেতু রাষ্ট্রের সবচাইতে দামী সম্পদ তাই তাহাদের সংখ্যা বৃদ্ধি, উত্তম প্রতিপালনের ক্ষেত্রে ইহা রাষ্ট্রের উত্তম বিনিয়োগ হইবে ! ওমর রা. শিশুপ্রতি ভাতা নির্ধারণ করিয়া দিয়াছিলেন ।

ঘ. পুরুষবাদী দৃষ্টিভঙ্গিও পরিবর্তন করিতে হইবে ! সন্তান প্রতিপালনে, সংসারে সময় না দিয়া ক্যারিয়ারে সময় দেওয়ার অন্যতম কারণ নারীর নিরাপত্তাহীনতা ! নারী এমনকি স্বামীর ঘরেও আর্থিক নিরাপত্তা, সামাজিক নিরাপত্তা , সম্মান পায় না বিধায় ক্যারিয়ার গঠনকেই তাহার একমাত্র রক্ষাকবচ মনে করে ! পুরুষকে তাই নারীর সংসারে সময় দেওয়াকে সম্মান দিতে হইবে, নারীর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করিতে প্রয়োজনে নারীকে কম হইলেও কিছু বেতন দেওয়া যাইতে পারে !

১০। এবিষয়ে বিভিন্ন সংবাদের লিংক সংযুক্ত করা হইলো। খুজিলে আরও পাওয়া যাইবে :

বেশি সন্তান জন্ম দিলে মিলবে পুরস্কার!

সন্তান জন্ম দিলে জমি পুরস্কার!

দক্ষিণ কোরিয়ার মেয়েরা কেন বিয়ে ও সন্তান নিতে অনাগ্রহী

মিসর চায় ২ সন্তান বা তার কম, হাঙ্গেরি চায় ৪ বা তারও বেশি!

সন্তান জন্ম দিয়েই পাবেন সাড়ে ৬ লাখ টাকা

বেশি সন্তানের জন্ম দিলে নগদ পুরস্কার!

টাকা-পয়সা কি সন্তান নিতে উৎসাহিত করে?


চার সন্তান জন্ম দিলে আর কর দিতে হবে না!

মুসলিমদের ২টির বেশি সন্তান হলে শাস্তি দাও : হিন্দু পরিষদ

উৎসর্গ : শাইয়ান ! অনেকদিন ধরিয়া এই বিষয়ে লিখিব বলিয়া ভাবিতেছিলাম ! শাইয়ান কিছু ইঙ্গিত দিয়াছেন !!

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৫৭

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: জনসংখ্যা সমস্যা না সমস্যা হলো অদক্ষ, অশিক্ষিত এবং কর্মহীন জনসংখ্যা। দক্ষ এবং কর্মক্ষম জনসংখ্যা একটি দেশের বিরাট সম্পদ যা আপনার পোষ্টে উল্লেখ করেছেন।

রোহিঙ্গাদের কথা বলছি, তারা আজ অশিক্ষিত ও অদক্ষতা থাকার কারণে কোন রাষ্ট্রই তাদের কে গ্রহণ করতে চাচ্ছে না। অথচ সিরিয়ার লক্ষ লক্ষ্ রিফিউজি মধ্যপ্রাচ্য সহ ইউরোপের অনেক দেশ আশ্রয় ও কর্ম দিয়েছে একমাত্র শিক্ষা ও কর্মদক্ষতা থাকার কারণে।

তারিক মাত্র পাঁচ হাজার মন্তান্তরে সাত হাজার সৈন্য নিয়ে স্পেন দখল দখল করতে পারলেও পঞ্চাশ লক্ষ মুসলমান সে স্পেন ধরে রাখতে পারেনি।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:০২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ ! অধিক জনসংখ্যা সমস্যা নহে, বরং শক্তি ! জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরের ব্যর্থতা ম্যাংগোপিপলের নহে ! ইহার জন্য সরকার সমুহই দায়ী ! জনশক্তিতে রূপান্তরের যথাযথ ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ না করিয়া উল্টো জনসংখ্যা কমানোর পদক্ষেপ তো জাতির জন্য বুমেরাং হইবে ! অন্যান্য দেশে ইহা প্রমাণিত হইয়াছে , হইতেছে !!

২| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৫৩

পদ্ম পুকুর বলেছেন: ভালো বলেছেন। তবে আমাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব প্রচলিত থাকায় আপনার বক্তব্যও অধিকাংশই সেই ক্যাটেগরিতে ফেলে দিতে পারে।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:১৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ষড়যন্ত্র যে নাই তাহাও নিশ্চিতভাবে বলা যাইতেছে না। বিভিন্ন লেখনীতে এবং রাজনৈতিক বক্তব্যে মুসলমানদের জনসংখ্যা লইয়া যাহা বলা হইতেছে , মুসলমানদের নিয়ে যেসব হিংসাত্মক কান্ড কারখানা দেখা যাইতেছে তাহাতে ষড়যন্ত্র তত্বে হাওয়া লাগিলে অবাক হওয়ার নাই ! তবে আমি যে বিপদের কথা বলিতেছি তাহা বাস্তব ! গ্রামগুলো খালি হইয়া যাইতেছে, শ্রমশক্তির অভাব দেখা যাইতেছে !

৩| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: জনসংখ্যা নিয়ে আমি চিন্তিত নই।
জনসংখ্যাকে আর্শীবাদ মনে করি।
আমাদের মত দরিদ্র দেশের সমস্যা হলো- দুর্বল প্রশাসনের আমরা এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগাতে পারছি না। তাই পিছিয়ে আছি।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:১৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ ! আপনার পিচ্চিটা বড্ড কিউট !! দোয়া করি আপনার ঘর ভরিয়া উঠুক !!

৪| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:১৮

শের শায়রী বলেছেন: আপনার লেখাটা মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। ভালো লেগেছে। যৌক্তিক।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:২৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ ! ভাবিয়াছি কেহ পড়িবে না ! নিরস লেখা কেহ পড়িতে চাহে না !

৫| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৫২

নেওয়াজ আলি বলেছেন: অপূর্ব, পাঠে মুগ্ধতা রেখে গেলাম।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৫৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সত্যি কইতাছেন !!! এই পাইনসা পোস্ট আপনার ভালো লাগিল !!

আঃ !! বুকে বল পাইলাম !!!

৬| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে সেসব দেশে, যেসব দেশে পরিবার নিজ সন্তানদের খাওয়াতে ও পরাতে পারেনি।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১০:২৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: একটা সময় সব দেশেই নিয়ন্ত্রণ করা হইয়াছে ! উহা বুমেরাং হওয়ার পরে এখন অনেক দেশেই উল্টোরথ চলিতেছে ! আমাদের জন্মহার এখন ২.১ ! এখনই সতর্ক না হইলে আমাদেরও উল্টোরথ চালাইতে হইবেক !!

৭| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১:৫৬

সোহানী বলেছেন: সহমত সহমত সহমত.....। এই একটা বিষয় সরকার বাহাদূরদের মগজে কিছুতেই ঢোকানো যায় না। হয় বৃদ্ধি বন্ধ করো নতুবা এগুলারে কাজে লাগায়ে চীন ভারত বার্মা হও। কিন্তু কেবা শুনে কার কথা |-)

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৪৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ ! আমাদের সরকার বাহাদুর যদিও জনসংখ্যা সমস্যা নহে বলিয়াছেন , কিন্তু জনশক্তিতে রূপান্তরের তোড়জোড় দেখা যায় না ! খোদ বিআইডিএস জানাইতেছে শিক্ষিতের ৪০% বেকার !! এতো এতো বেকার তৈরী হইলে জন্মনিয়ন্ত্রণ যৌক্তিকতা পাইয়া যায় সত্যি ! অথচ অশিক্ষিত , স্বল্প শিক্ষিতের মধ্যে বেকার নাই ! কারণ তাহারা নিজ চেষ্টায় কাজ খুঁজিয়া নিতেছে এবং শ্রমঘন কাজ করিতেছে যাহা শিক্ষিতরা করে না ! নিউয়র্কে ট্যাক্সি চালাইলে ইজ্জত যায় না , ঢাকায় চালাইলে যায় ! তবে আশার কথা পাঠাও এই চিত্র বদলাইয়া দিতেছে !

সমস্যা হইলো গ্রামগুলো খালি হইয়া যাইতেছে, শ্রমমূল্য বাড়িয়া যাইতেছে , বয়স্কদের সংখ্যা বাড়িতেছে, ধানকাটার মৌসুমে লোক পাওয়া যাইতেছে না ! জন্মহার এখন ২.১ ! নিচের দিকে গেলে ভয়াবহ অবস্থা তৈরী হইবে ! এখনই সময় উল্টোরথ চালানোর !!

৮| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৩৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
এ বার বুঝ ঠেলা।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৪৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: এখনই সচেতন না হইলে ঠেলা এ জাতির সকলেই বুঝিবে ভাইজান !

৯| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৩৬

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ! আপনার পিচ্চিটা বড্ড কিউট !! দোয়া করি আপনার ঘর ভরিয়া উঠুক !!

আপনি ভালো থাকুন।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৪৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ ! ভালো আছি , দৌড়ের উফরে আছি !

১০| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:০০

রাশিয়া বলেছেন: আমাদের অপদার্থ সরকার কোনমতেই জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের মত দক্ষ নয়। তাই এদেশের জনসংখ্যা যত বাড়বে, ততই পাল্লা দিয়ে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য বাড়বে। এদেশের সচেতন জনগণ তাই নিজ উদ্যোগেই পরিবার পরিকল্পনার মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। এর আগে ২০০০ সালে ভবিষ্যৎ বাণী করা হয়েছিল যে আগামী বিশ বছরে জনসংখ্যা ২৫ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। শিক্ষার বিস্তার এবং মানুষের সচেতনতার কারণে আমাদের দেশ সেই ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিকে যায়নি।

আমারিকা, চীন কেউ আমাদেরকে কোন বিদ্যা গেলাতে পারবেনা যদি আমরা সচেতন থাকি। এদেশের মানুষ আয় ও ব্যয়ের সামঞ্জস্য রাখতে নিজে থেকেই পরিবার পরিকল্পনা এমনভাবে করছে যাতে অন্তত পরিবারের সবার মৌলিক চাহিদা অন্তত ভালোভাবে মেটানো যায়। আজ মধ্যেবিত্ত এমনকি নিম্নবিত্তের ঘরে ঘরে শিক্ষার সুফল পৌছে যাওয়াতে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।

তবে দেশের প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে যেখানে কন্ডম বা মায়াবড়ি সহজলভ্য নয় - সেখানে কিন্তু জনসংখ্যা হু হু করে বেড়েই চলেছে। কয়েকদিন আগে সোনাদিয়া দ্বীপে বেড়াতে গিয়ে এই অভিজ্ঞতা হয়েছে।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৫৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমাদের অপদার্থ সরকার কোনমতেই জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের মত দক্ষ নয়। তাই এদেশের জনসংখ্যা যত বাড়বে, ততই পাল্লা দিয়ে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য বাড়বে। এদেশের সচেতন জনগণ তাই নিজ উদ্যোগেই পরিবার পরিকল্পনার মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। এর আগে ২০০০ সালে ভবিষ্যৎ বাণী করা হয়েছিল যে আগামী বিশ বছরে জনসংখ্যা ২৫ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। শিক্ষার বিস্তার এবং মানুষের সচেতনতার কারণে আমাদের দেশ সেই ভয়াবহ বিপর্যয়ের দিকে যায়নি।

একথা সত্যি, বাংলাদেশের উন্নয়নে সরকারগুলোর তেমন কোন ভূমিকা নেই ! ম্যাংগোপিপল নিজেরাই শত প্রতিকূলতার মাঝে নিজেরাই পথ বাহির করিয়া লইয়াছে ! আমার মতে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদক ম্যাংগোপিপলেরই পাওয়া উচিত ! তবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের এই প্রবণতা সামনে বুমেরাং হইয়া যাইবে ! সারা বিশ্বে বুমেরাং হইতেছে ! যেহেতু সরকারগুলো এবিষয়ে কিছু করিবে না , ভাঙা রেকর্ড বাজানো বন্ধ করিবে না , তাই উল্টোরথ ম্যাংগোপিপলেরই চালাইতে হইবেক ! নইলে ভুগিবেক ম্যাংগোপিপলই !

আমারিকা, চীন কেউ আমাদেরকে কোন বিদ্যা গেলাতে পারবেনা যদি আমরা সচেতন থাকি। এদেশের মানুষ আয় ও ব্যয়ের সামঞ্জস্য রাখতে নিজে থেকেই পরিবার পরিকল্পনা এমনভাবে করছে যাতে অন্তত পরিবারের সবার মৌলিক চাহিদা অন্তত ভালোভাবে মেটানো যায়। আজ মধ্যেবিত্ত এমনকি নিম্নবিত্তের ঘরে ঘরে শিক্ষার সুফল পৌছে যাওয়াতে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে।

ইহা আজ সফলতা বলিতে পারিলেও এই প্রবণতা যদি জারি থাকে তবে শীঘ্রই দেশ বিপদে পড়িবে ! সারা বিশ্বের চিত্র তাহাই বলিতেছে ! সুতরাং আত্মতৃপ্তির সুযোগ নাই !! ভাঙা রেকর্ড পাল্টানো এখন সময়ের দাবি !

তবে দেশের প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে যেখানে কন্ডম বা মায়াবড়ি সহজলভ্য নয় - সেখানে কিন্তু জনসংখ্যা হু হু করে বেড়েই চলেছে। কয়েকদিন আগে সোনাদিয়া দ্বীপে বেড়াতে গিয়ে এই অভিজ্ঞতা হয়েছে।

আমিতো ইহাকে আশীর্বাদ বলিতেছি ! খোদ সরকার বাহাদুরই বলিতেছেন জনসংখ্যা সমস্যা নহে ! উদ্যোগ নিয়ে এইসব চরের মানুষদের যদি জনশক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাহা হইলে হু হু করিয়া মানুষ বাড়া তো খুশির খবর হইবে !!

১১| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:২৪

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: বনের রাজা শুধুমাত্র টোকেন বন্টনের ব্যাপারে কিঞ্চিৎ অসাবধান হইলেও তাঁহার অন্যান্য গুণের প্রশংসা না করিলেই নয়। দারুণ একটা বিষয় তুলিয়া ধরিয়াছেন। জনসংখ্যা যে বোঝা নয় বরং শক্তি তাহা অনেক দেশই বর্তমানে বিলকুল অনুধাবন করিতেছে। এ বিষয়টা বিস্তারিতভাবে তুলিয়া ধরার জন্য বনের রাজাকে ধইন্যাপাতা।

পোস্টে প্লাস।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:০৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমি আবার কার টোকেন কাহারে দিলাম !! কেহ তো এপর্যন্ত অভিযোগ দিলো না আপনি ছাড়া ! তা ভাইজান আপনারে কি অন্য কাহারও টোকেন দিয়াছি নাকি !! তৌবা তৌবা !! :D

জনসংখ্যা যে কি বিরাট শক্তি তাহা সামনে বিশ্ব আরও বুঝিবে ! আমাদের এখনই সচেতন হইতে হইবেক !!! ধইন্যাপাতা সাদরে গৃহীত হইলো ! ইয়ে বাদ আর দিলাম না ! ;)

১২| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৫২

জাহিদ হাসান বলেছেন: ছোটকালে রাজা ধরেছি, ফুলাইয়াছি।
বড় হইয়া প্যান্থার ধরেছি, এক জাতীয় বিড়াল দিয়ে আরেক বিড়াল মারিতেছি।

তবু কেন জনসংখ্যা এইভাবে বাড়ে?

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:০৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: এক্সিডেন্ট ভাই এক্সিডেন্ট !! :D

খিয়াল কইরা !!! ;)

১৩| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৪৯

মহসিন ৩১ বলেছেন: জনসংখ্যার বাপারে আমার স্পশকাতরতা রয়েছে। আমি মনে করি আপনি যদি আপনার মনের মত লোক খুঁজে না পান তাহলে আপনাকে অবশই সিস্টেমের ধরনা ধরতে হবে, সেটা পসিবল হয়না মোটেই , কারণ শিক্ষা এবং শিক্ষিতের ধারনায় বিস্তর ফারাক। এবং সেটা দেশে দেশে আরও বেশী বেড়ে যাচ্ছে। অর্থনীতির তত্তে জনসংখ্যাকে ফেলবেন না। জনসংখ্যা অর্থনীতির তত্ত কে, কে অনুসরণ করে ; এর উলটটা কদাচিৎ হয়, হচ্ছে।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:০২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: হইতারে ! তবে সারা বিশ্বচিত্র হইতে দেখা যাইতেছে জনসংখ্যা ও অর্থনীতি পরস্পরকে অনুসরণ করে ! অর্থনীতি, জনমিতির প্রয়োজনেই অনেক দেশ এখন জনসংখ্যা বাড়াইতে চেষ্টা করিতেছে !

আপনার মন্তব্য পুরো কিলিয়ার না ! একটু ব্যাখ্যা করিয়া বলিলে বুঝিতাম ! ধন্যবাদ !

১৪| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:১১

মহসিন ৩১ বলেছেন: সেইটা তো পুরানো বিষয়; অনেক রেফারেঞ্চে আছে , খুঁজলে দেখবেন যে চিনের উন্নত হওয়ার পিছনে কারণ হচ্ছে, পুঁজির বিকাশ , খুবই সস্তা সরম-- এবং পাশ্চাত্তের বিবেক বুদ্ধি , অর্থাৎ বিশ্লেষণে যা হচ্ছে গিয়ে বাজার ধরা। বাংলাদেশে টেনেটুনে এর একটিকে দূতিকে কাছে পেলেও পেতে পারে; কিন্তুক সব-ডি না।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:২৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আমাদের শুধু সস্তা শ্রম ছিল, উহাও বৃদ্ধি পাইতেছে ! বাকিগুলো অর্জন করিতে হইবেক ! মাগার জনসংখ্যা না থাকিলে বাকি দুইটা দিয়া চীন পরাশক্তি হইতে পারিত না ! জনসংখ্যা থাকিলে পুঁজিও আসিবে , বুদ্ধিও গজাইবে ! হয়তো চীনের মতন হইবে না , তবে ল্যাংচাইতে ল্যাংচাইতে ভারতের মতন তো হইবে !!

১৫| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৪৪

মহসিন ৩১ বলেছেন: চীন প্রথমে হংকং এর পুঁজিপতিদের জন্য সুবিধা দিয়েছে এখন তো পুরো বিশ্ব থেকেই বাবসাইরা চিনে তাদের কোম্পানির অফিস চালাচ্ছে।

১৩ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৩:১৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: পুঁজি তাহাদের দিকে ধাবিত হইয়াছে সস্তা শ্রমের কারণে , আর শ্রম সস্তা হইয়াছে অধিক জনসংখ্যার কারণে। চিনেও এখন শ্রম মজুরি বৃদ্ধি পাইতেছে বিধায় খোদ চীনা ব্যবসায়ীরাও সস্তা শ্রমের খোঁজে ভিয়েতনাম , আফ্রিকায় বিনিয়োগ করিতেছে ! জনসংখ্যা কমিয়া যাইতে থাকিলে শ্রমমূল্য বৃদ্ধি পাইবেই ! বাংলাদেশে তাহাই দেখা যাইতেছে !

১৬| ১৩ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:৩৮

মিরোরডডল বলেছেন: পোষ্টটা ভালো লাগলো ।
অনেকগুলো নির্মম সত্যি কথা বলা হয়েছে ।
সম্ভাব্য সমাধানের কথাও বলা হয়েছে ।
সাধারন মানুষ বুঝলেতো আর হবেনা
যাদের বোঝা উচিৎ কিছু করা উচিৎ তাঁরা তো নির্বিকার ।

বাই দা ওয়ে , টারজানের লেখাগুলো পড়ি ।
ব্যাপক বিনোদন কিন্তু ভাষা ব্যাবহারের যে সমারোহ
তাই কমেন্ট করাটা আতঙ্ক মনে হয় :- )

১৩ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: পোষ্টটা ভালো লাগলো ।
অনেকগুলো নির্মম সত্যি কথা বলা হয়েছে ।
সম্ভাব্য সমাধানের কথাও বলা হয়েছে ।
সাধারন মানুষ বুঝলেতো আর হবেনা
যাদের বোঝা উচিৎ কিছু করা উচিৎ তাঁরা তো নির্বিকার ।


আমারও ধারণা ছিল যাদের বোঝা উচিত, কিছু করা উচিত তাহারা বুঝি পড়েন না! তবে ইহা মনে হয় সত্যি নহে। অনলাইনের বিশেষ করিয়া ব্লগের লেখাগুলি মনিটর করা হইয়া থাকে। তাই মেসেজগুলো পৌঁছিয়া যায় বলিয়াই আমার বিশ্বাস ! আওয়াজ লাগাইলে তাহারাও একসময় নড়িয়া চড়িয়া বসিবে !

বাই দা ওয়ে , টারজানের লেখাগুলো পড়ি ।
ব্যাপক বিনোদন কিন্তু ভাষা ব্যাবহারের যে সমারোহ
তাই কমেন্ট করাটা আতঙ্ক মনে হয় :- )


কি বলেন , আরও সাধু হইতে হইবে ???? জঙ্গলের মানুষরে চুশীল না বানাইলে হয় না ? মডুতো আমারে প্রায় ইয়ে বানাইয়া দিয়াছে !! আর বেশি বানাইলে কলিকাতা হার্বালে যাইতে হইবেক ! মাফও চাই , দোয়াও চাই !! :(

ভালো হইতে ব্যাফক পয়সা লাগিলেও চেষ্টা করিতেছি ভইন !!! :D

১৭| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:২৪

বিড়ি বলেছেন: এইদেশে রাস্তায় হাঁটতে গেলে এক জনের সাথে আরেকজনের ধাক্কা লাগে, আমরা এখনো জনসংখ্যা বৃদ্ধি করনের মত পর্যায়ে নেই মনে হচ্ছে। আর ও লোক বাড়লে তো শোবার জায়গাও থাকবে না দাঁড়িয়ে ঘুমাতে হবে

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:০৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আপাতদৃষ্টিতে সত্যি বলেই মনে হয়. বিশেষ করে ঢাকা শহরের চিত্র দেখলে তাই মনে হবে বটে। তবে সামগ্রিক চিত্র ভিন্ন ! কর্মসংস্থান , শিল্পায়ন ,প্রশাসনিক কেন্দ্রীকরণ , শিক্ষা , চিকিৎসার কেন্দ্রীকরণ ইত্যাদি কারণে শহরে জনসংখ্যার ঢল, ওদিকে গ্রামগুলো খালি হইয়া যাইতেছে ! ধান লাগানো , কাটার মৌসুমে আপনি শ্রমিক খুইজা পাইবেন না ! বহু কৃষক শ্রমমূল্য বৃদ্ধি পাওয়া ও শ্রমিকের অপ্রতুলতার কারণে কৃষিকাজ বন্ধ করিয়া দিয়েছে ! জনসংখ্যার নিম্নগতি শ্রমমূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করিতেছে ! পরিস্থিতি একখানা অশনি সংকেত দিতেছে ! ঠিক এই মুহূর্তে নজরে না পড়িলেও অর্থনীতির গতি ঠিক থাকিলে আগামী ৫/১০ বছরের মধ্যে আমাদেরও শ্রমিক আমদানি করিতে হইবে ! আমরা এখন ৯০ দশকের চীনের অবস্থায় আছি। চীন যে ভুল করিয়াছিল, ভাঙা রেকর্ড বাজাইতেছিলো আমরাও বাজাইতেছি ! তবে করোনার কারণে অর্থনীতির গতি শ্লথ হওয়ায় হয়তো বিপদ একটু দেরিতে দৃষ্টিগোচর হইবেক ! ধন্যবাদ !

১৮| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ২:৩৬

বিড়ি বলেছেন: হ্যা এটা ঠিক গ্রাম গুলো খালি হয়ে শহর গুলো ঘিঞ্জি হয়ে যাচ্ছে, যথাযথ বিকেন্দ্রীকরন ছাড়া জীবন যাত্রার মান বাড়বে না।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:০৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: জীবনযাত্রার ম্যান বাড়ার ব্যাপারটা জনসংখ্যার সাথে খুব বেশি সম্পৃক্ত নহে ! আপনি জাপানের কথা ধরিতে পারেন ! টোকিও সিটি অনেক বড় ,জনসংখ্যাও কম নহে ! সঠিক পরিকল্পনার কারণে এতো সংখ্যক জনসংখ্যা থাকার পরও জীবনযাত্রার মান ভালো ! কিন্তু একই বিপদে জাপানও আছে ,ওদেরও গ্রামগুলো খালি ! জনসংখ্যার নিম্নগতির কারণে জাপান খুবই আতঙ্কে আছে। সরকারিভাবে ব্যাপক চেষ্টা করার পরেও জনসংখ্যা বাড়ছে না ! পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুকরণে ভাঙা রেকর্ড বাজাইয়া এমনই ধরা খাইছে যে এখন প্রণোদনা দিয়াও বিয়া-শাদী , যৌনতার দিকে মানুষের আগ্রহই নাই। সন্তানতো দূরের কথা ! জাপানিজরা খুবই জাতীয়তাবাদী। তারপরও অভিবাসী লইতে তারা বাধ্য হইতেছে জনসংখ্যার নিম্নগতির কারণে। বাংলাদেশ হইতেই ৪ লক্ষ লোক নিবে ! আমরাও সেই বিপদের দিকেই ধাবিত হইতেছি ! শুধু অনুধাবন করিতে পারিতেছি না ! ধন্যবাদ !

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.