নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

টারজান০০০০৭

টারজান০০০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

রুপা আন্ডারওয়ারের ঐতিহাসিক বিজ্ঞাপনের ঐতিহাসিক উপাখ্যান !

১৫ ই জুন, ২০২০ সকাল ১১:৪০

১. বাবার হইলো আবার জ্বর , সারিল ঔষধে !

বাবার --- বাবর
হইলো -- হুমায়ুন
আবার -- আকবর
জ্বর --- জাহাঙ্গীর
সারিল -- শাহজাহান
ঔষধে -- ঔরঙ্গজেব।

২. কমরেড মানবেন্দ্র রায় ছিলেন প্রথম দিকের নিবেদিতপ্রাণ কমুনিস্ট ! প্রথম কমুনিস্ট ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসের তিনি ছিলেন এশিয়া হইতে প্রতিনিধি। লেলিন , ট্রটস্কির সাথে তাহার ভালোই খাতির ছিল। ছিলেন নামকরা তাত্বিক। মাগার স্তালিন তাহারে দেখিতে পারিতেন না। লেলিনের মৃত্যুর পরে স্তালিন যখন ক্ষমতায় আসিয়া ট্রটস্কির ইয়ে মারিয়া দিলেন কমরেড রায় দুঃখিত হইলেন। স্তালিনকে তিনি দেখিতে পারিতেন না। কিন্তু নিবেদিতপ্রাণ কমুনিস্ট বলিয়া কথা। তাই পার্টির সাথে সম্পর্ক ত্যাগ করিলেন না ! রহিয়া গেলেন।এদিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যাপক মারা খাইয়া স্তালিনের তখন যায় যায় অবস্থা ! যাইহোক দুই কোটি সোভিয়েত বাসিন্দার মৃত্যু, পূর্বজার্মানি দখলের পরে দুই লক্ষ নারী ধর্ষণ , ব্যাপক হত্যা ইত্যাদির পরে স্তালিনের সোভিয়েত যুদ্ধে বিজয় লাভ করিল। স্তালিনের তখন রমরমা অবস্থা ! তাহার অনুসারীদেরও বগল বাজাইতে বাজাইতে ঘা হইয়া গিয়াছে ! দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরে স্তালিনের দানবীয় উত্থান ও তাহার উপমহাদেশীয় অনুসারীদের লম্ফোঝম্ফে কমরেড মানবেন্দ্র প্রায় মিইয়ে গেলেন ! তাহার কথা আর কেহ মনে করে না , তাহারে কেহ পুছে না ! কিন্তু তিনি পার্টির প্রতি নিবেদিতপ্রাণ।পার্টির যেকোন কাজে হাজির থাকেন।অবশেষে স্তালিনের মৃত্যু হইলে ক্রুশ্চেভ ক্ষমতায় আসিলেন ! রাজা বদলাইলে ইতিহাসও বদলাইয়া যায় , ইহা নতুন নহে ! স্তালিনের ইতিহাসও পাল্টাইয়া গেল। তবে উপমহাদেশে কমরেডদের মধ্যে স্তালিনের ভক্তের সংখ্যা কমিল না ! উপমহাদেশের প্রথা অনুযায়ী মৃত্যুর পরে কাহারও দোষ ভুলিয়া যাওয়া হয় , মহাদানবেরও মহামানব হইতে সময় লাগে না ! উপমহাদেশের স্তালিনের চেয়েও বড় কম্যুনিস্টরা মায়ের চেয়েও মাসির দরদ দেখাইয়া সোভিয়েত জনগণের , নেতৃবৃন্দের সত্য ভাষণ উপেক্ষা করিয়া মহাদানব স্তালিনরে মহামানব হিসেবে অংকিত করিতে প্রচেষ্টা চালাইলেন ! শিয়ালের কাছে মুরগি বাগি দেওয়ার মতন পার্টি এই কাজের ভার কমরেড রায়ের হাতেই ছাড়িয়া দিলেন। যেহেতু তাহার মতন নিবেদিত প্রাণ ,পার্টি অন্তঃপ্রাণ কমরেড পাওয়াও দুস্কর ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের মধ্য হইতে সোভিয়েতকে বিরাট শক্তি হিসেবে গড়িয়া তুলিতে স্তালিনের ভূমিকা তিনিও স্বীকার করিতেন ! তবে তাহার নৃশংস পদ্ধতি কমরেড রায়ের পছন্দ হইতো না ! তাছাড়া বন্ধুবর ট্রটস্কি হত্যা , তাহার প্রতি অবিচার , অবহেলা ,অপমান তিনি ভোলেন নাই ! তাই এই সুযোগ তিনি কাজে লাগাইতে ভুলিলেন না ! কমরেড রায় আমাদের সময়ের মধুর ক্যান্টিনের গ্র্যাজুয়েট ছিলেন না। তিনি বাস্তবেই বুদ্ধিমান ছিলেন ! পড়াশোনা ছিল ! তাই স্তালিন সম্পর্কে তিনি কোনরকম বিরোধী কিছুই লিখিলেন না ! জানিতেন উহা নজরে পড়িলে পার্টিতে তিনি আরও অপাঙেক্তয় হইয়া যাইবেন ! তাই আপাতদৃষ্টিতে বোঝা যায় না এমন ভাবেই তিনি স্তালিনের ইয়ে মারিতে চেষ্টা করিলেন ! যেমন ,দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রথমদিকে ব্যাপক মারা খাইয়াও স্তালিনের নেতৃত্বে সোভিয়েত জাতিসমূহ ফিনিক্স পাখির মতন পুনর্জীবন লাভ করিল ! এক্ষেত্রে স্তালিনকে মহিমান্বিত করিতে যাইয়া পাঠকের প্রত্যাশা অনুযায়ী তাহার লেখা উচিত ছিল , বিপদে পড়িয়া স্তালিন ভাঙ্গিয়া পড়িতেন না ! কিন্তু সম্রাট হুমায়ূনের ইতিহাস এবং সেই ইতিহাসের নকল করিতে যাইয়া ছাত্রের নতুন ইতিহাস রচনা তিনি বিলক্ষণ জানিতেন ! স্তালিনের উপর তাহার বিবমিষার কারণে উনি লিখিলেন "বিপদে পড়িয়া স্তালিন জাঙ্গিয়া পড়িতেন না " ! তাহার আশা ছিল বিনা পয়সা/অল্প পয়সা/সেচ্ছাশ্রমের প্রুফ রিডার ইহা ধরিতে পারিবেন না ! তাহার আশা পূর্ণ হইয়াছিল ! কিন্তু তাহার পরে যাহা হইলো সে এক বিরাট ইতিহাস !

৩. কমরেড জাহাঙ্গীর ছিলেন আমাদের দেশের নামকরা কমুনিস্ট ! মধুর ক্যান্টিনের গ্রাজুয়েট না হইলেও তাহাদের দ্বারা ব্যাপক প্রভাবিত ছিলেন ! তাহার গালিভারিয়ান মগজ প্রায়ই লাফাইয়া বাহির হইয়া যাইতো ! পার্টির প্রতি তিনিও একেবারে নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন ! আজীবন তিনি স্তালিনের ভক্ত ছিলেন ! কম্যুনিস্টের আদর্শ তিনি ছোকলা সহ খাইয়া ফেলিয়াছিলেন ! যাহার কারণে কম্যুনিজম, স্তালিনের বিরুদ্ধে কোন সমালোচনা সহ্যই করিতে পারিতেন না ! তাহার কাছে কম্যুনিজমের বাহিরে কোনকিছুই গ্রহনযোগ্য নহে ! এহেন স্তালিনভক্ত কমরেড মানবেন্দ্র রায়ের মতন নিবেদিত প্রাণ কম্যুনিস্টের লেখায় ইহা জানিতে পারিলেন, বিপদে স্তালিন জাঙ্গিয়া পড়িতেন না ! পড়িয়া বিস্মিত হইলেও কমরেড রায়ের লেখা বলিয়া বিনা বাক্যে গ্রহণ করিলেন ! আজীবন স্তালিন ভক্ত কমরেড জাহাঙ্গীর সেইদিন হইতে নেতার অনুসরণে জাঙ্গিয়া পড়া বাদ দিয়া দিলেন ! এমন অনুসারী পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার ! কিন্তু বিপত্তি বাধিল অন্যখানে ! নিউটনের মাধ্যাকর্ষণ সূত্র অনুযায়ী অচিরেই তাহার ইয়েগুলোও অর্শ্ব রোগীর মতন মাটি ছুঁইতে চাহিল ! বেচারা আর প্যান পিন্দিতে পারেন না ! কিন্তু সভ্যদেশে থাকিতে হইলে প্যান পিন্দিতে হইবেক , নচেৎ জৈন সম্প্রদায়ের দিগম্বর সেক্টের অন্তর্ভুক্ত হইতে হইবেক ! ধর্মে অপছন্দ থাকায় উহা তাহার পছন্দ হইলো না ! তাইলে উফায় ? উফায় একখানা বাহির হইলো ! লুঙ্গির মাঝখানে সেলাই দিয়া ইতিহাসের প্রথম পালাজ্জো বানায়া কমরেড জাহাঙ্গীর ইতিহাসে অমর হইয়া গেলেন ! নারীজাতি অবশ্য পুরুষের অন্যান্য পোশাকের মতন তাহার এই উদ্ভাবনও ছিনতাই করিয়া লইল ! নইলে আরমানির মতন কমরেড জাহাঙ্গীরও নিজের একখানা ব্র্যান্ড তৈরী করিতে পারিতেন ! কিন্তু মানবতার সেবায় বিশেষ করিয়া নারী জাতির সেবায় নিজের এই উদ্ভাবনকে তিনি উৎসর্গ করিলেন ! তবে সকলেই তাহার অবদান জানিতে পারিল না ! নিজস্ব চ্যানেলে ইহা জানিতে পারিয়া নারী মুক্তির অগ্রদূত তসলিমা নাসরিন তাহার ভূয়সী প্রশংসা করিলেন ! অবশ্য দুর্মুখেরা ইহা লইয়াও কানকথা বলিয়া থাকেন !

৪. পোশাক সমস্যার সমাধান হইয়া যাওয়ার পরে কমরেড হাফ ছাড়িয়া বাঁচিলেন ! অচিরেই তাহার পোশাক ফ্যাশন হইয়া দাড়াইলো। উহাকে একটু এদিক ওদিক করিয়া বেল বটমও বাহির হইলো ! মানবতার বৃহত্তর উবগারার্থে তিনি ইহারও কোন প্যাটেন্ট লইলেন না ! ফলে অন্যরা আঙ্গুল ফুলিয়া কলাগাছ হইলেও তিনি অজানাই রহিয়া গেলেন ! ওদিকে আন্তর্জাতিক কমুনিস্ট রাজনীতিতে বিরাট পরিবর্তন হইলো ! কমরেড মাও জে দং সোভিয়েতদের একাধিপত্যে ভাগ বসাইলেন ! তাহার দর্শন "বন্দুকের নলই সকল ক্ষমতার উৎস " এই আপ্ত বাক্য সমগ্র কমুনিস্ট দুনিয়ায় আলোড়ন তুলিল ! অনেকেই ইহাতে আকৃষ্ট হইয়া বন্দুকের নলের সামনে নহে, পিছনে দাঁড়াইতে মনস্থ করিল। কারণ ইহাতে ক্ষমতায় না যাইতে পারিলেও নিজেরে রবিনহুডের ভূমিকায় দেখানোরও লোভও কাজ করে ! উপমহাদেশের যত আকাম-কুকামে দাদাবাবুরাই পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে। এইখানেও ইহার ব্যতয় হইলো না ! শুরু হইলো ওপারে নকশালবাড়ি আন্দুলন , আর এপারে সর্বহারা ! কথা ছিল , রবিনহুডের মতন বড়লোকের ধোন কাড়িয়া নিয়া গরীবরে বিলাইয়া দেওয়া হইবেক ! কিন্তু সমস্যা হইলো তখন গরিবের ১০ টাকার একাউন্ট ছিল না বিধায় টাকাগুলো তাহারা নিজেদের একাউন্টেই রাখিতে লাগিলেন ! পরে Man is mortal- অর্থাৎ মানুষ মাত্রই ভুল করে-- বিধায় তাহারাও গরীবরে উহা দিতে ভুলিয়া গেলেন ! যাহা হউক ,আমাদের নায়ক কমরেড জাহাঙ্গীরও রবিনহুড হইতে চাহিলেন ! কিন্তু চাইলেইতো রবিনহুড হওয়া যায় না ! ইহার জন্য অস্ত্রপাতি , প্রশিক্ষণ দরকার ! কমরেড জাহাঙ্গীর যুগাযুগ করিয়া উহাও ম্যানেজ করিলেন ! ঠিক হইলো প্রশিক্ষণ হইবে বরিশালের পেয়ারা বাগানের অভয়ারণ্যে ! সবই ঠিক ছিল ! সবগুলো পরীক্ষাতেই আমাদের কমরেড গোল্ডেন A পাইলো ! সকলেই বাহ্ বাহ্ দিতে লাগিল ! নিয়ম অনুযায়ী সর্বশেষ ট্রেনিংয়ে দেশি-বিদেশী ডেলিগেটরা উপস্থিত থাকিয়া সার্টিফিকেট প্রদান করিবেন। মাগার গোল বাধিল এই সর্বশেষ ডিসগাইজ ট্রেনিংয়েই ! ডিসগাইজ ট্রেনিংয়ে ট্রেইনীকে ক্যামোফ্লেজে থাকিতে হয় যেন নিকটে , স্বাভাবিক পরিবেশে থাকিয়াও কেহ তাহাকে চিহ্নিত করিতে না পারে ! গেরিলা ট্রেনিংয়ে ইহার গুরুত্ব অপরিসীম ! কমরেড জাহাঙ্গীর সহ সকলেই ছদ্ববেশে ধারণ করিলেন ! কেহ ঝোপ সাজিলেন ,কেহ বা মাটির ঢিপি ! আমাদের কমরেড গাছের ছদ্ববেশ ধরিলেন ! বিপক্ষের কেহ তাহার টিকিটিও খুঁজিতে পাইতেছে না ! ট্রেনিং চলাকালেই কমান্ডার শিকদার মহামান্য অথিতি কমরেড কানু সান্যাল সহকারে পরিদর্শনে বাহির হইলেন ! অকস্মাৎ কমরেড জাহাঙ্গীর দিক বিদিক জ্ঞান হারাইয়া চিৎকার করিতে করিতে কমান্ডারের সম্মুখে হাজির হইলেন ! কমান্ডার শিকদার ভয়ানক রাগিয়া কহিলেন, কমরেড ! তোমার কোর্টমার্শাল হইবেক !!
---স্যার, স্যার ! দয়া করিয়া আমার কথাটা আগে শুনুন ! কমরেড জাহাঙ্গীর মিনমিন করিয়া মিনতি করিতে লাগিলেন !
--- বল !তোমার কি বলার আছে ?

----’স্যার আমার কুনু দোষ নাই ! আপনি জানেন আমি সব পরীক্ষায় এ প্লাস ! যখন আমার গাছের ডালে বসিয়া থাকা পাখিকে পোঙটা ইসিয়াক গুলি করিল তখনও আমি চিৎকার করিনি….চিৎকার করিনি যখন একটা বিষাক্ত সাপ আমার পায়ের উপর দিয়া হাঁটিয়া গেল ….কিন্তু..

‘কিন্তু কি??’ খেঁকিয়ে উঠলেন শিকদার ! উল্লুক ! তুমি সম্মানিত অতিথির সামনে আমাদের মুখে চুনকালি মাখাইয়া দিয়াছো ! স্টুপিড !

-----’কিন্তু স্যার , যখন দুইটা কাঠবেরালি আমার প্যান্টের ভেতর ঢুকে বলিয়া উঠিল, একটা পেয়ারা এখন খাইব , আরেকটা খাইব কাল…...তখন আর চিৎকার না করিয়া উপায় ছিল না !!!
---- ছিহ ! কমরেড শিকদার ঘৃনায় মুখ কুঁচকাইলেন ! বিপ্লব রক্ত চায় , আর তুমি সামান্য ইয়ে বিসর্জন দিতে পারিলে না ! তুমি পেল ! বহিস্কার ! এই কে আছিস , ওরে একখানা লাথি দিয়া বিদায় দে ! উজবুক কাহিকা !

---- কমরেড জাহাঙ্গীর এহেন অবিচারে ,অপমানে ভুরু কুচকাইয়া ভাবিলেন ,তবে কি মহামান্য কমরেডরাও ইয়ে হারাইয়াছেন ! তবে ইহা পরীক্ষা করার উফায় যেহেতু নাই , তাই মানে মানে কাটিয়া পড়াই ভালো ! নইলে আবার তাহাদের অনুসরণে ইয়ে হারা হইয়া যাইতারে !

৫. রবিনহুড হইতে না পারিয়া কমরেড জাহাঙ্গীর ভাঙ্গিয়া পড়িলেন না, জাঙ্গিয়াও পড়িলেন না ! তিনি বুঝিতে পারিলেন তাহার দ্বারা সশস্ত্র বিপ্লব হইবেক না ! কিন্তু তাহার মতন সাচ্চা কম্যুনিস্ট কি বসিয়া থাকিতে পারে ! বিপ্লব তাহার রক্তে ! সঞ্চার করেন ভক্তে ! ইতোমধ্যে অবশ্য কম্যুনিজমের অনুসারীরা ১২ জনায় ১৩ দলে বিভক্ত হইয়া একে-অন্যের ইয়ে মারামারি শুরু করিলেন ! আমাদের কমরেড অবশ্য সেপথে হাঁটিলেন না ! তিনি ১৪ তম দল গঠন করিয়া নিরাপদ দূরত্বে থাকিয়া সবার ইয়েই মারিতে লাগিলেন। তাহার মতে ইহারা সবাই মধুর ক্যান্টিনের গ্র্যাজুয়েট ! মগজহীন ! কম্যুনিজম কি জিনিস তাহারা কখনও বোঝে নাই ! মার্ক্স ইহারা কখনও অনুধাবন করে নাই ! সাম্যবাদ কি তাহারা ইহা জানে না ! তাহার মতে সাম্যবাদ হইলো প্রতিবেশীরটা নিজের সাথে ভাগ করা , নিজের টা নহে ! তাহার হুলের জ্বালায় অন্যেরা জ্বলিয়া মরে ! পরিণত বয়সে আসিয়া তিনি উপলব্ধি করিলেন গনমানুষের কাতারে গিয়া মেহনত করিতে হইবে ! তাহার অনেক ভক্ত,অনুরাগীও জুটিয়া গেল ! তাহারা দল বান্ধিয়া গণসংযোগ করিতে লাগিলেন ! মেহনতি মানুষের সাথে কখনও ধান কাটিয়া , রিকশা টানিয়া ফটোসেশন করিতে লাগিলেন ! সকলেই বাহ্ বাহ্ দিতে লাগিল ! কমরেড জাহাঙ্গীর এতো দিনে দিশা খুঁজিয়া পাইলেন ! একদিন গ্রামে প্রোগ্রাম করিবেন ঠিক হইলো ! নেতা কমরেড জাহাঙ্গীর গ্রামে গিয়া কাজ করিবেন ঠিক হইলো ! কি কাজ করা যায় ! ধান কাটা , গম কাটা ইত্যাদি ক্ষেতের কাজ , রিকশা গাড়ি ঠেলা ,কুলিগিরি সবই করা হইয়াছে ! এইসব প্রোগ্রামের ফটোসেশন , ভিডিও করা হইয়াছে ! এবার একটু বড়সড় প্রোগ্রাম করিতে হইবে ! দল বড় হইতেছে ! ক্রমশঃ সরকারের কাছে গুরুত্ব বাড়িতেছে ! এখন একটু ভিন্নরকম কিছু না করিলে মিডিয়ায় আলোড়ন তোলা যাইতেছে না ! অনেক খুঁজিয়া শেষে ঠিক হইলো কমরেড এবার ছুতারের (কাঠের) কাজ করিবেন ! করাত দিয়া গাছ চিড়িবেন ! সবকিছু বাস্তবধর্মী হইতে হইবে ! চিত্রনাট্য সাজাইলেন অনি মেষ ! অনি এমনকি সনাতনধর্মী সুতারের ভূমিকা বাস্তবসম্মত করিতে কমরেড জাহাঙ্গীরকে ধুতিও পড়াইলেন ! একেবারে ন্যাচারাল ! কমরেডের সাথে থাকিবেন মডেল সানাই মাহাবুব ! তিনি গ্রাম্য বধূর ভূমিকায় থাকিবেন ! দুই বিচ্ছু প্রান্ত আর আকরিওপটেরিক্স উঠোনে মার্বেল খেলিবে ! যাইহোক, শুটিং শুরু হইলো ! কমরেড গাছের গুড়ির উপরে বসিয়া করাত হাতে লইয়া কসরত করিতে লাগিলেন ! মোটা গাছের গুড়ি অর্ধেকের বেশি কাটাই ছিল ! এখন কমরেড কিছু অংশ কাটিবেন। সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল ! সানাই কুলায় চাল বাচিতেছে আর ঠারে ঠারে কাঠকাটা দেখিতেছে ! বিচ্ছু দুইখান মার্বেল খেলিতেছে ! চিত্রগ্রাহকেরা ভিডিও করিতেছে ! অনি অবশ্য সানাইয়ের দিকে নির্নিমেষে তাকাইয়া গুনগুন করিয়া গান গাহিতেছে --- সখি ভাবনা কাহারে কয় , সেকি কেবলই যাতনাময় !

শুটিং ভালোভাবেই শুরু হইলো ! কমরেড জাহাঙ্গীর দারুন মুন্সিয়ানায় করাত চালাইতে লাগিলেন ! হঠাৎ একটু ছন্দপতন হইলো ! করাত আটকিয়া গিয়াছে ! সানাইয়ে বিভোর অনি কাট বলিতে ভুলিয়া গেলো বিধায় শুটিং চলিতে লাগিল ! কমরেড করাত ধরিয়া টানাটানি করিতে লাগিলেন ! একসময় না খুলিতে পারিয়া এক পা বাধাইয়া টান দিলেন ! অকস্মাৎ দুর্ঘটনা ঘটিল ! করাত হইতে হাত ছুটিয়া গিয়া পড়িতে পড়িতে কোনমতে সামলাইয়া উঠিলেন ! তবে বিপদ কেবল শুরু হইলো ! সামলাইয়া তো উঠিলেন , গুড়ি হইতে পড়িলেন না বটে ,তবে তাহার ইয়ে গাছের গুড়ির মাইনকা চিপায় আটকা পড়িল ! গাছ অর্ধেক কাটার পরে যে ফাক তৈরী হইয়াছিল তিনি ইহাতে বমাল ধরা পড়িলেন ! প্রবল চাপে কমরেডের দম বাহির হইয়া যাইতে লাগিল ! অকস্মাৎ কমরেডের গোঙানিতে সকলেই থমকিয়া গেলেন ! সানাই এবং দুই বিচ্ছু অবশ্য হাসি ঠেকাইতে পারিলেন না ! তবে বাকিরা সভয়ে চুপ থাকিলেন ! কমরেড একবার বামে হেলেন , একবার ডানে ! বহু টানাটানি করিয়া অবশেষে বমাল মাইনকা চিপা হইতে মুক্তি পাইলেন ! ৪ খানা ক্যামেরায় ভিডিও ধারণ হইয়াছিল ! উপর , নিচে , ডানে , বামে ! যার কারণে মাইনকা চিপায় বমাল ধরাও ভিডিও হইয়াছে ! অনির মাথায় বিরাট ব্যবসায়িক বুদ্ধি ! কোলকাত্তা হইতে রুপা আন্ডারওয়ারের একখানা বিজ্ঞাপন তৈরির এত্তেলা ছিল ! এর চাইতে ভালো বিজ্ঞাপন আর হয় না ! বাঁচতে হলে কিনতে হবে , রুপা আন্ডু পিনতে হবে ! অরে বাহ্ ! ব্যাফক ঘষামাজা করিয়া অবশেষে অনি সেই ঐতিহাসিক বিজ্ঞাপন তৈরী করিলেন ! মুহূর্তের মধ্যে সারা দুনিয়ায় উহা ভাইরাল হইয়া গেলো ! করোনা ভাইরাসের চেয়েও দ্রুতগতিতে ছড়াইতে লাগিল ! কমরেড জাহাঙ্গীর একদিনেই সেলিব্রেটি হইয়া গেলেন ! তবে লোকে তাহারে দেখিলে হাসে ! উহাতে বিব্রত হইলেও তিনি ভাঙ্গিয়া পড়িলেন না বটে , তবে জাঙ্গিয়া না পড়িয়া আর থাকিতে পারিলেন না ! শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কমরেড জাহাঙ্গীর লালসালুর দোকান সাজগোজে XXXXXXXXXLLLLLLLL সাইজের আন্ডু কিনিতেছেন !

এই সেই ঐতিহাসিক বিজ্ঞাপন :



Disclaimer : এই পোস্ট সম্পূর্ণ কাল্পনিক। জীবিত বা মৃত কোন ব্যক্তি বা ঘটনার সাথে মিলিয়া গেলে যিনি মিল খুঁজিয়া পাইবেন তিনিই দায়বদ্ধ থাকিবেন ! কোন অবস্থাতেই পোস্টদাতা, মডু , ব্লগ দায়ী হইবেক না !

মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই জুন, ২০২০ সকাল ১১:৪৫

বিজন রয় বলেছেন: আরিব্বাসসসসসস।

আপনার ক্রিয়েটিভিটি আছে!

১৫ ই জুন, ২০২০ সকাল ১১:৪৯

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বলেন কি ? আমি মধুর ক্যান্টিনের গ্রাজুয়েট না হইলেও লিলিপুটিয়ান মগজের অধিকারী বলিয়াই জানিতাম ! এক্ষণে কি সংজ্ঞা চেঞ্জ হইবে নাকি ?

প্রত্থম হওয়ায় ধন্যবাদ !

২| ১৫ ই জুন, ২০২০ সকাল ১১:৪৬

বিজন রয় বলেছেন: ১ নম্বরটা পড়ে আমি টাস্কিত!!

১৫ ই জুন, ২০২০ সকাল ১১:৫০

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সেই কুটিকালে শেখা কিনা ! মধুর ক্যান্টিনে নহে যে !

৩| ১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:০৬

পদ্ম পুকুর বলেছেন: বাপ্রে বাপ! আপ্নে ভাই কোন যায়গার জিনিস কই নিয়্যা ঠেকাইলেন? আপ্নেরে লাল সালাম, জয় হিন্ড!

১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:১৫

টারজান০০০০৭ বলেছেন: হে হে হে ! কিযে বলেন মিঞা বাই ! এইডাতো আপনাদের দোআ ! উত্তর মেরু হইতে ঘুড়াইয়া দক্ষিণ মেরুতে টাইন্যা ফেলানো তো এই ব্লগেই শিখছি ! ধইন্যা !

আচ্ছা ! লাল সেলামডা কি ? শুটিয়ে লাল কইরা দেওয়া না তো !

আমি কি জিন্দাবাদ কমু?

৪| ১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:২০

পদ্ম পুকুর বলেছেন: অনেকদিন দেহি নাই, করেনার ভয়ে কি আবার বনের মইদ্যে হান্দাইছিলেন?

১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:২৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বনের রাজা কিনা, বাড়িতে বইসা থাকার অভ্যাস নাই ! করোনা কালে জেন আর আন্ডা বাচ্চার খেদমতেই বিনা পারিশ্রমিকে খাটিয়া মরিতেছি ! কবে যে আবার বনে যাইতে পারিব ! আহা !

মন-মেজাজ ভালো না মিঞা বাই ! তাই লেখা বাইর হয় না ! আমি খেয়াল কইরা দেখিয়াছি , কামলা দিতে দিতে যখন জিহ্বা বাইর হইয়া যায় ,তখনই মাথার মধ্যে লেখা কিলবিল করে ! কামও নাই লেখাও নাই ! তাই অনুপস্থিত !

তাছাড়া ফেবু , ব্লগ করোনা দিয়া ভর্তি ! খারাপ খবর শুনিতে কাহাতক ভালো লাগে ! তাই বিরতি ! আপনার খবর কি ? সুস্থ আছেন তো ?

৫| ১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৪০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনে তো জাহাঙ্গীর পর্যন্ত আইসা আটকায়া গেলেন। শাহজাহান আর ঔরঙ্গজেব এর পর্ব কবে পাবো? পরের পর্ব লেখতে আজ্ঞা হয়। তবে পরের পর্বে এই দুইজনের যে কোনও একজনের ভুমিকায় আপনেরে দেখনের আবদার জানায়া গেলাম।

চ্রম বিনুদুন!!! =p~

১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৫২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সারছে ! জাহাঙ্গীরের উপাখ্যান লিখিতেই জেনের কতগুলো কাম ফাঁকি দিতে হইয়াছে সে খেয়াল আছে? বাকিগুলো লিখিতে গেলে ছাকরি থাকিবে না !

আপনি কি আমাকে ভাতে মারিতে চান , পানিতে মারিতে চান ?

ভাবছি , আপনারে শাহজাহান বানাইয়া আরেকটা ময়ূর সিংহাসন বানায়া লমু !

৬| ১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৪২

কল্পদ্রুম বলেছেন: জাঙ্গিয়ার গুরুত্ব টারজানের চেয়ে বেশি কেউ বোঝার কথা না।মোগলি হয়তো বুঝতে পারে।লেখা মচৎকার হয়েছে।তবে এরকম পরিশীলিত লেখায় ১৮+ ট্যাগ কেন!

১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৫৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আরে তাইতো !! তয় ঐটা তো পাতলুন ! জঙ্গলেই মানায় ! ইট পাথরের জঙ্গলে পালাজ্জোই সই !

ইয়ের কথা আছে তো , নাবালকদের কথা ভাবিয়া আকৃষ্ট করা হইয়াছে ! :D

৭| ১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৪৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হা হা হা
বিজ্ঞাপন দেখে যারপরনাই টাস্কিত ;)


সমন্বয় বিজ্ঞানের দারুন খেল দেখাইলেন বটে!
B-)

১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৫৮

টারজান০০০০৭ বলেছেন: হা হা হা
বিজ্ঞাপন দেখে যারপরনাই টাস্কিত ;)


আমি তো দুই মাস জ্ঞান হারাইয়াছিলাম ! তাইতো ব্লগে আসিতে পারি নাই ! হে হে হে !


সমন্বয় বিজ্ঞানের দারুন খেল দেখাইলেন বটে!

বিজ্ঞাপন বটে ! এক বিজ্ঞাপনেই কমরেড ছেলিব্রেটি !

৮| ১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১২:৫৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনারে শাহজাহান বানাইয়া আরেকটা ময়ূর সিংহাসন বানায়া লমু ! ভুয়া মফিজরে শাহজাহান বানাইলে আমাগো শাজাহানের ইজ্জত থাকবো না। যাউকগ্যা, আপনে তো আমার কথা শুনবেন না......আপনে শুনবেন জেন ম্যাডামের কথা। কি আর করমু!!! :((

১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:০৭

টারজান০০০০৭ বলেছেন: কি যে বলেন ! শাজাহান তো , শাহজাহান , আফনেও ছেলি বেটি হইয়া যাইবেন !

কি করমু কন ! জলে জেন্ ,ডাঙায় করোনা ! জলে নামিয়া লড়াই চলে না ! তাহার কথা না মানিলে আবার যুদ্ধে যাইতে হইবেক !

৯| ১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ১:০২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: বিজ্ঞাপন দেখিয়া টাস্কি খাইয়া ভাবিতেছি আন্ডারওয়্যার পড়িতে বাঙিলী ভুলেনা মাক্স পড়িতে কেন ভুলে যায় ?

১৫ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:১২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ঐখান দিয়াতো বাতাস গ্রহণ করিতে হয় না ভাইডি ! তাছাড়া গুপ্তধন গুপ্ত রাখিতেই বাঙালি পছন্দ করে কিনা ! হে হে হে !

১০| ১৫ ই জুন, ২০২০ দুপুর ২:৫১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: মজাদার লেখা

১৫ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:১৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: সত্যি ?

১১| ১৫ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৩:২২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: অনেকদিন পর আপনাকে দেখলাম। আশা করি ভালো আছেন। আমি মনে করি, এই রসবোধ সম্পন্ন চমৎকার লেখা ১৮্ প্লাস ট্যাগ দেয়ার প্রয়োজন নেই। একটা সুন্দর শিরোনাম ভাবুন। তাহলে একটি সুন্দর লাইক দিতাম।

জটিল একটা বিজ্ঞাপন, কি কঠিন কপি রাইট। যার মাথা থেকে এই জিনিস বের হইছে ব্যাটা একটা জিনিস ( কথ্য ভাষায় মহা হারামী ;) :)

১৫ ই জুন, ২০২০ বিকাল ৪:২১

টারজান০০০০৭ বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ ! ভালো আছি ! আচ্ছা , প্রোফাইলে আপনার ব্যাকাত্যাড়া চেহারাটা সোজা করা যায় না ? আপনার চেহারাতো সোজাই আছে ! আন্ডা , বাচ্চা সহ কেমন আছেন ? ঢাকা এখন বিষন্নতার শহর ! কবে যে আলো আসবে কে জানে !

লেখায় ইয়ের কথা বারবার আসিয়াছে বিধায় কিঞ্চিৎ ১৮+ লাগাইয়াছি ! শিরোনাম ভালো খুঁজিয়া পাই নাই ! পাইলে চেঞ্জ করিব ! মডু যখন বলিয়াছে , তখন ১৮+ বাদ দিলাম !

এই ক্লাসিক বিজ্ঞাপন যাহার মাথা থেইক্যা বাড়াইছে তারে অবশ্যই নোবেল হারামি পদক দেওয়া উচিত ! আপনার সাথে সহমত ! :D

১২| ১৫ ই জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি একজন প্রতিভাবান ব্লগার।

১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ৮:২৬

টারজান০০০০৭ বলেছেন: ধন্যবাদ।নিজেকে প্রতিভাবান ভাবছি না ! সত্যি বলিতে কি প্রতিভাবানদের সহজাত লেখার হাত থাকে। একেকটা লেখা লিখিতে আমার খুব কষ্ট হয় , সহজাত লেখা আসে না !

১৩| ১৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১১:০৪

শের শায়রী বলেছেন: কোথা দিয়া কোথায় নিয়ে আসলেন বুজতে বুজতেই লেখা শেষ। এত দিন কোথায় ছিলেন ভাই? মাঝে মাঝে এই টাইপের কিছু দিলে তো প্রানটা ঝরঝরে হয়ে যায়। :) পোষ্টে লাইক মারলাম।

২৪ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১২:২২

টারজান০০০০৭ বলেছেন: উত্তর মেরু হইতে শুরু করিয়া হোয়াইট হাউস ঘুরাইয়া হাইকোর্ট দেখাইয়া সামুতে লইয়া আসিলাম ! হে হে হে ! :D

যাহা শুরু হইয়াছে , কোথায় আর যাইব বলেন ! বনের রাজা ঘরে থাকিতে থাকিতে বিলাই হইয়া যাইতেছে ! :(

পোস্টে লাইক দেওয়ার জন্য ধইন্যা ! :)

১৪| ১৬ ই জুন, ২০২০ সকাল ৯:৫৮

মেঘলা আকাশ বিষন্ন মন বলেছেন: =p~ =p~

২৪ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১২:২৩

টারজান০০০০৭ বলেছেন: বিষন্ন মনে এতো হাসি কোথা হইতে আসিল ? B:-)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.