নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

!!!!আজি হতে শতবর্ষ পরে !!!! (একটি টারজানীয় বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী!!!!) পর্ব -০২

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:৩৫

১ম পর্ব পড়িতে চাহিলে নিচে গুতান :
!!!!আজি হতে শতবর্ষ পরে !!!! (একটি (একটি টারজানীয় বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী!!!!)

কুলশ্রীর কারিশমা বাংলাদেশ দখলে নহে , তাহার কারিশমা হইলো পশ্চিমা বিশ্বকে নিজের পক্ষে আনা , প্রতিদ্বন্দ্বী চীনকে ঠেকানো। জানা কথা , বাংলাদেশের প্রতি চীনের নজর অনেকদিনের। বাংলাদেশ সরকার ভারত ও চীনকে লইয়া যে ব্যালান্স গেম খেলিতেছিলো তাহাতে ভারতের স্বার্থ সংরক্ষিত হইলেও আশংকা পুরোপুরি যাইতেছিলো না। ম্যাংগোপিপলের মধ্যে ভারত বিদ্বেষ বাড়িতে থাকায় ইহার সুযোগ গ্রহণের সম্ভাবনা ছিলই ! তাই কুলশ্রী এমন প্ল্যান করেন যেন ভারতের সশস্ত্রবাহিনীর বাংলাদেশে প্রবেশের যৌক্তিকতা তৈরী হয় ! একারণে সরকারকে অন্ধকারে রাখিয়াই দাঙ্গা তৈরী, পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাহিরে লইয়া যাওয়া হয় ! কুলশ্রীর প্রবল ধারণা ছিল সরকারকে জানাইলে চীনের কাছে আগেই উহা পৌঁছিয়া যাইবে। তাছাড়া যতই ভারতের পক্ষের হউক, সরকারেরই বৃহৎ অংশ ভারতের এই পদক্ষেপ মানিয়া লইবে না ! বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে শেখ মুজিব যেমন ইন্দিরাকে সৈন্য সরাইতে বাধ্য করিয়াছিলেন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করিয়াছিলেন তাহার দলও দেশের স্বার্থে ভারতকে বাধা দিবে না এমন নিশ্চয়তা নাই ! একারণে কুলশ্রী সেই ঝুঁকি লন নাই ! বরং সরকারকেই সরাইয়া দিয়াছেন ! মজার ব্যাপার হইলো ব্যর্থ অভ্যুথানে তিনি চীনপন্থীদেরই কাজে লাগাইয়াছেন ! সুতরাং এই অরাজকাতে চীনকেই দোষারোপ করিতে পারিয়াছে ভারত। দাঙ্গার পরে সৈন্য পাঠাইতে ভারতকে তাই বাকি বিশ্ব হইতে প্রশ্নের সম্মুখীন হইতে হয় নাই ! হিন্দুত্ববাদী সরকার একটা কাজ অবশ্য কুলশ্রীর জন্য সহজ করিয়া দিয়াছে ! ইহুদিবাদী ইজরায়েলের মতই ভারতও সারা বিশ্বের হিন্দুদের ভারতের নাগরিক বলিয়া ঘোষণা দিয়াছে এবং বিশ্বের যেকোন প্রান্তে হিন্দু স্বার্থে ভারতের নাক গলানোর অধিকার আছে বলিয়া বিশ্ব হইতে অলিখিত স্বীকৃতি আদায় করিয়াছে। যাহার কারণে দাঙ্গায় সংখ্যালঘুদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ভারতকে সৈন্য প্রেরণের সুযোগ তৈরী করিয়া দিয়াছে ! এই পরিস্থিতির উদ্ভবে ভারত বিদ্বেষ চমৎকার কাজে দিয়াছে। পুলিশি রাষ্ট্রের কাঠামো যখন ভাঙিয়া পড়িয়াছে, পুলিশের লাঠি হটিয়া যাইতেই দুর্বৃত্তরা সেই সুযোগে হত্যা, ধর্ষণে মাতিয়া ওঠে ! ইহাতে ভারতের সংবাদ মাধ্যমে ঝড় উঠিতেও সময় লাগে না। পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলোতে সংখ্যালঘুদের প্রতি এই অমানবিকতা ফলাও করিয়া প্রচার করা হয় ! সুতরাং বাংলাদেশ দখলে কুলশ্রীর তেমন সমস্যা হয় নাই ! আসল সমস্যা চীনও তাহাদেরই অনুসারীদের দ্বারা ব্যর্থ অভ্যুত্থান ঘটানোর জন্য বিব্রত হইতে থাকে ! পশ্চিমা বিশ্ব চীনকে ধুইয়া দেয়। পার্শবর্তী নেপাল-ভুটানে চীন সামরিক বাহিনী পাঠাইয়া দখল করে কিনা ইহার সম্ভাবনাও এই দাঙ্গায় শেষ হইয়া যায়। কারণ ভারতের যে অজুহাত আছে , চীনের তাহা নাই ! তবে চীন বসিয়া থাকে নাই ! বার্মার আহবানে (এই আহবানও চীনের হুকুমে ) বাংলাদেশ সীমান্তে সেনা পাঠাইয়া পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করিতে থাকে ! ইতিহাসের পুরাবৃত্তি আবারও হইলো ! চীন এক নতুন গেম খেলিল ! ভারতের আগ্রাসনে লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশী টেকনাফ হইয়া রাখাইনে আশ্রয় লইল ! যে বাংলাদেশিদের বার্মা ঘৃণা করিত, একদিন যাহাদের দেশে রোহিঙ্গাদের তাড়াইয়াছিলো তাহাদেরই রাখাইনে আশ্রয় দিতে বাধ্য হইলো। বার্মিজ জাতীয়তাবাদীরা প্রতিবাদ জানাইলেও লাভ হইলো না ! বার্মায় চীনের প্রভাব এতই বেশি যে প্রতিবাদীরা স্রেফ গায়েব হইয়া গেল ! শরণার্থীদের মধ্য হইতে বিপুল সংখ্যাকে চীনে শ্রমদাস হিসেবে লইয়া যাওয়া হইলো। বাকিদের রাখা হইলো ভবিষ্যতে কাজে লাগানো হইবে ভাবিয়া ! অবশ্য পুরো বিষয়টা অতিমাত্রায় গোপনীয়তার সাথে করা হইলো !
কুলশ্রীর কারিশমা ইহাই যে চীনের এই পদক্ষেপগুলি তিনি পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব করিয়াছিলেন ! তাই ইহার প্রতিকারে কি করিতে হইবে তাহাও প্ল্যানে লিখিয়াছিলেন। তাই সরকারের কোনোই সমস্যা হয় নাই ! কুলশ্রীর এই সাফল্য ভারত সরকার ও দেশের বিরাট উপকারে অসিলেও কুলশ্রীকে বাস্তবে সকলেই ভয় খায় ! এমনকি পিএম পর্যন্ত ! কুলশ্রী মানুষ কিনা ইহা লইয়াও আলোচনা আছে। তাহার কোন আত্মীয় পরিজন নাই। বিয়ে শাদী করে নাই। কুলশ্রী কোন ধর্ম মানে বলিয়া শোনা যায় নাই ! আপাদমস্তক প্রফেশনাল এবং গোল ওরিয়েন্টেড কুলশ্রীকে ভয় খাওয়ার কারণটাও পরিষ্কার। স্বার্থ উদ্ধারে এমনকি পিএমকেও বলি দিতে কুলশ্রীর বুক কাঁপিবে না ! সশস্ত্র বাহিনীতে একারণে কুলশ্রীকে পিশাচ হিসাবে গণ্য করা হয়। বাংলাদেশ দখলের জন্য নিজ জনগোষ্ঠীকে বলি দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধাও তাহার মধ্যে দেখা যায় নাই ! গোল এচিভ করাই তাহার সাধনা। তাহাতে কাহার ক্ষতি ,কাহার লাভ ইহা সে গণ্যই করে না ! শোনা যায় সংঘ পরিবারের উপরের লেভেলে কুলশ্রীর অকুন্ঠ সমর্থন আছে ! একারণে স্বয়ং পিএমও তাহাকে সমঝায়ে চলেন। প্রয়োজনে তাহার নিজেরও খরচের খাতায় যাওয়ার আশংকা আছে।
এহেন ক্ষমতাধর কুলশ্রী তাহার পিছনে , গোসাই ইহা টের পাইতেই ঘাড়ের কাছে চুলগুলো নিজের অজান্তেই দাঁড়াইয়া গেলো। গোসাই ঘুরিয়া কুলশ্রীর মুখোমুখি হইলেন। স্যালুট দিয়া কুশল জিজ্ঞাসা করিলেন ! এই সৌম্যকান্তি বৃদ্ধ , সদা হাস্যমুখী মানুষটা যে বাস্তবে একটা পিশাচ ইহা বিশ্বাস হইতে চায় না ! মৃদু হাসি দিয়া কুলশ্রী , গোঁসাইয়ের দিকে তাকাইলেন , -----------কি খবর গোসাই ? এমন জরুরি তলব ? কি পেয়েছো ?
---স্যার, একটা বিষয়ে আপনার সিদ্ধান্ত দরকার। তার আগে পুরো ব্যাপারটা আপনার শোনা দরকার আছে !
----কিন্তু তার আগে বসতে বলবে না , চা/কফি খাওয়াবে না ? কুলশ্রী হাসি দিলেন। হাসলে কুলশ্রীকে দেবদূতের মতন দেখায় !

গোসাই থতমত খাইয়া গেলেন। এমন বিব্রত হইলেন যাহা বলার না ! কুলশ্রীর আচরণ একেবারেই সামরিক সুলভ না ! এটাও একটা সমস্যা। খুবই আনপ্রেডিক্টবল ! গোসাইসের এটাসে দ্রুতই ব্যবস্থা নিলেন।

বিব্রতকর অবস্থা হতে বাঁচিতে গোসাই দ্রুতই কাজের কথায় চলিয়া আসিলেন ! স্যার, আমাদের "অপারেশন কলিকাল" সম্পর্কে আপনার জানা আছে বোধহয়। এই অপারেশন শুরু হয় অনেক আগেই ২০১০ সালের দিকে।
---- বল কি ? এতো আগে?
---- জি স্যার ! প্রথম দিকে এটার এতো গুরুত্ব ছিল না ,তাই মিটিংগুলোতে এটার আলোচনা আসে নাই। আসলে আমরা একটা ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছিলাম !

----বিষয়টা কি নিয়ে যেন ছিল ?
----তাহলে স্যার পুরোটাই খুলে বলি। ২০১০ এর দিকে ঢাকার আবহাওয়ায় একটা গুজব ছড়িয়ে পরে। সরকারের উঁচু মহলের সম্মতিতে ঢাকা কোন গোপন বৈজ্ঞানিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। প্রকল্পটা এতটাই গোপনীয় যে কারা এটাতে অংশগ্রহণ করছে এটাও জানা যায়নি প্রথমে।
---- তখন না ভারতের বন্ধু সরকারই ক্ষমতায় ছিল ?
---- জি স্যার। তা ছিল !কিন্তু পুরো বিষয়টাই তারা আমাদের কাছে গোপন করেছিল। এমন কি চেষ্টা করেছিল আমরা যেন বিভ্রান্ত হই !
-----হুম , কারণ কি ?
---- আমার মনে হয় কংগ্রেস পরবর্তী সরকারকে তারা ঠিক বিশ্বাস করতে পারছিলো না ! আর প্রকল্পটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল যা আমরা পরে জানতে পারি। এমনকি পুরোমাত্রায় সফল হলে বলতে হবে দরিদ্র বাংলাদেশ বিজ্ঞানকে সহস্র বছর আগাইয়া দিবে !

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:৫১

চাঁদগাজী বলেছেন:


ভালোই বিরক্তিকর

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:১৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: হা হা হা ! :D প্রথম হওয়ায় স্বাগতম ! আপনি ভালো আছেন তো কাহু ! সাবধান থাকিবেন ! কালিজিরা আর মধু বেশি বেশি খাইবেন !

২| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৪১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: Happy new year

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৪৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন:
ধন্যবাদ ! শুভ নববর্ষ ! পান্তা খাইতে চাহিলে আমার পান্তা রেসিপি দেখিয়া লইয়েন !

৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১২:২৭

মা.হাসান বলেছেন: জঙ্গলের রাজা উপ্রের দিকে নজর দিতে গিয়া নীচের দিকে না তাকাইয়াই ''পোস্ট'' বাটনে চাপ দিসে, এই জন্য নিচের খানিকটা জায়গায় দুইবার চাপ লাগিয়া গিয়া ঐ অংশ দুই বার আসিয়াছে ।

আমি টুকলি করিয়া পাস করা ছাত্র, পত্থম পর্বের ঘটনা ভুলিয়া গিয়াছি। পড়িয়া আসি আগে।
কিন্তু পড়িয়া কি লাভ, ৩য় পর্বের আগেই তো করোনা আমায় করিয়া ফেলিবে।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৪৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: জঙ্গলের রাজা উপ্রের দিকে নজর দিতে গিয়া নীচের দিকে না তাকাইয়াই ''পোস্ট'' বাটনে চাপ দিসে, এই জন্য নিচের খানিকটা জায়গায় দুইবার চাপ লাগিয়া গিয়া ঐ অংশ দুই বার আসিয়াছে ।

কথা সইত্য !! দড়িতে ঝুল খাইতে খাইতে লেখা কিনা তাই নিচে তাকানোর সময় হয় নাই ! জেন্ও ছিল না বিধায় মিস্টেক হইয়া গিয়াছে ! ধইন্যা !

আমি টুকলি করিয়া পাস করা ছাত্র, পত্থম পর্বের ঘটনা ভুলিয়া গিয়াছি। পড়িয়া আসি আগে।

হ্যা , আপনার মতন তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রদের প্রতি আমার বিশেষ দরদ আছে ! হের্ লাইগ্যাই প্রথমেই লিংক দিছি ! নাকি আলঝেইমারে ভুগতাছেন ? হুকনা মরিচ ভর্তা কইরা খান !

কিন্তু পড়িয়া কি লাভ, ৩য় পর্বের আগেই তো করোনা আমায় করিয়া ফেলিবে।

বুঝলাম না , করোনা মানুষরে কিভাবে করিবে ? B:-)

৪| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১২:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: কি লিখেছেন? পড়ে মাথায় যন্ত্রনা শুরু হইছে।।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৪৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বলেন কি ! লক্ষণ তো সুবিধার লাগিচ্চ্ছে না মেবাই ! সাথে জ্বর, সর্দি , ঘুসঘুসা কাশি , গলাব্যথা , শ্বাসকষ্ট নাইতো ! :( সাবধানে থাকিবেন ! বাহিরে যাইবেন না ! মধু আর কালিজিরা বেশি কইরা খান ! ধন্যবাদ !

৫| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:৫৩

সোহানী বলেছেন: চলুক, পড়ছি।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৫০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: উৎসাহ পাইলে চলবে ইনশাল্লাহ ! ধন্যবাদ !

৬| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৮:২২

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: পড়িলাম

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:২৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: দেখিলাম তো ! এখন তো হোম অফিস ! এখনও কি কিপ্পুস হইতে হইবেক ?

৭| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:০৬

পলাতক মুর্গ বলেছেন: পরের পর্ব কবে পাইব, তাড়াতাড়ি লিখেন।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:২৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: জানি না ! লকডাউনে ব্রেনও লক হইয়া যাইতেছে ! দেখা যাক !

তা আপনারে আবার কোন শিয়াল তাড়াইছে , পলাতক কেন ?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.